খুঁজুন
                               
, ,
           

কে পাবেন এবারের ব্যালন ডি’অর

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৯ মার্চ, ২০২৬, ৪:৩৪ অপরাহ্ণ
কে পাবেন এবারের ব্যালন ডি’অর

ইউরোপিয়ান ক্লাব ফুটবলের চলতি মৌসুম যত শেষের দিকে এগোচ্ছে, ততই উত্তেজনা বাড়ছে বিশ্বের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ ব্যক্তিগত ফুটবল পুরস্কার ব্যালন ডি’অর ঘিরে। কে হতে যাচ্ছেন এবারের সেরা ফুটবলার এ নিয়ে ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা-সমালোচনা।

বর্তমান পারফরম্যান্স বিবেচনায় ব্যালন ডি’অর জয়ের দৌড়ে বেশ কয়েকজন তারকা ফুটবলার স্পষ্টভাবেই এগিয়ে আছেন। তাদের মধ্যে অন্যতম কিলিয়ান এমবাপ্পে। ধারাবাহিক গোল, দুরন্ত গতি এবং বড় ম্যাচে প্রভাব সব মিলিয়ে রিয়াল মাদ্রিদের এই ফরাসি তারকা আবারও নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দিচ্ছেন।

একইভাবে গোল করার ধারাবাহিকতায় আলোচনায় রয়েছেন আর্লিং হালান্ড। প্রতি ম্যাচেই গোল করার অভ্যাসে পরিণত করা এই নরওয়েজিয়ান স্ট্রাইকার ব্যালন ডি’অরের দৌড়ে শক্ত অবস্থানে রয়েছেন। তবে তার দল ম্যানচেস্টার সিটি ইতোমধ্যে চ্যাম্পিয়নস লিগ থেকে ছিটকে পড়ায় তার সম্ভাবনায় কিছুটা প্রভাব পড়তে পারে।

অন্যদিকে মিডফিল্ড থেকে অসাধারণ পারফরম্যান্স করে নজর কাড়ছেন জুড বেলিংহাম। গোল করা, আক্রমণ গড়া এবং দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে নেতৃত্ব দেওয়া সব দিক থেকেই নিজেকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন এই ইংলিশ তরুণ। অনেক বিশ্লেষকের মতে, অলরাউন্ড পারফরম্যান্সের বিচারে তিনিই এখন সবচেয়ে এগিয়ে।

বড় ম্যাচের পারফরম্যান্সে আলোচনায় আছেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। বিশেষ করে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে তার প্রভাব এবং গোল করার ক্ষমতা তাকে ব্যালন ডি’অরের আলোচনার কেন্দ্রেই রেখেছে। একইসঙ্গে ফ্রান্সের উইঙ্গার উসমান দেম্বেলে ধারাবাহিক পারফরম্যান্সে আবারও আলোচনায় ফিরেছেন।

তবে এবারের দৌড়ে নতুন করে যুক্ত হয়েছেন আরও কয়েকজন তারকা। বার্সেলোনার তরুণ প্রতিভা লামিনে ইয়ামাল দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে সবার নজর কেড়েছেন। অন্যদিকে আর্সেনালের মিডফিল্ডের প্রাণভোমরা ডেকলান রাইস দলের সাফল্যে রাখছেন বড় অবদান।

পিএসজির মিডফিল্ডার ভিতিনিয়া মাঝমাঠে নিয়ন্ত্রণ, সৃজনশীলতা এবং ধারাবাহিক পারফরম্যান্সে নিজের জায়গা করে নিয়েছেন আলোচনায়। এ ছাড়া বায়ার্ন মিউনিখের ইংলিশ স্ট্রাইকার হ্যারি কেইন গোলের ধারাবাহিকতা ধরে রেখে ব্যালন ডি’অরের দৌড়ে নিজের অবস্থান আরও শক্ত করেছেন।

সবকিছু মিলিয়ে বলা যায়, এবারের ব্যালন ডি’অর লড়াই হতে যাচ্ছে হাড্ডাহাড্ডি। ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সের পাশাপাশি দলীয় সাফল্যও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে। মৌসুমের শেষভাগের পারফরম্যান্সই শেষ পর্যন্ত ঠিক করে দেবে কার হাতে উঠবে বিশ্বের সেরা ফুটবলারের এই মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার।

কালের আলো/এসএকে

পরিকল্পিত নগরায়নে প্রতিটি জেলা-সিটি করপোরেশনে মাস্টারপ্ল্যান: প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:২৬ অপরাহ্ণ
পরিকল্পিত নগরায়নে প্রতিটি জেলা-সিটি করপোরেশনে মাস্টারপ্ল্যান: প্রধানমন্ত্রী

পরিকল্পিত নগরায়নের লক্ষ্যে দেশের প্রতিটি সিটি করপোরেশন ও জেলায় মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়ন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

তিনি বলেন, নিরাপদ, অন্তর্ভুক্তিমূলক, জলবায়ু-সহনশীল ও টেকসই নগর গড়ে তোলার পাশাপাশি সবার জন্য পর্যাপ্ত, নিরাপদ ও সাশ্রয়ী আবাসন নিশ্চিত করতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সোমবার (৫ অক্টোবর) ‘বিশ্ব বসতি দিবস ২০২৬’ উপলক্ষে রোববার (৪ অক্টোবর) দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, পরিকল্পিত নগরায়ন ও টেকসই উন্নয়নের মাধ্যমে নিরাপদ, স্বাস্থ্যসম্মত ও বসবাসযোগ্য নগর গড়ে তোলাই বিশ্ব বসতি দিবস উদযাপনের অন্যতম উদ্দেশ্য। ১৯৮৬ সাল থেকে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অক্টোবরের প্রথম সোমবার দিবসটি পালিত হয়ে আসছে। এবার ‘সর্বজনীন বাসস্থান, টেকসই নগরায়ন’ প্রত্যয় সামনে রেখে দিবসটি পালিত হচ্ছে।

দ্রুত নগরায়ন, জনসংখ্যা বৃদ্ধি এবং ক্রমবর্ধমান আবাসন চাহিদার প্রেক্ষাপটে জাতিসংঘ ঘোষিত এবারের প্রতিপাদ্য ‘সবার জন্য পর্যাপ্ত আবাসন’ অত্যন্ত সময়োপযোগী বলে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, সবার জন্য নিরাপদ, সাশ্রয়ী, পরিবেশসম্মত ও মর্যাদাপূর্ণ আবাসন নিশ্চিত করা এবং পরিকল্পিত, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই নগরায়ন বর্তমান সরকারের অন্যতম অঙ্গীকার। এ লক্ষ্যে আবাসন, নগর পরিকল্পনা, নাগরিক সেবা, পরিবেশ সুরক্ষা ও জলবায়ু সহনশীলতাকে সমন্বিত করে দীর্ঘমেয়াদি নীতি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশেষ করে নিম্ন আয়ের মানুষের আবাসন নিশ্চিতকরণ ও সুষম নগর উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। বস্তিবাসী মানুষের আবাসনের মালিকানা অর্জনের সুযোগ সৃষ্টি এবং সমন্বিত পানি ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতিও রয়েছে সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে।

তিনি বলেন, ‘সবার জন্য বাসস্থান’ শুধু একটি ঘরের নিশ্চয়তা নয়; এর সঙ্গে নিরাপদ পানি, স্যানিটেশন, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ ও প্রয়োজনীয় নাগরিক সেবার সমন্বিত নিশ্চয়তাও জড়িত।

রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন শহর ও নগর দ্রুত সম্প্রসারিত হলেও অপরিকল্পিত নগরায়ন, যানজট, দূষণ, অপর্যাপ্ত নাগরিক সেবা, আবাসন সংকট ও জলবায়ুজনিত অভিবাসন নগরজীবনে নানা চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে বলে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।

এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সুষম আঞ্চলিক উন্নয়ন, পরিকল্পিত নগরায়ন এবং নিম্ন আয়ের পরিবার ও বস্তিবাসীদের জন্য সাশ্রয়ী আবাসন নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সিলেট, ময়মনসিংহ, বরিশাল, কুমিল্লা, রংপুর ও নারায়ণগঞ্জে উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ গঠনের মাধ্যমে পরিকল্পিত ও সুষম নগর উন্নয়নের প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি আরও শক্তিশালী করা হচ্ছে। এসব উদ্যোগ নিরাপদ, অন্তর্ভুক্তিমূলক, জলবায়ু-সহনশীল ও টেকসই নগর গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

তিনি আরও বলেন, টেকসই আবাসন ও নগরায়ন নিশ্চিত করা শুধু সরকারের একার দায়িত্ব নয়। বেসরকারি বিনিয়োগকারী, স্থানীয় জনগোষ্ঠী, এনজিও, সামাজিক সংগঠন, গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সমন্বিত অংশগ্রহণ প্রয়োজন।

বিশেষ করে নিম্ন আয়ের মানুষের আবাসন, বস্তি উন্নয়ন, পানি ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং পরিবেশ সুরক্ষায় সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চায়, যেখানে নগর ও গ্রাম নির্বিশেষে প্রত্যেক মানুষ নিরাপদ ও সাশ্রয়ী আবাসন, প্রয়োজনীয় নাগরিক সেবা এবং সুস্থ, পরিচ্ছন্ন ও মর্যাদাপূর্ণ পরিবেশে বসবাসের সুযোগ পাবে।

পরিকল্পিত ও সুষম উন্নয়নের মাধ্যমে মানবিক, বাসযোগ্য ও টেকসই বাংলাদেশ গড়ে তোলাই সরকারের লক্ষ্য বলেও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

কারা অধিদপ্তরের নতুন মহাপরিদর্শক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আনোয়ারুল কবীর

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:১৪ অপরাহ্ণ
কারা অধিদপ্তরের নতুন মহাপরিদর্শক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আনোয়ারুল কবীর

কারা অধিদপ্তরের নতুন মহাপরিদর্শক (আইজি প্রিজন্স) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আনোয়ারুল কবীর।

রোববার (৪ অক্টোবর) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আনোয়ারুল কবীরকে কারা অধিদপ্তরের কারা মহাপরিদর্শক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

একই আদেশে কর্নেল মো. সাইদুল ইসলামকে অতিরিক্ত কারা মহাপরিদর্শক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে কারা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত কারা মহাপরিদর্শক কর্নেল মোহাম্মদ মোস্তফা কামালকে সেনাবাহিনীতে প্রত্যাবর্তন করা হয়েছে।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জারি করা প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এসব নিয়োগ ও বদলির আদেশ কার্যকর করা হয়েছে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

ডিআইজি-এসপিসহ পুলিশের ২৪ কর্মকর্তার দপ্তর বদল

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:৩৩ অপরাহ্ণ
ডিআইজি-এসপিসহ পুলিশের ২৪ কর্মকর্তার দপ্তর বদল

পুলিশের ডিআইজি ও অতিরিক্ত ডিআইজিসহ ঊর্ধ্বতন ২৪ কর্মকর্তাকে বদলি করে নতুন দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

রোববার (৪ অক্টোবর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপসচিব তৌছিফ আহমেদ স্বাক্ষরিত পৃথক তিনটি প্রজ্ঞাপনে এসব বদলি ও পদায়নের আদেশ দেওয়া হয়।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, স্পেশাল রেসপন্স ইউনিটের (এসআরইউ) ডিআইজি ড. মো. আক্কাস উদ্দিন ভূঁইয়াকে পুলিশ স্টাফ কলেজে, পুলিশের বিশেষ শাখার (এসবি) ডিআইজি মো. মাহমুদুর রহমানকে পুলিশ স্টাফ কলেজে এবং অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) ডিআইজি মোহাম্মদ হাসান বারী নূরকে ম্যাস র‌্যাপিড ট্রানজিটে (মেট্রোরেল) পদায়ন করা হয়েছে।

এ ছাড়া সিআইডির পুলিশ সুপার এ টি এম মোশাররফ হোসেন ও ডিএমপির উপপুলিশ কমিশনার (ডিসি) সৈয়দ মোহাম্মদ ফরহাদকে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের উপপুলিশ কমিশনার হিসেবে বদলি করা হয়েছে।

পুলিশ স্টাফ কলেজের পুলিশ সুপার মাহবুবুল আলমকে সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার, কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালে সংযুক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ হুমায়ুন কবিরকে ট্যুরিস্ট পুলিশে এবং এসবির পুলিশ সুপার আশ্রাফুজ্জামানকে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের উপপুলিশ কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) পুলিশ সুপার ইয়াছমিন খাতুনকে এসবিতে, পুলিশ সদর দপ্তরের এআইজি নিশাত এ্যঞ্জেলাকে ট্যুরিস্ট পুলিশে এবং বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের উপপুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ ইমদাদ হুসাইনকে এসআরইউয়ের পুলিশ সুপার করা হয়েছে।

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের উপপুলিশ কমিশনার কবীর আহম্মেদকে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের উপপুলিশ কমিশনার হিসেবে বদলি করা হয়েছে।

অন্য এক প্রজ্ঞাপনে রংপুর রেঞ্জ ডিআইজির কার্যালয়ের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেনকে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের উপপুলিশ কমিশনার, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের উপপুলিশ কমিশনার শেখ শরীফুল ইসলামকে শেরপুর ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারের কমান্ড্যান্ট এবং খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের উপপুলিশ কমিশনার এম এম শাকিলুজ্জামানকে ময়মনসিংহ ডিআইজি কার্যালয়ের পুলিশ সুপার করা হয়েছে।

বরিশাল রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ের পুলিশ সুপার ড. মো. সাইফুল্লাহ বিন আনোয়ারকে রাজারবাগ কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালে সংযুক্ত করা হয়েছে। রংপুর রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি (চলতি দায়িত্বে) শাহ মমতাজুল ইসলামকে চট্টগ্রাম আরআরএফের কমান্ড্যান্ট অতিরিক্ত ডিআইজি এবং টিডিএসের অতিরিক্ত ডিআইজি মিজানুর রহমানকে রংপুর পিটিসিতে বদলি করা হয়েছে।

এ ছাড়া এসআরইউয়ের পুলিশ সুপার মোছা. শিরিন আক্তার জাহানকে পুলিশ সদর দপ্তরের পুলিশ সুপার করা হয়েছে।

অন্যদিকে পুলিশ সদর দপ্তরের এআইজি ড. মো. মঞ্জুরে আলম প্রামাণিককে ট্যুরিস্ট পুলিশে, এসআরবির পরিচালক মো. মোশাররফ হোসেনকে পুলিশ সদর দপ্তরের অতিরিক্ত ডিআইজি, টিডিএসের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আব্দুল হালিমকে সিআইডিতে এবং সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার মুহাম্মদ রেজাউল মাসুদকে সাতক্ষীরা ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারের কমান্ড্যান্ট করা হয়েছে।

এ ছাড়া সিআইডির পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নজরুল ইসলামকে নীলফামারী ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারের কমান্ড্যান্ট হিসেবে বদলি করা হয়েছে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি