খুঁজুন
                               
শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬, ২৮ চৈত্র, ১৪৩২
           

ঘুরে দাঁড়ানোর চ্যালেঞ্জ বন্যার্তদের, হাতে হাত মিলিয়ে পুনর্বাসনে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস বিমান বাহিনী প্রধানের

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৪, ৮:৩১ অপরাহ্ণ
ঘুরে দাঁড়ানোর চ্যালেঞ্জ বন্যার্তদের, হাতে হাত মিলিয়ে পুনর্বাসনে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস বিমান বাহিনী প্রধানের

বিশেষ সংবাদদাতা, কালের আলো:

সর্বনাশা বানের পানি নামছে ধীরগতিতে। পানি সরতেই ফেনীর জনপদে ভেসে উঠছে ধ্বংসযজ্ঞ। বেরিয়ে এসেছে বন্যার ক্ষতচিহ্ন। গোলাভরা ধান থেকে শুরু করে মাছ, হাঁস-মুরগি সবকিছুই ভেসে গেছে বানের জলে। সব হারিয়ে নি:স্ব দুর্গত এলাকার বাসিন্দারা। বিধ্বস্ত ঘরে কেউ কেউ ওঠছেন আতঙ্ক নিয়েই। কান পাতলেই ত্রাণের জন্য হাহাকার। সঙ্গে যুক্ত হয়েছে পানিবাহিত নানা রোগ।

বন্যাকবলিত ফেনীর মানুষের সামনে এখন ঘুরে দাঁড়ানোর কঠিন এক চ্যালেঞ্জ। এ চ্যালেঞ্জে জয়ী হতে বানভাসিদের পাশে থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দিয়ে লড়াইয়ের শক্তি জুগিয়েছেন বাংলাদেশ বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চীফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন। দুর্গত এলাকার মানুষ খাদ্য সঙ্কটে ভুগবে না বলেও নিশ্চিত করেছেন। দৃঢ়তার সঙ্গে জানিয়েছেন মানবিক বিপর্যয় প্রতিরোধে বন্দোবস্ত করা হচ্ছে খাদ্য, বস্ত্র ও শিশু খাদ্যের পাশাপাশি স্যানিটেশনের।

শনিবার (৩১ আগস্ট) সকালে ফেনীর ছাগলনাইয়া উপজেলার দুর্গাপুর সিংহনগর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নিজ বাহিনীর মেডিকেল ক্যাম্প পরিদর্শন করে গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপে এসব তৎপরতার কথা তুলে ধরেন বিমান বাহিনী প্রধান। তিনি বন্যাদুর্গতদের মাঝে ত্রাণ বিতরণের পাশাপাশি পুরো কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

জানা যায়, দুর্গত ওই এলাকায় বন্যার পানি কমার সঙ্গে সঙ্গে নতুন করে ছড়িয়ে পড়ছে পানিবাহিত নানা রোগ। সাপের ছোবলেও ক্ষতবিক্ষত বহু মানুষ। এখানে নেই তেমন চিকিৎসা। ফেনীতে পানিতে এতোদিন নিমজ্জিত হাসপাতালগুলো সচল করার চেষ্টা চলছে। ওষুধ আর চিকিৎসা না পেয়ে কাতরাচ্ছেন অনেক অসুস্থ রোগী। সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন নারী, শিশু ও বয়স্করা। তবে এক্ষেত্রে আশার আলো হয়ে দেখা দিয়েছে বিমান বাহিনীর মেডিকেল ক্যাম্প।

গত শুক্রবার (৩০ আগস্ট) থেকে উপজেলার ছাগলনাইয়ার ১০ নম্বর গোপাল ইউনিয়নের দুর্গাপুরে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে এই মেডিকেল ক্যাম্পের কার্যক্রম শুরু করে বিমান বাহিনী। এই মেডিকেল ক্যাম্প থেকে মিলছে বিভিন্ন প্রকারের ওষুধও। এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চীফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন বলেন, এলাকাবাসীর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে মেডিকেল ক্যাম্প স্থাপন করা হয়েছে।’ তিনি বলেন, ‘ঘরবাড়ি মেরামতে সরকারের পাশাপাশি বিমানবাহিনীও প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করবে।’

আশপাশের তিন ইউনিয়নে ত্রাণ বিতরণ করার কথা জানিয়ে বাংলাদেশ বিমান বাহিনী প্রধান বলেন, ‘যতদিন প্রয়োজন আমরা ত্রাণ বিতরণ করবো। পরে আমরা ইনশাআল্লাহ আমরা পুনর্বাসনে নজর দেওয়ার চেষ্টা করবো। সরকারের পাশাপাশি আমরা এক সঙ্গে হাতে হাত মিলিয়ে যার যতটুকু সামর্থ্য অনুযায়ী রিহ্যাবিলিটেশন করার চেষ্টা করবো।’

আন্ত:বাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানায়, বাংলাদেশ বিমান বাহিনী বন্যাদুর্গত এলাকায় অব্যাহতভাবে মেডিকেল ক্যাম্প পরিচালনার পাশাপাশি ত্রাণ ও উদ্ধার কার্যক্রম চলমান রেখেছে। এছাড়া রাজধানীর বিএএফ শাহীন কলেজ এর শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে বন্যাকবলিত মানুষের জন্য ত্রাণ বিমান বাহিনী ঘাঁটি বাশারের এয়ার অধিনায়ক এর কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

কালের আলো/এমএএএমকে

বাংলাদেশসহ ১৭ দেশে পুনরায় ফ্লাইট চালু করল এয়ার অ্যারাবিয়া

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:১২ অপরাহ্ণ
বাংলাদেশসহ ১৭ দেশে পুনরায় ফ্লাইট চালু করল এয়ার অ্যারাবিয়া

সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) ভিত্তিক বিমান সংস্থা এয়ার অ্যারাবিয়া শনিবার ইউএই থেকে পুনরায় আন্তর্জাতিক ফ্লাইট কার্যক্রম সীমিত পরিসরে চালু করেছে।

এয়ার অ্যারাবিয়া জানিয়েছে, নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদন সাপেক্ষে শারজাহ, আবুধাবি এবং রাস আল খাইমাহ থেকে ১৭টি দেশের মোট ৪৯টি আন্তর্জাতিক গন্তব্যে ফ্লাইট পরিচালিত হবে। পরিবর্তনশীল পরিস্থিতির সঙ্গে সামঞ্জস্যতা রেখে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের কারণে বিঘ্নের পর সংস্থাটি ধাপে ধাপে আবার কার্যক্রম শুরু করার চেষ্টা করছে। এয়ারলাইন্সটির অন্তর্ভুক্ত গন্তব্যগুলোর মধ্যপ্রাচ্য, এশিয়া, আফ্রিকা ও ইউরোপ রয়েছে বাংলাদেশও এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

যাত্রীদের বিষয়ে সংস্থাটি জানিয়েছে, পূর্বে যাদের ফ্লাইট বাতিল হয়েছে তারা পুনরায় বুকিং করতে পারবেন, তবে কেবল তারাই এই সুবিধা পাবেন যারা আগে তারিখ পরিবর্তন বা অর্থ ফেরতের সুবিধা গ্রহণ করেননি। ক্ষতিগ্রস্ত যাত্রীদের বিষয়টি সংস্থার পক্ষ থেকে সরাসরি জানানো হবে।

কালের আলো/এসএকে

ঢাকার একটি পরীক্ষাকেন্দ্র বাতিল

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৫৮ অপরাহ্ণ
ঢাকার একটি পরীক্ষাকেন্দ্র বাতিল

আসন্ন ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষার জন্য নির্ধারিত ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষাকেন্দ্র ‘ঢাকা ইমপিরিয়াল কলেজ’ বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর এস এম কামাল উদ্দিন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়।

বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, সংশ্লিষ্ট কলেজের অধ্যক্ষের পক্ষ থেকে গত ১৫ মার্চ কেন্দ্রটি বাতিলের জন্য লিখিত আবেদন করা হয়েছিল। সেই আবেদনের পরিপেক্ষিতেই বোর্ড কর্তৃপক্ষ আসন্ন পরীক্ষার কেন্দ্র তালিকা থেকে ইমপিরিয়াল কলেজের নাম বাদ দিয়েছে। এর ফলে এই কলেজের নির্ধারিত পরীক্ষার্থীদের বিকল্প কেন্দ্রে আসন বিন্যাস করা হবে।

ঢাকা ইমপিরিয়াল কলেজ কেন্দ্রটি বাতিল হলেও পরীক্ষার্থীদের সুবিধার্থে ঢাকা বোর্ড নতুন পাঁচটি পরীক্ষাকেন্দ্রের চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে।

শুক্রবার (১০ এপ্রিল) বোর্ডের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয় শিক্ষা কার্যক্রমের সুবিধার্থে আরও চারটি কেন্দ্র পুনঃস্থাপন করা হয়েছে।

নতুন অনুমোদন পাওয়া কেন্দ্রগুলোর মধ্যে ঢাকা মহানগরের মাতুয়াইল হাজী আবদুল লতিফ ভূইয়া কলেজ অন্যতম। এ ছাড়া তালিকায় রয়েছে টাঙ্গাইলের চাপড়ী বহুমুখী গণ উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয়, কিশোরগঞ্জের থানেশ্বর স্কুল এন্ড কলেজ, শরীয়তপুরের শহীদ সিরাজ সিকদার ডিগ্রী কলেজ এবং মাদারীপুরের সাহেবরামপুর কবি নজরুল ইসলাম ডিগ্রী কলেজ।

শিক্ষা বোর্ড পরীক্ষার্থীদের যাতায়াত কষ্ট লাঘব করতে নরসিংদীর নারায়নপুর রাবেয়া কলেজ, কিশোরগঞ্জের সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম পৌর মহিলা কলেজ, মাদারীপুরের চরমুগরিয়া মহাবিদ্যালয় এবং রাজবাড়ীর ডা. আবুল হোসেন কলেজ কেন্দ্র চারটি পুনরায় সচল করেছে।

বোর্ড কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে,  আসন্ন এইচএসসি পরীক্ষা ২০২৬ সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে পরিচালনার স্বার্থেই এই প্রশাসনিক রদবদল করা হয়েছে। ঢাকা ইমপিরিয়াল কলেজ কেন্দ্র বাতিলের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত পরীক্ষার্থীদের নতুন আসন বিন্যাস সম্পর্কে দ্রুতই সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে অবহিত করা হবে। পরীক্ষার্থীদের যেকোনো বিভ্রান্তি এড়াতে বোর্ডের নিয়মিত নোটিশ অনুসরণ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে বোর্ড কর্মকর্তারা মাঠ পর্যায়ে নতুন কেন্দ্রগুলোর প্রস্তুতি পর্যবেক্ষণ করছেন।

কালের আলো/এসএকে

‘সিল্কের ঐতিহ্য রক্ষায় দেশি-বিদেশি বিনিয়োগে কাজ করা হবে’

রাজশাহী প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩৪ অপরাহ্ণ
‘সিল্কের ঐতিহ্য রক্ষায় দেশি-বিদেশি বিনিয়োগে কাজ করা হবে’

রাজশাহী সিল্ক শুধু রাজশাহীর নয়, এটি সারা বাংলাদেশের সম্পদ এবং আমাদের ঐতিহ্য। ঐতিহ্যবাহী এই শিল্পকে আধুনিকায়ন এবং এর হারানো গৌরব পুনরুদ্ধারে সরকার মাঠ পর্যায়ে কাজ শুরু করেছে বলে জানিয়েছেন বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম।

শনিবার (১১ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১০টায় রেশম শিল্পের বর্তমান অবস্থা পর্যবেক্ষণ এবং একে আরও উন্নত করার রূপরেখা তৈরি করতে রাজশাহী রেশম গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট সরেজমিন পরিদর্শন শেষে তিনি এ কথা বলেন।

পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে প্রতিমন্ত্রী রেশম শিল্পের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে বলেন, ১৯৭৭ সালে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান রাজশাহী রেশম বোর্ড স্থাপন করেছিলেন। পরবর্তীতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াও এই বোর্ডের উন্নয়নে নানা কর্মকাণ্ড পরিচালনা করেন। বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের নির্দেশনায় এই শিল্পকে আধুনিকীকরণ এবং গবেষণার মাধ্যমে আরও উন্নত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

দেশে বর্তমানে রেশমের ব্যাপক চাহিদা থাকলেও উৎপাদন তলানিতে। এ প্রসঙ্গে শরীফুল আলম জানান, দেশে বর্তমানে ৪০০ থেকে ৪৫০ মেট্রিক টন রেশমের চাহিদা রয়েছে; তবে এর প্রায় ৯০ শতাংশই বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়। স্থানীয় কারখানাগুলো বন্ধ হয়ে যাওয়া বা পিছিয়ে পড়ার কারণেই মূলত এই পরনির্ভরশীলতা তৈরি হয়েছে।

এই সংকট কাটাতে পলু চাষ, তুঁত গাছের উন্নয়ন এবং রেশম সুতার মান বৃদ্ধিতে গবেষণার ওপর সরকার বিশেষ জোর দিচ্ছে বলে জানান তিনি।

রেশম শিল্পের প্রাণ হিসেবে পরিচিত ঐতিহ্যবাহী কারিগর বা ‘বোসনি’দের ভবিষ্যৎ নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন প্রতিমন্ত্রী।

এই দক্ষ কারিগরদের বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে তুলনা করে তিনি বলেন, বর্তমানে দেশে প্রায় ১১ হাজার ৫০০ জন বোসনি রয়েছেন। বয়সের কারণে তাদের সংখ্যা দিন দিন কমে যাচ্ছে। বোসনিদের পরবর্তী প্রজন্মকে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তৈরি করা না গেলে এই শিল্পের ঐতিহ্য চিরতরে হারিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

বন্ধ কারখানাগুলো পুনরায় চালু করতে এবং সিল্কের প্রসার ঘটাতে নিজস্ব অর্থায়নের পাশাপাশি দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সরকার। চীন ও জাপানের মতো বড় দেশগুলোতে দেশীয় সিল্ক পণ্যের বাজার তৈরি এবং সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে সমন্বয়ের বিষয়েও চিন্তাভাবনা চলছে। শিল্পটিকে বাঁচিয়ে রাখতে এবং সার্বিক উন্নয়নের জন্য বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে আলোচনা করে খুব শিগগিরই সমন্বিত ও কার্যকরী পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে পরিদর্শনে আসা প্রতিনিধিরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

এর আগে, পরিদর্শনকালে বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক মো. তৌফিক আল মাহমুদ একটি প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে মন্ত্রী ও সচিবের কাছে বোর্ডের সার্বিক কর্মকাণ্ড তুলে ধরেন।

এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন— বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সচিব বিলকিস জাহান রিমি, রাজশাহী জেলা পরিষদের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট মো. এরশাদ আলী ঈশাসহ রেশম বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।

কালের আলো/ইএম