খুঁজুন
                               
, ,
           

রামেক হাসপাতালে বেসরকারি বিএসসি নার্সিংয়ের ইন্টার্নশিপের দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:০৫ পূর্বাহ্ণ
রামেক হাসপাতালে বেসরকারি বিএসসি নার্সিংয়ের ইন্টার্নশিপের দাবি

রহস্যজনকভাবে দীর্ঘদিন ধরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে বেসরকারি নার্সিং কলেজসমূহের বিএসসি কোর্সের শিক্ষার্থীদের ইন্টার্নশিপ বন্ধ রয়েছে। এছাড়া নির্মাণ হলেও এখনো বন্ধ হয়ে পড়ে রয়েছে রাজশাহী শিশু হাসপাতাল। অবিলম্বে এ সরকারি হাসপাতালে নার্সিংয়ের ইন্টার্নশিপ ও শিশু হাসপাতাল চালুর দাবি জানিয়েছে রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (রামেবি) অধিভুক্ত বিভিন্ন নার্সিং কলেজের সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের নিয়ে গঠিত অরাজনৈতিক স্বেচ্ছাসেবী সামাজিক সংগঠন ‘ব্রাইট লাইফ ভলান্টিয়ার্স’ (বিএলভি)।

রোববার (১২ এপ্রিল) দুপুরে রাজশাহী বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. হাবিবুর রহমান ও রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মাহফুজুর রহমান রিটনের কাছে দেওয়া পৃথক স্মারকলিপিতে সংগঠনটি এ দাবি জানায়

স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, রাজশাহী বিভাগীয় শহর। উত্তর জনপদের হাজার হাজার মানুষের চিকিৎসার ভরসাস্থল রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল। কিন্তু রহস্যজনকভাবে হাসপাতালটিতে বেসরকারি নার্সিং কলেজের বিএসসি কোর্সের শিক্ষার্থীদের ক্লিনিক্যাল প্র্যাকটিস ও ইন্টার্নশিপ বন্ধ রাখা হয়েছে। অথচ দেশের অন্যান্য মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সেখানকার বিএসসি কোর্সের শিক্ষার্থীরা ইন্টার্নশিপ করার সুযোগ পান। এমনকি রামেক হাসপাতালে বেসরকারি কলেজের ডিপ্লোমা নার্সিং কোর্সের শিক্ষার্থীরা ক্লিনিক্যাল প্র্যাকটিস ও ইন্টার্নশিপ করার সুযোগ পান। সেখানে একই কলেজের বিএসসি কোর্সের জন্য ক্লিনিক্যাল প্র্যাকটিস ও ইন্টার্নশিপ বন্ধ রাখা দ্বিচারিতা ও বৈষম্য ছাড়া আর কিছুই নয়। অথচ বিএসসি-ইন-নার্সিং কোর্সের চাহিদা বিশ্বজুড়ে সমাদৃত। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাসহ পৃথিবীর প্রায় সকল দেশেই গ্র্যাজুয়েট নার্সদের (বিএসসি) বাড়তি কদর রয়েছে। রামেক হাসপাতালে বিএসসি নার্সিং শিক্ষার্থীরা ইন্টার্নশিপের সুযোগ পেলে রোগীদের সেবাও বাড়বে, চাপ কমবে সিনিয়র স্টাফ নার্সদের। সরকারি হাসপাতালে প্র্যাকটিসের সুযোগ পেলে দক্ষ নার্স হিসেবে তৈরি হতে পারবেন শিক্ষার্থীরা। এর আগে আওয়ামী লীগ সরকার ও অন্তবর্তী সরকারের সময় দাবি জানানো হলেও রহস্যজনক কারণে কোনো সমাধান করা হয়নি।

স্মারকলিপিতে আরও উল্লেখ করা হয়, এছাড়া রাজশাহী শিশু হাসপাতাল অনেক আগে নির্মাণ হলেও রহস্যজনক কারণে এখনো চালু হয়নি। এখনো আইসিইউসহ কাঙ্ক্ষিত চিকিৎসার অভাবে প্রতিদিনই অসুস্থ শিশু মারা যাচ্ছে। অথচ বিভাগীয় গুরুত্বপূর্ণ এ শহরে শিশু হাসপাতাল বন্ধ হয়ে পড়ে রয়েছে। যা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। সার্বিক অবস্থা বিবেচনায় রামেক হাসপাতালে অবশ্যই বিএসসি-ইন-নার্সিং কোর্সের শিক্ষার্থীদের সরকারি নীতিমালা মোতাবেক ভাতা প্রদানসহ ক্লিনিক্যাল প্র্যাকটিস ও ইন্টার্নশিপের সুযোগ প্রদান এবং রাজশাহী শিশু হাসপাতাল অবিলম্বে চালু করতে হবে। জনগণের ভোটে নির্বাচিত বিএনপি সরকার এসব বিষয় আমলে নিয়ে সৃষ্ট সমস্যা সমাধান করবে বলে আমরা আশা করছি। এতে উন্নতি ঘটবে দেশের স্বাস্থ্য খাতের।

সাক্ষাতকালে ইন্টার্নশিপের ব্যাপারে প্রথমে নিজেদের দায় এড়িয়ে যান বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. হাবিবুর রহমান। তবে ব্রাইট লাইফ ভলান্টিয়ার্সের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আমানুল্লাহ আমান আইনি দিক তুলে ধরলে দফতরে উপস্থিত এক কর্মকর্তা সংশ্লিষ্ট উচ্চপদস্থ এক কর্মকর্তাকে ফোন দেন। এরপর সমাধানের আশ্বাস দেওয়া হয়। এছাড়া শিশু হাসপাতাল চালুর ব্যাপারে তারা কাজ করছেন বলে জানান। এদিকে রাসিক প্রশাসক মাহফুজুর রহমান রিটনও বিষয়টি আমলে নিয়ে সমাধানের আশ্বাস দেন।

এ সময় ব্রাইট লাইফ ভলান্টিয়ার্সের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আমানুল্লাহ আমান, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক ইকবাল হাসান, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক আবু সাঈদ, তথ্য ও প্রচার সম্পাদক মাসুদ পারভেজ এবং অন্যান্য সদস্যসহ নার্সিং শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এসাআর/এএএন 

কাবার নগরী মক্কায় অবরোধ, হামলা ও সংঘাতের ইতিহাস

কালের আলো রিপোর্ট:
প্রকাশিত: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:১৭ পূর্বাহ্ণ
কাবার নগরী মক্কায় অবরোধ, হামলা ও সংঘাতের ইতিহাস

১৯৫৪ সালে পবিত্র কাবা তাওয়াফের একটি দৃশ্য, ছবি : সংগৃহীত

মুসলমানদের পবিত্রতম নগরী মক্কা। কাবাঘর ও মসজিদুল হারামকে ঘিরে গড়ে ওঠা এই শহর শুধু ধর্মীয় বিশ্বাসের কেন্দ্র নয়, ইতিহাসের নানা বাঁকে রাজনৈতিক সংঘাত ও সামরিক সহিংসতারও সাক্ষী। সর্বশেষ সেই দীর্ঘ ইতিহাসে যুক্ত হয়েছে সৌদি আরব ও ইয়েমেনের হুতিদের সংঘাত। সৌদি আরবের দাবি, হুতিদের পাঠানো একটি ড্রোন মক্কার দিকে এগোচ্ছিল। মঙ্গলবার মক্কার দক্ষিণে সেটি শনাক্ত করে ধ্বংস করা হয় এবং পবিত্র নগরীর আকাশসীমায় ঢোকার আগেই ড্রোনটি ভূপাতিত করা হয়েছে। তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছে হুতিরা। ফলে নতুন এই ঘটনাটি একদিকে সৌদি নিরাপত্তাব্যবস্থার সামনে চ্যালেঞ্জ, অন্যদিকে মক্কাকে ঘিরে অতীতের সংঘাতের স্মৃতিও সামনে এনেছে।

  • ৬৮৩-এর অবরোধ থেকে ১৯৭৯-এর মসজিদুল হারাম দখল
  • ২০১৭-এর ক্ষেপণাস্ত্র দাবি পেরিয়ে এবার ড্রোনের অভিযোগ
  • হুতিদের ড্রোন ধ্বংসের দাবি সৌদির, অস্বীকার হুতিদের 

অবরোধে ক্ষতিগ্রস্ত কাবা
মক্কায় রাজনৈতিক সংঘাতের ইতিহাস বহু পুরোনো। দ্বিতীয় ফিতনার সময় ৬৮৩ সালে উমাইয়া বাহিনী মক্কা অবরোধ করে। সংঘাতের মধ্যে কাবাঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পরে ৬৯২ সালেও আল-হাজ্জাজ ইবনে ইউসুফের বাহিনী মক্কা অবরোধ করে এবং কাবাকে ঘিরে লড়াই হয়। সৌদিপিডিয়ার তথ্যেও ওই সময় কাবার ক্ষয়ক্ষতির উল্লেখ রয়েছে। এর প্রায় আড়াই শতাব্দী পর ৯২৯/৯৩০ সালে কারমাতিদের হামলা মক্কার ইতিহাসে আরও ভয়াবহ অধ্যায় তৈরি করে। আবু তাহিরের নেতৃত্বে হামলাকারীরা হাজিদের ওপর আক্রমণ চালায় এবং কাবা থেকে হাজরে আসওয়াদ নিয়ে যায়। পাথরটি দীর্ঘ সময় তাদের নিয়ন্ত্রণে থাকার পর মক্কায় ফিরিয়ে দেওয়া হয়।

মসজিদুল হারামে বন্দুকধারীদের দখল
আধুনিক ইতিহাসে সবচেয়ে নাটকীয় ঘটনা ১৯৭৯ সালের মসজিদুল হারাম অবরোধ। ২০ নভেম্বর জুহাইমান আল-ওতাইবির নেতৃত্বে সশস্ত্র একটি দল মসজিদে ঢুকে মুসল্লিদের জিম্মি করে। তারা মোহাম্মদ আল-কাহতানিকে প্রতীক্ষিত মাহদি হিসেবে ঘোষণা করে সৌদি রাজপরিবারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহের ডাক দেয়। প্রায় দুই সপ্তাহের লড়াইয়ের পর সৌদি বাহিনী মসজিদের নিয়ন্ত্রণ নেয়।

হাজিদের মিছিল থেকে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ
১৯৮৭ সালে ইরানি হাজিদের রাজনৈতিক বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে মক্কায় ভয়াবহ সংঘর্ষ হয়। সৌদি সরকারি হিসাবে নিহত হন ৪০২ জন—২৭৫ ইরানি, ৮৫ সৌদি এবং ৪২ জন অন্যান্য দেশের নাগরিক। আহত হন ৬৪৯ জন। তবে সংঘর্ষের কারণ ও নিরাপত্তা বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে সৌদি আর ইরানি বর্ণনায় তীব্র পার্থক্য ছিল।

বোমা হামলা ও ক্ষেপণাস্ত্রের ছায়া
১৯৮৯ সালে মসজিদুল হারামের কাছে বোমা বিস্ফোরণে একজন হাজি নিহত ও ১৬ জন আহত হন। পরে সৌদি কর্তৃপক্ষ ১৬ কুয়েতি নাগরিককে এ ঘটনায় দোষী সাব্যস্ত করে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করে। অভিযোগে ইরানের সংশ্লিষ্টতার কথাও ওঠে, যা তেহরান অস্বীকার করে।

২০১৭ সালে আবার মক্কার দিকে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার অভিযোগ তোলে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট। সৌদির দাবি ছিল, ক্ষেপণাস্ত্রটি মক্কার কাছে পৌঁছানোর আগেই ভূপাতিত করা হয়। হুতিরা অবশ্য মক্কাকে লক্ষ্য করার অভিযোগ অস্বীকার করে এবং অন্য লক্ষ্যবস্তুর কথা জানিয়েছিল।

পুরোনো ইতিহাসে নতুন অধ্যায়
মক্কার ইতিহাসে সংঘাতের ধরন বদলেছে—কখনো সেনাবাহিনীর অবরোধ, কখনো সশস্ত্র দখল, কখনো বিক্ষোভ ও বোমা হামলা, আবার কখনো দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের হুমকি। সর্বশেষ ড্রোনের অভিযোগ সেই ধারাবাহিকতায় প্রযুক্তিনির্ভর নতুন মাত্রা যোগ করেছে। তবে এবারের ঘটনাতেও মূল প্রশ্ন একই—পবিত্র নগরীর নিরাপত্তা কতটা সংঘাতের বাইরে রাখা সম্ভব।

সৌদি আরব যেখানে মক্কার আকাশসীমাকে কঠোর নিরাপত্তা-সীমা হিসেবে দেখছে, হুতিরা সেখানে সৌদি অভিযোগকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে প্রত্যাখ্যান করছে। ফলে ঘটনাটির সামরিক তাৎপর্যের পাশাপাশি এর রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়াও নজরে রাখার বিষয় হয়ে উঠেছে।

তথ্যসূত্র: সৌদি পিডিয়া, ওয়াশিংটন পোস্ট, ইউপিআই, আরব নিউজ, উইকিজিরো

কালের আলো/এম/এএইচ

কভার্ড ভ্যানের সিলিন্ডার বিস্ফোরণ, আশুলিয়ায় নিহত ৭

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:০৫ পূর্বাহ্ণ
কভার্ড ভ্যানের সিলিন্ডার বিস্ফোরণ, আশুলিয়ায় নিহত ৭

সাভারের আশুলিয়ায় একটি তৈরি পোশাক কারখানায় গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ থেকে সৃষ্ট অগ্নিকাণ্ডে সাতজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে আশুলিয়ার জামগড়া এলাকার প্রীতি গ্রুপের এফএনএস কারখানায় এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম জানান, আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার পর ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা কারখানার ভেতরে তল্লাশি শুরু করেন। একপর্যায়ে একটি কাবার ভেতর থেকে পাঁচজনের ঝলসানো মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

এর আগে বিস্ফোরণের তীব্রতায় একটি সিলিন্ডার ছিটকে পাশের একটি কাপড়ের দোকানে গিয়ে পড়ে। এতে জয়নাব বেগম নামে এক নারী ঘটনাস্থলেই মারা যান। পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুলাল নামে আরও এক আহত ব্যক্তির মৃত্যু হয়। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়ায় সাতজনে।

ফায়ার সার্ভিস ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা কারখানার ভেতরে আরও কেউ আটকা পড়েছেন কি না, তা নিশ্চিত করতে তল্লাশি ও উদ্ধার অভিযান চালিয়ে যাচ্ছেন।

ফায়ার সার্ভিসের প্রাথমিক ধারণা, একটি কভার্ড ভ্যানের ভেতরে থাকা সিএনজি সিলিন্ডার বিস্ফোরণের পর আগুনের সূত্রপাত হয়। তবে বিস্ফোরণের সুনির্দিষ্ট কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তদন্ত শেষে জানা যাবে।

কালের আলো/এমএসআইপি 

ডিজেল-কেরোসিন-অকটেন-পেট্রোলের দাম বাড়ল ২০ টাকা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:২৪ অপরাহ্ণ
ডিজেল-কেরোসিন-অকটেন-পেট্রোলের দাম বাড়ল ২০ টাকা

দেশে চার ধরনের প্রধান জ্বালানি তেলের দাম লিটারে ২০ টাকা করে বাড়িয়েছে সরকার। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ডিজেল প্রতি লিটার ১৩৫ টাকা, কেরোসিন ১৫৫ টাকা, অকটেন ১৬৫ টাকা এবং পেট্রোল ১৬০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সিনিয়র সহকারী সচিব মো. এনামুল হক স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে নতুন দাম নির্ধারণের তথ্য জানানো হয়।

নতুন দামে ডিজেলের মূল্য ১১৫ টাকা থেকে বেড়ে ১৩৫ টাকা, কেরোসিন ১৩৫ টাকা থেকে ১৫৫ টাকা, অকটেন ১৪৫ টাকা থেকে ১৬৫ টাকা এবং পেট্রোল ১৪০ টাকা থেকে ১৬০ টাকা হয়েছে।

এর আগে সেপ্টেম্বর মাসে জ্বালানি তেলের দাম অপরিবর্তিত ছিল। সর্বশেষ বড় ধরনের মূল্য সমন্বয় করা হয়েছিল এপ্রিলে। তখন ডিজেলের দাম লিটারে ১৫ টাকা এবং অকটেন, পেট্রোল ও কেরোসিনের দাম যথাক্রমে ২০, ১৯ ও ১৮ টাকা বাড়ানো হয়েছিল।

২০২৪ সাল থেকে স্বয়ংক্রিয় মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতির আওতায় দেশে খুচরা জ্বালানি তেলের দাম পর্যালোচনা করা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম, আমদানি ব্যয়, কর ও শুল্ক, বিনিময় হারসহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য ব্যয় বিবেচনায় নিয়ে নিয়মিত এ দাম সমন্বয় করা হয়।

কালের আলো/এমএসআইপি