খুঁজুন
                               
শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৬, ৪ বৈশাখ, ১৪৩৩
           

দুর্দশাগ্রস্ত মিয়ানমারে মানবিক সহায়তায় এগিয়ে এসেছে নৌবাহিনী, ‘সমুদ্র অভিযান’র যাত্রায় নৌবাহিনী প্রধানের গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৫, ৯:০৭ অপরাহ্ণ
দুর্দশাগ্রস্ত মিয়ানমারে মানবিক সহায়তায় এগিয়ে এসেছে নৌবাহিনী, ‘সমুদ্র অভিযান’র যাত্রায় নৌবাহিনী প্রধানের গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা

বিশেষ সংবাদদাতা, কালের আলো:

স্মরণকালের ভয়াবহ ভূমিকম্পে লণ্ডভণ্ড মিয়ানমার। ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা হাজার হাজার।বাতাসের প্রতিটি ঝাপটায় ভেসে আসছে লাশের গন্ধ। ভয়াবহ এক ট্র্যাজেডি। মুসলমান পল্লিগুলোতে শোকের মাতম যেন খানিকটা বেশিই। বিধবাদের কান্নায় ভারী হয়ে আছে পরিবেশ। জাতিসংঘের হিসাবে, ভূমিকম্পে দেশটির অন্তত ৩০ লাখ মানুষ গৃহহীন হয়ে পড়েছেন। তাঁদের বেশির ভাগই থাকছেন খোলা আকাশের নিচে। সবার ভাগ্যে তাঁবুও জোটেনি। কারও কারও ঠাঁই হয়েছে অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে। ভূমিকম্পকবলিত এলাকায় চলছে খাবার ও সুপেয় পানির তীব্র সংকট। এতে রোগবালাই ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

এমন দুর্দশাগ্রস্ত মিয়ানমারে মানবিক সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার। সরকারের নির্দেশে উদ্ধার ও চিকিৎসা সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনা করছে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী। তারা দুর্গত মানুষের পাশে থেকে মানবিক সহায়তা কার্যক্রমে নিরলসভাবে পরিচালনা করছে। ভূমিকম্পে বেঁচে যাওয়াদের টিকে থাকার সংগ্রামকে তরান্বিত করতে ত্রাণ ও জরুরি চিকিৎসাসামগ্রী পাঠিয়েছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী। মানবতার চিরন্তন হৃদয়াবেগ নিয়ে দুর্গত মানুষের বিপদে ঝাঁপিয়ে পড়েছে তাঁরা। এর মাধ্যমে বিপন্ন মানবতার পাশে দাঁড়িয়ে প্রকৃত মনুষ্যত্ববোধের পরিচয় দিয়েছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী।

মঙ্গলবার (৮ এপ্রিল) মিয়ানমারের ইয়াঙ্গুনের উদ্দেশ্যে চট্টগ্রাম বন্দর থেকে যাত্রা করেছে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর জাহাজ ‘সমুদ্র অভিযান’। এদিন প্রায় ১২০ মেট্রিক টন ত্রাণসহ মিয়ানমারের উদ্দেশে যাত্রা করা জাহাজটির সামগ্রিক কার্যক্রম পরিদর্শন করেছেন নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল এম নাজমুল হাসান। এ সময় তিনি সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। খাদ্য, বস্ত্র, চিকিৎসা, উদ্ধার, শুশ্রূষা ও কায়িক শ্রম দিয়ে এমন মানবিক সহায়তা কার্যক্রম বৈশ্বিক পরিমণ্ডলে উজ্জ্বল করেছে বাংলাদেশ ও নৌবাহিনীর ভাবমূর্তি।

আন্ত:বাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানায়, ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ আরিফ হোসেনের নেতৃত্বে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর জাহাজ ‘সমুদ্র অভিযান’ প্রায় ১২০ মেট্রিক টন ত্রাণসহ মিয়ানমারের উদ্দেশে এদিন যাত্রা করে। জাহাজটি শুক্রবার (১১ এপ্রিল) ইয়াঙ্গুন বন্দরে পৌঁছবে বলে আশা করা হচ্ছে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়, সশস্ত্র বাহিনী, সেনা কল্যাণ সংস্থা এবং রেড ক্রিসেন্টের সহযোগিতায় ১২০ টন ত্রাণসামগ্রীর মধ্যে রয়েছে ৭৭ টন শুকনা খাবার, ৯ টনের বেশি তাঁবু এবং ব্যবহারযোগ্য বস্ত্রাদি, ২৯ টন বিশুদ্ধ খাবার পানি, ৪ টন হাইজিন কিট এবং প্রায় ১ টন প্রয়োজনীয় ওষুধসামগ্রী।

আইএসপিআর আরও জানায়, ইয়াঙ্গুন বন্দরে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে মিয়ানমার সরকারের প্রতিনিধি দলের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে ত্রাণসামগ্রী হস্তান্তর করা হবে। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার নির্দেশনা, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের পৃষ্ঠপোষকতা ও সার্বিক তত্ত্বাধানে এই সহায়তা কার্যক্রম বাস্তবায়িত হচ্ছে। এই অত্যাবশ্যকীয় সহায়তা মিয়ানমারের ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ ও স্বাস্থ্য সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে এবং তাদের দুর্ভোগ লাঘবে সহায়ক হবে।

এর আগে গত ২৮ মার্চ মিয়ানমার ও থাইল্যান্ডে ৭ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্প হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ সরকার ইতোমধ্যে দুই ধাপে সেনাবাহিনী ও বিমানবাহিনীর পরিবহন বিমানের মাধ্যমে ৩১ দশমিক ৫ টন ত্রাণসামগ্রী, উদ্ধার ও চিকিৎসা সহায়তাকারী দল পাঠিয়েছে। প্রতিবেশী দেশ মিয়ানমারের দুর্যোগকালে বাংলাদেশের এই সহানুভূতিশীল পদক্ষেপ দুই দেশের পারস্পরিক আস্থা ও বিশ্বাস আরও বাড়াবে এবং দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করবে।

আইএসপিআর জানায়, বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী ২০২৩ সালে ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত তুরস্কে বিমানযোগে ত্রাণ এবং উদ্ধার ও চিকিৎসা সহায়তা দল পাঠিয়েছিল। ২০২৩ সালে বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় ‘মোখা’তে বিপর্যস্ত মিয়ানমারের সাধারণ মানুষকে জাহাজযোগে ত্রাণ সহায়তা পাঠিয়েছিল। ভবিষ্যতেও যেকোনো জাতীয় ও বৈদেশিক দুর্যোগ মোকাবিলায় সরকারের নীতিমালার আলোকে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী নিরলসভাবে কাজ করে যেতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

কালের আলো/এমএএএমকে

সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎ শুরু শুক্রবার

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:১০ অপরাহ্ণ
সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎ শুরু শুক্রবার

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার আগামীকাল শুক্রবার থেকে শুরু হচ্ছে। বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বিকেলে রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এ তথ্য জানান বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

রিজভী বলেন, শুক্রবার পাঁচটি বিভাগের মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার নেওয়া হবে। পরদিন শনিবারও দলীয় ফরম গ্রহণকারীদের সাক্ষাৎকার অনুষ্ঠিত হবে। নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, শুক্রবার রংপুর, রাজশাহী, বরিশাল, ফরিদপুর ও খুলনা বিভাগের প্রার্থীদের সাক্ষাৎকার নেওয়া হবে। শনিবার চট্টগ্রাম, সিলেট, কুমিল্লা, ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগের প্রার্থীদের সাক্ষাৎকার বিকেল তিনটায় অনুষ্ঠিত হবে।

তিনি আরও জানান, সাক্ষাৎকার কার্যক্রমে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান সভাপতিত্ব করবেন। মনোনয়ন প্রক্রিয়ায় অতীতে নির্যাতনের শিকার, মিথ্যা মামলার আসামি এবং রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় নারী নেত্রীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। পাশাপাশি শিক্ষাগত যোগ্যতা ও যোগাযোগ দক্ষতাও বিবেচনায় রাখা হবে।

দলীয় সূত্র জানায়, সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য মোট ১ হাজার ২৫টি ফরম বিক্রি হয়েছে। প্রতিটি ফরমের মূল্য ছিল ২ হাজার টাকা। ফরম জমা দেওয়ার সময় প্রত্যেক প্রার্থীকে ৫০ হাজার টাকা জামানত দিতে হয়েছে।

নির্বাচন কমিশনের তফসিল অনুযায়ী, সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ২১ এপ্রিল। যাচাই-বাছাই হবে ২২ ও ২৩ এপ্রিল। আপিল গ্রহণ করা হবে ২৬ এপ্রিল এবং নিষ্পত্তি হবে ২৭ ও ২৮ এপ্রিল। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ২৯ এপ্রিল এবং ৩০ এপ্রিল প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে। ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১২ মে।

জাতীয় সংসদের ৩৫০টি আসনের মধ্যে নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসন রয়েছে ৫০টি। দলীয় বণ্টন অনুযায়ী বিএনপি জোটের জন্য ৩৬টি, জামায়াতে ইসলামীসহ তাদের জোটের জন্য ১৩টি এবং স্বতন্ত্রদের জন্য একটি আসন নির্ধারিত রয়েছে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

আর্মি স্পোর্টস কমপ্লেক্সের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন সেনাপ্রধান

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:০৯ অপরাহ্ণ
আর্মি স্পোর্টস কমপ্লেক্সের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন সেনাপ্রধান

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর আর্মি স্পোর্টস কমপ্লেক্সের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। গতকাল বুধবার (১৫ এপ্রিল) বাংলাদেশ আর্মি স্টেডিয়াম সংলগ্ন এলাকায় নির্মিতব্য এই স্পোর্টস কমপ্লেক্সের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়।

আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, এমপি-এর ‘সবার জন্য ক্রীড়া’ এই অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সুদূরপ্রসারী বিশেষ পরিকল্পনাকে সামনে রেখে দেশের ক্রীড়া উন্নয়নে কার্যকর অবদান রাখার লক্ষ্যে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সার্বিক সহযোগিতায় একটি আধুনিক ও সমন্বিত ক্রীড়া অবকাঠামো হিসেবে আর্মি স্পোর্টস কমপ্লেক্স নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

এই কমপ্লেক্সে আন্তর্জাতিক মানের দুটি ইনডোর স্টেডিয়াম, একটি স্পোর্টস একাডেমি এবং জিমনেসিয়ামসহ উন্নত স্পোর্টস সায়েন্স সুবিধা অন্তর্ভুক্ত থাকবে। এতে ফিজিওলজি, বায়োমেকানিক্স, নিউট্রিশন ও স্পোর্টস মেডিসিন সংক্রান্ত বিশেষায়িত সেকশন স্থাপন করা হবে। এর ফলে দেশের বিভিন্ন পর্যায়ের খেলোয়াড়গণ আধুনিক প্রশিক্ষণ ও গবেষণাভিত্তিক সুবিধা গ্রহণের সুযোগ পাবে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর উদ্যোগে নির্মিতব্য এ ধরনের আধুনিক ক্রীড়া অবকাঠামো দেশের ক্রীড়াক্ষেত্রে যুগান্তকারী ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা যায়।

ভিত্তিপ্রস্তর অনুষ্ঠানে সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, সেনাবাহিনী ও বিভিন্ন জাতীয় দলের খেলোয়াড়বৃন্দ এবং অন্যান্য আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এম/এএইচ

সরকারের সমালোচনা করে ঢাবি ছাত্রদল নেতার পদত্যাগ

কালের আলো ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:০৫ অপরাহ্ণ
সরকারের সমালোচনা করে ঢাবি ছাত্রদল নেতার পদত্যাগ

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে সরকারের সমালোচনা করে পদত্যাগ করেছেন ছাত্রদলের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শেখ শোভন।

বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) এক ফেসবুক পোস্টে পদত্যাগের ঘোষণা দেন তিনি।

সেখানে তিনি লিখেন, রাষ্ট্র আজ এক গভীর সংকটের ক্রান্তিলগ্নে দাঁড়িয়ে। সাম্যবাদী বিপ্লবের মহান আদর্শকে ধারণ করে ছাত্র–জনতা–সিপাহীর ঐক্যবদ্ধ শক্তিতে ২১ দিনের পাল্টাপাল্টি প্রতিরোধ যুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত ৫ আগস্ট, তার চেতনা আজ উপেক্ষিত, তার অঙ্গীকার পদদলিত। ব্যক্তি ও গোষ্ঠীস্বার্থের অন্ধ প্রতিযোগিতা এবং বিশ্বাসঘাতকতার কালো ছায়ায় সহস্র শহীদের আত্মত্যাগ আজও ন্যায্য মর্যাদা পায়নি, এ জাতির জন্য এক গভীর লজ্জা ও বেদনার ইতিহাস।

পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, সেই দুর্দিনে আমরা মাথা নত করিনি। মহান আল্লাহর ওপর অটল ভরসা ও অদম্য সাহসে আমরা অন্যায়ের বিরুদ্ধে বুক চিতিয়ে দাঁড়িয়েছিলাম বলেই জাতি রক্ষা পেয়েছিল ধ্বংসের দ্বারপ্রান্ত থেকে। নতুবা প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশ পরিণত হতো এক রক্তাক্ত বিপর্যয়ের প্রান্তরে। অথচ আজও একটি আধুনিক, ন্যায়ভিত্তিক ও মানবিক রাষ্ট্র বিনির্মাণের স্বপ্ন অপূর্ণ রয়ে গেছে, এ এক নির্মম বাস্তবতা।

তিনি আরও লিখেন, চলমান জাতীয় দুর্যোগের প্রেক্ষাপট মোকাবিলায় সম্পূর্ণভাবে কপটতার আশ্রয় নেওয়া দুর্বল সরকার ও দলের (বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল) প্রতি সমর্থন প্রত্যাহার করে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত ঘোষণা করছি। আমার এক দশকের সংগ্রাম ও আত্মত্যাগ কোনো প্রাপ্তির প্রত্যাশায় ছিল না; বরং তা ছিল আল্লাহর সন্তষ্টি অর্জন ও গণমানুষের আত্মমর্যাদা রক্ষার লড়াই অতপর; নিপীড়িত দেশমাতা মরহুমা বেগম জিয়ার প্রতি নৈতিক দায়বদ্ধতার বহিঃপ্রকাশ। কিন্তু বর্তমানে দলটির নীতি ও কার্যক্রমের সঙ্গে একজন আদর্শনিষ্ঠ মানুষ হিসেবে আমার পথচলা আর সম্ভব নয়।

ফেসবুক পোস্টে তিনি বলেন, স্মরণ রাখা আবশ্যক—রাষ্ট্রই সর্বোচ্চ, দল তার একটি উপাদান মাত্র। রাষ্ট্রের স্বার্থ, ন্যায় ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে কোনো আপস চলতে পারে না, হবেও না। অতএব, জাতির স্বাধীনতা, মর্যাদা ও ন্যায়ের প্রশ্নে যদি পুনরায় সংগ্রাম অনিবার্য হয়, তবে দেশমাতৃকার সম্মান রক্ষায় সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকারে আমরা প্রস্তুত থাকবো। অন্যায়ের সামনে নতজানু নয়, প্রয়োজনে শাহাদাতই হবে আমাদের চূড়ান্ত অঙ্গীকার। বাংলাদেশ চিরজীবী হউক।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ