খুঁজুন
                               
, ,
           

সব খেলায় সমান গুরুত্ব, জাতীয় খেলোয়াড়দের আকর্ষণীয় সম্মানি

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ মার্চ, ২০২৬, ৫:১৩ অপরাহ্ণ
সব খেলায় সমান গুরুত্ব, জাতীয় খেলোয়াড়দের আকর্ষণীয় সম্মানি

নির্বাচনের আগে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ইশতেহারে ক্রীড়াঙ্গনকে গুরুত্ব দিয়েছিল। দেড় মাসের মধ্যেই সেই প্রতিশ্রুতি অনেকটাই বাস্তবায়নের পথে। আজ জাতীয় ক্রীড়া পরিষদে এক সংবাদ সম্মেলনে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক সেটাই তুলে ধরেন।

যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘ক্রীড়া হবে পেশা, পরিবার পাবে ভরসা’ এজন্য আমরা জাতীয় পর্যায়ের ক্রীড়াবিদদের ভাতার আওতায় আনছি। ৩০ মার্চ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ক্রীড়া কার্ড প্রদান করবেন। ক্রীড়া কার্ডের পাশাপাশি গত এক বছরে বাংলাদেশের হয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সাফল্য বয়ে আনা ক্রীড়াবিদদের সম্মাননাও প্রদান করা হবে।’

ফুটবল, ক্রিকেটের বাইরে অন্য খেলার খেলোয়াড়দের আর্থিক অবস্থা খুবই নাজুক। আর্থিক নিশ্চয়তা না পাওয়ায় অন্য খেলার খেলোয়াড়রা খেলা ছেড়ে দেন। আবার যারা তারকা তারা বিদেশে স্থায়ী হওয়ার চেষ্টা করেন। আগামীতে এই প্রবণতা কমে আসবে এমনটা মনে করেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী, ‘ভাতার পরিমাণ কত সেটা আজ আমি উল্লেখ করছি না। এটা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা করবেন অনুষ্ঠানের দিন। এটা বেশ সম্মানজনক এবং আপনারা সবাই খুব খুশি হবেন। এই আর্থিক সম্মানী পেলে ক্রীড়াবিদরা দেশের জন্য আরো বেশি অনুপ্রাণিত হবে এবং তাদের পরিবারও বাচ্চাদের ক্রীড়াঙ্গনে রাখতে চাইবে।’

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড ক্রিকেটারদের কেন্দ্রীয় চুক্তির আওতায় এনেছে। এতে ক্রিকেটাররা গ্রেড ভিত্তিক কয়েক লাখ টাকা করে বেতন পান। এরপর আবার ম্যাচ ও উইনিং ফিও রয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে আপাতত ক্রিকেটের বাইরে অন্য খেলার খেলোয়াড়দের আনা হচ্ছে, ‘৩০ মার্চ প্রথম ধাপে ১২৯ জনকে ক্রীড়া ভাতার আওতায় আনা হচ্ছে। সপ্তাহ খানেকের মধ্যে আরো অনেক খেলার খেলোয়াড় এতে আসবেন। প্রাথমিকভাবে ৫০০ জন খেলোয়াড় এই আওতায় থাকবে। ক্রিকেটাররা যেহেতু আর্থিকভাবে ভালো তাই ক্রিকেট বাদে ফুটবল থেকে শুরু করে অন্য খেলার খেলোয়াড়দের দেয়া হচ্ছে।’

জাতীয় সাঁতারু সামিউল ইসলাম রাফি থাইল্যান্ডে উচ্চ প্রশিক্ষণে ছিলেন। সেখান থেকে তিনি মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুরে আমন্ত্রণমূলক টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ করে স্বর্ণ ও রৌপ্য পদক জেতেন। যা বাংলাদেশের সাতারের বড় অর্জন কিন্তু জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ পদকপ্রাপ্ত তালিকায় রাফিকে রাখেনি। কারণ হিসেবে দেখিয়েছে তিনি জিও নিয়ে বিদেশ যাননি। অথচ তিনি মেধাবী সাঁতারু এজন্য বিশ্ব সাতারের বৃত্তি পেয়ে থাইল্যান্ড ছিলেন এবং বাংলাদেশ সাতার ফেডারেশনের অনুমোদনক্রমে ঐ দুই টুর্নামেন্টে অংশ নিয়েছিলেন। ২০২৫ সালে যুব হকি দল বিশ্বকাপে খেলেছে। আমিরুল ইসলাম যুব বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কার পেয়েছেন। শুধু এই বিশ্বকাপেই নয়, যুব বিশ্বকাপের ইতিহাসে তার চেয়ে বেশি কেউ গোল করতে পারেনি। এরপরও হকি নেই এই তালিকায়। অনুপস্থিতির কারণ হিসেবে জানা গেছে, শুধুমাত্র সিনিয়র দল বা সিনিয়র প্রতিযোগিতা গণ্য করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী ক্রীড়াবিদদের কার্ড হস্তান্তর। আপাতত এটি শুধু ক্রীড়াবিদ হিসেবে পরিচয়পত্র হিসেবে কাজ করলেও আগামীতে সামাজিক সুবিধা প্রদানের পরিকল্পনা রয়েছে। স্টেডিয়ামে খেলা দেখা, ট্রেন, হাসপাতাল কিংবা সেবামূলক খাতে যেন খেলোয়াড়রা অগ্রাধিকার পান এই কার্ডের মাধ্যমে সেটা চেষ্টা করবে ক্রীড়া মন্ত্রণালয়।

যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক অধিনায়ক। ফুটবলার হলেও তিনি ক্রিকেট নিয়ে বেশি মন্তব্য করেছেন। এ নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে খানিকটা সমালোচনাও হয়েছে। এ নিয়ে আজ ক্রীড়া মন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের কাছে সকল খেলা সমান এবং সকল খেলার একই গুরুত্ব। ক্রিকেট যেমন আমাদের খেলা, ফুটবল, হকি, আরচ্যারিও আমাদের খেলা। সকল খেলার খেলোয়াড়দেরই আমরা সমান মর্যাদা দিচ্ছি। ক্রীড়া ভাতায় সকল খেলোয়াড় সমান অর্থ পাবেন।’

বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন ক্রীড়াবিদদেরও গুরুত্ব দিয়েছে বর্তমান সরকার। প্যারা গেমসে পদক পাওয়া ক্রীড়াবিদরাও ৩০ মার্চ পুরস্কার পাবেন। এ নিয়ে তিনি বলেন, ‘প্যারা গেমসে আমাদের অনেক অর্জন। তাদেরকেও আমরা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছি। তারাও ভাতার আওতায় আসবে।’ অনেক ফেডারেশন অনেক সময় ভুল তথ্য দেয়। বিশেষ করে আর্থিক বিষয়ে তালিকা প্রণয়নে অনেক অনিয়মের অভিযোগও শোনা যায়। খেলোয়াড় তালিকার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘কয়েক স্তর যাচাই বাছাই করে তালিকা করা হয়েছে। প্রতি চার মাস পর পর এটা মূল্যায়ন হবে।’

ক্রীড়া ভাতা ও কার্ডের পাশাপাশি সরকার তৃণমূলের কর্মকান্ডের জন্য নতুন কুড়ি স্পোর্টস চালু করছে। যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘এপ্রিলে শেষের দিকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নতুন কুড়ি স্পোর্টস এক যোগে ৬৪ জেলায় উদ্বোধন করবেন আশা রাখি। এরপর আমরা ইউনিয়ন পর্যায়ে যাব। নতুন কুড়ি স্পোর্টসের মাধ্যমে মেধাবীরাও আর্থিক ভাতার আওতায় আসবে। আমরা আঞ্চলিক বিকেএসপিগুলোকেও উন্নত করছি। যেন সেখানেও ভালো মানের সুযোগ-সুবিধা থাকে।’

ক্রীড়াঙ্গনের অন্যতম বড় সমস্যা আর্থিক সীমাবদ্ধতা। অনেক ফেডারেশন নিয়মিত জাতীয় প্রতিযোগিতা আয়োজন কিংবা দল বিদেশে পাঠাতে পারে না আর্থিক কারণে। সেই সমস্যা নিরসনে কাজ করছেন বলে জানান ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী, ‘যখন খেলোয়াড় ছিলাম তখন আপনাদের মাধ্যমেই নানা সমস্যার কথা বলেছি। এখন দায়িত্বশীল জায়গায় রয়েছি, চেষ্টা করছি অনকে সমস্যা সমাধানের। আমাদেরও সীমাবদ্ধতা রয়েছে। ইতোমধ্যে আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কথা বলেছি। ফেডারেশনগুলোকে আর্থিক সহায়তা বাড়ানোর চেষ্টা চলছে। পাশাপাশি সুস্থ ক্রীড়া পরিবেশ গড়ে তুলতে মাঠ দখলমুক্তের কাজও চলছে।’

কালের আলো/এসএকে

খাদ্য নিরাপত্তায় বাংলাদেশকে ৩০০ মিলিয়ন ডলার দেবে বিশ্বব্যাংক

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৫৫ অপরাহ্ণ
খাদ্য নিরাপত্তায় বাংলাদেশকে ৩০০ মিলিয়ন ডলার দেবে বিশ্বব্যাংক

দেশের খাদ্য নিরাপত্তা জোরদার করতে বাংলাদেশকে ৩০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ঋণ দিচ্ছে বিশ্বব্যাংকের অঙ্গসংস্থা ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট অ্যাসোসিয়েশন (আইডিএ)। বিশেষ করে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের সাশ্রয়ী মূল্যে সার সরবরাহ নিশ্চিত করতে এ অর্থ ব্যয় করা হবে।

সোমবার (৫ অক্টোবর) বাংলাদেশ সরকার ও আইডিএর মধ্যে এ সংক্রান্ত ২১ কোটি ৯২ লাখ স্পেশাল ড্রয়িং রাইটসের (এসডিআর) অর্থায়ন চুক্তি সই হয়েছে। এর পরিমাণ প্রায় ৩০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের সমান।

চুক্তিতে বাংলাদেশের পক্ষে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সচিব মো. শাহরিয়ার কাদের সিদ্দিকী এবং বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশ ও ভুটানের কান্ট্রি ডিরেক্টর জঁ পেম নিজ নিজ পক্ষে স্বাক্ষর করেন।

‘ইমার্জেন্সি সাপোর্ট ফর ফুড সিকিউরিটি প্রজেক্ট’ নামের প্রকল্পটির বাস্তবায়নকাল ধরা হয়েছে ২০২৬ সালের ১ জুলাই থেকে ২০২৭ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত। অর্থ বিভাগ, বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন (বিসিআইসি) এবং বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন (বিএডিসি) যৌথভাবে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে।

চুক্তি অনুযায়ী, উত্তোলিত ঋণের ওপর বছরে ১ দশমিক ৫ শতাংশ সুদ দিতে হবে। পাঁচ বছরের গ্রেস পিরিয়ডসহ ২৫ বছরে ঋণ পরিশোধ করতে হবে। অনুত্তোলিত অর্থের ওপর সর্বোচ্চ দশমিক ৫০ শতাংশ কমিটমেন্ট ফি নির্ধারিত থাকলেও চলতি অর্থবছরের জন্য বাংলাদেশকে এ ফি মওকুফ করেছে বিশ্বব্যাংক।

ইআরডি জানিয়েছে, এই অর্থায়নের ফলে খাদ্য উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি কৃষকদের কাছে সার সরবরাহ ব্যবস্থায় সহায়তা জোরদার হবে। একই সঙ্গে বাংলাদেশ ও বিশ্বব্যাংকের দীর্ঘদিনের উন্নয়ন সহযোগিতাও আরও শক্তিশালী হবে।

কালের আলো/এএএন/এমএসআইপি 

ঢাকা থেকে খুলনা-যশোর-কুষ্টিয়া, ৩১ অক্টোবর ১১ দলের লংমার্চ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৪০ অপরাহ্ণ
ঢাকা থেকে খুলনা-যশোর-কুষ্টিয়া, ৩১ অক্টোবর ১১ দলের লংমার্চ

গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, বিদ্যুৎ-গ্যাস-জ্বালানি ও সার সংকট নিরসন, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নসহ সাত দফা দাবিতে আগামী ৩১ অক্টোবর তৃতীয় দফার লংমার্চ করবে ১১ দলীয় ঐক্য।

সোমবার (৫ অক্টোবর) রাজধানীর মিন্টো রোডে বিরোধীদলীয় নেতার সরকারি বাসভবনে ১১ দলীয় ঐক্যের বৈঠক শেষে ব্রিফিংয়ে এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ার।

তিনি জানান, ৩১ অক্টোবর শনিবার ঢাকা থেকে খুলনা, যশোর ও কুষ্টিয়া অভিমুখে এ লংমার্চ অনুষ্ঠিত হবে। এর আগে চট্টগ্রাম ও রংপুর অভিমুখে লংমার্চ কর্মসূচি সফল হয়েছে দাবি করে এবারও সবার সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

লংমার্চের সাত দফা দাবির মধ্যে রয়েছে—গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, বিদ্যুৎ-গ্যাস-জ্বালানি ও সার সংকট নিরসন, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং প্রশাসনের সর্বস্তরে দলীয়করণ বন্ধ করা।

গোলাম পরওয়ার অভিযোগ করেন, গণভোটের রায় উপেক্ষা করে সরকার সংবিধান সংশোধনের নামে যে উদ্যোগ নিয়েছে, তা গ্রহণযোগ্য নয়। জুলাই সনদের আলোকে সংবিধান সংস্কারের দাবিও জানান তিনি।

লংমার্চের কর্মসূচি অনুযায়ী, ৩১ অক্টোবর সকাল ৭টায় জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেটে উদ্বোধনী সমাবেশ হবে। সকাল ৮টায় মাওয়া সড়ক হয়ে পদ্মা সেতু পার হয়ে শরীয়তপুর, মাদারীপুর, ভাঙ্গা, গোপালগঞ্জ, ফকিরহাট ও রূপসা ব্রিজ হয়ে খুলনায় যাবে লংমার্চের বহর।

এরপর খুলনা থেকে যশোর ও ঝিনাইদহ হয়ে কুষ্টিয়ার জিলা স্কুল মাঠে পৌঁছাবে লংমার্চের বহর। রাত সাড়ে ৮টায় সেখানে সমাপনী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

পথে শরীয়তপুরের জাজিরার নাওডোবা, বাগেরহাটের ফকিরহাটের কাঁটাখালীর মোড়, খুলনা মহানগরীর বাবরী চত্বর, ফুলতলার স্বাধীনতা চত্বর, যশোরের চাচড়ার মোড় এবং ঝিনাইদহের চুয়াডাঙ্গা বাসস্ট্যান্ডে পথসভা অনুষ্ঠিত হবে।

এদিকে, লংমার্চ চলাকালে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে পুলিশ প্রশাসন, ট্রাফিক বিভাগ, গোয়েন্দা সংস্থা, পথচারী, ব্যবসায়ী ও পরিবহন শ্রমিকসহ সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা চেয়েছেন গোলাম পরওয়ার। কোনো পক্ষ উসকানি বা অশান্তি সৃষ্টির চেষ্টা করলে কর্মীদের ধৈর্য ও সংযমের সঙ্গে কর্মসূচি সফল করার আহ্বান জানান তিনি।

বৈঠকে কুষ্টিয়ায় এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর গাড়িতে হামলা, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে সাংবাদিকদের ওপর হামলা এবং শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক এমপি মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের ঘটনাতেও নিন্দা জানানো হয়।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

লাগেজ চুরি বন্ধে বিমানবন্দরের কার্যক্রম সরাসরি সম্প্রচারের দাবি

কালের আলো ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:০১ অপরাহ্ণ
লাগেজ চুরি বন্ধে বিমানবন্দরের কার্যক্রম সরাসরি সম্প্রচারের দাবি

বিমানবন্দরে যাত্রীদের লাগেজ কেটে মূল্যবান জিনিসপত্র চুরি ও লুটপাট বন্ধে লাগেজ হ্যান্ডলিংয়ের পুরো কার্যক্রম সিসিটিভি মনিটরের মাধ্যমে সরাসরি সম্প্রচারের দাবি জানিয়ে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

সোমবার (৫ অক্টোবর) জনস্বার্থে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মাহমুদুল হাসান মামুন এ নোটিশ পাঠান।

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব, বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান, দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এবং দেশের বিভিন্ন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পরিচালক ও ব্যবস্থাপকদের কাছে নোটিশটি পাঠানো হয়েছে।

নোটিশে বলা হয়, দীর্ঘদিন ধরে দেশে আসা ও বিদেশগামী যাত্রী, পর্যটক, কূটনীতিক, ব্যবসায়ী এবং বিশেষ করে প্রবাসী শ্রমিকদের লাগেজ থেকে মূল্যবান সামগ্রী চুরির অভিযোগ রয়েছে। একটি অসাধু চক্র তালাবদ্ধ লাগেজ কেটে মোবাইল ফোন, ল্যাপটপ, স্বর্ণালংকার, নগদ অর্থসহ বিভিন্ন মূল্যবান জিনিসপত্র চুরি করছে। এতে যাত্রীরা আর্থিক ক্ষতির পাশাপাশি মানসিক হয়রানির শিকার হচ্ছেন এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের ভাবমূর্তিও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়।

চুরি বন্ধে লাগেজ পরিবহন প্রক্রিয়ায় পূর্ণ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে নোটিশে। এ জন্য উড়োজাহাজের কার্গো হোল্ড থেকে লাগেজ খালাস, ট্রলিতে তোলা, র‍্যাম্প এলাকা দিয়ে পরিবহন এবং ব্যাগেজ বেল্টে পৌঁছানো পর্যন্ত পুরো কার্যক্রম উচ্চমানের সিসিটিভির আওতায় আনার প্রস্তাব করা হয়েছে।

একই সঙ্গে অ্যারাইভাল লাউঞ্জে বড় পর্দার মাধ্যমে পুরো প্রক্রিয়া যাত্রীদের সামনে সরাসরি সম্প্রচারের দাবি জানানো হয়েছে। নিরাপত্তা বা তল্লাশির প্রয়োজনে কাস্টমস কিংবা কোনো নিরাপত্তা সংস্থা যাত্রীর লাগেজ খুললে বা পরীক্ষা করলে সেই কার্যক্রমও ক্যামেরায় ধারণ করে যাত্রীর সামনে সরাসরি প্রদর্শনের ব্যবস্থা করার দাবি জানানো হয়েছে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি