খুঁজুন
                               
, ,
           

এ রায়ে মোটেই সন্তুষ্ট নই : ইনুর সাজা নিয়ে চিফ প্রসিকিউটর

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০২৬, ৭:৩৩ অপরাহ্ণ
এ রায়ে মোটেই সন্তুষ্ট নই : ইনুর সাজা নিয়ে চিফ প্রসিকিউটর

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সভাপতি হাসানুল হক ইনুকে দেওয়া ১০ বছরের কারাদণ্ডের রায়ে সন্তুষ্ট নয় বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) দুপুরে নিজ কার্যালয়ের কনফারেন্স রুমে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ প্রতিক্রিয়া জানান।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, হাসানুল হক ইনুর বিরুদ্ধে জুলাই হত্যাকাণ্ডের আটটি অভিযোগ ছিল। এর মধ্যে প্রসিকিউশনের তিনটি চার্জ (অভিযোগ) তথা ৩, ৬ ও ৭ নম্বর প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছে বলে জানিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। আর বাকিগুলো প্রমাণিত হয়নি। প্রমাণিত তিনটি চার্জের প্রতি চার্জে ১০ বছর করে সাজা দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল-২। একইসঙ্গে ৬ ও ৭ নম্বর চার্জে এক লাখ করে দুই লাখ টাকা জরিমানা করেছেন। তবে আমরা এ রায়ে মোটেই সন্তুষ্ট নই।

আটটি অভিযোগই সন্দেহাতীতভাবে প্রসিকিউশন প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ইনুর বিরুদ্ধে অন্যতম অভিযোগ হলো ১৪ দলীয় জোটের বৈঠকে হওয়া সিদ্ধান্তে একাত্মতা পোষণ করেছিলেন। অর্থাৎ ওই বৈঠকে কারফিউ জারির মধ্য দিয়ে ‘শুট অ্যাট সাইট’ বা দেখামাত্র গুলির নির্দেশনা এবং আন্দোলন দমনের মাধ্যমে বিএনপি-জামায়াতকে নির্মূল করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। অন্যতম শরিক নেতা হিসেবে ইনুও সেই বৈঠকে অংশ নিয়েছিলেন। এছাড়া ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে সাক্ষাৎকারে আন্দোলনকারীদের ‘জঙ্গি ট্যাগ’ দিয়েছিলেন তিনি। শেখ হাসিনার সঙ্গেও একাধিকবার ফোনালাপ করেছেন। ফোনালাপে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে সায় দেন জাসদ সভাপতি। ‘জঙ্গি কার্ড’ খেলার মধ্য দিয়ে তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে বিভিন্ন রকমের পরামর্শ দিয়েছিলেন।

আমিনুল ইসলাম বলেন, আমরা খুব পরিষ্কারভাবে বলতে চাই যে, ১০ জন সাক্ষীর জবানবন্দিতে এসব অভিযোগ প্রমাণ করেছেন। অডিও-ভিডিওর মাধ্যমে প্রমাণ করেছেন তারা। এছাড়া সাফাই সাক্ষ্যে দেওয়া লিখিত বক্তব্যেও ইনু স্বীকার করেছিলেন। তার স্বীকারোক্তির পরও অন্যান্য চার্জ প্রমাণিত হবে না, এটা আমাদের কাছে বোধগম্য মনে হয়নি।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের জন্য ইনুকে সর্বোচ্চ শাস্তি দেওয়া উচিত ছিল। কিন্তু তা না করে ট্রাইব্যুনাল যে সাজা দিয়েছেন, এটা একেবারেই স্বেচ্ছামূলক। তারা যথাযথভাবে সাক্ষীর সাক্ষ্য পর্যালোচনা করতে ব্যর্থ হয়েছেন বলে আমরা মনে করি। আমরা এ রায়ের বিরুদ্ধে অবশ্যই আপিল করবো। একইসঙ্গে তিনটি চার্জে দেওয়া শাস্তিও অপ্রতুল। অতএব এ সাজা বাড়াতেও আমরা আপিল করবো। রায়ের কপি পেলেই উচ্চ আদালতে যাবো।

কালের আলো/এসএকে

জ্বালানি সংকট কাটবে, তবে ধীরগতিতে: অর্থমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২২ আগস্ট, ২০২৬, ৩:২৭ অপরাহ্ণ
জ্বালানি সংকট কাটবে, তবে ধীরগতিতে: অর্থমন্ত্রী

বিদ্যুৎ ও গ্যাসের সমস্যা সরকারের নিয়ন্ত্রণে নেই বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, এই সমস্যা এক মাসে সমাধান হওয়ার মতো সমস্যা নয়। তবে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করা হচ্ছে। জ্বালানি সংকট সমাধান হবে; তবে ধীরগতিতে।

শনিবার (২২ আগস্ট) রাজধানীর মতিঝিলে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) আয়োজিত ২০২৬ অর্থবছরের দ্বি-বার্ষিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, রাজস্ব ও মুদ্রানীতি এবং বেসরকারি খাতের প্রত্যাশা বিষয়ক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন।

দেশে বিনিয়োগের পরিবেশ তৈরিতে সরকার কাজ করছে জানিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘বিনিয়োগ ছাড়া অর্থনীতিতে কোনো কিছুই করা সম্ভব নয়। এ জন্য সরকার ও বেসরকারি খাতকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।’

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘একা অর্থমন্ত্রী বা সরকার কিছু করতে পারে না। বিনিয়োগের পরিবেশ তৈরিতে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। বিএনপি ক্ষমতায় এসে বারবার কঠিন পরিস্থিতি থেকে ঘুরে দাঁড়িয়েছে।’

ব্যবসায়ীদের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে কমিটি গঠন এবং ওয়েবসাইট চালু করা হয়েছে জানিয়ে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘ব্যবসায়ীরা কোথাও আটকে গেলে তা সমাধানে সরকার বদ্ধপরিকর। তবে কোথাও বাধার মুখে পড়লে ব্যবসায়ীদেরও নিজ উদ্যোগে তার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে।’

এদিকে সরকারি দফতরে অযথা বারবার কাগজপত্র চাওয়া ও অনৈতিক অর্থ দাবির কারণে মানুষের যে অতিরিক্ত খরচ ও ভোগান্তি হয়, তা বন্ধের আহ্বান জানিয়েছেন সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ড. হোসেন জিল্লুর রহমান।

আরও পড়ুন: গ্যাস হুট করে আনার জাদু নেই, সংকট সমাধানে লাগবে ২ বছর: অর্থমন্ত্রী

তিনি বলেন, ‘এই হয়রানি জ্বালানি সংকটের মতো নয় যে সমাধানে দুই বছর সময় লাগবে। সরকার চাইলে এই ‘হয়রানি ট্যাক্স’ বন্ধ করতে পারে।’

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

খলিলুর রহমানের ব্যস্ততা, পররাষ্ট্রে বাড়ছে দায়িত্ব ভাগাভাগি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২২ আগস্ট, ২০২৬, ৩:২৩ অপরাহ্ণ
খলিলুর রহমানের ব্যস্ততা, পররাষ্ট্রে বাড়ছে দায়িত্ব ভাগাভাগি

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাজের পরিধি, ব্যস্ততা ও গতি আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় বেড়েছে। কাজের চাপ সামলানো এবং মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম আরও গতিশীল করতেই দুজন প্রতিমন্ত্রী নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।

শনিবার (২২ আগস্ট) রাজধানীর মালিবাগের একটি হোটেলে সেন্টার ফর গভর্নেন্স স্টাডিজ (সিজিএস) আয়োজিত ‘পলিটিক্স ল্যাব: বাংলাদেশে তরুণ নারীদের রাজনৈতিক নেতৃত্বের ক্ষমতায়ন’ শীর্ষক পাবলিক ডায়ালগ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

শামা ওবায়েদ বলেন, গত ছয় মাসে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে গত ১৭ বছরের যেকোনো সময়ের তুলনায় অনেক বেশি কাজ হয়েছে। এ সময়ে প্রায় তিনটি নতুন উইং চালু করা হয়েছে। পাশাপাশি অভিবাসন ও অবৈধ অভিবাসন বন্ধে কাজ চলছে।

তিনি জানান, প্রবাসী কল্যাণ, সংস্কৃতি, শ্রম ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয়ের জন্য আন্তঃমন্ত্রণালয় ফোকাল পয়েন্ট কমিটিও গঠন করা হয়েছে। এসব নতুন কার্যক্রমের কারণে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব ও কাজের পরিধি আরও বেড়েছে।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন। আগামী এক বছর তাকে অত্যন্ত ব্যস্ত সময় পার করতে হবে। তাই কাজের সুবিধা ও গতি বাড়াতে সরকার যে সিদ্ধান্ত নেবে, তা টিমওয়ার্কের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করা হবে।

মক্কা প্যাক্টে বাংলাদেশের যুক্ত হওয়া প্রসঙ্গে শামা ওবায়েদ বলেন, কোনো বহুপাক্ষিক সংস্থা বা জোটে যুক্ত হওয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের স্বার্থ ও জনগণের স্বার্থই প্রধান বিবেচ্য হবে। বাংলাদেশ কোনো জোটে যুক্ত হবে কি না, সে সিদ্ধান্ত সরকারই নেবে।

তিনি আরও বলেন, এ ধরনের কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হলে বাংলাদেশের গণমাধ্যমই তা আগে জানতে পারবে। বিদেশি কোনো গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবর দেখে বাংলাদেশ প্রভাবিত হবে না।

কালের আলো/এমএসআইপি

ছানিপড়া রোগীদের বিনামূল্যে অপারেশন ক্যাম্প উদ্বোধন ডা. জুবাইদার

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২২ আগস্ট, ২০২৬, ২:৪৭ অপরাহ্ণ
ছানিপড়া রোগীদের বিনামূল্যে অপারেশন ক্যাম্প উদ্বোধন ডা. জুবাইদার

চোখে ছানিপড়া রোগীদের জন্য বিনামূল্যে অপারেশন ক্যাম্পের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ও জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস চেয়ারম্যান ডা. জুবাইদা রহমান। অপারেশনের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় ওষুধ ও চশমাও বিনামূল্যে বিতরণ করেন তিনি।

শনিবার (২২ আগস্ট) রাজধানীর ভাসানটেক সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। এতে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা. ফরহাদ হালিম ডোনারসহ স্থানীয় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

রাজধানীর মোহাম্মদপুরের রায়েরবাজারের একটি বেসরকারি হাসপাতালের অর্থায়নে এ চিকিৎসা ক্যাম্পের আয়োজন করে জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন।

আয়োজকরা জানান, এতে তিন শতাধিক রোগীকে বিনামূল্যে চিকিৎসা ও ওষুধ দেওয়া হয়।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ