খুঁজুন
                               
, ,
           

শীতার্তদের সঙ্গে মানবিক সেতুবন্ধ রচনায় সেনা পরিবার কল্যাণ সমিতি 

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৬ ডিসেম্বর, ২০২৪, ৯:৫৮ অপরাহ্ণ
শীতার্তদের সঙ্গে মানবিক সেতুবন্ধ রচনায় সেনা পরিবার কল্যাণ সমিতি 

বিশেষ সংবাদদাতা, কালের আলো:

কনকনে শীতে ঠকঠক করে কাঁপছে গরিব, দু:স্থ ও অসহায়রা। একটি গরম কাপড়ের আশায় অপেক্ষার শেষ নেই। প্রচন্ড শীত ও ঠাণ্ডা বাতাসে ওদের জীবনে নেমে এসেছে স্থবিরতা। অসহায়, দরিদ্র ও ছিন্নমূল মানুষরা দিন কাটাচ্ছেন সীমাহীন কষ্টে। গরম পোশাকের অভাবে পার করছে নির্ঘুম রাত। নুন আনতে পান্তা ফুরোনো এসব মানুষের জন্য শীত যেন ভয়াবহ এক দু:সংবাদ। সক্ষমতার অভাবে গরম কাপড় কিনতে না পারা এসব মানুষের পাশে মানবিকতার পরিশুদ্ধ হৃদয় নিয়েই বরাবরের মতো এবারও পাশে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সেনা পরিবার কল্যাণ সমিতি (সেপকস)।

বৃহস্পতিবার (২৬ ডিসেম্বর) রাজধানীর জলসিঁড়ি এলাকার শেখ রাসেল ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজে দরিদ্র ও শীতার্ত মানুষের হাতে শীতবস্ত্র তুলে দিয়েছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সেনা পরিবার কল্যাণ সমিতি (সেপকস) এর পৃষ্ঠপোষক, লেডিস ক্লাব ও চিলড্রেন ক্লাবের প্রধান পৃষ্ঠপোষক সারাহনাজ কমলিকা জামান। যেকোন দুর্যোগে-দুর্বিপাকের মতোই শীতের এই কঠিন সময়েও অসহায় ও বিপন্ন মানুষের মলিন মুখে হাসি ফুটিয়েছে তাদের শীতবস্ত্র বিতরণ কার্যক্রম। প্রকাশ ঘটিয়েছে মমত্ব ও ভালোবাসার।

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সেনা পরিবার কল্যাণ সমিতি (সেপকস) এর পৃষ্ঠপোষক সারাহনাজ কমলিকা জামান সেপকস এর এই মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি মনে করেন, নিঃস্বার্থভাবে বিপদগ্রস্ত মানুষের সাহায্য ও সেবা করা মানবধর্ম। অসহায় মানুষের দুর্দিনে সাহায্য, সহানুভূতি ও সহমর্মিতার মনমানসিকতা নিয়ে পাশে দাঁড়ানো সকলেরই নৈতিক দায়িত্ব। অসহায়দের সাহায্যে এগিয়ে আসার মাধ্যমেই রচিত হবে মানবিক সেতুবন্ধন। তিনি এ ধরণের মানবিক কার্যক্রমে সহযোগিতা প্রদানের জন্য সেপকস এর সকল সদস্যদের আন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

সেনা পরিবার কল্যাণ সমিতির (সেপকস) সম্মানিত পৃষ্ঠপোষক, সেনানিবাস লেডিস ক্লাব ও চিলড্রেন ক্লাবের প্রধান পৃষ্ঠপোষক সারাহনাজ কমলিকা জামান নিজেদের গভীর দৃষ্টিভঙ্গিতে বিভিন্ন সময়ে নানাবিধ মানবিক কর্মযজ্ঞের মাধ্যমে সমাজের অবহেলিত ও সুযোগ সুবিধা বঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে নিশ্চয়তা আর নির্ভরতায় তাদের মন-মননে স্নিগ্ধ এক পরশ বুলিয়ে দিয়েছেন। তাঁর পৃষ্ঠপোষকতায় পরিচালিত সেপকস, সেনানিবাস লেডিস ক্লাব ও চিলড্রেন ক্লাবের এমন মানবিক বৈভব সৎ ও অকৃত্রিম মানসিকতারই প্রতিফলন হিসেবে জনমনে প্রশংসা কুড়িয়েছে।

আন্ত:বাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানায়, সেপকস এর বিভিন্ন আঞ্চলিক ও উপ আঞ্চলিক শাখাসমূহের মাধ্যমে দেশব্যাপী শীতার্ত গরিব, অসহায় ও দু:স্থ মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হবে। বৃহস্পতিবারে (২৬ ডিসেম্বর) এই শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে সেনাসদরে কর্মরত উর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাদের সহধর্মিনীরা, সেপকস ঢাকা অঞ্চলের সভানেত্রী, সেপকস ঢাকা অঞ্চলের পরিচালনা পর্ষদের সকল সদস্য উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এমএএএমকে

সংযোগ সড়ক ছাড়াই পড়ে আছে কোটি টাকার প্রকল্প

রাজারহাট (কুড়িগ্রাম) সংবাদদাতা
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:০৯ পূর্বাহ্ণ
সংযোগ সড়ক ছাড়াই পড়ে আছে কোটি টাকার প্রকল্প

কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার বালাটারী গ্রামে মরা তিস্তা খালের ওপর ৭৮ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত ৩০ মিটার দীর্ঘ একটি সেতু সংযোগ সড়কের অভাবে কয়েক বছর ধরে পড়ে আছে। মূল সেতুর নির্মাণকাজ শেষ হলেও দুই পাশে সংযোগ সড়ক না থাকায় সেটি ব্যবহার করতে পারছেন না স্থানীয়রা।

ফলে চাকিরপশার ও নাজিমখান ইউনিয়নের অন্তত আটটি গ্রামের কয়েক হাজার মানুষকে খাল পারাপারে বিকল্প পথে প্রায় ৩ কিলোমিটার ঘুরে চলাচল করতে হচ্ছে। এতে সময় ও ভোগান্তি দুটোই বাড়ছে।

রাজারহাট উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিস সূত্রে জানা গেছে, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের অধীনে ২০১৯-২০ অর্থবছরে বালাটারী গ্রামে মরা তিস্তা খালের ওপর সেতুটি নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয় ৭৮ লাখ টাকা। কাজ বাস্তবায়নে কুড়িগ্রামের মেসার্স শীতল কনস্ট্রাকশনের স্বত্বাধিকারী মোকছেদুল হকের সঙ্গে চুক্তি করা হয়।

নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ না হওয়ায় প্রকল্পের মেয়াদ প্রথমে ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর এবং পরে ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাড়ানো হয়। এর মধ্যে মূল সেতুর নির্মাণ শেষ হলেও সংযোগ সড়কের কাজ আর শেষ হয়নি।

স্থানীয়দের অভিযোগ, সেতু নির্মাণের সময় কাজের মান নিয়েও প্রশ্ন উঠেছিল। নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ থাকলেও প্রভাবশালী ব্যক্তিদের কারণে তারা প্রকাশ্যে প্রতিবাদ করতে পারেননি বলে দাবি করেন স্থানীয়রা। তবে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে বিষয়টি তদন্ত করে দেখার কথা জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

মূল ঠিকাদার মোকছেদুল হক বলেন, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার সঙ্গে এ বিষয়ে কথা হয়েছে। দ্রুত সংযোগ সড়কের নির্মাণকাজ শেষ করা হবে। তবে সাব-ঠিকাদার রাকিবুজ্জামান রাকিব বর্তমানে পলাতক রয়েছেন বলেও জানান তিনি।

রাজারহাট উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ঠিকাদারকে এখনো পুরো বিল পরিশোধ করা হয়নি। চলতি মাসের মধ্যে সংযোগ সড়কের কাজ শেষ না হলে চুক্তি অনুযায়ী ঠিকাদারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ বিষয়ে মন্ত্রণালয়কে চিঠি দেওয়া হয়েছে। কাজের মান নিয়ে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পাওয়া গেলে তা খতিয়ে দেখা হবে।

স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে সেতুটি চলাচলের উপযোগী করা হোক। তাদের প্রশ্ন, মানুষের চলাচলের জন্য নির্মিত সেতুটি সংযোগ সড়ক ছাড়া আর কতদিন পড়ে থাকবে।

কালের আলো/এমএসআইপি 

হাসিনা-কাদের-বেনজীরসহ ১১ জনের অভিযোগ গঠন শুনানি আজ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:৫০ পূর্বাহ্ণ
হাসিনা-কাদের-বেনজীরসহ ১১ জনের অভিযোগ গঠন শুনানি আজ

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১১ আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন নিয়ে শুনানির দিন ধার্য রয়েছে আজ।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন বিচারিক প্যানেলে এ শুনানি হবে।

এ মামলায় বর্তমানে গ্রেপ্তার রয়েছেন চারজন। তারা হলেন- কক্সবাজার-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আবদুর রহমান বদি, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মিফতাহ উদ্দিন আহমেদ, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাহবুব আলম ও র‍্যাবের সাবেক মহাপরিচালক কর্নেল (অবসর প্রস্তুতিমূলক ছুটিতে) আনোয়ার লতিফ খান।

শেখ হাসিনাসহ পলাতক বাকি সাত আসামির মধ্যে রয়েছেন সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদ, মেজর (অব.) রুহুল আমিন, লেফটেন্যান্ট কমান্ডার আশেকুর রহমান এবং ডিজিএফআইয়ের সাবেক কর্মকর্তা স্কোয়াড্রন লিডার নাজমুস সাকিব মাহমুদ।

প্রসিকিউশন জানায়, গত ৭ সেপ্টেম্বর এ মামলায় পলাতক সাত আসামির পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত (স্টেট ডিফেন্স) আইনজীবী নিয়োগের আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল-২। একইসঙ্গে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন নিয়ে শুনানির জন্য আজকের দিন ধার্য করা হয়।

ওই দিন মিফতাহ উদ্দিন, মাহবুব আলম ও আনোয়ার লতিফ খানের জামিন আবেদনের ওপর শুনানি শেষ করেন আসামিপক্ষের আইনজীবী তবারক হোসেন। এসব আবেদনের বিষয়ে আদেশের জন্যও আজকের দিন ধার্য রয়েছে। ফলে আজ তাদের জামিনের বিষয়েও সিদ্ধান্ত দেবেন ট্রাইব্যুনাল।

শেখ হাসিনাসহ সাত আসামিকে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দিয়ে গত ২৫ আগস্ট দুটি জাতীয় দৈনিকে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেন একই আদালত। তবে ৭ সেপ্টেম্বর মামলার নির্ধারিত হাজিরার দিনে গ্রেপ্তার চার আসামি ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত হলেও বাকিরা আত্মসমর্পণ করেননি। পরে তাদের পলাতক দেখিয়ে সরকারি খরচে আইনজীবী নিয়োগ দেওয়া হয়।

এর আগে, ২৬ জুলাই শেখ হাসিনাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে প্রসিকিউশনের দাখিল করা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেন ট্রাইব্যুনাল-২।

প্রসিকিউশনের অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০১৮ সালের ২৬ মে রাত সাড়ে ১০টার দিকে কক্সবাজারের টেকনাফের কিরণতলীর হোটেল নেটংয়ের সামনের সড়ক থেকে একরামুল হককে তুলে নেওয়া হয়। রাত ১১টা থেকে ১২টার মধ্যে টেকনাফ সদর ইউনিয়নের নোয়াখালিয়া পাড়ায় মেরিন ড্রাইভের সাগরতীরে র‍্যাবের কথিত বন্দুকযুদ্ধে নিহত হন তিনি। একরামুল টেকনাফ পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ও উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ছিলেন।

এ মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে আটক, অপহরণ, বন্দুকযুদ্ধের নাটক সাজিয়ে গুলি করে হত্যা, অপরাধ সংঘটনে সংশ্লিষ্টতা, প্ররোচনা, সহায়তা ও হত্যার নির্দেশ দেওয়ার সুনির্দিষ্ট অভিযোগ এনেছে প্রসিকিউশন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

নদীভাঙনে সর্বস্ব হারিয়ে দিশেহারা মিয়ারচরের শত পরিবার

বানারীপাড়া (বরিশাল) সংবাদদাতা
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:৪৩ পূর্বাহ্ণ
নদীভাঙনে সর্বস্ব হারিয়ে দিশেহারা মিয়ারচরের শত পরিবার

বরিশালের গৌরনদী উপজেলার সরিকল ইউনিয়নের মিয়ারচর এলাকায় আড়িয়াল খাঁ নদীর তীব্র ভাঙনে একের পর এক বসতভিটা ও জমি নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে। গত দুই বছরে নদীভাঙনে অন্তত ৪০টি পরিবার বসতভিটা হারিয়েছে। এর মধ্যে গত এক মাসেই পাঁচটি পরিবারের ঘরবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, মিয়ারচর লঞ্চঘাট এলাকায় কয়েক বছর ধরে তীব্র ভাঙন চলছে। ভাঙনে অনেক পরিবার বসতভিটা হারিয়ে অন্যের জমিতে আশ্রয় নিয়েছিল। সেসব আশ্রয়স্থলও এখন নদীর গ্রাসে চলে যাচ্ছে।

মিয়ারচরের বাসিন্দা বদরুল আলম বলেন, আড়িয়াল খাঁ নদীর ভাঙনে এরই মধ্যে দুইবার বসতভিটা হারিয়েছেন তিনি। অন্যের জমিতে ঘর তুলে স্ত্রী-সন্তান নিয়ে বসবাস করছিলেন। কয়েক দিন আগে সেই ঘরও নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। এখন অন্যের জমিতে পলিথিনের ছাউনি দিয়ে পরিবার নিয়ে বসবাস করছেন তিনি।

এলাকার প্রবীণ বাসিন্দা অলিল ব্যাপারী বলেন, নদীভাঙনে শতাধিক পরিবার বসতভিটা ও জমি হারিয়ে নিঃস্ব হয়েছে। বিভিন্ন সময়ে জনপ্রতিনিধি ও সরকারের পক্ষ থেকে ভাঙন রোধের আশ্বাস দেওয়া হলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি।

এদিকে আড়িয়াল খাঁ নদের শাখা পালরদী নদীর বোরাদী গরঙ্গল, মোল্লারখাল এবং গৌরনদী বন্দর থেকে ধামুরা খালের দক্ষিণ বিল্বগ্রাম এলাকাতেও ভাঙন দেখা দিয়েছে। এতে নদীতীরবর্তী সড়কসহ বিভিন্ন স্থাপনা হুমকির মুখে পড়েছে।

দক্ষিণ বিল্বগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক জাকির হোসেন বলেন, তীব্র স্রোতে বিদ্যালয়ের সামনের রাস্তার একটি অংশ ইতোমধ্যে খালের মধ্যে ধসে পড়েছে। স্কুলে যাতায়াতের একমাত্র ব্রিজটিও ঝুঁকিতে রয়েছে। দ্রুত ভাঙন রোধে ব্যবস্থা না নিলে বিদ্যালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

বোরাদী গরঙ্গল ও মোল্লারখাল এলাকার বাসিন্দারাও জানান, পালরদী নদীর ভাঙনে ইতোমধ্যে অনেক পরিবার অন্যত্র চলে গেছে। নতুন করে নদীতীরবর্তী সড়ক ভাঙনের মুখে পড়েছে। দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

বরিশাল পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. জাবেদ ইকবাল বলেন, মিয়ারচর এলাকায় নদীভাঙন রোধে ১০০ মিটার অংশে জিও ব্যাগ ডাম্পিংয়ের নির্দেশনা পাওয়া গেছে। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে সেখানে কাজ শুরু হবে।

তিনি আরও বলেন, বিল্বগ্রাম এলাকায় একটি কাজ চলমান রয়েছে। ভাঙনের ঝুঁকিতে থাকা অন্য অংশও পরিদর্শন করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে সব এলাকায় ভাঙন রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কালের আলো/এমএসআইপি