খুঁজুন
                               
, ,
           

বন্ধ হবে না পাম্প, ব্যাংক খুললে সংকট কেটে যাওয়ার আশা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৩ মার্চ, ২০২৬, ৩:৩৭ অপরাহ্ণ
বন্ধ হবে না পাম্প, ব্যাংক খুললে সংকট কেটে যাওয়ার আশা

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে দেশে গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই জ্বালানি তেলের সংকট চলছে। তবে ঈদের ছুটিতে ব্যাংক বন্ধ থাকায় পাম্পগুলোতে তেলের সংকট প্রকট আকার ধারণ করেছে। এমনকি নিরাপত্তা শঙ্কায় পাম্পগুলো বন্ধ হয়ে যেতে পারে বলেও শঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছিল পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে। তবে সংগঠনটি জানিয়েছে, স্থায়ীভাবে পাম্প বন্ধ হয়ে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই। আগামীকাল মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) থেকে ব্যাংকগুলো খুলবে। এতে সংকট অনেকটা কেটে যাবে বলে আশা করছেন মালিকরা।

সোমবার (২৩ মার্চ) বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ডিলার্স ডিস্ট্রিবিউটর্স, এজেন্টস্ ও বাংলাদেশ পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের কেন্দ্রীয় কমিটির আহ্বায়ক সৈয়দ সাজ্জাদুল করিম কাবুল জানান, যে পরিমাণ চাহিদা তার তিন ভাগের একভাগও ডিপো থেকে সরবরাহ করা হচ্ছে না। যেখানে তেল আছে সেখানে খোলা, যেখানে নেই সেখানে বন্ধ। তবে স্থায়ীভাবে পাম্প বন্ধ হওয়ার কোনো সুযোগ নেই।

এদিকে পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যান্ড ডিলার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি নাজমুল হক এই সংকটের কারণ উল্লেখ করে বলেন, ব্যাংক বন্ধ থাকায় মালিকরা পে অর্ডার করতে পারেননি, সে কারণে তেল তোলা যায়নি। এ কারণে পাম্পগুলোতে তেল সংকট দেখা দিয়েছে। মঙ্গলবার ব্যাংক খুললে আশা করা যায় বুধবার থেকে সব স্বাভাবিক হয়ে যাবে।

মালিকপক্ষ জানিয়েছে, ডিজেলের কোনো সংকট নেই। তবে কয়েক দিন ধরে পাম্পগুলোতে পেট্রোল ও অকটেন পাওয়া যাচ্ছে না। এতে মূলত বিপাকে পড়েছেন মোটরসাইকেল চালকরা। এজন্যই ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে বিভিন্ন পাম্পে।

ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর ‍পুরো মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে যুদ্ধ পরিস্থিতি বিরাজ করছে প্রায় তিন সপ্তাহ ধরে। এই পরিস্থিতি ঘিরে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হওয়ার পর দেশে জ্বালানি তেলের ঘাটতি নিয়ে আতঙ্ক দেখা দেয়। অনেক ক্রেতা প্রয়োজনের চেয়ে বেশি জ্বালানি কিনতে শুরু করলে সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে গত ৬ মার্চ থেকে পেট্রোল, অকটেন ও ডিজেল বিক্রিতে সীমা বেঁধে দেয় সরকার।

বিষয়টি নিয়ে পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যান্ড ডিলার্স অ্যাসোসিয়েশন প্রবল আপত্তি জানালে ঈদ সামনে রেখে গত ১৪ মার্চ পেট্রোল, অকটেন ও ডিজেল বিক্রিতে চালু থাকা রেশনিং ব্যবস্থা তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। তবে ঈদের পরদিন থেকে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় পাম্পে তেল না পাওয়ার অভিযোগ আসতে থাকে। সোমবার তা আরও প্রকট আকার ধারণ করেছে।

জ্বালানি তেল নিয়ে জনমনে শঙ্কা দেখা দেয় আরও একটি কারণে। সেটা হচ্ছে, রোববার রাতে পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যান্ড ডিলার্স অ্যাসোসিয়েশনের ফেসবুক পেইজে নিরাপত্তার কারণে সারাদেশের পাম্পগুলো বন্ধ হয়ে যাওয়ার শঙ্কার কথা বলা হয়।

সেখানে বলা হয়, ‘সারাদেশের পেট্রোল পাম্পগুলোর অবস্থা খুবই করুণ, কারণ তারা অয়েল কোম্পনিগুলো থেকে প্রতিদিন যে তেল পাচ্ছে তা দিয়ে বর্তমানে ক্রেতাদের যে চাহিদা, সেটা পূরণ করা সম্ভব হচ্ছে না। এখন বাস্তবতাটা এমন যে, দেশে যে কোটি কোটি মোটর সাইকেল চালক বা ব্যবহারকারী আছেন, তারা তেল নিতে এসে ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থেকে ক্লান্ত, বিরক্ত এবং তিক্ত হয়ে পড়ছেন। একই সাথে পেট্রোল পাম্পগুলোর তেল প্রদানকারী নজলম্যান, যারা এই বিরক্ত ক্রেতাদের সাথে কথা কাটাকাটি, গণ্ডগোল করতে করতে আর পেরে উঠছে না।’

পোস্টে আরও বলা হয়, ‘আসলে এভাবে বিরামহীন ডিউটি করার অভ্যাসও তাদের নাই। সব মিলিয়ে অবস্থা এখন এমনই হয়ে পড়েছে, যেকোনো সময় সারাদেশের পেট্রোল পাম্পগুলো নিরাপত্তার এবং তেল সরবরাহ না পাওয়ার কারণে বন্ধ হয়ে যেতে পারে।’

তবে সোমবার দুপুরে মালিক পক্ষ থেকে আশ্বস্ত করা হয়, পাম্পগুলো স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়ে যাওয়ার কোনো কারণ নেই। তাছাড়া ছুটি শেষে ব্যাংক খোলার পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসবে বলেও আশ্বস্ত করা হয়।

কালের আলো/এসআর/এএএন 

কম পোশাক দিয়ে বেশি লুক-ওয়ারড্রোব সাজানোর কৌশল

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২১ আগস্ট, ২০২৬, ১১:২৪ পূর্বাহ্ণ
কম পোশাক দিয়ে বেশি লুক-ওয়ারড্রোব সাজানোর কৌশল

প্রতিদিন কী পোশাক পরবেন, তা ঠিক করতে গিয়ে অনেকেই আলমারির সামনে দাঁড়িয়ে দীর্ঘ সময় পার করেন। অথচ আলমারিতে পোশাকের সংখ্যা বেশি থাকলেই যে সাজের বৈচিত্র্য বাড়বে, এমন নয়। বরং কিছু বেসিক ও পরস্পরের সঙ্গে মানানসই পোশাক বেছে রাখলে অল্প পোশাক দিয়েই তৈরি করা যায় নানা ধরনের লুক।

এ ধরনের ওয়ারড্রোব সাজানোর মূল কথা হলো—কম পোশাক, বেশি সমন্বয়।

প্রথমে বেসিক পোশাক বাছাই করুন

ওয়ারড্রোবে এমন কিছু পোশাক রাখা ভালো, যেগুলো বিভিন্ন ধরনের পোশাকের সঙ্গে সহজে মিলিয়ে পরা যায়। সাদা, কালো, নেভি, ধূসর বা বেইজের মতো নিরপেক্ষ রঙের টি-শার্ট, শার্ট, প্যান্ট বা টপ বিভিন্ন পোশাকের সঙ্গে সহজেই মানিয়ে যায়।

একটি ভালো মানের সাদা শার্ট যেমন জিনসের সঙ্গে ক্যাজুয়াল লুক দিতে পারে, আবার ফরমাল প্যান্টের সঙ্গে পরলে তৈরি হতে পারে অফিস উপযোগী সাজ।

রঙের সমন্বয়ে নজর দিন

অনেক রঙের পোশাক রাখার বদলে কয়েকটি পরস্পরের সঙ্গে মানানসই রঙ বেছে নিলে পোশাক মেলানো সহজ হয়। ওয়ারড্রোবের বেশির ভাগ পোশাক যদি একই রঙের পরিবারের মধ্যে থাকে, তাহলে একটি পোশাকের সঙ্গে অন্যটি মিলিয়ে নেওয়ার সুযোগ বাড়ে।

এর সঙ্গে দুই-একটি উজ্জ্বল রঙের পোশাক বা আনুষঙ্গিক জিনিস রাখলে পুরো সাজে বৈচিত্র্য আনা যায়।

একটি পোশাক, একাধিক ব্যবহার

একই পোশাককে ভিন্নভাবে পরার অভ্যাস করলে ওয়ারড্রোব ছোট রেখেও সাজে বৈচিত্র্য আনা সম্ভব। একটি শার্ট একদিন প্যান্টের সঙ্গে, অন্যদিন জিনসের সঙ্গে পরা যেতে পারে। একই পোশাকের সঙ্গে জুতা, ব্যাগ বা গয়না বদলালেও পুরো লুক অনেকটাই বদলে যায়।

পোশাকের সঙ্গে আনুষঙ্গিক জিনিস রাখুন

কম পোশাকে বেশি লুক তৈরির ক্ষেত্রে অ্যাকসেসরিজ বেশ কার্যকর। ঘড়ি, স্কার্ফ, বেল্ট, ব্যাগ, জুতা বা সাধারণ গয়না একই পোশাককে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করতে পারে।

তবে অনেক কিছু একসঙ্গে ব্যবহার না করে পোশাকের ধরন অনুযায়ী এক বা দুই ধরনের অ্যাকসেসরিজ বেছে নেওয়াই ভালো।

মৌসুম অনুযায়ী ওয়ারড্রোব বদলান

সব মৌসুমের পোশাক একসঙ্গে আলমারিতে রাখার প্রয়োজন নেই। গরমের পোশাক আলাদা করে এবং শীত বা বর্ষার পোশাক প্রয়োজন অনুযায়ী বের করে রাখলে আলমারি গোছানো থাকে। এতে প্রয়োজনের পোশাক খুঁজে পাওয়াও সহজ হয়।

খুব কম পরা পোশাক আলাদা করুন

যে পোশাকগুলো গত কয়েক মাসে একবারও পরা হয়নি, সেগুলো আলাদা করে দেখুন। কেন পরা হচ্ছে না, সেটি বোঝার চেষ্টা করুন। মাপ ঠিক না হওয়া, অন্য পোশাকের সঙ্গে না মেলা বা পছন্দ না হওয়ার মতো কারণ থাকলে সেগুলো আলমারিতে জায়গা দখল করে রাখার প্রয়োজন নেই।

ব্যবহারযোগ্য পোশাক অন্য কাউকে দেওয়া বা পুনর্ব্যবহারের সুযোগ থাকলে সেটিও করা যেতে পারে।

কেনার আগে মিলিয়ে দেখুন

নতুন পোশাক কেনার সময় শুধু পোশাকটি আলাদাভাবে সুন্দর লাগছে কি না, সেটি দেখলেই হবে না। বাড়িতে থাকা অন্তত দুই-তিনটি পোশাকের সঙ্গে এটি পরা যাবে কি না, সেটিও ভাবুন।

এভাবে কেনাকাটা করলে অপ্রয়োজনীয় পোশাক কেনার প্রবণতা কমে এবং অল্প পোশাক দিয়েই বেশি ধরনের সাজ তৈরি করা যায়।

ভালো ওয়ারড্রোব মানেই পোশাকে ঠাসা আলমারি নয়। বরং এমন পোশাকের সংগ্রহ, যেগুলো একে অন্যের সঙ্গে সহজে মেলানো যায় এবং বিভিন্ন পরিস্থিতিতে ব্যবহার করা সম্ভব। কয়েকটি বেসিক পোশাক, মানানসই রঙ ও কিছু সাধারণ অ্যাকসেসরিজ থাকলেই অল্প পোশাকে তৈরি করা যায় অনেক ধরনের লুক।

তাই নতুন পোশাক কেনার আগে আলমারিতে কী আছে, সেটি একবার দেখে নেওয়াই হতে পারে আরও গোছানো ও ব্যবহারিক ওয়ারড্রোব তৈরির প্রথম ধাপ।

কালের আলো/এসএ

ফোন হারালেও ছবি-ভিডিও ও ব্যক্তিগত তথ্য বাঁচাতে আগে থেকেই যা করবেন

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২১ আগস্ট, ২০২৬, ১১:১২ পূর্বাহ্ণ
ফোন হারালেও ছবি-ভিডিও ও ব্যক্তিগত তথ্য বাঁচাতে আগে থেকেই যা করবেন

স্মার্টফোন এখন শুধু যোগাযোগের মাধ্যম নয়; এতে জমা থাকে ব্যক্তিগত ছবি, ভিডিও, গুরুত্বপূর্ণ নথি, ফোন নম্বর, ই-মেইল, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অ্যাকাউন্টসহ নানা তথ্য। তাই ফোন হারিয়ে গেলে শুধু নতুন একটি ডিভাইস কেনার চিন্তা করলেই হয় না, ব্যক্তিগত তথ্য অন্যের হাতে চলে যাওয়ার ঝুঁকিও থাকে। তবে আগে থেকেই কয়েকটি নিরাপত্তাব্যবস্থা চালু করে রাখলে ফোন হারালেও তথ্য সুরক্ষিত রাখা অনেক সহজ হয়।

নিয়মিত ছবি ও ভিডিওর ব্যাকআপ রাখুন

ফোন হারিয়ে গেলে সবচেয়ে বড় সমস্যা হতে পারে ছবি ও ভিডিও হারানো। তাই গুরুত্বপূর্ণ ছবি, ভিডিও ও নথির নিয়মিত ব্যাকআপ রাখা ভালো। ক্লাউড স্টোরেজ বা কম্পিউটারে ব্যাকআপ রাখলে ফোন হারালেও অন্য ডিভাইস থেকে সেগুলো ফিরে পাওয়া সম্ভব।

তবে ক্লাউড অ্যাকাউন্টেও শক্তিশালী পাসওয়ার্ড ও অতিরিক্ত নিরাপত্তাব্যবস্থা ব্যবহার করা জরুরি।

শক্তিশালী স্ক্রিন লক ব্যবহার করুন

ফোনে শুধু সহজ চার সংখ্যার পিন ব্যবহার না করে তুলনামূলক শক্তিশালী পিন, পাসওয়ার্ড বা নিরাপদ বায়োমেট্রিক ব্যবস্থা ব্যবহার করা যেতে পারে। আঙুলের ছাপ বা মুখ শনাক্তকরণের সুবিধা থাকলে সেটিও চালু রাখা ভালো।

স্ক্রিন লক যত শক্তিশালী হবে, ফোন হারানোর পর অন্য কারও পক্ষে সরাসরি ব্যক্তিগত তথ্য দেখার ঝুঁকি তত কমবে।

ফোন খুঁজে পাওয়ার সুবিধা চালু রাখুন

অ্যান্ড্রয়েড ও আইফোন—দুই ধরনের ফোনেই হারানো ডিভাইস খুঁজে বের করার সুবিধা রয়েছে। ফোন হারানোর আগেই সংশ্লিষ্ট ‘Find My’ ধরনের ফিচার চালু করে রাখুন।

এতে প্রয়োজন হলে অন্য ডিভাইস থেকে ফোনের অবস্থান দেখা, ফোনে শব্দ বাজানো বা দূর থেকে সেটি লক করার মতো ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে।

গুরুত্বপূর্ণ অ্যাকাউন্টে দুই স্তরের নিরাপত্তা চালু করুন

ই-মেইল, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অ্যাকাউন্টে দুই স্তরের নিরাপত্তা বা 2FA চালু রাখা ভালো। এতে শুধু পাসওয়ার্ড জানলেই অন্য কেউ সহজে অ্যাকাউন্টে ঢুকতে পারবে না।

তবে 2FA ব্যবহারের ক্ষেত্রে ব্যাকআপ কোড বা বিকল্প পুনরুদ্ধার পদ্ধতি নিরাপদ জায়গায় সংরক্ষণ করে রাখা উচিত।

ব্যাংকিং ও আর্থিক অ্যাপ সুরক্ষিত রাখুন

ফোনে ব্যাংকিং বা আর্থিক সেবার অ্যাপ থাকলে সেগুলোতে অতিরিক্ত লক বা বায়োমেট্রিক নিরাপত্তা ব্যবহার করা যেতে পারে। ফোন হারানোর পর দ্রুত সংশ্লিষ্ট ব্যাংক বা আর্থিক সেবাদাতার সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।

কোনো অবস্থাতেই ফোন হারানোর পর অপরিচিত ব্যক্তি ফোন করে বা বার্তা পাঠিয়ে ওটিপি, পিন কিংবা পাসওয়ার্ড চাইলে তা দেওয়া যাবে না।

লকস্ক্রিনে ব্যক্তিগত তথ্য দেখানো বন্ধ করুন

ফোন লক থাকা অবস্থায়ও অনেক সময় নতুন বার্তার কিছু অংশ স্ক্রিনে দেখা যায়। এতে ব্যক্তিগত বা সংবেদনশীল তথ্য অন্যের চোখে পড়তে পারে। তাই লকস্ক্রিনে নোটিফিকেশনের বিস্তারিত তথ্য দেখানোর অপশন বন্ধ রাখা যেতে পারে।

সিমের নিরাপত্তার কথাও ভাবুন

ফোনের সঙ্গে সিম কার্ডও হারিয়ে যেতে পারে। তাই ফোন হারালে দ্রুত মোবাইল অপারেটরের সঙ্গে যোগাযোগ করে সিমটি বন্ধ বা পুনরুদ্ধারের ব্যবস্থা করা উচিত। এতে আপনার নম্বর ব্যবহার করে অন্য কেউ অনাকাঙ্ক্ষিত কাজ করার ঝুঁকি কমে।

ফোন হারালে দ্রুত যা করবেন

ফোন হারানোর বিষয়টি বুঝতে পারার পর দেরি না করে অন্য একটি ডিভাইস থেকে নিজের ফোনের অবস্থান শনাক্ত করার চেষ্টা করুন এবং প্রয়োজন হলে সেটি লক করুন। ফোন ফিরে পাওয়ার সম্ভাবনা না থাকলে দূর থেকে ডিভাইসের তথ্য মুছে ফেলার সুবিধা ব্যবহার করা যেতে পারে।

এর পাশাপাশি ই-মেইল, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও গুরুত্বপূর্ণ অ্যাকাউন্টগুলোর পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করা এবং প্রয়োজন হলে ব্যাংক ও মোবাইল অপারেটরের সঙ্গে যোগাযোগ করা উচিত।

ফোন হারানোর পর কী হবে তা পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। তবে ব্যাকআপ, শক্তিশালী স্ক্রিন লক, ডিভাইস ট্র্যাকিং ও দুই স্তরের নিরাপত্তার মতো ব্যবস্থা আগে থেকেই চালু রাখলে একটি হারানো ফোনের কারণে ব্যক্তিগত তথ্য ও গুরুত্বপূর্ণ স্মৃতি হারানোর ঝুঁকি অনেকটাই কমানো যায়।

কালের আলো/এসএ

হাসপাতাল থেকে আবারও কারাগারে ইমরান খান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২১ আগস্ট, ২০২৬, ১১:০৭ পূর্বাহ্ণ
হাসপাতাল থেকে আবারও কারাগারে ইমরান খান

হাসপাতালে স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) প্রতিষ্ঠাতা ও দেশটির সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে আবারও আদিয়ালা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম জিও নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে চিকিৎসকেরা ইমরান খানকে কারাগারে রাখার বিষয়ে নিরাপদ বলে মত দিয়েছেন।

কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে পুলিশি পাহারায় আদিয়ালা কারাগারের ১ নম্বর গেট দিয়ে তাকে ইসলামাবাদের একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের ছয় সদস্যের একটি দল তার স্বাস্থ্য পরীক্ষা করেন।

পরীক্ষা শেষে চিকিৎসকেরা জানান, ইমরান খানকে হাসপাতালে ভর্তি রাখার প্রয়োজন নেই এবং তিনি নিরাপদে কারাগারেই থাকতে পারবেন।

এরপর কারা কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধানে তাকে আবার আদিয়ালা কারাগারে নেওয়া হয়। কারা সূত্র জানিয়েছে, পরে তাকে কারাগারের নিজ সেলে স্থানান্তর করা হয়েছে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ