খুঁজুন
                               
, ,
           

পোশাক শিল্পের প্রতি মাসের নগদ সহায়তার অর্থ প্রতি মাসেই ছাড় : গভর্নর

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১১ মার্চ, ২০২৬, ৬:০১ অপরাহ্ণ
পোশাক শিল্পের প্রতি মাসের নগদ সহায়তার অর্থ প্রতি মাসেই ছাড় : গভর্নর

বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) একটি প্রতিনিধিদল বুধবার বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর জনাব মো. মোস্তাকুর রহমানের সঙ্গে তার কার্যালয়ে এক গুরুত্বপূর্ণ সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় সভায় মিলিত হন।

বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খানের নেতৃত্বে প্রতিনিধিদলটি তৈরি পোশাক শিল্পের বর্তমান বহুমুখী সংকট নিরসনে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন এবং বেশ কিছু সুনির্দিষ্ট সুপারিশ পেশ করেন।

প্রতিনিধিদলে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিজিএমইএ পরিচালক মজুমদার আরিফুর রহমান, পরিচালক ড. রশিদ আহমেদ হোসাইনী এবং মাহিন অ্যাপারেলস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আব্দুল্লাহ-আল-মাহমুদ মাহিন। সভায় বাংলাদেশ ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।

সভায় বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বলেন, বিশ্ব অর্থনীতিতে অস্থিরতা এবং অভ্যন্তরীণ সীমাবদ্ধতার কারণে দেশের পোশাক শিল্প বর্তমানে এক কঠিন সময় পার করছে। অনেক ব্যাংক ঋণ পুনঃতফসিলীকরণ করলেও প্রয়োজনীয় ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল সরবরাহ করছে না, ফলে কারখানা সচল রাখা এবং সময়মতো ঋণ পরিশোধ উভয়ই বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

বিজিএমইএ নেতারা বর্তমান সংকটকালীন পরিস্থিতিতে শিল্পের অস্তিত্ব রক্ষা ও নতুন উদ্যোক্তা তৈরির লক্ষ্যে নীতি সহায়তার আওতায় নগদ সহায়তার হার বৃদ্ধি ও তা বহাল রাখার জোরালো আহ্বান জানান। প্রতিনিধিদল বিশেষ নগদ সহায়তার হার শূন্য দশমিক ৩০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১ শতাংশ, শুল্ক বন্ড ও ডিউটি ড্র-ব্যাংকের পরিবর্তে বিকল্প নগদ সহায়তার হার ১ দশমিক ৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ২ শতাংশ এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি (এসএমই) শিল্পের জন্য ৩ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৪ শতাংশ করার প্রস্তাব করেন।

তারা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন, প্রণোদনার অর্থ দ্রুততম সময়ে ও নিয়মিত ছাড় করা না হলে অনেক কারখানা অচিরেই বন্ধ হয়ে যাবে, যা শ্রমবাজারে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

এছাড়া শিল্পকে সহায়তাস্বরূপ প্যাকিং ক্রেডিটের (পিসি) সুদের হার ৭ শতাংশে নামিয়ে আনা, প্রি-শিপমেন্ট ক্রেডিট পুনঃঅর্থায়ন স্কিমের পরিমাণ ৫ হাজার কোটি টাকা থেকে বাড়িয়ে ১০ হাজার কোটি টাকা করা এবং এই তহবিলের মেয়াদ ২০৩০ সাল পর্যন্ত বৃদ্ধির প্রস্তাব দেওয়া হয়। একইসঙ্গে রপ্তানি ঋণে সুদের হার সিঙ্গেল ডিজিটে আনা এবং এসএমই প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য সহজ শর্তে ঋণের সুপারিশ করা হয়।

বিজিএমইএ প্রতিনিধিদলের প্রস্তাবনা ও শিল্পের সংকটের কথা গুরুত্বের সঙ্গে শুনে গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান আশ্বস্ত করেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের এখতিয়ারভুক্ত বিষয়গুলোর ওপর দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। নগদ সহায়তার বিষয়ে তিনি দৃঢ়ভাবে জানান, এখন থেকে কোনো আবেদন পেন্ডিং রাখা হবে না। রপ্তানিকারকদের তারল্য সংকট নিরসনে প্রতি মাসের নগদ সহায়তার অর্থ সংশ্লিষ্ট মাসেই ছাড় করার ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সভায় প্রতিনিধিদল সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকগুলোতে (সাবেক এক্সিম ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকসহ অন্যান্য) জমা করা স্থায়ী আমানত ও রপ্তানি মূল্যের অর্থ নগদায়ন করতে না পারার বিষয়টিও তুলে ধরেন। তারা জানান, তারল্য সংকটের কারণে অনেক কারখানা শ্রমিকদের বেতন-ভাতা ও বিদ্যুৎ বিল পরিশোধে হিমশিম খাচ্ছে। গভর্নর এই সমস্যা সমাধানে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পক্ষ থেকে বিশেষ তদারকির আশ্বাস দেন।

বিজিএমইএ প্রতিনিধিদল আশা প্রকাশ করেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই তড়িৎ পদক্ষেপগুলো পোশাক শিল্পকে বর্তমান বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে ঘুরে দাঁড়াতে এবং কর্মসংস্থান বজায় রাখতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।

কালের আলো/এসএকে

রন্ধনশিল্পী মাদিহাকে বিজিএমইএ’র সাবেক সভাপতি ফারুক হাসানের অভিনন্দন, আন্তর্জাতিক মর্যাদাপূর্ণ ফাইনালে দেখার প্রত্যাশা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬, ১২:২৭ পূর্বাহ্ণ
রন্ধনশিল্পী মাদিহাকে বিজিএমইএ’র সাবেক সভাপতি ফারুক হাসানের অভিনন্দন, আন্তর্জাতিক মর্যাদাপূর্ণ ফাইনালে দেখার প্রত্যাশা

আন্তর্জাতিক মর্যাদাপূর্ণ ‘ফেভারিট শেফ ২০২৬’ প্রতিযোগিতার সেরা পাঁচ প্রতিযোগীর তালিকায় জায়গা করে নিয়েছেন কানাডিয়ান-বাংলাদেশি সমসাময়িক রন্ধনশিল্পী শেফ মাদিহা তুরশীন। প্রকৃতি, টেকসই উন্নয়ন এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যনির্ভর আধুনিক রন্ধনশৈলীর জন্য তিনি এ আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জন করেছেন। বিশ্বজুড়ে রন্ধনশিল্পের অসাধারণ প্রতিভাকে তুলে ধরার লক্ষে আয়োজিত মর্যাদাপূর্ণ আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় সেমিফাইনালে উন্নীত হওয়ায় মাদিহা তুরশিনকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তৈরি পোশাক শিল্প মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিজিএমইএ) সাবেক সভাপতি হলেন ফারুক হাসান।

রোববার (২৬ জুলাই) এক বিবৃতিতে তিনি রন্ধনশিল্পী শেফ মাদিহা তুরশীন এর অনন্য এই অর্জনে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে গুরুত্বপূর্ণ একাধিক বিষয় তুলে ধরেছেন। প্রতিটি বাঙালির হৃদয়-মস্তিষ্ককে নাড়িয়ে দিয়েছেন। ফাইনালে তাকে দেখার প্রত্যাশার কথা জানিয়ে তাঁর জন্য ভোট প্রার্থনা করেছেন। মাহিদার পরিহিত শেফ-পোশাকটি বাংলাদেশে তৈরি এবং তাঁর বাবা এম এ মোত্তালিব খোকন এবং মা শামীমা নাসরিন চুমকি—উভয়েই দীর্ঘ সময় ধরে বিজিএমইএ-এর গর্বিত সদস্য বলেও জানিয়েছেন তিনি।

মাদিহার জন্য প্রতিটি ভোট আন্তর্জাতিক পরিসরে বাংলাদেশের সমৃদ্ধ খাদ্য ঐতিহ্য, প্রকৃতিনির্ভর সমসাময়িক রন্ধনশিল্প এবং টেকসই কুলিনারি দর্শনকে আরও শক্তিশালীভাবে তুলে ধরতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করা হচ্ছে। এই বিষয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে বিজিএমইএ’র সাবেক সভাপতি হলেন ফারুক হাসান বলেন, ‘একজন আধুনিক ধারার শেফ, রন্ধন-অভিজ্ঞতা পরিকল্পনাকারী ও ফুড আর্টিস্ট হিসেবে মাদিহা ধারাবাহিকভাবে অসাধারণ সৃজনশীলতার পরিচয় দিয়ে আসছেন। তাঁর এই অনন্য যাত্রার মাধ্যমে তিনি কেবল নিজের প্রতিভাই তুলে ধরছেন না, বরং বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্বও করছেন অত্যন্ত গর্বের সঙ্গে। এই অর্জনের বিষয়টি আরও তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে কারণ তাঁর পরিহিত শেফ-পোশাকটি গর্বের সাথে ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ বা বাংলাদেশে তৈরি। এটি আমাদের দেশের বিশ্বখ্যাত পোশাক শিল্পের এক শক্তিশালী প্রতীক—যে শিল্প তার গুণমান, কারুকার্য, উদ্ভাবনী শক্তি এবং টেকসই উন্নয়নের প্রতি অঙ্গীকারের জন্য আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত।’

তিনি বলেন, ‘এই গর্বের মুহূর্তটিকে আরও বিশেষ করে তুলেছে এই বিষয়টি যে, মাদিহার বাবা এম এ মোত্তালিব খোকন এবং মা শামীমা নাসরিন চুমকি—উভয়েই দীর্ঘ সময় ধরে বিজিএমইএ-এর গর্বিত সদস্য। এটি বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের সাথে তাঁদের গভীর সম্পৃক্ততারই প্রতিফলন—যে শিল্প বিশ্বজুড়ে আমাদের দেশের ভাবমূর্তি প্রতিনিয়ত উজ্জ্বল করে চলেছে। আপনাদের অনেকের ভোটেই তিনি সেমিফাইনাল পর্যন্ত পৌঁছাতে পেরেছেন। আজ মাদিহার আবারও আমাদের সমর্থন প্রয়োজন। আমি সবাইকে আহ্বান জানাচ্ছি ভোট প্রদানের মাধ্যমে তাঁকে এই মর্যাদাপূর্ণ বৈশ্বিক প্রতিযোগিতার ফাইনালে উঠতে সহায়তা করার জন্য। প্রতিটি ভোটই হলো বাংলাদেশের জন্য, আমাদের প্রতিভার জন্য এবং আমাদের গর্বের জন্য একটি ভোট।’

ভোটারদের উদ্দেশ্যে ফারুক হাসান আরও বলেন, ‘আপনাদের সমর্থনে তিনি (মাদিহা তুরশীন) নতুন মাইলফলক স্পর্শ করতে পারবেন। অন্যদের এমন উদ্যোগে অনুপ্রাণিত করতে পারবেন এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আমাদের দেশের সুনাম আরও সুদৃঢ় করতে পারবেন। আমি মাদিহা তুরশিনকে আন্তরিক অভিনন্দন জানাই এবং তাঁর উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করি। আসুন, আমরা সবাই মিলে তাঁর পাশে দাঁড়াই এবং এই বৈশ্বিক স্বীকৃতিকে বাংলাদেশে বয়ে আনতে সহায়তা করি।’

ভোট দেওয়ার নিয়মাবলী

• কিউআর (QR) কোডটি স্ক্যান করুন অথবা ভোটিং পেজটি ভিজিট করুন (favchef.com/2026/madiha-turshin)।
• কমলা রঙের ‘Vote’ বোতামটিতে ট্যাপ করুন।
• “1 Vote – Free” অপশনটি নির্বাচন করুন।
• ফেসবুকের মাধ্যমে আপনার ভোটটি ভেরিফাই বা নিশ্চিত করুন—এতে মাত্র কয়েক সেকেন্ড সময় লাগবে।
• প্রতি ২৪ ঘণ্টা পর পর ফিরে আসুন এবং আবারও বিনামূল্যে ভোট দিন।

কালের আলো/জেএন/এএইচ

নতুন কুঁড়ির প্রথম আসরের পর্দা নামছে সোমবার, পুরস্কার দেবেন প্রধানমন্ত্রী

ক্রীড়া প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬, ৯:২২ অপরাহ্ণ
নতুন কুঁড়ির প্রথম আসরের পর্দা নামছে সোমবার, পুরস্কার দেবেন প্রধানমন্ত্রী

দীর্ঘ রোমাঞ্চকর পথচলা শেষে পর্দা নামতে যাচ্ছে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ২০২৫-২০২৬’-এর প্রথম আসরের। আগামীকাল সোমবার আর্মি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে দেশব্যাপী আয়োজিত এই বিশাল ক্রীড়া উৎসবের জাতীয় পর্বের গ্র্যান্ড ফাইনাল ও জমকালো সমাপনী অনুষ্ঠান।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সমাপনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।

সোমবার (২৬ জুলাই) বিকেল সাড়ে তিনটায় শুরু হতে যাওয়া এই সমাপনী অনুষ্ঠানে দেশের খুদে ক্রীড়াবিদদের উৎসাহিত করতে মাঠের কার্যক্রমে সরাসরি অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী।

বিকেল ৪টায় ভেন্যুতে আগমনের পর প্রধানমন্ত্রী রাজশাহী ও রংপুর অঞ্চলের মধ্যে অনুষ্ঠিত বালিকা বিভাগের ফুটবল ফাইনালের দ্বিতীয়ার্ধ উপভোগ করবেন। ফুটবল ম্যাচ শেষে অনুষ্ঠিত হবে বালক ও বালিকা বিভাগের ১০০ মিটার স্প্রিন্টের উত্তেজনাপূর্ণ ফাইনাল।

খেলা শেষে প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন এবং থিম সং-এর সাথে শিশু শিল্পীদের মনোজ্ঞ নৃত্য পরিবেশনা উপভোগ করবেন আমন্ত্রিত অতিথিরা। প্রধান অতিথির দিকনির্দেশনামূলক ভাষণের পর বিজয়ী খুদে অ্যাথলেটদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হবে এবং তাদের সাথে অফিশিয়াল ফটো সেশনে অংশ নেবেন অতিথিবৃন্দ।

প্রসঙ্গত, গত ২ মে সিলেট জেলা স্টেডিয়ামে এই ক্রীড়া মেগার আঞ্চলিক পর্বের উদ্বোধন করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। দেশের সকল উপজেলা ও জেলা থেকে ১২ থেকে ১৪ বছর বয়সী প্রায় ১ লাখ ৭০ হাজার শিশু-কিশোর ফুটবল, ক্রিকেট, কাবাডি, অ্যাথলেটিক্স, ব্যাডমিন্টন, দাবা, সাঁতার ও মার্শাল আর্টস—এই ৮টি ডিসিপ্লিনে অংশ নেয়।

আঞ্চলিক পর্ব পেরিয়ে গত ২০ জুলাই ঢাকার বিভিন্ন ভেন্যুতে শুরু হওয়া জাতীয় পর্বে ১০টি অঞ্চলের প্রায় ১,৭০০ ক্রীড়াবিদ ও কর্মকর্তা অংশ নেন।

যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, প্রতিযোগিতার বিভিন্ন ডিসিপ্লিনে প্রতিভার স্বাক্ষর রাখা খেলোয়াড়দের ইতোমধ্যে বিশেষ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। বাছাইকৃত এসব খুদে প্রতিভাকে বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের (বিকেএসপি) বিভিন্ন শাখায় রেখে আন্তর্জাতিক মানের ক্রীড়াবিদ হিসেবে গড়ে তোলা হবে।

পাশাপাশি এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য কোমলমতি শিশুদের ডিজিটাল গ্যাজেট আসক্তি থেকে মুক্ত করে পুনরায় খেলার মাঠে ফিরিয়ে আনা।

কালের আলো/এসএকে

ডেঙ্গুতে একদিনে ৩ জনের মৃত্যু, নতুন রোগী ৪৫৮

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬, ৮:৫৩ অপরাহ্ণ
ডেঙ্গুতে একদিনে ৩ জনের মৃত্যু, নতুন রোগী ৪৫৮

ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন আরও ৪৫৮ জন রোগী।

এ নিয়ে চলতি বছর এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মোট ৪৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। অন্যদিকে একই সময়ে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১৩ হাজার ৯৮ জন।

রোববার (২৬ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গু বিষয়ক এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর মধ্যে ঢাকা বিভাগে ১৭২ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ২৫ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ৭৮ জন, খুলনা বিভাগে ৪৮ জন, রাজশাহী বিভাগে ২৬ জন, রংপুর বিভাগে ১০ জন এবং বরিশালে বিভাগে ৯৯ জন রয়েছেন।

এদিকে চলতি বছরে মোট ১১ হাজার ৯৩৫ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন।

এর আগে গত বছর দেশে মোট ১ লাখ ২ হাজার ৮৬১ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছিলেন এবং মারা গিয়েছিলেন মোট ৪১৩ জন।

কালের আলো/এমএসআইপি