খুঁজুন
                               
, ,
           

বিএনপির রাজনীতি হলো মুনাফেকি সুবিধাবাদের রাজনীতি : মামুনুল হক

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:৫৪ অপরাহ্ণ
বিএনপির রাজনীতি হলো মুনাফেকি সুবিধাবাদের রাজনীতি : মামুনুল হক

বাংলাদেশে বিএনপির রাজনীতি মুনাফেকি আর সুবিধাবাদের রাজনীতি বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির আল্লামা মামুনুল হক। তিনি বলেছেন, জুলাই বিপ্লবের রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে নতুন এই বাংলাদেশে এ ধরনের রাজনীতি এ দেশের মানুষ আর সহ্য করবে না।

শনিবার (৪ এপ্রিল) বিকেলে রাজধানীর বায়তুল মোকাররম উত্তর গেটে ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা মহানগর শাখার উদ্যোগে আয়োজিত এক ‘সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিলে’ প্রধান বক্তার বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

গণভোটের রায়ের বিরুদ্ধে সরকারি দলের অবস্থানের প্রতিবাদে এবং অবিলম্বে গণরায় বাস্তবায়নের দাবিতে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

বিক্ষোভোত্তর সমাবেশে মামুনুল হক বলেন, সরকারের প্রবর্তিত যেসব অধ্যাদেশ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে, সেগুলো বিএনপির খুব পছন্দ। কিন্তু যেসব প্রস্তাবনা জাতির কাছে জবাবদিহি করতে বাধ্য করে, সেগুলোই তাদের কাছে অপছন্দ। তিনি অভিযোগ করেন, নির্বাচন-পূর্ববর্তী সময়ে বিএনপি জনসম্মুখে এক কথা বললেও নেপথ্যে ভিন্ন আচরণ করেছে।

বিএনপি প্রধানের উদ্দেশে তিনি বলেন, তলে তলে এক কথা আর প্রকাশ্যে আরেক কথা বলাকে আমাদের দেশে মুনাফেকি বলা হয়। বিএনপির রাজনীতির দুটি বুনিয়াদ আজ জাতির সামনে স্পষ্ট– এক মুনাফেকি আর অন্যটি সুবিধাবাদ।

মামুনুল হক আরও বলেন, জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে যদি বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শন করেন এবং গণরায়কে হাইকোর্ট দেখান, তবে এ দেশের মানুষ রাজপথে আপনাদের মোকাবিলা করবে। ৭০ শতাংশ জনগণের বিপক্ষে গিয়ে ক্ষমতার মসনদে টিকে থাকা যাবে না।

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার সন্তানের দৃষ্টি আকর্ষণ করে তিনি বলেন, জনতার বিরুদ্ধে গিয়ে কোনো বিশেষ কায়দায় নির্বাচন করার চেষ্টা করলে তার পরিণাম আপনাদেরই ভোগ করতে হবে। অতীতে আপনাদের ভুলের খেসারত আমাদের ২৫ বছর ধরে দিতে হয়েছে, গুম-খুন ও হত্যার শিকার হতে হয়েছে। আমরা চাই আপনারা সুন্দরভাবে দেশ পরিচালনা করুন এবং জনগণের রায়ের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন করুন।

জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ও সংসদ সদস্য এ টি এম আজহারুল ইসলামের সভাপতিত্বে সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন খেলাফত মজলিসের মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদের, জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি ড. এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ, এনসিপির সদস্যসচিব আকতার হোসেন এমপি এবং লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান প্রমুখ।

সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি বায়তুল মোকাররম থেকে শুরু হয়ে নাইটিঙ্গেল মোড় হয়ে কাকরাইলে গিয়ে শেষ হয়।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

মেসির পেনাল্টি মিসে পিছিয়ে থেকে প্রথমার্ধে আর্জেন্টিনা

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬, ১০:৫৯ অপরাহ্ণ
মেসির পেনাল্টি মিসে পিছিয়ে থেকে প্রথমার্ধে আর্জেন্টিনা

চলতি আসরে প্রথমবার আর্জেন্টিনা পিছিয়ে থেকে প্রথমার্ধ শেষ করল। শুরুতেই তারা গোল হজম করে। পেনাল্টি মিস করার কারণে গোল শোধ দিতে পারেনি তারা। মিশর ১-০ গোলে এগিয়ে থেকে দ্বিতীয়ার্ধে খেলা শুরু করবে।

শুরুতেই আর্জেন্টিনার জাল কাঁপায় মিশর। ১৫ মিনিটে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা ১-০ গোলে পিছিয়ে পড়ে।

মিশরীয় ডিফেন্ডার ইয়াসির ইব্রাহিম ডি-বক্সের মাঝখান থেকে দুর্দান্ত এক হেড করেন। বলটিকে পোস্টের ডানদিকের নিচের কোণ দিয়ে জালের ভেতরে পাঠান তিনি। কর্নার থেকে উড়ে আসা বলে ক্রস বাড়িয়ে এই গোলটিতে অ্যাসিস্ট করেন মারওয়ান আতিয়া।

১৫ মিনিটে গোল খাওয়ার পর পাঁচ মিনিটের ব্যবধানে গোল শোধ দেওয়ার সুযোগ পেয়েছিল আর্জেন্টিনা। কিন্তু পেনাল্টি থেকে গোল করতে পারেননি মেসি।

তাগলিয়াফিকো মিশরের বক্সের মধ্যে ফাউলের শিকার হন। ২১ মিনিটে মেসি পেনাল্টি কিক নেন। তার বাম পায়ের শট বাঁ দিকে ডাইভ দিয়ে ফিরিয়ে দেন মোস্তফা শোবেইর।

বিশ্বকাপে নেওয়া মোট ৮টি পেনাল্টির মধ্যে ৪টিই মিস করলেন মেসি। চলতি বিশ্বকাপে এটি তার দ্বিতীয় পেনাল্টি মিস। এর আগে অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে গ্রুপ পর্বের ম্যাচে পেনাল্টি গোল করতে পারেননি তিনি।

মেসি শটটি গোলরক্ষকের বাঁ দিক ঘেঁষে নিলেও তাতে যথেষ্ট গতি ছিল না। মিশরের গোলরক্ষক মোস্তফা সঠিক উচ্চতায় থাকা বলটিকে দারুণভাবে প্রতিহত করেন।

গোলরক্ষক মোস্তফার জন্যও এটি এই টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় পেনাল্টি সেভ। এর আগে গ্রুপ পর্বে ইরানের তারেমির পেনাল্টিও তিনি একইভাবে আটকে দিয়েছিলেন।

২৮ মিনিটে আরেকবার আর্জেন্টিনাকে ফিরিয়ে দেন মোস্তফা। রদ্রিগো ডি পলের ক্রসে ম্যাক অ্যালিস্টারের হেড ডানদিকে ঝুঁকে রুখে দেন তিনি।

১০ মিনিট পর মেসির বাঁ পায়ের শট গোলবারের অনেক উপর দিয়ে যায়। পরের মিনিটেই তাগলিয়াফিকোর কাটব্যাক থেকে বল পেয়ে আলভারেজ শট নেন। বাঁ দিকে ঝাঁপিয়ে পড়ে বল রুখে দেন মোস্তফা।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি 

শ্রীপুরে পোশাক কারখানায় হঠাৎ অর্ধশতাধিক শ্রমিক অসুস্থ, ছুটি ঘোষণা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬, ৯:২২ অপরাহ্ণ
শ্রীপুরে পোশাক কারখানায় হঠাৎ অর্ধশতাধিক শ্রমিক অসুস্থ, ছুটি ঘোষণা

গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার তেলিহাটি ইউনিয়নের টেপিরবাড়ি এলাকায় অবস্থিত কালার অ্যান্ড কোং লিমিটেড কারখানায় প্রায় অর্ধশতাধিক শ্রমিক হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। পরে পরিস্থিতি বিবেচনায় কর্তৃপক্ষ তাৎক্ষণিক কারখানার সকল শ্রমিকের জন্য ১ দিনের সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সকালে উপজেলার তেলিহাটি ইউনিয়নের টেপিরবাড়ি এলাকায় অবস্থিত ‘কালার অ্যান্ড কোং লিমিটেড’ কারখানায় এ ঘটনাটি ঘটে। অসুস্থ শ্রমিকদের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তাদের ধারণা শ্রমিকরা ‘প্যানিক অ্যাটাক’-এ আক্রান্ত হয়েছেন।

শ্রমিকদের দাবি, একটি ফ্লোরে হঠাৎই একে একে শ্রমিকরা বমি, মাথা ঘোরা ও শারীরিক অসুস্থতা অনুভব করতে শুরু করেন। অনেকেই মেঝেতে পড়ে যান। ঘটনার পর কারখানাজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

শাহানাজ বেগম  নামে এক শ্রমিক জানান, কিছুদিন আগে একই ফ্লোরে লিজা বেগম নামে এক শ্রমিক মারা যান। এবারও ওই ফ্লোরে অসুস্থ হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। অসুস্থ শ্রমিক সুমি আক্তার বলেন, কাজ করার সময় হঠাৎ মাথা ঘুরতে শুরু করে।

এরপর পেটে ব্যথা ও বমি বমি ভাব দেখা দেয়। পরে আমাকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। অসুস্থ শ্রমিকদের মাওনা চৌরাস্তার বিভিন্ন প্রাইভেট  হাসপাতাল গুলোতে  চিকিৎসা  দেওয়া হয়।

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়  ৮০ থেকে ৯০ জন শ্রমিককে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ৭ জনকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে স্থানান্তর করা হয়েছে। অন্যদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর অনেকেই বাসায় চলে গেছেন।

তবে আরও অসুস্থ শ্রমিক আসছেন। গুরুতর অসুস্থ শ্রমিকরা হলেন- মোমেনা (২৮), মিনু (২৬), সনিয়া (২১), কাকলি (৩০), মারুফা (৩০), রায়তুন নাহার (২৭) ও মামুন (৩২)।

শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহীনুর আলম  বলেন, খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। সেখানে প্রথমে কয়েকজন শ্রমিক অসুস্থ হয়ে পড়েন। এরপর আরও অনেকে অসুস্থ হন। এ ঘটনায় কারখানা কর্তৃপক্ষ আজ ছুটি ঘোষণা করেছে। এ বিষয়ে তদন্ত চলমান।

শ্রীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাহিদ ভূঁইঞা বলেন, ঘটনার পরপরই অসুস্থ শ্রমিকদের দেখতে হাসপাতালে যাই। অসুস্থ শ্রমিকদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তরে এ বিষয়ে কারখানা কর্তৃপক্ষ কোনো বক্তব্য দেয়নি।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

১৩ জুলাই বরিশাল যাবেন প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬, ৯:২১ অপরাহ্ণ
১৩ জুলাই বরিশাল যাবেন প্রধানমন্ত্রী

Oplus_131072

জাতীয় নির্বাচনের পর এই প্রথম আগামী ১৩ জুলাই বরিশাল সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এই সফরে তিনি গৌরনদীর কসবায় সেনাবাহিনীর অস্থায়ী ক্যাম্পে গ্রীষ্মকালীন মহড়া পরিদর্শন করবেন। পাশাপাশি বিভাগীয় শহর বরিশালে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ও সাংগঠনিক সভায় অংশ নেবেন।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) বিকেলে গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও বরিশাল জেলা পরিষদ প্রশাসক আকন কুদ্দুসুর রহমান।

তিনি বলেন, ১৩ জুলাই সকাল ৯টায় ঢাকা থেকে রওনা দেবেন তারেক রহমান। গৌরনদীর কসবায় সেনাবাহিনীর অস্থায়ী ক্যাম্পে গ্রীষ্মকালীন মহড়া পরিদর্শন শেষে তিনি বরিশাল নগরে আসবেন। বরিশালে এসে তিনি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেবেন। বেলসপার্ক, লেক কিংবা গ্র্যান্ড পার্কের আশপাশে এ কর্মসূচি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

তিনি জানান, দুপুরের পর বরিশাল শিল্পকলা অ্যাকাডেমিতে বরিশাল নগর, জেলা দক্ষিণ ও উত্তর বিএনপি এবং অঙ্গসংগঠনের নেতাদের নিয়ে সাংগঠনিক সভা করবেন প্রধানমন্ত্রী।

এ বিষয়ে বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বিলকিস আক্তার জাহান শিরীন গণমাধ্যমকে বলেন, গৌরনদীতে সেনা ক্যাম্প পরিদর্শনের পর বিকেলে কর্মিসভায় জেলা ও মহানগর কর্মীদের সঙ্গে কথা বলবেন তারেক রহমান। বৃষ্টির জন্য ইনডোরে শিল্পকলায় সভাটি করা হচ্ছে। এ ছাড়া তারেক রহমানের বৃক্ষরোপণ এবং আলেম-ওলামাদের সঙ্গে মতবিনিময়ের কথাও রয়েছে।

বরিশালবাসীর প্রত্যাশা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বরিশালে ৬ লেন সড়ক, রেল লাইন, বরিশাল ভোলা সেতু, গ্যাস সরবরাহ, ইপিজেড— এসব দাবির কথা প্রধানমন্ত্রী জানেন। এরপরও বরিশালের জনগণের এসব প্রত্যাশার কথা সুযোগ অনুযায়ী তুলে ধরা হবে।

কালের আলো/এসএকে