খুঁজুন
                               
বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ১৩ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
           

ঈদসামগ্রী বিতরণ নিয়ে জামায়াতের বক্তব্যে চীনা দূতাবাসের উদ্বেগ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ, ২০২৬, ২:৫২ অপরাহ্ণ
ঈদসামগ্রী বিতরণ নিয়ে জামায়াতের বক্তব্যে চীনা দূতাবাসের উদ্বেগ

বাংলাদেশের চীনা দূতাবাস গত মঙ্গলবার ঢাকা-১৫ আসন এলাকায় এক হাজারের বেশি মানুষকে ঈদসামগ্রী দিয়েছে। এ অনুদানকে যৌথ বলে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। এ বিষয়ে উদ্বেগ জানিয়েছে দূতাবাস।

ঈদসামগ্রী বিতরণের সময় ঢাকা-১৫ আসনের সংসদ সদস্য ও বিরোধীদলীয় নেতা জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান এবং চীনের রাষ্ট্রদূতসহ দূতাবাসের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

তবে বিতর্ক শুরু হয় জামায়াতের একটি পোস্টকে কেন্দ্র করে। দলটি ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে বিকেল ৪টা ৪ মিনিটে জানায়, মিরপুর-১০ এ অবস্থিত আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও চীনের যৌথ উদ্যোগে দুস্থদের মধ্যে ফুডপ্যাক বিতরণ করা হয়। এতে উপস্থিত থেকে ফুডপ্যাক বিতরণ করেন আমিরে জামায়াত ও বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান ও ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন।

এরপর রাত ১০টা ১৬ মিনিটে দলটি জানায়, মিরপুর-১০ এ অবস্থিত আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ১৭ মার্চ দুস্থদের মধ্যে ফুডপ্যাক বিতরণ করা হয়। এতে উপস্থিত থেকে ফুডপ্যাক বিতরণ করেন আমিরে জামায়াত ও বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান ও ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন। আবার রাত ১০টা ৩৪ মিনিটে ফেসবুক পেজে জামায়াত জানায়, ১৭ মার্চ, মঙ্গলবার বেলা ১১টায়, ঢাকাস্থ চায়না এমবাসির পক্ষ থেকে ঢাকা-১৫ আসনের জনসাধারণের জন্য ফুড প্যাকেট উপহার প্রদান করা হয়। আমিরে জামায়াত, জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও ঢাকা-১৫ আসনের সংসদ সদস্য শফিকুর রহমানের উপস্থিতিতে আয়োজিত এই ফুড প্যাকেট বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ঢাকাস্থ চায়না এমবাসির রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন।

সর্বশেষ রাত ১১টা ২৩ মিনিটে দলটি জানায়, ১৭ মার্চ, মঙ্গলবার বেলা ১১টায়, ঢাকাস্থ চায়না এমবাসির পক্ষ থেকে ঢাকা-১৫ আসনের জনসাধারণের জন্য ফুড প্যাকেট উপহার দেওয়া হয়। এ সময় জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও ঢাকা-১৫ আসনের সংসদ সদস্য শফিকুর রহমানের উপস্থিতিতে আয়োজিত এই ফুড প্যাকেট বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ঢাকাস্থ চায়না এমবাসির রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন। রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে আরও উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি চিফ অব মিশন (ডিসিএম) এবং চায়না এমবাসির পলিটিক্যাল ডিরেক্টর।

একই দিন বিকেল সাড়ে ৪টায় নিজস্ব ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে চীনা দূতাবাস জানায়, ১৭ই মার্চ, বাংলাদেশে অবস্থিত চীনা দূতাবাস ঢাকার বাসিন্দাদের জন্য ঈদুল ফিতরের খাদ্য সামগ্রী দান করেছে। রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান এ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে হাজারেরও বেশি স্থানীয় বাসিন্দা অংশগ্রহণ করেছেন। রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেন, চীন ও বাংলাদেশ সমন্বিত কৌশলগত সহযোগী অংশীদার। ঈদুল ফিতর হলো কৃতজ্ঞতা প্রকাশ এবং আশীর্বাদ বিনিময়ের সময়। এই দানের মাধ্যমে চীন একটি শান্তিপূর্ণ উৎসব উদযাপনে বাসিন্দাদের প্রতি উষ্ণতা ও সমর্থন জানাতে চায়। তিনি জোর দিয়ে বলেন, চীন ও বাংলাদেশ অভিন্ন ভবিষ্যতের একটি সম্প্রদায়। চীন এমন আরও প্রকল্প বাস্তবায়ন অব্যাহত রাখবে যা জনগণের উপকারে আসবে এবং উভয় দেশের কল্যাণ বৃদ্ধি করবে।

জামায়াতের আমির শফিকুর রহমান এই উদার দানের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, এসব খাদ্যসামগ্রী বাংলাদেশের জনগণের প্রতি চীনের আন্তরিক বন্ধুত্বের প্রতিফলন। তিনি চীনের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের ক্ষেত্রে জামায়াতে ইসলামীর গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি দুই দেশের আন্তঃদলীয় বিনিময় গভীরতর করা ও জনগণের কল্যাণ নিশ্চিত করার বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেন।
এর আগে গত বছর গাজীপুরে কম্বল বিতরণের এক অনুষ্ঠানে জামায়াতের আমির ও চীনা রাষ্ট্রদূত উপস্থিত ছিলেন।

পরে বিষয়টি সবার নজরে আসে মঙ্গলবার রাতে চীনা দূতাবাস সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত কনটেন্ট নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করার পর। রাত ১১টা ৫ মিনিটে দূতাবাস তাদের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে বলে, বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত সকালে একটি দাতব্য অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন। দূতাবাস উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করেছে যে, এ বিষয়ে সামাজিক মাধ্যমে প্রচারিত কিছু কনটেন্ট বাস্তবতার সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়। তারা বাংলাদেশের প্রতি চীনের বন্ধুত্বপূর্ণ নীতির বিষয়টি পুনর্ব্যক্ত করছে। তারা জোর দিয়ে বলছে, নির্বাচিত সরকারের নির্বিঘ্নে দেশ পরিচালনায় চীন সমর্থন জানায়। দুই দেশের জনগণের অধিকতর কল্যাণ নিশ্চিত করতে বাংলাদেশের সরকারের সঙ্গে একত্রে কাজ করে বন্ধুত্ব আরও জোরদার করতে তারা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকবে।

কালের আলো/এসএকে

স্মৃতির দহন

সাহিত্য ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ১২:৫২ অপরাহ্ণ
স্মৃতির দহন

ইকরাম আকাশ

আমি ভুলে যেতে চাই
সেই দিনগুলি,
যে দিনগুলি ছিলো শুধু
বেদনার স্মৃতি।

আমি ভুলে যেতে চাই অতীতের কথা,
যেখানে ছিলো শুধুই লোচন-বারি।
আমি ভুলে যেতে চাই,ভুলে যেতে চাই
আমার স্মৃতিকাতুরে সকল আর্তি।

আমি পুড়িয়ে দিতে চাই অতীতের
সেই সব জীর্ণ পাণ্ডুলিপি,
যেখানে উন্মাদনায় জড়িয়ে ছিলো
উপাখ্যানের সকল স্মৃতি।

এম/এএইচ

শাবিপ্রবিতে শিবিরের আয়োজনে ‘বখরা ঈদের খানি

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ১২:৩৭ অপরাহ্ণ
শাবিপ্রবিতে শিবিরের আয়োজনে ‘বখরা ঈদের খানি

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে হলে ও মেসে অবস্থানরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে ‘বখরা ঈদের খানি’ আয়োজন করেছে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (শাবিপ্রবি) শাখা ছাত্রশিবির।

মঙ্গলবার (২৬ মে) সংগঠনটির পক্ষ থেকে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। ‘বখরা ঈদের খানি’ আয়োজনের অংশ হিসেবে ঈদের দিন (২৮ মে) রাতে হল ও মেসে অবস্থানরত শিক্ষার্থীদের জন্য খাবারের ব্যবস্থা থাকবে। এ লক্ষ্যে গুগল ফর্মের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের তথ্য সংগ্রহ করছে সংগঠনটি।

শাবিপ্রবি শিবিরের সেক্রেটারি মুজাহিদুল ইসলাম বলেন, ঈদুল আজহা আনন্দ ও ভ্রাতৃত্বের উৎসব। কিন্তু বিভিন্ন কারণে প্রতিবছর অনেক শিক্ষার্থী ঈদের সময় ক্যাম্পাসেই অবস্থান করে। তাদের যেন ঈদের আনন্দ থেকে বিচ্ছিন্ন মনে না হয়, সেজন্যই এই ‘বখরা ঈদের খানি’ আয়োজন।

তিনি আরও বলেন, ছাত্রশিবির সবসময় শিক্ষার্থীবান্ধব বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়ে কাজ করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় এবার ঈদের দিন এই আয়োজন করা হবে।

কালের আলো/এম/এএইচ

সিনেমাপ্রেমীদের জন্য সুখবর দিলেন বিজয়

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ১২:১৮ অপরাহ্ণ
সিনেমাপ্রেমীদের জন্য সুখবর দিলেন বিজয়

দক্ষিণী তারকা থালাপতি বিজয় এবার সিনেমাপ্রেমীদের জন্য নিয়ে এলেন সুখবর। তামিল সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির অনুরোধে রাজ্যের সব প্রেক্ষাগৃহে নতুন মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমার জন্য প্রতিদিন পাঁচটি করে শো চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সম্প্রতি তামিল সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন বিজয়। সেখানে নতুন সিনেমার প্রচার ও ব্যবসা বাড়ানোর স্বার্থে প্রেক্ষাগৃহে দৈনিক শোর সংখ্যা বাড়ানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়। পরে সেই প্রস্তাবে সম্মতি জানান তিনি।

বিষয়টি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর পক্ষ থেকে সাংবাদিকদের আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়েছে। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও প্রকাশ করা হয় নতুন এই নির্দেশনার কথা।

এর আগে তামিলনাড়ু সিনেমা (রেগুলেশন) বিধিমালা, ১৯৫৭ অনুযায়ী নতুন সিনেমার জন্য দিনে চারটি শো প্রদর্শনের অনুমতি ছিল। শুধুমাত্র সরকারি ছুটি, স্থানীয় উৎসব কিংবা বিশেষ দিনে প্রশাসনের অনুমতি নিয়ে অতিরিক্ত একটি শো চালানো যেত।

তবে নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এখন থেকে নতুন মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমার ক্ষেত্রে প্রথম সাত দিন প্রতিদিন পাঁচটি করে শো চালানো যাবে। এছাড়া সিনেমা মুক্তির প্রথম সপ্তাহ, সরকারি ছুটি, স্থানীয় উৎসব এবং শনি-রোববার বাড়তি শোর জন্য আর আলাদা অনুমতির প্রয়োজন হবে না।

তামিল সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই উদ্যোগ সিনেমার ব্যবসা বাড়ানোর পাশাপাশি দর্শকদের জন্যও ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। ফলে বিজয়ের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন নির্মাতা, প্রযোজক ও প্রেক্ষাগৃহ মালিকরা।

কালের আলো/এম/এএইচ