খুঁজুন
                               
রবিবার, ২৮ জুন, ২০২৬, ১৪ আষাঢ়, ১৪৩৩
           

নববর্ষের আগে ইলিশে উত্তাপ

বিশেষ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:২৪ অপরাহ্ণ
নববর্ষের আগে ইলিশে উত্তাপ

দরজায় কড়া নাড়ছে পহেলা বৈশাখ। বাঙালির প্রাণের এ উৎসবের আগেই উত্তাপ বেড়েছে রাজধানীর ইলিশ বাজারে। মাঝারি সাইজের ইলিশ কিনতে গুণতে হচ্ছে আড়াই হাজার টাকা পর্যন্ত। বড় সাইজের প্রতি কেজি ইলিশের দাম বর্তমানে ৩১ থেকে ৩৫শ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে।

সরকার প্রতিবছর ইলিশ সংরক্ষণের জন্য বিশেষ উদ্যোগ নেয়। এ বছরের জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহ-২০২৬ মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) থেকে শুরু হয়েছে এবং চলবে ১৩ এপ্রিল পর্যন্ত। এছাড়া ১৫ এপ্রিল থেকে ১১ জুন পর্যন্ত বঙ্গোপসাগর ও সংলগ্ন নদীতে সব ধরনের মৎস্য আহরণ নিষিদ্ধ থাকবে। জাটকা সংরক্ষণ ইলিশের প্রজনন ও ভবিষ্যৎ সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

শুক্রবার রাজধানীর মোহাম্মদপুর টাউনহল বাজার, রায়ের বাজার, সাদেক খান কৃষি মার্কেট ও কারওয়ান বাজারসহ বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, এক কেজির বেশি ওজনের ইলিশ কেজিপ্রতি ২৮০০ থেকে ৪০০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা এক সপ্তাহ আগে ছিল ২২০০ থেকে ২৮০০ টাকা। এক কেজি ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ২৬০০ থেকে ২৭০০ টাকায়। ৮০০-৯০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ ১৮০০ থেকে ২২০০ টাকা এবং ৫০০-৬০০ গ্রাম ইলিশ ১৮০০ থেকে ২০০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কোথাও তা ২২০০ টাকাও ছাড়িয়েছে। সরবরাহ কম থাকায় ক্রেতার উপস্থিতিও কম।

ধানমন্ডির রায়ের বাজারে ৫০০-৬০০ গ্রাম ইলিশ ২৫০০-২৭০০ টাকা এবং এক কেজির বেশি ইলিশ ৩২০০ থেকে ৩৭০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এখানে মিয়ানমার ও হিমায়িত ইলিশও তুলনামূলক কম দামে পাওয়া যাচ্ছে, তবে সরবরাহ সীমিত। রায়ের বাজারের এক ব্যবসায়ী বলেন, ‘আমরা নিজেরাই বেশি দামে কিনছি। তাই কম দামে বিক্রি করলে লোকসান হবে।’ ক্রেতা আব্দুর রউফ বলেন, ‘ইলিশের দাম এমন পর্যায়ে গেছে যে এখন নিয়মিত কেনা সম্ভব নয়।’

মৎস্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ১০ ইঞ্চির কম দৈর্ঘ্যের ইলিশকে জাটকা বলা হয়। এই জাটকা ইলিশগুলো বড় হয়ে পূর্ণাঙ্গ ইলিশে পরিণত হয়। বৈশাখ মাসে বাজারে ইলিশের সরবরাহ কম থাকায় মুনাফাখোররা কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে দাম বাড়িয়ে দেয়। এতে সাধারণ মানুষ পান্তা-ইলিশ থেকে বঞ্চিত হয়।

বাংলাদেশ জাতীয় মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা আনিসুর রহমান জানান, যদি জাটকা সংরক্ষণ কার্যকরভাবে চলে, তাহলে দেশের মানুষ কমপক্ষে চার লাখ মেট্রিক টনের বেশি ইলিশ পেতো।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেন, সরকারের উদ্যোগে বর্তমানে বছরে ৫ লাখ মেট্রিক টনের বেশি ইলিশ উৎপাদন হচ্ছে। জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহ চলাকালে সাগর থেকে বাজার পর্যন্ত নজরদারি থাকবে। এর ফলে ইলিশের উৎপাদন বাড়বে এবং দাম কমে সাধারণ মানুষের নাগালে আসবে।

কালের আলো/এম/এএইচ

বুয়েটকে বিশ্বমানের গবেষণা ও উদ্ভাবনের কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হবে: মাহদী আমিন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ১১:৩৪ অপরাহ্ণ
বুয়েটকে বিশ্বমানের গবেষণা ও উদ্ভাবনের কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হবে: মাহদী আমিন

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়কে (বুয়েট) বিশ্বমানের গবেষণা ও উদ্ভাবনের কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন। তিনি বলেন, বুয়েটের যেমন সেন্টার অব এক্সিলেন্স হিসেবে সৃজনশীলতা, মেধা, বুদ্ধি এবং দেশ বিনির্মাণের ভূমিকা রয়েছে, ঠিক তেমনি রয়েছে দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ক্ষেত্রে অনেক অবদান। শনিবার (২৭ জুন) বিকালে বুয়েট অডিটোরিয়ামে ২০২৫-২৬ সেশনের শিক্ষার্থীদের নবীনবরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে মাহদী আমিন বলেন, ইনফ্রাস্ট্রাকচারের ক্ষেত্রে আমরা চিন্তা করতে পারি, ডিজাইন, ডেভেলপমেন্ট প্রত্যেকটা ক্ষেত্রেই কিন্তু বুয়েটের ফ্যাকাল্টি মেম্বার্সদের একটা বড় ভূমিকা রয়েছে। বিশ্বের যত বড় বিশ্ববিদ্যালয়ে যাবেন না কেন, দেখবেন সেখানে আপনাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের যারা রয়েছেন তারা সেখানে হয় পড়াশোনা করছেন অথবা কেউ না কেউ শিক্ষকতা করছেন। অর্থাৎ আজকে বুয়েটে ভর্তির মাধ্যমে আপনারা খুব রিয়েল একটা লেগেসি পাচ্ছেন, যেটা বাংলাদেশের ইতিহাসের সঙ্গে সম্পর্কিত। যেই ঐতিহ্য বর্তমানে বাংলাদেশের বাইরেও বিশ্বের অনেক বড় বড় প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে জড়িত।

শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে সরকারের উদ্দেশ্যে তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এই উপদেষ্টা বলেন, নতুন সরকার মাত্র চার মাস হলো দায়িত্ব নিয়েছে। আমাদের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে- এমন একটা শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা যেখানে প্রধানমন্ত্রীর যে লক্ষ্য অর্থাৎ একজন শিক্ষার্থী শুধুমাত্র কোনো সার্টিফিকেট অর্জন করবে না, শিক্ষা ব্যবস্থার মধ্য থেকে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে উঠবে। একজন মানুষ যার ন্যায়, নীতি, সততা, যোগ্যতা, দেশপ্রেম থাকবে। এবং একই সঙ্গে সেই দক্ষতা এবং যোগ্যতা নিয়ে তিনি গড়ে উঠবেন। যেখানে আগামীর বাংলাদেশের কর্ণধার হিসেবে তারা চাকরির জন্য, ব্যবসার ক্ষেত্রে উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে ওঠার জন্য সে প্লাটফর্মগুলোতে সুযোগ পাবেন।

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, সেক্ষেত্রে বুয়েটকে অবশ্য বড় একটা ভূমিকা রাখতে হবে। যেহেতু আপনারা দেশের শীর্ষ মেধাবী, সবচেয়ে বেশি সৃজনশীলতা নিয়ে আপনারাই তো আগামী বাংলাদেশের নেতৃত্ব দেবেন, সেটাই স্বাভাবিক।

আপনারা যারা রয়েছেন, জীবনে এগিয়ে যাওয়ার জন্য পড়াশোনা অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ, তবে পড়াশোনার পাশাপাশি এক্সট্রা কারিকুলার অ্যাক্টিভিটিসকেও প্রাধান্য দেওয়া উচিত।স্পোর্টস কালচারকে প্রাধান্য দেওয়া উচিত। পুথিগত বিদ্যা যতটা গুরুত্বপূর্ণ, তার সঙ্গে তাল মিলিয়ে আপনাদের ইন্টারপার্সোনাল স্কিলস, ট্রান্সফারেবল স্কিলস, টিম স্কিল, লিডারশিপ এই প্রত্যেকটা তৈরি করতে হবে।

মাহদী আমিন বলেন, আমরা যেমন বলি- ‘গ্রেট পাওয়ার কামস গ্রেট রেসপন্সিবিলিটি’ আপনাদের ক্ষেত্রেও একই। আপনাদের অনেক স্বীকৃতি আছে। এর মানে, আমাদের এটাকে আরও এক হাত এগিয়ে নিয়ে গিয়ে বাংলাদেশকে বিশ্ব মানচিত্রে কীভাবে একটা শক্তিশালী অবস্থানে নিয়ে যেতে পারি, সেখানে আপনারা অনেক বড় ভূমিকা রাখতে পারেন।

সরকারের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ আন্তরিকতা নিয়ে বুয়েট শিক্ষার্থীদের পাশে থাকার কথা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা বলেন, শিক্ষামন্ত্রী বলেছেন- তিনি গিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলবেন, কীভাবে বুয়েটে গবেষণার জন্য আরও বেশি ফান্ডিংয়ের ব্যবস্থা আমরা করতে পারি। এত বড় বিশ্ববিদ্যালয় প্রো-ভিসি স্যারকে বলছিলাম অডিটোরিয়ামের এ অবস্থা কেন? আমাদের মনে হয় সরকারের দিক থেকেও আরও বেশি সহযোগিতা করার প্রয়োজন রয়েছে এবং আমরা ইনশাআল্লাহ সেটা করব।

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি আরও বলেন, আমি আজকে যখন আপনাদের সামনে দাঁড়িয়ে রয়েছি এটা শুধু ওরিয়েন্টেশনের শিক্ষার্থীর সামনে না, দাঁড়িয়ে রয়েছি আগামী বাংলাদেশ যারা বিনির্মাণ করবে, আগামীর বাংলাদেশের যারা কান্ডারি, সেই ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে। আগামীর ভবিষ্যৎ ইনশাআল্লাহ আপনারা নির্মাণ করবেন। সরকারের দিক থেকে যা করণীয়, যা সহযোগিতার প্রয়োজন হবে, আমরা সর্বাত্মক প্রচেষ্টা দিয়ে আপনাদের পাশে দাঁড়াব।

এ সময় শহীদ আবরার ফাহাদের কথাও স্মরণ করেন প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা। তিনি বলেন, শহীদ আবরার ফাহাদ সেই মানুষটা কিন্তু আপনাদেরই পূর্বে ছিলেন এ বুয়েটের। আমরা চাই আমাদের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং সুনাগরিক হয়ে ওঠার যে আকাঙ্ক্ষা সেটাকে ধারণ করে, আগামী বাংলাদেশের বুয়েট এবং বাংলাদেশের প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যারা শিক্ষার্থী রয়েছেন, তাদেরকে মেধার বহিঃপ্রকাশ ঘটানোর জন্য প্রয়োজনীয় প্লাটফর্মটা তৈরি করে দিতেন।

মাহদী আমিন বলেন, জনগণের সরকার হিসেবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে আমরা যখন সেই কাজটা করতে যাব, অবশ্যই মূল গড়ে উঠার ভিত্তি হবেন আপনারা। আপনারা যারা ছাত্র-ছাত্রী রয়েছেন, আগামীর বাংলাদেশে যখন উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে উঠবেন, ভালো ভালো জায়গায় নিজেদের কর্মসংস্থান হবে, হাজারো, লক্ষ মানুষের কর্মসংস্থান আপনারা তৈরি করবেন। আগামীর বাংলাদেশে ইনশাআল্লাহ আপনারা সেভাবে এগিয়ে নিয়ে যাবেন, সেটাই আমাদের প্রত্যাশা।

বুয়েটের উপাচার্য অধ্যাপক ড. একরামুল হকের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য দেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবদুল হাসিব চৌধুরী এবং ছাত্রকল্যাণ পরিদপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. এ কে এম মাসুদ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. এন এম গোলাম জাকারিয়া।

কালের আলো/এম/এএইচ

ধসে পড়া ভবন থেকে দুদিন পর গোঙানির শব্দ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ১০:৫৮ অপরাহ্ণ
ধসে পড়া ভবন থেকে দুদিন পর গোঙানির শব্দ

সংবাদমাধ্যম বিবিসি শনিবার (২৭ জুন) এক প্রতিবেদনে বলেছে, কার্লোস এদোয়ার্দো নামে ৩১ বছর বয়সী ওই যুবক ভূমিকম্পের পর আটকা পড়ে যান। গত দুইদিন ধরে তাকে জীবিত পাওয়ার চেষ্টা করছেন পরিবারের সদস্যরা। কিন্তু তারা এখনো তার কাছে পৌঁছাতে পারেননি।

এরমধ্যে আজ তিনি সামান্য শব্দ করেছেন। তার এক চাচাত ভাই বিবিসিকে বলেছেন, “প্রায় দেড় ঘণ্টা বা তার কম বেশি সময় আগে আমরা তার কাছ থেকে (শব্দ) শুনতে পাই। যদিও সে কোনো কথা বলেনি। কিন্তু সে গোঙানির শব্দ করেছে। আমরা তার জন্য খুবই দুশ্চিন্তা নিয়ে অপেক্ষা করছি। ওই গোঙানির পর সে আর কোনো উত্তর দেয়নি।”

পরিবারের সদস্যরা শব্দ শুনতে পাওয়ার কথা জানানোর পর সেখানে একটি স্প্যানিশ উদ্ধারকারী দল এসেছিল। তারা বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কুকুর দিয়ে ভবনটিতে তল্লাশি চালায়। তবে তারা জীবনের কোনো সন্ধান পাননি। এরপর তারা চলে যান।

কিন্তু কার্লোস এদোয়ার্দোর আত্মীয়রা হাল ছাড়তে চান না। তারা হাত দিয়েই ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে যাচ্ছেন। তাদের আশা কার্লোসকে জীবিত উদ্ধার করে আনতে পারবেন।

সূত্র: বিবিসি

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

প্রভার উপদেশ: কখনো বিবাহিত ছেলের প্রেমে পড়বে না

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ১০:৩২ অপরাহ্ণ
প্রভার উপদেশ: কখনো বিবাহিত ছেলের প্রেমে পড়বে না

প্রভা বলেন, “মেয়েরা শোনো, আমার ছোট-বড় প্রত্যেককে একটা অনুরোধ করি, যত কিছুই হোক, কোনোভাবেই একটা বিবাহিত ছেলের প্রেমে পড়া যাবে না। যতই ছেলে বলুক, ‘বউ ভালো না, সমাজের জন্য, সন্তানের জন্য সংসার রাখতে হচ্ছে’; এদের স্ক্রিপ্ট একই।

এসব শুনবে না, বিশ্বাসও করবে না। বিশ্বাস করে যদি এরকম কোনো কিছুতে জড়িত হও, তাহলে সারাজীবন নিজেকে মাফ করতে পারবা না। সুতরাং কখনো কোনো বিবাহিত ছেলের প্রেমে পড়বে না, যতই ম্যানিপুলেট করার চেষ্টা করুক না কেন।”

প্রভা জানান, তিনি নিজেও কিছুদিন আগে এমনই এক অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হয়েছেন। সেটার উদাহরণ টেনে বলেন, ‘তোমাকে (মেয়েদের) অনেক কথা শুনতে হবে, কিছু দিন আগে আমাকেও শুনতে হয়েছে এরকম কথা; আমার অলরেডি মুখস্থ হয়ে গেছে, এরা কী কী বলে।

আমি তাকে সোজা বলে দিয়েছি, আপনার যদি ওই সংসারে এত সমস্যা থাকে, ডিভোর্সের প্রসেসিং যদি চলতেই থাকে, তাহলে সেটা আগে শেষ করে আসেন। তারপর ভেবে দেখব, আমরা একে-অন্যের জন্য মানানসই কিনা। এখন সে লোক বলে বেড়ায়, আমি নাকি সাইকো! আই অ্যাম হ্যাপি টু বি আ সাইকো। আই অ্যাম গ্ল্যাড, ওই সংসারে ঢুকিনি

সংসারে অশান্তির অজুহাত দেখিয়ে ওইসব ব্যক্তি মেয়েদের সঙ্গে সখ্য করার চেষ্টা করে বলে মনে করেন প্রভা। সে জন্য এরকম ছেলের সঙ্গে প্রেম তো দূর, বন্ধুত্ব করতেও বারণ করেছেন অভিনেত্রী।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি