খুঁজুন
                               
বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৩ আষাঢ়, ১৪৩৩
           

সেনাকুঞ্জে নক্ষত্রের মেলা, উৎসবমুখর নির্বাচন করতে সশস্ত্র বাহিনীর সহযোগিতা চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২১ নভেম্বর, ২০২৫, ৬:১৯ অপরাহ্ণ
সেনাকুঞ্জে নক্ষত্রের মেলা, উৎসবমুখর নির্বাচন করতে সশস্ত্র বাহিনীর সহযোগিতা চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা

এম.আব্দুল্লাহ আল মামুন খান, অ্যাকটিং এডিটর, সেনাকুঞ্জ থেকে ফিরে

ঝা চকচকে মঞ্চ। লাল গালিচায় পা মাড়িয়ে যাচ্ছেন প্রত্যেকেই। জাঁকজমক চারিদিকে। বর্ণিল সাজে সুসজ্জিত ঢাকা ক্যান্টনমেন্টের সেনাকুঞ্জ। শুক্রবার (২১ নভেম্বর) সশস্ত্র বাহিনী দিবসের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড.মুহাম্মদ ইউনূস। দেশবরেণ্য রাজনীতিক, খ্যাতিমান ব্যক্তিত্ব, অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা, শিক্ষাবিদ, গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব, সংস্কৃতিসেবী, ব্যবসায়ী, উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর বিভিন্ন ইউনিটের প্রধান থেকে শুরু করে কে ছিলেন না অনন্য আয়োজনটিতে? বিভিন্ন শ্রেণী পেশার উজ্জ্বল সব নক্ষত্রের উপস্থিতি। তাদের মহাসম্মিলনে গোটা অনুষ্ঠান হয়ে ওঠলো আরও রঙিন। অবারিত আনন্দের এক ফল্গুধারা। যেন সব নক্ষত্রকে একীভূত করেছে দেশপ্রেমিক সশস্ত্র বাহিনী।

আলোকোজ্জ্বল অনুষ্ঠানটি ছিল চমকে ঠাসা। এক বছর পর আবারও সশস্ত্র বাহিনী দিবসের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সেনাকুঞ্জে এসেছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া; প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের পাশের আসনে বসে তিনি উপভোগ করলেন সশস্ত্র বাহিনী দিবসের সংবর্ধনা অনুষ্ঠান। প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে তাঁর হাস্যোজ্জ্বল কুশল বিনিময় মন ছুঁয়েছে সবার। অনুষ্ঠানে যোগ করেছে বাড়তি মাত্রা। অতিথিদের একে অপরের সঙ্গে সাধ মিটিয়ে ছবি তোলার দৃশ্যও নজর কেড়েছে। ভালো লাগা আর আনন্দের নির্যাস নিতে ভুলেননি কেউই। সেনাকুঞ্জে আয়োজিত বৈকালিক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথিদের উদ্দেশ্যে দেওয়া বক্তব্যে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড.মুহাম্মদ ইউনূস উৎসবমুখর নির্বাচন করতে সশস্ত্র বাহিনীর সহযোগিতা চেয়েছেন। বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ‘নির্বিঘ্ন ও উৎসবমুখর করতে’ সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা পেশাদারত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবেন বলে আশা প্রকাশ করেছেন তিনি।

বিকাল ৪টা ১০ মিনিটে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস মঞ্চে আসার পর বিউগলে জাতীয় সংগীতের সুর বেজে উঠে। পরে ভূমিকম্পে নিহতদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করেন আমন্ত্রিত অতিথি ও দর্শনার্থীরা। আমন্ত্রিত অতিথিদের উদ্দেশ্যে প্রধান উপদেষ্টা যখন বক্তব্য শুরু করেন তখন তাঁর পেছনে দাঁড়িয়ে ছিলেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল এম নাজমুল হাসান, বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন ও সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার (পিএসও) লেফটেন্যান্ট জেনারেল এস এম কামরুল হাসান। বক্তব্যের পর চা চক্র পর্বে সবার সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন প্রধান উপদেষ্টা।

নির্বাচনের মাধ্যমে আমরা নতুন বাংলাদেশের পথে যাত্রা করব
ড.মুহাম্মদ ইউনূস তাঁর বক্তব্যে বলেন, ‘আমরা শিগগিরই একটা নির্বাচনের দিকে যাচ্ছি। নির্বাচনের মাধ্যমে আমরা নতুন বাংলাদেশের পথে যাত্রা করব। সেটিই আমাদের স্বপ্ন। নির্বাচন যেন সুন্দর, আনন্দমুখর, উৎসবমুখর হয়, সুন্দর যাত্রাপথ রওনা করে দিতে পারে, সেটার জন্য আমরা সবাই চেষ্টা করব। বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণে আসন্ন নির্বাচন একটা গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসাবে ভূমিকা রাখবে। নির্বিঘ্ন ও উৎসবমুখর নির্বাচন হবে বলে আমার বিশ্বাস। সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা দক্ষতা ও পেশাদারত্বের সঙ্গে এই দায়িত্ব পালন করবে।’

সশস্ত্র বাহিনী দিবসের দিনব্যাপী কর্মসূচিতে বীরা মুক্তিযোদ্ধা, মুক্তিযুদ্ধে আহত ও শহীদদের পরিবারের সদস্য, সশস্ত্র বাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত ও তাদেরে পরিবারের সদস্য, কূটনীতিক, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ ও গত বছর অভ্যুত্থানের শহীদদের পরিবার ও আহতদের পরিবারের সদস্যরা অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত ছিলেন। সংক্ষিপ্ত বক্তৃতায় ড.ইউনূস মুক্তিযুদ্ধের শহীদ এবং ২০২৪ সালের জুলাই অগাস্ট মাসে ছাত্রজনতার অভ্যুত্থানের সব শহীদ, আহত ও অংশ নেওয়া সব মানুষকে স্মরণ করেন।

২১ নভেম্বর মুক্তিযুদ্ধের একটা মাইলফলক
মুক্তিযুদ্ধে সেনাবাহিনীর অবদান স্মরণ করতে গিয়ে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘একাত্তর সালের রণক্ষেত্রে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর জন্ম। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ হানাদার বাহিনীর নৃশংস আক্রমণের পরপরই ২৭ মার্চ চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে তৎকালীন মেজর ও পরবর্তীতে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেছিলেন। এরই ধারাবাহিকতায় ২১ নভেম্বর সেনাবাহিনীর সঙ্গে নৌ ও বিমান বাহিনী সম্মিলিতভাবে পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াই শুরু করে। এ কারণেই ২১ নভেম্বরকে মুক্তিযুদ্ধের একটা মাইলফলক হিসাবে গৌরবের সাথে পালন করা হয়।’

একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে সশস্ত্র বাহিনীর অবদান বাংলাদেশের ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘মুক্তিকামী সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনীর সদস্যরা জীবনের পরোয়া না করে, পরিবারের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা না করে এদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। এদেশের আপামর জনসাধারণকে সাহস যুগিয়েছে। মানুষের সাথে কঁধে কাঁধ মিলিয়ে জল, স্থল ও আকাশ পথে সম্মিলিতভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলে দেশমাত্রিকাকে পরাধিনতার শৃঙ্খল থেকে মুক্ত করে এনেছেন।’

ছাত্রজনতার গণঅভ্যুত্থানেও সশস্ত্র বাহিনীর ‘অসামান্য অবদানের’ কথা স্মরণ
২০২৪ সালে ছাত্রজনতার গণঅভ্যুত্থানেও দেশপ্রেমিক সশস্ত্র বাহিনীর ‘অসামান্য অবদানের’ কথা স্মরণ করেন প্রধান উপদেষ্টা। তিনি বলেন, ‘২০২৪ এর ছাত্রজনতার অভ্যুত্থান ও চলমান দেশ পুনর্গঠন ও সংস্কারের কাজেও সশস্ত্র বাহিনী বরাবরের মত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে অব্যাহতভাবে মানুষের আস্থার প্রতিদান দিয়ে যাচ্ছে। গণতান্ত্রিক ও নিয়মতান্ত্রিক নেতৃত্বের প্রতি অনুগত বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী পেশাগত দক্ষতা ও দেশপ্রেমের সমন্বয়ে দেশের জন্য ত্যাগ ও তৎপরতার ধারাবাহিকতা অক্ষুণ্ন রাখবে।’

দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সেনাবাহিনীকে সদা প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানিয়ে সরকারপ্রধান বলেন, ‘একটি শান্তিপ্রিয় জাতি হিসাবে আমরা সব বন্ধু রাষ্ট্রের সঙ্গে সম্মানজনক ও শান্তিপূর্ণ সহঅবস্থানে বিশ্বাসী। তথাপি যে কোনো আগ্রাসী বহিঃশত্রুর আক্রমণ থেকে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য আমাদেরকে সদা প্রস্তুত থাকতে হবে।’

ফ্যাসিস্ট আমলে বাহিনীগুলোর দক্ষতা বৃদ্ধির বিষয়গুলো উপেক্ষিত ছিল
আগামী দিনে সেনাবাহিনীকে আরও আধুনিক ও যুগোপযোগী করে গড়ে তোলার প্রত্যয় জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘দুঃখের সাথে বলতে হয়, ফ্যাসিস্ট আমলে বাহিনীগুলোর দক্ষতা বৃদ্ধির বিষয়গুলো উপেক্ষিত ছিল। অন্তর্বর্তী সরকার সব বাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধিতে ব্যাপক উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। একই সঙ্গে দেশরক্ষা জনকল্যাণমূলক কাজে ব্যাপক সংখ্যক ছাত্র ও যুব সম্প্রদায়কে সম্পৃক্ত করার উদ্দেশ্যে বিএনসিসির কার্যক্রম বহুগুণ বৃদ্ধির নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’ অনুষ্ঠানে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা, প্রধান বিচারপতি, প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা সস্ত্রীক অনুষ্ঠানে এসেছিলেন। বিএনপি, জামায়াত, এনসিপি ও অন্যান্য দলের নেতৃবৃন্দের পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের কূটনীতিবিদরা এ অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

কালের আলো/এমএএএমকে

আমি না থাকলে ইসরায়েলের অস্তিত্ব থাকত না: ট্রাম্প

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৮:৫৪ পূর্বাহ্ণ
আমি না থাকলে ইসরায়েলের অস্তিত্ব থাকত না: ট্রাম্প

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, তার সমর্থন ছাড়া ইসরায়েলের অস্তিত্ব টিকে থাকত না। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে মতপার্থক্য বাড়তে থাকার মধ্যেই তিনি এ মন্তব্য করেছেন।

জি–৭ সম্মেলনের ফাঁকে কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানির উপস্থিতিতে দেওয়া বক্তব্যে ট্রাম্প বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র ছাড়া ইসরায়েলের অস্তিত্ব থাকত না। আমি না থাকলেও ইসরায়েল টিকে থাকত না। কারণ আমি যা করেছি, তা করার সাহস বা ইচ্ছা অন্য কোনো প্রেসিডেন্টের ছিল না।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমি জড়িত না হলে ইসরায়েল অনেক আগেই ধ্বংস হয়ে যেত।’

সম্প্রতি লেবাননে ইসরায়েলের হামলা এবং ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য শান্তি চুক্তি নিয়ে আলোচনা প্রসঙ্গে ট্রাম্প এ মন্তব্য করেন। তার মতে, বৈরুতে ইসরাইলের সামরিক অভিযান মধ্যপ্রাচ্যে কূটনৈতিক প্রচেষ্টাকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।

ট্রাম্প জানান, নেতানিয়াহুর সঙ্গে তার সম্পর্ক এখনো ভালো। তবে লেবানন ইস্যুতে তিনি ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীকে আরও সংযমী হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।

ট্রাম্প বলেন, ‘বিবির (নেতানিয়াহু) সঙ্গে আমার সম্পর্ক চমৎকার। কিন্তু এখন লেবাননের বিষয়ে তাকে আরও দায়িত্বশীল হতে হবে।’

লেবাননের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তিনি বলেন, ‘একসময় লেবানন ছিল একটি মহান দেশ। সেখানে অসংখ্য অধ্যাপক, চিকিৎসক ও আইনজীবী ছিলেন। অনেক মেধাবী মানুষ লেবাননে বাস করতেন। কিন্তু এখন দেশটির অবস্থা খুবই খারাপ।’

মার্কিন সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য একটি চুক্তির আগে বৈরুতে ইসরায়েলের হামলায় ট্রাম্প অসন্তুষ্ট হয়েছেন। অ্যাক্সিওসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, হামলার বিষয়টি জানতে পেরে তিনি বিস্মিত হন। কারণ এর আগে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো একে অপরকে আক্রমণ না করার বিষয়ে সম্মত হয়েছিল।

ট্রাম্প বলেন, ‘এটি খুবই খারাপ ছিল। আমি বিশ্বাসই করতে পারিনি। আমাদের চুক্তি স্বাক্ষরের মাত্র এক ঘণ্টা আগে এটি ঘটেছে।’

নেতানিয়াহুর সিদ্ধান্তেরও সমালোচনা করেন তিনি। ট্রাম্প বলেন, ‘বিবিকে কেন এই জঘন্য হামলাটি করতে হলো? আমি খুবই ক্ষুব্ধ হয়েছিলাম এবং তাকে তা জানিয়েছি।’

অন্যদিকে, ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যেকোনো চুক্তির অন্যতম শর্ত হবে লেবাননের যেসব এলাকা চলমান সংঘাতের সময় ইসরায়েল দখল করেছে, সেখান থেকে সেনা প্রত্যাহার।

আরাঘচির ভাষ্য, ‘যুদ্ধ চলাকালে দখল করা অঞ্চলগুলো থেকে ইসরায়েলি বাহিনী সরে না যাওয়া পর্যন্ত যুদ্ধ পুরোপুরি শেষ হয়েছে বলা যাবে না।’

তবে একজন মার্কিন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, আলোচনায় থাকা সম্ভাব্য চুক্তিতে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহারের কোনো শর্ত নেই। এদিকে নেতানিয়াহুও বলেছেন, প্রয়োজন হলে ইসরাইল দীর্ঘ সময় লেবাননে অবস্থান করবে।

সূত্র: এনডিটিভি

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

জোড়া গোলে দুটি রেকর্ড ভাঙলেন এমবাপে, পেছনে পড়লেন মেসি

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৩:২৬ পূর্বাহ্ণ
জোড়া গোলে দুটি রেকর্ড ভাঙলেন এমবাপে, পেছনে পড়লেন মেসি

পেনাল্টি না পাওয়ার ঠিক কয়েক মুহূর্ত পরই ফ্রান্সকে এগিয়ে নিলেন কিলিয়ান এমবাপে। তাতে ফ্রান্সের শীর্ষ গোলদাতা হিসেবে অলিভার জিরুদের পাশে বসেন তিনি। ওখানেই শেষ নয়। দ্বিতীয়ার্ধের ইনজুরি টাইমে আরেকটি গোল। তাতে এককভাবে ফ্রান্সের সর্বোচ্চ গোলদাতাও হয়ে গেলেন রিয়াল মাদ্রিদ তারকা।

এছাড়া বিশ্বকাপে নিজের ১৪তম গোলটি করে সাবেক ফরাসি লিজেন্ড জাস্ট ফন্টেইন ও আর্জেন্টিনা অধিনায়ক লিওনেল মেসিকেও ছাড়িয়ে গেলেন তারকা স্ট্রাইকার। বলাবাহুল্য, বিশ্বমঞ্চে ফ্রান্সের সর্বোচ্চ গোলদাতাও তিনি।

আর তিনটি গোল করলে বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলদাতা হবেন তিনি। ১৬ গোল করে জার্মানির মিরোস্লাভ ক্লোসা সবার উপরে। বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি গোল করার তালিকায় এমবাপে যৌথভাবে তিন নম্বরে। ১৪ গোল করে গার্ড মুলারের পাশে তিনি।

ডি-বক্সের বাইরে থেকে মাইকেল অলিসের এক দারুণ অ্যাসিস্ট সেনেগালের রক্ষণব্যুহকে ভেঙে দেয়। আর ছয় গজ বক্সের প্রান্ত থেকে ডান পায়ের নিখুঁত শটে এদুয়ার মেন্দির পাশ দিয়ে বল জালে জড়ান এমবাপে।

ফ্রান্সের জার্সিতে এটি ছিল তার ৫৭তম গোল। তারপর বক্সের বাইরে থেকে ডান পায়ের জাদুকরী শটে দ্বিতীয় গোল করেন তিনি

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

ফ্রান্সের গোলপোস্ট কাঁপিয়ে বিরতিতে সেনেগাল

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ২:১৩ পূর্বাহ্ণ
ফ্রান্সের গোলপোস্ট কাঁপিয়ে বিরতিতে সেনেগাল

শক্তিশালী ফ্রান্সের বিপক্ষে ২৪ বছর পর মাঠে নামল সেনেগাল। ২০০২ সালের সেই অঘটনের স্মৃতি অনুপ্রাণিত রেখেছিল তাদের। প্রথমার্ধে তারাই গোল করার সবচেয়ে ভালো সুযোগগুলো পেয়েছিল। দুর্ভাগ্য যে এগিয়ে যেতে পারল না। প্রথমার্ধ শেষে স্কোর গোলশূন্য।

নিকোলাস জ্যাকসন গোলের সবচেয়ে কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিলেন। তার শট পোস্টে গিয়ে আঘাত করে। এছাড়া প্রথমার্ধের খেলা শেষের ঠিক আগমুহূর্তে ইসমাইলা সার-ও গোল করার একটি বিশাল সুযোগ হাতছাড়া করেন।

অন্যদিকে ফ্রান্সকে বেশ ক্লান্ত দেখা গেছে। সেনেগালের রক্ষণ ভাঙতে বেশ সংগ্রাম করেছে।

গত দুইবারের ফাইনালিস্ট কোনো ধরনের অঘটনে না পড়তে চাইলে দ্বিতীয়ার্ধে নিশ্চিতভাবেই আরও অনেক ভালো পারফরম্যান্স করতে হবে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি