খুঁজুন
                               
, ,
           

নেতানিয়াহুকে হত্যার হুমকি ইরানের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৫ মার্চ, ২০২৬, ১:৫১ অপরাহ্ণ
নেতানিয়াহুকে হত্যার হুমকি ইরানের
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুকে হত্যার হুমকি দিয়েছে ইরানের বিপ্লবী গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। ইসরায়েল এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধ অব্যাহত থাকার মধ্যেই প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুকে লক্ষ্যবস্তু করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে ইরান।
আইআরজিসির নিজস্ব ওয়েবসাইট সেপাহ নিউজে বলা হয়েছে, যদি এই শিশুহত্যাকারী (নেতানিয়াহু) অপরাধী বেঁচে থাকে, তাহলে আমরা পূর্ণ শক্তিতে তাকে অনুসরণ করে হত্যা করবো।
এদিকে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর দখলকৃত পূর্ব জেরুজালেম এবং তেল আবিবে জোরালো বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। জীবন রক্ষায় তাড়াহুড়ো করে আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়ার সময় কয়েকজন ইসরায়েলি আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
রোববার (১৫ মার্চ) ভোরে ওই হামলা চালানো হয়েছে বলে তুর্কি বার্তা সংস্থা আনাদোলু এজেন্সির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হামলার আগে এ বিষয়ে পূর্ব জেরুজালেমের বাসিন্দাদের মোবাইলে সতর্কবার্তা পাঠানো হয়। এই সতর্কবার্তায় আসন্ন ক্ষেপণাস্ত্র হামলার বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছিল।
কালের আলো/এসআর/এএএন

পে-স্কেলে জট

কালের আলো রিপোর্ট:
প্রকাশিত: বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:১৬ অপরাহ্ণ
পে-স্কেলে জট

নতুন বেতনকাঠামো ঘিরে সরকারি চাকরিজীবীদের প্রত্যাশা ছিল বেতন বাড়বে, বৈষম্য কমবে, আর্থিক নিরাপত্তা আরও জোরালো হবে। কিন্তু বাস্তবায়নের শুরুতেই দেখা দিয়েছে উল্টো চিত্র। কোথাও গ্রেডের ক্রমে অসংগতি, কোথাও পদোন্নতির পর বাড়িভাড়া ভাতার হিসাব নিয়ে জটিলতা, আবার কোথাও উচ্চতর গ্রেড নির্ধারণে তৈরি হয়েছে নতুন বৈষম্যের আশঙ্কা। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে সরকারি বেতন ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি আইবাস-এর জটিলতা। ফলে নতুন কাঠামোয় বেতন পাওয়ার অপেক্ষায় থাকা অনেক কর্মকর্তা-কর্মচারীর অনিশ্চয়তা কাটছে না।

  • বেতন নির্ধারণ শেষ হয়নি সবার; বাড়ছে ভোগান্তি
  • অনেকে আপাতত পুরোনো কাঠামোয়ই বেতন পাবেন
  • গ্রেড, পদোন্নতি ও উচ্চতর বেতনের হিসাবে অসংগতি; সমাধান চান চাকরিজীবীরা

আগামী রোববার বকেয়াসহ বর্ধিত বেতন পাওয়ার কথা থাকলেও সবার জন্য সেই সুবিধা নিশ্চিত করা যাচ্ছে না। যাঁদের নতুন বেতন নির্ধারণ নির্ধারিত সময়ে শেষ হবে না, তাঁদের আপাতত পুরোনো কাঠামোয় বেতন দেওয়া হবে। অর্থাৎ, নতুন বেতনকাঠামো কার্যকরের সময়েই একদল চাকরিজীবী বাড়তি অর্থ পাওয়ার অপেক্ষায় থাকবেন, অন্যদের অপেক্ষা করতে হবে হিসাবের জট খুলতে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ১৪ লাখ সরকারি কর্মচারী, আট লাখ পেনশনভোগী এবং ছয় লাখ এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীর বেতন ও সংশ্লিষ্ট হিসাবের কাজ এখনো পুরোপুরি শেষ হয়নি। এত বিপুলসংখ্যক সুবিধাভোগীর হিসাব নির্ভুলভাবে সম্পন্ন করাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ। এর মধ্যেই গ্রেড, পদোন্নতি, উচ্চতর গ্রেড ও ভাতার নিয়ম নিয়ে অসংগতি দূর করার দাবি জোরালো হচ্ছে।

গ্রেডে পিছিয়ে, বেতনে এগিয়ে জুনিয়র
নতুন বেতন নির্ধারণে গ্রেডের ক্রম অনুযায়ী অসংগতি নিয়ে সবচেয়ে বেশি প্রশ্ন উঠেছে। কর্মচারীদের দেওয়া হিসাব অনুযায়ী, ১১তম গ্রেডের প্রারম্ভিক মূল বেতন ২৫ হাজার টাকা, আর ১২তম গ্রেডের ২৪ হাজার ৩০০ টাকা। অথচ নতুন কাঠামোয় বেতন নির্ধারণের পর কোনো কোনো ক্ষেত্রে ১১তম গ্রেডের কর্মচারীর মূল বেতন দাঁড়াচ্ছে ৩৭ হাজার টাকা, আর ১২তম গ্রেডের কর্মচারীর ৩৭ হাজার ৭০০ টাকা। এমন হিসাব কীভাবে তৈরি হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সংশ্লিষ্টরা। গ্রেডের অবস্থান অনুযায়ী বেতনের সামঞ্জস্য নিশ্চিত না হলে একই ধরনের চাকরিতে কর্মরত ব্যক্তিদের মধ্যে অসন্তোষ বাড়তে পারে। তবে এই অসংগতি কতটা বিস্তৃত এবং কোন নিয়মের প্রয়োগে তা তৈরি হচ্ছে, তা যাচাই করে সংশোধন করা জরুরি।

পদোন্নতি পেলেই কি কমবে আয়?
নতুন কাঠামোর আরেকটি উদ্বেগ বাড়িভাড়া ভাতা। কর্মচারীদের হিসাব অনুযায়ী, দশম গ্রেড থেকে নবম গ্রেডে পদোন্নতির পর কারও মূল বেতন ৪৯ হাজার ৭০০ টাকা থেকে বেড়ে ৫১ হাজার টাকা হতে পারে। কিন্তু বাড়িভাড়া ভাতার হার ৫০ শতাংশ থেকে ৪৫ শতাংশে নেমে এলে এ খাতে অর্থ কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাঁদের দেওয়া হিসাব অনুযায়ী, বাড়িভাড়া ভাতা কমতে পারে ১ হাজার ৯০০ টাকা। ফলে মূল বেতন ১ হাজার ৩০০ টাকা বাড়লেও মূল বেতন ও বাড়িভাড়া ভাতা মিলিয়ে মাসিক আয় ৬০০ টাকা কমে যেতে পারে।

উচ্চতর গ্রেডেও বৈষম্যের শঙ্কা
উচ্চতর গ্রেড পাওয়ার যোগ্যতা ও সময়সীমা নিয়েও আপত্তি রয়েছে। কর্মচারীদের আশঙ্কা, চাকরির মেয়াদ ও জ্যেষ্ঠতার পার্থক্য যথাযথভাবে বিবেচনা না করা হলে জ্যেষ্ঠ ও জুনিয়র কর্মচারীর বেতন একই পর্যায়ে চলে আসতে পারে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে জুনিয়র কর্মচারীর বেতন জ্যেষ্ঠ কর্মচারীর বেতনকেও ছাড়িয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাঁদের দাবি, উচ্চতর গ্রেডের শর্ত, চাকরির মেয়াদ গণনা এবং পদোন্নতির প্রভাব সম্পর্কে সুস্পষ্ট নির্দেশনা দিতে হবে। অন্যথায় পুরোনো অসংগতি দূর করতে গিয়ে নতুন বেতনবৈষম্য তৈরি হওয়ার ঝুঁকি থাকবে।

আইবাস-এ আটকে বেতন নির্ধারণ
গত ১৭ সেপ্টেম্বর নতুন বেতনকাঠামোর প্রজ্ঞাপন জারির পর ৫ অক্টোবর থেকে আইবাস ব্যবস্থায় বেতন নির্ধারণ শুরু হয়। কিন্তু নতুন নিয়ম প্রয়োগে জটিলতা ও অভিজ্ঞ জনবলের ঘাটতির কারণে অনেকের হিসাব এখনো চূড়ান্ত হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে। বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব সমস্যা সমাধানে অর্থসচিব মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদারের কাছে আবেদন করেছেন। সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, গত সোমবার পর্যন্ত এসব আবেদনের নিষ্পত্তি হয়নি। কয়েকটি মন্ত্রণালয় ও বিভাগের জটিলতা ১ নভেম্বরের আগে সমাধান করা কঠিন হতে পারে বলেও জানা গেছে।

অর্থ বিভাগের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা জানিয়েছেন, সমস্যাগুলো সমাধানে কাজ চলছে এবং অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের পরামর্শ নেওয়া হচ্ছে। তবে সমাধানের উদ্যোগ চললেও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সবার বেতন হিসাব শেষ হবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে।

প্রথম ধাপে মিলবে আংশিক সুবিধা
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রথম পর্যায়ে দশম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীরা বর্ধিত মূল বেতনের ৫০ শতাংশ এবং প্রথম থেকে নবম গ্রেডের কর্মকর্তারা ৪০ শতাংশ পাওয়ার কথা রয়েছে। পরবর্তী পর্যায়ে এই সুবিধা বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

কিন্তু বেতন নির্ধারণের জটিলতা দূর না হলে ঘোষিত সুবিধা বাস্তবে পৌঁছাতে দেরি হতে পারে। পুরোনো কাঠামোয় সাময়িকভাবে বেতন দেওয়ার ব্যবস্থা থাকলেও নতুন কাঠামোর পাওনা কীভাবে ও কখন সমন্বয় করা হবে, সে বিষয়ে স্পষ্ট নির্দেশনা চাকরিজীবীদের উদ্বেগ কমাতে গুরুত্বপূর্ণ।

কালের আলো/আরআই/এমকে

মোটরযান থেকে উচ্চগতির রেল, জাপানি বিনিয়োগের নতুন সম্ভাবনা তুলে ধরলেন প্রধানমন্ত্রী

কূটনৈতিক প্রতিবেদক, কালের আলো
প্রকাশিত: বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:১৩ অপরাহ্ণ
মোটরযান থেকে উচ্চগতির রেল, জাপানি বিনিয়োগের নতুন সম্ভাবনা তুলে ধরলেন প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশের পাঁচটি অগ্রাধিকার খাতে বিনিয়োগের জন্য জাপানি কোম্পানিগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। খাতগুলো হলো মোটরযান উৎপাদন, জ্বালানি, প্রযুক্তি ও মহাকাশ সহযোগিতা, রেলপথ ও সরবরাহব্যবস্থা এবং কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ ও উৎপাদনশিল্প। দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থের ভিত্তিতে দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) স্থানীয় সময় বিকালে টোকিওর জাপান বৈদেশিক বাণিজ্য সংস্থার (জেট্রো) হলে বাংলাদেশ-জাপান অর্থনৈতিক ফোরাম সংলাপে মূল বক্তব্যে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

৩০–৫০ বছরের অংশীদারত্ব গড়ার আহ্বান

তারেক রহমান বলেন, আগামী ৩০ থেকে ৫০ বছরের সহযোগিতা ও অংশীদারত্বের লক্ষ্য নিয়ে বাংলাদেশ ও জাপানকে এগিয়ে যেতে হবে। বর্তমানে বাংলাদেশে প্রায় ৩৫০টি জাপানি কোম্পানি কার্যক্রম পরিচালনা করছে। তবে দেশটিতে জাপানের প্রত্যক্ষ বিনিয়োগের পরিমাণ এখনও ৫০ কোটি মার্কিন ডলারের কম। ফলে বিদ্যমান অর্থনৈতিক সম্পর্কের সম্ভাবনা কাজে লাগিয়ে বিনিয়োগ বাড়ানোর উল্লেখযোগ্য সুযোগ রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, উন্নয়ন সহযোগিতার পাশাপাশি বাণিজ্য সম্প্রসারণ, শিল্পকারখানা স্থাপন ও নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে দুই দেশের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বকে আরও শক্তিশালী বাণিজ্যিক ও বিনিয়োগ অংশীদারত্বে রূপান্তরের সময় এসেছে।

বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে বিনিয়োগ বাড়ানোর তাগিদ

দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্কের তথ্য তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী জানান, সর্বশেষ অর্থবছরে জাপানে বাংলাদেশের রপ্তানি আয় ছিল ১৩৬ কোটি মার্কিন ডলার। একই সময়ে জাপান থেকে বাংলাদেশ ২১৬ কোটি ডলারের পণ্য আমদানি করেছে। বাণিজ্য সম্প্রসারণের পাশাপাশি বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগ বাড়াতে নতুন সুযোগ অনুসন্ধানের আহ্বান জানান তিনি।

তারেক রহমান বলেন, চলতি বছর বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি (ইপিএ) স্বাক্ষরিত হয়েছে। বাংলাদেশের সঙ্গে কোনো দেশের এটিই প্রথম এ ধরনের চুক্তি। এর আওতায় বাংলাদেশের ৭ হাজার ৩৭৯টি পণ্য জাপানের বাজারে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার পাবে। অন্যদিকে, ইস্পাত, মোটরযানের যন্ত্রাংশ ও ইলেকট্রনিক উপাদানসহ জাপানি পণ্য বাংলাদেশে অগ্রাধিকারমূলক বাজার সুবিধা পাবে।

চুক্তিটি দুই দেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণে নতুন সুযোগ তৈরি করবে বলে আশা প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী।

তরুণ শ্রমশক্তি ও বড় বাজারে বিনিয়োগের সম্ভাবনা

বাংলাদেশের বাজার ও শ্রমশক্তির সম্ভাবনা তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, ১৮ কোটিরও বেশি মানুষের বাজার, গড়ে ২৭ বছর বয়সী তরুণ শ্রমশক্তি এবং ক্রমবর্ধমান মধ্যবিত্ত শ্রেণি দেশের অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ। ২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশ বিশ্বের শীর্ষ ১০টি ভোক্তা অর্থনীতির একটি হয়ে উঠবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এই সম্ভাবনা কাজে লাগিয়ে জাপানি কোম্পানিগুলো উৎপাদন, প্রযুক্তি ও শিল্প খাতে বিনিয়োগ করতে পারে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

মোটরযান উৎপাদন ও জ্বালানি খাতে বিনিয়োগ

মোটরযান উৎপাদন খাতে বাংলাদেশের সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী জানান, চলতি মাসের শুরুর দিকে টয়োটা বাংলাদেশে একটি যানবাহন উৎপাদন কারখানা স্থাপনের কাজ শুরুর পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে। ২০২৯ সালের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ উৎপাদন শুরুর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। উদ্যোগটিকে স্বাগত জানিয়ে টয়োটাকে সরকারের পক্ষ থেকে সম্ভাব্য সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন তিনি। পাশাপাশি এ খাতে অন্য জাপানি কোম্পানিগুলোরও বিনিয়োগের সুযোগ রয়েছে বলে উল্লেখ করেন।

জ্বালানি খাতে জাপানি কোম্পানিগুলোকে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) অবকাঠামো, দক্ষ গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিনিয়োগের আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, গ্যাস, বিদ্যুৎ ও সামগ্রিক জ্বালানি খাতের উন্নয়নে বাংলাদেশের স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা রয়েছে। এসব পরিকল্পনায় বিনিয়োগের সুযোগ অনুসন্ধান করতে পারে জাপানি প্রতিষ্ঠানগুলো। এ ক্ষেত্রে জাপানের জ্বালানি কোম্পানি জেরা (জেইআরএ)-এর সঙ্গে বাংলাদেশের ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার বিষয়টিও তুলে ধরেন তিনি।

প্রযুক্তি, মহাকাশ ও স্যাটেলাইটে সহযোগিতা

মহাকাশবিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও স্যাটেলাইট প্রকৌশলে জাপানের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশের সক্ষমতা বাড়ানোর আগ্রহ প্রকাশ করেন তারেক রহমান। এসব ক্ষেত্রে জাপানের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে পারস্পরিক লাভজনক সহযোগিতার সুযোগ অনুসন্ধান করতে চায় বাংলাদেশ।

প্রযুক্তিগত দক্ষতা ও শিল্প সক্ষমতা বাড়াতে দুই দেশের প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সহযোগিতা সম্প্রসারণের ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।

ছয় প্রধান শহরকে যুক্ত করে উচ্চগতির রেল নেটওয়ার্কের পরিকল্পনা

রেলপথ ও সরবরাহব্যবস্থার উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দিয়ে প্রধানমন্ত্রী জানান, ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, রাজশাহী, খুলনা ও বরিশালসহ দেশের প্রধান শহরগুলোকে যুক্ত করে দেশব্যাপী উড়ালপথে উচ্চগতির রেল নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার পরিকল্পনা করছে সরকার। এ উদ্যোগ বাস্তবায়নের প্রস্তুতিতে জাপানি প্রতিষ্ঠানগুলোর কারিগরি ও বিনিয়োগ সহায়তা চান তিনি।

তারেক রহমান বলেন, প্রস্তাবিত রেল নেটওয়ার্কের জন্য জাতীয় রেল নেটওয়ার্কের মহাপরিকল্পনা প্রণয়ন, যাত্রী ও পণ্য পরিবহনের চাহিদা বিশ্লেষণ, রুটের অগ্রাধিকার নির্ধারণ এবং সম্ভাব্যতা সমীক্ষা পরিচালনা প্রয়োজন। এসব ক্ষেত্রে জাপানের অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা বাংলাদেশের পরিকল্পনা প্রণয়ন এবং ভবিষ্যৎ অবকাঠামো উন্নয়নে কাজে লাগতে পারে।

কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ ও বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল

কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ ও উৎপাদনশিল্পে বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে বিভিন্ন ধরনের ফসল, ফলমূল ও শাকসবজি উৎপাদিত হয়। এসব কৃষিপণ্যকে কেন্দ্র করে খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পে বিনিয়োগের সুযোগ রয়েছে। এ খাতের সম্ভাবনা যাচাই করতে জাপানি কোম্পানিগুলোর প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

এ ছাড়া নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে অবস্থিত বাংলাদেশ বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিনিয়োগের আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। সুমিতোমো করপোরেশন জাপানি মানদণ্ড অনুসরণ করে এ অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তুলছে। সেখানে বিনিয়োগের মাধ্যমে জাপানি প্রতিষ্ঠানগুলো বাংলাদেশে উৎপাদন ও ব্যবসায়িক কার্যক্রম সম্প্রসারণ করতে পারে।

ব্যবসার পরিবেশ উন্নয়নে সরকারের অঙ্গীকার

বাংলাদেশে ব্যবসা পরিচালনায় জাপানি কোম্পানিগুলোর উদ্বেগের বিষয়েও বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী। নির্ভরযোগ্য জ্বালানি সরবরাহ, দক্ষ অবকাঠামো এবং শুল্ক ছাড় ও করব্যবস্থায় পূর্বানুমানযোগ্যতা নিশ্চিত করার বিষয়গুলো সরকার গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে বলে জানান তিনি।

বিনিয়োগকারীদের উদ্বেগের কথা সরকার শুনেছে উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, ব্যবসা পরিচালনার জন্য বিনিয়োগকারীদের নিশ্চয়তা প্রয়োজন। তাঁদের আস্থা অর্জন, ব্যবসায়িক পরিবেশের উন্নয়ন, বিদ্যমান সমস্যার সমাধান এবং বিনিয়োগের উপযোগী পরিস্থিতি তৈরি করা সরকারের দায়িত্ব।

জাপানি ভাষা ও কারিগরি দক্ষতা উন্নয়নে গুরুত্ব

দুই দেশের জনগণের মধ্যে যোগাযোগ এবং দক্ষতা উন্নয়নের ওপরও গুরুত্ব দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, প্রতিবছর বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা উচ্চশিক্ষা ও দক্ষতা অর্জনের জন্য জাপানে যান। পরে দেশে ফিরে অর্জিত জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা কাজে লাগান।

এ প্রক্রিয়া আরও কার্যকর করতে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের জাপানি ভাষা শেখানোকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে সরকার। কারিগরি দক্ষতা অর্জনের পাশাপাশি লাখ লাখ তরুণকে জাপানি ভাষায় দক্ষ করে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। জাপানি ভাষায় দক্ষ বাংলাদেশি পেশাজীবীরা দুই দেশের কর্মসংস্থানের চাহিদা পূরণে ভূমিকা রাখতে পারবেন বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

যৌথ বিনিয়োগ ও সহযোগিতার প্রত্যাশা

বাংলাদেশে শিল্পকারখানা স্থাপন, নতুন ব্যবসায়িক সুযোগ সৃষ্টি এবং দুই দেশের যৌথ অগ্রযাত্রায় অংশ নিতে জাপানি কোম্পানিগুলোর প্রতি আহ্বান জানান তারেক রহমান। তিনি বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়নের ভিত্তি গড়ে তোলার সময় জাপান পাশে ছিল। এখন শিল্পায়ন ও নতুন সুযোগ সৃষ্টির মাধ্যমে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বকে আরও শক্তিশালী অংশীদারত্বে রূপান্তরের সময় এসেছে।

এর মাধ্যমে দুই দেশের জনগণের জন্য পারস্পরিক সুযোগ ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী।

বাংলাদেশ দূতাবাসের সহযোগিতায় জেট্রো এবং জাপান-বাংলাদেশ বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা কমিটির (জেবিসিসিইসি) যৌথ আয়োজনে এ সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়। এতে বাংলাদেশ ও জাপানের ব্যবসায়ী নেতারা অংশ নেন এবং বিনিয়োগের সম্ভাবনা ও ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা করেন।

অনুষ্ঠানে উদ্বোধনী বক্তব্য দেন জেট্রোর প্রেসিডেন্ট সুসুমু কাতাওকা। অতিথি বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন জাপানের অর্থনীতি, বাণিজ্য ও শিল্পবিষয়ক সংসদীয় উপমন্ত্রী শিনজি ওয়াকায়ামা। এ সময় সমঝোতা স্মারক বিনিময়ের পাশাপাশি বিনিয়োগ ও সহযোগিতামূলক প্রকল্পের ঘোষণা দেওয়া হয়।

বাংলাদেশে বিনিয়োগনির্ভর অর্থনীতি গড়ে তোলার বিষয়ে বক্তব্য দেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। বাংলাদেশে বিনিয়োগ সহজ করতে গৃহীত সংস্কার ও নতুন উদ্যোগগুলো তুলে ধরেন ইনভেস্ট বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি 

ফেসবুক লাইভের পর হামলা, দেড় লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ সাথীর

ময়মনসিংহ প্রতিবেদক,কালের আলো
প্রকাশিত: বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:১৬ অপরাহ্ণ
ফেসবুক লাইভের পর হামলা, দেড় লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ সাথীর

ময়মনসিংহের ভালুকায় ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে চুরি ও নিরাপত্তাহীনতা নিয়ে ফেসবুক লাইভে ক্ষোভ প্রকাশের পর স্থানীয় বিএনপির কয়েকজন নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে হামলা, হুমকি ও দেড় লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ করেছেন নারী উদ্যোক্তা সাথী আক্তার। তাঁর ছেলে মো. জুনায়েদের দাবি, চাঁদা দাবির কথোপকথন মোবাইল ফোনে রেকর্ড হওয়ায় তাঁর মায়ের কাছ থেকে ফোনটি কেড়ে নেওয়া হয়।

ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫১ ধারায় গ্রেফতারের পর বুধবার (২৮ অক্টোবর) আদালত সাথী আক্তারকে ৫০০ টাকার মুচলেকায় নিজ জিম্মায় জামিন দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন তাঁর আইনজীবী অ্যাডভোকেট মাহাতাব উদ্দিন আহমেদ। মামলার পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ৩ নভেম্বর।

চুরির ঘটনায় ক্ষোভ থেকে ফেসবুক লাইভ

সাথী আক্তার ভালুকার স্কয়ার মাস্টারবাড়ী এলাকার খাদিজা প্যালেসে ‘সাথী বিউটি পার্লার’ নামে একটি প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করেন। তাঁর ভাষ্য, প্রায় ১৪ বছর ধরে তিনি ব্যবসা করছেন। সম্প্রতি তাঁর প্রতিষ্ঠানে একাধিক চুরির ঘটনায় আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন তিনি।

সাথী জানান, তাঁর তিনটি শোরুমের এসির তার ও বিদ্যুতের মিটার থেকে তার কেটে নেওয়া হয়েছে। এসব ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে গত ২৫ অক্টোবর ফেসবুক লাইভে নিজের কষ্ট ও নিরাপত্তাহীনতার কথা তুলে ধরেন তিনি।

দেড় লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ

সাথী আক্তারের অভিযোগ, ফেসবুক লাইভের পর স্থানীয় বিএনপির কয়েকজন নেতাকর্মী তাঁর প্রতিষ্ঠানের সামনে এসে তাঁকে গালাগাল ও মারধর করেন। এ সময় তাঁর মোবাইল ফোনও কেড়ে নেওয়া হয়। ইব্রাহিম নামে এক ব্যক্তি এ ঘটনায় জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ করেছেন তিনি।

সাথীর ছেলে মো. জুনায়েদ বলেন, তাঁর মায়ের দোকানে দীর্ঘদিন ধরে চুরি হচ্ছিল। একপর্যায়ে ক্ষোভ থেকে তিনি ফেসবুক লাইভে কথা বলেন। এরপর কয়েকজন নেতা এসে ঝামেলা করেন এবং দেড় লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন বলে তাঁর অভিযোগ।

জুনায়েদের দাবি, চাঁদা না দেওয়ায় এবং মোবাইল ফোনে কথোপকথন রেকর্ড হয়ে যাওয়ায় ফোনটি কেড়ে নেওয়া হয়। পরে রাত ১০টার পর তাঁর মাকে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়। তবে চাঁদা দাবি, হামলা ও ফোন কেড়ে নেওয়ার অভিযোগগুলোর বিষয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বক্তব্য প্রতিবেদনে পাওয়া যায়নি।

‘দলকে ভালোবেসেছি, আজ সেই দলের লোকেরাই অপদস্থ করেছে’

সাথী আক্তার জানান, বিএনপির দুঃসময়ে দলটির বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন তিনি। সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মুক্তি ও উন্নত চিকিৎসার দাবিতে কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার পাশাপাশি স্থানীয় বিএনপি নেতা ফখর উদ্দিন আহমেদ বাচ্চুর পক্ষে নির্বাচনি প্রচারেও ভূমিকা রেখেছিলেন বলে দাবি করেন তিনি। তবে দলের কোনো আনুষ্ঠানিক পদে ছিলেন না বলে জানান সাথী।

তিনি বলেন, “আমি এই দলকে ভালোবাসি। দলের দুঃসময়ে যখন অনেকে ভয়ে কথা বলতো না, তখন আমি নেত্রীর জন্য আন্দোলনে ছিলাম। আজ সেই দলের নেতাকর্মীদের হাতেই আমাকে অপদস্থ হতে হয়েছে। আমি শুধু আমার মনের কষ্ট প্রকাশ করেছি।”

গত ১৭ ফেব্রুয়ারি ‘সাথী মেকওভার’ নামের একটি ফেসবুক আইডি থেকে স্থানীয় সংসদ সদস্য ফখর উদ্দিন আহমেদের ছবিসংবলিত একটি কার্ড পোস্ট করা হয়েছিল। ওই পোস্টে স্থানীয় নেতার প্রতি তাঁর সমর্থনের ইঙ্গিত পাওয়া যায়।

মতপ্রকাশের স্বাধীনতার প্রশ্ন তুললেন আইনজীবী

সাথী আক্তারের আইনজীবী মাহাতাব উদ্দিন আহমেদ বলেন, সাথী একজন নারী উদ্যোক্তা। ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে বারবার চুরির ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে তিনি ফেসবুক লাইভে নিজের মতামত প্রকাশ করেছিলেন। সংবিধানের ৩৯ অনুচ্ছেদে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা স্বীকৃত উল্লেখ করে তিনি প্রশ্ন তোলেন, সাথীকে নিরাপত্তা দেওয়ার পরিবর্তে কেন তাঁকেই গ্রেফতার করা হলো।

আইনজীবী জানান, ২৫ অক্টোবরের একটি সাধারণ ডায়েরির সূত্র ধরে সাথী আক্তারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়। আদালতে শুনানির সময় পুলিশের প্রতিবেদনে আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটনের আশঙ্কার পক্ষে সুনির্দিষ্ট তথ্যের ঘাটতির বিষয়টি তুলে ধরা হয়। পরে আদালত ৫০০ টাকার মুচলেকায় তাঁর জামিন মঞ্জুর করেন। এ ঘটনায় তদন্ত চলমান রয়েছে বলেও জানান তিনি।

পুলিশের বক্তব্য

ময়মনসিংহ কোর্ট পুলিশের ইন্সপেক্টর মোস্তাছিনুর রহমান জানান, ভালুকা থানা পুলিশ ২৬ অক্টোবর সাথী আক্তারকে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫১ ধারায় গ্রেফতার করে আদালতে পাঠায়। আদালত তাঁকে নিজ জিম্মায় ৫০০ টাকার মুচলেকায় জামিন দিয়েছেন। পরবর্তী তারিখে পুলিশের প্রতিবেদন পাওয়ার পর আদালত পরবর্তী কার্যক্রম নির্ধারণ করবেন।

এর আগে ভালুকা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদুল ইসলাম জানিয়েছিলেন, সাথী আক্তারের ফেসবুক লাইভে সরকারবিরোধী কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে লাইভকে কেন্দ্র করে স্থানীয়ভাবে উত্তেজনা সৃষ্টি হওয়ায় প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা হিসেবে তাঁকে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫১ ধারায় আদালতে পাঠানো হয়।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি