খুঁজুন
                               
, ,
           

টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে এগিয়ে যাওয়ার লড়াইয়ে বাংলাদেশ

ক্রীড়া প্রতিবেদক,কালের আলো
প্রকাশিত: বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ২:১৭ পূর্বাহ্ণ
টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে এগিয়ে যাওয়ার লড়াইয়ে বাংলাদেশ

আইসিসি ওয়ার্ল্ড টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে প্রথমবারের মতো জায়গা করে নেওয়ার স্বপ্ন দেখছে বাংলাদেশ। সেই লক্ষ্য সামনে রেখে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজে মাঠে নামছে নাজমুল হোসেন শান্তর দল। অন্যদিকে, পয়েন্ট তালিকার নিচের দিকে থাকা ক্যারিবীয়দের লক্ষ্য নিজেদের অবস্থানের উন্নতি করা। ফলে দুই দলের জন্যই সিরিজটি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) মিরপুরের শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে শুরু হচ্ছে সিরিজের প্রথম টেস্ট। দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট শুরু হবে ৫ নভেম্বর সিলেটে। বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই ম্যাচেই পয়েন্ট অর্জনের সুযোগ থাকছে দুই দলের সামনে।

ফাইনালের স্বপ্নই বাংলাদেশের অনুপ্রেরণা
বর্তমানে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের পয়েন্ট তালিকার চতুর্থ স্থানে রয়েছে বাংলাদেশ। এটি দলটির জন্য উল্লেখযোগ্য অবস্থান। সামনের ম্যাচগুলোতে ভালো ফল করতে পারলে প্রথমবারের মতো ফাইনালে ওঠার সম্ভাবনাও তৈরি হতে পারে। সিরিজের আগে সংবাদ সম্মেলনে অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত বলেন, টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে খেলার সম্ভাবনাকে তাঁরা চাপ হিসেবে নয়, বরং অনুপ্রেরণা হিসেবে দেখছেন।

শান্তর ভাষ্য, দল প্রস্তুতি শুরুর পর থেকেই সাম্প্রতিক সিরিজগুলোতে নিজেদের পারফরম্যান্স নিয়ে আলোচনা করেছে। বাড়তি কিছু করার চেষ্টা না করে নিজেদের স্বাভাবিক খেলা এবং ইতিবাচক ফল এনে দেওয়া প্রক্রিয়াগুলো অনুসরণ করতে চান তাঁরা। অধিনায়ক বলেন, গুরুত্বপূর্ণ সিরিজ হলেও দল নিজেদের পরিকল্পনা অনুযায়ী খেলতে চায়। খেলোয়াড়দের ওপর অবাস্তব প্রত্যাশা না চাপিয়ে নিজেদের সামর্থ্য অনুযায়ী পারফর্ম করার দিকেই মনোযোগ দিচ্ছেন তাঁরা।

চার জয়ে ফাইনালের সম্ভাবনা
ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজের পর দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে যাবে বাংলাদেশ। এরপর জানুয়ারিতে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ঘরের মাঠে দুই টেস্টের সিরিজ খেলার কথা রয়েছে। সব মিলিয়ে সামনে থাকা ছয়টি টেস্ট বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা সমীকরণ অনুযায়ী, এই ছয় ম্যাচের মধ্যে চারটিতে জিততে পারলে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে ওঠার সম্ভাবনা তৈরি হবে বাংলাদেশের সামনে। তবে চূড়ান্ত অবস্থান নির্ভর করবে অন্য দলগুলোর ফল এবং পয়েন্ট তালিকার হিসাবের ওপরও। অন্যদিকে, বর্তমানে তালিকার আট নম্বরে থাকা ওয়েস্ট ইন্ডিজের লক্ষ্য সেরা ছয়ের মধ্যে থেকে চক্র শেষ করা। ফলে সিরিজের প্রতিটি ম্যাচেই পয়েন্ট অর্জনের জন্য লড়তে হবে ক্যারিবীয়দের।

পরিসংখ্যানে এগিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ
টেস্ট ক্রিকেটে মুখোমুখি লড়াইয়ের পরিসংখ্যানে বাংলাদেশের চেয়ে এগিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। দুই দল এখন পর্যন্ত ২২টি টেস্ট খেলেছে। এর মধ্যে ক্যারিবীয়রা জিতেছে ১৫টিতে, বাংলাদেশ পাঁচটিতে। বাকি দুটি ম্যাচ ড্র হয়েছে। এটি দুই দলের ১২তম টেস্ট সিরিজ। আগের সিরিজগুলোর মধ্যে ওয়েস্ট ইন্ডিজ আটটি এবং বাংলাদেশ দুটি জিতেছে। একটি সিরিজ ড্র হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

বাংলাদেশের মাটিতে দুই দলের আগের ১০ টেস্টের মধ্যে ওয়েস্ট ইন্ডিজ জিতেছে সাতটিতে। বাংলাদেশ জয় পেয়েছে দুটি ম্যাচে, অন্যটি ড্র হয়েছে। মিরপুরে দুই দলের আগের চার টেস্টের তিনটিতে জিতেছে ক্যারিবীয়রা, বাংলাদেশ জিতেছে একটিতে। ২০২১ সালে মিরপুরে সর্বশেষ টেস্টে বাংলাদেশকে ১৭ রানে হারিয়েছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। এবার ঘরের মাঠে সেই পরিসংখ্যান বদলানোর লক্ষ্য থাকবে স্বাগতিকদের।

সাম্প্রতিক ফল নিয়ে সতর্ক বাংলাদেশ
সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের পারফরম্যান্সে ধারাবাহিকতার ঘাটতি দেখা গেছে। পাকিস্তানের বিপক্ষে ঘরের মাঠে দুই টেস্টের সিরিজ ২-০ ব্যবধানে জয়ের পর জিম্বাবুয়ের মাঠে ইনিংস ব্যবধানে হারের অভিজ্ঞতা হয়েছে দলের। পরে অস্ট্রেলিয়া সফরে ডারউইন টেস্টে স্বাগতিকদের হারিয়ে নিজেদের সামর্থ্যের প্রমাণ দেয় বাংলাদেশ। তবে সম্প্রতি আবুধাবিতে আফগানিস্তানের বিপক্ষে একমাত্র টেস্ট ড্র করার পর ত্রিদেশীয় সিরিজের দুই ম্যাচেই হেরেছে দলটি। এমন পরিস্থিতিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ বাংলাদেশের জন্য নিজেদের গুছিয়ে নেওয়ার সুযোগও। ঘরের মাঠে পরিচিত কন্ডিশন কাজে লাগিয়ে ভালো ফল করতে চাইবে শান্তর দল।

পেস আক্রমণে তাসকিনসহ চারজন
গুরুত্বপূর্ণ এই সিরিজে বাংলাদেশের পেস আক্রমণে থাকছেন তাসকিন আহমেদ, এবাদত হোসেন, হাসান মাহমুদ ও শরিফুল ইসলাম। তাঁদের ভূমিকা এবং কন্ডিশন অনুযায়ী খেলোয়াড় নির্বাচন নিয়ে আশাবাদী অধিনায়ক শান্ত।

তিনি বলেন, পেসাররা প্রত্যেকে নিজেদের ভূমিকা সম্পর্কে জানেন। কোন পরিস্থিতিতে কে খেলবেন, সে বিষয়েও তাঁদের ধারণা রয়েছে। সিরিজের যেকোনো ম্যাচে খেলার জন্য প্রত্যেকে প্রস্তুত থাকাটা দলের জন্য ইতিবাচক দিক বলে মনে করেন তিনি। সব মিলিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজে বাংলাদেশের সামনে রয়েছে দুটি লক্ষ্য—টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের পয়েন্ট তালিকায় নিজেদের অবস্থান ধরে রাখা এবং ফাইনালের স্বপ্নের পথে এগিয়ে যাওয়া। তবে প্রতিপক্ষের বিপক্ষে অতীতের পরিসংখ্যান ও সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সের ওঠানামা বিবেচনায় নিয়ে প্রতিটি ম্যাচেই সতর্ক থাকতে হবে স্বাগতিকদের।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি

আইজিপির বক্তব্য নিয়ে ব্যাখ্যা দিল বিপিএসএ

নিজস্ব প্রতিবেদক, কালের আলো
প্রকাশিত: বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ২:০৩ পূর্বাহ্ণ
আইজিপির বক্তব্য নিয়ে ব্যাখ্যা দিল বিপিএসএ

আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে পুলিশ সদস্যরা অযথা দ্বিধাগ্রস্ত হলে অপরাধীরা উৎসাহিত হতে পারে এবং সামগ্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থার কার্যকারিতা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে মনে করছে বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন (বিপিএসএ)। একই সঙ্গে আইনের সীমার মধ্যে থেকে দৃঢ়তা, নিরপেক্ষতা ও পেশাদারত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের ওপর গুরুত্ব দিয়েছে সংগঠনটি।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক ও ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার শামীমা পারভীনের সই করা এক বিবৃতিতে এসব কথা জানানো হয়। বিবৃতিতে দেশের পরিবর্তিত আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, মব কালচার এবং ৫ আগস্ট-পরবর্তী প্রেক্ষাপটে পুলিশ সদস্যদের পেশাগত দায়িত্ব পালন ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়েছে।

আইজিপির বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল বিপিএসএ
সোমবার পুরান ঢাকার চকবাজারে একটি কমিউনিটি ব্যাংকের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) দেওয়া বক্তব্যকে প্রচলিত আইন ও বিধিবিধানের আলোকে বিবেচনা করার আহ্বান জানিয়েছে বিপিএসএ। সংগঠনটির বিবৃতিতে বলা হয়, আইজিপির বক্তব্যের মূল তাৎপর্য ছিল—আইনের সীমার মধ্যে থেকে পরিস্থিতি অনুযায়ী যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া এবং পুলিশ সদস্যদের পেশাগত আত্মবিশ্বাস ও দায়িত্ব পালনের সক্ষমতা নিশ্চিত করা। বিপিএসএর মতে, অপরাধ দমনে আইনগত ক্ষমতা প্রয়োগের ক্ষেত্রে পুলিশ সদস্যদের অযথা দ্বিধাগ্রস্ত হওয়া উচিত নয়। দায়িত্ব পালনের সময় আইন প্রয়োগে অকারণ দ্বিধা তৈরি হলে অপরাধীরা উৎসাহিত হতে পারে। এতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির আরও অবনতির আশঙ্কা রয়েছে বলেও মনে করে সংগঠনটি।

১০ মাসে পুলিশের ওপর ১৭৬ হামলা
বিবৃতিতে পুলিশ সদস্যদের ওপর হামলার পরিসংখ্যান তুলে ধরে বিপিএসএ জানায়, ২০২৬ সালের প্রথম ১০ মাসে দায়িত্ব পালনকালে পুলিশ সদস্যদের ওপর ১৭৬টি হামলার ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় চারজন পুলিশ সদস্য নিহত হয়েছেন এবং গুরুতর আহত হয়েছেন ৩৭০ জন। সংগঠনটির ভাষ্য, পুলিশের ওপর হামলার এসব ঘটনা সদস্যদের নিরাপত্তা ও উপযুক্ত কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে। দায়িত্ব পালনকালে পুলিশ সদস্যদের ব্যক্তিগত আত্মরক্ষার অধিকার এবং প্রচলিত আইন ও বিধিবিধান অনুসরণের সুযোগ নিশ্চিত করা জরুরি। বিপিএসএ মনে করে, নিরাপদ কর্মপরিবেশ থাকলে পুলিশ সদস্যরা আরও আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে পারবেন। তবে সেই দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে আইনগত সীমারেখা মেনে চলার বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

আইনের মধ্যে থেকেই দৃঢ়ভাবে দায়িত্ব পালনের তাগিদ
বিবৃতিতে বলা হয়, বাংলাদেশ পুলিশ সংবিধান ও প্রচলিত আইন অনুসরণ করে কার্যক্রম পরিচালনা করে। এসব আইনের মধ্যে রয়েছে দণ্ডবিধি, ১৮৬০; ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮; পুলিশ আইন, ১৮৬১ এবং পুলিশ রেগুলেশনস অব বেঙ্গল। তবে মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে পুলিশ সদস্যদের বিভিন্ন প্রতিকূলতার মুখোমুখি হতে হচ্ছে বলে উল্লেখ করেছে সংগঠনটি। এ পরিস্থিতিতে আইন অতিক্রম না করে দৃঢ়তা, নিরপেক্ষতা ও পেশাদারত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। বিপিএসএর মতে, অপরাধ দমন ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি পুলিশের প্রতি জনগণের আস্থা সুদৃঢ় করাও গুরুত্বপূর্ণ। এ জন্য আইন প্রয়োগে পেশাদার আচরণ, নিরপেক্ষতা এবং বিধিবিধানের যথাযথ অনুসরণ প্রয়োজন।

জননিরাপত্তায় পুলিশের সক্ষমতা বাড়ানোর আহ্বান
বিবৃতিতে আইজিপির বক্তব্যকে অপরাধ দমনে কার্যকর ভূমিকা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তা রক্ষায় পুলিশের সক্ষমতা আরও জোরদার করার সময়োপযোগী আহ্বান হিসেবে বিবেচনা করার অনুরোধ জানিয়েছে পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন। সংগঠনটির বক্তব্য অনুযায়ী, পুলিশ সদস্যদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং আইন প্রয়োগে তাঁদের পেশাগত আত্মবিশ্বাস বজায় রাখা—দুটি বিষয়ই গুরুত্বপূর্ণ। একই সঙ্গে দায়িত্ব পালনের প্রতিটি ক্ষেত্রে আইনগত সীমা, নিরপেক্ষতা ও পেশাদারত্ব বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি

৩১ অক্টোবর ১১ দলের লংমার্চ, বাধা এলে কঠোর অবস্থানের ঘোষণা

নিজস্ব প্রতিবেদক, কালের আলো
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:০৮ অপরাহ্ণ
৩১ অক্টোবর ১১ দলের লংমার্চ, বাধা এলে কঠোর অবস্থানের ঘোষণা

আগামী ৩১ অক্টোবর অনুষ্ঠেয় ঢাকা-খুলনা-কুষ্টিয়া লংমার্চে কোনো ধরনের বাধা বা অপতৎপরতা চালানো হলে তা প্রতিহত করার হুঁশিয়ারি দিয়েছে ১১ দলীয় ঐক্য। গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাই ও শাপলা চত্বরের হত্যাকাণ্ডের বিচার, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি রোধ, বিদ্যুৎ-গ্যাস সংকট নিরসন এবং দুর্নীতি-চাঁদাবাজি বন্ধের দাবিতে এ কর্মসূচি পালন করবে জোটটি।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) রাজধানীর মিন্টো রোডে বিরোধীদলীয় নেতার সরকারি বাসভবনে ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতাদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক এসব কথা জানান। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।

মামুনুল হক জানান, লংমার্চের তৃতীয় ধাপের কর্মসূচি আগামী ৩১ অক্টোবর সকাল ৭টায় বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেটে উদ্বোধনী সমাবেশের মধ্য দিয়ে শুরু হবে। এরপর বিভিন্ন স্থানে সমাবেশ শেষে কর্মসূচি কুষ্টিয়ায় গিয়ে শেষ হবে।

তিনি বলেন, লংমার্চ সফল করতে প্রশাসন সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে। তবে কোনো পক্ষ অপতৎপরতা চালালে যেকোনো মূল্যে তা প্রতিহত করা হবে।

গোপালগঞ্জের ওপর দিয়ে লংমার্চ যাওয়ার বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে মামুনুল হক বলেন, তাঁরা সেখানে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির আশঙ্কা করছেন না। কর্মসূচিতে ইসলামপন্থি ও দেশপ্রেমিক বিপুলসংখ্যক মানুষ অংশ নেবেন বলে আশা করছেন তাঁরা। কোনো অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে এর দায় সরকার ও প্রশাসনকে নিতে হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

সরকারের সমালোচনা করে খেলাফত মজলিসের আমির বলেন, বিরোধী দল সরকারকে সহযোগিতার মনোভাব নিয়ে কাজ করলেও সরকারের আচরণে তার প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে না। প্রয়োজনে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন মামুনুল হক। তাঁর অভিযোগ, ইসি সচিব পর্যায়ে দলীয় বিবেচনায় নিয়োগ এবং ঠাকুরগাঁও উপনির্বাচনে কমিশনের ভূমিকা নিয়ে তাঁদের প্রশ্ন রয়েছে। ভোটাধিকার নিয়ে ছিনিমিনি খেলা হলে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে বড় ধরনের কর্মসূচি দেওয়া হতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

এ ছাড়া পুলিশের মহাপরিদর্শকের বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড বা ক্রসফায়ার নিয়ে সাম্প্রতিক বক্তব্যের সমালোচনা করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক রাষ্ট্রীয় সফর নিয়েও প্রশ্ন তুলে সফরে অংশগ্রহণকারীদের নির্বাচন নিয়ে সমালোচনা করেন।

বৈঠকে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, এলডিপির প্রেসিডেন্ট কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ, জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারসহ ১১ দলীয় ঐক্যের বিভিন্ন দলের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

চাকরি খোঁজার গণ্ডি পেরিয়ে উদ্যোক্তা : ৪০ হাজার তরুণের স্বপ্ন ও সম্ভাবনার নতুন দরজা খুললেন মন্ত্রী

মো.শামসুল আলম খান, কালের আলো
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:২৭ অপরাহ্ণ
চাকরি খোঁজার গণ্ডি পেরিয়ে উদ্যোক্তা : ৪০ হাজার তরুণের স্বপ্ন ও সম্ভাবনার নতুন দরজা খুললেন মন্ত্রী

একটি চাকরি বদলে দিতে পারে একটি পরিবারের ভাগ্য। আর একজন সফল উদ্যোক্তা বদলে দিতে পারেন একটি এলাকার অর্থনৈতিক চিত্র। এই দুই সম্ভাবনাকে এক সুতোয় গেঁথে বিরামপুরে আয়োজিত হলো ‘জব ফেয়ার দিনাজপুর ২০২৬’। তবে এই আয়োজনের গুরুত্ব কেবল কতজন চাকরি পেলেন, তার হিসাবেই সীমাবদ্ধ নয়। এর কেন্দ্রে রয়েছে আরও বড় একটি প্রশ্ন—উত্তরাঞ্চলের তরুণেরা কি শুধু চাকরি খুঁজবেন, নাকি নিজেরাই হয়ে উঠবেন নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির শক্তি?

এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতেই যেন নতুনভাবে গুরুত্ব পেয়েছে দিনাজপুরের বিরামপুর সরকারি কলেজ মাঠে মঙ্গলবারের (২৭ অক্টোবর) চাকরি মেলা। নারী ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন এমপির বক্তব্যে আরও স্পষ্ট। যেখানে সরকারের কর্মসংস্থান ভাবনায় তরুণদের শুধু চাকরিপ্রার্থী হিসেবে দেখার গণ্ডি পেরিয়ে তাঁদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলার আকাঙ্ক্ষাও রয়েছে।

  • বিরামপুরে ‘জব ফেয়ার দিনাজপুর ২০২৬’-এ শতাধিক প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণ
  • তাৎক্ষণিক চাকরি শতাধিক, জমা পড়েছে লক্ষাধিক সিভি
  • তরুণদের আত্মনির্ভরশীল করে পিছিয়ে থাকা জনপদের অর্থনৈতিক সম্ভাবনা জাগিয়ে তোলার প্রত্যয় মন্ত্রীর

মন্ত্রী বলেছেন, ‘বর্তমান সরকার যুবসমাজকে কেবল চাকুরির সন্ধানে সীমাবদ্ধ না রেখে বিভিন্ন প্রয়োজনীয় দক্ষতা ও আধুনিক উপকরণ সরবরাহের মাধ্যমে তরুণদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতেও বদ্ধপরিকর।’ তাঁর এই বক্তব্যের মধ্যেই চাকরি মেলার তাৎপর্য খুঁজে পাওয়া যায়। কারণ, চাকরির সুযোগ তৈরি করা জরুরি। কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে অর্থনৈতিক অগ্রগতির জন্য এমন একটি প্রজন্মও প্রয়োজন, যারা নিজের যোগ্যতায় কাজ খুঁজে নেওয়ার পাশাপাশি অন্যের জন্য কাজের সুযোগ তৈরি করতে পারবে। চাকরির বাজারে প্রবেশের প্রস্তুতি এবং উদ্যোক্তা হওয়ার সক্ষমতা—দুই ক্ষেত্রেই তরুণদের এগিয়ে নেওয়ার বার্তা দিয়েছে অনন্য এই আয়োজন।

এক মাঠে ৪০ হাজারের বেশি চাকরিপ্রত্যাশী, স্বপ্নের পরিধি আরও বড়
বিরামপুরের মাঠে এদিন শুধু জীবনবৃত্তান্ত জমা পড়েনি। যেন জমা পড়েছে হাজারো তরুণের কর্মজীবন শুরুর প্রত্যাশা। কেউ এসেছিলেন একটি চাকরির আশায়। কেউ আবার নিজের যোগ্যতা তুলে ধরতে, কেউবা ভবিষ্যতের সম্ভাবনা খুঁজতে। দেশি-বিদেশি শতাধিক খ্যাতনামা প্রতিষ্ঠানের স্টল ঘিরে চাকরিপ্রার্থীদের উপচে পড়া ভিড় প্রমাণ করেছে, সুযোগের দরজা খুলে দিলে তরুণেরা সেখানে পৌঁছাতে আগ্রহী।

আয়োজকদের তথ্য বলছে, মেলায় ২৫ হাজার নিবন্ধিত প্রার্থীসহ ৪০ হাজারের বেশি চাকরিপ্রত্যাশী অংশগ্রহণ করেন। তাৎক্ষণিকভাবে শতাধিক চাকরিপ্রত্যাশী চাকরি লাভ করেন। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে জমা পড়ে লক্ষাধিক জীবনবৃত্তান্ত বা সিভি। যাচাই-বাছাই শেষে এসব সিভি থেকে আনুষ্ঠানিক নিয়োগপ্রক্রিয়া শিগগিরই শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। এখানে জব ফেয়ারকে সাধারণ নিয়োগ আয়োজনের চেয়ে বড় করে দেখার সুযোগ রয়েছে। একটি চাকরি একজনকে স্বাবলম্বী করতে পারে; আর একটি সফল উদ্যোগ নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে বহু মানুষের জীবনে পরিবর্তন আনতে পারে। এই দুই পথকে সামনে রেখেই তরুণদের ভবিষ্যৎ নির্মাণের কথা বলেছেন মন্ত্রী।

‘মানুষকে ভুলিয়ে কথা বলে ভোট নেয়ার জন্য বিএনপি রাজনীতি করে না’
কর্মসংস্থান ও সাধারণ মানুষের ভাগ্যোন্নয়নের প্রশ্নকে রাজনৈতিক অঙ্গীকারের সঙ্গে যুক্ত করে সমাজকল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেন, ‘মানুষকে ভুলিয়ে কথা বলে ভোট নেয়ার জন্য বিএনপি রাজনীতি করে না। বিএনপি সাধারণ মানুষের ভাগ্য উন্নয়নের জন্য এবং শ্রেণি ও ধর্ম নির্বিশেষে প্রত্যেকটি মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য রাজনীতি করে। এটি যেমন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের মূল নীতি, তেমনি এটি বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক দিকদর্শন। সেই লক্ষ্যেই এই চাকরি মেলার আয়োজন করা হয়েছে।’ সাধারণত কর্মসংস্থান মানুষের আয়ের সুযোগ তৈরি করে, পরিবারের আর্থিক নিরাপত্তা বাড়ায় এবং অর্থনীতিতে সক্রিয় অংশগ্রহণের পথ খুলে দেয়। এখানে মন্ত্রীর বক্তব্যেও সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নকে রাজনীতির অন্যতম লক্ষ্য হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।

চাকরি খোঁজার মানসিকতা থেকে চাকরি দেওয়ার সক্ষমতা
একজন তরুণ চাকরি পেলেন—এটি সাফল্য। কিন্তু সেই তরুণ ভবিষ্যতে আরও দশজনের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে পারলেন—সেই সাফল্যের সামাজিক প্রভাব আরও বড়। উদ্যোক্তা তৈরির প্রসঙ্গে মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন এই বিষয়ে বিশেষভাবে গুরুত্ব দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘সরকারের অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য হলো যুবসমাজকে জাগিয়ে তোলা এবং তাদের মেধা ও প্রতিভার পূর্ণ বিকাশ ঘটিয়ে অবাধ সুযোগ সৃষ্টি করা, যাতে করে তারা সফল উদ্যোক্তা হতে পারে।’

শুধু চাকরি খোঁজার মানসিকতার বাইরে এসে তরুণদের উদ্যোগী হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেছেন, ‘যুবসমাজকে সমাজের সর্বস্তরের মানুষের জন্য নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করার লক্ষ্যে চিন্তা ও বাস্তবমুখী কাজ করতে হবে।’ মন্ত্রী আরও বলেন, ‘সরকারের মূল লক্ষ্য হলো তরুণদের মনোজগতে উদ্যোক্তা হওয়ার শক্তিশালী আকাঙ্ক্ষা ও অনুপ্রেরণা তৈরি করা। এই জব ফেয়ার তরুণদের মাঝে নতুন উদ্দীপনা জোগাবে এবং তাদের আত্মনির্ভরশীল ও স্বাবলম্বী হওয়ার বাস্তব পথ দেখাবে।’

যে জনপদকে জাগিয়ে তুলতে হবে তারুণ্যের শক্তিতে
বিরামপুরের প্রসঙ্গে মন্ত্রী যে ভৌগোলিক বাস্তবতার কথা তুলে ধরেছেন, তা এ চাকরি মেলার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক। উন্নয়নের আলোচনা অনেক সময় বড় শহর, শিল্পকেন্দ্র কিংবা সহজ যোগাযোগের এলাকাকে ঘিরে আবর্তিত হয়। কিন্তু তুলনামূলকভাবে দূরবর্তী জনপদের তরুণদের মেধা ও শ্রমও দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতির সমান গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ। মন্ত্রী বলেন, ‘এলাকাটি একটি অবহেলিত অঞ্চল। কারণ এটি জয়পুরহাট, বগুড়া, গাইবান্ধা, রংপুর বা দিনাজপুর কোনোটিরই একদম কাছে নয়। দিনাজপুর জেলা সদর থেকেও এর দূরত্ব ১১০ কিলোমিটার। এই অবস্থায় এলাকাটিকে জাগিয়ে তুলতে হলে তরুণ-তরুণীদের সুপ্ত প্রতিভার বিকাশ ঘটানো সবচেয়ে জরুরি।’

এখানে তাঁর বক্তব্যে একটি বাস্তব উন্নয়ন-চ্যালেঞ্জ উঠে এসেছে। ভৌগোলিক দূরত্বের কারণে কোনো অঞ্চলের তরুণেরা যদি বড় প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ, প্রশিক্ষণ কিংবা নিয়োগের সুযোগ কম পান, তাহলে তাঁদের যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও কর্মজীবনের পথ কঠিন হতে পারে। সেই ব্যবধান কমাতে স্থানীয় পর্যায়ে বড় পরিসরের চাকরি মেলার আয়োজন কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।

তরুণদের সামনে তিনটি দৃষ্টান্ত
উদ্যোক্তা হওয়ার অর্থ শুধু আর্থিক সাফল্য অর্জন নয়—সামাজিক দায়বদ্ধতা ও মানবিক মূল্যবোধের বিষয়টিও সামনে এনেছেন মন্ত্রী। তরুণ প্রজন্মকে দেশের সফল উদ্যোক্তা ও সমাজসেবীদের আদর্শ অনুসরণের আহ্বান জানিয়ে ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেছেন, ‘দানবীর রণদা প্রসাদ সাহা, জহুরুল ইসলাম ও স্যামসন এইচ চৌধুরীর মতো সফল উদ্যোক্তা ও মানবিক গুণসম্পন্ন আলোকিত মানুষ হতে হবে।’ এমন মানসিকতা তৈরি হলে উদ্যোক্তা হওয়ার আকাঙ্ক্ষা শুধু নিজের ভাগ্য পরিবর্তনের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না; তা অন্য মানুষের জীবনে সুযোগ তৈরির পথও হয়ে উঠবে। একটি সফল উদ্যোগ তখনই বৃহত্তর অর্থে মূল্যবান হয়ে ওঠে, যখন তার সুফল উদ্যোক্তার পাশাপাশি কর্মী, পরিবার ও স্থানীয় সমাজের কাছেও পৌঁছায়।

মন্ত্রী বলেন, ‘তরুণ সমাজকে উদ্বুদ্ধ করতেই এ চাকরি মেলার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে তাদের মধ্যে যে জাগরণ তৈরি হবে, সেটিকে কাজে লাগিয়ে ভবিষ্যতে আরো বড় পরিসরে কাজ করা হবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘নতুন ও আগামী প্রজন্মের জন্য কেবল দিনাজপুর ছয়টি আসন নয়, বরং পুরো দিনাজপুর জেলাকে সামর্থ্যবান হিসেবে তুলে ধরার লক্ষ্য নিয়ে তারা কাজ করছেন।’

বিরামপুর থেকে যে বার্তা ছড়িয়ে পড়তে পারে
একটি মাঠে ৪০ হাজারের বেশি চাকরিপ্রত্যাশীর সমাগম একদিকে কর্মসংস্থানের চাহিদার ব্যাপকতা তুলে ধরে, অন্যদিকে সুযোগ তৈরির ক্ষেত্রে বড় পরিসরের উদ্যোগের গুরুত্বও সামনে আনে। তবে এই সমাবেশের সবচেয়ে বড় তাৎপর্য সংখ্যার বাইরেও—তরুণদের সম্ভাবনাকে কাজে লাগানোর একটি নতুন দৃষ্টিভঙ্গিতে। মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনের বক্তব্যে যে লক্ষ্য উঠে এসেছে, তা হলো তরুণদের চাকরির সুযোগ দেওয়ার পাশাপাশি তাঁদের মেধা, দক্ষতা ও উদ্যোগী মনোভাবকে কাজে লাগানো। এই লক্ষ্য বাস্তবায়িত হলে একজন চাকরিপ্রার্থী কর্মজীবনে প্রতিষ্ঠিত হতে পারেন, একজন উদ্যোক্তা নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে পারেন, আর একটি পিছিয়ে থাকা জনপদ ধীরে ধীরে অর্থনৈতিক সক্ষমতার নতুন পরিচয় পেতে পারে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দিনাজপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম, দিনাজপুর-৫ আসনের সংসদ সদস্য এ জেড এম রেজওয়ানুল হক এবং দিনাজপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক মো. মোফাজ্জল হোসেন দুলাল। আরও উপস্থিত ছিলেন দিনাজপুরের জেলা প্রশাসক মো. রফিকুল ইসলাম, পুলিশ সুপার মো. জেদান আল মুসা, বিরামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।

কালের আলো/এমএসএএকে/এমএএএমকে