খুঁজুন
                               
শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৫ বৈশাখ, ১৪৩৩
           

মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতি নেই

কালের আলো রিপোর্ট
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ, ২০২৬, ৩:১২ অপরাহ্ণ
মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতি নেই

অনেকেই মানসিক সমস্যায় ভুগছেন। কিন্তু সমাজের কাছে হেয় হওয়ার ভয়ে বেশিরভাগই চিকিৎসকের কাছে যান না। আবার যখন যাওয়ার মত পরিস্থিতি তৈরি হয়, তখন কাছেধারে চিকিৎসক পান না। সময় গড়ালেও পরিস্থিতির যে উন্নতি হচ্ছে না, তা উঠে এসেছে জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য জরিপে।

জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের ‘জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য জরিপ বলছে, ১৮ দশমিক ৭ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্ক, ১২ দশমিক ৬ শতাংশ শিশুর মানসিক সমস্যা রয়েছে। এর মধ্যে ৯১ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্ক আর ৯৩ শতাংশ শিশু চিকিৎসা সেবার বাইরে রয়েছে। পরবর্তীতেও এমন পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়ার কথা বলছেন সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক ও বিশেষজ্ঞরা।

এত লোক মানসিক স্বাস্থ্য সেবার বাইরে থাকার কারণ হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের অধ্যাপক কামাল উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী সেবাকেন্দ্র, সচেতনতা, প্রচারের অভাব আর মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য কম বাজেটকে দায়ী করছেন।

তিনি বলেন, ৯০ শতাংশ সেবাকেন্দ্রই ঢাকাকেন্দ্রিক। চট্টগ্রাম, রাজশাহী, ঢাকা মেডিকেল ও অনেক জেলা সদর হাসপাতালে মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞ-সাইকিয়াট্রিস্ট থাকলেও পুরো জেলায় সংখ্যাটা এক বা দুই। ফলে সমস্যায় পড়লে চিকিৎসকের তথ্য না পেয়ে ভুক্তভোগীরা ওঝা, কবিরাজের কাছে গিয়ে পানি পড়া, ঝাড়-ফুঁক নিতে বাধ্য হচ্ছেন।

২০২৪ সালে স্নাতক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যের উপর আঁচল ফাউন্ডেশনের চালানো এক গবেষণা বলছে, তাতে অংশ নেওয়া ৭৯ দশমিক ৯ শতাংশ শিক্ষার্থী হতাশায় ভোগার কথা বলেছেন। ক্যাম্পাসে মানসিক স্বাস্থ্য সেবা দেওয়া হয় কিনা, এ প্রশ্নে ৩৮ দশমিক ৩ শতাংশ শিক্ষার্থী হ্যা, ৩৫ দশমিক ৫ শতাংশ শিক্ষার্থী না উত্তর দিয়েছিলেন। আর ২৬ দশমিক ২ শতাংশ শিক্ষার্থী বলেছেন এ সম্পর্কে তারা কিছু জানেন না।

ওই গবেষণার সমন্বয়ে ছিলেন শেখ রফিকউজ্জামান। তিনি বলেন, দেশে মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে আলোচনা কম হয় এবং এই সেবাকে ‘ট্যাবু’ হিসেবে দেখা হয়। ‘শিক্ষা ব্যবস্থায় মানসিক সমস্যার উপসর্গ, স্টিগমাগুলো এখনও সেভাবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। শিক্ষার্থীদের শেখানো হয়নি কিভাবে অল্পতে সন্তুষ্ট থাকা যায়, শিক্ষার্থীরা শিক্ষকদের সঙ্গে মন খুলে কথা বলতে পারেন না।’

মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশে মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ে কর্মরত জনশক্তি প্রতি লাখ জনসংখ্যার জন্য ০.৫০ জন। সাইকিয়াট্রিস্ট প্রায় ৩৫০ (প্রতি লাখ জনসংখ্যার জন্য ০.১৭ জন), সাইকোলজিস্ট ৫৬৫ (প্রতি লাখ জনসংখ্যার জন্য ০.৩৪ জন), সাইকিয়াট্রিক সোশাল ওয়ার্কার ৭ (প্রতি লাখ জনসংখ্যার জন্য ০.০০৪ জন) ও অকুপেশনাল থেরাপিস্টের সংখ্যা ৩২৪ (প্রতি লাখ জনসংখ্যার জন্য ০.১৮ জন)।

আর মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সাধারণ চিকিৎসক ২১ হাজার ২৬৭, প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত স্বাস্থ্য কর্মী ৯ হাজার ৪০০, প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত নার্স ২৮ হাজার ১৬৫, মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ক হাসপাতালে কর্মরত সেবিকা ৭০০, স্পিচ থেরাপিস্ট ১৭২ জন রয়েছেন।

উচ্চ শিক্ষার প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে শুধুমাত্র ঢাকা ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি পড়ানো হয়। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশেষায়িত স্নাতকোত্তর কোর্স থাকলেও, আলাদা কোনো বিভাগ নেই। বর্তমানে মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটে জনবল রয়েছে চারশর কম। তবে ৮৭৯ জন জনবলের প্রস্তাব করা হয়েছে বলেছেন ইনস্টিটিউটের প্রশাসনিক কর্মকর্তা কামরুজ্জামান মুকুল।

কালের আলো/এম/এএইচ

জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভা সন্ধ্যায়

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ১:০৫ অপরাহ্ণ
জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভা সন্ধ্যায়

হিজরি ১৪৪৭ সনের পবিত্র জিলকদ মাসের তারিখ নির্ধারণে আজ সভায় বসবে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি।

শনিবার (১৮ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় বায়তুল মোকাররমে অবস্থিত ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সভাকক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হবে।

ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ সভায় সভাপতিত্ব করবেন।

বাংলাদেশের আকাশে কোথাও জিলকদ মাসের চাঁদ দেখা গেলে তা টেলিফোন নম্বর: ০২-৪১০৫৩২৯৪, ০২-২২৬৬৪০৫১০ ও ০২-২২৩৩৮৩৩৯৭ অথবা সংশ্লিষ্ট জেলার জেলা প্রশাসক বা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানাতে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

কালের আলো/এসএকে

নিজের অস্ত্রের গুলিতে পুলিশ কনস্টেবল নিহত

খুলনা প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ১:০৫ অপরাহ্ণ
নিজের অস্ত্রের গুলিতে পুলিশ কনস্টেবল নিহত

খুলনার রেলওয়ে পুলিশ লাইনে ডিউটিরত অবস্থায় এক পুলিশ কনস্টেবলের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) ভোর আনুমানিক সাড়ে ৪টার দিকে নগরীর সোনাডাঙ্গা আবাসিক এলাকার (২য় ফেজ) রেলওয়ে পুলিশ লাইনের অস্ত্রাগার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত কনস্টেবলের নাম সম্রাট বিশ্বাস (বিপি নং: ৯৯১৮২১৪৯২৯)। তিনি গোপালগঞ্জ জেলার কাশিয়ানি উপজেলার পদ্মবিলা এলাকার বাসিন্দা শৈলেন বিশ্বাসের ছেলে।

জানা গেছে, গত বছরের ৩ নভেম্বর তিনি খুলনা রেলওয়ে পুলিশ লাইনে যোগদান করেন। তার স্ত্রী পূজা বিশ্বাস সাতক্ষীরা জেলায় কর্মরত একজন নারী পুলিশ সদস্য।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ভোর ৪টা থেকে ৬টা পর্যন্ত সম্রাট বিশ্বাসের ডিউটি নির্ধারিত ছিল। দায়িত্ব পালনকালে ভোর সাড়ে ৪টার দিকে তিনি নিজের ব্যবহৃত চাইনিজ রাইফেল মাথায় ঠেকিয়ে গুলি করেন। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয় বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

ঘটনার খবর পেয়ে খুলনা রেলওয়ে পুলিশ ও খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের সোনাডাঙ্গা মডেল থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়। পরে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের সোনাডাঙ্গা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম জানান, ডিউটিরত অবস্থায় মাথায় বন্দুক ঠেকিয়ে গুলি করার মাধ্যমে সম্রাট বিশ্বাস আত্মহত্যা করেছেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ঘটনার পেছনে অন্য কোনো কারণ রয়েছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

অন্যদিকে খুলনা রেলওয়ে পুলিশ সুপার আহমেদ মাইনুল হাসান জানিয়েছেন, পরিবারের সদস্যদের খবর দেয়া হয়েছে এবং ঘটনাটি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ সম্পর্কে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি। তদন্ত শেষে বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

এদিকে, দায়িত্ব পালনরত অবস্থায় একজন পুলিশ সদস্যের এমন মৃত্যুর ঘটনায় সহকর্মীদের মধ্যেও শোকের ছায়া নেমে এসেছে। ঘটনাটি ঘিরে বিভিন্ন মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে এবং এর পেছনের কারণ উদঘাটনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্তের দিকে নজর রয়েছে।

কালের আলো/ইএম 

 

৬ ম্যাচেও জয়হীন, লজ্জার নজির কলকাতার

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ১:০০ অপরাহ্ণ
৬ ম্যাচেও জয়হীন, লজ্জার নজির কলকাতার

চলতি আইপিএলে কলকাতা নাইট রাইডার্সের দুঃসময় যেন কাটছেই না। এখনও পর্যন্ত জয়ের মুখ দেখেনি শাহরুখ খানের ফ্র্যাঞ্চাইজি। শুক্রবার গুজরাটের কাছে ৫ উইকেটে হারের পর নতুন আরেকটি লজ্জার নজির গড়েছে কলকাতা।

গুজরাটের কাছে হারায় আইপিএলের ইতিহাসে পঞ্চম দল হিসেবে কোনো মৌসুমের প্রথম ৬টি ম্যাচেই জয়হীন থাকল কেকেআর।

প্রথম দল হিসেবে লজ্জার এই নজির গড়েছিল ডেকান চার্জার্স (তৎকালীন নাম)। তারা ২০১২ সালের আইপিএলের প্রথম ৬টি ম্যাচ জিততে পারেনি। দ্বিতীয় দল হিসেবে ২০১৩ সালে দিল্লি ডেয়ার ডেভিলস (তৎকালীন নাম) মৌসুমের প্রথম ছ’টি ম্যাচে জয় পায়নি।

২০১৯ সালে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুকেও একই লজ্জার মুখোমুখি হতে হয়েছিল। ২০২২ সালের আইপিএলে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স প্রথম ৬টি ম্যাচ জিততে পারেনি। পঞ্চম দল হিসেবে এই তালিকায় নাম উঠল তিনবারের চ্যাম্পিয়ন কেকেআরের।

ইডেন গার্ডেন্সের পাঞ্জাব কিংস ম্যাচ বৃষ্টিতে ভেস্তে যাওয়ায় ১ পয়েন্ট পান রাহানেরা। বাকি পাঁচটি ম্যাচেই হেরেছেন তারা। ফলে মৌসুমের প্রথম ছ’টি ম্যাচে জয় পেল না নাইট শিবির। বাজে ফর্মে পয়েন্ট তালিকায় ১০ নম্বরে রয়েছে শাহরুখের দল।

কালের আলো/এসএকে