খুঁজুন
                               
, ,
           

দেশের জন্য অবদানে গর্বিত সেনাপ্রধান, অঙ্গীকার প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে জনগণের পাশে থাকার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ১ নভেম্বর, ২০২১, ৮:১০ অপরাহ্ণ
দেশের জন্য অবদানে গর্বিত সেনাপ্রধান, অঙ্গীকার প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে জনগণের পাশে থাকার

বিশেষ সংবাদদাতা, কালের আলো:

দেশের মানুষের ভরসা ও বিশ্বাসের মূর্ত প্রতীক দেশপ্রেমিক বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার পাশাপাশি দেশ গঠন এবং বিভিন্ন দুর্যোগ মোকাবেলায় সেনাবাহিনীর রয়েছে বলিষ্ঠ ভূমিকা। করোনার ঘোর দু:সময়েও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে সেনা সদস্যরা নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে নিজেদের দায়িত্ব পালন করেছেন।

সহমর্মিতা আর মানবতার মাধ্যমেই প্রতিটি প্রান্তেই মলিন চেহারায় ফুটিয়েছেন অনাবিল আনন্দের আবহ। ত্যাগের মহিমায় ভাস্বর করেছেন নিজেদের। ভূয়সী প্রশংসা পেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও দেশবাসীর। জেনারেল ড.এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ সেনাপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ‘টিম স্পিরিট’ নিয়েই করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নেতৃত্ব দিয়েছেন।

সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত, গরিব ও দুস্থ মানুষের আহারের বন্দোবস্ত, বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা সবকিছুই সমান তালেই সামলেছেন। তাঁর নেতৃত্বেই অভাবী ও অসহায় মানুষের মাঝে সহমর্মিতা ও হৃদ্যতার আলো বিলিয়েছেন প্রতিটি সেনা সদস্য। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশ পেলে দুর্যোগ মোকাবিলায় আগামীতেও সেনাবাহিনী জনগণের পাশে থাকবে, এমন সুদৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ।

তিনি বলেছেন, ‘আমরা করোনাকালীন সময়ে এবং বিভিন্ন দুর্যোগে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ পেয়ে জনগণের পাশে দাঁড়িয়েছি। আমরা দেশের জন্য অবদান রাখতে পেরেছি, এজন্য আমরা গর্বিতবোধ করি। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী জনগণের পাশে দাঁড়াতে সব সময়ই প্রস্তুত। যেকোন পরিস্থিতিতে জনগণের পাশে দাঁড়াতে এবং সরকারের প্রত্যাশা পূরণে আমরা প্রস্তুত রয়েছি।’

সোমবার (০১ নভেম্বর) খুলনাস্থ জাহানাবাদ সেনানিবাসে আর্মি সার্ভিস কোর সেন্টার এ্যান্ড স্কুল (এএসসিসিএ্যান্ডএস)-এ বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর আর্মি সার্ভিস কোর (এএসসি) এর ৪০তম বাৎসরিক অধিনায়ক সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিতি শেষে অপেক্ষমান গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপে সেনাপ্রধান এসব কথা বলেন।

এর আগে সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ বার্ষিক অধিনায়ক সম্মেলনে উপস্থিত সামরিক কর্মকর্তা এবং আর্মি সার্ভিস কোরের অধিনায়কদের উদ্দেশ্যে তাঁর দিক নির্দেশনা এবং উপদেশমূলক বক্তব্য প্রদান করেন।

এ সময় তিনি মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে আর্মি সার্ভিস কোরের আত্মোৎসর্গকারী বীর শহীদদের সশ্রদ্ধচিত্তে স্মরণ করেন। বক্তব্যে তিনি আধুনিক যুদ্ধক্ষেত্রে প্রযুক্তিগত অগ্রগতির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ অত্যাধুনিক, বাস্তবমূখী এবং উদ্ভাবনী চিন্তা-চেতনা সম্পন্ন প্রশিক্ষণের উপর গুরুত্বারোপ করেন।

সেনাপ্রধান দেশে এবং আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে আর্মি সার্ভিস কোরের ভূমিকার প্রশংসা করেন এবং কোরের প্রতিটি সদস্যকে অভিনন্দন জানান। সম্মেলনে আর্মি ট্রেনিং এ্যান্ড ডকট্রিন কমান্ডের জিওসি লেফটেন্যান্ট জেনারেল এস এম মতিউর রহমান, সেনাসদরের কোয়ার্টার মাস্টার জেনারেল (কিউএমজি) লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো.সাইফুল আলম, সেনাসদর, স্থানীয় ফরমেশন এবং আর্মি সার্ভিস কোরের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আন্ত:বাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানিয়েছে, আর্মি সার্ভিস কোরের ৪০তম বাৎসরিক অধিনায়ক সম্মেলনে সেনাপ্রধানের উপস্থিতিতে অংশগ্রহণকারীদের মাঝে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়। কোরের প্রতিটি সদস্যদের মাঝে দেশসেবায় অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপনের প্রত্যয় পুনর্ব্যক্ত হয়েছে।

কালের আলো/জিকে/এমএএএমকে

৩ জেলার ডিসি প্রত্যাহার

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ৯:৩২ পূর্বাহ্ণ
৩ জেলার ডিসি প্রত্যাহার

নাটোর, গাইবান্ধা ও রংপুরের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে প্রত্যাহার করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। পরবর্তী পদায়নের জন্য তাদের জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, নাটোরের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মিজ্ আসমা শাহীন, গাইবান্ধার জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান মোল্লা এবং রংপুরের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ রুহুল আমিনকে নিজ নিজ পদ থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

তাদের পরবর্তী পদায়নের জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করা হয়েছে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়। জনস্বার্থে জারি করা এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

কলকাতার হোটেলে ভয়াবহ আগুন, শিশুসহ ৯ বাংলাদেশির মর্মান্তিক মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ৯:১৮ পূর্বাহ্ণ
কলকাতার হোটেলে ভয়াবহ আগুন, শিশুসহ ৯ বাংলাদেশির মর্মান্তিক মৃত্যু

ভারতের কলকাতার মির্জা গালিব স্ট্রিটের একটি হোটেলে আগুনে অন্তত নয় বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ছয়জন।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) দিবাগত রাত দুইটার দিকে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগুন লাগার সময় হোটেলের বেশির ভাগ অতিথি ঘুমিয়ে ছিলেন। আগুনের সঙ্গে ঘন ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়ায় অনেকে ভবনের ভেতরে আটকা পড়েন। পরে দমকলকর্মীরা অভিযান চালিয়ে আটকে পড়াদের উদ্ধার করেন।

খবর পেয়ে দমকলের চারটি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে যায়। তাদের সঙ্গে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা দলের সদস্যরাও উদ্ধারকাজে যোগ দেন। পরে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।

প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, একটি এয়ার কন্ডিশনারে বিস্ফোরণ থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে। তবে আগুন লাগার সঠিক কারণ এখনো নিশ্চিত করেনি কর্তৃপক্ষ। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

মির্জা গালিব স্ট্রিট কলকাতার নিউ মার্কেট এলাকার কাছে অবস্থিত। এটি শহরের ব্যস্ত ও ঘনবসতিপূর্ণ এলাকাগুলোর একটি।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম নিউজ৯-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পুলিশ ২৮ জনকে উদ্ধার করে কলকাতার বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠিয়েছে।

অগ্নিকাণ্ডে নিহত নয়জনের মধ্যে ছয়জন পুরুষ, দুজন নারী ও একটি শিশু রয়েছে বলে ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। আহত ছয়জনকে এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

কলকাতার এই অগ্নিকাণ্ডের দুই দিন আগে পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম জেলার তারাপীঠে একটি হোটেলে আগুনে আটজন নিহত হন। ওই ঘটনাতেও অধিকাংশ অতিথি ঘুমিয়ে ছিলেন। পরপর দুটি হোটেলে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় পশ্চিমবঙ্গে হোটেলের অগ্নিনিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। সূত্র: এনডিটিভি

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

দীপু মনির স্বামী আর নেই

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৫৪ পূর্বাহ্ণ
দীপু মনির স্বামী আর নেই

সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনির স্বামী ব্যারিস্টার তৌফিক নেওয়াজ আর নেই। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাত আনুমানিক ১০:২৭ মিনিটে ঢাকা ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসারত অবস্থায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।

দীপু মনির বড় ভাই জে আর ওয়াদুদ টিপু গণমাধ্যমকে বলেন, রাত সাড়ে ১০টার দিকে তিনি মারা যান। দীর্ঘদিন ধরে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন। কোথায় কখন দাফন এবং জানাজা হবে, তা বুধবার দুপুরের পর সিদ্ধান্ত হবে।

এর আগে ২০১৯ সালে স্ট্রোক করেন তৌফিক নেওয়াজ। গত ২৭ মে হুইলচেয়ারে করে কারাবন্দী স্ত্রী দিপু মনির সঙ্গে দেখা করাতে তাকে আদালতে নিয়ে গিয়েছিলেন স্বজনেরা।

উল্লেখ্য, ব্যারিস্টার তৌফিক নেওয়াজ বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের একজন সিনিয়র আইনজীবী ছিলেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ