খুঁজুন
                               
, ,
           

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি দেখতে তৃণমূলে নৌবাহিনী প্রধান, পরিবর্তনের সুফল পৌঁছে দেওয়ার অঙ্গীকার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৪, ১১:৩৭ অপরাহ্ণ
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি দেখতে তৃণমূলে নৌবাহিনী প্রধান, পরিবর্তনের সুফল পৌঁছে দেওয়ার অঙ্গীকার

বিশেষ সংবাদদাতা, কালের আলো:

ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত হয়ে শেখ হাসিনা দেশ ছাড়ার পর অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্বভার গ্রহণ করে। সারাদেশের ৬৩৯টি থানার মধ্যে অন্তত ৪৫০টি থানা জনরোষের মুখে পড়ে। পুলিশের অনুপস্থিতির কারণে দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিতে অবনতি ঘটে। ভেঙে পড়া আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে ও থানাগুলোকে সচল করতে সরকারের নির্দেশে কার্যক্রম শুরু করে সশস্ত্র বাহিনী।

এরই মধ্যে আবার দেশের ১১টি জেলায় প্রবল বন্যার ধকলও ছাত্র-জনতাকে সঙ্গে নিয়ে সামাল দেয় তাঁরা। পাশাপাশি অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারেও শুরু হয় যৌথ বাহিনীর অভিযান। বুকে দুরন্ত সাহস নিয়ে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে হাতে হাত রেখে জাতিকে নতুন আলোর পথ দিতে সৃষ্টিশীল ও জনবান্ধব মানসিকতা নিয়ে রাষ্ট্র গঠনে সহযাত্রী হয়েছে বাংলাদেশ নৌবাহিনীও।

নতুন পথের এ অভিযাত্রায় নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল এম নাজমুল হাসান মনে করেন, ‘গণমাধ্যমের সহায়তায় ও স্থানীয় জনমানুষের সঙ্গে একতাবদ্ধ হয়ে যেকোনও পরিস্থিতি মোকাবিলা করা সম্ভব। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার সফল আন্দোলনের মাধ্যমে দেশে একটি পরিবর্তন এসেছে। এই পরিবর্তনের সুফল দেশ ও দেশের জনগণ যেন পায়, সেজন্য সবাইকে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করতে হবে।’

জনপ্রত্যাশার পানসিতে চড়ে কঠিন-কঠোর পথযাত্রায় ধৈর্য ধরে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিকে স্বাভাবিক করতে পুলিশকে সাহসী পায়ে দাঁড় করাতে নিজেদের আন্তরিক কর্মপ্রয়াস আর উদয়াস্ত পরিশ্রমের যোগফলে তৃণমূলের সার্বিক নিরাপত্তা নিজ চোখে দেখতে খুলনা ও ভোলা জেলা সফর করেছেন নৌবাহিনী প্রধান।

সোমবার (৯ সেপ্টেম্বর) তিনি দিনমান এ দু’জেলার সার্বিক নিরাপত্তা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, রাষ্ট্রীয় অবকাঠামোর সুরক্ষা ও যৌথ বাহিনীর কর্মকাণ্ড পরিদর্শন করেন। পাশাপাশি নৌ কন্টিনজেন্ট, স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে মতবিনিময়ে ইতিহাসের গতিপথে নতুন যুগের সূচনায় বৈষম্যহীন ও সমৃদ্ধ রাষ্ট্র গঠনে প্রত্যেককে নৈতিকতা ও রাষ্ট্রীয় আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে নিজ দায়িত্ব পালনেরও আহ্বান জানান।

সশস্ত্র বাহিনী জনগণের পাশে ছিল, আছে ও থাকবে
ভোলা সার্কিট হাউসে প্রেস ব্রিফিংয়ে নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল এম নাজমুল হাসান বলেন, ‘আমাদের সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনী সব সময় দেশের জনগণের পাশে ছিল, আছে ও ভবিষ্যতেও থাকবে এবং দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষার স্বার্থে বেসামরিক প্রশাসনকে সহযোগিতা প্রদান করে আসছে। বর্তমানে দেশে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে যৌথ বাহিনীর কার্যক্রম অব্যাহত আছে। এছাড়াও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কার্যক্রমগুলোতে সহযোগিতা করে যাচ্ছে, যতদিন পর্যন্ত প্রয়োজন হবে সরকারি নির্দেশনা মোতাবেক যৌথ বাহিনী সেই সহযোগিতা করে যাবে।’

তিনি বলেন, ‘দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে দায়িত্বপ্রাপ্ত এলাকায় স্থানীয় প্রশাসন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে প্রয়োজনীয় সহায়তা করছে নৌবাহিনী। এরই মধ্যে নৌবাহিনীর সহায়তায় উপকূলীয় অঞ্চলের থানাসমূহে স্বাভাবিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে। বিভিন্ন থানায় পুলিশকে সুরক্ষা ও নিরাপত্তা প্রদান করছে নৌবাহিনী।’

ভোলায় দেশের জলসীমার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ‘এখানে দেশের বেশি জলসীমা রয়েছে। সেই জলসীমা পাহারা দেয়ার জন্য আগে থেকেই পুলিশ প্রশাসন এবং কোস্টগার্ড মোতায়েন ছিলো। বর্তমানে নৌ-বাহিনীর সদস্যরাও এটার জন্য কাজ করছে।’ কিছু সীমাবদ্ধতার কথা জানিয়ে তিনি আরও বলেন- ‘তারপরেও সার্বক্ষণিক টহলের মাধ্যমে, প্রয়োজনে জনবল বৃদ্ধি করবো, যার মাধ্যমে নৌপথগুলোতে চাঁদাবাজি এবং সহিংসতা না হয়। নিরাপত্তা নিশ্চিতে একসাথে কাজ করবো।’

আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে রাজনৈতিক দলগুলোর সহযোগিতায় গুরুত্বারোপ
গত ৫ আগস্টের পর নানান ধরনের সহিংসতার করা এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে নৌবাহিনী প্রধান বলেন, সারাদেশেই বেশ কিছু নাশকতা হয়েছে, যেটা খুবই দুঃখজনক। অনেকেই চিহ্নিত সন্ত্রাসী আমরা জানি। অনেকেই প্রতি হিংসা বা আক্রোশ চরিতার্থ করেছে এটা খুবই দুঃখজনক। এ বিষয় উন্নীত হয়েছে। অনেকটা কমে এসেছে। সবাই মিলে যখন কার্যক্রম জোরদার করবো তখন অনেকটা কমে আসবে। রাজনৈতিক দল যারা দেশ এবং জনগণের জন্য কাজ করেন, তাদের প্রতি আহবান জানিয়ে তিনি বলেন, আপনার সবাই আমাদের সহযোগীতা করবেন। তা হলেই আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে আসবে বলেও তিনি মনে করেন।

চিহ্নিত অপরাধীদের ছাড় না দেওয়ার কড়া বার্তা
চিহ্নিত অপরাধীদের ছাড় না দেওয়ার কঠোর বার্তা দিয়েছেন নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল এম নাজমুল হাসান। ভোলার সার্বিক পরিস্থিতি এবং অবৈধ অস্ত্রের বিষয়ে নৌবাহিনীর প্রধান বলেন, ‘ভোলা থেকে ৮৬টি অস্ত্রের লাইসেন্স দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে ৮৪টি ভোলায় ও ২টি ঢাকায় জমা পড়েছে। পুলিশ প্রশাসন আমাকে এ তথ্য জানিয়েছে।’

এর আগে সকাল সাড়ে ৯টায় হেলিকপ্টারে ঢাকা থেকে ভোলায় আসেন এডমিরাল নাজমুল হাসান। ভোলা পরিদর্শন শেষে তিনি দুপুর সাড়ে ১২টায় তিনি খুলনার উদ্দেশে ভোলা ত্যাগ করেন। ভোলা পরিদর্শনকালে তার সঙ্গে ছিলেন-নৌবাহিনীর খুলনা জোনের কমান্ডার রিয়ার এডমিরাল গোলাম সাদেক, বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার (অতিরিক্ত সচিব) মো: শওকত আলী, ভোলা নৌবাহিনীর কমান্ডার আরাফাতুল ইসলাম, জেলা প্রশাসক মো: আরিফুজ্জামান ও পুলিশ সুপার মো: মাহিদুজ্জামান প্রমুখ।

কালের আলো/এমএএএমকে

রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলকে অভিনন্দন জানাল যুক্তরাজ্য ও চীন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬, ১০:২০ অপরাহ্ণ
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলকে অভিনন্দন জানাল যুক্তরাজ্য ও চীন

বাংলাদেশের নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে অভিনন্দন জানিয়েছে যুক্তরাজ্য এবং চীন।

বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) ঢাকায় অবস্থিত ব্রিটিশ হাইকমিশন এবং চীনা দূতাবাস পৃথক বার্তায় এই অভিনন্দন জানায়।

ব্রিটিশ হাইকমিশন তাদের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে নতুন রাষ্ট্রপতি ও বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে দুই দেশের দীর্ঘস্থায়ী অংশীদারত্ব আরও সুদৃঢ় করার আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

পোস্টে বলা হয়, ‘বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে আন্তরিক অভিনন্দন। দুই দেশের মধ্যকার ঘনিষ্ঠ ও দীর্ঘস্থায়ী অংশীদারত্বকে আরও সুদৃঢ় করতে যুক্তরাজ্য মহামান্য রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে কাজ করার প্রত্যাশা করছে।’

পৃথকভাবে চীনা দূতাবাস তাদের অভিনন্দন বার্তায় জানিয়েছে, ‘গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হিসেবে নির্বাচিত হওয়ায় জনাব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে আন্তরিক অভিনন্দন। চীন বাংলাদেশের সাথে তার সম্পর্ককে অত্যন্ত গুরুত্ব দেয় এবং নতুন যুগে একটি অভিন্ন ভবিষ্যৎমুখী চীন-বাংলাদেশ সম্প্রদায় যৌথভাবে গড়ে তোলার জন্য বাংলাদেশের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে প্রস্তুত, যাতে উভয় দেশ ও দুই দেশের জনগণ বৃহত্তর কল্যাণ লাভ করতে পারে।’

এরআগে দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) জাতীয় সংসদের অধিবেশন কক্ষে নির্বাচনের ভোটগ্রহণ ও গণনা শেষে ফল ঘোষণা করেন নির্বাচনি কর্মকর্তা ও প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন।

দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনে মোট ভোটার ছিল ৩৪৯, ভোট পড়েছে ৩৪৩টি। এরমধ্যে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর পেয়েছেন ২৫৫ এবং লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) কর্নেল অলি আহমদ পেয়েছেন ৮৮ ভোট।

প্রসঙ্গত, গত ২৪ জুলাই দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেন। এরপর ৬ আগস্ট শূন্য পদে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অংশ নিয়ে বিরোধীদল সংবিধানকে স্বীকৃতি দিয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬, ১০:১১ অপরাহ্ণ
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অংশ নিয়ে বিরোধীদল সংবিধানকে স্বীকৃতি দিয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অংশ নিয়ে জামায়াতে ইসলামী বিদ্যমান সংবিধানকে স্বীকৃতি দিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) জাতীয় সংসদের রাষ্ট্রপতি নির্বাচন শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, ‘বিরোধী দল বিদ্যমান সংবিধানকে মেনে সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছেন। বিরোধী দল নির্বাচিত রাষ্ট্রপতিকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। বিরোধীদল থেকে যিনি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছিলেন ড. অলিও আহমেদ তিনিও নির্বাচিত প্রার্থীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। এটাই গণতন্ত্রের সৌন্দর্য, এটাই গণতন্ত্রের জন্য শুভ লক্ষণ।’

মন্ত্রী বলেন, বিদ্যমান সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে নির্ধারিত সময়ে রাষ্ট্রপতির জন্য নির্বাচনের যে আইন আছে, সেই আইন অনুযায়ী নির্বাচন কমিশন তফসিল ঘোষণা করেন এবং সেই তফসিল অনুযায়ী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এখানে অংশগ্রহণ করে বিরোধী দল সাংবিধানিক প্রক্রিয়াকে এবং সংবিধানকে, বিদ্যমান সংবিধানকে স্বীকৃতি জানিয়েছেন। সেজন্য তাদেরকে অভিনন্দন জানাই।

তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশে গণতন্ত্রের চর্চার মধ্যে বিরোধী দল, সরকারি দল তাদের নিজস্ব অবস্থান থেকে বিভিন্ন রকমের রাজনৈতিক বক্তব্য দিয়ে থাকেন। কিন্তু দিনশেষে সাংবিধানিক প্রক্রিয়াকে স্বীকৃতি দিয়ে তারা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করেছেন, এটাই হচ্ছে গণতন্ত্রের জয়যাত্রা এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে স্বীকৃতি দেওয়া।’

বিরোধী দলকে ধন্যবাদ জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, এখানে আমি একটা বিষয় বলতে চাই, যদি ৭০ ধারা বিদ্যমান অবস্থায় মেনে নিয়ে বিরোধী দল সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে থাকে, তাহলে বিদ্যমান সংবিধান অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার পরিষদের যে সদস্য হিসেবে তারা শপথ নিয়েছেন, তো সেটা সাংবিধানিকভাবে টিকে না—এই স্বীকৃতি তারাই দিলেন। সেজন্য আবারো অভিনন্দন জানাই।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন শেষে বাবা-মায়ের কবর জিয়ারত প্রধানমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬, ১০:০০ অপরাহ্ণ
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন শেষে বাবা-মায়ের কবর জিয়ারত প্রধানমন্ত্রীর

২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচন শেষ করে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বৃহস্পতিবার (২০আগস্ট) বিকেল ৬টার দিকে শেরে বাংলা নগরে জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত করেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সংসদ ভবন থেকে শেরে বাংলা নগরে সমাধিস্থলে আসেন। সেখানে উনার বাবা ও মায়ের কবরের সামনে দাঁড়িয়ে ফাতেহা পাঠ করেন এবং তাদের আত্মার মাগফেরাত কামনায় মোনাজাত করেন।’

কবর জিয়ারতের আগে কিছুক্ষণে একা নীরবে দাঁড়িয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর প্রধানমন্ত্রী গুলশানে চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে যান। সেখানে প্রধানমন্ত্রী মাগরিবের নামাজ আদায় করে সাংগঠনিক সভায় যোগ দেন বলে জানান অতিরিক্ত প্রেস সচিব।

এদিকে, রাজশাহী, পাবনা ও চাপাই নবাবগঞ্জ জেলার নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এই সময়ে উপস্থিত ছিলেন নবনিযুক্ত দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

তারেক রহমান প্রত্যেকটি জেলার খোঁজ-খবর নেন এবং দলের তৃণমূল পর্যায়ে সাংগঠনিক কার্যক্রম আরো জোরদার করার বিভিন্ন নির্দেশনা দেন বলে জানান রুমন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ