খুঁজুন
                               
বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ১১ আষাঢ়, ১৪৩৩
           

দেশের জন্য অবদানে গর্বিত সেনাপ্রধান, অঙ্গীকার প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে জনগণের পাশে থাকার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ১ নভেম্বর, ২০২১, ৮:১০ অপরাহ্ণ
দেশের জন্য অবদানে গর্বিত সেনাপ্রধান, অঙ্গীকার প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে জনগণের পাশে থাকার

বিশেষ সংবাদদাতা, কালের আলো:

দেশের মানুষের ভরসা ও বিশ্বাসের মূর্ত প্রতীক দেশপ্রেমিক বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার পাশাপাশি দেশ গঠন এবং বিভিন্ন দুর্যোগ মোকাবেলায় সেনাবাহিনীর রয়েছে বলিষ্ঠ ভূমিকা। করোনার ঘোর দু:সময়েও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে সেনা সদস্যরা নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে নিজেদের দায়িত্ব পালন করেছেন।

সহমর্মিতা আর মানবতার মাধ্যমেই প্রতিটি প্রান্তেই মলিন চেহারায় ফুটিয়েছেন অনাবিল আনন্দের আবহ। ত্যাগের মহিমায় ভাস্বর করেছেন নিজেদের। ভূয়সী প্রশংসা পেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও দেশবাসীর। জেনারেল ড.এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ সেনাপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ‘টিম স্পিরিট’ নিয়েই করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নেতৃত্ব দিয়েছেন।

সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত, গরিব ও দুস্থ মানুষের আহারের বন্দোবস্ত, বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা সবকিছুই সমান তালেই সামলেছেন। তাঁর নেতৃত্বেই অভাবী ও অসহায় মানুষের মাঝে সহমর্মিতা ও হৃদ্যতার আলো বিলিয়েছেন প্রতিটি সেনা সদস্য। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশ পেলে দুর্যোগ মোকাবিলায় আগামীতেও সেনাবাহিনী জনগণের পাশে থাকবে, এমন সুদৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ।

তিনি বলেছেন, ‘আমরা করোনাকালীন সময়ে এবং বিভিন্ন দুর্যোগে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ পেয়ে জনগণের পাশে দাঁড়িয়েছি। আমরা দেশের জন্য অবদান রাখতে পেরেছি, এজন্য আমরা গর্বিতবোধ করি। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী জনগণের পাশে দাঁড়াতে সব সময়ই প্রস্তুত। যেকোন পরিস্থিতিতে জনগণের পাশে দাঁড়াতে এবং সরকারের প্রত্যাশা পূরণে আমরা প্রস্তুত রয়েছি।’

সোমবার (০১ নভেম্বর) খুলনাস্থ জাহানাবাদ সেনানিবাসে আর্মি সার্ভিস কোর সেন্টার এ্যান্ড স্কুল (এএসসিসিএ্যান্ডএস)-এ বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর আর্মি সার্ভিস কোর (এএসসি) এর ৪০তম বাৎসরিক অধিনায়ক সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিতি শেষে অপেক্ষমান গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপে সেনাপ্রধান এসব কথা বলেন।

এর আগে সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ বার্ষিক অধিনায়ক সম্মেলনে উপস্থিত সামরিক কর্মকর্তা এবং আর্মি সার্ভিস কোরের অধিনায়কদের উদ্দেশ্যে তাঁর দিক নির্দেশনা এবং উপদেশমূলক বক্তব্য প্রদান করেন।

এ সময় তিনি মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে আর্মি সার্ভিস কোরের আত্মোৎসর্গকারী বীর শহীদদের সশ্রদ্ধচিত্তে স্মরণ করেন। বক্তব্যে তিনি আধুনিক যুদ্ধক্ষেত্রে প্রযুক্তিগত অগ্রগতির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ অত্যাধুনিক, বাস্তবমূখী এবং উদ্ভাবনী চিন্তা-চেতনা সম্পন্ন প্রশিক্ষণের উপর গুরুত্বারোপ করেন।

সেনাপ্রধান দেশে এবং আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে আর্মি সার্ভিস কোরের ভূমিকার প্রশংসা করেন এবং কোরের প্রতিটি সদস্যকে অভিনন্দন জানান। সম্মেলনে আর্মি ট্রেনিং এ্যান্ড ডকট্রিন কমান্ডের জিওসি লেফটেন্যান্ট জেনারেল এস এম মতিউর রহমান, সেনাসদরের কোয়ার্টার মাস্টার জেনারেল (কিউএমজি) লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো.সাইফুল আলম, সেনাসদর, স্থানীয় ফরমেশন এবং আর্মি সার্ভিস কোরের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আন্ত:বাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানিয়েছে, আর্মি সার্ভিস কোরের ৪০তম বাৎসরিক অধিনায়ক সম্মেলনে সেনাপ্রধানের উপস্থিতিতে অংশগ্রহণকারীদের মাঝে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়। কোরের প্রতিটি সদস্যদের মাঝে দেশসেবায় অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপনের প্রত্যয় পুনর্ব্যক্ত হয়েছে।

কালের আলো/জিকে/এমএএএমকে

বাংলাদেশ-চীন প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকে দুই চুক্তি ও ১৩ সমঝোতা স্মারক সই

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ৮:২৮ অপরাহ্ণ
বাংলাদেশ-চীন প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকে দুই চুক্তি ও ১৩ সমঝোতা স্মারক সই

চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং এর সঙ্গে বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৈঠক শেষে দুদেশের মধ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বিষয়ক দুটি চুক্তি ও ১৩টি সমঝোতা স্মারক সই হয়।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) স্থানীয় সময় বিকেল ৫টায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন থেকে মোটর শোভাযাত্রা সহকারে তারেক রহমান চীনের বেইজিংয়ের ঐতিহাসিক গ্রেট অব পিপলে পৌঁছালে চীনের প্রধানমন্ত্রী তাকে স্বাগত জানান।

তারেক রহমানকে লালগালিচা দিয়ে অভিবাদন মঞ্চে নিয়ে যান লি কিয়াং। সশস্ত্র সালাম দেয় চীনের সশস্ত্র বাহিনীর সুসজ্জিত একটি চৌকস দল।

এ সময় দু’দেশের জাতীয় সংগীত বাজানো হয়। তোপধ্বনি দেয়া হয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অভিবাদন জানিয়ে। পরে দুই প্রধানমন্ত্রী সশস্ত্র বাহিনীর প্যারেড পরিদর্শন করেন।

বৈঠক শেষে দুই প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বিষয়ক দুটি চুক্তি ও ১৩টি সমঝোতা স্মারক সই হয়।

এদিন চীনা বিভিন্ন ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের প্রধানের সঙ্গে বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী। যোগ দেন বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ এবং বাংলাদেশ দূতাবাস আয়োজিত বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট ফোরামের আলোচনায়।

শুধু চীনা প্রধানমন্ত্রী নয়, আজ দেশটির বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, নীতিনির্ধারকদের সঙ্গেও আলাদা কর্মসূচি রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। এরপর শুক্রবার চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের সূচি রয়েছে। রাষ্ট্রীয় কর্মসূচি শেষে ওই দিনই ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা করার কথা সরকার প্রধানের।

এর আগে চীনের দালিয়ান প্রদেশে ওয়ার্ল্ড ইকনোমিক ফোরামের সম্মেলন শেষে গত বুধবার (২৪ ‍জুন) বিকেলে বুলেট ট্রেনে বেইজিং পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় স্টেশনের প্ল্যাটফর্মেই তাকে অভ্যর্থনা জানানো হয়। দেয়া হয় লালগালিচা সংবর্ধনা, ছিল গার্ড অব অনারও।

বুধবার দিনভর দালিয়ানে ওয়ার্ল্ড ইকনোমিক ফোরামের বার্ষিক সম্মেলনসহ নানা আনুষ্ঠানিকতায় যোগ দেন তারেক রহমান। এবারের সম্মেলনে ৯০টিরও বেশি দেশ ও অঞ্চল থেকে রাজনৈতিক, ব্যবসায়ী, শিক্ষাবিদ এবং গণমাধ্যম অঙ্গনের ১ হাজার ৭০০ জনেরও বেশি প্রতিনিধি অংশ নেন। সাইডলাইন বৈঠকে কাজাখস্তানসহ বিভিন্ন দেশের সরকার প্রধানের সঙ্গে বৈঠকও করেন প্রধানমন্ত্রী।

কালের আলো/এসএকে

পাচার হওয়া অর্থ ফেরাতে যুক্তরাজ্যের সহযোগিতা চাইলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ৭:৪৭ অপরাহ্ণ
পাচার হওয়া অর্থ ফেরাতে যুক্তরাজ্যের সহযোগিতা চাইলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

অবৈধভাবে পাচার হওয়া অর্থ ও সম্পদ শনাক্তকরণ এবং সেগুলো পুনরুদ্ধারে যুক্তরাজ্যের সহযোগিতা কামনা করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রীর কার্যালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনার সারাহ কুকের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এ সহযোগিতা কামনা করেন। এ সময় দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।

বৈঠকে আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা সহযোগিতা, রোহিঙ্গা সংকট, অবৈধ অভিবাসন প্রতিরোধ, সংগঠিত অভিবাসন-সংক্রান্ত অপরাধ দমন এবং বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের কার্যক্রম নিয়ে মতবিনিময় করা হয়।

বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যুক্তরাজ্য বাংলাদেশের ঘনিষ্ঠ মিত্র এবং অন্যতম উন্নয়ন অংশীদার। তিনি আশা প্রকাশ করেন, দুই দেশের বিদ্যমান সুসম্পর্ক ভবিষ্যতে আরও শক্তিশালী হবে।

জবাবে হাইকমিশনার সারাহ কুক জানান, আগামী ৭ ও ৮ জুলাই যুক্তরাজ্যের রাজধানী লন্ডনে দ্বিতীয় বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের সভা অনুষ্ঠিত হবে। ওই সভায় দুটি চুক্তি স্বাক্ষরের পরিকল্পনা রয়েছে বলেও তিনি জানান। সভাটি দুই দেশের সহযোগিতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ২০২৪ সালে স্বাক্ষরিত স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) অনুযায়ী যুক্তরাজ্য থেকে বাংলাদেশি নাগরিকদের নিয়মতান্ত্রিক প্রত্যাবাসনে বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। একই সঙ্গে যুক্তরাজ্য সরকারের পাঠানো ‘ইউকে লেটার’-এর প্রস্তাব ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, অভিবাসন-সংক্রান্ত অপরাধ প্রতিরোধ, ‘পুলিশ রেফারেল প্রোগ্রাম’, অবৈধভাবে পাচার হওয়া অর্থ ও সম্পদ শনাক্তকরণ এবং সেগুলো পুনরুদ্ধারে যুক্তরাজ্যের সহযোগিতা কামনা করছি। এ সময় রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় যুক্তরাজ্যের মানবিক সহায়তার জন্য দেশটির প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান তিনি।

বৈঠকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী, অতিরিক্ত সচিব ড. জিয়াউদ্দিন আহমেদ, যুগ্মসচিব মোহাম্মদ আবদুল কাদের, উপসচিব মিনারা নাজমীনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এসআর/এএএন

সাত দিনে নৌ পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার ১৮৮, অবৈধ জাল জব্দ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ৭:৪২ অপরাহ্ণ
সাত দিনে নৌ পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার ১৮৮, অবৈধ জাল জব্দ

দেশের মৎস্য সম্পদ রক্ষা ও নৌপথে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দেশব্যাপী বিভিন্ন অভিযান পরিচালনা করছে নৌ পুলিশ। গত সাত দিনে নৌ পুলিশের বিভিন্ন অভিযানে বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ ঘোষিত অবৈধ জাল, মাছ, মাছের পোনা, কাঁকড়া ও জেলিযুক্ত চিংড়ি জব্দ করা হয়েছে। এ সময় ১৮৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

নৌ পুলিশের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত সাত দিনের অভিযানে মোট ১৪ লাখ ৪২ হাজার ১৮০ মিটার অবৈধ জাল, ২৬৪ কেজি মাছ, ২ লাখ ৭৪ হাজার পিস চিংড়ি রেণু, ৩০০ কেজি কাঁকড়া ও ১২০ কেজি জেলিযুক্ত চিংড়ি জব্দ করা হয়। একই সময়ে নদী থেকে ১০৫টি ঝোপঝাড় ধ্বংস করা হয়।

এ ছাড়া বৈধ কাগজপত্র না থাকায় ২৮টি বাল্কহেডের বিরুদ্ধে নৌ আদালতে অভিযোগ দায়ের করা হয় এবং একটি ড্রেজার জব্দ করা হয়।

নৌ পুলিশের অভিযানে সাত দিনে ১৮৮ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় ১০৪টি মৎস্য আইন, ১৭টি বেপরোয়া গতি আইন, তিনটি বালুমহাল, তিনটি মাদক, তিনটি চাঁদাবাজি, দুটি ডাকাতি, একটি চুরি এবং চারটি হত্যা মামলাসহ মোট ১৪৩টি মামলা দায়ের করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, জব্দ করা অবৈধ জাল ও জেলিযুক্ত চিংড়ি ধ্বংস করা হয়েছে। পাশাপাশি মাছের পোনা পানিতে অবমুক্ত করা হয় এবং অবশিষ্ট মাছ এতিমখানায় বিতরণ করা হয়।

কালের আলো/এসএকে