খুঁজুন
                               
, ,
           

বঙ্গোপসাগরে যুদ্ধ জয়ের শক্তি দেখালো বাংলাদেশ নৌবাহিনী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ৩০ নভেম্বর, ২০২৫, ১১:৫৮ অপরাহ্ণ
বঙ্গোপসাগরে যুদ্ধ জয়ের শক্তি দেখালো বাংলাদেশ নৌবাহিনী

কালের আলো রিপোর্ট:

বাংলাদেশের জলসীমায় প্রবেশ করেছে বহি:শত্রুর জাহাজ। চোখের পলকে ছুটে এসেছে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর কমান্ডোরা। আকাশ পথে দ্রুত যোগ দিলো আভিযানিক হেলিকপ্টারও। ঝাঁপিয়ে পড়লো সমুদ্র সীমাকে শত্রুমুক্ত করতে। শত্রুপক্ষের টার্গেট লক্ষ্য করে নৌবাহিনীর যুদ্ধ জাহাজ থেকে নিক্ষেপ করা হচ্ছে একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্র। নৌবাহিনীর আক্রমণে রীতিমতো কেঁপে উঠলো বঙ্গোপসাগর। কোণঠাসার পর পর্যুদস্ত শত্রু জাহাজ। ধ্বংস করা হলো নির্ভুল নিশানায়। রবিবার (৩০ নভেম্বর) নৌবাহিনীর বার্ষিক এই সমুদ্র মহড়ার মনোমুগ্ধকর এসব দৃশ্য কেড়েছে নজর। এর মাধ্যমে নিজেদের দেশাত্মবোধ, পেশাগত মান ও দক্ষতার মাধ্যমে যুদ্ধ জয়ের শক্তি দেখালো ‘শান্তিতে সংগ্রামে সমুদ্রে দুর্জয়’- মন্ত্রে দীক্ষিত বাংলাদেশ নৌবাহিনী। আরও একবার বিশ্ব দরবারে স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ ঘোষণা দিলো এক নিরাপদ জলসীমার।

নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল এম নাজমুল হাসান এর আমন্ত্রণে অন্তর্বর্তী সরকারের স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ড.আসিফ নজরুল, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান চৌধুরী এবং গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান বানৌজা খালিদ বিন ওয়ালিদ থেকে সমাপনী দিবসের মহড়া অবলোকন করেন। মহড়ায় ফুটিয়ে তোলা হয় সোয়াট ইউনিটের দক্ষতা, সার্চ এন্ড রেসকিউ অপারেশন এবং জাহাজ বিধ্বংসী মিসাইলের সক্ষমতা। সুবিশাল সমুদ্রের নিরাপত্তা বিধান, সার্বভৌমত্ব রক্ষা ও সমুদ্র সম্পদের হেফাজত করতে নিরলসভাবে কাজ করা বাংলাদেশ নৌবাহিনী এদিন আবারও জানান দিয়েছে তাঁরা প্রস্তুত দিন-রাত ২৪ ঘন্টা কিংবা ৩৬৫ দিনই।

জানা যায়, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে বঙ্গোপসাগরের গুরুত্ব অপরিসীম। আর এই বঙ্গোপসাগরের নিরাপত্তায় নিরবচ্ছিন্ন দায়িত্ব পালন করে চলেছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী। নৌবাহিনী তাঁর রণকৌশল, পেশাগত দক্ষতা ও যোগ্যতা দিয়ে যেকোনো মূল্যে দেশের সার্বভৌমত্ব ও সমূদ্রসীমা রক্ষায় নিবেদিত প্রাণ ভূমিকা পালন করছে। বহি:শক্তির বৈরী মনোভাব, কর্মকাণ্ডের পর্যালোচনা, আন্তর্জাতিক ও কূটনৈতিক বিষয়সমূহ বিবেচনা করে বিভিন্ন ধাপে কৌশল নিরূপণের মাধ্যমে প্রতি বছরের মতো এবারও আয়োজন করা হয় মহড়ার। এছাড়া শান্তিকালীন সময়ে নৌবাহিনীর দায়িত্ব যুদ্ধের জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করা। সেই অনুযায়ী প্রশিক্ষণ প্রদান করতে মহড়ায় বিশেষ দৃষ্টি দেওয়া হয়। বার্ষিক এই মহড়ার মাধ্যমে দেশপ্রেমে আপোসহীন প্রতিটি নৌ সদস্যের মনোবল বেড়েছে আরও বহুগু।

  • নৌবাহিনী প্রধানের আমন্ত্রণে সমাপনী দিবসের মনোমুগ্ধকর মহড়া অবলোকন করেন অন্তর্বর্তী সরকারের চার উপদেষ্টা
  • শত্রুপক্ষের টার্গেট লক্ষ্য করে নৌবাহিনীর যুদ্ধ জাহাজ থেকে একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ
  • মহড়ায় ফুটিয়ে তোলা হয় সোয়াট ইউনিটের দক্ষতা, সার্চ এন্ড রেসকিউ অপারেশন এবং জাহাজ বিধ্বংসী মিসাইলের সক্ষমতা
  • আরও একবার বিশ্ব দরবারে স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ ঘোষণা দিলো এক নিরাপদ জলসীমার

চূড়ান্ত দিনের মহড়া কার্যত ছিল বাংলাদেশ নৌবাহিনীর শক্তিমত্তা প্রদর্শনের অনবদ্য এক আয়োজন। বাংলাদেশ নৌবাহিনীর জাহাজ থেকে ক্ষেপনাস্ত্র উৎক্ষেপণ, শোল্ডার লঞ্চড সারফেস টু এয়ার মিসাইল ফায়ারিং, এ্যান্টি এয়ার র‌্যাপিড ওপেন ফায়ারিং, রকেট ডেপথ্ চার্জ ফায়ারিং, ইউএভি অপারেশন, নৌকমান্ডোদের মহড়া হেলিকপ্টার ভিজিট বোর্ড সার্চ এন্ড সিজার ও নৌ যুদ্ধের বিভিন্ন রণকৌশল ছিল উল্লেখযোগ্য। ৫ দিনব্যাপী আয়োজিত মহড়ায় বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ফ্রিগেট, করভেট, ওপিভি, মাইন সুইপার, পেট্রোলক্রাফ্ট, মিসাইল বোটসহ উল্লেখযোগ্য সংখ্যক জাহাজ এবং নৌবাহিনীর মেরিটাইম পেট্রোল এয়ারক্রাফট, হেলিকপ্টার এবং বিশেষায়িত ফোর্স সোয়াডস্ প্রত্যক্ষভাবে অংশগ্রহণ করে। এছাড়াও বাংলাদেশ বিমানবাহিনী এবং কোস্টগার্ডসহ সংশ্লিষ্ট মেরিটাইম সংস্থাসমূহ এই মহড়ায় অংশ নেয়। বিভিন্ন ধাপে পরিচালিত এই মহড়ার নৌ বহরের বিভিন্ন রণকৌশল অনুশীলন, সমুদ্র এলাকায় পর্যবেক্ষণ, লজিষ্টিক অপারেশন, উপকূলীয় এলাকায় অবস্থিত নৌ স্থাপনাসমূহের প্রতিরক্ষা অন্তর্ভূক্ত ছিল মহড়ায়, জানায় আন্ত:বাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)।

নৌবাহিনীর এই বার্ষিক মহড়ায় মূলত প্রাধান্য পায় সমুদ্র এলাকায় দেশের সার্বভৌমত্ব সংরক্ষণ, সমুদ্র সম্পদের রক্ষণাবেক্ষণ, সমুদ্র পথের নিরাপত্তা বিধানসহ চোরাচালানরোধ, জলদস্যুতা দমন, উপকূলীয় এলাকায় জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং সমুদ্র এলাকায় প্রহরা নিশ্চিতকরণ। সফলতার সঙ্গে মহড়া শেষ করায় অন্তর্বর্তী সরকারের চার উপদেষ্টা অংশগ্রহণকারী সকল কর্মকর্তা ও নাবিকদের অভিনন্দন জানান। নৌ সদস্যদের পেশাগত মান, দক্ষতা ও কর্মনিষ্ঠা এবং দেশের সমুদ্রসীমা রক্ষার পাশাপাশি জাতীয় অর্থনীতিতে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সক্রিয় ভূমিকারও প্রশংসা করেন অতিথিরা। তাঁরা মনে করেন, এই মহড়া নৌবাহিনীর সদস্যদের সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব, উন্নত প্রশিক্ষণ, কর্মস্পৃহা ও গভীর আত্মবিশ্বাস এবং সর্বোপরি দেশপ্রেমের প্রতিফলন।

সাধারণত মাতৃভূমির সুরক্ষা ও অন্য দেশের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণার জন্য একটি দেশের সামরিক শক্তি সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব বহন করে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সামরিক শক্তি পর্যবেক্ষণ করে চলতি বছরের এপ্রিলে একটি তালিকা প্রকাশ করেছে সামরিক শক্তি পর্যবেক্ষক প্রতিষ্ঠান গ্লোবাল ফায়ার পাওয়ার। গ্লোবাল ফায়ার পাওয়ারের সূচকে বিশ্বের শীর্ষ সামরিক শক্তির তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থার উন্নতি হয়েছে। এবার তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান ৩৫তম। এশিয়ার দেশগুলোর সামরিক শক্তির তালিকায় দেশটির অবস্থান ১৭তম। বাংলাদেশ নৌবাহিনীর এমন অত্যাধুনিক সমরাস্ত্র ও যুদ্ধ কৌশলে আরও এগিয়ে যাবে দেশপ্রেমিক বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী, এমন অভিমত বিশ্লেষকদের।

কালের আলো/এমএএএমকে

বিজিবির অভিযানে জুন মাসে ৩০৭ কোটি টাকার চোরাই পণ্য জব্দ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬, ১:৫২ অপরাহ্ণ
বিজিবির অভিযানে জুন মাসে ৩০৭ কোটি টাকার চোরাই পণ্য জব্দ

গত জুন মাসজুড়ে দেশের সীমান্ত এলাকাসহ বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে সর্বমোট ৩০৭ কোটি ৬৫ লাখ ১১ হাজার টাকা মূল্যের চোরাচালান ও পণ্যসামগ্রী জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) বিজিবির জনসংযোগ কর্মকর্তা শরীফুল ইসলামী এতথ্য নিশ্চিত করেন।

জব্দকৃত চোরাচালান দ্রব্যের মধ্যে রয়েছে- ৫ কেজি ৫৯২ গ্রাম স্বর্ণ, ১ হাজার ৮১৫টি শাড়ি, ৩ হাজার ২৫২টি থ্রিপিস/শার্টপিস/চাদর/কম্বল, ৯ হাজার ৫৫১টি তৈরি পোশাক, ১ লাখ ৮৯ হাজার ১৮টি কসমেটিক্স সামগ্রী, ১৭ লাখ ৫৪ হাজার ৫৪৩ পিস আতশবাজি, ৭ হাজার ৪৬৪ ঘনফুট কাঠ, ৭ হাজার ৩১৬ কেজি চা পাতা, ৪ হাজার ২৭০ কেজি সুপারি, ১ লাখ ১ হাজার ৭৭৬ কেজি কয়লা, ১ লাখ ৭৪ হাজার ৮৯৮ প্যাকেট বিড়ি ও সিগারেট, ৪৯৭টি মোবাইল, ১ হাজার ৮৬৫পিস মোবাইলের ডিসপ্লে, ৪১ হাজার ১৬২ পিস মোবাইলের যন্ত্রাংশ, ১৫ হাজার ৫৬ পিস ইলেকট্রিক সামগ্রী, ২২ হাজার ৬১২টি চশমা, ৫২ হাজার ৭৩৬ কেজি জিরা, ৪ হাজার ২৮৫ কেজি রসুন, ১৮ হাজার ৭৯৮ কেজি চিনি, ১০ হাজার ২২৪ কেজি সার, ১১ লাখ ৪১ হাজার ১৬৯ পিস চিংড়ি মাছের পোনা, ৩ হাজার ২৮২ লিটার ভোজ্যতেল/ডিজেল/অকটেন/পেট্রোল/মবিল, ২ হাজার ২৭৬ প্যাকেট কীটনাশক, ৫ লাখ ৯১ হাজার ৪১৯ পিস বিভিন্ন প্রকার ওষুধ, ৬৯৪ কেজি বিভিন্ন প্রকার বীজ, ১ হাজার ২৩৯ পিস যানবাহন যন্ত্রাংশ, ১১টি ট্রাক/কাভার্ড ভ্যান, ৫টি পিকআপ ভ্যান, ৩টি প্রাইভেটকার/বাস, ৩টি ট্রাক্টর, ২০টি ট্রলি/মাইক্রোবাস, ৬৮টি সিএনজি/ইজিবাইক/ অটোরিকশা, ৩৫টি মোটরসাইকেল ও ৫৩টি বাইসাইকেল/ভ্যান।

উদ্ধারকৃত অস্ত্রের মধ্যে রয়েছে- ৮টি দেশি/বিদেশি পিস্তল, ১টি রাইফেল, ১৬টি ম্যাগাজিন, ৬৩০ রাউন্ড গোলাবারুদ, ২টি মাইন, ৬টি গ্রেনেড ও ৬টি অন্যান্য অস্ত্র।

এ ছাড়া গত মাসে বিজিবি কর্তৃক বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য জব্দ করা হয়েছে। জব্দকৃত মাদক ও নেশাজাতীয় দ্রব্যের মধ্যে রয়েছে- ৩৭ লাখ ৭৯ হাজার ৩৫২ পিস ইয়াবা, ১৮ কেজি ১৫০ গ্রাম ক্রিস্টাল মেথ আইস, ৬০৭ গ্রাম হেরোইন, ১ হাজার ৪২২ বোতল ফেনসিডিল, ৬ হাজার ৮৩৮ বোতল বিদেশি মদ, ৩৯৫ লিটার বাংলা মদ, ৩ হাজার ২৬৮ ক্যান বিয়ার, ১ হাজার ৭১০ কেজি ৪৭০ গ্রাম গাঁজা, ১ লাখ ৮৪ হাজার ৬৩৩টি নেশাজাতীয় ট্যাবলেট/ইনজেকশন, ২৪ হাজার ২০১ বোতল বিভিন্ন প্রকার সিরাপ ও ৮২ হাজার ৭১৫ পিস বিভিন্ন প্রকার ওষুধ/ট্যাবলেট।

সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ইয়াবাসহ বিভিন্ন প্রকার মাদক পাচার ও অন্যান্য চোরাচালানে জড়িত থাকার অভিযোগে ২১২ জন চোরাচালানি এবং অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রমের দায়ে ৪৭ জন বাংলাদেশি নাগরিক, একজন ভারতীয় নাগরিক ও ২৮৪ জন মিয়ানমার নাগরিককে আটকের পর তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

কালের আলো/এম/এএইচ

স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু অক্টোবরে, রোডম্যাপ করছে ইসি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬, ১:৩৩ অপরাহ্ণ
স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু অক্টোবরে, রোডম্যাপ করছে ইসি

আগামী অক্টোবর থেকে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু করার পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। এ জন্য রোডম্যাপ তৈরি করছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আগামী বছরের অক্টোবরের মধ্যেই স্থানীয় সরকার নির্বাচনের পুরো প্রক্রিয়া শেষ হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সচিবালয়ে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা জানান, স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে এরইমধ্যে রোডম্যাপ তৈরি করছে নির্বাচন কমিশন।

অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল প্রসঙ্গে তিনি বলেন, গত জুনে অতিরিক্ত বিদ্যুৎবিল আসার ব্যাপারে জনগণের অভিযোগ বিষয়ে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অনিরাপদ খাদ্য ব্যবস্থাপনা ঠেকাতে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানিয়ে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, দেশে খাদ্য চাষ এবং সংরক্ষণ পর্যায়ে খাদ্যপণ্যে অনেক রাসায়নিক ব্যবহার করা হয়, যা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। দেশের খাদ্য ব্যবসায়ীদের ডাটা সংগ্রহ করে একটি তথ্য ভান্ডার করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। ব্যবসার সঙ্গে জড়িতদের সচেতন করার পাশাপাশি, অনিরাপদ খাদ্য ব্যবস্থাপনা ঠেকাতে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সাভারে এনসিপির জনসভায় ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় তদন্ত হবে জানিয়ে জাহেদ উর রহমান বলেন, এর সঙ্গে জড়িতদের আটক করে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জুলাই গণঅভ্যুত্থান নিয়ে কটূক্তির বিষয়ে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, জুলাই নিয়ে কটূক্তি করা, মন্তব্য করা অত্যন্ত মর্মান্তিক। তবে আইনি কাঠামো অনুযায়ী এটি অপরাধের পর্যায়ে পড়ে না। এসব মন্তব্য ক্রিমিনাল অফেন্স হিসেবে গণ্য করা হবে কিনা সেই আলোচনা চলতে পারে।

কালের আলো/এসআর/এএএন

উপকূলে ঝড়ের শঙ্কা কাটেনি, সমুদ্রবন্দরে তিন নম্বর সংকেত বহাল

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬, ১:০৮ অপরাহ্ণ
উপকূলে ঝড়ের শঙ্কা কাটেনি, সমুদ্রবন্দরে তিন নম্বর সংকেত বহাল

স্থল নিম্নচাপটি ধীরে ধীরে দুর্বল হওয়ার আভাস থাকলেও উপকূলে ঝড়ের আশঙ্কা কাটেনি। তাই সব সমুদ্রবন্দরে বহাল তিন নম্বর সংকেত।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) এমন পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

আবহাওয়াবিদ খো. হাফিজুর রহমান জানিয়েছেন, উড়িষ্যা ও তৎসংলগ্ন দক্ষিণ ঝাড়খণ্ড এলাকায় অবস্থানরত মৌসুমি স্থল নিম্নচাপটি উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর ও দুর্বল হয়ে বর্তমানে সুস্পষ্ট লঘুচাপ আকারে পূর্ব মধ্য প্রদেশ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে।

এটি আরও পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে ক্রমান্বয়ে দুর্বল হতে পারে। এর প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় বায়ু চাপের তারতম্যের আধিক্য বিরাজ করছে।

সমুদ্রবন্দরসমূহ, উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকার ওপর দিয়ে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।

এই অবস্থায় চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরসমূহকে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্কতা সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

এতে উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সব মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।

কালের আলো/এসআর/এএএন