খুঁজুন
                               
শনিবার, ৯ মে, ২০২৬, ২৬ বৈশাখ, ১৪৩৩
           

তৃতীয় সি-১৩০ পরিবহন বিমান সংযোজন, বিমান বাহিনীর পরিবহন সক্ষমতা বিশ্বমানে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ৮:২১ অপরাহ্ণ
তৃতীয় সি-১৩০ পরিবহন বিমান সংযোজন, বিমান বাহিনীর পরিবহন সক্ষমতা বিশ্বমানে

নিজস্ব প্রতিবেদক, কালের আলো :

আধুনিকায়নের মাধ্যমে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীকে একটি সুসজ্জিত, শক্তিশালী ও দক্ষ বাহিনীতে পরিণত করার কার্যকর সব উদ্যোগ গ্রহণ করেছে সরকার। বিমান বাহিনীকে নিরাপদ, গতিশীল ও নিজেদের সক্ষমতা বিশ্বমানে উন্নীত করতে এবার বাহিনীটির বহরে যুক্ত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি তৃতীয় সি-১৩০ জে বিমান।

অত্যাধুনিক এভিওনিক্স ও উন্নত প্রযুক্তি সম্পন্ন এই পরিবহন বিমান মালামাল ও সৈন্য পরিবহনসহ দেশে এবং বিদেশে মানবিক সহায়তা কার্যক্রম এবং জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে ব্যবহৃত হবে।

বিমান বাহিনীর পরিবহন ক্ষমতা আরও বাড়াতে বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) তৃতীয় সি-১৩০ জে বিমানটি যুক্তরাজ্য থেকে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর নিজস্ব বৈমানিকের মাধ্যমে সফল ফেরী ফ্লাইটের মাধ্যমে বাংলাদেশ বিমান বাহিনী ঘাঁটি ‘বঙ্গবন্ধু’তে অবতরণ করে।

পরে বিমান বাহিনী ঘাঁটি ‘বঙ্গবন্ধু’তে ঐতিহ্যগত রীতি মোতাবেক বিমানটিকে অভ্যর্থনা জানানো হয়। এ সময় বাংলাদেশ বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চীফ মার্শাল মাসিহুজ্জামান সেরনিয়াবাত ও বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনার এইচ ই রবার্ট চ্যাটার্টন ডিকসন উপস্থিত ছিলেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দিক নির্দেশনা ও ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় সরকার বাংলাদেশ বিমান বাহিনীকে আধুনিক, শক্তিশালী ও পেশাদার বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলতে বহুমাত্রিক উদ্যোগ নিয়েছেন। এরই ধারাবাহিকতায় যুক্তরাষ্ট্রের তৈরী অত্যাধুনিক ৫টি সি-১৩০জে পরিবহন বিমান এই বাহিনীতে সংযোজনের পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়।

আর এ পদক্ষেপ বাস্তবায়নে যুক্তরাজ্যের রয়েল এয়ার ফোর্সের সাথে ক্রয় চুক্তি এবং মার্শাল এ্যারোস্পেস এন্ড ডিফেন্স গ্রুপের সঙ্গে রক্ষণাবেক্ষণ চুক্তির মাধ্যমে বিমান বাহিনীতে সংযোজনের কার্যক্রম চলছে।

সূত্র জানায়, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অপরিসীম প্রজ্ঞা ও দূরদৃষ্টিকে ধারণ করে সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকায়নের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন। ইতোমধ্যেই বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, নৌ ও বিমান বাহিনীর উন্নত যুদ্ধকৌশল, দক্ষতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য যুগোপযোগী ও অত্যাধুনিক যুদ্ধের বিভিন্ন উপকরণ সংযোজিত হয়েছে।

একই সূত্র কালের আলোকে আরও জানায়, বাংলাদেশ বিমান বাহিনীকে সর্বাধুনিক ও অগ্রসর বাহিনীতে পরিণত করতে দক্ষতার সঙ্গেই বাংলাদেশ বিমান বাহিনীকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন বাহিনীটির প্রধান এয়ার চীফ মার্শাল মাসিহুজ্জামান সেরনিয়াবাত। আন্তরিকতা, নিষ্ঠা ও কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে অতীতের ধারাবাহিকতায় তিনি বিমান বাহিনীকে একটি সুশৃঙ্খল বাহিনীতে রূপ দিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) তৃতীয় সি-১৩০ জে বিমানটি বাংলাদেশ বিমান বাহিনী ঘাঁটি ‘বঙ্গবন্ধু’তে অবতরণের মাধ্যমে বিমান বাহিনীর পরিবহন ক্ষমতা ও সক্ষমতাকে অনেক গুণ বাড়িয়ে দেবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

পরে গণমাধ্যম কর্মীদের এ বিষয়ে ব্রিফ করেন সহকারী বিমান বাহিনী প্রধান (পরিচালন) এয়ার ভাইস মার্শাল এম আবুল বাশার। অনুষ্ঠানে বিমান সদরের বিভিন্ন প্রিন্সিপাল ষ্টাফ অফিসার, বিমান বাহিনী ঘাঁটি বঙ্গবন্ধু ও বাশার এর এয়ার অধিনায়ক এবং উচ্চপদস্থ সামরিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আন্ত:বাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানিয়েছে, তৃতীয় সি-১৩০জে বিমানটি যুক্তরাজ্য থেকে সফল ফেরী ফ্লাইটের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু’তে অবতরণের মিশনের নেতৃত্ব দেন বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর গ্রুপ ক্যাপ্টেন মো. আহসানুর রহমান। যাত্রাপথে বিমানটি কায়রো (মিশর) ও মাসকাটেও (ওমান) অবতরণ করে।

একই সূত্র জানায়, যুক্তরাজ্য থেকে পর্যায়ক্রমে আরও অত্যাধুনিক ৪টি সি-১৩০জে পরিবহন বিমান নিয়ে আসার পরিকল্পনা রয়েছে।

কালের আলো/এমসি/এমএ

ভোররাতে ছিনতাইকারীর কবলে বরযাত্রীর মাইক্রোবাস, সর্বস্ব লুট

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ৯ মে, ২০২৬, ২:০৫ পূর্বাহ্ণ
ভোররাতে ছিনতাইকারীর কবলে বরযাত্রীর মাইক্রোবাস, সর্বস্ব লুট
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে বিয়ে বাড়ি থেকে ফেরারপথে ছিনতাইকারীর কবলে পড়েছে বরযাত্রীদের বহনকারী মাইক্রোবাস। এ সময় অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে লুট করা হয় নগদ টাকা, অলংকার, গহনাসহ সব। শুক্রবার (৮ মে) ভোর সাড়ে ৪টার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে উপজেলার নূনাছড়া এলাকায় পাশে এ ঘটনা ঘটেভুক্তভোগীদের একজন জনি বণিক (২৯) জানান, একটি বিয়ের অনুষ্ঠান শেষে তারা মাইক্রোবাসযোগে বাড়ি ফিরছিলেন। পথে নূনাছড়া এলাকায় পৌঁছালে হঠাৎ বিকট শব্দ শোনা যায়। পরে গাড়িচালক গাড়িটি থামালে তারা কয়েকজন নিচে নেমে মোবাইলের লাইট জ্বালিয়ে গাড়ি থেকে কিছু পড়ে গেছে কি না তা খোঁজাখুঁজি করতে থাকেন।এ সময় হঠাৎ মহাসড়কের পাশের জমি থেকে ৫ থেকে ৬ জন সশস্ত্র দুর্বৃত্ত বেরিয়ে আসে। তাদের হাতে রামদা, কিরিচ ও ছুরি ছিল। দুর্বৃত্তরা ভয়ভীতি দেখিয়ে গাড়িতে থাকা যাত্রীদের জিম্মি করে ৫টি মোবাইল ফোন, মানিব্যাগে থাকা প্রায় ৩০ হাজার টাকা, নগদ অর্থ এবং স্বর্ণালংকার ছিনিয়ে নেয়। তিনি আরও জানান, গাড়ির বাইরে থাকা তিনজনকে ধাওয়া করলে তারা প্রাণ বাঁচাতে দৌড়ে পাশের একটি মসজিদে গিয়ে আশ্রয় নেন। পরে মসজিদের ভেতর থেকে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়।ঘটনার পর ভুক্তভোগীরা সীতাকুণ্ড মডেল থানায় গিয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। সকালে কুমিরা হাইওয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।এ বিষয়ে কুমিরা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রব্বানী বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ গ্রহণ করা হয়েছে এবং জড়িতদের শনাক্ত করে দ্রুত গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

কালের আলো/এসআইপি

বিএনপিই প্রথম শাপলা চত্বরের হত্যাকাণ্ডকে গণহত্যার স্বীকৃতি দিয়েছিল: তথ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৮ মে, ২০২৬, ৯:৩৫ অপরাহ্ণ
বিএনপিই প্রথম শাপলা চত্বরের হত্যাকাণ্ডকে গণহত্যার স্বীকৃতি দিয়েছিল: তথ্যমন্ত্রী

দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে বিএনপির বিবৃতিতেই সর্বপ্রথম শাপলা ট্র্যাজেডিকে ‘গণহত্যা’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছিল, বলে দাবি করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।

শুক্রবার (৮ মে) রাজধানীর বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের প্রধান মিলনায়তনে শাপলা স্মৃতি সংসদ আয়োজিত ‘শাপলার শহীদগাঁথা: স্মরণ ও মূল্যায়ন’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, শাপলা চত্বরের ঘটনার পর বিএনপি সাহসিকতার সঙ্গে এটিকে গণহত্যা হিসেবে তুলে ধরেছিল। তিনি দাবি করেন, বর্তমান সরকার ওই ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিচারের আওতায় আনতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

তিনি আরও বলেন, বিগত সরকারের সময়ে এ ঘটনার প্রকৃত তথ্য আড়াল করার চেষ্টা করা হয়েছিল। তার অভিযোগ, সে সময় বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন মামলা দিয়ে হয়রানি করা হয় এবং শাপলা চত্বরের ঘটনার সত্য চাপা দেওয়ার চেষ্টা চলে।

একই অনুষ্ঠানে ১১-দলীয় ঐক্যের নেতারাও বক্তব্য দেন। তারা শাপলা চত্বরের ঘটনাকে ‘ফ্যাসিবাদের নির্মম উদাহরণ’ হিসেবে উল্লেখ করে বিচার দাবি করেন।

অনুষ্ঠানে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, শাপলা চত্বরে অভিযান চালানোর সময় বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ করে ব্যাপক শক্তি প্রয়োগ করা হয়েছিল। তিনি দাবি করেন, এখন পর্যন্ত তদন্তে ৭২ জনের বেশি মানুষের মৃত্যুর তথ্য পাওয়া গেছে এবং আরও অনেকে নিখোঁজ রয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, ২০১৩ সালের ৫ মে’র ঘটনা এবং ২০২৪ সালের জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থান একই রাজনৈতিক ধারাবাহিকতার অংশ, যা কর্তৃত্ববাদবিরোধী আন্দোলনের প্রতিফলন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

মাদক পাচার রোধে ঢাকা-ইসলামাবাদ সমঝোতা স্মারক সই

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৮ মে, ২০২৬, ৯:২৯ অপরাহ্ণ
মাদক পাচার রোধে ঢাকা-ইসলামাবাদ সমঝোতা স্মারক সই

মাদকদ্রব্য ও সাইকোট্রপিক উপাদানের অবৈধ পাচার এবং অপব্যবহার প্রতিরোধে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হয়েছে।

শুক্রবার (৮ মে) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এবং পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সৈয়দ মহসিন রাজা নাকভি নিজ নিজ দেশের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা ফয়সল হাসান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এই সমঝোতা স্মারকের আওতায় দুই দেশ মাদক পাচার, মাদক সংক্রান্ত অর্থ পাচার এবং সংশ্লিষ্ট অপরাধ প্রতিরোধে তথ্য আদান-প্রদান ও কারিগরি সহযোগিতা জোরদার করবে। পাশাপাশি মাদক পাচারে জড়িত সন্দেহভাজন ব্যক্তি, পাচারকারী চক্র এবং নতুন পাচার কৌশল ও রুট সম্পর্কে নিয়মিত গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় করা হবে।

সমঝোতা অনুযায়ী, উভয় দেশের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো পারস্পরিক অনুরোধের ভিত্তিতে যৌথ গোয়েন্দা কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবে। এছাড়া ‘কন্ট্রোলড ডেলিভারি অপারেশন’-এর মতো সমন্বিত অভিযান পরিচালনার বিষয়েও দুই দেশ একমত হয়েছে।

চুক্তিতে মাদক নিয়ন্ত্রণ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ, পুনঃপ্রশিক্ষণ এবং বৈজ্ঞানিক গবেষণার ফলাফল বিনিময়ের বিষয়ও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। একইসঙ্গে লুকানো মাদক শনাক্তে আধুনিক প্রযুক্তিগত সরঞ্জাম ও স্নিফার ডগ ব্যবহারের অভিজ্ঞতা বিনিময়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নিয়মিত ও অপারেশনাল তথ্য বিনিময়ের জন্য বাংলাদেশের পক্ষে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর এবং পাকিস্তানের পক্ষে অ্যান্টি নারকোটিকস ফোর্স (এএনএফ) ফোকাল পয়েন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে।

এতে আরও উল্লেখ করা হয়, আদান-প্রদানকৃত সব তথ্য ও নথিপত্রের কঠোর গোপনীয়তা বজায় রাখা হবে এবং তৃতীয় কোনো পক্ষের কাছে তা প্রকাশ করা হবে না।

চুক্তিটি স্বাক্ষরের দিন থেকে ১০ বছরের জন্য কার্যকর থাকবে। পরবর্তী সময়ে উভয় পক্ষের সম্মতির ভিত্তিতে এর মেয়াদ আরও বাড়ানো যাবে।

বাংলাদেশ ও পাকিস্তান উভয় দেশই আশা প্রকাশ করেছে, এই সহযোগিতার মাধ্যমে মাদক পাচার প্রতিরোধের পাশাপাশি দুই দেশের নাগরিকদের জনস্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখা সম্ভব হবে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ