খুঁজুন
                               
শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৫ বৈশাখ, ১৪৩৩
           

‘কর্নেল অব দি রেজিমেন্ট’ হিসেবে অভিষিক্ত হলেন সেনাপ্রধান, ইন্ডিজেনাস ডিফেন্স ইন্ডাষ্ট্রি তৈরির কার্যক্রম শুরুর ঘোষণা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, ১০:১৮ অপরাহ্ণ
‘কর্নেল অব দি রেজিমেন্ট’ হিসেবে অভিষিক্ত হলেন সেনাপ্রধান, ইন্ডিজেনাস ডিফেন্স ইন্ডাষ্ট্রি তৈরির কার্যক্রম শুরুর ঘোষণা

বিশেষ সংবাদদাতা, কালের আলো:

বাংলাদেশ ইনফ্যান্ট্রি রেজিমেন্টের সপ্তম ‘কর্নেল অব দি রেজিমেন্ট’ হিসেবে অভিষিক্ত হয়েছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজশাহী সেনানিবাসে বাংলাদেশ ইনফ্যান্ট্রি রেজিমেন্টাল সেন্টারে এক বিশেষ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সপ্তম ‘কর্নেল অব দি রেজিমেন্ট’ হিসেবে তিনি অভিষিক্ত হন। এ সময় প্রচলিত রীতি অনুযায়ী তাঁকে রেজিমেন্টের কর্নেল র‌্যাঙ্ক পরিয়ে দেওয়া হয়। পরে অভিষেক অনুষ্ঠানে ইন্ডিজেনাস ডিফেন্স ইন্ডাষ্ট্রি তৈরির কার্যক্রম শুরুর কথা জানিয়ে বলেছেন, এর ফলে আমাদের সক্ষমতা ও আত্মনির্ভরতাও অনেকাংশে বৃদ্ধি পাবে।’

রেজিমেন্টের সপ্তম কর্নেল অব দি রেজিমেন্ট হিসেবে নির্বাচিত করার জন্য সেনাপ্রধান সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ জানান ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ‘রেজিমেন্টের প্রত্যেকটি সদস্যকে পেশাদার ও প্রশিক্ষিত হিসেবে গড়ে তুলতে আমি সর্বদা বদ্ধপরিকর। পেশাগত দক্ষতার পাশাপাশি একটি সুন্দর জীবনমানও আমাদের কাম্য। যেকোনো কল্যাণমুখী কার্যক্রমের জন্য আমি সর্বদা সচেষ্ট থাকব। এ ব্যাপারে আমি রেজিমেন্টের সব সদস্যের সহযোগিতা কামনা করছি।’

স্বাধীনতা পরবর্তী বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠিত প্রথম পদাতিক রেজিমেন্ট বাংলাদেশ ইনফ্যান্ট্রি রেজিমেন্টের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাসের কথা তুলে ধরে সেনাপ্রধান বলেন, ‘বাংলাদেশ ইনফ্যান্ট্রি রেজিমেন্ট ২০০১ সালের পহেলা জানুয়ারি প্রতিষ্ঠা লাভের পর অতি অল্প সময়ের মধ্যেই কঠোর পরিশ্রম, সময়োপযোগী পরিকল্পনা এবং দেশপ্রেমের দৃঢ় অঙ্গীকারের মাধ্যমে আজকের এই মর্যাদাপূর্ণ অবস্থানে আসীন হয়েছে। ‘দুর্জয়, দুরন্ত নির্ভীক’ মূলমন্ত্রে উজ্জীবিত এই রেজিমেন্ট কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০১১ সালে জাতীয় পতাকা লাভের দুর্লভ সম্মানে ভূষিত হয়েছে।’

নিজের বক্তব্যে সেনাপ্রধান গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন মহান স্বাধীনতা যুদ্ধ ও যুদ্ধোত্তর বাংলাদেশ ইনফ্যান্ট্রি রেজিমেন্টের ৫ জন বীর বিক্রম ও ২৭ জন বীর প্রতীক সেনা সদস্যকে। তিনি বলেন, ‘এই রেজিমেন্টের ৬০ জন অন্যান্য সদস্য গভীর দেশপ্রেম ও অসীম বীরত্বের সঙ্গে দেশের জন্য নিজেদের জীবন বিসর্জন দিয়েছেন। আমি সকল শহীদদের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি।’

বাংলাদেশ ইনফ্যান্ট্রি রেজিমেন্টের কর্নেল অব দি রেজিমেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নিতে পেরে অত্যন্ত গর্বিত উল্লেখ করে জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান আরও বলেন, ‘আপনারা সকলে অবগত আছেন, একনিষ্ঠ উদ্যোগের ফলে বিগত কয়েক বছরে বাংলাদেশ ইনফ্যান্ট্রি রেজিমেন্ট তথা বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর আধুনিকায়ন ও উন্নয়ন সাধিত হয়েছে। এজন্য নতুন নতুন ইউনিট প্রতিষ্ঠা, আধুনিক অস্ত্র ও সরঞ্জামাদিসহ উন্নয়ন ও কল্যাণমূলক কার্যক্রম অন্তর্ভূক্ত রয়েছে। আমি কর্নেল অব দি রেজিমেন্ট হিসেবে ইনফ্যান্ট্রি রেজিমেন্টের আভিযানিক সক্ষমতা ও যুদ্ধ উপযুক্ততা বৃদ্ধির চলমান প্রক্রিয়াকে আরও বেগবান করবো ইনশাআল্লাহ। যুগোপযোগী ও আধুনিক প্রযুক্তির যেকোন প্রয়োজনীয় যুদ্ধাস্ত্র ও সরঞ্জাম যোগান দেওয়ার বিষয়ে আমি সর্বদা সচেষ্ট থাকবো। ইতোমধ্যেই আমরা ইন্ডিজেনাস ডিফেন্স ইন্ডাষ্ট্রি তৈরির কার্যক্রম শুরু করেছি। যা আমাদের সক্ষমতা ও আত্মনির্ভরতাও অনেকাংশে বৃদ্ধি পাবে।’

সেনাপ্রধান আশা প্রকাশ করে বলেন, ‘আমি আশা করবো বাংলাদেশ ইনফ্যান্ট্রি রেজিমেন্টের প্রতিটি সদস্য তাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব সর্বোচ্চ শৃঙ্খলা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে পালন করবে। এই রেজিমেন্টের প্রতিটি সদস্য দেশের যেকোন প্রয়োজনে স্বত:স্ফূর্তভাবে দায়িত্ব পালন করবে এবং প্রয়োজনে নিজের জীবন বিসর্জন দিতে সর্বদা প্রস্তুত থাকবে।’ এর আগে তিনি ইনফ্যান্ট্রি রেজিমেন্টের সদস্যদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত এক প্যারেড পরিদর্শন করেন। অনুষ্ঠানে ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তা ও আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এমএএএমকে

জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভা সন্ধ্যায়

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ১:০৫ অপরাহ্ণ
জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভা সন্ধ্যায়

হিজরি ১৪৪৭ সনের পবিত্র জিলকদ মাসের তারিখ নির্ধারণে আজ সভায় বসবে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি।

শনিবার (১৮ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় বায়তুল মোকাররমে অবস্থিত ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সভাকক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হবে।

ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ সভায় সভাপতিত্ব করবেন।

বাংলাদেশের আকাশে কোথাও জিলকদ মাসের চাঁদ দেখা গেলে তা টেলিফোন নম্বর: ০২-৪১০৫৩২৯৪, ০২-২২৬৬৪০৫১০ ও ০২-২২৩৩৮৩৩৯৭ অথবা সংশ্লিষ্ট জেলার জেলা প্রশাসক বা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানাতে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

কালের আলো/এসএকে

নিজের অস্ত্রের গুলিতে পুলিশ কনস্টেবল নিহত

খুলনা প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ১:০৫ অপরাহ্ণ
নিজের অস্ত্রের গুলিতে পুলিশ কনস্টেবল নিহত

খুলনার রেলওয়ে পুলিশ লাইনে ডিউটিরত অবস্থায় এক পুলিশ কনস্টেবলের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) ভোর আনুমানিক সাড়ে ৪টার দিকে নগরীর সোনাডাঙ্গা আবাসিক এলাকার (২য় ফেজ) রেলওয়ে পুলিশ লাইনের অস্ত্রাগার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত কনস্টেবলের নাম সম্রাট বিশ্বাস (বিপি নং: ৯৯১৮২১৪৯২৯)। তিনি গোপালগঞ্জ জেলার কাশিয়ানি উপজেলার পদ্মবিলা এলাকার বাসিন্দা শৈলেন বিশ্বাসের ছেলে।

জানা গেছে, গত বছরের ৩ নভেম্বর তিনি খুলনা রেলওয়ে পুলিশ লাইনে যোগদান করেন। তার স্ত্রী পূজা বিশ্বাস সাতক্ষীরা জেলায় কর্মরত একজন নারী পুলিশ সদস্য।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ভোর ৪টা থেকে ৬টা পর্যন্ত সম্রাট বিশ্বাসের ডিউটি নির্ধারিত ছিল। দায়িত্ব পালনকালে ভোর সাড়ে ৪টার দিকে তিনি নিজের ব্যবহৃত চাইনিজ রাইফেল মাথায় ঠেকিয়ে গুলি করেন। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয় বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

ঘটনার খবর পেয়ে খুলনা রেলওয়ে পুলিশ ও খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের সোনাডাঙ্গা মডেল থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়। পরে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের সোনাডাঙ্গা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম জানান, ডিউটিরত অবস্থায় মাথায় বন্দুক ঠেকিয়ে গুলি করার মাধ্যমে সম্রাট বিশ্বাস আত্মহত্যা করেছেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ঘটনার পেছনে অন্য কোনো কারণ রয়েছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

অন্যদিকে খুলনা রেলওয়ে পুলিশ সুপার আহমেদ মাইনুল হাসান জানিয়েছেন, পরিবারের সদস্যদের খবর দেয়া হয়েছে এবং ঘটনাটি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ সম্পর্কে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি। তদন্ত শেষে বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

এদিকে, দায়িত্ব পালনরত অবস্থায় একজন পুলিশ সদস্যের এমন মৃত্যুর ঘটনায় সহকর্মীদের মধ্যেও শোকের ছায়া নেমে এসেছে। ঘটনাটি ঘিরে বিভিন্ন মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে এবং এর পেছনের কারণ উদঘাটনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্তের দিকে নজর রয়েছে।

কালের আলো/ইএম 

 

নিজের অস্ত্রের গুলিতে পুলিশ সদস্য নিহত

৬ ম্যাচেও জয়হীন, লজ্জার নজির কলকাতার

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ১:০০ অপরাহ্ণ
৬ ম্যাচেও জয়হীন, লজ্জার নজির কলকাতার

চলতি আইপিএলে কলকাতা নাইট রাইডার্সের দুঃসময় যেন কাটছেই না। এখনও পর্যন্ত জয়ের মুখ দেখেনি শাহরুখ খানের ফ্র্যাঞ্চাইজি। শুক্রবার গুজরাটের কাছে ৫ উইকেটে হারের পর নতুন আরেকটি লজ্জার নজির গড়েছে কলকাতা।

গুজরাটের কাছে হারায় আইপিএলের ইতিহাসে পঞ্চম দল হিসেবে কোনো মৌসুমের প্রথম ৬টি ম্যাচেই জয়হীন থাকল কেকেআর।

প্রথম দল হিসেবে লজ্জার এই নজির গড়েছিল ডেকান চার্জার্স (তৎকালীন নাম)। তারা ২০১২ সালের আইপিএলের প্রথম ৬টি ম্যাচ জিততে পারেনি। দ্বিতীয় দল হিসেবে ২০১৩ সালে দিল্লি ডেয়ার ডেভিলস (তৎকালীন নাম) মৌসুমের প্রথম ছ’টি ম্যাচে জয় পায়নি।

২০১৯ সালে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুকেও একই লজ্জার মুখোমুখি হতে হয়েছিল। ২০২২ সালের আইপিএলে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স প্রথম ৬টি ম্যাচ জিততে পারেনি। পঞ্চম দল হিসেবে এই তালিকায় নাম উঠল তিনবারের চ্যাম্পিয়ন কেকেআরের।

ইডেন গার্ডেন্সের পাঞ্জাব কিংস ম্যাচ বৃষ্টিতে ভেস্তে যাওয়ায় ১ পয়েন্ট পান রাহানেরা। বাকি পাঁচটি ম্যাচেই হেরেছেন তারা। ফলে মৌসুমের প্রথম ছ’টি ম্যাচে জয় পেল না নাইট শিবির। বাজে ফর্মে পয়েন্ট তালিকায় ১০ নম্বরে রয়েছে শাহরুখের দল।

কালের আলো/এসএকে