খুঁজুন
                               
বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ২ বৈশাখ, ১৪৩৩
           

পশ্চিমবঙ্গে তালিকা থেকে বাদ ৯০ লাখের বেশি ভোটার, বেশির ভাগই মুসলিম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:০০ অপরাহ্ণ
পশ্চিমবঙ্গে তালিকা থেকে বাদ ৯০ লাখের বেশি ভোটার, বেশির ভাগই মুসলিম

পশ্চিমবঙ্গের ভোটার তালিকা সংশোধন (এসআইআর) ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে উত্তেজনা তুঙ্গে উঠেছে। সোমবার গভীর রাতে ভারতের নির্বাচন কমিশন প্রকাশিত জেলা-ভিত্তিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গে মোট ৯০ লাখ ৮৩ হাজার ৩৪৫ জনের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে। তাদের সিংহভাগই মুসলিম বলে উঠে এসেছে একটি সমাজ-গবেষণা প্রতিষ্ঠানের বিশ্লেষণে।

কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, বিশেষ সংশোধন প্রক্রিয়ার আওতায় মোট ৬০ লাখ ৬ হাজার ৬৭৫ জন ভোটারকে ‘বিবেচনাধীন’ তালিকায় রাখা হয়েছিল। তাদের মধ্যে যাচাই-বাছাইয়ের পর ৩২ লাখ ৬৮ হাজার ১১৯ জনের নাম পুনরায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, অন্যদিকে ২৭ লাখ ১৬ হাজার ৩৯৩ জনের নাম চূড়ান্তভাবে বাদ দেওয়া হয়েছে।

এর আগে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত প্রথম চূড়ান্ত তালিকাতেই ৬৩ লাখ ৬৬ হাজার ৯৫২ জনের নাম বাদ পড়েছিল। ফলে সব মিলিয়ে বাদ পড়া নামের সংখ্যা ৯০ লাখের গণ্ডি পেরিয়ে গেল। যদিও তৃণমূল সভানেত্রী ও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছিলেন প্রায় ১ কোটি ২০ লক্ষ ভোটারের নাম বাদ যাবে।

জেলা অনুযায়ী পরিসংখ্যানে দেখা যাচ্ছে, মুর্শিদাবাদেই সবচেয়ে বেশি ৪ লাখ ৫৫ হাজার ১৩৭ জনের নাম বাদ পড়েছে। তার পরেই রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা (৩ লাখ ২৫ হাজার ৬৬৬) এবং মালদহ (২ লাখ ৩৯ হাজার ৩৭৫)। এই তিন জেলাতেই ছাঁটাইয়ের মাত্রা তুলনামূলক বেশি।

তবে এখনও প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হয়নি বলেই জানিয়েছে কমিশন। বিবেচনাধীন তালিকার ৫৯ লাখ ৮৪ হাজার ৫১২ জনের তথ্য প্রকাশিত হলেও, প্রায় ২২ হাজারের বেশি ক্ষেত্রে ই-স্বাক্ষর বাকি রয়েছে। সেই প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হলে চূড়ান্ত সংখ্যায় কিছু পরিবর্তন হতে পারে বলেও ইঙ্গিত মিলেছে।

এদিকে পশ্চিমবঙ্গের সমাজ গবেষণা সংস্থা ‘সবর ইনস্টিটিউট’এর বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, ভোটার তালিকা সংশোধনের ফলে যাদের নাম বাদ পড়েছে, তাদের সিংহভাগই মুসলমান। বিশেষ করে বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীর আসন নন্দীগ্রামে যে ভোটারদের নাম বাদ পড়েছে, তাদের ৯৫.৫ শতাংশই মুসলিম।

২০২১ সালের বিধানসভা ভোটের তথ্য বলছে নন্দীগ্রামে আড়াই লক্ষের বেশি ভোটারের মধ্যে প্রায় ২৬ শতাংশ মুসলিম। প্রথমে ২৮ ফেব্রুয়ারিতে প্রকাশিত খসড়া তালিকায় নন্দীগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্রের ১০ হাজারেরও বেশি ভোটারের নাম বিবেচনাধীন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছিল। পরে অতিরিক্ত তালিকা মিলিয়ে নন্দীগ্রামের ভোটার তালিকা থেকে মোট ২,৮২৬ জনের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ২৭০০ জন মুসলিম এবং ১২৬জন অমুসলিম। অর্থাৎ বাদ যাওয়া নামের ৯৫.৫ শতাংশ মুসলমান, জানিয়েছে ‘সবর ইনস্টিটিউট’।

গবেষণা সংস্থাটি জানিয়েছে, ‘এর ফলে এসআইআর প্রক্রিয়া এবং তার প্রভাব সম্পর্কে গুরুতর উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। বাদ পড়া ব্যক্তিদের মধ্যে ৪৮.৯ শতাংশ নারী এবং ৫১.১ শতাংশ পুরুষ, যা থেকে বোঝা যায় যে এই সমস্যা লিঙ্গ নির্বিশেষে একটা নির্দিষ্ট সম্প্রদায়কে অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে প্রভাবিত করে।’

এছাড়াও মুসলমান অধ্যুষিত অন্যান্য জেলাতেও বহু সংখ্যক মুসলমান ভোটারের নাম বাদ গেছে তালিকা থেকে। বাদ পড়া ভোটারদের মধ্যে আছেন বাংলার নবাব মীর জাফরের পরিবারের উত্তরসূরীদের অন্তত দেড়শো জন। আবার মালদা জেলার মুসলমান অধ্যুষিত সুজাপুর আর মোথাবাড়িতে গত সপ্তাহে যে ব্যাপক বিক্ষোভ হয়েছিল, সেই দুটি অঞ্চলের প্রায় দুই লাখ ভোটারের নাম বাদ পড়েছে তালিকা থেকে।

এদিকে এসআইআর-এ ৯০ লাখ নাম বাদ দেওয়া নিয়ে নির্বাচন কমিশন ও মোদি সরকারের প্রতি তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তৃণমূল সভানেত্রী ও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তার অভিযোগ, টার্গেট করে বেছে বেছে নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। তার বক্তব্য, দেখে দেখে মতুয়া, রাজবংশী, সংখ্যালঘু- একটা সম্প্রদায়ের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার চাকদহের এক নির্বাচনী সভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বলেন, ‘দেখে দেখে একটা কমিউনিটিকে বাদ দেওয়া হচ্ছে। দেখে দেখে মতুয়া, রাজবংশী, সংখ্যালঘুদের বাদ দিচ্ছেন। উকুন বাছার মতন করে নাম বাদ দেওয়া হচ্ছে। বাগদা, দক্ষিণ ২৪ পরগনায় উকুন বাছার মতো করে নাম বাদ দেওয়া হয়েছে।’

তিনি আশ্বস্ত করেছেন, ৩২ লাখ নাম উঠেছে, বাকিদেরও তোলার চেষ্টা করবেন। বাংলায় বিজেপিকে শূন্য করার ডাক দিয়েছেন তিনি।

প্রসঙ্গত, সংশোধনের আগে রাজ্যে মোট ভোটার সংখ্যা ছিল ৭ কোটি ৬৬ লাখের বেশি। একাধিক ধাপের ছাঁটাই ও পুনর্বিবেচনার পর এই সংখ্যায় বড়সড় ওঠানামা হয়েছে। নির্বাচনের মুখে এই পরিবর্তন কতটা প্রভাব ফেলবে, সেটাই এখন দেখার।

সূত্র: বিবিসি বাংলা, কলকাতা২৪
কালের আলো/এসআর/এএএন

৫ লাখ অবৈধ অভিবাসীকে বৈধতা দিচ্ছে স্পেন, বাংলাদেশিদের উচ্ছ্বাস

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:৪৭ পূর্বাহ্ণ
৫ লাখ অবৈধ অভিবাসীকে বৈধতা দিচ্ছে স্পেন, বাংলাদেশিদের উচ্ছ্বাস

বার্সেলোনায় বসবাসরত বাংলাদেশিদের উচ্ছ্বাস

ইউরোপে যখন অভিবাসননীতি নিয়ে কড়াকড়ি চলছে তখন ব্যতিক্রমী এক সিদ্ধান্ত নিলো স্পেন। প্রায় ৫ লাখ অবৈধ অভিবাসীকে বৈধতা দিতে যাচ্ছে দেশটি। অর্থনীতি, জনসংখ্যা আর বাস্তবতার যুক্তি তুলে ধরে এই উদ্যোগকে ন্যায়ের পদক্ষেপ বলছে স্পেন সরকার।

এদিকে স্পেনের এমন সিদ্ধান্তের পর বার্সেলোনায় বসবাসরত বাংলাদেশিদের মধ্যে উদযাপনের দৃশ্য দেখা গেছে।

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যায়, এ ঘোষণার পর উল্লাসে ফেটে পড়েছেন তারা। এ সময় তারা বিভিন্ন স্লোগানের মাধ্যমে স্পেন সরকারকে ধন্যবাদ জানান।

এই সুবিধা পেতে আবেদনকারীদের অন্তত পাঁচ মাস স্পেনে বসবাসের প্রমাণ এবং পরিচ্ছন্ন অপরাধমুক্ত রেকর্ড দেখাতে হবে। আগামী ১৬ এপ্রিল থেকে জুন মাসের শেষ পর্যন্ত আবেদন গ্রহণ করা হবে। অনুমোদন পেলে তারা কাজের সুযোগ, সামাজিক নিরাপত্তা নম্বর এবং সরকারি স্বাস্থ্যসেবার আওতায় আসবেন।

সরকার বলছে, এই অভিবাসীরাই স্পেনের অর্থনীতি ও জনসেবার গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছেন। জনসংখ্যার বার্ধক্য মোকাবিলা এবং শ্রমঘাটতি পূরণে তাদের বৈধতা দেওয়া জরুরি। অতীতে স্পেনের নাগরিকদের বিদেশে কাজের জন্য পাড়ি জমানোর ইতিহাসও এই সিদ্ধান্তের নৈতিক ভিত্তি হিসেবে তুলে ধরেছেন প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ।

তবে দেশটির বিরোধী দল পিপলস পার্টি এই সিদ্ধান্তের কঠোর সমালোচনা করে বলছে, সরকারের এমন উদ্যোগ অবৈধ অভিবাসনকে উৎসাহিত করবে এবং নতুন করে আরও মানুষের আগমন বাড়াতে পারে।

যদিও ক্যাথলিক চার্চসহ কিছু মহল এই উদ্যোগকে সমর্থন জানিয়েছে। ইউরোপজুড়ে কড়াকড়ির প্রবণতার বিপরীতে স্পেনের এই পদক্ষেপ নতুন বিতর্ক তৈরি করেছে।

কালের আলো/এসাআর/এএএন 

মানবতাবিরোধী অপরাধে নানক-তাপসের অভিযোগ গঠন শুনানি আজ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:৪৩ পূর্বাহ্ণ
মানবতাবিরোধী অপরাধে নানক-তাপসের অভিযোগ গঠন শুনানি আজ

জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালীন রাজধানীর মোহাম্মদপুরে ৯ জনকে হত্যার ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানকসহ ২৮ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের শুনানি আজ।

বুধবার (১৫ এপ্রিল) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন বিচারিক প্যানেলে এ শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

এ মামলায় গ্রেপ্তার চারজন হলেন- নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের মোহাম্মদপুর থানা শাখা সভাপতি নাঈমুল হাসান রাসেল, সহসভাপতি সাজ্জাদ হোসেন, ওমর ফারুক ও ফজলে রাব্বি। কারাগার থেকে তাদের আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হবে।

পলাতক আসামিদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের তৎকালীন মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস, ডিএমপির তৎকালীন কমিশনার হাবিবুর রহমান, সাবেক অ্যাডিশনাল ডিআইজি প্রলয় কুমার জোয়ারদার, ডিএমপির সাবেক যুগ্ম পুলিশ কমিশনার বিপ্লব কুমার সরকার ও ডিএনসিসির ৩২ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর সৈয়দ হাসান নূর ইসলাম রাষ্ট্রন।

গত ৮ এপ্রিল মানবতাবিরোধী অপরাধের এ মামলার শুনানির কথা ছিল। তবে প্রসিকিউশন থেকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সরবরাহ করা হয়নি বলে জানান আসামিপক্ষের আইনজীবীরা। এ কারণে আজকের দিন ধার্য করেন ট্রাইব্যুনাল। এদিন প্রথমে শুনানি করবে প্রসিকিউশন।

চলতি বছরের ১৮ জানুয়ারি প্রসিকিউশনের দেওয়া আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নিয়ে ২৮ আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত।

এ মামলায় আনা তিনটি অভিযোগে প্রসিকিউশন জানায়, ২০২৪ সালের ১৮ ও ১৯ জুলাই ছাত্র-জনতার আন্দোলনে নৃশংসতা চালায় আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। আসামিদের উসকানি-প্ররোচনা ও প্রত্যক্ষ-পরোক্ষ উপস্থিতিতে জুলাই আন্দোলনে নিরীহ ছাত্র-জনতার ওপর গুলি চালানো হয়। এতে মাহমুদুর রহমান সৈকত, ফারহান ফাইয়াজসহ ৯ জন নিহত হন। আহত হন আরও অনেকে।

কালের আলো/এসএকে

আস্থার সংকট ‘এক রাতে’ দূর হবে না : ভ্যান্স

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:৩৮ পূর্বাহ্ণ
আস্থার সংকট ‘এক রাতে’ দূর হবে না : ভ্যান্স

যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের মধ্যে ব্যাপক মাত্রায় আস্থার সংকট রয়েছে এবং তা ‘এক রাতে’ দূর হবে না বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স। তবে ইরান যে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তিতে আসতে চায়— এ ব্যাপারটিকে ‘খুব ইতিবাচক’ বলেও উল্লেখ করেছেন তিনি।

গতকাল মঙ্গলবার ওয়াশিংটনে ‘টার্নিং পয়েন্ট ইউএসএ’ নামের একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় ভ্যান্স বলেন, “ইরান এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে অবশ্যই ব্যাপক মাত্রার আস্থার সংকট রয়েছে। এক রাতে এই সংকটের সমাধান হবে না। তবে তারা যে আমাদের সঙ্গে একটি চুক্তিতে আসতে চাইছে— এটা ইতিবাচক এবং এ ইস্যুতে আমরা এখন যে অবস্থানে আছি, তাতে আমি খুবই খুশি।”

ইরানের পরমাণু প্রকল্প ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে বিরোধের জেরে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে দেশটিতে যৌথ সামরিক অভিযান শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। টানা ৪০ দিন যুদ্ধের পর ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৪ দিনের যুদ্ধবিরতিতে যায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান।

এই যুদ্ধবিরতেকে স্থায়ী যুদ্ধাবসানের দিকে নিয়ে যেতে গত ১১ এপ্রিল পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে বৈঠকে বসেছিলেন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সরকারি প্রতিনিধিরা। সেখানে মার্কিন প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে ছিলেন জে ডি ভ্যান্স এবং ইরানি প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে ছিলেন দেশটির পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের ঘালিবাফ।

বৈঠকের মূল লক্ষ্য ছিল দুই দেশের মধ্যে একটি সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর। কিন্তু ২২ ঘণ্টা ধরে আলোচনার পরও কোনো চুক্তিস্বাক্ষর ছাড়াই শেষ হয়েছে ইসলামাবাদ বৈঠক।

তবে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গতকাল বলেছেন, শিগগিরই ইসলামাবাদে দ্বিতীয় দফা বৈঠকে বসবেন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রতিনিধিরা।

সূত্র : রয়টার্স

কালের আলো/এসএকে