খুঁজুন
                               
, ,
           

সাজেক ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা, পর্যটকদের ফিরতে হবে মঙ্গলবার বিকেল ৫টার মধ্যে

খাগড়াছড়ি সংবাদদাতা
প্রকাশিত: রবিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:৫২ অপরাহ্ণ
সাজেক ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা, পর্যটকদের ফিরতে হবে মঙ্গলবার বিকেল ৫টার মধ্যে

রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র সাজেক সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করেছে জেলা প্রশাসন। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এ সিদ্ধান্ত কার্যকর থাকবে। একই সঙ্গে সেখানে অবস্থানরত পর্যটকদের মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেল ৫টার মধ্যে সাজেক ছেড়ে নিজ নিজ গন্তব্যে নিরাপদে ফিরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

রোববার (১১ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টা থেকে এ নির্দেশ কার্যকর হয়। সন্ধ্যা ৭টার দিকে রাঙামাটির জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফীর স্বাক্ষরিত এক জরুরি গণবিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, অনিবার্য কারণবশত সাজেক পর্যটনকেন্দ্র সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত পর্যটনকেন্দ্রটি বন্ধ থাকবে। বর্তমানে সেখানে অবস্থানরত পর্যটকদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এলাকা ত্যাগ করে নিরাপদে নিজ নিজ গন্তব্যে ফিরে যাওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

এর আগে রোববার সকাল ৬টা থেকে সাজেক গণঅধিকার রক্ষা কমিটি ও সাজেক কার্বারি অ্যাসোসিয়েশনের ডাকে অনির্দিষ্টকালের অবরোধ শুরু হয়। এর ফলে সাজেক-দীঘিনালা সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। সড়কের বিভিন্ন স্থানে ব্যারিকেড দেওয়ায় দুই দিক থেকে আসা পর্যটক ও যানবাহন মাঝপথে আটকা পড়ে।

সাধারণত খাগড়াছড়ি ও সাজেকের মধ্যে প্রতিদিন দুই দফায় সেনাবাহিনীর এসকর্টের মাধ্যমে পর্যটকদের যাতায়াতের ব্যবস্থা করা হয়। তবে অবরোধের কারণে রোববার যাতায়াত বিঘ্নিত হয়। খাগড়াছড়ি থেকে সাজেকের উদ্দেশে যাওয়া পর্যটকেরা বাঘাইহাটের গঙ্গারাম উজোবাজার এলাকায় আটকা পড়েন। অন্যদিকে, সাজেক থেকে বের হওয়া পর্যটকেরাও মাচালং এলাকায় আটকে যান।

পরে প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা ও আশ্বাসের পর বিকেল ৫টার দিকে অবরোধকারীরা কর্মসূচি প্রত্যাহার করেন। এরপর সেনাবাহিনী ও স্থানীয় প্রশাসনের সহায়তায় আটকে পড়া পর্যটকেরা নিজ নিজ গন্তব্যের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেন।

অবরোধ প্রত্যাহার হলেও জেলা প্রশাসনের সিদ্ধান্তে সাজেক পর্যটনকেন্দ্র সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। ফলে সেখানে অবস্থানরত পর্যটকদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সাজেক ত্যাগ করতে হবে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সচিব হলেন তিন নারী কূটনীতিক

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬, ২:২৫ পূর্বাহ্ণ
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সচিব হলেন তিন নারী কূটনীতিক

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সচিব পদমর্যাদায় পদোন্নতি পেয়েছেন বিদেশে বাংলাদেশের মিশনে নেতৃত্ব দেওয়া অভিজ্ঞ তিন নারী কূটনীতিক। তাঁরা হলেন ব্রুনাই দারুস সালামে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার নওরীন আহসান, মিশরে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত সামিনা নাজ এবং গ্রিসে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত নাহিদা রহমান সুমনা।

সোমবার (১২ অক্টোবর) তাঁদের সচিব পদমর্যাদায় পদোন্নতি দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। কূটনৈতিক অঙ্গনে দীর্ঘ অভিজ্ঞতাসম্পন্ন এই তিন কর্মকর্তার পদোন্নতিকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক পরিবর্তন হিসেবে দেখা হচ্ছে।

বিসিএস পররাষ্ট্র ক্যাডারের তিন কর্মকর্তা

পদোন্নতিপ্রাপ্ত তিন কর্মকর্তার মধ্যে সামিনা নাজ ও নওরীন আহসান বিসিএস পররাষ্ট্র ক্যাডারের ১৫তম ব্যাচের কর্মকর্তা। নাহিদা রহমান সুমনা ১৭তম ব্যাচের কর্মকর্তা।

তিনজনই বিদেশে বাংলাদেশের বিভিন্ন কূটনৈতিক মিশনে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক উন্নয়ন, কূটনৈতিক যোগাযোগ এবং আন্তর্জাতিক পরিসরে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করার অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁদের।

সামিনা নাজের দীর্ঘ কূটনৈতিক অভিজ্ঞতা

সামিনা নাজ একজন অভিজ্ঞ বাংলাদেশি কূটনীতিক। মিশরে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালনের আগে তিনি ভিয়েতনাম ও লাওসে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ছিলেন।

কূটনৈতিক জীবনে ভারতের মুম্বাই, নেদারল্যান্ডসের হেগ, ভারতের দিল্লি এবং নিউইয়র্কে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশনসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি।

২০১৩ সালে মুম্বাইয়ে বাংলাদেশের ডেপুটি হাইকমিশনার হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের সময় তাঁর নেতৃত্বে একটি বাংলাদেশ মিশনের কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে নারী কূটনীতিকের নেতৃত্বের একটি উল্লেখযোগ্য দৃষ্টান্ত তৈরি হয়।

নাহিদা রহমান সুমনার কূটনৈতিক পথচলা

নাহিদা রহমান সুমনা বর্তমানে গ্রিসে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এথেন্সে দায়িত্ব নেওয়ার আগে তিনি চার বছর ব্রুনাই দারুস সালামে বাংলাদেশের হাইকমিশনার ছিলেন।

দীর্ঘ কূটনৈতিক ক্যারিয়ারে তিনি ব্রাজিলের ব্রাসিলিয়া, কানাডার অটোয়া, ভারতের কলকাতা এবং অস্ট্রেলিয়ার ক্যানবেরায় বাংলাদেশের বিভিন্ন মিশনে দায়িত্ব পালন করেছেন। এসব অভিজ্ঞতা আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও কূটনৈতিক কার্যক্রমে তাঁর পেশাগত দক্ষতাকে সমৃদ্ধ করেছে।

নওরীন আহসানের কূটনৈতিক ক্যারিয়ার

নওরীন আহসান ১৯৯৫ সালে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে যোগ দেন। দীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি দক্ষিণ আফ্রিকার প্রিটোরিয়া, নেদারল্যান্ডসের হেগ এবং কানাডার অটোয়ায় বাংলাদেশের কূটনৈতিক মিশনে বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করেছেন।

বর্তমানে ব্রুনাই দারুস সালামে বাংলাদেশের হাইকমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। বিদেশে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব এবং কূটনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনার অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে এবার সচিব পদমর্যাদায় পদোন্নতি পেলেন এই কর্মকর্তা।

তিন নারী কূটনীতিকের এই পদোন্নতির মধ্য দিয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক কাঠামোতে তাঁদের অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর নতুন সুযোগ তৈরি হয়েছে। তবে তাঁদের নির্দিষ্ট সচিব পদে দায়িত্ব বণ্টন সম্পর্কে প্রজ্ঞাপনে কী বলা হয়েছে, তা নিশ্চিত হওয়ার পর বিস্তারিত জানা যাবে।

কালের আলো/এএএন/এমএসআইপি

ঢাকা থেকে সৌদিগামী ৬১ ফ্লাইট বাতিল, ভোগান্তিতে হাজারো যাত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬, ২:০৭ পূর্বাহ্ণ
ঢাকা থেকে সৌদিগামী ৬১ ফ্লাইট বাতিল, ভোগান্তিতে হাজারো যাত্রী

সৌদি আরবের বিভিন্ন বিমানবন্দরে কার্যক্রম সীমিত হওয়ায় ঢাকা থেকে পরিচালিত ৬১টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট স্থগিত হয়েছে। এতে অন্তত ৮ হাজার ৩৮১ জন যাত্রী ভোগান্তিতে পড়েছেন। এর মধ্যে সরাসরি ফ্লাইট ২২টি এবং ট্রানজিট ফ্লাইট ৩৯টি। রিয়াদ এয়ারলাইন্সের যাত্রীদের হিসাব যুক্ত হলে ভোগান্তিতে পড়া মানুষের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।

সোমবার (১৩ অক্টোবর) রাত ১২টা ৭ মিনিটে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) এ তথ্য জানায়।

সরাসরি ফ্লাইট স্থগিত ২২টি

বেবিচকের তথ্য অনুযায়ী, স্থগিত হওয়া সরাসরি ফ্লাইটগুলোর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ৯টি, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের দুটি, সৌদিয়া এয়ারলাইন্সের চারটি এবং রিয়াদ এয়ারলাইন্সের সাতটি ফ্লাইট রয়েছে।

এসব ফ্লাইট স্থগিত হওয়ায় সৌদি আরবগামী যাত্রীদের নির্ধারিত সময়ে যাত্রা করা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। যাঁরা আগে থেকেই টিকিট কেটেছিলেন, তাঁদের অনেকের ভ্রমণসূচি ব্যাহত হয়েছে।

ট্রানজিট ফ্লাইট স্থগিত ৩৯টি

সরাসরি ফ্লাইটের পাশাপাশি বিভিন্ন আন্তর্জাতিক এয়ারলাইন্সের ৩৯টি ট্রানজিট ফ্লাইটও স্থগিত হয়েছে। এর মধ্যে ইন্ডিগোর ১৬টি, এমিরেটসের ৯টি, কাতার এয়ারওয়েজের ৫টি, ফ্লাইদুবাইয়ের ৫টি, সালাম এয়ারের ৩টি এবং ইজিপ্টএয়ারের একটি ফ্লাইট রয়েছে।

এসব ফ্লাইটে যাতায়াতের পরিকল্পনা করা যাত্রীদেরও ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। ট্রানজিট ফ্লাইটের ক্ষেত্রে যাত্রীরা অন্য বিমানবন্দর হয়ে গন্তব্যে পৌঁছানোর কথা থাকলেও ফ্লাইট স্থগিত হওয়ায় তাঁদের যাত্রা ব্যাহত হচ্ছে।

ভোগান্তিতে হাজারো যাত্রী

বেবিচকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ফ্লাইট স্থগিতের কারণে এখন পর্যন্ত অন্তত ৮ হাজার ৩৮১ জন যাত্রী ভোগান্তিতে পড়েছেন। তাঁদের মধ্যে সৌদি আরবগামী সরাসরি ফ্লাইটের যাত্রীদের পাশাপাশি বিভিন্ন দেশ হয়ে সৌদি আরবে যাওয়ার পরিকল্পনা করা যাত্রীরাও রয়েছেন।

ফ্লাইট স্থগিত হওয়ায় যাত্রীদের ভ্রমণসূচি পিছিয়ে যাচ্ছে। এতে সময়মতো গন্তব্যে পৌঁছানো নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। রিয়াদ এয়ারলাইন্সের যাত্রীদের হিসাব যুক্ত হলে মোট ক্ষতিগ্রস্ত যাত্রীর সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

সৌদির বিমানবন্দর পরিস্থিতিতে প্রভাব

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, হুথিদের হামলার কারণে সৌদি আরবের বিভিন্ন বিমানবন্দরে কার্যক্রম সীমিত হওয়ায় ফ্লাইট চলাচলে এই বিঘ্ন ঘটেছে। বিমানবন্দরগুলোর কার্যক্রম সীমিত থাকায় নির্ধারিত সময়ে যাত্রা ও গন্তব্যে পৌঁছাতে পারছেন না অনেক যাত্রী।

পরিস্থিতির প্রভাবে আন্তর্জাতিক আকাশপথে যাতায়াতের পরিকল্পনাও ব্যাহত হচ্ছে। বিশেষ করে সৌদি আরবগামী যাত্রীদের জন্য ফ্লাইটের সময়সূচি ও যাত্রার সর্বশেষ অবস্থা সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইন্সের তথ্য অনুসরণ করা গুরুত্বপূর্ণ।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি

ছয় শব্দের পোস্টে তোলপাড়, কী লিখলেন জামায়াত আমির?

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬, ১:৪৯ পূর্বাহ্ণ
ছয় শব্দের পোস্টে তোলপাড়, কী লিখলেন জামায়াত আমির?

বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের ফেসবুক পোস্ট ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয়েছে আলোচনা। সোমবার (১২ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টা ২৩ মিনিটে দেওয়া সংক্ষিপ্ত পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘চোরের মন পুলিশ-পুলিশ। সাধু সাবধান।’

মাত্র ছয় শব্দের এই পোস্টে কাকে বা কোন বিষয়কে ইঙ্গিত করা হয়েছে, সে বিষয়ে স্পষ্ট করে কিছু উল্লেখ করেননি জামায়াত আমির। ফলে পোস্টটির বক্তব্য ও সম্ভাব্য ইঙ্গিত নিয়ে নেটিজেনদের মধ্যে আলোচনা তৈরি হয়েছে।

তুরস্ক সফর শেষে আলোচনায় জামায়াত আমির

সম্প্রতি তুরস্ক ও সৌদি আরব সফর শেষে দেশে ফিরেছেন ডা. শফিকুর রহমান। তাঁর ফেসবুক টাইমলাইনে তুরস্ক সফর নিয়ে একাধিক পোস্টও দেখা গেছে। সেখানে তুরস্ক সরকারের সঙ্গে বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হওয়ার কথা জানিয়েছেন তিনি।

জামায়াত আমিরের ভাষ্য অনুযায়ী, তুরস্ক সরকারের সঙ্গে আলোচনায় বাংলাদেশের শিক্ষা, তৈরি পোশাক খাত এবং মক্কা প্যাক্টসহ বিভিন্ন বিষয় উঠে এসেছে।

রোববার সকালে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি জানান, তুরস্কে আন্তর্জাতিক সম্মেলনে অংশ নেওয়ার অন্যতম উদ্দেশ্য ছিল আন্তর্জাতিক পরিসরে বাংলাদেশকে তুলে ধরা।

বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় আলোচনার ওপর গুরুত্ব

সফর নিয়ে বক্তব্যে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, কোনো হামলাই বিশ্বের জন্য কল্যাণকর নয়। তাঁর মতে, আলোচনার মাধ্যমেই বিশ্বে শান্তি ফিরে আসা উচিত।

তুরস্ক সফরের সময় আন্তর্জাতিক বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা ও বৈঠকে অংশ নেওয়ার পাশাপাশি বাংলাদেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো তুলে ধরার কথাও জানান তিনি।

৭ অক্টোবর তুরস্কের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়েন

গত ৭ অক্টোবর তুরস্কের ইস্তাম্বুল বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত ‘সেকেন্ড ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স অন বাংলাদেশ স্টাডিজে’ প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দিতে ঢাকা ছাড়েন ডা. শফিকুর রহমান।

তুরস্কে পৌঁছে ৮ অক্টোবর দেশটির পার্লামেন্টের স্পিকার অধ্যাপক ড. নুমান কুরতুলমুশের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। পরে ৯ অক্টোবর ইস্তাম্বুল বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জামায়াত আমির।

তুরস্ক সফর ও সৌদি আরবে ওমরাহ পালন শেষে দেশে ফেরার পর তাঁর দেওয়া নতুন ফেসবুক পোস্টটি ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা তৈরি হয়েছে। তবে পোস্টে নির্দিষ্ট কাউকে লক্ষ্য করে বক্তব্য দেওয়া হয়েছে কি না, তা তিনি স্পষ্ট করেননি।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি