খুঁজুন
                               
শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬, ২৮ চৈত্র, ১৪৩২
           

বিরল এক সম্মান, মর্যাদাপূর্ণ বিএমএ ‘হল অব ফেম’ এ অভিষিক্ত নৌবাহিনী ও বিমান বাহিনী প্রধান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৫, ১০:৩২ অপরাহ্ণ
বিরল এক সম্মান, মর্যাদাপূর্ণ বিএমএ ‘হল অব ফেম’ এ অভিষিক্ত নৌবাহিনী ও বিমান বাহিনী প্রধান

বিশেষ সংবাদদাতা, কালের আলো:

চট্টগ্রামের ভাটিয়ারিতে অবস্থিত বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমির (বিএমএ) গৌরবমণ্ডিত ‘হল অব ফেম’। বিএমএ থেকে প্রশিক্ষণ ও কমিশনপ্রাপ্ত যেসব কর্মকর্তা নিজ নিজ বাহিনীর সর্বোচ্চ পদে অধিষ্ঠিত হন তাঁদের প্রতিকৃতিসহ কৃতিত্বপূর্ণ কর্মময় জীবনের আলোকোজ্জ্বল সারসংক্ষেপ সংযোজিত হয় ‘হল অব ফেম’ এ। ইতোপূর্বে এই তালিকায় জায়গা পেয়েছেন মাত্র ৭জন সেনাবাহিনী প্রধান। এবার এই বর্ণিল তালিকায় অভিষিক্ত হয়েছেন নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল এম নাজমুল হাসান ও বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন।

বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান এর উপস্থিতিতে চট্টগ্রামের ভাটিয়ারীতে অবস্থিত বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমি (বিএমএ)-তে নৌবাহিনী ও বিমান বাহিনী প্রধান হিসেবে তাঁরা গৌরবমণ্ডিত ‘হল অব ফেম’-এ অন্তর্ভুক্ত হন।

‘হল অব ফেম’ এর সূচনা হওয়ার পর এই পর্যন্ত ৭ জন সেনাপ্রধান এই তালিকায় জায়গা পেয়েছেন। তাঁরা হলেন- জেনারেল (অব:) মঈন ইউ আহমেদ, জেনারেল (অব:) মোহাম্মদ আবদুল মুবীন, জেনারেল (অব:) ইকবাল করিম ভূঁইয়া, জেনারেল (অব:) আবু বেলাল মোহাম্মদ শফিউল হক, জেনারেল (অব:) আজিজ আহমেদ ও জেনারেল (অব:) এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ ও বর্তমান সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। গত বছরের সোমবার (১১ নভেম্বর) সপ্তম সেনাপ্রধান হিসেবে জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান এই তালিকায় অন্তর্ভূক্ত হন।

প্রথম কোন নৌবাহিনী ও বিমান বাহিনী প্রধান হিসেবে যথাক্রমে এডমিরাল এম নাজমুল হাসান ও এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন এবার এই বিরল সম্মানে ভূষিত হয়েছেন। এর মাধ্যমে বিএমএ এর ইতিহাস ও ঐতিহ্য সংরক্ষণেও যুক্ত হয়েছে এক নতুন মাত্রা। স্বভাবতই উচ্ছ্বসিত এই মুহুর্তটিতে নৌ ও বিমান বাহিনী প্রধানের সঙ্গে তাদের সহধর্মিণীগণও উপস্থিত ছিলেন।

আন্ত:বাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানায়, ‘হল অব ফেম’ হলো একটি ঐতিহ্যগত সর্বোচ্চ সম্মাননা, যা কোন নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে অসাধারণ অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ কোন ব্যক্তিকে এই সম্মানে ভূষিত করা হয়। বর্ণাঢ্য সামরিক জীবনের অধিকারী নৌবাহিনী ও বিমান বাহিনী প্রধান ১৩তম বিএমএ দীর্ঘমেয়াদি কোর্সের সঙ্গে ১৯৮৪ সালে দ্বিতীয় যৌথ সামরিক প্রশিক্ষণে (জয়েন্ট সার্ভিস ট্রেনিং) বিএমএ’তে অংশগ্রহণ করেন। আইএসপিআর আরও জানায়, ১০ সপ্তাহের যৌথ সামরিক প্রশিক্ষণ শেষে বাহিনী প্রধানগণ নিজ নিজ একাডেমি থেকে ১৯৮৬ সালে কমিশন লাভ করেন।

জানা যায়, পরবর্তীতে এডমিরাল এম নাজমুল হাসান ২০২৩ সালের ২৪ জুলাই ১৭তম নৌবাহিনী প্রধান এবং এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন ২০২৪ সালের ১১ জুন ১৭তম বিমান বাহিনী প্রধান হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। গভীর দেশপ্রেম, সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব, সততা, নিষ্ঠা, উন্নত রুচিবোধ ও পরিণতবোধের এক নবদ্যুতির আলোকে অসাধারণ সৃজনক্ষমতায় এক নিরন্তর গতিপ্রবাহকেই সন্নিবেশিত করেছেন দেশের মানুষের আস্থা ও বিশ্বাসের প্রতিভূ, স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের প্রতীক দেশপ্রেমিক নৌবাহিনী ও বিমান বাহিনীর এই দুই প্রধান।

অনুষ্ঠানে আর্মি ট্রেনিং অ্যান্ড ডকট্রিন কমান্ডের জিওসি লেফটেন্যান্ট জেনারেল মাইনুর রহমান, ২৪ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি ও চট্টগ্রামের এরিয়া কমান্ডার মেজর জেনারেল মীর মুশফিকুর রহমান, বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমির (বিএমএ) কমান্ড্যান্ট মেজর জেনারেল খন্দকার মোহাম্মদ শাহিদুল এমরান, চা বোর্ড চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মো. মেসবাহ উদ্দিন আহমেদসহ সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর ঊর্ধ্বতন ও বিভিন্ন পদবীর কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এমএএএমকে

এলপিজি নিয়ে লুকোচুরি

বিশেষ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:৪১ অপরাহ্ণ
এলপিজি নিয়ে লুকোচুরি

এক লাফে ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডার গ্যাসের দাম ৩৮৭ টাকা বেড়েছে। অথচ সরকার নির্ধারিত এই দরে গ্যাস পাচ্ছেন না ভোক্তারা। উল্টো বিক্রেতাদের একের পর এক অজুহাতে ‘গ্যাস আছে-গ্যাস নেই’ এমন লুকোচুরিতে অসন্তুষ্টির মাত্রা উঠেছে চরমে। ভোক্তাদের কাছ থেকে বাড়তি দাম আদায়ও বন্ধ হচ্ছে না কোনোভাবেই।

দেশে সরবরাহ করা এলপিজির ৯৮ শতাংশই আসছে বেসরকারিভাবে। মাত্র ২ শতাংশ এলপিজি সরকারিভাবে সরবরাহ হচ্ছে। কিন্তু সরকারি এ এলপিজি সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে। এলপিজির ১২ কেজি সিলিন্ডার সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় গৃহস্থালির কাজে। বর্তমানে সরকারি কোম্পানির সরবরাহ করা এলপিজির সাড়ে ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ৮২৫ টাকা। দীর্ঘদিন ধরেই এ দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।

সবশেষ গত বৃহস্পতিবার ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৩৪১ টাকা থেকে এক লাফে ৩৮৭ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৭২৮ টাকা করে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। একই হারে সব সিলিন্ডারের দাম বাড়ার ঘোষণায় মোটাদাগে এক ধাক্কায় প্রতি কেজিতে বাড়ানো হয় ৩২ টাকা ৩০ পয়সা। যদিও সরকার নির্ধারিত বাড়তি দামের সঙ্গে আরও বাড়তি অর্থ দেওয়ার বোঝা থেকে মুক্তি মেলেনি ভোক্তার। সিলিন্ডারপ্রতি গুনতে হচ্ছে অতিরিক্ত আরো ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা।

সার্বিক বিষয়ে বিইআরসি চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ বলেন, বর্তমানে পেট্রোল পাম্পগুলোই সামলানো যাচ্ছে না। এ অবস্থায় এলপিজির বাজার মনিটরিং করাটা তাদের জন্য ‘চ্যালেঞ্জিং’। তবে আমদানিকারক ও সরবরাহ প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে কথা বলে তারা সামনের দিনে পরিস্থিতি ‘সমন্বয় করার চেষ্টা করবেন।’

জানতে চাইলে ক্যাবের জ্বাালানি উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. এম শামসুল আলম বলেন, মূলত বিইআরসির অদক্ষতা এবং তাদের জবাবদিহিতার অভাবের কারণেই এলপিজি নিয়ে এ নৈরাজ্য চলছে। তারা নিজেরাই নিজেদের আইন লঙ্ঘন করছে। এটা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। সেজন্য কারাদন্ডের বিধান পর্যন্ত আছে। কিন্তু কমিশনের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয় না।

এসবের প্রতিকার চেয়ে বিগত সরকারের আমলে কমিশনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপতির কাছে ক্যাবের পক্ষ থেকে অভিযোগ জমা দেওয়া হয়েছে বলেও জানান এ জ্বাালানি বিশেষজ্ঞ।

কালের আলো/এম/এএইচ

মেধা-মননশীলতায় বিশ্বে বাংলাদেশের মর্যাদা বাড়ানোর আহ্বান আইজিপির

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:৩৬ অপরাহ্ণ
মেধা-মননশীলতায় বিশ্বে বাংলাদেশের মর্যাদা বাড়ানোর আহ্বান আইজিপির

মেধা ও মননশীলতার মাধ্যমে বিশ্বে বাংলাদেশের মর্যাদা বাড়াতে শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির।

শনিবার (১১ এপ্রিল) সকালে রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ লাইনস-এ বাংলাদেশ অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ অফিসার্স কল্যাণ সমিতি কমপ্লেক্সের সেমিনার হলে আয়োজিত ‘আইজিপি শিক্ষাবৃত্তি-২০২৫’ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে আইজিপি বলেন, শিক্ষার্থীদের জ্ঞানার্জনের পাশাপাশি দেশ ও জনগণের কল্যাণে কাজ করতে হবে। আইন জানা ও মেনে চলার মানসিকতা গড়ে তুলতে হবে এবং সবসময় ইতিবাচক চিন্তা করতে হবে। ব্যক্তি স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে সমাজের উন্নয়নে কাজ করার ওপরও তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ পুলিশের কোনো সদস্য অপরাধে জড়িত হলে তাকে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না; বরং যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, দেশের প্রতিটি জেলার সদর থানাকে ‘জিরো কমপ্লেইন’ থানা হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ অফিসার্স কল্যাণ সমিতির সভাপতি ড. এম আকবর আলী-এর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কিমিয়া সাআদত। স্বাগত বক্তব্য দেন সমিতির সহ-সভাপতি ইয়াসমিন গফুর।

এছাড়া অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ড. মো. আবুল হোসেন এবং মো. ফারুক হোসেন। উপস্থিত ছিলেন সমিতির অন্যান্য সদস্য, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।

বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে আইজিপি বলেন, দেশকে এগিয়ে নিতে তরুণ প্রজন্মকে মানবিক ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে হবে।

অনুষ্ঠানে ‘কেমন পুলিশ চাই’ বিষয়ে শিক্ষার্থীদের মতামতও তুলে ধরা হয়। তারা পুলিশকে আরও বন্ধুসুলভ ও জনবান্ধব হিসেবে দেখতে চাওয়ার পাশাপাশি আইন প্রয়োগে মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি বজায় রাখার আহ্বান জানায়।

সভাপতির বক্তব্যে ড. এম আকবর আলী বলেন, পুলিশ সদস্যদের জনগণের সঙ্গে আরও ভালো আচরণ করতে হবে।

উল্লেখ্য, কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি-এর করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা (সিএসআর) তহবিলের অর্থায়নে বাংলাদেশ পুলিশ পরিচালিত বিভিন্ন স্কুল ও কলেজের ২০২৫ সালের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত চারশ’ শিক্ষার্থীর মাঝে এই শিক্ষাবৃত্তি প্রদান করা হয়।

এর মধ্যে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের একশ’ শিক্ষার্থীর হাতে সরাসরি বৃত্তি, ক্রেস্ট ও সনদপত্র তুলে দেওয়া হয়। বাকি তিনশ’ শিক্ষার্থীকে সংশ্লিষ্ট পুলিশ সুপারের মাধ্যমে বৃত্তি দেওয়া হবে।

কালের আলো/এম/এএইচ

ক্ষমতার স্বাদ পেয়েই জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করেছে বিএনপি: নাহিদ ইসলাম

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:৩২ অপরাহ্ণ
ক্ষমতার স্বাদ পেয়েই জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করেছে বিএনপি: নাহিদ ইসলাম

মানুষের রক্তের ওপর দিয়ে ক্ষমতায় আসা বিএনপি এক মাসের মাথায় জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করেছে বলে মন্তব্য করেছেন সংসদে বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।

শনিবার (১১ এপ্রিল) রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন ত্রি-বার্ষিক জাতীয় সম্মেলনের বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

নাহিদ ইসলাম বলেন, নতুন যে সরকার গঠিত হয়েছে, তারা শ্রমিকদের রক্তের ওপর ক্ষমতায় বসেছে। কিন্তু এক মাসের মাথায় তারা নতুন বাংলাদেশের সঙ্গে বেঈমানি করেছে।

তিনি বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধ্যাদেশগুলো আইনে পরিণত করার ও সংস্কার বাস্তবায়নের ওয়াদা বিএনপি ভঙ্গ করেছে।

এদেশের রাজনীতিতে ওয়াদা ভঙ্গের পরিণতি ভালো হবে না। গণআন্দোলন গড়ে তুলে শ্রমিকের অধিকারসহ সংস্কার বাস্তবায়নে বাধ্য করা হবে।

নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, এদেশের জাতীয় ইতিহাসে আমরা বারবার দেখেছি, শ্রমিকেরা রক্ত দিয়েছে, জীবন দিয়েছে। ১৯৪৭ এর আজাদির লড়াই থেকে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং এদেশে যত গণঅভ্যুত্থান হয়েছে, এমনকি চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে যারা জীবন দিয়েছেন তাদের অধিকাংশ শ্রমজীবী মানুষ।

কালের আলো/এসআর/এএএন