খুঁজুন
                               
, ,
           

ট্রাস্ট আজিয়াটা পে উদ্বোধন, গ্রাহক সেবার মান বৃদ্ধির আশাবাদ সেনাপ্রধানের

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ২৮ জুলাই, ২০২১, ১০:০৮ অপরাহ্ণ
ট্রাস্ট আজিয়াটা পে উদ্বোধন, গ্রাহক সেবার মান বৃদ্ধির আশাবাদ সেনাপ্রধানের

নিজস্ব সংবাদদাতা, কালের আলো :

দেশের ডিজিটাল আর্থিক লেনদেনে নতুন মাত্রা যোগ করতে এবং গ্রাহকদের নিরাপদ সেবা প্রদানের লক্ষ্যে চালু হলো নতুন মোবাইল ফিন্যান্শিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) ট্রাস্ট আজিয়াটা পে বা “ট্যাপ’। বুধবার (২৮ জুলাই ২০২১) দুপুরে ট্রাস্ট ব্যাংক এর হেড অফিসে এই বাণিজ্যিক কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন ট্রাস্ট আজিয়াটা ডিজিটাল লিমিটেড এর চেয়ারম্যান সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ।

ট্যাপ সেবাটি ট্রাস্ট ব্যাংক লিমিটেড (টিবিএল) এবং আজিয়াটা ডিজিটাল সার্ভিসেস (এডিএস) এর যৌথ উদ্যোগে গঠিত ট্রাস্ট আজিয়াটা ডিজিটাল লিমিটেডের একটি উদ্যোগ। এ সেবাটি চালু করার মাধ্যমে গ্রাহক সেবার মান বহুগুনে বৃদ্ধি পাবে বলে দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন সেনাপ্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ।

আন্ত:বাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানিয়েছে, এই সেবাটির আওতায় গ্রাহকরা অর্থ জমা ও লেনদেন, ইউলিটি বিল পরিশোধ, বীমার কিস্তি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ফি এবং তিন বাহিনীর নিয়োগ সংক্রান্ত ফি জমা, রেমিট্যান্স গ্রহণ, অনলাইনে মার্চেন্ট পেমেন্ট এবং সকল মোবাইল ফোন অপারেটরের রিচার্জ সেবা গ্রহণ করতে পারবেন। ট্যাপ এর বিশেষত্ব হচ্ছে গ্রাহকরা শুধুমাত্র জাতীয় পরিচয়পত্র ও সেলফির মাধ্যমে সেবাটি গ্রহণের জন্য নিবন্ধন করতে পারবেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সেনাবাহিনী প্রধান জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী এবং মহান স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীর এই শুভক্ষণে এমন একটি সেবা চালু করতে পেরে গভীর সন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, বর্তমান প্রযুক্তির যুগে মোবাইল ফিন্যান্শিয়াল সার্ভিস বা এমএফএস একটি অত্যাধুনিক ও উপযোগী প্রযুক্তি।

এমএফএস প্রযুক্তি ব্যবহার করে আর্মি ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের একটি কোম্পানী ট্রাস্ট ব্যাংক লিমিটেড এবং আজিয়াটা ডিজিটাল সার্ভিস এর যৌথ উদ্যোগে ট্রাস্ট আজিয়াটা পে বা ট্যাপ (tap) সেবাটি চালু করার মাধ্যমে গ্রাহক সেবার মান বহুগুনে বৃদ্ধি পাবে বলে তিনি মত প্রকাশ করেন। শীঘ্রই ‘ট্যাপ’ এর এই সেবা দেশের জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে যাবে বলে আশা প্রকাশ করেন সেনাবাহিনী প্রধান।

ট্রাস্ট ব্যাংকের ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড সিইও মিসেস হুমায়রা আজম বলেন, ‘দেশের মানুষকে সেরা ব্যাংকিং সুবিধাটি প্রদান করাই ট্রাস্ট ব্যাংক এর লক্ষ্য। এই ভাবনা থেকেই আজিয়াটা গ্রুপের সাথে আমাদের যুক্ত হওয়া। আমার বিশ্বাস আজিয়াটা গ্রুপের সাহায্যে আমরা বাংলাদেশের মানুষকে লেনদেনের ডিজিটাল সুবিধা দেয়ার ক্ষেত্রে অনেকখানি এগিয়ে যেতে পারব।’

ট্রাস্ট আজিয়াটা ডিজিটাল লিমিটেডের ভারপ্রাপ্ত সিইও দেওয়ান নাজমুল হাসান বলেন, ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ ভিশনকে সামনে রেখে স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীর প্রাক্কালে ট্যাপ (tap) চালু করতে পেরে আমরা আনন্দিত। আমাদের বিশ্বাস বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও ট্রাস্ট ব্যাংক লিমিটেডের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানাবে সর্বস্তরের জনগণ। মোবাইলে অর্থ লেনদেনে আস্থার প্রতীক হয়ে উঠবে ট্রাস্ট আজিয়াটা ডিজিটাল লিমিটেড।”

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও অংশগ্রহণ করেন আর্মি ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট এর ভাইস চেয়ারম্যান ও সেনা সদরের অ্যাডজুটেন্ট জেনারেল (এজি) মেজর জেনারেল সাকিল আহমেদ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল মনসুর মোঃ আশরাফ খান এবং আজিয়াটা ডিজিটাল সার্ভিসেস এর চিফ ফিন্যান্শিয়াল অফিসার এন্থনি শেয়ান্থা আবেকুন, বোর্ড অব ডিরেক্টরস সুব্বারমন বৈদ্যনাথন, চিফ স্ট্রাটেজি অফিসার তোমু মারুয়ামা প্রমুখ।

কালের আলো/আরআই/জিকেএম

ওলিসের জাদুতে মাঠে ফিরলেন জিদান

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:০৩ অপরাহ্ণ
ওলিসের জাদুতে মাঠে ফিরলেন জিদান

অসাধারণ খেলোয়াড়দের একটি বিশেষ ক্ষমতা থাকে—তাঁদের নৈপুণ্য শুধু মাঠে সীমাবদ্ধ থাকে না, তা ছড়িয়ে পড়ে গ্যালারি ও ডাগআউটেও। দর্শকদের আবেগে ভাসিয়ে দেয় তাঁদের খেলা। ব্রাসেলসে গতকাল রাতেও তেমনই এক দৃশ্যের জন্ম হলো। ফরাসি মিডফিল্ডার মাইকেল ওলিসের দুর্দান্ত গোলে এতটাই মুগ্ধ হয়েছিলেন ফ্রান্সের কোচ জিনেদিন জিদান যে, ডাগআউট ছেড়ে টাচলাইনের পাশে দৌড়াতে শুরু করেন তিনি।

মাঠে ছিলেন ওলিসে, ডাগআউটে জিদান। কিন্তু ৮৮ মিনিটে ওলিসের করা অসাধারণ গোলের মুহূর্তে সেই দূরত্ব যেন আর থাকল না। গোলের সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়ে জিদানও হয়ে উঠেছিলেন সাধারণ এক ফুটবল দর্শক।

ওলিসের দৌড়ে দৌড়ালেন জিদান

বেলজিয়ামের বিপক্ষে ম্যাচটি যখন গোলশূন্য ড্রয়ের দিকে এগোচ্ছিল, তখনই বদলি হিসেবে নামা ওলিসে বদলে দেন পুরো ম্যাচের চিত্র। নিজেদের অর্ধ থেকে বল নিয়ে মাঝমাঠ পেরিয়ে বেলজিয়ামের রক্ষণে ঢুকে পড়েন তিনি। পথে এক ডিফেন্ডারকে অসাধারণ ড্রিবলিংয়ে পরাস্ত করে বিপৎসীমায় পৌঁছে যান।

ওলিসের সেই মুভ দেখেই যেন আর নিজেকে ধরে রাখতে পারেননি জিদান। টাচলাইন ধরে তাঁর সঙ্গে সঙ্গে দৌড়াতে শুরু করেন ফ্রান্সের কোচ। ওলিসে গোল করার পরও থামেননি জিদান। উত্তেজনার মুহূর্তে সামনে থাকা একটি বলে কিকও মেরে বসেন তিনি।

ফুটবল যে কতটা আবেগের খেলা, সেই দৃশ্যই যেন তার প্রমাণ হয়ে ওঠে।

‘ওর পেছন পেছন গেলাম’

ম্যাচ শেষে নিজের এমন উদযাপনের ব্যাখ্যাও দিয়েছেন জিদান। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ফরাসি কিংবদন্তি জানান, ওলিসের ড্রিবলিং দেখে তিনি মুহূর্তটির অংশ হয়ে যেতে চেয়েছিলেন।

জিদানের ব্যাখ্যায়, তিনি বুঝতে পেরেছিলেন ওলিসে ড্রিবলিং শুরু করেছেন এবং দুর্দান্ত একটি মুভ তৈরি করেছেন। তাই নিজের অজান্তেই তাঁর পেছন পেছন দৌড়াতে শুরু করেন। এরপর সামনে একটি বল দেখতে পেয়ে আনন্দের বশে সেটিতে কিক মেরে দেন।

জিদানের কাছে ঘটনাটি হয়তো কিছুটা হাস্যকর মনে হতে পারে, কিন্তু সেই মুহূর্তে আবেগের কাছে যুক্তির কোনো জায়গা ছিল না।

ওলিসেকে ‘নিখাদ প্রতিভা’ বললেন জিদান

শুধু গোল বা উদযাপন নয়, পুরো ম্যাচজুড়েই ওলিসের পারফরম্যান্সে মুগ্ধ জিদান। ফরাসি মিডফিল্ডারকে প্রশংসায় ভাসিয়ে তিনি বলেন, ওলিসে নিখাদ প্রতিভা। সে ফুটবল খেলতে ভালোবাসে এবং তার খেলায় সেই আবেগ স্পষ্টভাবে ফুটে ওঠে।

জিদানের মতে, ওলিসে ফুটবলকে নিজের অনুভূতির সঙ্গে ধারণ করে খেলেন। এমন একজন খেলোয়াড়ের পাশে থাকতে পারাকে নিজের জন্যও আনন্দের বলে মনে করেন ফ্রান্সের কোচ।

এমবাপ্পে না থাকলেও জয় পেল ফ্রান্স

চোটের কারণে কিলিয়ান এমবাপ্পে এই ম্যাচে ছিলেন না। তাঁর অনুপস্থিতিতে ফ্রান্সের একাদশেও বড় পরিবর্তন আনতে হয় জিদানকে। আগের ম্যাচের তুলনায় নয়টি পরিবর্তন নিয়ে মাঠে নামে ফরাসিরা।

তবু শেষ পর্যন্ত জয় তুলে নিতে কোনো গোলই যথেষ্ট ছিল—আর সেই গোল এসেছে ওলিসের পা থেকে। ৮৮ মিনিটে তাঁর অসাধারণ ব্যক্তিগত নৈপুণ্যে বেলজিয়ামকে ১–০ গোলে হারিয়েছে ফ্রান্স।

এই জয়ের ফলে ফ্রান্সের কোচ হিসেবে নিজের প্রথম দুই ম্যাচেই জয় পেলেন জিদান। ১৯৯৪ সালে আইমে জ্যাকের পর ফ্রান্সের চতুর্থ কোচ হিসেবে দায়িত্বের প্রথম দুই ম্যাচে জয়ের কীর্তি গড়লেন তিনি।

জিদানের প্রথম দুই ম্যাচেই ওলিসের সরাসরি অবদান

জিদানের অধীনে ফ্রান্সের প্রথম দুই ম্যাচেই ওলিসের রয়েছে সরাসরি অবদান। আগের ম্যাচে তুরস্কের বিপক্ষে ১–০ গোলে জয়ের ম্যাচে গোলটির উৎস ছিলেন বায়ার্ন মিউনিখের এই মিডফিল্ডার। আর বেলজিয়ামের বিপক্ষে এবার নিজেই করলেন জয়সূচক গোল।

অর্থাৎ জিদানের অধীনে প্রথম দুই ম্যাচে ফ্রান্সের দুটি গোলেই সরাসরি অবদান রয়েছে ওলিসের।

ফ্রান্সের কোনো কোচের অধীনে দায়িত্বের প্রথম দুই গোলেই এমন সরাসরি অবদান সর্বশেষ দেখা গিয়েছিল এরিক ক্যান্টোনার ক্ষেত্রে। ১৯৯২ সালে জেরার্ড হুলিয়ের কোচ হওয়ার পর তাঁর অধীনে ফ্রান্সের প্রথম দুই গোলেই একটি গোল ও একটি অ্যাসিস্ট করেছিলেন ক্যান্টোনা।

জাতীয় দলের জার্সিতে দুর্দান্ত ওলিসে

ফ্রান্সের জার্সিতে ওলিসের দুর্দান্ত ফর্ম অবশ্য নতুন নয়। ২০২৪ সালে জাতীয় দলে অভিষেকের পর এখন পর্যন্ত ২৭ ম্যাচ খেলেছেন তিনি। এর মধ্যে গোল করেছেন ৮টি এবং সতীর্থদের দিয়ে করিয়েছেন আরও ১০টি।

অর্থাৎ জাতীয় দলের হয়ে ২৭ ম্যাচে ১৮টি গোলে সরাসরি অবদান রয়েছে তাঁর।

ফ্রান্সের হয়ে প্রথম ২৭ ম্যাচে এমন পরিসংখ্যান খুব কম খেলোয়াড়েরই ছিল। সর্বশেষ কাছাকাছি উদাহরণ খুঁজতে ফিরে যেতে হয় ১৯৯৭ সালে। ১৯৯৩ সালে অভিষেকের পর প্রথম ২৭ ম্যাচে ইউরি দিয়োরকায়েফের গোল ছিল ১৪টি, সঙ্গে ছিল ৮টি অ্যাসিস্ট।

জিদানের সঙ্গে যেন পুরোনো এক মিল

দিয়োরকায়েফের সঙ্গে ১৯৯৮ বিশ্বকাপ জিতেছিলেন জিদান। তবে ওলিসের খেলার ধরন ও পরিসংখ্যান তাঁকে আলাদা করে তুলছে। মাঝমাঠ থেকে আক্রমণে উঠে যাওয়া, ড্রিবলিং, গতি এবং প্রতিপক্ষের রক্ষণ ভেঙে দেওয়ার ক্ষমতায় ওলিসে ইতিমধ্যেই নিজের আলাদা পরিচয় তৈরি করেছেন।

জিদানের চোখেও সেটিই ধরা পড়েছে। তাঁর মতে, ওলিসে এমন একজন খেলোয়াড়, যিনি শুধু ফলের জন্য খেলেন না; নিজের খেলার মাধ্যমে দর্শকদের আনন্দ দিতে চান।

এই কথার মধ্যে যেন জিদানের নিজের ফুটবল-দর্শনেরও প্রতিফলন রয়েছে। একসময় তিনিও মাঝমাঠ থেকে ড্রিবলিং, নিয়ন্ত্রিত গতি আর অসাধারণ ফুটবলশৈলী দিয়ে দর্শকদের মুগ্ধ করেছেন। মাঠে জিদানের খেলা দেখে যেমন দর্শকেরা আবেগে ভেসেছেন, এবার সেই জিদানই ডাগআউটে দাঁড়িয়ে ওলিসের খেলায় সেই আবেগের স্বাদ পেলেন।

ওলিসের একটি অসাধারণ গোল তাই শুধু ফ্রান্সকে জয় এনে দেয়নি, কয়েক মুহূর্তের জন্য কিংবদন্তি জিদানকেও ফিরিয়ে নিয়েছিল তাঁর নিজের ফুটবল-দিনগুলোতে। ফুটবল যে সত্যিই সংক্রামক এক আবেগ—ব্রাসেলসের সেই রাত যেন তারই আরেকটি দৃষ্টান্ত হয়ে থাকল।

কালের আলো/এসএ

না খেলেই সেমিফাইনালে বাংলাদেশ

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:৫৯ পূর্বাহ্ণ
না খেলেই সেমিফাইনালে বাংলাদেশ

এশিয়ান গেমসে ছেলেদের ক্রিকেটে নিজেদের প্রথম ম্যাচেই মাঠে নামতে হলো না বাংলাদেশ দলকে। বৃষ্টির কারণে মালয়েশিয়ার বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালের ম্যাচটি একটি বলও মাঠে গড়ানোর আগে পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়েছে। তবে ম্যাচ পরিত্যক্ত হওয়ায় কোনো ক্ষতি হয়নি লিটন দাসের দলের। টি-টোয়েন্টি র‍্যাঙ্কিংয়ে এগিয়ে থাকার সুবিধায় সরাসরি সেমিফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে বাংলাদেশ।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) নিশিনো কোরোগি স্পোর্টস পার্কে হওয়ার কথা ছিল বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া কোয়ার্টার ফাইনাল। আগের দিন থেকেই বৃষ্টির কারণে ম্যাচটি নিয়ে শঙ্কা ছিল। শেষ পর্যন্ত সেই আশঙ্কাই সত্যি হয়। টসের প্রায় দেড় ঘণ্টা আগেই ম্যাচ পরিত্যক্ত হওয়ার বিষয়টি জানানো হয়।

চার কোয়ার্টার ফাইনালই বৃষ্টির কবলে

এশিয়ান গেমসের ক্রিকেটে বৃষ্টির প্রভাব পড়েছে ব্যাপকভাবে। বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া ম্যাচের পাশাপাশি আজ শ্রীলঙ্কা ও নেপালের মধ্যকার অন্য কোয়ার্টার ফাইনালটিও পরিত্যক্ত হয়েছে।

নিশিনো কোরোগি স্পোর্টস পার্কে এশিয়ান গেমসের ক্রিকেটে এটি ছিল টানা ষষ্ঠ ম্যাচ, যা বৃষ্টির কারণে পরিত্যক্ত হলো। এর মধ্যে পাঁচটি ম্যাচে একটি বলও মাঠে গড়ায়নি। সবচেয়ে হতাশার বিষয়, চারটি কোয়ার্টার ফাইনালের সব কটিই বৃষ্টির কারণে পরিত্যক্ত হয়েছে।

মাঠে না নেমেই শেষ চারে লিটনরা

মালয়েশিয়ার বিপক্ষে ম্যাচটি পরিত্যক্ত হলেও বাংলাদেশের সেমিফাইনালে ওঠার পথে কোনো বাধা তৈরি হয়নি। টি-টোয়েন্টি র‍্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের অবস্থান মালয়েশিয়ার চেয়ে ভালো হওয়ায় পরিত্যক্ত ম্যাচের পর বাংলাদেশকেই বিজয়ী হিসেবে ধরা হয়েছে এবং শেষ চারে জায়গা পেয়েছে লিটন দাসের দল।

অর্থাৎ এশিয়ান গেমসে ছেলেদের ক্রিকেটে বাংলাদেশের অভিযান শুরু হলো ম্যাচ না খেলেই। কোয়ার্টার ফাইনালে ব্যাট-বলের লড়াইয়ে নামার সুযোগ না পেলেও সরাসরি সেমিফাইনালের টিকিট পেয়েছে দলটি।

সেমিফাইনালে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ পাকিস্তান

আগামী ১ অক্টোবর সেমিফাইনালে বাংলাদেশের মুখোমুখি হবে পাকিস্তান। একই দিনে অন্য সেমিফাইনালে খেলবে শ্রীলঙ্কা ও ভারত।

তবে সেমিফাইনালের আগে বৃষ্টি নিয়ে নতুন করে চিন্তায় পড়তে পারে বাংলাদেশ দল। কারণ, পাকিস্তানের বিপক্ষের ম্যাচটিও যদি বৃষ্টির কারণে পরিত্যক্ত হয়, তাহলে এবার আর র‍্যাঙ্কিংয়ের সুবিধা বাংলাদেশের পক্ষে যাবে না।

বৃষ্টি হলে ফাইনালের সমীকরণ কঠিন

পাকিস্তানের বিপক্ষে সেমিফাইনাল ম্যাচে কোনো বল মাঠে না গড়ালে বা ম্যাচ পরিত্যক্ত হলে র‍্যাঙ্কিংয়ে এগিয়ে থাকার কারণে পাকিস্তানই ফাইনালে উঠে যাবে। ফলে বাংলাদেশের জন্য সেমিফাইনাল ম্যাচটি মাঠে গড়ানো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

এশিয়ান গেমসের ক্রিকেটে একের পর এক ম্যাচ বৃষ্টিতে ভেসে যাওয়ায় এখন বাংলাদেশের নজর থাকবে আবহাওয়ার দিকে। কোয়ার্টার ফাইনালে না খেলেই শেষ চারে পৌঁছে গেলেও ফাইনালে যেতে হলে পাকিস্তানের বিপক্ষে মাঠে নেমে লড়াই করার সুযোগ পাওয়াটাই লিটনদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

কালের আলো/এসএ

আইসিবিতে ২২ পদে চাকরি

চাকরি ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:৫৫ পূর্বাহ্ণ
আইসিবিতে ২২ পদে চাকরি

আইসিবি অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট পিএলসিতে বিভিন্ন পদে জনবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটিতে ৯ম থেকে ২০তম গ্রেডে মোট সাত ধরনের পদে ২২ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহী প্রার্থীরা আগামী ১ অক্টোবর ২০২৬ থেকে অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। আবেদনের শেষ সময় ২৭ অক্টোবর ২০২৬।

কোন পদে কত নিয়োগ

নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, সবচেয়ে বেশি নিয়োগ দেওয়া হবে সিনিয়র অফিসার পদে। এ পদে পাঁচজন নেওয়া হবে। পদটির বেতন স্কেল ২২ হাজার থেকে ৫৩ হাজার ৬০ টাকা এবং গ্রেড-৯।

একই গ্রেডে অ্যাসিস্ট্যান্ট ফিন্যান্সিয়াল অ্যানালিস্ট পদে দুজন এবং অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রোগ্রামার পদে চারজন নিয়োগ দেওয়া হবে। উভয় পদের বেতন স্কেলও ২২ হাজার থেকে ৫৩ হাজার ৬০ টাকা।

অফিসার পদে দুজন নিয়োগ দেওয়া হবে। এ পদের গ্রেড-১০ এবং বেতন স্কেল ১৬ হাজার থেকে ৩৮ হাজার ৬৪০ টাকা।

অ্যাসিস্ট্যান্ট অফিসার (ডাটা এন্ট্রি অপারেটর) পদে চারজন এবং অ্যাসিস্ট্যান্ট অফিসার (ক্যাশিয়ার) পদে একজন নিয়োগ দেওয়া হবে। দুটি পদই গ্রেড-১৬-এর। এ গ্রেডের বেতন স্কেল ৯ হাজার ৩০০ থেকে ২২ হাজার ৪৯০ টাকা।

এ ছাড়া অফিস সহায়ক পদে চারজন নেওয়া হবে। এ পদটি গ্রেড-২০-এর এবং বেতন স্কেল ৮ হাজার ২৫০ থেকে ২০ হাজার ১০ টাকা।

পদ ও বেতন স্কেল

১. সিনিয়র অফিসার
পদসংখ্যা: ৫
গ্রেড: ৯
বেতন স্কেল: ২২,০০০–৫৩,০৬০ টাকা

২. অ্যাসিস্ট্যান্ট ফিন্যান্সিয়াল অ্যানালিস্ট
পদসংখ্যা: ২
গ্রেড: ৯
বেতন স্কেল: ২২,০০০–৫৩,০৬০ টাকা

৩. অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রোগ্রামার
পদসংখ্যা: ৪
গ্রেড: ৯
বেতন স্কেল: ২২,০০০–৫৩,০৬০ টাকা

৪. অফিসার
পদসংখ্যা: ২
গ্রেড: ১০
বেতন স্কেল: ১৬,০০০–৩৮,৬৪০ টাকা

৫. অ্যাসিস্ট্যান্ট অফিসার (ডাটা এন্ট্রি অপারেটর)
পদসংখ্যা: ৪
গ্রেড: ১৬
বেতন স্কেল: ৯,৩০০–২২,৪৯০ টাকা

৬. অ্যাসিস্ট্যান্ট অফিসার (ক্যাশিয়ার)
পদসংখ্যা: ১
গ্রেড: ১৬
বেতন স্কেল: ৯,৩০০–২২,৪৯০ টাকা

৭. অফিস সহায়ক
পদসংখ্যা: ৪
গ্রেড: ২০
বেতন স্কেল: ৮,২৫০–২০,০১০ টাকা

যেভাবে আবেদন

আইসিবি অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট পিএলসির এই নিয়োগে আবেদন করতে হবে অনলাইনে। আবেদন শুরু হবে ১ অক্টোবর ২০২৬ থেকে। প্রার্থীদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে।

আবেদনের শেষ তারিখ ২৭ অক্টোবর ২০২৬।

আবেদন ফি

পদভেদে আবেদন ফি নির্ধারণ করা হয়েছে। ১ থেকে ৪ নম্বর পদের জন্য আবেদন ফি ২০০ টাকা। ৫ ও ৬ নম্বর পদের জন্য ফি ১০০ টাকা। আর ৭ নম্বর অর্থাৎ অফিস সহায়ক পদের জন্য আবেদন ফি ৫০ টাকা।

মোট ২২টি পদে নিয়োগের এই বিজ্ঞপ্তিতে নবম গ্রেড থেকে ২০তম গ্রেড পর্যন্ত বিভিন্ন পর্যায়ের প্রার্থীদের জন্য আবেদন করার সুযোগ রাখা হয়েছে। আগ্রহীদের আবেদন করার আগে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখিত যোগ্যতা ও অন্যান্য শর্ত ভালোভাবে দেখে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন সম্পন্ন করতে হবে।

কালের আলো/এসএ