খুঁজুন
                               
শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬, ২৮ চৈত্র, ১৪৩২
           

খাগড়াছড়িতে মেডিকেল পরীক্ষায় মেলেনি ‘ধর্ষণের আলামত’, সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা লাগানোর অপচেষ্টার নেপথ্যে ইউপিডিএফ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ১ অক্টোবর, ২০২৫, ১২:৩২ পূর্বাহ্ণ
খাগড়াছড়িতে মেডিকেল পরীক্ষায় মেলেনি ‘ধর্ষণের আলামত’, সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা লাগানোর অপচেষ্টার নেপথ্যে ইউপিডিএফ

বিশেষ সংবাদদাতা, কালের আলো:

খাগড়াছড়িতে এক মারমা কিশোরীকে কথিত দলবদ্ধ ‘ধর্ষণের’ ঘটনায় ব্যাপক সহিংসতায় অশান্ত হয়েছে পাহাড়। কিন্তু ৬দিন পর ওই কিশোরীর স্বাস্থ্য পরীক্ষার প্রতিবেদনে ‘ধর্ষণের কোনো আলামত পাননি’ পরীক্ষায় নেতৃত্ব দেওয়া চিকিৎসক। তিন সদস্যের এই মেডিকেল টিমের প্রতিবেদনে আলামত পরীক্ষার ১০টি সূচকের সবকটিতে স্বাভাবিক লেখা রয়েছে। অথচ কথিত এই ধর্ষণের ঘটনাকে পুঁজি করে পাহাড়ের বিচ্ছিন্নতাবাদী সন্ত্রাসী সংগঠন ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (ইউপিডিএফ) সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা লাগানোর অপচেষ্টা করেছে।

মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকালে খাগড়াছড়ি সেনানিবাসে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়েও খাগড়াছড়িতে সাম্প্রতিক সহিংসতার জন্য ইউপিডিএফকে দায়ী করেছেন সেনাবাহিনীর খাগড়াছড়ি রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হাসান মাহমুদ। তিনি বলেছেন, ধর্ষণের ঘটনাকে পুঁজি করে সাধারণ পাহাড়ি নারী ও কোমলমতি ছাত্র-ছাত্রীদের সামনে দিয়ে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা লাগানোর চেষ্টা করছে সংগঠনটি। এসব কর্মসূচিতে বহিরাগত সন্ত্রাসীদের দিয়ে দেশীয় ও অটোম্যাটিক (স্বয়ংক্রিয়) অস্ত্রে ফায়ারিং (গুলি) করা হচ্ছে। একই দিন পৃথক সংবাদ সম্মেলনে প্রায় একই রকম অভিযোগ করেছেন সেনাবাহিনীর গুইমারা রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল কালাম শামসুদ্দিন রানা।

  • আলামত পরীক্ষার ১০টি সূচকের সবকটিতে স্বাভাবিক
    জয়া চাকমা
    স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ
    খাগড়াছড়ি আধুনিক সদর হাসপাতাল

এদিকে, ধর্ষণের আলামত পরীক্ষায় তিন চিকিৎসক দলটির প্রধান খাগড়াছড়ি আধুনিক সদর হাসপাতালের স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ জয়া চাকমা গণমাধ্যমকে বলেছেন, ‘আমরা মেডিকেলে রির্পোট জমা দিয়েছি। সবধরনের পরীক্ষা নিরীক্ষা করেছি। কিন্তু আসলে ধর্ষণের কোনো আলামত পাইনি।’ তিনি বলেন, ‘আমাদের টিমে হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার মোশারফ হোসেন ও নাহিদা আকতার ছিলেন।’ স্বাস্থ্য পরীক্ষার প্রতিবেদনের একটি কপি এসেছে কালের আলো.কম ও দৈনিক সন্ধানী বার্তার হাতে। এর আগে মামলার এজাহারে ভুক্তভোগীর বাবা জানান, ঘটনার রাতে প্রাইভেট পড়ে ফেরার পথে নিখোঁজ হয় মেয়েটি। পরে অচেতন অবস্থায় ক্ষেত থেকে উদ্ধার করার পর তাকে সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই একজনকে গ্রেপ্তার করে সেনাবাহিনী।

কল্পিত এই ধর্ষণের ঘটনাকে ইস্যু করে খাগড়াছড়িতে সহিংসতা ও নৈরাজ্য শুরু করে পাহাড়ের ‘আপদ’ হিসেবে পরিচিত ইউপিডিএফ। ১৪৪ ধারা জারির পাশাপাশি অতিরিক্ত সেনা ও বিজিবি মোতায়েনের পরও তাঁরা পরিস্থিতির অবনতি ঘটায়। রোববার ১৪৪ ধারার মধ্যেই গুইমারায় ব্যাপক সহিংসতার নেপথ্যে ছিল এই সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা। সেখানে পাহাড়ি-বাঙালিদের সংঘর্ষ চলা অবস্থায় পাহাড়ের উঁচু স্থান থেকে স্বয়ক্রিয় অস্ত্রের মাধ্যমে গুলি বর্ষণ করে তিনজনকে হত্যা করে ইউপিডিএফ। মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) গুইমারায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনের সময় সহিংসতার ঘটনায় একটি তদন্ত কমিটি গঠনের কথা জানিয়েছেন স্থানীয় জেলা প্রশাসক এবিএম ইফতেখারুল ইসলাম খন্দকার। অন্যদিকে, খাগড়াছড়ির অশান্ত পরিস্থিতির জন্য একদিন আগে ভারত ও পলাতক ফ্যাসিস্টদের ইন্ধন রয়েছে বলে দাবি করেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।

কিশোরীর স্বাস্থ্য পরীক্ষার প্রতিবেদনে যা উল্লেখ রয়েছে
ধর্ষণের আলামত পরীক্ষায় তিন সদস্যের চিকিৎসক দলের নেতৃত্ব দেন খাগড়াছড়ি আধুনিক সদর হাসপাতালের স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ জয়া চাকমা। তিন পৃষ্ঠার রিপোর্টে ধর্ষণের লক্ষণ পাওয়া যায় এমন ১০টি সূচকের কোনটিতে মেলেনি আলামত। সবগুলোই স্বাভাবিক। শরীরের ভেতরে-বাইরে কোথাও ধর্ষণের চিহ্ন পায়নি চিকিৎসক দল। রিপোর্টে স্বাক্ষর করেন স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ জয়া চাকমা, মেডিকেল অফিসার মীর মোশারফ হোসেন ও নাহিদা আকতার।

  • বহিরাগত সন্ত্রাসীদের দিয়ে দেশীয় ও অটোম্যাটিক অস্ত্রে গুলি করা হচ্ছে
    ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হাসান মাহমুদ
    রিজিয়ন কমান্ডার, খাগড়াছড়ি
    বাংলাদেশ সেনাবাহিনী

পার্বত্য চট্টগ্রামকে অস্থিতিশীল করা এবং সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা সৃষ্টির বিষয়টি একটি বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের অংশ পার্বত্য চট্টগ্রামকে অস্থিতিশীল করা এবং সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা সৃষ্টির বিষয়টি একটি বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের অংশ বলে মনে করেন খাগড়াছড়ি রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হাসান মাহমুদ। তিনি বলেন, এসবের প্রমাণাদি আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে আছে। নানা অপপ্রচার ও উসকানির মধ্যেও সেনাবাহিনী দেশের সার্বভৌমত্ব ও অবিচ্ছেদ্য অংশ রক্ষায় সবকিছু করবে। উদ্ভূত পরিস্থিতির মধ্যে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বড় অনুষ্ঠান শারদীয় দুর্গাপূজা চলছে জানিয়ে এই সেনা কর্মকর্তা বলেন, সবাই যেন এই উৎসবে স্বতস্ফূর্তভাবে অংশ নিতে পারে সে সুযোগটি আমরা করে দিচ্ছি। রিজিয়ন কমান্ডার ইউপিডিএফকে দেশের স্বার্থে অবরোধ প্রত্যাহার করে পরিস্থিতি শান্ত রাখার আহ্বান জানান।

  • পাহাড়ে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির পেছনে দায়ী ইউপিডিএফ
    ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল কালাম রানা
    রিজিয়ন কমান্ডার, গুইমারা
    বাংলাদেশ সেনাবাহিনী

পৃথক এক সংবাদ সম্মেলনে সেনাবাহিনীর গুইমারা রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল কালাম রানা বলেন, ‘পাহাড়ি সশস্ত্র সন্ত্রাসী সংগঠনগুলো বিশেষ করে ইউপিডিএফ আমাদের এই এলাকায় সকল ধরণের সশস্ত্র সন্ত্রাসী কার্যকলাপ ও পাহাড়ে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির পেছনে দায়ী। আমরা সব সময় তাদের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান পরিচালনা করি। তাদেরকে অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার করে এই এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার চেষ্টা আমরা সব সময় চালিয়ে যাচ্ছি। এটি অব্যাহত থাকবে।’

কালের আলো/এমএসএএকে/এমকে

১০০ টাকার নিচে নেই সবজি, পাতে কমছে স্বাদ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৭ অপরাহ্ণ
১০০ টাকার নিচে নেই সবজি, পাতে কমছে স্বাদ

এক হাতে বাজারের ব্যাগ, আরেক হাতে হিসাব। প্রতিদিনের এই ছোট্ট লড়াইয়ে যেন হার মানছেন সাধারণ মানুষ। সবজির বাজারে ঢুকলেই চোখে পড়ে অস্বস্তির এক চিত্র। ৮০ থেকে ১০০ টাকার নিচে নেই কোনো সবজি। প্রয়োজন থাকলেও সাধ্যের সীমা টেনে ধরছে হাত। অনেকেই এখন কেজির বদলে কিনছেন আড়াইশ গ্রাম। এভাবেই সামলাচ্ছেন সংসার।

জ্বালানি সংকটে পরিবহন খরচ বৃদ্ধি এবং সরবরাহ ঘাটতির কারণে সবজির দাম বেড়েছে বলে দাবি করছেন বিক্রেতারা। অন্যদিকে দাম বাড়ায় সাধারণ মানুষের টিকে থাকা দায় হয়ে পড়েছে বলে অভিযোগ ক্রেতাদের।

শনিবার (১১ এপ্রিল) রাজধানীর মহাখালী, রামপুরাসহ বিভিন্ন কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা গেছে, বেশিরভাগ সবজিই ১০০ টাকার ওপরে বিক্রি হচ্ছে। ৮০ টাকার নিচে রয়েছে মাত্র দু-একটি সবজি। গোল ও লম্বা দুই ধরনের বেগুনই কেজিপ্রতি ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা একদিন আগেও ছিল ১০০ টাকা। পটলের কেজি ২০ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকায়।

করলা ১০০-১২০, বরবটি ৮০-৯০, ঢেঁড়শ ৭০-৮০, চিচিঙ্গা ৮০-৯০, ধুন্দল ৬০-৮০, শিম ৮০-৯০, টমেটো ৫০, পেঁপে ৪০-৫০ ও লাউ ৮০-১০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। এসব সবজির দাম দু’তিন দিন আগেও কেজিপ্রতি ২০-৩০ টাকা কমে কেনা যেত। তবে সবচেয়ে দামি সবজি এখন কাঁকরোল। প্রতি কেজি কাঁকরোল কিনতে ক্রেতাদের ১৬০-১৮০ টাকা গুনতে হচ্ছে। তবে কেজিপ্রতি আলুর দাম এখনও ২৫-৩০ টাকা।

মহাখালী সবজির বাজারে কথা হয় বখতিয়ার শিকদারের সঙ্গে। তিনি একটি বেসরকারি অফিসে পিয়ন হিসেবে কাজ করেন। বিভিন্ন সবজি কেনার ইচ্ছা থাকলেও দাম বাড়ায় আধা কেজি বেগুন ও আলু কিনেই বাসায় ফিরতে হচ্ছে তাকে। তার দাবি, সরকার যদি কিছু নিয়ন্ত্রণ করত, তাহলে নিম্নআয়ের মানুষের উপকার হতো।

তিনি বলেন, মাছ-মাংসের পরিবর্তে আগে সবজি খেয়ে চাহিদা মেটাতাম। এখন সেটাও কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে। ৮০-১০০ টাকার নিচে কোনো সবজিই পাওয়া যায় না। স্বাদ জাগলেও আয়ের সঙ্গে কুলাতে না পেরে কোনোভাবে স্ত্রী-সন্তান নিয়ে সংসার চালাতে হয়। আজ শুধু বেগুন আর আলু কিনেছি। ঘরে থাকা ডিম দিয়ে এসব রান্না হবে।

বখতিয়ার আরও বলেন, ঈদের পরও বেগুনের কেজি ৪০-৬০ টাকা ছিল। এখন দ্বিগুণেরও বেশি। আগে এক কেজি কিনলেও এখন আধা কেজি বা আড়াইশ গ্রাম করে কিনতে হয়। পটল, করলার দামও বেশি। খেতে হয় বলেই সবজি কিনছি, না হলে অনেক সময় না খেয়ে থাকতে হতো।

অনেকটাই বখতিয়ারের সুরে কথা বলেন বেসরকারি চাকরিজীবী আরিফ হোসেন। সাপ্তাহিক ছুটির দিনে বাজার করেন তিনি। দাম বেশি হওয়ায় করলা আধা কেজি, ঢেঁড়শ আড়াইশ গ্রাম, শিম আধা কেজি ও পটল আড়াইশ গ্রাম কিনেছেন। এসব সবজির দাম কম থাকলে এক কেজি করেই কিনতেন বলে জানান তিনি। তার মতে, আগে একজন মানুষ ২০০ গ্রাম খেলে এখন ১০০ গ্রামেই সীমাবদ্ধ থাকতে হচ্ছে।

জোয়ার সাহারা কাঁচাবাজারের বিক্রেতা মাহফুজার রহমান সিয়াম বলেন, দাম বাড়ার কারণ আমরাও স্পষ্ট করে বলতে পারি না। পাইকারি বাজারে বেশি দামে কিনতে হচ্ছে বলে খুচরা বাজারেও এর প্রভাব পড়ছে। যে টাকা নিয়ে আমরা মালামাল কিনতে যাই, তার চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ দাম দিয়ে কিনতে হচ্ছে। গত সপ্তাহের তুলনায় এই সপ্তাহে প্রায় সবকিছুর দাম বেড়েছে। সরবরাহ কম বা সংকটের কারণেই এমনটি হয়েছে বলে মনে হচ্ছে।

বিক্রেতারা জানান, চলমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে জ্বালানি সংকটের কারণে পরিবহন খরচ বেড়েছে পাশাপাশি নতুন সবজির সরবরাহেও ঘাটতি রয়েছে। এসব কারণে পাইকাররা বেশি দামে সবজি বিক্রি করছেন। ফলে খুচরা পর্যায়েও বাড়তি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।

কালের আলো/এসএকে

রেশম গোটা দেশের সম্পদ, আমাদের ঐতিহ্য: পাটপ্রতিমন্ত্রী

রাজশাহী প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬, ১:৫৮ অপরাহ্ণ
রেশম গোটা দেশের সম্পদ, আমাদের ঐতিহ্য: পাটপ্রতিমন্ত্রী

পাট ও বস্ত্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম বলেছেন, রেশম শুধু রাজশাহীর সম্পদ নয়, এটি গোটা বাংলাদেশের সম্পদ। রেশম আমাদের ঐতিহ্য। এই শিল্পকে বাঁচিয়ে রাখতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

শনিবার (১১ এপ্রিল) বাংলাদেশ রেশম গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।

১৯৭৭ সালে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান রেশম বোর্ড স্থাপন করেন উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, রাজশাহী সিল্কের উন্নয়নে করণীয় নির্ধারণে প্রধান উপদেষ্টা নির্দেশনা দিয়েছেন। রাজশাহী সিল্ক কীভাবে আরও উন্নত ও আধুনিকায়ন করা যায়, সে বিষয়ে কাজ চলছে। গবেষণার মাধ্যমে তুঁতের ফলন বৃদ্ধি, তুঁত গাছের উন্নয়ন, রেশম সুতার উন্নয়ন তথা রাজশাহী সিল্কের সার্বিক ঐতিহ্য বৃদ্ধি ও পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে কাজ করা হবে।

এ জন্য স্টেকহোল্ডারদের মূল্যবান পরামর্শ নেওয়া হবে জানিয়ে তিনি বলেন, রেশম সুতার উৎপাদন বৃদ্ধিতে কারখানাগুলোতে বন্ধ পড়ে থাকা লুমগুলো চালুর বিষয়েও উদ্যোগ নেওয়া হবে। পরিদর্শনকালে এ সময় উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রণালয়ের সচিব মিজ বিলকিস জাহান রিমি।

পরে প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড আয়োজিত স্টেকহোল্ডারদের সাথে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণ করেন। ‘সিল্কের উন্নয়ন ও বাজারজাতকরণ’ শীর্ষক এই মতবিনিময় সভাটি বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক মো. তৌফিক আল মাহমুদ। তিনি প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে মন্ত্রী ও সচিবের কাছে বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকাণ্ড তুলে ধরেন।

কালের আলো/এসএকে

সৈয়দপুরে হঠাৎ অসুস্থ ত্রাণমন্ত্রী, এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে আনা হবে ঢাকায়

নীলফামারী প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬, ১:৩৩ অপরাহ্ণ
সৈয়দপুরে হঠাৎ অসুস্থ ত্রাণমন্ত্রী, এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে আনা হবে ঢাকায়

দুই দিনের সফরে নিজ জেলা লালমনিরহাটে যাওয়ার পথে নীলফামারীর সৈয়দপুর বিমানবন্দরে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু। তাকে আনতে ইতোমধ্যেই ঢাকা থেকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্স রওনা হয়েছে।

শনিবার (১১ এপ্রিল) দুপুর ১২টা ৪০ মিনিটে বিষয়টি নিশ্চিত করেন সৈয়দপুর রাজনৈতিক জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুর গফুর সরকার।

তিনি বলেন, দুই দিনের সফরে লালমনিরহাট সফরে আজকে (শনিবার) সকালে ঢাকা থেকে বিমানযোগে এসে সৈয়দপুর বিমানবন্দরে নামেন আসাদুল হাবিব দুলু। তিনি রেস্টরুমে গিয়ে বসে নেতাকর্মীদের সঙ্গে আলোচনা করছিলেন। এ সময় হঠাৎ মাথা ঘুরে অস্বস্তি ও অসুস্থতা বোধ করেন মন্ত্রী। পরে তাকে দ্রুত সৈয়দপুর সেনানিবাসের সিএমএইচ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

গফুর সরকার আরও বলেন, পরে নেতাকর্মীদের পরামর্শে মন্ত্রীকে দুপুর ১২টা ১০ মিনিটের বিমানে ঢাকায় পাঠানোর প্রস্তুতি নেওয়া হয়। তবে তার শারীরিক অবস্থা ভালো না হওয়ায় বিমানে যেতে পারেননি। পরে তাকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকায় নেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। ঢাকা থেকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্স রওনা হয়েছে সৈয়দপুর পৌঁছালে সেটিতে মন্ত্রীকে ঢাকায় নেওয়া হবে।

কালের আলো /এসএকে