খুঁজুন
                               
, ,
           

পশ্চিমবঙ্গে তালিকা থেকে বাদ ৯০ লাখের বেশি ভোটার, বেশির ভাগই মুসলিম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:০০ অপরাহ্ণ
পশ্চিমবঙ্গে তালিকা থেকে বাদ ৯০ লাখের বেশি ভোটার, বেশির ভাগই মুসলিম

পশ্চিমবঙ্গের ভোটার তালিকা সংশোধন (এসআইআর) ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে উত্তেজনা তুঙ্গে উঠেছে। সোমবার গভীর রাতে ভারতের নির্বাচন কমিশন প্রকাশিত জেলা-ভিত্তিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গে মোট ৯০ লাখ ৮৩ হাজার ৩৪৫ জনের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে। তাদের সিংহভাগই মুসলিম বলে উঠে এসেছে একটি সমাজ-গবেষণা প্রতিষ্ঠানের বিশ্লেষণে।

কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, বিশেষ সংশোধন প্রক্রিয়ার আওতায় মোট ৬০ লাখ ৬ হাজার ৬৭৫ জন ভোটারকে ‘বিবেচনাধীন’ তালিকায় রাখা হয়েছিল। তাদের মধ্যে যাচাই-বাছাইয়ের পর ৩২ লাখ ৬৮ হাজার ১১৯ জনের নাম পুনরায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, অন্যদিকে ২৭ লাখ ১৬ হাজার ৩৯৩ জনের নাম চূড়ান্তভাবে বাদ দেওয়া হয়েছে।

এর আগে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত প্রথম চূড়ান্ত তালিকাতেই ৬৩ লাখ ৬৬ হাজার ৯৫২ জনের নাম বাদ পড়েছিল। ফলে সব মিলিয়ে বাদ পড়া নামের সংখ্যা ৯০ লাখের গণ্ডি পেরিয়ে গেল। যদিও তৃণমূল সভানেত্রী ও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছিলেন প্রায় ১ কোটি ২০ লক্ষ ভোটারের নাম বাদ যাবে।

জেলা অনুযায়ী পরিসংখ্যানে দেখা যাচ্ছে, মুর্শিদাবাদেই সবচেয়ে বেশি ৪ লাখ ৫৫ হাজার ১৩৭ জনের নাম বাদ পড়েছে। তার পরেই রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা (৩ লাখ ২৫ হাজার ৬৬৬) এবং মালদহ (২ লাখ ৩৯ হাজার ৩৭৫)। এই তিন জেলাতেই ছাঁটাইয়ের মাত্রা তুলনামূলক বেশি।

তবে এখনও প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হয়নি বলেই জানিয়েছে কমিশন। বিবেচনাধীন তালিকার ৫৯ লাখ ৮৪ হাজার ৫১২ জনের তথ্য প্রকাশিত হলেও, প্রায় ২২ হাজারের বেশি ক্ষেত্রে ই-স্বাক্ষর বাকি রয়েছে। সেই প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হলে চূড়ান্ত সংখ্যায় কিছু পরিবর্তন হতে পারে বলেও ইঙ্গিত মিলেছে।

এদিকে পশ্চিমবঙ্গের সমাজ গবেষণা সংস্থা ‘সবর ইনস্টিটিউট’এর বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, ভোটার তালিকা সংশোধনের ফলে যাদের নাম বাদ পড়েছে, তাদের সিংহভাগই মুসলমান। বিশেষ করে বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীর আসন নন্দীগ্রামে যে ভোটারদের নাম বাদ পড়েছে, তাদের ৯৫.৫ শতাংশই মুসলিম।

২০২১ সালের বিধানসভা ভোটের তথ্য বলছে নন্দীগ্রামে আড়াই লক্ষের বেশি ভোটারের মধ্যে প্রায় ২৬ শতাংশ মুসলিম। প্রথমে ২৮ ফেব্রুয়ারিতে প্রকাশিত খসড়া তালিকায় নন্দীগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্রের ১০ হাজারেরও বেশি ভোটারের নাম বিবেচনাধীন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছিল। পরে অতিরিক্ত তালিকা মিলিয়ে নন্দীগ্রামের ভোটার তালিকা থেকে মোট ২,৮২৬ জনের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ২৭০০ জন মুসলিম এবং ১২৬জন অমুসলিম। অর্থাৎ বাদ যাওয়া নামের ৯৫.৫ শতাংশ মুসলমান, জানিয়েছে ‘সবর ইনস্টিটিউট’।

গবেষণা সংস্থাটি জানিয়েছে, ‘এর ফলে এসআইআর প্রক্রিয়া এবং তার প্রভাব সম্পর্কে গুরুতর উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। বাদ পড়া ব্যক্তিদের মধ্যে ৪৮.৯ শতাংশ নারী এবং ৫১.১ শতাংশ পুরুষ, যা থেকে বোঝা যায় যে এই সমস্যা লিঙ্গ নির্বিশেষে একটা নির্দিষ্ট সম্প্রদায়কে অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে প্রভাবিত করে।’

এছাড়াও মুসলমান অধ্যুষিত অন্যান্য জেলাতেও বহু সংখ্যক মুসলমান ভোটারের নাম বাদ গেছে তালিকা থেকে। বাদ পড়া ভোটারদের মধ্যে আছেন বাংলার নবাব মীর জাফরের পরিবারের উত্তরসূরীদের অন্তত দেড়শো জন। আবার মালদা জেলার মুসলমান অধ্যুষিত সুজাপুর আর মোথাবাড়িতে গত সপ্তাহে যে ব্যাপক বিক্ষোভ হয়েছিল, সেই দুটি অঞ্চলের প্রায় দুই লাখ ভোটারের নাম বাদ পড়েছে তালিকা থেকে।

এদিকে এসআইআর-এ ৯০ লাখ নাম বাদ দেওয়া নিয়ে নির্বাচন কমিশন ও মোদি সরকারের প্রতি তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তৃণমূল সভানেত্রী ও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তার অভিযোগ, টার্গেট করে বেছে বেছে নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। তার বক্তব্য, দেখে দেখে মতুয়া, রাজবংশী, সংখ্যালঘু- একটা সম্প্রদায়ের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার চাকদহের এক নির্বাচনী সভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বলেন, ‘দেখে দেখে একটা কমিউনিটিকে বাদ দেওয়া হচ্ছে। দেখে দেখে মতুয়া, রাজবংশী, সংখ্যালঘুদের বাদ দিচ্ছেন। উকুন বাছার মতন করে নাম বাদ দেওয়া হচ্ছে। বাগদা, দক্ষিণ ২৪ পরগনায় উকুন বাছার মতো করে নাম বাদ দেওয়া হয়েছে।’

তিনি আশ্বস্ত করেছেন, ৩২ লাখ নাম উঠেছে, বাকিদেরও তোলার চেষ্টা করবেন। বাংলায় বিজেপিকে শূন্য করার ডাক দিয়েছেন তিনি।

প্রসঙ্গত, সংশোধনের আগে রাজ্যে মোট ভোটার সংখ্যা ছিল ৭ কোটি ৬৬ লাখের বেশি। একাধিক ধাপের ছাঁটাই ও পুনর্বিবেচনার পর এই সংখ্যায় বড়সড় ওঠানামা হয়েছে। নির্বাচনের মুখে এই পরিবর্তন কতটা প্রভাব ফেলবে, সেটাই এখন দেখার।

সূত্র: বিবিসি বাংলা, কলকাতা২৪
কালের আলো/এসআর/এএএন

সংবাদমাধ্যমের হাত বেঁধে দেওয়া হয়েছিল ১৭ বছর: পার্থ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৬, ১২:০৫ অপরাহ্ণ
সংবাদমাধ্যমের হাত বেঁধে দেওয়া হয়েছিল ১৭ বছর: পার্থ

সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তথ্যমন্ত্রী আন্দালিভ রহমান পার্থ বলেছেন, আওয়ামী লীগের শাসনামলে গত ১৭ বছর দেশের সংবাদমাধ্যম স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারেনি। এ সময়ে সংবাদমাধ্যমের হাত বেঁধে রাখা হয়েছিল বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

রোববার (২৩ আগস্ট) সকালে সচিবালয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, সংবাদমাধ্যম গণতন্ত্রের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ। গণতন্ত্রকে কার্যকর রাখতে স্বাধীন ও দায়িত্বশীল সংবাদমাধ্যমের ভূমিকা অস্বীকার করার সুযোগ নেই। গত ১৭ বছর সংবাদমাধ্যমের ওপর নানা ধরনের সীমাবদ্ধতা ছিল।

তিনি বলেন, সরকারের সব কর্মকাণ্ড জনগণের কাছে বিশ্বাসযোগ্য ও স্বচ্ছভাবে তুলে ধরতে হবে। একই সঙ্গে দেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধারণ করে দায়িত্ব পালন করতে হবে।

আন্দালিভ রহমান পার্থ আরও বলেন, ‘আমাদের দ্বারা যেন কোনো অন্যায় না হয়। টিমওয়ার্ক করে কাজ করতে হবে। জনগণ আমাদের ভোট দিয়েছে।’

তিনি বলেন, জনগণের দেওয়া দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে সরকারকে জবাবদিহি ও সততার সঙ্গে কাজ করতে হবে।

কালের আলো/এমএসআইপি

গণমাধ্যমের কণ্ঠরোধ নয়, স্বাধীনভাবে কাজের সুযোগ: তথ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৬, ১০:৫৬ পূর্বাহ্ণ
গণমাধ্যমের কণ্ঠরোধ নয়, স্বাধীনভাবে কাজের সুযোগ: তথ্যমন্ত্রী

সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ নয়, বরং স্বাধীনভাবে কাজের সুযোগ দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী আন্দালিব রহমান পার্থ। তিনি বলেছেন, সরকারের কাজ জনগণের কাছে বিশ্বাসযোগ্যভাবে তুলে ধরা এবং জনগণের সঙ্গে সরকারের সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করাই তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব।

রোববার (২৩ আগস্ট) সচিবালয়ে প্রথমবারের মতো অফিসে গিয়ে মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।

সকাল ৮টা ২০ মিনিটে সচিবালয়ে পৌঁছে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন মন্ত্রী। পরে সকাল সাড়ে ৯টায় সচিবালয়ের ৬ নম্বর ভবনে মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে মতবিনিময় সভায় অংশ নেন। এ সময় তাকে ফুল দিয়ে স্বাগত জানানো হয়।

আন্দালিব রহমান পার্থ বলেন, সরকারের ভালো কাজগুলো জনগণের কাছে পৌঁছে দিতে হবে। একই সঙ্গে জনগণের সঙ্গে সরকারের যে সম্পর্ক, সেটি আরও শক্তিশালী করতে হবে। দেশের সংস্কৃতি, মূল্যবোধ, ধর্মীয় মূল্যবোধ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার মতো বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দেওয়ার ওপরও তিনি জোর দেন।

গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে সতর্ক করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ করা নয়। প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করাই মন্ত্রণালয়ের কাজ। কোনোভাবেই যেন নিয়ন্ত্রণের পথে যাওয়া না হয়, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।

তিনি বলেন, সংবাদমাধ্যম গণতন্ত্রের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ। গত ১৭ বছরে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার যে লড়াই হয়েছে, সেখানে সংবাদমাধ্যম ও সাংবাদিকদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। নানা চাপ ও নিয়ন্ত্রণের মধ্যেও সংবাদমাধ্যম সরকারের ব্যর্থতা, অনিয়ম ও বিভিন্ন অনিয়মের তথ্য জনগণের সামনে তুলে ধরেছে।

তথ্যমন্ত্রী আরও বলেন, দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও ব্যবস্থায় যে ক্ষতি হয়েছে, তা মেরামত করে নতুন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সময় লাগবে। বিচার বিভাগ, রাজনীতি, সংসদসহ বিভিন্ন সাংবিধানিক ও বিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানে তৈরি হওয়া নৈতিক অবক্ষয় কাটিয়ে উঠতে হবে। একই সঙ্গে অতীতের ভুলের পুনরাবৃত্তি যেন না হয়, সেটিও নিশ্চিত করতে হবে।

তিনি মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দেশে বলেন, নিজ নিজ ক্ষেত্রে তাদের অভিজ্ঞতা ও দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে চান তিনি। সরকারের সিদ্ধান্ত জনগণের কাছে সঠিকভাবে পৌঁছে দেওয়া এবং জনগণের স্বার্থ রক্ষা করাই সবার মূল দায়িত্ব বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

মতবিনিময় সভায় প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান, তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী, মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবা ফারজানাসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এমএসআইপি

ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৪৭০

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৬, ১০:৪৯ পূর্বাহ্ণ
ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৪৭০

রাজধানীতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) নিয়মিত অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় ৪৭০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় বিভিন্ন অপরাধে ৪০টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

রোববার (২৩ আগস্ট) সকালে ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) নিয়াজ মেহেদী এ তথ্য জানান।

ডিএমপি জানায়, গ্রেপ্তারদের মধ্যে রমনা বিভাগে ২১ জন, লালবাগে ৩৮ জন, ওয়ারীতে ৪৯ জন, মতিঝিলে ৬৪ জন, তেজগাঁওয়ে ৫৭ জন, মিরপুরে ১৩৭ জন, গুলশানে ৪৫ জন, উত্তরা বিভাগে ৫৮ জন এবং গোয়েন্দা বিভাগে একজন রয়েছেন।

অভিযানকালে ২৬২ পিস ইয়াবা, ১০ কেজি গাঁজা, তিনটি ফয়েল পেপার, পাঁচটি গ্যাস লাইট, দুটি ইয়াবা সেবনের পাইপ, একটি ইয়াবা সেবনের কর্ক, দুটি ইয়াবা সেবনের কয়েন, পাঁচটি মোবাইল ফোন, ১.৫ আনা ওজনের একটি স্বর্ণের কানের দুল এবং একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে।

ডিএমপির পক্ষ থেকে জানানো হয়, রাজধানীর বিভিন্ন থানা এলাকায় নিয়মিত অভিযান চালিয়ে মাদকদ্রব্য ও অন্যান্য আলামত উদ্ধারের পাশাপাশি এসব ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

কালের আলো/এমএসআইপি