খুঁজুন
                               
শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬, ২৮ চৈত্র, ১৪৩২
           

ইরানি তেল বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা শিথিল করল যুক্তরাষ্ট্র 

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২১ মার্চ, ২০২৬, ৫:২৪ অপরাহ্ণ
ইরানি তেল বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা শিথিল করল যুক্তরাষ্ট্র 

ইরানের কিছু তেলের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। মূলত ইরান যুদ্ধের কারণে বিশ্ব জ্বালানি বাজারে যে বিরূপ প্রভাব তৈরি হয়েছে, তা নিয়ন্ত্রণে আনতেই এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

বর্তমানে রফতানির উদ্দেশে সমুদ্রের বিভিন্ন জাহাজে আটকে থাকা ইরানি তেল বিক্রির অনুমতি দিয়ে একটি সুনির্দিষ্ট ও স্বল্পমেয়াদী নির্দেশনা জারির ঘোষণা দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট।

এ পদক্ষেপকে দীর্ঘদিনের মার্কিন নীতির এক অভূতপূর্ব পরিবর্তন হিসেবেই দেখা হচ্ছে। যদিও এ থেকে কতটা সুফল মিলবে, তা এখনো অনিশ্চিত।

অবশ্য যুক্তরাষ্ট্রের এ পদক্ষেপের ফলে বিশ্ববাজারে জ্বালানির দামের ওপর খুব একটা ইতিবাচক প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা নেই বলেই মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। বরং এর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের আক্রমণের শিকার ইরানি শাসকগোষ্ঠীকে অর্থ আয়ের মাধ্যমে তহবিল গঠনের সুযোগ আরও বাড়িয়ে দিতে পারে বলেই মনে করেন তারা।

এই যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই জাহাজ চলাচল এবং জ্বালানি উৎপাদনের ওপর বিরূপ প্রভাব পড়ায় বিশ্বজুড়ে জ্বালানির দাম বেড়েই চলেছে।

শুক্রবার বেসেন্ট জানান, এ অনুমতি শুধু বর্তমানে জাহাজে বোঝাই থাকা ইরানে উৎপাদিত অপরিশোধিত তেল ও পেট্রোলিয়াম পণ্য বিক্রির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। এছাড়া এ অনুমোদন আগামী ১৯ এপ্রিল পর্যন্ত কার্যকর থাকবে বলেও জানিয়েছে মার্কিন অর্থ দফতর।

যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী বলেছেন, এ পদক্ষেপের ফলে প্রায় ১৪ কোটি ব্যারেল তেল দ্রুত বিশ্ব বাজারে আসবে।

যুদ্ধের আগে ইরান থেকে সরবরাহ করা তেলের প্রধান ক্রেতা ছিল চীন। ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও অন্যান্য দেশের নিষেধাজ্ঞার কারণে খুব কম দামে এই তেল কিনে নিত বেইজিং।

বৃহস্পতিবার ফক্স বিজনেসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বেসেন্ট বলেন, ইরানের জ্বালানি বিক্রির ওপর নিষেধাজ্ঞা শিথিল করার ফলে ভারত, জাপান ও মালয়েশিয়ার মতো দেশগুলোর আরও বেশি তেল পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হবে।

একই সঙ্গে চীনকেও প্রকৃত ‘বাজার দর’ পরিশোধে বাধ্য করবে এই সিদ্ধান্ত। কিন্তু এই প্রক্রিয়ায় তেল বিক্রির অর্থ যাতে ইরান সরকারের হাতে না পৌঁছায়, সে বিষয়ে কোনো নিয়ম থাকবে কি না, তা নিয়ে বিস্তারিত কিছু বলেননি বেসেন্ট।

পরামর্শক প্রতিষ্ঠান ব্ল্যাকস্টোন কমপ্লায়েন্স সার্ভিসেস-এর পরিচালক ডেভিড ট্যানেনবাম বৃহস্পতিবার বলেন, ‘সহজ কথায় বলতে গেলে, এটা একটা উদ্ভট ব্যাপার। মূলত আমরা ইরানকে তেল বিক্রি করার অনুমতি দিচ্ছি, যা পরবর্তীতে যুদ্ধে অর্থায়নের জন্য ব্যবহার করা যেতে পারে।’

এই পরিকল্পনা ধারাবাহিকভাবে এগিয়ে নেওয়া হবে কি না এ বিষয়ে স্পষ্ট কোনো উত্তর দেননি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘দাম অপরিবর্তিত রাখতে যা যা করা প্রয়োজন, আমরা তাই করব।’

এদিকে বিশেষজ্ঞরা দাবি করেছেন, এই ছাড়ের ফলে সার্বিক মূল্যস্ফীতির ওপর তেমন প্রভাব পড়বে না।

মার্কিন থিঙ্ক ট্যাঙ্ক ‘সেন্টার ফর এ নিউ আমেরিকান সিকিউরিটি’-এর সহযোগী সিনিয়র ফেলো র‌্যাচেল জিয়েম্বা বলেন, ‘আমি মনে করি না এই সিদ্ধান্তের ফলে বড় কোনো পরিবর্তন আসবে। বরং এর ফলে অনেক প্রশ্ন সামনে চলে আসছে।’

এই তেল বিক্রি থেকে প্রাপ্ত অর্থ ইরান সরকারের কাছে যাক, যুক্তরাষ্ট্র এমনটি চাইবে বলে মনে করেন না জিয়েম্বা। কিন্তু বাস্তবে এটি ঠেকানো কঠিন হতে পারে বলেই মনে করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, ‘ব্যাপক সরবরাহ ঘাটতির কারণে মার্কিন সরকার এখন এমন এক পরিস্থিতিতে রয়েছে যেখানে প্রতিটি ব্যারেলই গুরুত্বপূর্ণ। এ কারণেই তারা যেখানেই সম্ভব অতিরিক্ত তেল খুঁজে বের করার চেষ্টা করছে।’

সরবরাহ বাড়াতে ইতোমধ্যে নানা পদক্ষেপ নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। গত সপ্তাহে রাশিয়ার তেলের ওপর আরোপিত কিছু নিষেধাজ্ঞা স্থগিত করার পাশাপাশি নিজেদের কাছে মজুদ থাকা লাখ লাখ ব্যারেল তেলের মজুদও ছেড়ে দিয়েছে তারা।

যদিও রাশিয়ার তেলের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা স্থগিত করার সিদ্ধান্তটি ইউরোপের নেতাদের কাছ থেকে তীব্র বিরোধিতার সম্মুখীন হয়েছিল। তারা বলেছিলেন, এ সিদ্ধান্ত ভ্লাদিমির পুতিনের শাসনকে শক্তিশালী করবে এবং ইউক্রেনের যুদ্ধকে দীর্ঘায়িত করবে।

বিশ্বে প্রতিদিন যে ১০ কোটি ব্যারেল তেল ব্যবহার হয়, তার পাঁচ ভাগের প্রায় এক ভাগ হরমুজ প্রণালি দিয়ে যাতায়াত করে, যা ইরানের উপকূল বরাবর অবস্থিত।

কিন্তু ফেব্রুয়ারির শেষে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে এই প্রণালিতে জাহাজ চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। এ রুট দিয়ে যাওয়ার অপেক্ষায় থাকা কিছু তেল বিকল্প পথে পাঠানো হলেও, যুদ্ধের কারণে বিশ্ববাজারে প্রায় ১০ শতাংশ সরবরাহ কমে গেছে বলেই অনুমান বিশেষজ্ঞদের।

ইরান ও কাতারের যৌথ মালিকানাধীন একটি গুরুত্বপূর্ণ গ্যাস ক্ষেত্রে পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনায় পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ আরও বেড়েছে। যুদ্ধ দ্রুত শেষ হলেও জ্বালানি সরবরাহের এই ঘাটতি আরও কয়েক বছর স্থায়ী হতে পারে বলেও আশঙ্কা করা হচ্ছে। সূত্র: বিবিসি বাংলা

কালের আলো/এসআর/এএএন 

১০০ টাকার নিচে নেই সবজি, পাতে কমছে স্বাদ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৭ অপরাহ্ণ
১০০ টাকার নিচে নেই সবজি, পাতে কমছে স্বাদ

এক হাতে বাজারের ব্যাগ, আরেক হাতে হিসাব। প্রতিদিনের এই ছোট্ট লড়াইয়ে যেন হার মানছেন সাধারণ মানুষ। সবজির বাজারে ঢুকলেই চোখে পড়ে অস্বস্তির এক চিত্র। ৮০ থেকে ১০০ টাকার নিচে নেই কোনো সবজি। প্রয়োজন থাকলেও সাধ্যের সীমা টেনে ধরছে হাত। অনেকেই এখন কেজির বদলে কিনছেন আড়াইশ গ্রাম। এভাবেই সামলাচ্ছেন সংসার।

জ্বালানি সংকটে পরিবহন খরচ বৃদ্ধি এবং সরবরাহ ঘাটতির কারণে সবজির দাম বেড়েছে বলে দাবি করছেন বিক্রেতারা। অন্যদিকে দাম বাড়ায় সাধারণ মানুষের টিকে থাকা দায় হয়ে পড়েছে বলে অভিযোগ ক্রেতাদের।

শনিবার (১১ এপ্রিল) রাজধানীর মহাখালী, রামপুরাসহ বিভিন্ন কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা গেছে, বেশিরভাগ সবজিই ১০০ টাকার ওপরে বিক্রি হচ্ছে। ৮০ টাকার নিচে রয়েছে মাত্র দু-একটি সবজি। গোল ও লম্বা দুই ধরনের বেগুনই কেজিপ্রতি ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা একদিন আগেও ছিল ১০০ টাকা। পটলের কেজি ২০ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকায়।

করলা ১০০-১২০, বরবটি ৮০-৯০, ঢেঁড়শ ৭০-৮০, চিচিঙ্গা ৮০-৯০, ধুন্দল ৬০-৮০, শিম ৮০-৯০, টমেটো ৫০, পেঁপে ৪০-৫০ ও লাউ ৮০-১০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। এসব সবজির দাম দু’তিন দিন আগেও কেজিপ্রতি ২০-৩০ টাকা কমে কেনা যেত। তবে সবচেয়ে দামি সবজি এখন কাঁকরোল। প্রতি কেজি কাঁকরোল কিনতে ক্রেতাদের ১৬০-১৮০ টাকা গুনতে হচ্ছে। তবে কেজিপ্রতি আলুর দাম এখনও ২৫-৩০ টাকা।

মহাখালী সবজির বাজারে কথা হয় বখতিয়ার শিকদারের সঙ্গে। তিনি একটি বেসরকারি অফিসে পিয়ন হিসেবে কাজ করেন। বিভিন্ন সবজি কেনার ইচ্ছা থাকলেও দাম বাড়ায় আধা কেজি বেগুন ও আলু কিনেই বাসায় ফিরতে হচ্ছে তাকে। তার দাবি, সরকার যদি কিছু নিয়ন্ত্রণ করত, তাহলে নিম্নআয়ের মানুষের উপকার হতো।

তিনি বলেন, মাছ-মাংসের পরিবর্তে আগে সবজি খেয়ে চাহিদা মেটাতাম। এখন সেটাও কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে। ৮০-১০০ টাকার নিচে কোনো সবজিই পাওয়া যায় না। স্বাদ জাগলেও আয়ের সঙ্গে কুলাতে না পেরে কোনোভাবে স্ত্রী-সন্তান নিয়ে সংসার চালাতে হয়। আজ শুধু বেগুন আর আলু কিনেছি। ঘরে থাকা ডিম দিয়ে এসব রান্না হবে।

বখতিয়ার আরও বলেন, ঈদের পরও বেগুনের কেজি ৪০-৬০ টাকা ছিল। এখন দ্বিগুণেরও বেশি। আগে এক কেজি কিনলেও এখন আধা কেজি বা আড়াইশ গ্রাম করে কিনতে হয়। পটল, করলার দামও বেশি। খেতে হয় বলেই সবজি কিনছি, না হলে অনেক সময় না খেয়ে থাকতে হতো।

অনেকটাই বখতিয়ারের সুরে কথা বলেন বেসরকারি চাকরিজীবী আরিফ হোসেন। সাপ্তাহিক ছুটির দিনে বাজার করেন তিনি। দাম বেশি হওয়ায় করলা আধা কেজি, ঢেঁড়শ আড়াইশ গ্রাম, শিম আধা কেজি ও পটল আড়াইশ গ্রাম কিনেছেন। এসব সবজির দাম কম থাকলে এক কেজি করেই কিনতেন বলে জানান তিনি। তার মতে, আগে একজন মানুষ ২০০ গ্রাম খেলে এখন ১০০ গ্রামেই সীমাবদ্ধ থাকতে হচ্ছে।

জোয়ার সাহারা কাঁচাবাজারের বিক্রেতা মাহফুজার রহমান সিয়াম বলেন, দাম বাড়ার কারণ আমরাও স্পষ্ট করে বলতে পারি না। পাইকারি বাজারে বেশি দামে কিনতে হচ্ছে বলে খুচরা বাজারেও এর প্রভাব পড়ছে। যে টাকা নিয়ে আমরা মালামাল কিনতে যাই, তার চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ দাম দিয়ে কিনতে হচ্ছে। গত সপ্তাহের তুলনায় এই সপ্তাহে প্রায় সবকিছুর দাম বেড়েছে। সরবরাহ কম বা সংকটের কারণেই এমনটি হয়েছে বলে মনে হচ্ছে।

বিক্রেতারা জানান, চলমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে জ্বালানি সংকটের কারণে পরিবহন খরচ বেড়েছে পাশাপাশি নতুন সবজির সরবরাহেও ঘাটতি রয়েছে। এসব কারণে পাইকাররা বেশি দামে সবজি বিক্রি করছেন। ফলে খুচরা পর্যায়েও বাড়তি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।

কালের আলো/এসএকে

রেশম গোটা দেশের সম্পদ, আমাদের ঐতিহ্য: পাটপ্রতিমন্ত্রী

রাজশাহী প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬, ১:৫৮ অপরাহ্ণ
রেশম গোটা দেশের সম্পদ, আমাদের ঐতিহ্য: পাটপ্রতিমন্ত্রী

পাট ও বস্ত্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম বলেছেন, রেশম শুধু রাজশাহীর সম্পদ নয়, এটি গোটা বাংলাদেশের সম্পদ। রেশম আমাদের ঐতিহ্য। এই শিল্পকে বাঁচিয়ে রাখতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

শনিবার (১১ এপ্রিল) বাংলাদেশ রেশম গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।

১৯৭৭ সালে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান রেশম বোর্ড স্থাপন করেন উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, রাজশাহী সিল্কের উন্নয়নে করণীয় নির্ধারণে প্রধান উপদেষ্টা নির্দেশনা দিয়েছেন। রাজশাহী সিল্ক কীভাবে আরও উন্নত ও আধুনিকায়ন করা যায়, সে বিষয়ে কাজ চলছে। গবেষণার মাধ্যমে তুঁতের ফলন বৃদ্ধি, তুঁত গাছের উন্নয়ন, রেশম সুতার উন্নয়ন তথা রাজশাহী সিল্কের সার্বিক ঐতিহ্য বৃদ্ধি ও পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে কাজ করা হবে।

এ জন্য স্টেকহোল্ডারদের মূল্যবান পরামর্শ নেওয়া হবে জানিয়ে তিনি বলেন, রেশম সুতার উৎপাদন বৃদ্ধিতে কারখানাগুলোতে বন্ধ পড়ে থাকা লুমগুলো চালুর বিষয়েও উদ্যোগ নেওয়া হবে। পরিদর্শনকালে এ সময় উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রণালয়ের সচিব মিজ বিলকিস জাহান রিমি।

পরে প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড আয়োজিত স্টেকহোল্ডারদের সাথে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণ করেন। ‘সিল্কের উন্নয়ন ও বাজারজাতকরণ’ শীর্ষক এই মতবিনিময় সভাটি বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক মো. তৌফিক আল মাহমুদ। তিনি প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে মন্ত্রী ও সচিবের কাছে বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকাণ্ড তুলে ধরেন।

কালের আলো/এসএকে

সৈয়দপুরে হঠাৎ অসুস্থ ত্রাণমন্ত্রী, এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে আনা হবে ঢাকায়

নীলফামারী প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬, ১:৩৩ অপরাহ্ণ
সৈয়দপুরে হঠাৎ অসুস্থ ত্রাণমন্ত্রী, এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে আনা হবে ঢাকায়

দুই দিনের সফরে নিজ জেলা লালমনিরহাটে যাওয়ার পথে নীলফামারীর সৈয়দপুর বিমানবন্দরে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু। তাকে আনতে ইতোমধ্যেই ঢাকা থেকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্স রওনা হয়েছে।

শনিবার (১১ এপ্রিল) দুপুর ১২টা ৪০ মিনিটে বিষয়টি নিশ্চিত করেন সৈয়দপুর রাজনৈতিক জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুর গফুর সরকার।

তিনি বলেন, দুই দিনের সফরে লালমনিরহাট সফরে আজকে (শনিবার) সকালে ঢাকা থেকে বিমানযোগে এসে সৈয়দপুর বিমানবন্দরে নামেন আসাদুল হাবিব দুলু। তিনি রেস্টরুমে গিয়ে বসে নেতাকর্মীদের সঙ্গে আলোচনা করছিলেন। এ সময় হঠাৎ মাথা ঘুরে অস্বস্তি ও অসুস্থতা বোধ করেন মন্ত্রী। পরে তাকে দ্রুত সৈয়দপুর সেনানিবাসের সিএমএইচ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

গফুর সরকার আরও বলেন, পরে নেতাকর্মীদের পরামর্শে মন্ত্রীকে দুপুর ১২টা ১০ মিনিটের বিমানে ঢাকায় পাঠানোর প্রস্তুতি নেওয়া হয়। তবে তার শারীরিক অবস্থা ভালো না হওয়ায় বিমানে যেতে পারেননি। পরে তাকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকায় নেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। ঢাকা থেকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্স রওনা হয়েছে সৈয়দপুর পৌঁছালে সেটিতে মন্ত্রীকে ঢাকায় নেওয়া হবে।

কালের আলো /এসএকে