খুঁজুন
                               
বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৩ আষাঢ়, ১৪৩৩
           

যুব হকি বিশ্বকাপে বড় স্বপ্ন, শেষ পর্যন্ত লড়াইয়ের প্রত্যাশা বিমানবাহিনী প্রধানের

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ৯ নভেম্বর, ২০২৫, ৯:৩৬ অপরাহ্ণ
যুব হকি বিশ্বকাপে বড় স্বপ্ন, শেষ পর্যন্ত লড়াইয়ের প্রত্যাশা বিমানবাহিনী প্রধানের

বিশেষ সংবাদদাতা, কালের আলো:

দেশের জরাজীর্ণ হকিতে সুবাতাস বইয়ে দেওয়ার খবরটি এসেছিল গত বছর। গত বছরের ৪ ডিসেম্বর ওমানের মাসকটে ইতিহাস গড়েছিল বাংলাদেশের যুবারা। জুনিয়র এশিয়া কাপের পঞ্চমস্থান নির্ধারণী ম্যাচে চীনকে ৬-৩ গোলে হারিয়ে ২০২৫ জুনিয়র হকি বিশ্বকাপে নাম লেখায় অনূর্ধ্ব-২১ দল। হকির যে কোন পর্যায়ে প্রথম কোন বৈশ্বিক আসরে জায়গা হয় বাংলাদেশের। সেই আনন্দে ওই বছরই জুনিয়র এশিয়া কাপ হকি খেলে ওমান থেকে দেশে ফেরার পর বিমানবাহিনীর ফ্যালকন হলে যুব হকি দলকে সংবর্ধনাও দিয়েছিল বাংলাদেশ হকি ফেডারেশন। দেওয়া হয়েছিল আর্থিক পুরস্কারও।

আরেকটি ডিসেম্বর যখন এগিয়ে আসছে তখন বাংলাদেশের যুবারা প্রস্তুতি নিচ্ছে বিশ্বকাপে খেলার। বৈশ্বিক অঙ্গনে দেশের হকির ইতিহাসে এযাবৎকালের সবচেয়ে বড় এই অর্জনকে ধরে রাখতে এবার নতুন এক লড়াইয়ের প্রস্তুতি। আগামী ২৮ নভেম্বর থেকে ১০ ডিসেম্বর ভারতের চেন্নাই ও মাদুরাইয়ে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে এবারের যুব হকি বিশ্বকাপের আসর।

২৪ দলের বৈশ্বিক এই টুর্নামেন্টে বাংলাদেশ খেলবে ‘এফ’ গ্রুপে। সেখানে প্রতিপক্ষ অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া ও ফ্রান্স। বিরাট এই সাফল্যে উচ্ছ্বসিত বাংলাদেশ হকি ফেডারেশন রবিবার (০৯ নভেম্বর) বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর ফ্যালকন হলে আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মোচন করেছে জাতীয় যুব হকি দলের জার্সি। জার্সি উম্মোচন করে বাংলাদেশ হকি ফেডারেশনের সভাপতি ও বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন যুবাদের প্রস্তুতি, লক্ষ্য ও বাস্তবতা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ কথা বলেছেন। দিয়েছেন কার্যকর দিকনির্দেশনাও। বৈশ্বিক এই আসরে শেষ পর্যন্ত লড়াই করার প্রত্যাশার বিষয়টি গেঁথে দিয়েছেন উদ্যমী খেলোয়াড়দের মন-মস্তিষ্কে।

বাংলাদেশ হকি ফেডারেশনের সভাপতি ও বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন বলেছেন, ‘এটি একটি অনন্য ক্ষণ এবং আমার দৃঢ় বিশ্বাস যে আমাদের দল ভালো পারফর্মেন্সের মাধ্যমে দেশের পতাকা আরো উঁচুতে তুলে ধরবে। শৃঙ্খলা সাফল্যের চাবিকাঠি এবং একটি শৃঙ্খলাবদ্ধ দল সর্বদা জয়লাভ করে। মাঠের খেলায়  ১১ বনাম ১১ লড়াই হয়, প্রতিপক্ষ কোন দেশ বা দল বড় নয়, বাংলাদেশ শেষ পর্যন্ত লড়াই করবে এবং ভাল নৈপুণ্য প্রদর্শন করবে এটিই আমার প্রত্যাশা।’

এ সময় হকি ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) রিয়াজুল হাসান, জাতীয় হকি দলের হেড কোচ সিগফ্রিড আইকম্যান, অধিনায়ক মেহরাব হাসান সামিন ও অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

হকি ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব:) রিয়াজুল হাসান জানান, আগামী ১৮ নভেম্বর দল ভারতের উদ্দেশ্যে যাত্রা করবে এবং বিশ্বকাপ শুরুর আগে টিলি ও সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে দুটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে। হেড কোচ সিগফ্রিড আইকম্যান অবশ্য কোন লক্ষ্য স্থির করে শীষ্যদের চাপে ফেলতে চান না। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমাদের ওরকম কোন লক্ষ্য নেই্। এই ছেলেদের বড় মঞ্চের জন্য চেষ্টা করেছি গড়ে তুলতে। আমি তাদের বলেছি, সাহস না হারাতে। হৃদয় দিয়ে খেলতে। তবে হয়তো কোন বিস্ময়কর কিছুও হয়ে যেতে পারে।’ আইকম্যান আরও বলেছেন, ‘খেলোয়াড়দের গতি ও বল নিয়ন্ত্রণ নিয়ে কাজ করেছি। আধুনিক হকিতে গতি ও দলগত সমন্বয়ের ওপরই সাফল্য নির্ভর করে।’

আমরা সেটিরই প্রতিফলন রাখতে চাই জানিয়ে অধিনায়ক মেহরাব হাসান সামিন বলেন, ‘আমরা এখন ইউরোপীয় ধারাটা বুঝতে পেরেছি, আইকম্যানের মতো বড় কোচের অধীনে দলের খেলার ধারায়ও পরিবর্তন হয়েছে। আমরা গ্রুপের কোনো দলকে সমীহ করছি না তবে সম্মান করি।’

জাতীয় যুব হকি দলের সদস্যরা হলেন-মাহমুদ হাসান, আশরাফুল হক, মেহরাব হোসেন সামিন, রামিন হোসেন, এনাম শরীফ, মুন্না ইসলাম, রাহিদ হাসান, আজিজার রহমান, সাব্বির হোসেন কনক, দ্বীন ইসলাম, আশরাফুল ইসলাম, মেহেদী হাসান, ইসমাইল হোসেন, আমিরুল ইসলাম, হোজিফা হোসেন, ওবায়দুল হোসেন জয়, তানভীর রহমান, রাকিবুল ইসলাম, আব্দুল্লাহ ও শহীদুর রহমান সাজু।

কালের আলো/এমএএএমকে

আমি না থাকলে ইসরায়েলের অস্তিত্ব থাকত না: ট্রাম্প

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৮:৫৪ পূর্বাহ্ণ
আমি না থাকলে ইসরায়েলের অস্তিত্ব থাকত না: ট্রাম্প

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, তার সমর্থন ছাড়া ইসরায়েলের অস্তিত্ব টিকে থাকত না। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে মতপার্থক্য বাড়তে থাকার মধ্যেই তিনি এ মন্তব্য করেছেন।

জি–৭ সম্মেলনের ফাঁকে কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানির উপস্থিতিতে দেওয়া বক্তব্যে ট্রাম্প বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র ছাড়া ইসরায়েলের অস্তিত্ব থাকত না। আমি না থাকলেও ইসরায়েল টিকে থাকত না। কারণ আমি যা করেছি, তা করার সাহস বা ইচ্ছা অন্য কোনো প্রেসিডেন্টের ছিল না।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমি জড়িত না হলে ইসরায়েল অনেক আগেই ধ্বংস হয়ে যেত।’

সম্প্রতি লেবাননে ইসরায়েলের হামলা এবং ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য শান্তি চুক্তি নিয়ে আলোচনা প্রসঙ্গে ট্রাম্প এ মন্তব্য করেন। তার মতে, বৈরুতে ইসরাইলের সামরিক অভিযান মধ্যপ্রাচ্যে কূটনৈতিক প্রচেষ্টাকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।

ট্রাম্প জানান, নেতানিয়াহুর সঙ্গে তার সম্পর্ক এখনো ভালো। তবে লেবানন ইস্যুতে তিনি ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীকে আরও সংযমী হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।

ট্রাম্প বলেন, ‘বিবির (নেতানিয়াহু) সঙ্গে আমার সম্পর্ক চমৎকার। কিন্তু এখন লেবাননের বিষয়ে তাকে আরও দায়িত্বশীল হতে হবে।’

লেবাননের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তিনি বলেন, ‘একসময় লেবানন ছিল একটি মহান দেশ। সেখানে অসংখ্য অধ্যাপক, চিকিৎসক ও আইনজীবী ছিলেন। অনেক মেধাবী মানুষ লেবাননে বাস করতেন। কিন্তু এখন দেশটির অবস্থা খুবই খারাপ।’

মার্কিন সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য একটি চুক্তির আগে বৈরুতে ইসরায়েলের হামলায় ট্রাম্প অসন্তুষ্ট হয়েছেন। অ্যাক্সিওসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, হামলার বিষয়টি জানতে পেরে তিনি বিস্মিত হন। কারণ এর আগে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো একে অপরকে আক্রমণ না করার বিষয়ে সম্মত হয়েছিল।

ট্রাম্প বলেন, ‘এটি খুবই খারাপ ছিল। আমি বিশ্বাসই করতে পারিনি। আমাদের চুক্তি স্বাক্ষরের মাত্র এক ঘণ্টা আগে এটি ঘটেছে।’

নেতানিয়াহুর সিদ্ধান্তেরও সমালোচনা করেন তিনি। ট্রাম্প বলেন, ‘বিবিকে কেন এই জঘন্য হামলাটি করতে হলো? আমি খুবই ক্ষুব্ধ হয়েছিলাম এবং তাকে তা জানিয়েছি।’

অন্যদিকে, ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যেকোনো চুক্তির অন্যতম শর্ত হবে লেবাননের যেসব এলাকা চলমান সংঘাতের সময় ইসরায়েল দখল করেছে, সেখান থেকে সেনা প্রত্যাহার।

আরাঘচির ভাষ্য, ‘যুদ্ধ চলাকালে দখল করা অঞ্চলগুলো থেকে ইসরায়েলি বাহিনী সরে না যাওয়া পর্যন্ত যুদ্ধ পুরোপুরি শেষ হয়েছে বলা যাবে না।’

তবে একজন মার্কিন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, আলোচনায় থাকা সম্ভাব্য চুক্তিতে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহারের কোনো শর্ত নেই। এদিকে নেতানিয়াহুও বলেছেন, প্রয়োজন হলে ইসরাইল দীর্ঘ সময় লেবাননে অবস্থান করবে।

সূত্র: এনডিটিভি

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

জোড়া গোলে দুটি রেকর্ড ভাঙলেন এমবাপে, পেছনে পড়লেন মেসি

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৩:২৬ পূর্বাহ্ণ
জোড়া গোলে দুটি রেকর্ড ভাঙলেন এমবাপে, পেছনে পড়লেন মেসি

পেনাল্টি না পাওয়ার ঠিক কয়েক মুহূর্ত পরই ফ্রান্সকে এগিয়ে নিলেন কিলিয়ান এমবাপে। তাতে ফ্রান্সের শীর্ষ গোলদাতা হিসেবে অলিভার জিরুদের পাশে বসেন তিনি। ওখানেই শেষ নয়। দ্বিতীয়ার্ধের ইনজুরি টাইমে আরেকটি গোল। তাতে এককভাবে ফ্রান্সের সর্বোচ্চ গোলদাতাও হয়ে গেলেন রিয়াল মাদ্রিদ তারকা।

এছাড়া বিশ্বকাপে নিজের ১৪তম গোলটি করে সাবেক ফরাসি লিজেন্ড জাস্ট ফন্টেইন ও আর্জেন্টিনা অধিনায়ক লিওনেল মেসিকেও ছাড়িয়ে গেলেন তারকা স্ট্রাইকার। বলাবাহুল্য, বিশ্বমঞ্চে ফ্রান্সের সর্বোচ্চ গোলদাতাও তিনি।

আর তিনটি গোল করলে বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলদাতা হবেন তিনি। ১৬ গোল করে জার্মানির মিরোস্লাভ ক্লোসা সবার উপরে। বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি গোল করার তালিকায় এমবাপে যৌথভাবে তিন নম্বরে। ১৪ গোল করে গার্ড মুলারের পাশে তিনি।

ডি-বক্সের বাইরে থেকে মাইকেল অলিসের এক দারুণ অ্যাসিস্ট সেনেগালের রক্ষণব্যুহকে ভেঙে দেয়। আর ছয় গজ বক্সের প্রান্ত থেকে ডান পায়ের নিখুঁত শটে এদুয়ার মেন্দির পাশ দিয়ে বল জালে জড়ান এমবাপে।

ফ্রান্সের জার্সিতে এটি ছিল তার ৫৭তম গোল। তারপর বক্সের বাইরে থেকে ডান পায়ের জাদুকরী শটে দ্বিতীয় গোল করেন তিনি

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

ফ্রান্সের গোলপোস্ট কাঁপিয়ে বিরতিতে সেনেগাল

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ২:১৩ পূর্বাহ্ণ
ফ্রান্সের গোলপোস্ট কাঁপিয়ে বিরতিতে সেনেগাল

শক্তিশালী ফ্রান্সের বিপক্ষে ২৪ বছর পর মাঠে নামল সেনেগাল। ২০০২ সালের সেই অঘটনের স্মৃতি অনুপ্রাণিত রেখেছিল তাদের। প্রথমার্ধে তারাই গোল করার সবচেয়ে ভালো সুযোগগুলো পেয়েছিল। দুর্ভাগ্য যে এগিয়ে যেতে পারল না। প্রথমার্ধ শেষে স্কোর গোলশূন্য।

নিকোলাস জ্যাকসন গোলের সবচেয়ে কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিলেন। তার শট পোস্টে গিয়ে আঘাত করে। এছাড়া প্রথমার্ধের খেলা শেষের ঠিক আগমুহূর্তে ইসমাইলা সার-ও গোল করার একটি বিশাল সুযোগ হাতছাড়া করেন।

অন্যদিকে ফ্রান্সকে বেশ ক্লান্ত দেখা গেছে। সেনেগালের রক্ষণ ভাঙতে বেশ সংগ্রাম করেছে।

গত দুইবারের ফাইনালিস্ট কোনো ধরনের অঘটনে না পড়তে চাইলে দ্বিতীয়ার্ধে নিশ্চিতভাবেই আরও অনেক ভালো পারফরম্যান্স করতে হবে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি