খুঁজুন
                               
রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬, ৭ আষাঢ়, ১৪৩৩
           

তামাক পণ্য নিষিদ্ধের ধারা বাতিল করা সরকারের প্রতিশ্রুতির পরিপন্থী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:৫৬ অপরাহ্ণ
তামাক পণ্য নিষিদ্ধের ধারা বাতিল করা সরকারের প্রতিশ্রুতির পরিপন্থী

‎জাতীয় সংসদে ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ (সংশোধন) বিল ২০২৬ পাস হয়েছে, যেখানে ই-সিগারেট, নিকোটিন পাউচসহ সব ধরনের উদীয়মান তামাক পণ্য নিষিদ্ধের বিধান বাতিল করা হয়েছে। ফলে এ সব দ্রব্য কার্যত কোনো নিয়ন্ত্রণ ছাড়াই বাজারে উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে, যা জনস্বাস্থ্য ও বিশেষ করে দেশের যুবসমাজের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করবে বলে জানিয়েছে তামাক বিরোধী সংগঠনগুলো।

‎শনিবার (১১ এপ্রিল) সংগঠনগুলোর যৌথ বিবৃতিতে এমন প্রতিক্রিয়া জানানো হয়। বিবৃতিটি গণমাধ্যমে পাঠিয়েছেন বাংলাদেশ তামাক বিরোধী জোটের (বাটা) মিডিয়া অফিসার নাজমুন নাহার নীপা।

‎বিবৃতি দেওয়া সংগঠনগুলো হলো— বাংলাদেশ তামাক বিরোধী জোট (বাটা), বাংলাদেশ টোব্যাকো কন্ট্রোল এডভোকেটস (বিটিসিএ), বাংলাদেশ নেটওয়ার্ক ফর টোব্যাকো ট্যাক্স পলিসি (বিএনটিটিপি), বাংলাদেশ টোব্যাকো কন্ট্রোল রিসার্চ নেটওয়ার্ক (বিটিসিআরএন), বাংলাদেশ ক্যান্সার সোসাইটি, এইড সোস্যাইটি, আর্থ ফাউন্ডেশন, সেতু, লিডার্স ইন টোব্যাকো কন্ট্রোল এলামনাই এসোসিয়েশন, লেটথ ওয়ার্ক, প্রত্যাশা মাদক বিরোধী সংগঠন, পাবলিক হেলথ ল’ইয়ার্স নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্য আন্দোলন, তামাক বিরোধী নারী জোট (তাবিনাজ), ইউনাইটেড ফোরাম এগেইনস্ট টোব্যাকো, স্কুল অব লাইফ, ইয়ুথ ফর টোব্যাকো ফ্রি বাংলাদেশন।

‎গতকাল শুক্রবার সংসদে ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ (সংশোধন) বিল ২০২৬ পাস হওয়ার বিষয়টি উল্লেখ্য করে বিবৃতিতে বলা হয়, আপিল বিভাগ সিভিল (আপিল নং ২০৪-২০৫/২০০১) মামলায় ২০১৬ সালে ১ মার্চ এক গুরুত্বপূর্ণ রায়ে বাংলাদেশে যৌক্তিক সময়ের মধ্যে তামাকের ব্যবহার কমিয়ে আনতে পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশনা দেন। ই-সিগারেট, ভ্যাপ এবং নিকোটিন পাউচ বৈধ করার পদক্ষেপ আদালতের সিদ্ধান্তের পরিপন্থি।

‎বিবৃতিতে বলা হয়, ২০০৫ সালে বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বিএনপি সরকার তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন প্রণয়নের মাধ্যমে একটি যুগান্তকারী দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিল। সেই ঐতিহাসিক উদ্যোগ বাংলাদেশকে তামাক নিয়ন্ত্রণে দক্ষিণ এশিয়ায় অগ্রণী ভূমিকায় নিয়ে এসেছিল। কিন্তু বর্তমান প্রেক্ষাপটে ই-সিগারেট নিষিদ্ধের বিধান বাতিল করে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে রোগ ও মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেওয়ার এই সিদ্ধান্ত শুধু সেই অগ্রগতির বিপরীতমুখীই নয়, বরং জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং সরকারের নির্বাচনি প্রতিশ্রুতিরও পরিপন্থী।

‎বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, ‘স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সংসদে বলেছেন, রাজস্ব আদায়ের বিষয়টি বিবেচনায় রেখে ই-সিগারেট বিধান বাতিলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’ এ সিদ্ধান্ত রোগের অর্থনীতির জন্ম দেবে। বাংলাদেশে তামাকের কারণে মোট ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৮৭ হাজার ৫০০ কোটি টাকা, যা রাজস্ব আয়ের তুলনায় বহুগুণ বেশি। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সুরক্ষার অর্থনীতির ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত।

‎সংগঠনগুলো বলছে, আন্তর্জাতিক গবেষণা ও তথ্য অনুযায়ী, ই-সিগারেটের ক্ষতিকর প্রভাব ইতোমধ্যে সুপ্রতিষ্ঠিত। ২০২৩ সালে ইনস্টিটিউট ফর গ্লোবাল টোব্যাকো কন্ট্রোল (আইজিটিসি)-এর এক গবেষণায় দেখা যায়, বিশ্বের ১৩২টি দেশ ই-সিগারেট নিয়ন্ত্রণ বা নিষিদ্ধ করেছে, যার মধ্যে ৪৬টি দেশ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করেছে। এটি প্রমাণ করে যে বৈশ্বিকভাবে জনস্বাস্থ্য রক্ষায় কঠোর অবস্থান নেওয়া হচ্ছে, যেখানে বাংলাদেশ উল্টো পথে হাঁটছে।

‎সংগঠনগুলো আরও বলছে, ই-সিগারেট শুধু স্বাস্থ্যঝুঁকির কারণই নয়, এটি বর্তমানে মাদক গ্রহণের একটি মাধ্যম হিসেবেও ব্যবহৃত হচ্ছে। সাম্প্রতিক তথ্যে দেখা গেছে, কিছু চক্র ই-সিগারেট বা ভ্যাপের লিকুইডে এমডিএমবি নামক মারাত্মক মাদক মিশিয়ে সরবরাহ করছে, যা ‘শয়তানের নিঃশ্বাস’ নামে পরিচিত এবং বিভিন্ন অপরাধ কর্মকাণ্ডে ব্যবহৃত হচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটে ই-সিগারেটকে নিয়ন্ত্রণহীনভাবে বাজারে ছেড়ে দেওয়া দেশের যুবসমাজকে ভয়াবহ ঝুঁকির মুখে ঠেলে দেবে।

‎‘এছাড়াও, মাত্র ৬১ কোটি টাকার বিনিয়োগের বিপরীতে একটি বহুজাতিক তামাক কোম্পানিকে দেশে নিকোটিন পাউচ উৎপাদনের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য উদ্বেগজনক। বিশ্বের বহু দেশ যেখানে নিকোটিন পাউচ নিয়ন্ত্রণ বা নিষিদ্ধ করার পদক্ষেপ নিচ্ছে, সেখানে বাংলাদেশে এ ধরনের উৎপাদনের অনুমোদন দেওয়া জনস্বার্থের পরিপন্থী। বৈশ্বিক বাস্তবতায় যখন অধিকাংশ দেশ জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় কঠোর অবস্থান নিচ্ছে, তখন বাংলাদেশ বিপরীতমুখী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে জনস্বাস্থ্যকে ঝুঁকির মুখে ফেলছে’, বলেও বিবৃতিতে অভিযোগ করা হয়।

‎২০০৫ সালে যেভাবে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষার অঙ্গীকার নিয়ে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন প্রণয়ন করা হয়েছিল, সেই অঙ্গীকার রক্ষার্থে ই-সিগারেট, নিকোটিন পাউচসহ সব ধরনের উদীয়মান তামাক পণ্য নিষিদ্ধের জন্য দ্রুত কার্যকর আইন প্রণয়নে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি দাবি জানায় তামাকবিরোধী সংগঠনগুলো। পাশাপাশি ফিলিপ মরিসকে দেওয়া নিকোটিন পাউচ কারখানার অনুমোদন বাতিলের দাবিও জানানো হয়েছে।

কালের আলো/এসআর/এএএন

বিকেলে মালয়েশিয়ার উদ্দেশে রওনা হবেন প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬, ৯:০০ পূর্বাহ্ণ
বিকেলে মালয়েশিয়ার উদ্দেশে রওনা হবেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট বিকেলে ঢাকা থেকে কুয়ালালামপুরের উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা রয়েছে। মালয়েশিয়া সফর শেষে তিনি চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং-এর আমন্ত্রণে সরাসরি চীনে যাবেন।

প্রধানমন্ত্রীর দুই দেশ মালয়েশিয়া ও চীন সফর শুরুর আগে পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম শনিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এক সংবাদ সম্মেলন করেন।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আসন্ন চীন সফরকালে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে ১৩টি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ), দুটি চুক্তি, একটি কর্মপরিকল্পনা এবং একটি প্রোটোকলসহ ১৫ থেকে ১৭টি দ্বিপাক্ষিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এ সময় বহু প্রতীক্ষিত তিস্তা প্রকল্প নিয়েও আলোচনা হবে।

আসাদ আলম সিয়াম বলেন, ‘এই বছরের ফেব্রুয়ারিতে সরকার ক্ষমতায় আসার পর এটিই প্রধানমন্ত্রীর প্রথম বিদেশ সফর।’

তিনি উল্লেখ করেন, মালয়েশিয়া ও চীনে প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী প্রতিনিধিদল তুলনামূলকভাবে ছোট রাখা হয়েছে, এতে ২৭ থেকে ২৮ জন সদস্য রয়েছেন।

তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা এটিকে একটি যুক্তিসঙ্গত পর্যায়ে রাখার চেষ্টা করেছি।’

তিনি বলেন, এই সফরগুলোকে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব শক্তিশালীকরণ, বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং আঞ্চলিক সংযোগ বৃদ্ধির লক্ষ্যে একটি বড় কূটনৈতিক উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

আগামী ২৫ জুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং-এর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা করবেন।

সরকারি সফরের অংশ হিসেবে তিনি ২৬ জুন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং-এর সঙ্গেও সাক্ষাৎ করবেন।

চীন সফরকালে প্রধানমন্ত্রী লিয়াওনিং প্রদেশের দালিয়ানে ২৩ থেকে ২৫ জুন অনুষ্ঠেয় ‘নিউ চ্যাম্পিয়নস’-এর ১৭তম বার্ষিক সম্মেলনে (সামার দাভোস ফোরাম) অংশ নেবেন।

‘ইনোভেটিং অ্যাট স্কেল’ প্রতিপাদ্যে আয়োজিত এ ফোরামে ৯০টিরও বেশি দেশ ও অঞ্চলের ১ হাজার ৭০০-এর বেশি প্রতিনিধি অংশ নেবেন। সেখানে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রবণতা, প্রযুক্তিগত অগ্রগতি এবং উদ্ভাবননির্ভর প্রবৃদ্ধি নিয়ে আলোচনা হবে।

সফরে মালয়েশিয়া পর্বে বাণিজ্য সম্প্রসারণ, শ্রমবাজারে সহযোগিতা এবং বিনিয়োগের সুযোগ বৃদ্ধির বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে। অন্যদিকে, চীন সফরে অবকাঠামো, প্রযুক্তি, সংযোগ এবং উন্নয়ন খাতে সহযোগিতা আরও গভীর করার বিষয়ে বাংলাদেশের অঙ্গীকার তুলে ধরা হবে।

প্রধানমন্ত্রী আগামী ২৬ জুন রাতে দেশে ফিরবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

স্বর্ণার ঝড়ো ব্যাটিং, পাকিস্তানকে হারিয়ে ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬, ২:০৬ পূর্বাহ্ণ
স্বর্ণার ঝড়ো ব্যাটিং, পাকিস্তানকে হারিয়ে ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ

সাউদাম্পটনে টস জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় বাংলাদেশ। মাত্র ১৩ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে দল। সেই সংকটময় মুহূর্তে এক প্রান্ত আগলে রাখেন অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি। তবে অন্য প্রান্তে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে বাংলাদেশ।

দলের ব্যাটিং বিপর্যয়ের দিনে উজ্জ্বল ছিলেন স্বর্ণা আক্তার। সাত নম্বরে নেমে তিনি ২২ বলে ৫ চারসহ অপরাজিত ৩৯ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলেন। তার ঝড়ো ব্যাটিংয়ে ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১২৩ রানের লড়াকু সংগ্রহ দাঁড় করায় বাংলাদেশ। জ্যোতি করেন ৩৮ বলে ৩৬ রান।

১২৪ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতে সাবধানী ব্যাটিং করে পাকিস্তান। কিন্তু বাংলাদেশের বোলাররা শুরু থেকেই আঁটসাঁট বোলিং করে প্রতিপক্ষকে চাপে রাখেন। নতুন বলে মারুফা আক্তার ইনিংসের প্রথম ওভারটি মেইডেন করে দারুণ সূচনা এনে দেন।

যদিও পাকিস্তানের উদ্বোধনী জুটি ৪৯ রান যোগ করে, অষ্টম ওভারে নাহিদা আক্তার সেই জুটি ভাঙার পর ম্যাচের মোড় ঘুরতে শুরু করে। এরপর দুই প্রান্ত থেকে স্পিন আক্রমণে যান অধিনায়ক জ্যোতি। রাবেয়া খান, নাহিদা আক্তার ও সানজিদা আক্তার মেঘলাদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে প্রয়োজনীয় রানরেট বাড়তে থাকে পাকিস্তানের।

চাপ সামলাতে শেষদিকে বড় শট খেলতে গিয়ে দ্রুত উইকেট হারায় পাকিস্তান। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে তারা তুলতে পারে মাত্র ১০০ রান। ফলে ২৩ রানের দারুণ জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে বাংলাদেশ।

ব্যাট হাতে স্বর্ণা আক্তার এবং নেতৃত্বে জ্যোতির দায়িত্বশীল ইনিংসের পাশাপাশি বোলারদের সম্মিলিত নৈপুণ্যে বিশ্বকাপ মঞ্চে স্মরণীয় এক জয় তুলে নিল টাইগ্রেসরা।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি 

রাজশাহীতে জেএফএ নারী ফুটবলে জয়পুরহাটের জয়

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬, ১১:২০ অপরাহ্ণ
রাজশাহীতে জেএফএ নারী ফুটবলে জয়পুরহাটের জয়

জেএফএ অনুর্দ্ধ-১৪ জাতীয় যুব নারী ফুটবল প্রতিযোগিতার রাজশাহী ভেন্যুর ম্যাচে জয় পেয়েছে জয়পুরহাট জেলা।

শনিবার (২০ জুন) রাজশাহী  মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি স্টেডিয়ামে অনুষ্টিত ‘বি’ গ্রুপের ম্যাচে জয়পুরহাট  জেলা ৩-১ গোলে নওগাঁ জেলাকে পরাজিত করে।

জয়পুরহাট জেলার খালকো ম্যাচের ১৪ মিনিটে প্রথম গোল করে দলকে ১-০ গোলে এগিয়ে নেন। আর্জিনা ম্যাচের ৬০ মিনিটে গোল করলে ব্যবধান বেড়ে দাঁড়ায় ২-০। দলের পক্ষে ৭৪ মিনিটে রিয়া গোল করলে জয়পুরহাট ৩-০ গোলে এগিয়ে যায়। ম্যাচের ৮১ মিনিটে নওগাঁর মরিয়ম দলের পক্ষে একমাত্র গোলটি করলে ব্যবধান কমে দাঁড়ায় ৩-১।

ম্যাচে রেফারীর দায়িত্ব পালন করেন সুমাইয়া আফরিন শাহীন। তাকে সহযোগিতা করেন আইরিন আকতার, সরেন ও লিজা।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি