খুঁজুন
                               
, ,
           

নিন্দুকের মুখে ছাই দিয়ে কানাডায় সেনাপ্রধান, বাংলাদেশ-কানাডা সম্পর্কে নবযাত্রার সূচনা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৪, ১০:০২ অপরাহ্ণ
নিন্দুকের মুখে ছাই দিয়ে কানাডায় সেনাপ্রধান, বাংলাদেশ-কানাডা সম্পর্কে নবযাত্রার সূচনা

{"remix_data":[],"remix_entry_point":"challenges","source_tags":["local"],"origin":"unknown","total_draw_time":0,"total_draw_actions":0,"layers_used":0,"brushes_used":0,"photos_added":0,"total_editor_actions":{},"tools_used":{},"is_sticker":false,"edited_since_last_sticker_save":false,"containsFTESticker":false}

কালের আলো রিপোর্ট:

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব সম্পর্কে সচেতন থাকতে বরাবরই সচেতন থাকতে পরামর্শ দিয়েছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। এমনকি যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডায় তাঁর ১০ দিনের সরকারি সফরকে ঘিরে গুজবে সয়লাব হয়ে যায় ফেসবুক-ইউটিউব। যেখানে অপতথ্য ছড়ানো হয় সেনাপ্রধানকে কানাডার ভিসা দেওয়া হয়নি। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে- মহল বিশেষের অপপ্রচার ও কুটকৌশল এবং বিদ্বেষকাতর নিন্দুকের মুখে ছাই দিয়ে গত বুধবার (২৩ অক্টোবর) যুক্তরাষ্ট্র থেকে কানাডায় পৌঁছেন জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। কানাডার রাজধানী অটোয়ায় তাকে উষ্ণ অভ্যর্থনাও জানানো হয়েছে।

বহুমুখী দিক থেকে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদারে নতুন দিগন্ত অন্বেষণের উপায় নিয়ে তিনি গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করেছেন কানাডার ভাইস চিফ অব ডিফেন্স স্টাফ লেফটেন্যান্ট জেনারেল স্টিফেন আর কেলসি এবং কানাডা-বাংলাদেশ পার্লামেন্টারি ফ্রেন্ডশিপ গ্রুপের ভাইস-চেয়ার ও নাগরিকত্ব ও অভিবাসনবিষয়ক স্থায়ী কমিটির সদস্য সালমা জাহিদ এমপির সঙ্গে। একই সঙ্গে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষার্থী ভিসা ‘সহজতর ও ত্বরান্বিত’ করার পাশাপাশি কর্মরত ও সাবেক সামরিক কর্মকর্তাদের জন্য ভিসার গুরুত্ব তুলে ধরেছেন তিনি। দ্বিপাক্ষিক আলোচনার মাধ্যমে সামরিক প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে প্রশিক্ষণ বিনিময় সম্প্রসারণসহ প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বাড়ানোর পথও প্রশস্ত করেছেন। মূলত এসবের মাধ্যমে সত্যের কিরণে কচুরিপানার মতোই ‘মিথ্যা’ ভেসে গেছে। এই সফরের মধ্যে দিয়ে বাংলাদেশ-কানাডার মধ্যকার বিরাজমান সহযোগিতামূলক সম্পর্কের এক নতুন দিক উন্মোচিত হয়েছে। দুই দেশের সম্পর্ককে আরও উচ্চতর পর্যায়ে নিয়ে যেতে নবযাত্রারও সূচনা হয়েছে বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা।

কানাডা হাইকমিশন সূত্র জানায়, যুক্তরাষ্ট্র সফর শেষে কানাডায় ব্যস্ত সময় অতিবাহিত করেছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। তিনি গত বুধবার (২৩ অক্টোবর) কানাডার রাজধানী অটোয়ায় পৌঁছালে কানাডার প্রিভি কাউন্সিল অফিসের পরিচালক ও বাংলাদেশে কানাডার মনোনীত হাইকমিশনার অজিত সিং তাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান। পরে কানাডার সংসদ সদস্য সালমা জাহিদ জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান এর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে আলোচনা করেন। জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য ছাত্র ভিসাসহ কর্মরত ও সাবেক সামরিক কর্মকর্তাদের জন্য ভিসা সহজতর ও ত্বরান্বিত করার গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি তরুণদের উন্নয়নে অন্তর্বর্তী সরকারের অগ্রাধিকারের কথা তুলে ধরেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, উভয় দেশের পারস্পরিক সুবিধার কথা উল্লেখ করে আরও বেশি শিক্ষার্থী ভিসা সহজতর করার বিষয়ে কানাডার সহায়তা কামনা করেন। কানাডার বিদ্যমান আবাসন সংকটের কারণে এ ক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জ রয়েছে বলে স্বীকার করেন সালমা জাহিদ। আশার খবর হচ্ছে- দ্রুত ভিসা প্রক্রিয়ার জন্য বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের কানাডায় মনোনীত প্রতিষ্ঠানে আবেদন করার জন্য উৎসাহিত করেছেন কানাডার এই সংসদ সদস্য। একই সঙ্গে বিদেশি শিক্ষার্থী ভর্তির বর্তমান সীমাবদ্ধতাগুলো মোকাবিলায় সমাধান খুঁজে বের করার প্রতিশ্রুতি তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন। এছাড়া শিক্ষা বিনিময় কর্মসূচিতে যৌথ সহযোগিতা এবং কানাডা ও বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা হয়। তাঁরা কৃষি ও অবকাঠামো উন্নয়নে সহযোগিতার সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা করেন। একই সূত্র জানায়, বাংলাদেশের সেনাপ্রধান কানাডার আবাসন সংকট মোকাবিলায় সহযোগিতার প্রস্তাব করেন। পাশাপাশি তিনি সেবাপ্রদানকারী পাঠানোসহ কানাডার স্বাস্থ্যসেবার খাতে সহায়তায় বাংলাদেশের প্রস্তুতির কথা উল্লেখ করেন।

কানাডা হাইকমিশন জানায়, কানাডার ভাইস চিফ অব ডিফেন্স স্টাফ লেফটেন্যান্ট জেনারেল স্টিফেন আর কেলসি এর সঙ্গে পৃথক আরেকটি বৈঠক করেন জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। কানাডায় বাংলাদেশের হাইকমিশনার নাহিদা সোবহান, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এস এম আসাদুল হক এবং মেজর মোহাম্মদ শোয়েব রিফাত অমি দু’টি বৈঠকেই উপস্থিত ছিলেন।

সূত্র জানায়, গুরুত্বপূর্ণ এই বৈঠকে সেনাপ্রধান কর্মরত ও অবসরপ্রাপ্ত উভয় বাংলাদেশি সামরিক কর্মীদের জন্য ভিসা প্রক্রিয়াকরণ সহজ করার পক্ষে পরামর্শ দেন। কানাডায় বাংলাদেশ হাইকমিশন সূত্র বলছে, তিনি ভিসা প্রদানের জন্য নিয়মতান্ত্রিক পদ্ধতির ওপর জোর দেন এবং সাধারণীকরণ বা স্টেরিওটাইপিং ছাড়াই দ্বিপক্ষীয় পরামর্শের মাধ্যমে পৃথক ক্ষেত্রে সমস্যা থাকলে তা সমাধান করার প্রস্তাব করেছিলেন। সেনাপ্রধান উভয় দেশের সামরিক বাহিনীর সদস্যদের পেশাগত উন্নয়ন জোরদারের লক্ষ্যে ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজ (এনডিসি) এবং স্টাফ কলেজগুলোতে অফিসার বিনিময়ের মাধ্যমে সহযোগিতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

এর আগে গত মঙ্গলবার (১৫ অক্টোবর) আন্ত:বাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত মঙ্গলবার (১৫ অক্টোবর) যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডায় ১০ দিনের সফরে ঢাকা ত্যাগ করেন সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। সফরকালে তিনি জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশন সংক্রান্ত বিষয়ে আলোচনা, সেনাবাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধি, দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কোন্নয়ন ও ভবিষ্যত কর্মপন্থা ঠিক করতে জাতিসংঘ সদর দপ্তর, যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার উচ্চপদস্থ সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। সফর শেষে সেনাপ্রধান শুক্রবার (২৫ অক্টোবর) দেশে ফিরবেন বলে ওই সময় বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

কালের আলো/এমএএএমকে

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ৭ আসামির রায় অপেক্ষমাণ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৬, ৪:০৪ অপরাহ্ণ
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ৭ আসামির রায় অপেক্ষমাণ

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও তৎকালীন সড়ক পরিবহনমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরসহ সাত আসামির পক্ষে-বিপক্ষে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হয়েছে। শুনানি শেষে মামলাটির রায় অপেক্ষমাণ রেখেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২। ফলে যেকোনো দিন এ মামলার রায় ঘোষণা হতে পারে।

সোমবার (১৭ আগস্ট) মামলার শুনানি শেষে ট্রাইব্যুনাল এ সিদ্ধান্ত দেন। মামলায় রাষ্ট্রনিযুক্ত আসামিপক্ষের আইনজীবী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এম হাসান ইমাম ও ইশরাত জাহান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম ও গাজী এম এইচ তামিম।

এর আগে গত বুধবার রাষ্ট্রপক্ষ তাদের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ করে। শুনানিতে প্রসিকিউশন আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানায়। পাশাপাশি আসামিদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার আদেশও চাওয়া হয়।

মামলার সাত আসামির মধ্যে রয়েছেন—ওবায়দুল কাদের, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ, সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল, নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান।

রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ ও আসামিপক্ষের বক্তব্যসহ মামলার বিভিন্ন দিক পর্যালোচনা শেষে এখন ট্রাইব্যুনালের রায়ের অপেক্ষা। রায় ঘোষণার দিন নির্ধারণ না হওয়ায় যেকোনো দিন তা প্রকাশ হতে পারে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি

প্রবাসীদের সরকারি নথি সত্যায়নে জটিলতা নিরসনে রুল জারি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৬, ২:৫৯ অপরাহ্ণ
প্রবাসীদের সরকারি নথি সত্যায়নে জটিলতা নিরসনে রুল জারি

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থানরত বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্মসনদ, শিক্ষাগত সনদসহ বিভিন্ন সরকারি নথি সত্যায়নে বিদ্যমান জটিলতা ও ভোগান্তি নিরসনে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশের দূতাবাস, হাইকমিশন ও কনস্যুলেটগুলোতে নথি সত্যায়নের ক্ষেত্রে ‘ডাবল লেজিসলেশন’ বা বারবার সত্যায়নের প্রক্রিয়া কেন বেআইনি হবে না, একইসঙ্গে ‘হেগ অ্যাপোস্টিল কনভেনশন’(উদ্দেশ্য নথি সত্যায়নের জটিলতা দূর করতে একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি) অনুযায়ী কেন একটি অভিন্ন নীতিমালা জারি করা হবে না- তা জানতে চাওয়া হয়েছে রুলে।

সোমবার (১৭ আগস্ট) এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি শেষে বিচারপতি আহমেদ সোহেল এবং বিচারপতি এস এম ইফতেখার উদ্দিন মাহমুদের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন।

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী নূরে আলম জনস্বার্থে এই রিটটি দায়ের করেন। আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী ইশরাত জাহান।

রুলের জবাব দিতে চার সপ্তাহ সময় দেওয়া হয়েছে। এতে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, পররাষ্ট্র সচিব এবং আইন মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট দুই বিভাগের সচিবকে বিবাদী করা হয়েছে।

শুনানিতে আইনজীবী ইশরাত জাহান বলেন, ‘সাধারণত বাংলাদেশি শিক্ষার্থী, চাকরিপ্রার্থী ও ব্যবসায়ীদের প্রয়োজনে জন্মসনদ, বিবাহ সনদ বা পাওয়ার অব অ্যাটর্নির মতো নথিগুলো আইন অনুযায়ী নোটারাইজড ও অ্যাপোস্টিল করার পরও বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ মিশনগুলো পুনরায় অথেন্টিকেশন বা সত্যায়ন করতে বাধ্য করে। এর ফলে একই নথি নিয়ে মানুষকে একাধিক দফতর ও মিশনে ঘুরতে হয়।’

তিনি বলেন, ‘অনেক দেশে বাংলাদেশ দূতাবাস সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বাসস্থান থেকে কয়েকশ কিলোমিটার দূরে। সেখানে যাতায়াত, আবাসন ব্যয় এবং কর্মস্থল থেকে ছুটি নেওয়ার ফলে প্রবাসীরা চরম আর্থিক ও মানসিক হয়রানির শিকার হচ্ছেন। অনেক সময় এই দীর্ঘ প্রক্রিয়ার কারণে শিক্ষার্থীদের ভর্তির সময়সীমা পার হয়ে যায় এবং চাকরিতে যোগদান বিলম্বিত হয়।’

আদালতে জানানো হয়, আইন মন্ত্রণালয় ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে এ বিষয়ে আগেই প্রজ্ঞাপন বা সার্কুলার জারি করা হলেও দূতাবাসগুলো তা যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করছে না। একেক দূতাবাসে একেক নিয়ম চালু থাকায় সাধারণ মানুষ বিভ্রান্ত হচ্ছে।

শুনানি শেষে আদালত রুল জারি করেন। রুলে জানতে চাওয়া হয়েছে- বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ মিশনগুলোকে অভিন্ন নির্দেশনা না দিয়ে পাবলিক ডকুমেন্টের ক্ষেত্রে পুনরায় লেজিসলেশন বা সত্যায়ন করার চলমান নিষ্ক্রিয়তা কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না। হেগ অ্যাপোস্টিল কনভেনশন অনুযায়ী একটি অভিন্ন নীতিমালা কেন জারি করা হবে না। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কেন প্রতিটি মিশনকে একই নিয়মের আওতায় আনতে নির্দেশনা দেবে না এবং আইন মন্ত্রণালয়ের ২০১৩ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর এবং ২০২৪ সালের ১০ সেপ্টেম্বরের এসআরওগুলোর ইমপ্লিমেন্টেশন বা বাস্তবায়ন কেন নিশ্চিত করা হবে না।

একইসঙ্গে দূতাবাসগুলোর ওয়েবসাইট, ম্যানুয়াল এবং পাবলিক নোটিশগুলো হালনাগাদ করে সঠিক তথ্য প্রচারের নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না, তাও জানতে চেয়েছেন আদালত।

হেগ অ্যাপোস্টিল কনভেনশন অনুযায়ী, কোনো নথি একবার অ্যাপোস্টিল করা হলে তা ওই কনভেনশনভুক্ত দেশগুলোতে পুনরায় সত্যায়ন ছাড়াই গ্রহণযোগ্য হওয়ার কথা। বাংলাদেশ এই প্রক্রিয়ায় যুক্ত হওয়ার পদক্ষেপ নিলেও মাঠ পর্যায়ে বিশেষ করে বিদেশের মিশনগুলোতে এর সুফল মিলছে না- এমন অভিযোগে রিটটি করা হয়েছিল।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

শ্যামল দত্তসহ ৩ সাংবাদিককে নতুন মামলায় ট্রাইব্যুনালে হাজির করার নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৬, ২:৪৮ অপরাহ্ণ
শ্যামল দত্তসহ ৩ সাংবাদিককে নতুন মামলায় ট্রাইব্যুনালে হাজির করার নির্দেশ

জুলাই আন্দোলন চলাকালে বিভিন্ন গণমাধ্যমে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে সাংবাদিক শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপাকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজিরের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তাদের সংশ্লিষ্টতা পাওয়ার কথা জানিয়ে প্রসিকিউশনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আগামী ২৪ আগস্ট সশরীরে তাদের হাজির করতে ‘প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট’ ইস্যু করেছেন আদালত।

সোমবার (১৭ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদের একক বেঞ্চ এই আদেশ দেন।

আদালতে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ।

তিনি ট্রাইব্যুনালকে বলেন, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট অভ্যুত্থান ঘিরে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রচারিত টকশো বা অন্যান্য অনুষ্ঠানে উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছিলেন সাংবাদিক শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপা। এই বক্তব্যের মাধ্যমে তারা মানবতাবিরোধী অপরাধে উস্কানি দিয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ আরও জানান, এ ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার তদন্তে এরই মধ্যে তদন্ত সংস্থা এই তিন সাংবাদিকের সংশ্লিষ্টতা খুঁজে পেয়েছে। মামলার তদন্তের স্বার্থে এবং সুষ্ঠু বিচারের প্রয়োজনে তাদের ট্রাইব্যুনালে হাজির করা আবশ্যক। এজন্য আমরা তাদের বিরুদ্ধে প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারির আবেদন জানিয়েছিলাম।

শুনানি শেষে আদালত প্রসিকিউশনের আবেদন মঞ্জুর করেন এবং কারাবন্দি এই তিন সাংবাদিককে আগামী ২৪ আগস্ট ট্রাইব্যুনালে হাজির করার নির্দেশ দেন।

গত জুলাই আন্দোলন চলাকালে তৎকালীন সরকারের পক্ষে অবস্থান নিয়ে বিভিন্ন টেলিভিশন টকশো ও গণমাধ্যমে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগ উঠে এই সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে।

ওই সময়ে ঘটা হত্যাকাণ্ড ও নির্যাতনের ঘটনায় করা একাধিক মামলায় তাদের নাম আসায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হেফাজতে রয়েছেন।

গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকে বিভিন্ন পেশার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ দায়েরের ধারাবাহিকতায় এবার সাংবাদিকদের বিরুদ্ধেও এ ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হলো।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ