খুঁজুন
                               
, ,
           

নতুন সভাপতি হয়ে বিসিবির বোর্ডসভা ডাকলেন তামিম!

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:৫৮ অপরাহ্ণ
নতুন সভাপতি হয়ে বিসিবির বোর্ডসভা ডাকলেন তামিম!

বাংলাদেশ ক্রিকেটে আবারও বড় এক ধাক্কা লেগেছে। জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি) হঠাৎ করেই বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) বর্তমান পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দিয়েছে। তার জায়গায় গঠন করা হয়েছে ১১ সদস্যের একটি অ্যাডহক কমিটি, যার নেতৃত্বে রয়েছেন জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবাল।

মঙ্গলবার বিকেলে এনএসসির ক্রীড়া পরিচালক আমিনুল এহসান এক সংবাদ সম্মেলনে এই নাটকীয় সিদ্ধান্তের কথা জানান। এর আগে তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন জমা পড়ে, যেখানে গত অক্টোবরের বিসিবি নির্বাচনে স্বচ্ছতা ও অনিয়ম নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তোলা হয়। সেই রিপোর্টের কয়েক দিনের মধ্যেই এই বড় পদক্ষেপ নেওয়া হলো।

এদিকে দায়িত্ব পেয়েই বোর্ড সভার আহবান করেছেন সাবেক অধিনায়ক। সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায় বৈঠক ডাকা হয়েছে। বৈঠকে দায়িত্বপ্রাপ্ত সকল সদস্য উপস্থিত থাকবেন বলে জানা গেছে।

বিসিবির অভ্যন্তরীণ অস্থিরতা অনেক দিন ধরেই চলছিল। ২৫ সদস্যের বোর্ডের মধ্যে ইতোমধ্যে সাতজন পরিচালক পদত্যাগ করেছেন। নির্বাচন প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ উঠেছিল অনেক আগে থেকেই। সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবালসহ অনেকেই এ নিয়ে সরব ছিলেন। প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরিয়ান আমিনুল ইসলাম বুলবুলের নেতৃত্বাধীন বোর্ড শেষ পর্যন্ত এই চাপের মুখে ভেঙে পড়ল।

এনএসসি জানিয়েছে, আইন অনুযায়ী এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নতুন অ্যাডহক কমিটির মেয়াদ তিন মাস। এই সময়ের মধ্যে তারা বোর্ড চালাবে এবং পরবর্তী নির্বাচনের প্রস্তুতি নেবে বলে আশা করা হচ্ছে।

অ্যাডহক কমিটি গঠন নিয়ে এনএসসির পরিচালক (ক্রীড়া) আমিনুল এহসান বলেন, ‘আমরা মনে করি অত্যন্ত স্বচ্ছতার সাথে কমিটি গঠন করা হয়েছে, কমিটি রিপোর্ট দিয়েছে এবং ওই রিপোর্টকে যথাযথভাবে পর্যালোচনা করেই আইনি কাঠামোর ভেতরে থেকেই এই সিদ্ধান্তটি গ্রহণ করা হয়েছে। সুতরাং এই সিদ্ধান্তটি আশা করি অবশ্যই বলবৎ থাকবে।’

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়েছে, বিসিবি ভেঙে দেওয়ার সিদ্ধান্ত এবং নতুন কমিটির নাম আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলকে (আইসিসি) ইমেইলের মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। আইসিসির অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে এখন।

কালের আলো/এসআর/এএএন

পাবলিক প্লেসে পরোক্ষ ধূমপানের শিকার প্রায় ৩ কোটি ৮৪ লাখ

কালের আলো ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:১০ অপরাহ্ণ
পাবলিক প্লেসে পরোক্ষ ধূমপানের শিকার প্রায় ৩ কোটি ৮৪ লাখ

দেশে প্রায় ৩ কোটি ৭৮ লাখ প্রাপ্তবয়স্ক তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার করেন। একই সঙ্গে কর্মক্ষেত্রসহ পাবলিক প্লেস ও পরিবহনে প্রায় ৩ কোটি ৮৪ লাখ প্রাপ্তবয়স্ক পরোক্ষ ধূমপানের শিকার হন।

সোমবার (৫ অক্টোবর) গাজীপুর নগর ভবনের সভাকক্ষে গাজীপুর সিটি করপোরেশন ও ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন অব দ্য রুরাল পূউর (ডর্‌প)-এর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত তামাক নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক মতবিনিময় সভায় এসব তথ্য জানানো হয়।

সভায় ডর্‌পের তামাক নিয়ন্ত্রণ প্রকল্পের সমন্বয়কারী জেবা আফরোজা গ্লোবাল অ্যাডাল্ট টোব্যাকো সার্ভে (GATS) ২০১৭-এর তথ্য তুলে ধরে জানান, কর্মক্ষেত্রের অভ্যন্তরীণ এলাকায় ৪২ দশমিক ৭ শতাংশ, পাবলিক পরিবহনে ৪৪ শতাংশ এবং রেস্তোরাঁয় প্রায় ৪৯ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্ক পরোক্ষ ধূমপানের সংস্পর্শে এসেছেন।

দ্য ল্যানসেট-এর গবেষণার উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি বলেন, ২০২৩ সালে পরোক্ষ ধূমপানের কারণে বিশ্বে প্রায় ১৭ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়েছে। বাংলাদেশে তামাকজনিত রোগে প্রতিবছর প্রায় ২ লাখ মানুষের অকালমৃত্যু ঘটে। তামাকের কারণে স্বাস্থ্যসেবা ব্যয় ও উৎপাদনশীলতা হ্রাসসহ দেশের অর্থনৈতিক ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৮৭ হাজার কোটি টাকা।

সভায় গাজীপুর সিটি করপোরেশনের কার্যালয়গুলোতে ধূমপানমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করার অঙ্গীকার করা হয়। প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. শওকত হোসেন সরকার বলেন, ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০০৫ (সংশোধনী ২০২৬)-এর প্রাসঙ্গিক বিধান কার্যকর করাসহ সব অফিসে ধূমপানমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে ধারাবাহিক উদ্যোগ নেওয়া হবে।

সভায় সভাপতিত্ব করেন গাজীপুর সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মিজ তানজিলা খানম। আলোচনায় তামাকের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানো, সিটি করপোরেশনের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং আইন কার্যকর করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

ডর্‌পের পক্ষ থেকে জানানো হয়, করপোরেশনের বিভিন্ন কার্যালয়ে গণবিজ্ঞপ্তি, সতর্কীকরণ সাইনবোর্ড ও প্রয়োজনীয় উপকরণ স্থাপনের পাশাপাশি তামাকমুক্ত কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে ধারাবাহিক কার্যক্রম চালানো হবে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

পূজা উপলক্ষে মার্কেট-শপিংমল খোলা থাকবে রাত ১০টা পর্যন্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:০২ অপরাহ্ণ
পূজা উপলক্ষে মার্কেট-শপিংমল খোলা থাকবে রাত ১০টা পর্যন্ত

শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে আগামী ২২ অক্টোবর পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন শপিংমল, মার্কেট ও দোকান রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সোমবার (৫ অক্টোবর) বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের বিদ্যুৎ বিভাগ থেকে সিটি করপোরেশনের মেয়র বা প্রশাসক, বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকদের এ বিষয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

চিঠিতে বলা হয়েছে, আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে আগামী ২২ অক্টোবর পর্যন্ত বিভিন্ন শপিংমল, মার্কেট ও দোকান বেলা ১১টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা থাকবে।

তবে ২৩ অক্টোবর থেকে আগের সময়সূচি কার্যকর হবে। সে অনুযায়ী বেলা ১১টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত শপিংমল, মার্কেট ও দোকান খোলা থাকবে।

পূজাকে কেন্দ্র করে ক্রেতাদের কেনাকাটার সুবিধা এবং ব্যবসায়ীদের বেচাকেনার সুযোগ বাড়াতেই নির্ধারিত সময় সাময়িকভাবে বাড়ানো হয়েছে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

খাদ্য নিরাপত্তায় বাংলাদেশকে ৩০০ মিলিয়ন ডলার দেবে বিশ্বব্যাংক

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৫৫ অপরাহ্ণ
খাদ্য নিরাপত্তায় বাংলাদেশকে ৩০০ মিলিয়ন ডলার দেবে বিশ্বব্যাংক

দেশের খাদ্য নিরাপত্তা জোরদার করতে বাংলাদেশকে ৩০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ঋণ দিচ্ছে বিশ্বব্যাংকের অঙ্গসংস্থা ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট অ্যাসোসিয়েশন (আইডিএ)। বিশেষ করে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের সাশ্রয়ী মূল্যে সার সরবরাহ নিশ্চিত করতে এ অর্থ ব্যয় করা হবে।

সোমবার (৫ অক্টোবর) বাংলাদেশ সরকার ও আইডিএর মধ্যে এ সংক্রান্ত ২১ কোটি ৯২ লাখ স্পেশাল ড্রয়িং রাইটসের (এসডিআর) অর্থায়ন চুক্তি সই হয়েছে। এর পরিমাণ প্রায় ৩০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের সমান।

চুক্তিতে বাংলাদেশের পক্ষে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সচিব মো. শাহরিয়ার কাদের সিদ্দিকী এবং বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশ ও ভুটানের কান্ট্রি ডিরেক্টর জঁ পেম নিজ নিজ পক্ষে স্বাক্ষর করেন।

‘ইমার্জেন্সি সাপোর্ট ফর ফুড সিকিউরিটি প্রজেক্ট’ নামের প্রকল্পটির বাস্তবায়নকাল ধরা হয়েছে ২০২৬ সালের ১ জুলাই থেকে ২০২৭ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত। অর্থ বিভাগ, বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন (বিসিআইসি) এবং বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন (বিএডিসি) যৌথভাবে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে।

চুক্তি অনুযায়ী, উত্তোলিত ঋণের ওপর বছরে ১ দশমিক ৫ শতাংশ সুদ দিতে হবে। পাঁচ বছরের গ্রেস পিরিয়ডসহ ২৫ বছরে ঋণ পরিশোধ করতে হবে। অনুত্তোলিত অর্থের ওপর সর্বোচ্চ দশমিক ৫০ শতাংশ কমিটমেন্ট ফি নির্ধারিত থাকলেও চলতি অর্থবছরের জন্য বাংলাদেশকে এ ফি মওকুফ করেছে বিশ্বব্যাংক।

ইআরডি জানিয়েছে, এই অর্থায়নের ফলে খাদ্য উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি কৃষকদের কাছে সার সরবরাহ ব্যবস্থায় সহায়তা জোরদার হবে। একই সঙ্গে বাংলাদেশ ও বিশ্বব্যাংকের দীর্ঘদিনের উন্নয়ন সহযোগিতাও আরও শক্তিশালী হবে।

কালের আলো/এএএন/এমএসআইপি