খুঁজুন
                               
, ,
           

মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতি নেই

কালের আলো রিপোর্ট
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ, ২০২৬, ৩:১২ অপরাহ্ণ
মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতি নেই

অনেকেই মানসিক সমস্যায় ভুগছেন। কিন্তু সমাজের কাছে হেয় হওয়ার ভয়ে বেশিরভাগই চিকিৎসকের কাছে যান না। আবার যখন যাওয়ার মত পরিস্থিতি তৈরি হয়, তখন কাছেধারে চিকিৎসক পান না। সময় গড়ালেও পরিস্থিতির যে উন্নতি হচ্ছে না, তা উঠে এসেছে জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য জরিপে।

জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের ‘জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য জরিপ বলছে, ১৮ দশমিক ৭ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্ক, ১২ দশমিক ৬ শতাংশ শিশুর মানসিক সমস্যা রয়েছে। এর মধ্যে ৯১ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্ক আর ৯৩ শতাংশ শিশু চিকিৎসা সেবার বাইরে রয়েছে। পরবর্তীতেও এমন পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়ার কথা বলছেন সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক ও বিশেষজ্ঞরা।

এত লোক মানসিক স্বাস্থ্য সেবার বাইরে থাকার কারণ হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের অধ্যাপক কামাল উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী সেবাকেন্দ্র, সচেতনতা, প্রচারের অভাব আর মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য কম বাজেটকে দায়ী করছেন।

তিনি বলেন, ৯০ শতাংশ সেবাকেন্দ্রই ঢাকাকেন্দ্রিক। চট্টগ্রাম, রাজশাহী, ঢাকা মেডিকেল ও অনেক জেলা সদর হাসপাতালে মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞ-সাইকিয়াট্রিস্ট থাকলেও পুরো জেলায় সংখ্যাটা এক বা দুই। ফলে সমস্যায় পড়লে চিকিৎসকের তথ্য না পেয়ে ভুক্তভোগীরা ওঝা, কবিরাজের কাছে গিয়ে পানি পড়া, ঝাড়-ফুঁক নিতে বাধ্য হচ্ছেন।

২০২৪ সালে স্নাতক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যের উপর আঁচল ফাউন্ডেশনের চালানো এক গবেষণা বলছে, তাতে অংশ নেওয়া ৭৯ দশমিক ৯ শতাংশ শিক্ষার্থী হতাশায় ভোগার কথা বলেছেন। ক্যাম্পাসে মানসিক স্বাস্থ্য সেবা দেওয়া হয় কিনা, এ প্রশ্নে ৩৮ দশমিক ৩ শতাংশ শিক্ষার্থী হ্যা, ৩৫ দশমিক ৫ শতাংশ শিক্ষার্থী না উত্তর দিয়েছিলেন। আর ২৬ দশমিক ২ শতাংশ শিক্ষার্থী বলেছেন এ সম্পর্কে তারা কিছু জানেন না।

ওই গবেষণার সমন্বয়ে ছিলেন শেখ রফিকউজ্জামান। তিনি বলেন, দেশে মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে আলোচনা কম হয় এবং এই সেবাকে ‘ট্যাবু’ হিসেবে দেখা হয়। ‘শিক্ষা ব্যবস্থায় মানসিক সমস্যার উপসর্গ, স্টিগমাগুলো এখনও সেভাবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। শিক্ষার্থীদের শেখানো হয়নি কিভাবে অল্পতে সন্তুষ্ট থাকা যায়, শিক্ষার্থীরা শিক্ষকদের সঙ্গে মন খুলে কথা বলতে পারেন না।’

মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশে মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ে কর্মরত জনশক্তি প্রতি লাখ জনসংখ্যার জন্য ০.৫০ জন। সাইকিয়াট্রিস্ট প্রায় ৩৫০ (প্রতি লাখ জনসংখ্যার জন্য ০.১৭ জন), সাইকোলজিস্ট ৫৬৫ (প্রতি লাখ জনসংখ্যার জন্য ০.৩৪ জন), সাইকিয়াট্রিক সোশাল ওয়ার্কার ৭ (প্রতি লাখ জনসংখ্যার জন্য ০.০০৪ জন) ও অকুপেশনাল থেরাপিস্টের সংখ্যা ৩২৪ (প্রতি লাখ জনসংখ্যার জন্য ০.১৮ জন)।

আর মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সাধারণ চিকিৎসক ২১ হাজার ২৬৭, প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত স্বাস্থ্য কর্মী ৯ হাজার ৪০০, প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত নার্স ২৮ হাজার ১৬৫, মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ক হাসপাতালে কর্মরত সেবিকা ৭০০, স্পিচ থেরাপিস্ট ১৭২ জন রয়েছেন।

উচ্চ শিক্ষার প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে শুধুমাত্র ঢাকা ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি পড়ানো হয়। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশেষায়িত স্নাতকোত্তর কোর্স থাকলেও, আলাদা কোনো বিভাগ নেই। বর্তমানে মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটে জনবল রয়েছে চারশর কম। তবে ৮৭৯ জন জনবলের প্রস্তাব করা হয়েছে বলেছেন ইনস্টিটিউটের প্রশাসনিক কর্মকর্তা কামরুজ্জামান মুকুল।

কালের আলো/এম/এএইচ

আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপ ফাইনালে উঠলে নিষিদ্ধ হতে পারেন মেসি

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২৬, ২:৩২ পূর্বাহ্ণ
আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপ ফাইনালে উঠলে নিষিদ্ধ হতে পারেন মেসি

আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ জেতার স্বপ্ন এখনও টিকে আছে। এবার তাদের সামনে প্রতিপক্ষ সুইজারল্যান্ড, রোববার সকালে তাদের মুখোমুখি হবেন লিওনেল মেসিরা। সে ম্যাচ জিতলে নিউইয়র্কে অনুষ্ঠেয় বিশ্বকাপ ফাইনালে ওঠার পথে আরও এগিয়ে যাবে আর্জেন্টিনা।

তবে সম্ভাব্য সে ফাইনাল ঘিরে লিওনেল মেসির সামনে একটা শঙ্কাও এসে দাঁড়িয়েছে। সে ফাইনালে উঠলে নিষিদ্ধ হতে পারেন তিনি। তবে সে নিষেধাজ্ঞা আসতে পারে মেজর লিগ সকার থেকে। এমএলএসের সঙ্গে সময়সূচি নিয়ে সমস্যায় পড়তে পারেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। কারণ, অল-স্টার গেমের কাছাকাছি সময়েই পড়তে পারে বিশ্বকাপ ফাইনাল।

মূল ঘটনাটি এমন, এবারও এমএলএস অল-স্টার গেমের জন্য নির্বাচিত হয়েছেন মেসি। আগামী ২৯ জুলাই অনুষ্ঠিত হবে এই ইভেন্ট, যা আর্জেন্টিনার সম্ভাব্য বিশ্বকাপ ফাইনালের মাত্র ১০ দিন পরের ঘটনা।

বিশ্বকাপ ফাইনালের মতো ম্যাচ খেলার মানসিক ও শারীরিক চাপ অনেক বেশি। তাই আর্জেন্টিনা ফাইনালে উঠলে কিছুটা বিশ্রামের জন্য অল-স্টার গেমে না খেলার সিদ্ধান্ত নিতে পারেন মেসি। তবে এতে আবারও নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকিতে পড়তে পারেন তিনি।

গত মৌসুমে মেসি ও জর্দি আলবা দুজনেই এই ইভেন্টে খেলেননি। এতে দুজনকেই একটি করে ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছিল।

এবার আর্জেন্টিনার অধিনায়ক মেসি এবং তার সতীর্থ রদ্রিগো দে পল নির্বাচিত হয়েছেন এই ইভেন্টের জন্য। তবে ২০২৫ সালের চেয়ে এবার মেসির কাছে অনুপস্থিত থাকার আরও ভালো কারণ থাকবে, তাই হয়তো গতবারের মতো শাস্তি নাও পেতে পারেন তিনি।

২০২৬ এমএলএস অল-স্টার গেম অনুষ্ঠিত হবে ২৯ জুলাই, নর্থ ক্যারোলিনার শার্লটে ব্যাংক অব আমেরিকা স্টেডিয়ামে। টানা তৃতীয় মৌসুম এবং গত ছয় মৌসুমের মধ্যে পঞ্চমবারের মতো লিগা এমএক্সের সেরা একাদশের বিপক্ষে মুখোমুখি হবে এমএলএস অল-স্টার দল।

এবারের আসরে তারকার অভাব হবে না। থমাস মুলার (ভ্যাঙ্কুভার হোয়াইটক্যাপস), সন হিউং-মিন (এলএএফসি) এবং সম্ভবত মেসির (ইন্টার মিয়ামি) মতো তারকারা অংশ নেবেন এই আয়োজনে, যা গ্রীষ্মের অন্যতম আলোচিত ইভেন্ট হয়ে উঠতে যাচ্ছে।

এদিকে আসন্ন বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে জায়গা করে নেওয়ার লড়াইয়ে সুইজারল্যান্ডের মুখোমুখি হচ্ছে আর্জেন্টিনা। রোববার কানসাস সিটি স্টেডিয়ামে হবে এই ম্যাচ।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

 

আঞ্চলিক উত্তেজনা ইস্যুতে কাতারের আমির ও পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর ফোনালাপ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২৬, ২:২৫ পূর্বাহ্ণ
আঞ্চলিক উত্তেজনা ইস্যুতে কাতারের আমির ও পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর ফোনালাপ

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্যে টেলিফোনে কথা বলেছেন কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানি এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ।

কাতারের প্রকাশিত এক বিবৃতিতে জানানো হয়, ফোনালাপে দুই নেতা অঞ্চলের সাম্প্রতিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি ও চলমান উত্তেজনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

এ সময় তারা আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা ও মধ্যস্থতা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন। পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠায় পারস্পরিক সহযোগিতা আরও জোরদারের বিষয়েও একমত হন।

দুই নেতা আন্তর্জাতিক নৌপথ ও সমুদ্রপথের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার গুরুত্বের ওপরও জোর দেন। বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল নির্বিঘ্ন রাখতে এবং সামুদ্রিক নিরাপত্তা বজায় রাখতে সব পক্ষের সহযোগিতা চেয়েছেন তারা।

এছাড়া অঞ্চলে দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি এবং সংলাপভিত্তিক সমাধানের পক্ষে কাজ চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন দুই নেতা।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি 

মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে সরকার নিরলস কাজ করছে: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

ময়মনসিংহ প্রতিবেদক:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১০ জুলাই, ২০২৬, ১১:৩৯ অপরাহ্ণ
মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে সরকার নিরলস কাজ করছে: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে সরকার নিরলস কাজ করছে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী এমপি।

তিনি বলেন, সরকার একটি সমৃদ্ধ ও আত্মনির্ভরশীল বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে আধুনিক শিক্ষা অবকাঠামো নির্মাণের পাশাপাশি মান সম্পন্ন শিক্ষাকে গুরুত্ব দিচ্ছে।

শুক্রবার (১০ জুলাই) ময়মনসিংহের নান্দাইলে দিনের প্রথম কর্মসূচিতে দত্তপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নবনির্মিত একাডেমিক ভবনের উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন।

ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, শিক্ষার্থীদের জন্য উন্নত শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। একটি মানসম্মত শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সারাদেশে বিদ্যালয়ের অবকাঠামো উন্নয়ন অব্যাহত রয়েছে। পাশাপাশি শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ এবং প্রয়োজনীয় শিক্ষা উপকরণ সময়মত বিতরণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

পরে তিনি নান্দাইলে শশা চাষিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় যোগ দেন। সেখানে প্রতিমন্ত্রী বলেন, কৃষকরাই দেশের অর্থনীতির চালিকাশক্তি। তাদের উৎপাদিত ফসলের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত, বাজার ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকার নিরলস কাজ করছে।

তিনি বলেন, কৃষকদের যেকোনো সমস্যা সমাধানে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে।

এ সময় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, শিক্ষক, কৃষক এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এম/এএইচ