খুঁজুন
                               
রবিবার, ৩১ মে, ২০২৬, ১৭ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
           

রামেক হাসপাতালে বেসরকারি বিএসসি নার্সিংয়ের ইন্টার্নশিপের দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:০৫ পূর্বাহ্ণ
রামেক হাসপাতালে বেসরকারি বিএসসি নার্সিংয়ের ইন্টার্নশিপের দাবি

রহস্যজনকভাবে দীর্ঘদিন ধরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে বেসরকারি নার্সিং কলেজসমূহের বিএসসি কোর্সের শিক্ষার্থীদের ইন্টার্নশিপ বন্ধ রয়েছে। এছাড়া নির্মাণ হলেও এখনো বন্ধ হয়ে পড়ে রয়েছে রাজশাহী শিশু হাসপাতাল। অবিলম্বে এ সরকারি হাসপাতালে নার্সিংয়ের ইন্টার্নশিপ ও শিশু হাসপাতাল চালুর দাবি জানিয়েছে রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (রামেবি) অধিভুক্ত বিভিন্ন নার্সিং কলেজের সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের নিয়ে গঠিত অরাজনৈতিক স্বেচ্ছাসেবী সামাজিক সংগঠন ‘ব্রাইট লাইফ ভলান্টিয়ার্স’ (বিএলভি)।

রোববার (১২ এপ্রিল) দুপুরে রাজশাহী বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. হাবিবুর রহমান ও রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মাহফুজুর রহমান রিটনের কাছে দেওয়া পৃথক স্মারকলিপিতে সংগঠনটি এ দাবি জানায়

স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, রাজশাহী বিভাগীয় শহর। উত্তর জনপদের হাজার হাজার মানুষের চিকিৎসার ভরসাস্থল রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল। কিন্তু রহস্যজনকভাবে হাসপাতালটিতে বেসরকারি নার্সিং কলেজের বিএসসি কোর্সের শিক্ষার্থীদের ক্লিনিক্যাল প্র্যাকটিস ও ইন্টার্নশিপ বন্ধ রাখা হয়েছে। অথচ দেশের অন্যান্য মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সেখানকার বিএসসি কোর্সের শিক্ষার্থীরা ইন্টার্নশিপ করার সুযোগ পান। এমনকি রামেক হাসপাতালে বেসরকারি কলেজের ডিপ্লোমা নার্সিং কোর্সের শিক্ষার্থীরা ক্লিনিক্যাল প্র্যাকটিস ও ইন্টার্নশিপ করার সুযোগ পান। সেখানে একই কলেজের বিএসসি কোর্সের জন্য ক্লিনিক্যাল প্র্যাকটিস ও ইন্টার্নশিপ বন্ধ রাখা দ্বিচারিতা ও বৈষম্য ছাড়া আর কিছুই নয়। অথচ বিএসসি-ইন-নার্সিং কোর্সের চাহিদা বিশ্বজুড়ে সমাদৃত। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাসহ পৃথিবীর প্রায় সকল দেশেই গ্র্যাজুয়েট নার্সদের (বিএসসি) বাড়তি কদর রয়েছে। রামেক হাসপাতালে বিএসসি নার্সিং শিক্ষার্থীরা ইন্টার্নশিপের সুযোগ পেলে রোগীদের সেবাও বাড়বে, চাপ কমবে সিনিয়র স্টাফ নার্সদের। সরকারি হাসপাতালে প্র্যাকটিসের সুযোগ পেলে দক্ষ নার্স হিসেবে তৈরি হতে পারবেন শিক্ষার্থীরা। এর আগে আওয়ামী লীগ সরকার ও অন্তবর্তী সরকারের সময় দাবি জানানো হলেও রহস্যজনক কারণে কোনো সমাধান করা হয়নি।

স্মারকলিপিতে আরও উল্লেখ করা হয়, এছাড়া রাজশাহী শিশু হাসপাতাল অনেক আগে নির্মাণ হলেও রহস্যজনক কারণে এখনো চালু হয়নি। এখনো আইসিইউসহ কাঙ্ক্ষিত চিকিৎসার অভাবে প্রতিদিনই অসুস্থ শিশু মারা যাচ্ছে। অথচ বিভাগীয় গুরুত্বপূর্ণ এ শহরে শিশু হাসপাতাল বন্ধ হয়ে পড়ে রয়েছে। যা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। সার্বিক অবস্থা বিবেচনায় রামেক হাসপাতালে অবশ্যই বিএসসি-ইন-নার্সিং কোর্সের শিক্ষার্থীদের সরকারি নীতিমালা মোতাবেক ভাতা প্রদানসহ ক্লিনিক্যাল প্র্যাকটিস ও ইন্টার্নশিপের সুযোগ প্রদান এবং রাজশাহী শিশু হাসপাতাল অবিলম্বে চালু করতে হবে। জনগণের ভোটে নির্বাচিত বিএনপি সরকার এসব বিষয় আমলে নিয়ে সৃষ্ট সমস্যা সমাধান করবে বলে আমরা আশা করছি। এতে উন্নতি ঘটবে দেশের স্বাস্থ্য খাতের।

সাক্ষাতকালে ইন্টার্নশিপের ব্যাপারে প্রথমে নিজেদের দায় এড়িয়ে যান বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. হাবিবুর রহমান। তবে ব্রাইট লাইফ ভলান্টিয়ার্সের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আমানুল্লাহ আমান আইনি দিক তুলে ধরলে দফতরে উপস্থিত এক কর্মকর্তা সংশ্লিষ্ট উচ্চপদস্থ এক কর্মকর্তাকে ফোন দেন। এরপর সমাধানের আশ্বাস দেওয়া হয়। এছাড়া শিশু হাসপাতাল চালুর ব্যাপারে তারা কাজ করছেন বলে জানান। এদিকে রাসিক প্রশাসক মাহফুজুর রহমান রিটনও বিষয়টি আমলে নিয়ে সমাধানের আশ্বাস দেন।

এ সময় ব্রাইট লাইফ ভলান্টিয়ার্সের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আমানুল্লাহ আমান, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক ইকবাল হাসান, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক আবু সাঈদ, তথ্য ও প্রচার সম্পাদক মাসুদ পারভেজ এবং অন্যান্য সদস্যসহ নার্সিং শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এসাআর/এএএন 

হজে গিয়ে ৩৭ বাংলাদেশির মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ৩১ মে, ২০২৬, ১১:৩৪ পূর্বাহ্ণ
হজে গিয়ে ৩৭ বাংলাদেশির মৃত্যু

পবিত্র হজ পালন শেষে দেশে ফিরতে শুরু করেছেন বাংলাদেশি হাজিরা। রোববার (৩০ মে) রাত ৩টা পর্যন্ত ১৫টি ফিরতি ফ্লাইটে মোট ৬ হাজার ১৭৫ জন হাজী বাংলাদেশে পৌঁছেছেন। একই সময়ে সৌদি আরবে বাংলাদেশি হাজিদের মধ্যে এখন পর্যন্ত ৩৭ মৃত্যু হয়েছে।

ধর্ম মন্ত্রণালয়ের হজ পোর্টালে আইটি হেল্পডেস্কের প্রতিদিনের বুলেটিন থেকে এ তথ্য জানা গেছে। গত ২৬ মে সৌদি আরবে হজ অনুষ্ঠিত হয়।

বুলেটিন অনুযায়ী, শনিবার বিকেল সাড়ে ৪টায় মক্কায় বাংলাদেশ মিশনের কনফারেন্স কক্ষে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মুন্সী আলাউদ্দিন আল আজাদ (এনডিসি)-এর সভাপতিত্বে হজ প্রশাসনিক দলের নিয়মিত সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ পালনকারী হাজিদের নির্বিঘ্নে দেশে ফেরা নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয় করণীয়, আবাসন ও চিকিৎসাসেবার সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করা হয়। এতে প্রশাসনিক দলের সদস্য, চিকিৎসক এবং আইটি দলের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

হজ বুলেটিনে বলা হয়, ৩০ মে থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে হাজিদের ফিরতি ফ্লাইট কার্যক্রম শুরু হয়েছে। প্রথম ফিরতি ফ্লাইট (এসভি-৫৮০৬) স্থানীয় সময় রাত ২টা ৪ মিনিটে জেদ্দার কিং আব্দুল আজিজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ৪৪৫ জন হাজী নিয়ে বাংলাদেশের উদ্দেশে যাত্রা করে। ফ্লাইটটি বাংলাদেশ সময় সকাল ৯টা ৪৫ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

দেশে ফেরা ৬ হাজার ১৭৫ হাজির মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪১৬ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৫ হাজার ৭৫৯ জন রয়েছেন।

ফিরতি যাত্রী পরিবহনে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ১ হাজার ১৮৪ জন, সৌদি এয়ারলাইন্স ১ হাজার ৬৯১ জন এবং ফ্লাইনাস এয়ারলাইন্স ৩ হাজার ৩০০ জন হাজী পরিবহন করেছে।

এ পর্যন্ত মোট ১৫টি ফিরতি ফ্লাইট পরিচালিত হয়েছে। এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ৩টি, সৌদি এয়ারলাইন্স ৪টি এবং ফ্লাইনাস ৮টি ফ্লাইট পরিচালনা করেছে।

অন্যদিকে সৌদি আরবে এ পর্যন্ত মোট ৩৭ জন বাংলাদেশি হাজির মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে ২৪ জন পুরুষ ও ১৩ জন নারী। মক্কায় ২৭ জন এবং মদিনায় ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে।

হজ বুলেটিনে আরও জানানো হয়, সৌদি আরবের বিভিন্ন স্থানীয় হাসপাতালে মোট ১৭৬ জন হাজি চিকিৎসাসেবা নিয়েছেন। বর্তমানে ২৬ জন হাজি বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।

এবার বাংলাদেশ থেকে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪ হাজার ৫৬৫ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৭৩ হাজার ৯৩৫ জন হজযাত্রীর কোটা নির্ধারণ করা হয়। হজযাত্রীদের সৌদি আরবগামী প্রথম ফ্লাইট ছিল ১৮ এপ্রিল এবং শেষ ফ্লাইট ২১ মে। অন্যদিকে ফিরতি ফ্লাইট কার্যক্রম শুরু হয়েছে ৩০ মে থেকে, যা চলবে আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত।

কালের আলো/এসআর/এএএন

বাংলাদেশের ৬ বীর সেনানী পাচ্ছেন জাতিসংঘের ‘দাগ হ্যামারশোল্ড মেডেল’

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ৩১ মে, ২০২৬, ১১:১১ পূর্বাহ্ণ
বাংলাদেশের ৬ বীর সেনানী পাচ্ছেন জাতিসংঘের ‘দাগ হ্যামারশোল্ড মেডেল’

বিশ্বশান্তি রক্ষায় নি​জেদের জীবন উৎসর্গ করে অনন্য নজির স্থাপনকারী বাংলাদেশের ৬ বীর সেনানীকে মরণোত্তর ‘দাগ হ্যামারশোল্ড মেডেল’ প্রদান করছে জাতিসংঘ।

চলতি বছরের ৫ জুন জাতিসংঘ সদর দপ্তরে ‘আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস’  উপলক্ষ্যে আয়োজিত একটি বিশেষ অনুষ্ঠানে শান্তিরক্ষীদের এই সর্বোচ্চ সম্মাননা পদক তুলে দেবেন সংগঠনটির মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস।

এ বছর বিশ্বজুড়ে আত্মত্যাগকারী মোট ৬৮ জন সামরিক, পুলিশ ও বেসামরিক শান্তিরক্ষীকে মরণোত্তর এই আন্তর্জাতিক পদকে ভূষিত করা হচ্ছে। সম্মাননা পেতে যাওয়া এই শান্তিরক্ষীদের মধ্যে ৫৯ জনই গত বছর কর্তব্যরত অবস্থায় প্রাণ হারিয়েছেন, যার মধ্যে বাংলাদেশের এই ৬ জন কৃতি সন্তান রয়েছেন।

মরণোত্তর ‘দাগ হ্যামারশোল্ড মেডেল’ পেতে যাওয়া বাংলাদেশের সেই ছয়জন বীর শান্তিরক্ষী হলেন— প্রাইভেট মো. জাহাঙ্গীর আলম, প্রাইভেট মো. সবুজ মিয়া, কর্পোরাল মো. মাসুদ রানা, প্রাইভেট মো. মোমিনুল ইসলাম, প্রাইভেট শামীম রেজা এবং প্রাইভেট শান্ত মন্ডল। এই বীর সেনানীরা আব্বেই অঞ্চলে জাতিসংঘের অন্তর্বর্তীকালীন নিরাপত্তা বাহিনীতে কর্মরত ছিলেন এবং ২০২৫ সালের ১৩ ডিসেম্বর সেখানে একটি আকস্মিক ড্রোন হামলায় নিহত হন।

কালের আলো/এসএকে

স্বজনদের মায়া ছেড়ে ব্যস্ত নগরীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ৩১ মে, ২০২৬, ১০:২৬ পূর্বাহ্ণ
স্বজনদের মায়া ছেড়ে ব্যস্ত নগরীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা

শেষ হচ্ছে ঈদুল আজহার দীর্ঘ ছুটি। প্রিয়জনদের সঙ্গে আনন্দময় সময় কাটিয়ে এবার কর্মস্থলে ফেরার পালা। তাই স্বজনদের মায়া ছেড়ে ধীরে ধীরে রাজধানী ঢাকায় ফিরতে শুরু করেছেন কর্মজীবী মানুষ।

যদিও এখনো ফিরতি যাত্রায় তেমন ভিড় দেখা যায়নি। রোববার (৩১ মে) সকালে রাজধানীর বিমানবন্দর রেলস্টেশন, কমলাপুর রেলস্টেশন ও সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

এদিন সকাল থেকেই দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ট্রেন, বাস ও লঞ্চে করে মানুষ ঢাকায় ফিরছেন। তবে ফিরতি যাত্রায় এখনো চাপ কম। অনেক পরিবারই গ্রামের বাড়িতে থেকে গেছে।

যাদের অফিস-আদালত খুলছে, জরুরি কাজ রয়েছে কিংবা কর্মস্থলে দ্রুত যোগ দেওয়া প্রয়োজন, মূলত তারাই আগে ঢাকায় ফিরছেন। ফলে রাজধানীতে মানুষের উপস্থিতি বাড়তে শুরু করলেও এখনো পুরোপুরি জমে ওঠেনি কর্মচাঞ্চল্য।

ঢাকায় ফেরা এক চাকরিজীবী বলেন, ‘কাল থেকে অফিস খোলা। তাই ঈদ আনন্দ শেষে স্বজনদের মায়া ছেড়ে চলে এলাম।’ এদিকে, আজও ঢাকা ছাড়ছেন অনেকে। কমলাপুরে ঘরমুখো যাত্রীদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। ফেরার চেয়ে ছাড়ার সংখ্যাই বেশি।

অন্যদিকে, সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে সকাল থেকেই ঢাকামুখী যাত্রীদের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। সকাল থেকেই পদ্মা পাড়ি দিয়ে ঘাটে ভিড়ছে যাত্রীবোঝাই লঞ্চ। এসব লঞ্চে আসছেন আসছেন দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার মানুষ। এবার ফেরি ও লঞ্চ চলাচল স্বাভাবিক থাকায় ঘাট এলাকায় তেমন কোনো ভোগান্তি বা দীর্ঘ যানজটের ভোগান্তিতে পড়তে হয়নি যাত্রীদের। অনেকে আবার স্পিডবোটে নদী পার হচ্ছেন। যাত্রীরা জানান, অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের তেমন বড় কোনো অভিযোগ না থাকলেও, গণপরিবহনে কিছুটা বাড়তি টাকা গুণতে হচ্ছে। তবে এবারের ঈদযাত্রা ও ফিরতি যাত্রা বিগত বছরগুলোর চেয়ে অনেকটাই স্বস্তিদায়ক। ঘাট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আগামীকাল থেকে অফিস-আদালত পুরোদমে শুরু হওয়ায় বিকেলের দিকে যাত্রীদের চাপ আরও বাড়তে পারে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ