খুঁজুন
                               
শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৫ বৈশাখ, ১৪৩৩
           

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি দেখতে তৃণমূলে নৌবাহিনী প্রধান, পরিবর্তনের সুফল পৌঁছে দেওয়ার অঙ্গীকার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৪, ১১:৩৭ অপরাহ্ণ
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি দেখতে তৃণমূলে নৌবাহিনী প্রধান, পরিবর্তনের সুফল পৌঁছে দেওয়ার অঙ্গীকার

বিশেষ সংবাদদাতা, কালের আলো:

ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত হয়ে শেখ হাসিনা দেশ ছাড়ার পর অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্বভার গ্রহণ করে। সারাদেশের ৬৩৯টি থানার মধ্যে অন্তত ৪৫০টি থানা জনরোষের মুখে পড়ে। পুলিশের অনুপস্থিতির কারণে দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিতে অবনতি ঘটে। ভেঙে পড়া আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে ও থানাগুলোকে সচল করতে সরকারের নির্দেশে কার্যক্রম শুরু করে সশস্ত্র বাহিনী।

এরই মধ্যে আবার দেশের ১১টি জেলায় প্রবল বন্যার ধকলও ছাত্র-জনতাকে সঙ্গে নিয়ে সামাল দেয় তাঁরা। পাশাপাশি অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারেও শুরু হয় যৌথ বাহিনীর অভিযান। বুকে দুরন্ত সাহস নিয়ে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে হাতে হাত রেখে জাতিকে নতুন আলোর পথ দিতে সৃষ্টিশীল ও জনবান্ধব মানসিকতা নিয়ে রাষ্ট্র গঠনে সহযাত্রী হয়েছে বাংলাদেশ নৌবাহিনীও।

নতুন পথের এ অভিযাত্রায় নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল এম নাজমুল হাসান মনে করেন, ‘গণমাধ্যমের সহায়তায় ও স্থানীয় জনমানুষের সঙ্গে একতাবদ্ধ হয়ে যেকোনও পরিস্থিতি মোকাবিলা করা সম্ভব। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার সফল আন্দোলনের মাধ্যমে দেশে একটি পরিবর্তন এসেছে। এই পরিবর্তনের সুফল দেশ ও দেশের জনগণ যেন পায়, সেজন্য সবাইকে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করতে হবে।’

জনপ্রত্যাশার পানসিতে চড়ে কঠিন-কঠোর পথযাত্রায় ধৈর্য ধরে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিকে স্বাভাবিক করতে পুলিশকে সাহসী পায়ে দাঁড় করাতে নিজেদের আন্তরিক কর্মপ্রয়াস আর উদয়াস্ত পরিশ্রমের যোগফলে তৃণমূলের সার্বিক নিরাপত্তা নিজ চোখে দেখতে খুলনা ও ভোলা জেলা সফর করেছেন নৌবাহিনী প্রধান।

সোমবার (৯ সেপ্টেম্বর) তিনি দিনমান এ দু’জেলার সার্বিক নিরাপত্তা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, রাষ্ট্রীয় অবকাঠামোর সুরক্ষা ও যৌথ বাহিনীর কর্মকাণ্ড পরিদর্শন করেন। পাশাপাশি নৌ কন্টিনজেন্ট, স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে মতবিনিময়ে ইতিহাসের গতিপথে নতুন যুগের সূচনায় বৈষম্যহীন ও সমৃদ্ধ রাষ্ট্র গঠনে প্রত্যেককে নৈতিকতা ও রাষ্ট্রীয় আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে নিজ দায়িত্ব পালনেরও আহ্বান জানান।

সশস্ত্র বাহিনী জনগণের পাশে ছিল, আছে ও থাকবে
ভোলা সার্কিট হাউসে প্রেস ব্রিফিংয়ে নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল এম নাজমুল হাসান বলেন, ‘আমাদের সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনী সব সময় দেশের জনগণের পাশে ছিল, আছে ও ভবিষ্যতেও থাকবে এবং দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষার স্বার্থে বেসামরিক প্রশাসনকে সহযোগিতা প্রদান করে আসছে। বর্তমানে দেশে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে যৌথ বাহিনীর কার্যক্রম অব্যাহত আছে। এছাড়াও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কার্যক্রমগুলোতে সহযোগিতা করে যাচ্ছে, যতদিন পর্যন্ত প্রয়োজন হবে সরকারি নির্দেশনা মোতাবেক যৌথ বাহিনী সেই সহযোগিতা করে যাবে।’

তিনি বলেন, ‘দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে দায়িত্বপ্রাপ্ত এলাকায় স্থানীয় প্রশাসন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে প্রয়োজনীয় সহায়তা করছে নৌবাহিনী। এরই মধ্যে নৌবাহিনীর সহায়তায় উপকূলীয় অঞ্চলের থানাসমূহে স্বাভাবিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে। বিভিন্ন থানায় পুলিশকে সুরক্ষা ও নিরাপত্তা প্রদান করছে নৌবাহিনী।’

ভোলায় দেশের জলসীমার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ‘এখানে দেশের বেশি জলসীমা রয়েছে। সেই জলসীমা পাহারা দেয়ার জন্য আগে থেকেই পুলিশ প্রশাসন এবং কোস্টগার্ড মোতায়েন ছিলো। বর্তমানে নৌ-বাহিনীর সদস্যরাও এটার জন্য কাজ করছে।’ কিছু সীমাবদ্ধতার কথা জানিয়ে তিনি আরও বলেন- ‘তারপরেও সার্বক্ষণিক টহলের মাধ্যমে, প্রয়োজনে জনবল বৃদ্ধি করবো, যার মাধ্যমে নৌপথগুলোতে চাঁদাবাজি এবং সহিংসতা না হয়। নিরাপত্তা নিশ্চিতে একসাথে কাজ করবো।’

আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে রাজনৈতিক দলগুলোর সহযোগিতায় গুরুত্বারোপ
গত ৫ আগস্টের পর নানান ধরনের সহিংসতার করা এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে নৌবাহিনী প্রধান বলেন, সারাদেশেই বেশ কিছু নাশকতা হয়েছে, যেটা খুবই দুঃখজনক। অনেকেই চিহ্নিত সন্ত্রাসী আমরা জানি। অনেকেই প্রতি হিংসা বা আক্রোশ চরিতার্থ করেছে এটা খুবই দুঃখজনক। এ বিষয় উন্নীত হয়েছে। অনেকটা কমে এসেছে। সবাই মিলে যখন কার্যক্রম জোরদার করবো তখন অনেকটা কমে আসবে। রাজনৈতিক দল যারা দেশ এবং জনগণের জন্য কাজ করেন, তাদের প্রতি আহবান জানিয়ে তিনি বলেন, আপনার সবাই আমাদের সহযোগীতা করবেন। তা হলেই আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে আসবে বলেও তিনি মনে করেন।

চিহ্নিত অপরাধীদের ছাড় না দেওয়ার কড়া বার্তা
চিহ্নিত অপরাধীদের ছাড় না দেওয়ার কঠোর বার্তা দিয়েছেন নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল এম নাজমুল হাসান। ভোলার সার্বিক পরিস্থিতি এবং অবৈধ অস্ত্রের বিষয়ে নৌবাহিনীর প্রধান বলেন, ‘ভোলা থেকে ৮৬টি অস্ত্রের লাইসেন্স দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে ৮৪টি ভোলায় ও ২টি ঢাকায় জমা পড়েছে। পুলিশ প্রশাসন আমাকে এ তথ্য জানিয়েছে।’

এর আগে সকাল সাড়ে ৯টায় হেলিকপ্টারে ঢাকা থেকে ভোলায় আসেন এডমিরাল নাজমুল হাসান। ভোলা পরিদর্শন শেষে তিনি দুপুর সাড়ে ১২টায় তিনি খুলনার উদ্দেশে ভোলা ত্যাগ করেন। ভোলা পরিদর্শনকালে তার সঙ্গে ছিলেন-নৌবাহিনীর খুলনা জোনের কমান্ডার রিয়ার এডমিরাল গোলাম সাদেক, বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার (অতিরিক্ত সচিব) মো: শওকত আলী, ভোলা নৌবাহিনীর কমান্ডার আরাফাতুল ইসলাম, জেলা প্রশাসক মো: আরিফুজ্জামান ও পুলিশ সুপার মো: মাহিদুজ্জামান প্রমুখ।

কালের আলো/এমএএএমকে

রোহিঙ্গা সংকট একটি সমাধানযোগ্য সমস্যা: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:৩৬ অপরাহ্ণ
রোহিঙ্গা সংকট একটি সমাধানযোগ্য সমস্যা: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান বলেছেন, রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই ও কার্যকর সমাধান রাখাইন রাজ্যেই নিহিত এবং এক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে শুধু মানবিক সহায়তার মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, সম্মানজনক ও স্বেচ্ছায় প্রত্যাবাসনের জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরিতে আরও সক্রিয় ও ফলপ্রসূ ভূমিকা নিতে হবে।
শনিবার (১৮ এপ্রিল) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে তুরস্কে চলমান আন্তালিয়া ডিপ্লোম্যাসি ফোরামে প্যানেল আলোচনায় বক্তব্য প্রদানকালে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের জন্য আন্তর্জাতিক দাতা সহায়তা কমে যাওয়ায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি এই প্রেক্ষাপটে অর্থায়ন বৃদ্ধি, রাখাইনে স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং মানবাধিকার সুরক্ষায় জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান।
তিনি জানান, পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর মিয়ানমার সরকার এবং আরাকান আর্মি—উভয় পক্ষই তাঁকে স্বাগত জানিয়েছে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গা সংকট একটি সমাধানযোগ্য সমস্যা—তবে এর জন্য প্রয়োজন সমন্বিত বৈশ্বিক উদ্যোগ ও ধারাবাহিক আন্তর্জাতিক সহযোগিতা।
কালের আলো/এসআর/ এএএন 

ফের হরমুজ বন্ধ করল ইরান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:৩১ অপরাহ্ণ
ফের হরমুজ বন্ধ করল ইরান

পারস্য উপসাগরের গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালি ফের বন্ধ ঘোষণা করেছে ইরান। যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধ অব্যাহত থাকায় আজ শনিবার (১৮ এপ্রিল) দুপুরে এই ঘোষণা দিয়েছে দেশটির রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)।

আইআরজিসির যৌথ সামরিক কমান্ড এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বন্দরগুলো অবরোধ করে যাওয়ায় হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ ‘আবার আগের অবস্থায় ফিরে গেছে’।

আইআরজিসির বরাত দিয়ে ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবির খবরে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ‘অবরোধের নামে জলদস্যুতা ও সামুদ্রিক চুরি চালিয়ে যাচ্ছে’।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘এই কারণে হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ আবার আগের অবস্থায় ফিরে এসেছে এবং এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ এখন সশস্ত্র বাহিনীর কঠোর তত্ত্বাবধানে রয়েছে।’

এতে বলা হয়, ‘যুক্তরাষ্ট্র যতদিন না ইরান থেকে জাহাজগুলো স্বাভাবিকভাবে তাদের গন্তব্যে যাতায়াতের পূর্ণ স্বাধীনতা ফিরিয়ে দিচ্ছে, ততদিন হরমুজ প্রণালির অবস্থা কঠোর নিয়ন্ত্রণে থাকবে এবং আগের মতোই থাকবে।’

এর কয়েক ঘণ্টা আগেই ইরান হুঁশিয়ারি দিয়েছিল, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বন্দরগুলোতে নৌ অবরোধ অব্যাহত রাখলে হরমুজ প্রণালি আবারও বন্ধ করে দেওয়া হবে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া পোস্টে ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ বলেন, ‘অবরোধ অব্যাহত থাকলে হরমুজ প্রণালি খোলা থাকবে না। এই জলপথ দিয়ে জাহাজ চলাচল ইরানের অনুমোদনের ওপর নির্ভর করবে।’

বিশ্বব্যাপী নৌপরিবহণের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি দিয়ে বিশ্বের এক-পঞ্চমাংশ তেল ও এলএনজি পরিবহন করা হয়। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক আগ্রাসনের প্রেক্ষিতে পারস্য উপসাগরের গুরুত্বপূর্ণ জলপথটি বন্ধ করে দিয়েছিল ইরান।

এর ফলে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সংকট দেখা দেয়। যার প্রেক্ষিতে যুক্তরাষ্ট্র এই নৌপথের নিয়ন্ত্রণ নিতে মরিয়া হয়ে ওঠে। কিন্তু শত চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়। তেহরান নৌপথটি নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি পুরো অঞ্চলজুড়ে অত্যাবশ্যকীয় অবকাঠামোতে আঘাত হানার সক্ষমতা ও ইচ্ছা উভয়ই প্রদর্শন করেছে, যা উপসাগরীয় দেশগুলোর তেল ও গ্যাসভিত্তিক অর্থনীতিকে বিপন্ন করেছে।

লেবানন ও ইসরাইলের মধ্যে ১০ দিনের যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলে দীর্ঘ প্রায় ছয় সপ্তাহ পর শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) হরমুজ প্রণালি খুলে দিয়েছিল ইরান। ওই দিন বিকেলে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি এক ঘোষণায় জানান, যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকাকালে প্রণালি দিয়ে সব বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল উন্মুক্ত থাকবে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধ অব্যাহত থাকায় মাত্র এক দিনের মাথায় ফের বন্ধ করে দিলো তেহরান।

কালের আলো/এসআর/ এএএন

 

গভীর রাতে হজক্যাম্পে ধর্মমন্ত্রী, খোঁজ নিলেন সেবার মান ও ব্যবস্থাপনার

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:২৩ অপরাহ্ণ
গভীর রাতে হজক্যাম্পে ধর্মমন্ত্রী, খোঁজ নিলেন সেবার মান ও ব্যবস্থাপনার

রাজধানীর আশকোনা হজক্যাম্পে হজযাত্রীদের সেবা ও কার্যক্রম সরাসরি তদারকি করতে গভীর রাতে পরিদর্শনে গিয়েছেন ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ।

শুক্রবার রাত সাড়ে ১২টায় ধর্মমন্ত্রী হজক্যাম্পে প্রবেশ করেন। তিনি হজযাত্রীদের সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান ও সংস্থাগুলোর ডেস্কে যান এবং তাদের কার্যক্রম সম্পর্কে খোঁজ নেন। মন্ত্রী ইমিগ্রেশন এরিয়ায় গিয়ে হজযাত্রীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং হজক্যাম্পের সেবা কার্যক্রম সম্পর্কে তাদের কাছ থেকে জানতে চান।

হজযাত্রীদের শারীরিক অবস্থার বিষয়েও খোঁজখবর নেন তিনি। শেষে মন্ত্রী ডরমিটরিতে যান এবং সেখানে অবস্থানকারী হজযাত্রীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। ডরমিটরির সামগ্রিক অবস্থা সম্পর্কেও জানতে চান মন্ত্রী।

হজক্যাম্পের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় হজযাত্রীরা সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন। তারা ধর্মমন্ত্রীর এরূপ নিবিড় মনিটরিং কার্যক্রমে বিস্ময় প্রকাশ করেন এবং তার জন্য দোয়া করেন।

সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের উদ্দেশ্যে ধর্মমন্ত্রী বলেন, হজযাত্রীরা আল্লাহর মেহমান। এটি মাথায় রাখতে হবে এবং তাদের সঙ্গে সেভাবে আচরণ করতে হবে। হজযাত্রীরা যেন কোনো কষ্ট না পান সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

পরিদর্শন শেষে মন্ত্রী রাত সোয়া একটার দিকে হজক্যাম্প ত্যাগ করেন।

কালের আলো/এসএকে