খুঁজুন
                               
বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ১১ আষাঢ়, ১৪৩৩
           

শিক্ষায় সবচেয়ে বেশি বিনিয়োগ করবে সরকার: শিক্ষামন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:৫৩ অপরাহ্ণ
শিক্ষায় সবচেয়ে বেশি বিনিয়োগ করবে সরকার: শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, বর্তমান সরকারের সবচেয়ে বড় অঙ্গীকার হচ্ছে শিক্ষাখাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধি করা। তিনি জানান, সরকার ধাপে ধাপে শিক্ষায় সর্বোচ্চ বরাদ্দ নিশ্চিত করতে কাজ করছে এবং এই খাতে বিনিয়োগই উন্নয়নের প্রধান ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

রোববার (১২ এপ্রিল) রাজধানীর আজিমপুর সরকারি গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজের অডিটরিয়ামে ঢাকার কেন্দ্র সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় মন্ত্রী এসব বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষাখাতে জিডিপির ৫ শতাংশ বরাদ্দ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে তিনি স্বীকার করেন, হঠাৎ করে বড় অংকের বাজেট গ্রহণ করা বাস্তবসম্মত নয়। এজন্য ধাপে ধাপে সক্ষমতা অনুযায়ী বরাদ্দ গ্রহণ ও বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

মন্ত্রী উদাহরণ দিয়ে বলেন, দীর্ঘদিন অপুষ্টিতে থাকা শরীর যেমন হঠাৎ বেশি খাবার গ্রহণ করতে পারে না, তেমনি শিক্ষা ব্যবস্থাও একবারে বড় বাজেট গ্রহণের জন্য প্রস্তুত নয়। তাই পরিকল্পিতভাবে ও পর্যায়ক্রমে বিনিয়োগ বাড়ানোর ওপর জোর দেন তিনি।

এছাড়া আগামী বাজেটের পর শিক্ষকদের কল্যাণ ও সুবিধা নিয়ে সরকার গুরুত্বসহকারে ভাববে বলেও জানান শিক্ষামন্ত্রী।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

রাজধানীতে আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের ৭ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ৬:০২ অপরাহ্ণ
রাজধানীতে আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের ৭ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনের সাত নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)।

ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) নিয়াজ মেহেদী এ তথ্য জানান।

তিনি জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় পরিচালিত পৃথক অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। থানাভিত্তিক গ্রেপ্তারের মধ্যে শ্যামপুর থানা থেকে একজন, মোহাম্মদপুর থানা থেকে একজন, পল্লবী থানা থেকে একজন, খিলক্ষেত থানা থেকে একজন, রূপনগর থানা থেকে একজন এবং উত্তরা পূর্ব থানা থেকে দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

রাজধানীর ছয়টি থানার অভিযানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনের সর্বমোট সাত সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, জননিরাপত্তা ও আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

বিগত সরকারের নেওয়া ১৩০০ প্রকল্পকে না পারছি ফেলতে, না গিলতে: অর্থমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ৫:৫৬ অপরাহ্ণ
বিগত সরকারের নেওয়া ১৩০০ প্রকল্পকে না পারছি ফেলতে, না গিলতে: অর্থমন্ত্রী

Oplus_131072

বিগত সরকারের নেওয়া ১৩০০ উন্নয়ন প্রকল্পকে বর্তমান সরকার ‘গলার কাঁটা’ মনে করছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

তিনি বলেন, বিগত সরকারের নেওয়া ১৩০০ ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট উত্তরাধিকার সূত্রে পেয়েছি। ওই প্রজেক্টটা আমাদের জন্য লায়াবিলিটি। কী ধরনের প্রজেক্ট আপনারা বুঝতে পারছেন। কিছু বাদ দিতে পারছি, সব বাদও দেওয়া যাচ্ছে না। অনেক প্রজেক্টের ৫০-৬০ পার্সেন্ট ইমপ্লিমেন্ট হয়ে গেছে। না ফেলতে পারছি, না গিলতে পারছি। এটা বর্তমান সরকারের বড় সমস্যা।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) দুপুরে রাজধানীতে ‘ডিবেটিং বাজেট অ্যান্ড বিওন্ড’ শীর্ষক এক সেমিনারে এই কথা জানান তিনি।

অর্থমন্ত্রী বলেন, অবকাঠামো ও উন্নয়ন খাতের এই বিপুলসংখ্যক প্রকল্পের কাজ অর্ধেক বা তারও বেশি শেষ হয়ে যাওয়ায় এগুলো চাইলেও পুরোপুরি বাতিল করা সম্ভব হচ্ছে না। বিগত ১৫ বছরে নেওয়া এসব প্রকল্প আমাদের জন্য এখন বড় লায়াবিলিটি। এগুলো আসলে কোন ধরনের প্রকল্প, তা আপনারা নিশ্চয়ই খুব ভালো করেই বুঝতে পারছেন। আমরা এর মধ্য থেকে কিছু প্রকল্প বাদ দিতে পেরেছি, কিন্তু সব বাদ দেওয়াও সম্ভব হচ্ছে না।

তিনি  বলেন, দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট বৈশ্বিক পরিস্থিতি এবং স্পট বায়িং বা অর্থায়নের মতো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হয়েছে। এর মাঝেই গতানুগতিক ফরম্যাট থেকে বেরিয়ে এসে অর্থনীতিতে একটি নতুন মডেল ও চিন্তার ওরিয়েন্টেশন দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, গ্রামগঞ্জে মৃৎশিল্প, শীতলপাটিসহ বিভিন্ন খাতের যেসব কারিগররা রয়েছেন, তাদের এগিয়ে নিতে সৃজনশীল অর্থনীতির উদ্যোগ নিয়েছি। আমরা তাদের কাজ আরও মার্কেট অ্যাবল করতে চাই। যা এখন ৭০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে তা ২০০০ টাকায় বিক্রি হবে। তাদের আয় বাড়লেই তো জিডিপি বাড়বে।

কালের আলো/এসএকে

টিকা নিতে অনাগ্রহে হামের বিস্তার: সংসদে স্বাস্থ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ৫:১৭ অপরাহ্ণ
টিকা নিতে অনাগ্রহে হামের বিস্তার: সংসদে স্বাস্থ্যমন্ত্রী

দেশে হামের প্রাদুর্ভাব বিস্তারের পেছনে টিকাদানে অনীহা, অসম্পূর্ণ টিকাদান এবং জনসচেতনতার ঘাটতি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেন, ভৌগোলিক ও সামাজিক কিছু প্রতিবন্ধকতাও রোগটির বিস্তারে প্রভাব ফেলছে।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সরকারি দলের সদস্য মোসাম্মৎ শাম্মী আক্তারের তারকা চিহ্নিত লিখিত প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ তথ্য জানান।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, সরকার হামের প্রাদুর্ভাব প্রতিরোধ এবং শিশু মৃত্যুহার কমাতে বহুমুখী কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে। সকল শিশুকে টিকার আওতায় এনে শক্তিশালী রোগপ্রতিরোধক বলয় বা ইমিউনিটি গড়ে তোলাই সরকারের মূল লক্ষ্য। তিনি বলেন, বর্তমানে হামের প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্বের সঙ্গে কাজ করছে। তবে রোগটির বিস্তারে টিকাদানে অনীহা, অসম্পূর্ণ টিকাদান, জনসচেতনতার ঘাটতি এবং কিছু ক্ষেত্রে ভৌগোলিক ও সামাজিক প্রতিবন্ধকতা ভূমিকা রাখছে। ফলে প্রাদুর্ভাবের জন্য দায় নির্ধারণের বিষয়টি সংশ্লিষ্ট ঘটনার তদন্ত ও প্রমাণের ওপর নির্ভরশীল।

মন্ত্রী জানান, হামের প্রাদুর্ভাব ও এ-সংক্রান্ত মৃত্যুর জন্য কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের দায় নির্ধারণের ক্ষেত্রে বিষয়টি তথ্য-উপাত্ত ও তদন্তের ভিত্তিতে মূল্যায়ন করা হয়। কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারীর অবহেলা, দায়িত্বে গাফিলতি বা কর্তব্যে অবজ্ঞার প্রমাণ পাওয়া গেলে প্রচলিত বিধি-বিধান অনুযায়ী বিভাগীয় ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ইপিআই কর্মসূচির আওতায় টিকা সংগ্রহ, সংরক্ষণ ও বিতরণ কার্যক্রম আন্তর্জাতিক মানদণ্ড এবং সরকারি বিধি-বিধান অনুসরণ করে সম্পাদিত হয়ে থাকে।

মন্ত্রী বলেন, টিকা সংগ্রহ পদ্ধতিতে কোনো পরিবর্তনের ফলে টিকাদান কার্যক্রমে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে কি না, তা প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত ও কারিগরি মূল্যায়নের ভিত্তিতে পর্যালোচনা করা হবে। এ পর্যালোচনায় কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের গাফিলতি বা দায়িত্বে অবহেলার প্রমাণ পাওয়া গেলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ভবিষ্যতে এ ধরনের পরিস্থিতি এড়াতে সরকার ইতোমধ্যে টিকা সরবরাহ ব্যবস্থার ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করা, টিকা মজুত ব্যবস্থাপনা জোরদার, রোগ নজরদারি কার্যক্রম সম্প্রসারণ, দ্রুত প্রাদুর্ভাব শনাক্তকরণ ও প্রতিক্রিয়া ব্যবস্থা শক্তিশালীকরণ, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অংশীজনদের সঙ্গে সমন্বয় আরও সুদৃঢ় করার উদ্যোগ নিয়েছে বলেও জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

এ ছাড়া দেশে হামের টিকাদানের আওতা বৃদ্ধি এবং ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীকে সুরক্ষার আওতায় আনতে বিশেষ টিকাদান কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে বলেও সংসদকে জানান মন্ত্রী।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ