খুঁজুন
                               
বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ২ বৈশাখ, ১৪৩৩
           

ন্যূনতম ঐকমত্যের মাধ্যমে জাতীয় নির্বাচনের প্রত্যাশা বিএনপির

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, ১১:০৬ অপরাহ্ণ
ন্যূনতম ঐকমত্যের মাধ্যমে জাতীয় নির্বাচনের প্রত্যাশা বিএনপির

কালের আলো রিপোর্ট:

ঐকমত্য কমিশনের প্রথম বৈঠকে প্রাথমিক আলোচনা হয়েছে জানিয়ে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, বিভিন্ন কথা বলেছেন। আমরা আশা করবো, খুব দ্রুত এই সংস্কারের ন্যূনতম ঐকমত্য তৈরি হবে। সেটার ওপর ভিত্তি করে অতি দ্রুত জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এটাই আমাদের প্রত্যাশা। শনিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের বৈঠক থেকে বেরিয়ে এসব কথা বলেন তিনি।

মির্জা ফখরুল বলেন, প্রধান উপদেষ্টা রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে ঐকমত্যের প্রথম সভায় মিলিত হয়েছিলেন। এবারের সভায় তিনি সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা এবং সংস্কার করা যে প্রয়োজন, সে বিষয়ে কথা বলেছেন। রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে তিনি আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, এই সংস্কারের যে প্রতিবেদনগুলো কমিশন জমা দিয়েছে, সেগুলোর ওপর আলাপ-আলোচনা হবে। দলগুলো এসব নিয়ে কথা বলবে কমিশনগুলোর সঙ্গে এবং একটা ঐকমত্যে পৌঁছানোর চেষ্টা করা হবে।

৪৭, ৭১ ও ২৪-এর ভিত্তিতে আগামীর বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যাশা জানিয়েছি: মামুনুল হক

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হক বলেছেন, ‘১৯৪৭, ১৯৭১ ও ২০২৪ সালের ঐতিহাসিক ঘটনাগুলোর ভিত্তিতে আগামীর বাংলাদেশ গড়ে তোলা উচিত।’ শনিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বৈঠকে এ প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন বলে জানান।

মামুনুল হক বলেন, ‘সংস্কারের দ্বিতীয় ধাপ শুরু হয়েছে, যেখানে রাজনৈতিক দলগুলো নিজ নিজ মতামত তুলে ধরবে। আমরা চাই, সংস্কার প্রস্তাবনা ও তার বাস্তবায়ন কার্যক্রম শুরুর আগে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের সমাধান হওয়া প্রয়োজন—আগামীর বাংলাদেশের ভিত্তি কী হবে? সংস্কারের মূল দিকনির্দেশনা কী হবে?’

তিনি বলেন, ‘জুলাই-আগস্টের বিপ্লবের ঘোষণাপত্র প্রকাশিত হওয়ার কথা ছিল। আমরা জোর দিয়ে বলেছি, তা যেন দ্রুততম সময়ের মধ্যে জাতির সামনে উপস্থাপন করা হয়।’ খেলাফত মজলিসের আমির বলেন, ‘আমরা চাই না ২০২৪-এর আগের ঘটনার পুনরাবৃত্তি হোক। ৪৭, ৭১ ও ২০২৪-এর ঐতিহাসিক ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে যেন আগামীর বাংলাদেশ গড়ে ওঠে।’

জাতীয় নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘প্রয়োজনীয় সংস্কার সম্পন্ন হওয়ার পর ২০২৫ সালের শেষের দিকে জাতীয় নির্বাচন হওয়া উচিত।’ তবে স্থানীয় নির্বাচন নিয়ে তার দল নির্দিষ্ট কোনও মত দেয়নি বলে জানিয়ে মামুনুল হক বলেন, ‘সব রাজনৈতিক দলের ঐকমত্যের ভিত্তিতেই স্থানীয় নির্বাচনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।’

উপদেষ্টাদের ছদ্মবেশে রাস্তায় বের হওয়ার কথা বলেছি: মঞ্জু

দেশের বর্তমান পরিস্থিতি বুঝতে একজন উপদেষ্টাকে ছদ্মবেশে রাস্তায় বের হওয়ার কথা বলেছেন এবি পার্টির চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান মঞ্জু। তিনি বলেন, ‘আমি তাদের বলেছি আপনাদের একজন উপদেষ্টা ছদ্মবেশে রাস্তায় বের হন। ছিনতাইকারীর কবলে পড়লে পুলিশের পক্ষ থেকে কী সহযোগিতা পাওয়া যায় সেটা আপনারা দেখেন।’ শনিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের বৈঠক থেকে বেরিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

মুজিবুর রহমান মঞ্জু বলেন, ‘আমরা বলেছি, জাতীয় ঐকমত্য সৃষ্টির জন্য আপনাদের (সরকার) উচিত ছিল ভূমিকা নেওয়া। কিন্তু আপনারা সেটা নেননি। গত ১৫-১৬ বছরে আমরা কী সংগ্রাম-আন্দোলন করেছি সেটা যদি আপনারা নাও মানেন কিন্তু জুলাই-আগস্ট মাসে বিএনপির নজরুল ইসলাম খান অ্যারেস্ট হয়েছিলেন, জামায়াতের নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের অ্যারেস্ট হয়েছিলেন, গণসংহতির জুনায়েদ সাকি আহত হয়েছিলেন, আমরা গুলি খেয়েছি, জেলে গেছি। কিন্তু কই আপনাদের কোনও আলোচনা এই যে যারা জেলে গিয়েছে, আহত হয়েছে তাদের কোনও কিছু ঠাঁই পায় না। তাহলে আপনারা কীভাবে জাতীয় কর্ম তৈরি করছেন? রাজনৈতিক দলের সহযোগিতা কীভাবে চাচ্ছেন?’

তিনি বলেন, ‘সর্বশেষে আমি বলেছি, আপনারা আমাদের কথাগুলো শুনেন। কিন্তু কতটুকু আমলে নেন সেটা আমরা বুঝতে পারি না। সুতরাং আশা করি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার আমাদের কথাগুলো গুরুত্ব দেবে।’ নির্বাচন প্রসঙ্গে মঞ্জু বলেন, ‘আমরা আরেকটা বিষয় বলেছি, এই সরকারের সঠিক কর্তৃত্ব এখনও প্রতিষ্ঠা হয়নি। ফলে এমন বন্ধুর অবস্থায় নিয়ে কীভাবে নির্বাচন করবেন? আমরা স্পষ্টভাবে বলেছি, জাতীয় নির্বাচন আগে করেন। কিন্তু আপনার প্রশাসনিক কর্তৃত্বটা লাগবেই।’

কমিটির মেয়াদের মধ্যেই আমরা সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে চাই: আলী রীয়াজ

জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি ড. আলী রীয়াজ জানিয়েছেন, ‘সংস্কার কমিশনগুলোর প্রতিবেদন পর্যালোচনার পর শিগগিরই প্রতিটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে পৃথক বৈঠক করা হবে। যত দ্রুত সম্ভব আমরা রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে বসতে চাই। জাতীয় ঐকমত্য কমিটির মেয়াদ ছয় মাস। তাই এই সময়ের মধ্যেই আমরা সর্বসম্মত সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে চাই।’ শনিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে চলমান জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

আলী রীয়াজ বলেন, ‘আজকের বৈঠকে সব রাজনৈতিক দলই একমত হয়েছে যে, দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে জাতীয় ঐক্যের বিকল্প নেই। তারা সংস্কার কার্যক্রম বাস্তবায়নে অন্তর্বর্তী সরকারকে সহযোগিতা করবে এবং সরাসরি অংশগ্রহণ করবে। আমরা মনে করি, প্রতিটি রাজনৈতিক দলের দায়িত্ব সংস্কার কার্যক্রমকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া।’

সংলাপ দ্রুত সম্পন্ন করার গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘আমরা চাই যত দ্রুত সম্ভব রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা শেষ হোক। তবে যেহেতু ছয়টি কমিশনের প্রতিবেদন তাদের পাঠানো হয়েছে, তাই পর্যালোচনার জন্য কিছুটা সময় প্রয়োজন।’

তিনি আরও বলেন, ‘সংস্কার কর্মসূচিগুলোকে দ্রুত অগ্রসর করা এবং জাতীয় ঐকমত্য প্রতিষ্ঠা করা দরকার। যাতে আমরা দ্রুততম সময়ে নির্বাচনের পথে এগিয়ে যেতে পারি।’

সংস্কার কমিশনের নির্ধারিত ছয় মাসের মধ্যেই সংলাপ শেষ করা সম্ভব কিনা এমন প্রশ্নে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি বলেন, ‘আমরা আশা করছি ছয় মাসের মধ্যেই এটি সম্পন্ন করা সম্ভব হবে। তবে রাজনৈতিক দলগুলোকে প্রতিবেদন পর্যালোচনার জন্য সময় দিতে হবে। বাস্তবতা হলো, আমরা চাই যত দ্রুত সম্ভব সংলাপ ও পর্যালোচনার কাজ শুরু করতে।’

কালের আলো/জিকেএম/আরআই

ইরানে পাকিস্তানের সেনাপ্রধান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ৮:৫৭ অপরাহ্ণ
ইরানে পাকিস্তানের সেনাপ্রধান

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে পুনরায় আলোচনা শুরু করার বিষয়ে উচ্চপর্যায়ের এক বৈঠকে অংশ নিতে তেহরানে পৌঁছেছেন পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর প্রধান ফিল্ড মার্শাল অসীম মুনির। পাকিস্তানের একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বুধবার তিনি তেহরানে পৌঁছেছেন।

ইরানের একাধিক সূত্রের বরাত দিয়ে কাতার-ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, ফিল্ড মার্শাল অসীম মুনিরের নেতৃত্বে পাকিস্তানের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল ইরানে পৌঁছেছেন।

তেহরানের কাছে যুক্তরাষ্ট্রের বার্তা পৌঁছে দেওয়া এবং দ্বিতীয় দফার আলোচনার সমন্বয় করার লক্ষ্যে পাকিস্তানের এই প্রতিনিধিদল ইরান সফরে গেছে।

ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত বার্তা সংস্থা আইআরআইবি বলেছে, আগামী কয়েক দিনের মাঝে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র দ্বিতীয় দফার আলোচনা অনুষ্ঠিত হতে পারে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

গত সপ্তাহে ইসলামাবাদে কোনও ফলাফল ছাড়াই শেষ হওয়া আলোচনার পর পাকিস্তানের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বার্তার আদান-প্রদান অব্যাহত রয়েছে বলে ইরানের পক্ষ থেকে জানানোর কয়েক ঘণ্টা পরই পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ইরান সফরে গেছেন।

বুধবার সাপ্তাহিক সংবাদ সম্মেলনে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘায়ি বলেন, গত রোববার ইরানি প্রতিনিধিদল তেহরানে ফিরে আসার পর থেকে পাকিস্তানের মাধ্যমে বেশ কিছু বার্তা বিনিময় করা হয়েছে। তিনি বলেন, ইসলামাবাদে চলমান আলোচনার ধারাবাহিকতায় আজ আমাদের পাকিস্তানি এক প্রতিনিধিদলকে গ্রহণ করার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে।

সংবাদ সম্মলনে তিনি জোর দিয়ে বলেন, ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ তেহরানের ‘অনস্বীকার্য’ অধিকার। তবে সমৃদ্ধকরণের মাত্রা ‘আলোচনাযোগ্য’। ইরানি এই কর্মকর্তা বলেন, পারমাণবিক শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহারের অধিকার চাপ প্রয়োগ কিংবা যুদ্ধের মাধ্যমে ছিনিয়ে নেওয়া সম্ভব নয়।

তিনি বলেন, সমৃদ্ধকরণের মাত্রা ও ধরনের বিষয়ে আমরা সব সময় বলেছি, এই বিষয়টি আলোচনাযোগ্য। আমরা জোর দিয়ে বলেছি, ইরানের নিজস্ব প্রয়োজন অনুযায়ী সমৃদ্ধকরণ অব্যাহত রাখার সক্ষমতা থাকা উচিত।

বিস্তারিত ব্যাখ্যা না দিয়ে বাঘায়ি বলেন, আলোচনার সময় যুক্তরাষ্ট্রের কিছু দাবি ছিল ‘অযৌক্তিক ও অবাস্তব’। তিনি পারমাণবিক শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহারের বিষয়ে ইরানের অধিকারের ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, ‌‌‌‘‘এই অধিকার চাপ প্রয়োগ বা যুদ্ধের মাধ্যমে কেড়ে নেওয়া যাবে না।’’

মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য নিউ ইয়র্ক পোস্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে আগামী দুই দিনের মধ্যে আবারও আলোচনা শুরু হতে পারে বলে মঙ্গলবার জানিয়েছেন। ইরানিরা পাকিস্তানের দিকে ‘বেশি ঝুঁকে আছেন’ বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

ট্রাম্প বলেন, আপনাদের আসলেই সেখানে অবস্থান করা উচিত। কারণ আগামী দুই দিনের মধ্যে কিছু একটা ঘটতে পারে এবং আমরা সেখানে যাওয়ার পক্ষেই বেশি আগ্রহী। তিনি নিউ ইয়র্ক পোস্টকে বলেন, এর সম্ভাবনা বেশি, জানেন কেন? কারণ ফিল্ড মার্শাল দারুণ কাজ করছেন। তিনি অসাধারণ এবং এ কারণেই আমাদের সেখানে ফিরে যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি। আমরা কেন এমন কোনও দেশে যাব যাদের এই বিষয়ের সঙ্গে কোন সম্পর্কই নেই?

বুধবার ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ ‘প্রায় শেষের পথে’।

সুত্র: আল জাজিরা, ডন, ফক্স নিউজ।

কালের আলো/জেএন

দেড় মাস পর ডলার কিনল কেন্দ্রীয় ব্যাংক

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ৮:৫২ অপরাহ্ণ
দেড় মাস পর ডলার কিনল কেন্দ্রীয় ব্যাংক

প্রায় দেড় মাস পর আবারও বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে মার্কিন ডলার কিনেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। বুধবার (১৫ এপ্রিল) একটি ব্যাংকের কাছ থেকে ৭০ মিলিয়ন বা ৭ কোটি ডলার কেনা হয়।

মাল্টিপল প্রাইস অকশন (এমপিএ) পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত এ ক্রয়ে ডলারের এক্সচেঞ্জ রেট ও কাট-অফ রেট দুটিই ছিল ১২২ টাকা ৭৫ পয়সা।

এর আগে সর্বশেষ গত ২ মার্চ দুটি ব্যাংকের কাছ থেকে ২৫ মিলিয়ন ডলার কিনেছিল। ওই সময় কাট-অফ রেট ছিল ১২২ টাকা ৩০ পয়সা।

চলতি ২০২৫–২৬ অর্থবছরে এখন পর্যন্ত বিভিন্ন বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে মোট ৫৫৬ কোটি ৩৫ লাখ ডলার (৫ দশমিক ৫৬ বিলিয়ন ডলার) কিনেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

এদিকে প্রবাসী আয়ের প্রবাহ বাড়তে থাকায় বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। চলতি বছরের মার্চে দেশে এসেছে ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স, যা দেশের ইতিহাসে একক মাসে সর্বোচ্চ। বর্তমান বিনিময় হার অনুযায়ী এর পরিমাণ ৪৬ হাজার কোটি টাকারও বেশি।

সবশেষ তথ্য অনুযায়ী, চলতি মাসের ১ থেকে ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত এসেছে ১৬০ কোটি ৭০ লাখ ডলার। আর চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত মোট রেমিট্যান্স দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৭৮১ কোটি ডলার, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ২০ দশমিক ৬ শতাংশ বেশি।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলছেন, হুন্ডি প্রতিরোধে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ, প্রণোদনা এবং ব্যাংকিং চ্যানেলের উন্নয়ন প্রবাসী আয় বাড়াতে সহায়ক ভূমিকা রাখছে। এর ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভেও।

সর্বশেষ তথ্যে দেখা গেছে, ১৫ এপ্রিল দিন শেষে দেশের গ্রস রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩৪ দশমিক ৮৭ বিলিয়ন ডলার। আর আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) বিপিএম-৬ পদ্ধতি অনুযায়ী রিজার্ভের পরিমাণ ৩০ দশমিক ২০ বিলিয়ন ডলার।

কালের আলো/জেএন

পুলিশে বড় রদবদল

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ৮:৪৬ অপরাহ্ণ
পুলিশে বড় রদবদল

‎পুলিশ বাহিনীতে বড় ধরনের রদবদল আনা হয়েছে। পুলিশ সুপার (এসপি) থেকে ‘সুপারনিউমারারি পদোন্নতি’ পাওয়া এক ডিআইজিসহ ১৬ জন অতিরিক্ত ডিআইজি পদমর্যাদার কর্মকর্তাসহ মোট ১৭ কর্মকর্তাকে বদলি করা হয়েছে।

‎‎বুধবার (১৫ এপ্রিল) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপসচিব (পুলিশ-১ শাখা) তৌছিফ আহমেদ স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

‎‎প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, শিল্পাঞ্চল পুলিশের (বর্তমানে সুপারনিউমারারি অতিরিক্ত ডিআইজি) মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেনকে পিবিআইয়ের অতিরিক্ত ডিআইজি হিসেবে বদলি করা হয়েছে। এছাড়া বিশেষ পুলিশ সুপার (বর্তমানে সুপারনিউমারারি অতিরিক্ত ডিআইজি) কামরুল হাসান মাহমুদকে এসবিতে অতিরিক্ত ডিআইজি হিসেবে, আরপিএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার (বর্তমানে সুপারনিউমারারি অতিরিক্ত ডিআইজি) তোফায়েল আহমেদকে পদস্থ বিভাগেই অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার হিসেবে এবং ডিএমপির উপপুলিশ কমিশনার (বর্তমানে সুপারনিউমারারি অতিরিক্ত ডিআইজি) সুফিয়ান আহমেদকে ডিএমপিতেই যুগ্ম কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

‎‎আরও জানান হয়, সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (বর্তমানে সুপারনিউমারারি অতিরিক্ত ডিআইজি) মুহাম্মদ বাছির উদ্দিনকে সিআইডিতেই অতিরিক্ত ডিআইজি হিসেবে, এসবির বিশেষ পুলিশ সুপার (বর্তমানে সুপারনিউমারারি অতিরিক্ত ডিআইজি) মোহাম্মদ মনিরুজ্জামানকে এসবিতে অতিরিক্ত ডিআইজি হিসেবে এবং সিএমপির উপপুলিশ কমিশনার (সুপারনিউমারারি অতিরিক্ত ডিআইজি) হোসাইন মোহাম্মদ কবির ভুইয়াকে সিএমপিতেই অতিরিক্ত কমিশনার হিসেবে বদলি করা হয়েছে।

‎পুলিশ সদর দপ্তরের এআইজি (বর্তমানে সুপারনিউমারারি অতিরিক্ত ডিআইজি) মাহবুবুল করিমকে অতিরিক্ত ডিআইজি হিসেবে পুলিশ সদর দপ্তরেই রাখা হয়েছে। আরএমপির উপপুলিশ কমিশনার (বর্তমানে সুপারনিউমারারি অতিরিক্ত ডিআইজি) আল মামুনকে আরএমপিতেই অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার করা হয়েছে।

‎শিল্পাঞ্চল পুলিশ-৪ (নারায়ণগঞ্জ) এর পুলিশ সুপার (বর্তমানে সুপারনিউমারারি অতিরিক্ত ডিআইজি) মোহা. আসাদুজ্জামানকে পুলিশ সদর দপ্তরে অতিরিক্ত ডিআইজি হিসেবে, এসবির বিশেষ পুলিশ সুপার (বর্তমানে সুপারনিউমারারি অতিরিক্ত ডিআইজি) মোহাম্মদ আনিছুর রহমানকে এসবিতেই অতিরিক্ত ডিআইজি হিসেবে বদলি করা হয়েছে।

‎রংপুর রেঞ্জের পুলিশ সুপার (বর্তমানে সুপারনিউমারারি অতিরিক্ত ডিআইজি) ড. আ ক ম আকতারুজ্জামান বসুনিয়াকে পুলিশ সদর দপ্তরে অতিরিক্ত ডিআইজি হিসেবে, এআইজি (বর্তমানে সুপারনিউমারারি অতিরিক্ত ডিআইজি) মো. জাহাঙ্গীর আলমকে একই দপ্তরে, এসবির বিশেষ পুলিশ সুপার (বর্তমানে সুপারনিউমারারি অতিরিক্ত ডিআইজি) মোহাম্মদ হায়াতুন নবীকে সিআইডিতে অতিরিক্ত ডিআইজি হিসেবে এবং এআইজি (বর্তমানে সুপারনিউমারারি অতিরিক্ত ডিআইজি) আবদুল্লাহ আল-মামুনকে পুলিশ সদর দপ্তরেই অতিরিক্ত ডিআইজি হিসেবে বদলি করা হয়েছে।

‎‎এছাড়া আরও জানান হয়, পুলিশ স্টাফ কলেজের পুলিশ সুপার (বর্তমানে সুপারনিউমারারি অতিরিক্ত ডিআইজি) আফরোজা পারভীনকে একই কর্মস্থলে অতিরিক্ত ডিআইজি হিসেবে এবং রেলওয়ে পুলিশের পুলিশ সুপার (বর্তমানে সুপারনিউমারারি অতিরিক্ত ডিআইজি) তোফায়েল আহমেদ মিয়াকে নিজ বিভাগেই অতিরিক্ত ডিআইজি হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।

‎জনস্বার্থে জারি করা এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।

কালের আলো/জেএন