খুঁজুন
                               
, ,
           

মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় ইনুর ১০ বছরের কারাদণ্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০২৬, ৩:২৭ অপরাহ্ণ
মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় ইনুর ১০ বছরের কারাদণ্ড

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সভাপতি হাসানুল হক ইনুর ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) দুপুরে বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এই রায় ঘোষণা করেন। ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য হলেন- বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

রায় ঘোষণার সময় ট্রাইব্যুনাল জানায়, তিনটি অপরাধে আলাদাভাবে ১০ বছর করে সাজা দেওয়া হয়েছে। তবে এর মানে এই নয় যে তাকে ৩০ বছর কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। সবগুলো দণ্ড একসঙ্গেই চলছে। অর্থাৎ, মোট ১০ বছরই হবে সশ্রম কারাদণ্ড। এছাড়া তাকে এক লাখ টাকা অর্থদণ্ডও দেওয়া হয়েছে।

রায় ঘোষণা উপলক্ষে দুপুর ১টা ৪২ মিনিটে মামলার একমাত্র আসামি ইনুকে ট্রাইব্যুনালের এজলাসকক্ষে থাকা কাঠগড়ায় তোলা হয়। এর ১০ মিনিট পর ২১১ পৃষ্ঠার রায় পড়া শুরু হয়। এ সময় তাকে বিমর্ষ দেখা যায়।

ইনুর বিরুদ্ধে আনা আটটি অভিযোগ পড়েন ট্রাইব্যুনাল-২ এর দ্বিতীয় সদস্য বিচারক শাহরিয়ার কবীর। সাক্ষীদের কিছু বিবরণ ও তথ্যপ্রমাণের দিক তুলে ধরেন প্রথম সদস্য মঞ্জুরুল বাছিদ।

রায় সরাসরি সম্প্রচার করা হয় বাংলাদেশ টেলিভিশনে (বিটিভি)। এর মধ্য দিয়ে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনায় ষষ্ঠ মামলার রায় ঘোষণা করা হলো।

ইনুর বিরুদ্ধে মোট আটটি অভিযোগ আনা হয়। এর মধ্যে অন্যতম অভিযোগ হচ্ছে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় কুষ্টিয়ায় ছয়জনকে হত্যা করার নির্দেশসহ আন্দোলনকারীদের ওপর হামলায় উস্কানি দেওয়া।

আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ২০২৪ সালের ২৬ আগস্ট রাজধানীর উত্তরা থেকে ইনুকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তদন্ত কর্মকর্তার দেওয়া তথ্য মতে, মামলাটির তদন্ত শুরু হয় ২০২৫ সালের ৩ মার্চ। পরে তদন্ত কর্মকর্তা ২০২৫ সালের ১১ সেপ্টেম্বর প্রতিবেদন দাখিল করেন।

২০২৫ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি চার্জ গঠন করা হয়। চলতি বছরের ১৩ মে যুক্তিতর্ক শেষে মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রাখা হয়।

‎মামলার এজাহার সূত্র জানা যায়, ২০২৪ সালে জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালে কুষ্টিয়ায় ছয়জন নিহতের ঘটনা এবং শেখ হাসিনার সঙ্গে কলরেকর্ডের কথোপকথনের অডিওতে আন্দোলনকারীদের দমন-নিপীড়ন ও হত্যায় উসকানি দিয়ে ষড়যন্ত্র, সহায়তার অভিযোগে মানবতাবিরোধী অপরাধে হাসানুল হক ইনুর বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মামলা করা হয়। ২০২৫ সালের ২৫ মার্চ মামলার তদন্ত শুরু হয়। ওই বছর ১১ সেপ্টেম্বর মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়। পরে গত বছরের ২ নভেম্বর এ মামলায় অভিযোগ (চার্জ) গঠন করে তার বিচার শুরুর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল।

মামলায় প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে ইনুর বিরুদ্ধে আটটি সুনির্দিষ্ট অভিযোগ আনা হয়। এ মামলায় প্রসিকিউশনের পক্ষে দশ জন এবং আসামিপক্ষে দুজন সাফাই সাক্ষ্য দেন। চলতি বছর ১৩ এপ্রিল যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শুরু হয়ে ১৩ মে শেষ হয়।

জুলাই গণঅভ্যুত্থান কুষ্টিয়ায় নিহতরা হলেন- শ্রমিক আশরাফুল ইসলাম, সুরুজ আলী বাবু, শিক্ষার্থী আবদুল্লাহ আল মুস্তাকিন, উসামা, ব্যবসায়ী বাবলু ফরাজী ও চাকরিজীবী ইউসুফ শেখ।

‎‎ট্রাইব্যুনালে মামলার শুনানি করেন চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম, প্রসিকিউটর গাজী এম এইচ তামিম, প্রসিকিউটর আব্দুস সাত্তার তরাফদার, প্রসিকিউটর মীজানুল ইসলাম, প্রসিকিউটর ফারুক আহমেদ, প্রসিকিউটর আব্দুস সাত্তার পালোয়ান প্রমুখ। অপরদিকে ইনুর পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী মনসুরুল হক চৌধুরী ও নাজনীন আহসান।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

মঞ্চে সারজিস-পাটওয়ারী, ‘জয়বাংলা’ বলে বক্তব্য শেষ করলেন এনসিপি নেতা

গাইবান্ধা প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৭ জুলাই, ২০২৬, ১০:৫০ পূর্বাহ্ণ
মঞ্চে সারজিস-পাটওয়ারী, ‘জয়বাংলা’ বলে বক্তব্য শেষ করলেন এনসিপি নেতা

গাইবান্ধায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) এক পথসভায় সমাপনী বক্তব্যের শেষে ‘জয়বাংলা’ স্লোগান উচ্চারণ করেছেন অনুষ্ঠানের সভাপতি ও এনসিপির সাদুল্লাপুর উপজেলা শাখার আহ্বায়ক শফিজল ইসলাম। ঘটনাটির একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সন্ধ্যায় গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলা সদরের শহীদ মিনার চত্বরে এনসিপির জেলা শাখার আয়োজিত পথসভায় এ ঘটনা ঘটে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ৫৮ সেকেন্ডের ভিডিওতে দেখা যায়, বক্তব্যের শেষ দিকে শফিজল ইসলাম বলেন, ‘আমি সাদুল্লাপুর উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের নির্বাচনের জন্য বিভিন্ন মানুষের পাড়া-মহল্লায় গিয়ে কথা বলছি। অত্যন্ত সাড়া পাচ্ছি। ইনশাআল্লাহ, আপনারা যদি সহযোগিতা করেন, আশা করি আমাকে কেউ ঠেকাতে পারবে না। এখান থেকে আধা কিলোমিটার দূরে জামালপুর ইউনিয়ন। আপনারা সহযোগিতা করলে চেয়ারম্যান পদে কেউ আমাকে ঠেকাতে পারবে না। এই বলে আমার বক্তব্য শেষ করছি। খোদা হাফেজ, জয়বাংলা।’

‘জয়বাংলা’ উচ্চারণের পর মঞ্চে উপস্থিত নেতাদের মধ্যে তাৎক্ষণিকভাবে ফিসফাস শুরু হয়। এরপর শফিজল ইসলাম মঞ্চ থেকে সরে যান।

পথসভায় বক্তব্য দেন এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম, মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, কেন্দ্রীয় নেতা নাজমুল হাসান ও সুমাইয়া ফারজানা এবং গাইবান্ধা জেলা শাখার আহ্বায়ক খাদেমুল ইসলামসহ স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় নেতারা।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ আবু সাঈদের দ্বিতীয় শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে রংপুরের পীরগঞ্জে তার কবর জিয়ারত শেষে ঢাকায় ফেরার পথে বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতারা এ পথসভায় অংশ নেন।

‘জয়বাংলা’ কেন বলেছিলেন—এ বিষয়ে জানতে শফিজল ইসলামের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

তবে এনসিপির গাইবান্ধা জেলা শাখার আহ্বায়ক খাদেমুল ইসলাম বলেন, ‘শফিজল ইসলাম আগে কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। এলাকায় তার ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তা রয়েছে। তাই তাকে এনসিপির সাদুল্লাপুর উপজেলা শাখার আহ্বায়ক করা হয়েছে। তিনি আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে জামালপুর ইউনিয়ন থেকে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করবেন। বড় জনসমাগমে বক্তব্য দেওয়ার অভিজ্ঞতা না থাকায় অসাবধানতাবশত তিনি ‘জয়বাংলা’ বলে ফেলেছেন।’

তিনি বলেন, ‘মঞ্চে উপস্থিত কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা বিষয়টি শুনে বিস্মিত হন।’

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

লোহিত সাগরের জলপথ বন্ধের হুমকিকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিচ্ছে সৌদি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৭ জুলাই, ২০২৬, ১০:৪২ পূর্বাহ্ণ
লোহিত সাগরের জলপথ বন্ধের হুমকিকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিচ্ছে সৌদি

ইসলামাবাদ সমঝোতা চুক্তি থেকে বেরিয়ে এসে হরমুজ প্রণালিতে অবরোধ জারির পর এবার জ্বালানি পণ্য পরিবহনের অপর গুরুত্বপূর্ণ রুট লোহিত সাগরের জলপথ বন্ধ করে দেওয়ার পরিকল্পানা নিয়েছে ইরান। ইয়েমেনে নিজেদের মদতপুষ্ট হুথি গোষ্ঠীকে এ ব্যাপারে প্রস্তুতি নেওয়ার জন্য নির্দেশও ইতোমধ্যে দেওয়া হয়েছে তেহরান থেকে।

ইতোমধ্যে কূটনৈতিক সূত্রে তেহরানের এই পরিকল্পনার তথ্য সৌদির কাছে পৌঁছেছে এবং রিয়াদ এই হুমকিকে অত্যন্ত গুরত্ব দিয়ে বিবেচনা করছে।

ইরানের দু’টি উচ্চপর্যায়ের সূত্র এবং একটি আঞ্চলিক সূত্রের বরাত দিয়ে এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে রয়টার্স। সূত্রগুলো জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র, সেতু প্রভৃতি গুরুত্বপূর্ণ বেসামরিক অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা শুরু করে— সেক্ষেত্রে এই পরিকল্পনার বাস্তবায়ন শুরু হবে।

সূত্রের বরাতে আরও জানা গেছে যে কয়েক দিন আগে হুথি গোষ্ঠীকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে। ইরানি, মধ্যপ্রাচ্যীয়, এশীয় বা পশ্চিমা কোনো সংবাদমাধ্যমে আসেনি এ তথ্য।

এ ব্যাপারে বিস্তারিত জানতে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং হুথি গোষ্ঠীর মুখপাত্রদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল রয়টার্স, কিন্তু কেউ মন্তব্য করতে রাজি হননি।

তবে হুথি গোষ্ঠীর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে, তেহরান থেকে নির্দেশ আসার পর এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতির কাজ শেষ করে এনেছে হুথি গোষ্ঠী। ইতোমধ্যে লোহিত সাগারের প্রবেশ পথ হিসেবে পরিচিত বাব এল-মান্দেব প্রণালির চারপাশে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করা হয়েছে।

স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে হামলা শেষ করার পর আগামী সপ্তাহেই দেশটির বিদ্যুৎকেন্দ্র, সেতুসহ গুরুত্বপূর্ণ বেসামরিক স্থাপনাগুলোতে হামলা শুরু করা হবে।

মার্কিন বাহিনী এই নীতিতে হামলা করলে পাল্টা ব্যবস্থা কী হতে পারে— তা জানা গেল রয়র্টার্সের এ প্রতিবেদনে।

যদি সত্যি হুথি গোষ্ঠী বাব এল-মান্দেব প্রণালি বন্ধ করে দেয়, তাহলে তা হবে আন্তর্জাতিক জ্বালানি খাতের জন্য বড় দুর্যোগ। কারণ হরমুজ প্রণালি এবং লোহিত সাগর— এই দু’টি পথ মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানি পণ্য এশিয়া এবং পশ্চিমা বিশ্বে পৌঁছানোর জন্য মধ্যপ্রাচ্যের দু’টি প্রধান পথ হলো হরমুজ প্রণালি এবং লোহিত সাগর। বিশ্বের মোট জ্বালানি পণ্যের ২৫ শতাংশ হরমুজ দিয়ে এবং ৭ শতাংশ লোহিত সাগর দিয়ে পরিবাহিত হয়।

দু’দিন আগে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বন্দরগুলোতে অবরোধ জারির পর হরমুজ প্রণালি বন্ধ ঘোষণা করেছে ইরান।

যদি সত্যিই হুথি গোষ্ঠ বাব এল-মান্দেব প্রণালি বন্ধ করে দেয়, তাহলে বিপদে পড়বে সৌদি আরব। বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম এই তেল উত্তোলনকারী দেশ বৈশ্বিক বাজারে যে পরিমাণ জ্বালানি রপ্তানি করে, তার ৭০ শতাংশ চালান যায় লোহিত সাগরের ইয়ানবু বন্দর থেকে।

আর হুথি বিদ্রোহীরা বাব এল-মান্দেব প্রণালি অবরোধের পাশাপাশি লোহিত সাগর এলাকার সামুদ্রিক বন্দরগুলোতে যে হামলা করবে— এমন আশঙ্কা ব্যাপকভাবে আছে।

কারণ কয়েক দিন আগে হুথি গোষ্ঠীর নেতা ও মুখপাত্রদের বহনকারী একটি উড়োজাহাজকে ধ্বংস করতে ইয়েমেনের রাজধানী সানার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলা হয়েছিল। এই হামলার জন্য সৌদিকে দায়ী করে দেশটির দক্ষিণাঞ্চলে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছিল হুথি গোষ্ঠী।

সৌদি আরবকে এক নম্বর বা শীর্ষ পর্যায়ের শত্রু হিসেবে বিবেচনা করে হুথি। ২০১৫ সালে এই গোষ্ঠী সানা দখল করার পর ইয়েমেনের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট মনসুর আবদ-আল হাদি সৌদিতে পালিয়ে যান এবং তার নেতৃত্বাধীন সরকারকে ফিরিয়ে আনতে ওই বছর থেকেই ইয়েমেনে সামরিক অভিযান শুরু করে সৌদি সেনাবাহিনী। সে অভিযান এখনও চলছে।

বর্তমানে ইয়েমেনের মোট ভূখণ্ডের অর্ধেক হুথি গোষ্ঠীর নিয়ন্ত্রণে আছে, বাকি অর্ধেক নিয়ন্ত্রণ করছে সৌদি সমর্থিত প্রেসিডেন্সিয়াল কাউন্সিল সরকার। কয়েক বছর আগে এই সরকার আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃতিও পেয়েছে। সৌদি সেনাবাহিনীর উপস্থিতি না থাকলে পুরো ইয়েমেন হুথিরা নিয়ন্ত্রণ করতে পারত।

সূত্র : রয়টার্স

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

চট্টগ্রাম বোর্ডের এইচএসসি পরীক্ষা অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত

চট্টগ্রাম প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৭ জুলাই, ২০২৬, ১:৩৮ পূর্বাহ্ণ
চট্টগ্রাম বোর্ডের এইচএসসি পরীক্ষা অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত

বন্যা-পরবর্তী পরিস্থিতিতে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার সার্বিক অবস্থা, পরীক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক অবস্থা বিবেচনায় চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের আওতাধীন ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমানের অবশিষ্ট সব পরীক্ষা পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত স্থগিত করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি এবং মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, চট্টগ্রামের পৃথক বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আন্তঃশিক্ষা বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোর সার্বিক পরিস্থিতি, পরীক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক অবস্থা, অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা এবং বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত সড়কের কারণে পরীক্ষা কেন্দ্রে যাতায়াতের অসুবিধা বিবেচনায় এ সিদ্ধান্ত নেওএর ফলে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের আওতাধীন এইচএসসি ছাড়াও বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের আলিম এবং বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের এইচএসসি (বিএমটি), এইচএসসি (ভোকেশনাল) ও ডিপ্লোমা ইন কমার্স পরীক্ষার অবশিষ্ট সব বিষয় পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত স্থগিত থাকবে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, পরীক্ষার সংশোধিত সময়সূচি পরবর্তীতে পৃথক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হবে।

তবে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের আওতাধীন জেলার বাইরে অন্যান্য শিক্ষা বোর্ড, মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা পূর্বঘোষিত সময়সূচি অনুযায়ী যথারীতি অনুষ্ঠিত হবে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি