খুঁজুন
                               
, ,
           

সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হকের জামিন, মুক্তিতে বাধা নেই

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০২৬, ৭:৩৭ অপরাহ্ণ
সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হকের জামিন, মুক্তিতে বাধা নেই

জুলাই হত্যা মামলায় জামিন পেলেন সাবেক প্রধান বিচারপতি এবিএম খায়রুল হক। ফলে তার কারামুক্তিতে আর কোনো বাধা রইল না।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) মামলার শুনানি শেষে বিচারপতি কেএম জাহিদ সরওয়ার কাজল ও শেখ আবু তাহেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ রুলসহ খায়রুল হকের জামিনের আদেশ দেন।

আদালতে জামিন আবেদনের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মনসুরুল হক চৌধুরী, মোতাহার হোসেন সাজু ও সাঈদ আহমেদ রাজা।

পরে আইনজীবী মোতাহার হোসেন সাজু বলেন, খায়রুল হকের বিরুদ্ধে মোট আটটি মামলা হয়েছে। তবে আজকের মামলায় জামিন হওয়ায় তার কারামুক্তিতে আর কোনো বাধা নেই।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সকালে যাত্রাবাড়ী এলাকায় আন্দোলন চলাকালে পুলিশ ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের গুলিতে খোবাইব (২০) নামে এক যুবক নিহত হন।

এ ঘটনায় তার ভাই জোবায়ের আহম্মেদ ২০২৪ সালের ১৬ নভেম্বর যাত্রাবাড়ী থানায় ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৮০ জনকে আসামি করে মামলা করেন। খায়রুল হক মামলাটির একজন এজাহারভুক্ত আসামি।

এর আগে এ মামলায় গত ২১ জুন সাবেক এ প্রধান বিচারপতির জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন বিচারিক আদালত। পরে তিনি হাইকোর্টে আবেদন করেন। জামিনও পেলেন।

২০২৪ সালের ২৪ জুলাই সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হককে তার বাসা থেকে গ্রেফতার করা হয়। এরপর থেকে তিনি বিভিন্ন মামলায় কারাগারে রয়েছেন। অবশেষে তার মুক্তির দুয়ার খুলল।

কালের আলো/এসআর/এএএন

জানা গেল রংপুরে একই পরিবারের চারজনকে হত্যার কারণ

রংপুর প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৬, ৫:১৯ অপরাহ্ণ
জানা গেল রংপুরে একই পরিবারের চারজনকে হত্যার কারণ

রংপুরে বাড়ির ছাদে ইয়াবা সেবনে বাধা দেওয়ায় রংপুর জিলা স্কুলের সাবেক শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ একই পরিবারের চারজনকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে একই এলাকার দুই যুবকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধ নামের দুই যুবককে আটক করেছে পুলিশ। তারা সম্পর্কে মামাতো-খালাতো ভাই।

রোববার (২৩ আগস্ট) দুপুরে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে রংপুর মহানগর পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ আবদুল মাবুদ এসব তথ্য জানান। এর আগে ভোরে মাছুয়াপাড়া এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়। সিদ্ধার্থ একটি স্বর্ণের দোকানে এবং মুগ্ধ একটি মাছের দোকানে কাজ করতেন।

পুলিশের ভাষ্য, বৃহস্পতিবার রাতে সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধ গণপতি চক্রবর্তীর বাড়ির ছাদে বসে ইয়াবা সেবন করছিলেন। বিষয়টি দেখে ফেলেন গণপতি। ইয়াবা সেবনের কথা প্রকাশ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় তাকে হত্যার সিদ্ধান্ত নেন তারা। পরে গামছা পেঁচিয়ে তাকে হত্যা করা হয়।

গণপতির গোঙানির শব্দ শুনে তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী ছাদে ওঠার চেষ্টা করলে সিঁড়িতে তাকেও গলায় রশি পেঁচিয়ে হত্যা করা হয়। মাকে বাঁচাতে এগিয়ে এলে মেয়ে আগামী চক্রবর্তী পার্থীকেও একইভাবে হত্যা করা হয়। এরপর পরিবারের ১২ বছর বয়সী ছেলে ও রংপুর জিলা স্কুলের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী আয়ুস চক্রবর্তী প্রিয়মকে প্রথমে রশি পেঁচিয়ে ও পরে বালিশচাপা দিয়ে হত্যা করা হয়।

পুলিশ জানায়, চারজনকে হত্যার পর সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধ গোসল করেন। পরে তারা ডাইনিং টেবিলে বসে শসা ও খেজুর খান এবং সঙ্গে থাকা ইয়াবা সেবন করেন। ঘটনাটি ভিন্ন খাতে নেওয়ার জন্য তারা বাড়ির আসবাবপত্র ছড়িয়ে-ছিটিয়ে দেন। একটি স্বর্ণের চেইন আগুনে পুড়িয়ে সেটি আসল না নকল, তা পরীক্ষা করেন।

পরে বাড়িতে থাকা দুটি মোবাইল ফোন ডিটারজেন্ট পাউডার মেশানো পানিতে ভিজিয়ে রাখেন, যাতে আঙুলের ছাপ না থাকে। শুক্রবার জুমার নামাজের সময় রাস্তা ফাঁকা হলে তারা বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান।

পুলিশের দাবি, ঘটনার পরপরই তদন্ত শুরু করা হয়। বাড়ি থেকে ইয়াবা সেবনের আলামতসহ বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করে এলাকায় অভিযান চালানো হয়। এর একপর্যায়ে সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধকে আটক করা হয়।

রংপুর মহানগর পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ আবদুল মাবুদ জানান, এ ঘটনায় কোতয়ালী থানায় একটি হত্যা মামলা হয়েছে। আটক দুজন হত্যার কথা স্বীকার করেছেন।

শনিবার (২২ আগস্ট) রাতে নগরের একটি বাড়ি থেকে গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী, মেয়ে আগামী চক্রবর্তী পার্থী ও ছেলে আয়ুস চক্রবর্তী প্রিয়মের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। কয়েক দিন ধরে বাড়িটি তালাবদ্ধ দেখে স্বজনেরা পুলিশকে খবর দেন। পরে ফায়ার সার্ভিসের সহায়তায় তালা ভেঙে পুলিশ বাড়িতে প্রবেশ করে।

এ সময় ছাদে গণপতি চক্রবর্তী, সিঁড়ির কাছে প্রীতিলতা ও আগামী চক্রবর্তীর মরদেহ পাওয়া যায়। আর একটি কক্ষের খাটের নিচ থেকে আয়ুসের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। বাড়ির বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন এবং আসবাবপত্র তছনছ অবস্থায় ছিল।

গণপতি চক্রবর্তী চলতি বছরের ২ জানুয়ারি রংপুর জিলা স্কুল থেকে অবসর নেন। নগরের সমবায় মার্কেটে একটি হোমিওপ্যাথি চেম্বারে তিনি নিয়মিত চিকিৎসাসেবা দিতেন। তার মেয়ে আগামী চক্রবর্তী রংপুর কারমাইকেল কলেজ থেকে মাস্টার্স সম্পন্ন করেছেন। ছেলে আয়ুস চক্রবর্তী রংপুর জিলা স্কুলের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

অবৈধ স্লিপার বাসের বৈধতার দাবিতে বনানীতে সড়ক অবরোধ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৬, ৫:০৮ অপরাহ্ণ
অবৈধ স্লিপার বাসের বৈধতার দাবিতে বনানীতে সড়ক অবরোধ

দেশের বিভিন্ন রুটের অবৈধ স্লিপার বাসের বৈধতা দাবিতে রাজধানী বনানীতে সড়ক অবরোধ করেছে বাংলাদেশ স্লিপার এসি বাস মালিক সমিতির নেতাকর্মীরা।

রোববার (২৩ আগস্ট) দুপুর সোয়া ১টার দিকে তারা বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটির (বিআরটিএ) সদর দফতরের সামনের সড়ক বন্ধ করে দেন।

এ ঘটনায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন উত্তরা-এয়ারপোর্ট থেকে বনানীগামী এবং মগবাজার, নাবিস্কো, তেজগাঁও ও ফার্মগেট থেকে বনানীর দিকে যাওয়া গণপরিবহনগুলো। ভোগান্তিতে ব্যক্তিগত গাড়ি নিয়ে যাতায়াতকারীরাও।

তার আগে স্লিপার বাস মালিক সমিতির নেতারা সাংবাদিকদের কাছে তাদের দাবিগুলো জানান।

দাবিগুলো হলো— আদালতের চূড়ান্ত নিষ্পত্তির আগে স্লিপার বাসের বিরুদ্ধে কোনো বলপ্রয়োগ বা নিষেধাজ্ঞা আরোপ না করা, এ খাতে বিনিয়োগ ও শ্রমিকদের কর্মসংস্থান সুরক্ষা করা, আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে স্লিপার বাস পরিচালনায় সুনির্দিষ্ট নীতিমালা প্রণয়ন, ফিটনেস ও রুট পারমিট সংক্রান্ত জটিলতা দ্রুত সমাধান, আইনি প্রক্রিয়া চলাকালে অযৌক্তিক জরিমানা, তল্লাশি ও গাড়ি আটক বন্ধ এবং সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিআরটিএ’র সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে স্লিপার বাসকে একটি কার্যকর নিয়ন্ত্রক কাঠামোর আওতায় আনা।

সমিতির নেতারা জানান, স্লিপার বাস খাতে শত শত কোটি টাকা বিনিয়োগ রয়েছে। এছাড়া চালক, হেলপার, সুপারভাইজার ও মেকানিকসহ হাজার হাজার শ্রমিকের জীবিকা এ খাতের ওপর নির্ভরশীল। কোনো বিকল্প ব্যবস্থা ছাড়া বাস চলাচল বন্ধ করা হলে মালিক ও শ্রমিকরা আর্থিক সংকটে পড়বেন।

তারা আরও বলেন, স্লিপার বাস চলাচল নিয়ে হাইকোর্টে রিট পিটিশন নং-১২৯০/২০২৫ বিচারাধীন রয়েছে। তাই মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তির আগে স্লিপার বাসের বিরুদ্ধে বলপ্রয়োগ বা নিষেধাজ্ঞা আরোপ না করার আহ্বান জানাচ্ছি।

স্লিপার বাস বন্ধ না করে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণ করে এর কারিগরি ও নিরাপত্তাবিষয়ক কাঠামো নির্ধারণের জন্য বিআরটিএ’র কাছে নীতিমালা প্রণয়নের প্রস্তাব দিয়েছে মালিক সমিতি। একইসঙ্গে ফিটনেস ও রুট পারমিট সংক্রান্ত জটিলতা দ্রুত সমাধানের দাবিও জানিয়েছে।

সমিতির নেতারা বলেন, তারা আইন ও সরকারি নিয়মকানুন মেনে চলতে প্রস্তুত। তবে আধুনিক এ পরিবহনসেবা বন্ধ না করে সংশ্লিষ্ট অংশীজন ও বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে আলোচনা করে একটি কার্যকর নিয়ন্ত্রক কাঠামো তৈরির দাবি তাদের।

নিজেদের দাবি জানিয়ে বিআরটিএ’তে একটি স্মারকলিপিও জমা দিয়েছে স্লিপার বাস মালিক সমিতি।

এদিকে সার্বিক ঘটনায় উপস্থিত পুলিশ সদস্যরা নিরব ভূমিকা পালন করছেন বলে অভিযোগ। যানজট নিরসন বা সমস্যা সমাধানে তাদের ভেতর কোনো চেষ্টা নেই বলেই পথচারী ও পণপরিবহনের চালক ও যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে।

এ বিষয়ে ডিএমপির ট্রাফিক মহাখালী জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার ইশরাকুল কবীর বলেন, ‘বিস্তারিত তথ্য আমরা জানার চেষ্টা করছি। ঘটনাস্থলে পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত রয়েছেন। সমস্যা সমাধানের চেষ্টা চলছে।’

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

স্লিপার বাস নিয়ে মালিকদের সঙ্গে বসতে চায় বিআরটিএ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৬, ৪:৫৮ অপরাহ্ণ
স্লিপার বাস নিয়ে মালিকদের সঙ্গে বসতে চায় বিআরটিএ

স্লিপার বাস চলাচল নিয়ে বাংলাদেশ স্লিপার এসি বাস মালিক সমিতির দাবিগুলো নিয়ে তাদের সঙ্গে আলোচনায় বসা হবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন অথরিটির (বিআরটিএ) চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হাবীবুর রহমান। তবে এক্ষেত্রে দেশের প্রচলিত আইন পরিপালনে কোনো ছাড় দেওয়ার সুযোগ নেই বলেও জানিয়েছেন তিনি।

রোববার (২৩ আগস্ট) দুপুরে রাজধানীর বনানীতে বিআরটিএ সদর দফতরে স্লিপার বাস মালিক সমিতির দেওয়া স্মারকলিপি গ্রহণের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

বিআরটিএ চেয়ারম্যান বলেন, স্মারকলিপি রাখলাম। আইনের বিষয়ে কোনো দ্বিমত নেই। আইন পরিপালনে আমরা বদ্ধপরিকর। এ বিষয়ে কোনো নাগরিক কখনোই বলবেন না যে আমরা আইন মানি না। দেশের রাষ্ট্রীয় যে আইন আছে, তা সবার জন্যই সমান। আমি বিশ্বাস করি, আইনের প্রতি সবাই শ্রদ্ধাশীল থাকবেন। স্মারকলিপি আমরা পেয়েছি, বিষয়টি নিয়ে আমরা আলাপ করব।

স্লিপার বাস বন্ধ না করে সংস্কার করে চলাচলের উপযোগী করার বিষয়ে মালিকদের দাবি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, স্লিপার বাস বা যেকোনোভাবে সংস্কার করার বিষয়ে আমরা তাদের সঙ্গে বসব। তাদের বক্তব্য শুনব।

মোহাম্মদ হাবীবুর রহমান বলেন, বাংলাদেশের যেকোনো নাগরিক যেকোনো বিষয়ে তাদের বক্তব্য রাখতে পারেন। আমরা তাদের সঙ্গে বসে কথাগুলো শুনব। এরপর আইন অনুযায়ী যতটুকু আমাদের পক্ষে সম্ভব, আমরা সেই ব্যবস্থা নেব। তবে নিশ্চয়ই আইনের ব্যত্যয় ঘটিয়ে কোনো কিছু করার সুযোগ নেই।

চেয়ারম্যান বলেন, আইনের বিষয়টি আমরা পুরোপুরি অনুসরণ করব, ওনারাও নিশ্চয়ই অনুসরণ করবেন। এ বিষয়ে দ্বিমত থাকার কোনো সুযোগ নেই।

এর আগে স্লিপার বাস চলাচল বন্ধের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার ও সুনির্দিষ্ট নীতিমালা প্রণয়নের দাবিতে বিআরটিএ চেয়ারম্যানের কাছে স্মারকলিপি দেয় বাংলাদেশ স্লিপার এসি বাস মালিক সমিতি। এ সময় সমিতির নেতারা স্লিপার বাস বন্ধ না করে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণ করে কারিগরি ও নিরাপত্তাবিষয়ক কাঠামো নির্ধারণের দাবি জানান।

সমিতির পক্ষ থেকে বলা হয়, স্লিপার বাস খাতে শত শত কোটি টাকা বিনিয়োগ রয়েছে। এ ছাড়া চালক, হেলপার, সুপারভাইজার ও মেকানিকসহ হাজার হাজার শ্রমিকের জীবিকা এই খাতের ওপর নির্ভরশীল। তাই স্লিপার বাসের জন্য কার্যকর নিয়ন্ত্রক কাঠামো তৈরি করে চলাচলের সুযোগ দেওয়ার দাবি করেছেন তারা।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ