খুঁজুন
                               
, ,
           

লজ্জার রেকর্ড এড়িয়ে ৬৪ রানে গুটিয়ে গেল বাংলাদেশ

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২২ আগস্ট, ২০২৬, ১০:৩৩ পূর্বাহ্ণ
লজ্জার রেকর্ড এড়িয়ে ৬৪ রানে গুটিয়ে গেল বাংলাদেশ

টেস্ট ইতিহাসে বাংলাদেশের সর্বনিম্ন রান ৪৩। ম্যাকায়ে টেস্টে স্টার্ক-কামিন্সদের আগুনে বোলিংয়ে আগের সেই সর্বনিম্ন রান টপকাতে পারবে কি না টাইগাররা এ নিয়েই শঙ্কা তৈরি হয়েছিল। ৩৯ রানে ৯ উইকেট হারানোর পর সেই শঙ্কা আরও জোরালো হয়।  তবে শেষের দুই ব্যাটসম্যান তাইজুল ও শরিফুল সেটি হতে দেননি।  সবশেষ উইকেট জুটিতে দুজনে মিলে ২৫ রান তুলে দলকে লজ্জা থেকে বাঁচিয়েছেন।

পুরো ইনিংসে এটাই সর্বোচ্চ রানের জুটি। শরিফুলের বিদায়ের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ অলআউট ৬৪ রানে। তাইজুল করেন ১১ আর শরিফুল করেন ইনিংসের ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ ১৪ রান।

বাংলাদেশের জন্য দুঃস্বপ্নের ছিল প্রথম সেশন। মধ্যাহ্নভোজের বিরতিতে যাচ্ছেন দুই দলের ক্রিকেটাররা। ম্যাকাই টেস্টের প্রথম দুই ঘণ্টা বাংলাদেশ ভুলেই যেতে চাইবে। প্রথম বলে সাদমান ইসলামের আউট হয়ে যাওয়ার পরই বিপর্যয়ের শুরু হয়েছিল, প্রথম ঘণ্টায়ই তারা হারিয়ে ফেলে ৫ উইকেট। সবগুলোই পান স্টার্ক।

বাঁহাতি এই পেসারের গতি, সুইং তো ছিলই; বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরাও নিজেদের ওপর বাড়তি চাপ নিয়ে ফেলেছিলেন। হাফভলিতে ক্যাচ দিয়েছেন উইকেটের পেছনে, কারও কারও শট সিলেকশনও ছিল প্রশ্নবিদ্ধ। ১২ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে সর্বনিম্ন রানের রেকর্ডও নতুন করে লেখার সম্ভাবনা জাগিয়েছিল বাংলাদেশ।

প্রথম ঘণ্টায় বিপর্যয়ের পর মুশফিকুর রহিমের ব্যাটে একটু আশা দেখা গিয়েছিল। কিন্তু তিনিও কামিন্সের ভেতরে ঢোকা বলে বোল্ড হয়ে যান।  এরপরও টেস্ট ইতিহাসের সর্বনিম্ন (২৬) ও অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সর্বনিম্ন (২৭) রানে অলআউট হওয়ার রেকর্ড এড়ানো গেছে।  শেষ পর্যন্ত নিজেদের ইতিহাসে সর্বনিম্ন ৪৩ রানে অলআউটের লজ্জার রেকর্ডও এড়িয়েছে টাইগাররা।

কালের আলো/এসআর/এএএন

মারা গেলেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হেনরি কিসিঞ্জারের স্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২২ আগস্ট, ২০২৬, ১২:০৬ অপরাহ্ণ
মারা গেলেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হেনরি কিসিঞ্জারের স্ত্রী

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হেনরি এ কিসিঞ্জারের স্ত্রী ন্যান্সি কিসিঞ্জার মারা গেছেন। বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় কানেটিকাট অঙ্গরাজ্যের সাউথ কেন্টে নিজ বাড়িতে তাঁর মৃত্যু হয়। তাঁর বয়স হয়েছিল ৯২ বছর।

পরিবারের পক্ষ থেকে ন্যান্সি কিসিঞ্জারের মৃত্যুর খবর জানানো হয়েছে।

হেনরি কিসিঞ্জার ২০২৩ সালের ২৯ নভেম্বর ১০০ বছর বয়সে মারা যান। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের কূটনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার জন্য তাঁকে দেশটির পররাষ্ট্রনীতির অন্যতম প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

১৯৭৪ সালে হেনরি কিসিঞ্জারের সঙ্গে বিয়ের পর ন্যান্সি দীর্ঘদিন স্বামীর কূটনৈতিক ও সামাজিক জীবনের গুরুত্বপূর্ণ সঙ্গী ছিলেন। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সফরে তাঁর সঙ্গে ভ্রমণ করেছেন তিনি। ১৯৭৭ সালে হেনরি কিসিঞ্জার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব ছাড়ার পরও ওয়াশিংটনের পরিচিত দম্পতি হিসেবে তাঁরা বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় নৈশভোজ, দূতাবাসের অনুষ্ঠান ও রাজনৈতিক আয়োজনে অংশ নিতেন।

নিউইয়র্ক শহরেও কিসিঞ্জার দম্পতির পরিচিতি ছিল। তাঁদের মূল বাসভবন ছিল সেখানে। বিভিন্ন জাদুঘরের উদ্বোধন, ফ্যাশন শো এবং দাতব্য তহবিল সংগ্রহের অনুষ্ঠানে তাঁদের নিয়মিত দেখা যেত।

১৯৮০-এর দশকের শুরু থেকে সামাজিক ব্যস্ততা কমিয়ে অবসর জীবন কাটাতে শুরু করেন তাঁরা। কানেটিকাটের সাউথ কেন্টে তাঁদের প্রায় ৩০০ একরের একটি বাড়ি ছিল। গ্রীষ্মকাল ও সাপ্তাহিক ছুটির সময় তাঁরা সেখানে কাটাতেন।

ন্যান্সি কিসিঞ্জারকে ঘনিষ্ঠজনেরা বুদ্ধিমতী, দক্ষ, আন্তরিক ও রসবোধসম্পন্ন নারী হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তবে তাঁর জীবনের কিছুটা সময় স্বামীর বিতর্কিত রাজনৈতিক উত্তরাধিকারের ছায়াতেও কেটেছে।

হেনরি কিসিঞ্জার ১৯৭৩ থেকে ১৯৭৭ সাল পর্যন্ত প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিক্সন ও জেরাল্ড ফোর্ডের সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন। এ সময় সোভিয়েত ইউনিয়নের সঙ্গে উত্তেজনা কমানোর উদ্যোগ, চীনের সঙ্গে সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা এবং মধ্যপ্রাচ্যে কূটনৈতিক তৎপরতায় তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।

ভিয়েতনাম যুদ্ধের অবসানে প্যারিস শান্তিচুক্তি নিয়েও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন কিসিঞ্জার। এ কাজের জন্য ভিয়েতনামের কূটনীতিক লে দুক তো’র সঙ্গে যৌথভাবে ১৯৭৩ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার পান তিনি।

সূত্র: দ্য নিউইয়র্ক টাইমস

কালের আলো/এসএ

বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের অভিবাসী ভিসা স্থগিতের নীতি বাতিল মার্কিন আদালতের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২২ আগস্ট, ২০২৬, ১১:৪৭ পূর্বাহ্ণ
বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের অভিবাসী ভিসা স্থগিতের নীতি বাতিল মার্কিন আদালতের

বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের নাগরিকদের অভিবাসী ভিসা দেওয়া স্থগিত রাখার ট্রাম্প প্রশাসনের নীতি বাতিল করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের একটি ফেডারেল আদালত। আদালত বলেছেন, এ ধরনের নীতি নেওয়ার ক্ষেত্রে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও তাঁর আইনগত এখতিয়ারের সীমা অতিক্রম করেছেন।

শুক্রবার ম্যানহাটানের মার্কিন ডিস্ট্রিক্ট আদালতের বিচারক জ্যানেট ভার্গাস এ রায় দেন। তিনি বলেন, জানুয়ারিতে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর ঘোষিত নীতিটি ‘স্পষ্টতই বেআইনি’ এবং কেন্দ্রীয় অভিবাসন আইনেরও পরিপন্থী।

বিচারকের মতে, অভিবাসী ভিসার আবেদনপ্রক্রিয়ায় কনস্যুলার কর্মকর্তাদের ওপর পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ক্ষমতা আইনে স্পষ্টভাবে সীমিত করা হয়েছে। তাই আবেদনকারীর জাতীয়তার ভিত্তিতে ঢালাওভাবে অভিবাসী ভিসা দেওয়া বন্ধ করার নীতি প্রচলিত আইনি কাঠামোর সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

জানুয়ারিতে কার্যকর হওয়া ওই নীতির আওতায় ৭৫ দেশের নাগরিকদের অভিবাসী ভিসা দেওয়া স্থগিত করা হয়েছিল। তালিকায় বাংলাদেশের পাশাপাশি দক্ষিণ এশিয়ার পাকিস্তান, লাতিন আমেরিকার ব্রাজিল, কলম্বিয়া ও উরুগুয়ে এবং বলকান অঞ্চলের বসনিয়া ও আলবেনিয়াও ছিল। আফ্রিকা, মধ্যপ্রাচ্য ও ক্যারিবীয় অঞ্চলের বেশ কয়েকটি দেশও তালিকায় অন্তর্ভুক্ত ছিল।

ট্রাম্প প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, এসব দেশের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সহায়তা ও বিভিন্ন সরকারি সুযোগ-সুবিধার ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি। এ কারণেই তাঁদের অভিবাসী ভিসা স্থগিত করা হয়েছিল।

তবে আদালত এই যুক্তিকে গ্রহণ করেননি। বিচারক ভার্গাস তাঁর রায়ে বলেন, জাতীয়তার ভিত্তিতে এভাবে অভিবাসী ভিসা স্থগিত করার সিদ্ধান্ত আইনসঙ্গত নয়।

এই মামলাটি করেছে অভিবাসী অধিকার নিয়ে কাজ করা ‘ক্যাথলিক লিগ্যাল ইমিগ্রেশন নেটওয়ার্ক’ ও ‘আফ্রিকান কমিউনিটিজ টুগেদার’। মামলায় তালিকাভুক্ত ৭৫ দেশের অভিবাসী ভিসা আবেদনকারীদের পাশাপাশি তাঁদের পরিবারের সদস্যদের যুক্তরাষ্ট্রে আনার জন্য আবেদন করা কয়েকজন মার্কিন নাগরিকও ছিলেন।

রায়ের বিষয়ে জানতে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার পর যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নিয়ন্ত্রণে ব্যাপক কড়াকড়ি আরোপ করেছে তাঁর প্রশাসন। প্রশাসনের দাবি, এসব পদক্ষেপের মূল লক্ষ্য দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা জোরদার করা।

তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলো দীর্ঘদিন ধরে এসব নীতির সমালোচনা করে আসছে। তাদের অভিযোগ, কঠোর অভিবাসন নীতির ফলে বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর মানুষ বৈষম্য, সন্দেহ ও হয়রানির শিকার হচ্ছেন এবং তাঁদের আইনি অধিকারও ক্ষুণ্ন হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।

সূত্র: রয়টার্স

কালের আলো/এসএ

সোনা-রুপার দাম বাড়ল, আজ থেকেই নতুন দর কার্যকর

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২২ আগস্ট, ২০২৬, ১১:২৩ পূর্বাহ্ণ
সোনা-রুপার দাম বাড়ল, আজ থেকেই নতুন দর কার্যকর

দেশের বাজারে আবারও বাড়ানো হয়েছে সোনা ও রুপার দাম। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ৫ হাজার ৪৮২ টাকা বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৪৬ হাজার ১১০ টাকা। নতুন এই দাম শনিবার (২২ আগস্ট) সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে।

বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বাজুস) স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিংয়ের বৈঠকে দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে কমিটির চেয়ারম্যান ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীন স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে নতুন দামের বিষয়টি জানানো হয়।

নতুন তালিকা অনুযায়ী, ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ৫ হাজার ২৪৯ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ৩৫ হাজার ২৯ টাকা করা হয়েছে। ১৮ ক্যারেটের দাম বেড়েছে ৪ হাজার ৪৯০ টাকা, ফলে এর নতুন দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ১ হাজার ৮৪৫ টাকা।

এ ছাড়া সনাতন পদ্ধতির এক ভরি সোনার দাম ৩ হাজার ৬১৬ টাকা বাড়িয়ে ১ লাখ ৬৪ হাজার ৮১২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

সোনার পাশাপাশি রুপার দামও বাড়িয়েছে বাজুস। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ১৭৫ টাকা বাড়িয়ে ৫ হাজার ৪৮২ টাকা, ২১ ক্যারেট ৫ হাজার ২৪৯ টাকা, ১৮ ক্যারেট ৪ হাজার ৪৯০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ৩ হাজার ৩৮২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এর আগে গত ২০ আগস্টও সোনা ও রুপার দাম বাড়ানো হয়েছিল। চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ১০৬ বার সোনার দাম সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ৫৪ দফায় দাম বেড়েছে এবং ৫২ দফায় কমেছে।

বাজুসের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৯ জানুয়ারি ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ২ লাখ ৮৬ হাজার ১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল, যা দেশের ইতিহাসে সোনার সর্বোচ্চ দাম হিসেবে রেকর্ড গড়ে।

কালের আলো/এমএসআইপি/এমএসআইপি