খুঁজুন
                               
রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬, ৭ আষাঢ়, ১৪৩৩
           

‘অপ্রিয় সত্য’ নিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে শিশির মনিরের খোলা চিঠি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:০৩ অপরাহ্ণ
‘অপ্রিয় সত্য’ নিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে শিশির মনিরের খোলা চিঠি

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে উদ্দেশ করে ‘অপ্রিয় সত্য’ শিরোনামে একটি খোলা চিঠি দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির।

শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) সকাল ১০টা ১০ মিনিটে ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড আইডিতে দেওয়া স্ট্যাটাসে তিনি এই চিঠি লিখেন।

চিঠিতে শিশির মনির উল্লেখ করেছেন, ক্ষমতায় থাকায় প্রধানমন্ত্রীর আশপাশের অনেকেই বাস্তবতা তুলে ধরতে সংকোচ বোধ করেন বা ভয় পান। তাই কিছু ‘অপ্রিয় সত্য’ তুলে ধরার প্রয়োজন অনুভব করেছেন বলে জানান তিনি।

সুপ্রিম কোর্টের এই সিনিয়র আইনজীবী অতিরিক্ত তোষামোদির সমালোচনা করে বলেন, অতীতে এমন প্রবণতার কারণে অনেকেই হেয়-প্রতিপন্ন হয়েছেন। বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী ও তার পরিবারকে ঘিরেও অনুরূপ চর্চা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

তিনি বিভিন্ন উদাহরণ টেনে বলেন, ‘‘জাতীয় সংসদে আপনাকে শিশু মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে ঘোষণা করার দাবি উত্থাপন, টাইম ম্যাগাজিনে আপনি ১০০ জন প্রভাবশালীদের একজন, তাই সংসদে অভিনন্দন প্রস্তাব আনা (খবরে এসেছে, সবাই জেনেছে, আপনাকে সামনে রেখে অভিনন্দন প্রস্তাব কেন আবার), কোনও সরকারি দায়িত্ব না থাকা সত্ত্বেও আপনার মেয়ে জাইমা রহমানকে প্রোটোকল দেওয়া বা হাইলাইট করা (শিক্ষামন্ত্রী), সংসদে আপনাকে সম্রাট বাবরের সাথে তুলনা করা, আপনার হাতে আপনার শাসনকালে [অন্যের মাধ্যমে দেয়া যেত] আপনার মেয়ের মাধ্যমে আপনার মাতা দেশনেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়াকে মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার দেওয়া, ক্রিকেট বোর্ডে কেন্দ্রীয় নেতাদের সন্তানদের মিলনমেলা বানানো, আপনাকে পায়ে ধরে সালাম করা (যদিও একজনকে আপনি নিষেধ করেছেন) ইত্যাদি। এসব বিষয় জনমনে প্রশ্ন তৈরি করতে পারে।’’

তবে প্রধানমন্ত্রীর কিছু ইতিবাচক দিকও তুলে ধরেন তিনি। সাধারণ জীবনযাপন, প্রোটোকল কম ব্যবহার, নিয়মিত অফিস করা ও দায়িত্বশীল আচরণের মতো বিষয়গুলোকে ব্যতিক্রমধর্মী উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করেন।

চিঠিতে আরও বলা হয়, গণ-অভ্যুত্থানের পর জনগণ তোষামোদের পরিবর্তে কার্যকর কাজ দেখতে চায়। কর্মদক্ষতা ও সততার ভিত্তিতেই জনপ্রিয়তা নির্ধারিত হবে বলে মত দেন তিনি। একই সঙ্গে পরিবারকেন্দ্রিক রাজনীতির সমালোচনা করে নতুন প্রজন্ম যোগ্যতাকে বেশি গুরুত্ব দেয় বলেও উল্লেখ করেন।

সরকারের কিছু প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, ঘোষিত নীতিমালা থেকে বিচ্যুতি সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে পারে। বিশেষ করে গণভোটের মতো বিষয়ে অবস্থান পরিবর্তনের বিষয়টি পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানান তিনি।

শেষে শিশির মনির বলেন, জনস্বার্থে ভালো কাজের পক্ষে এবং জনবিরোধী কর্মকাণ্ডের বিপক্ষে অবস্থান নেবেন তিনি। একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সুস্থতা ও কল্যাণ কামনা করেন।

কালের আলো/এসআর/এএএন

বেফাঁস মন্তব্যের জেরে কেএমপির অতিরিক্ত কমিশনার প্রত্যাহার

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬, ২:৫০ অপরাহ্ণ
বেফাঁস মন্তব্যের জেরে কেএমপির অতিরিক্ত কমিশনার প্রত্যাহার

Oplus_131072

বেফাঁস মন্তব্যের জেরে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (অপরাধ) মোহাম্মদ রাশিদুল ইসলাম খানকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

শনিবার (২০ জুন) পুলিশ সদরদপ্তরের পার্সোনেল ম্যানেজমেন্ট শাখা-১ থেকে এ সংক্রান্ত আদেশ জারি করা হয়। আদেশে স্বাক্ষর করেন অতিরিক্ত উপমহাপরিদর্শক রায়হান উদ্দিন খান।

আদেশে বলা হয়, আগামী ২১ জুন বর্তমান কর্মস্থল থেকে পুলিশ সদরদপ্তরে যোগদানের জন্য রিপোর্ট করতে হবে।

এর আগে গত ১৭ জুন খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের লবণচরা থানা এলাকায় আয়োজিত এক সমাবেশে সাধারণ মানুষের সঙ্গে মতবিনিময় করেন মোহাম্মদ রাশিদুল ইসলাম খান।

ওই অনুষ্ঠানে তিনি অপরাধীদের বিষয়ে তথ্য দেওয়ার ক্ষেত্রে তথ্যদাতার পরিচয় গোপন রাখার আশ্বাস দেন। তবে এ সময় তার একটি মন্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার সৃষ্টি করে।

তিনি বলেন, কোনো তথ্য দেওয়ার পর তা যদি কোনো পুলিশ সদস্যের মাধ্যমে ফাঁস হয়, তাহলে ওই পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বক্তব্যের একপর্যায়ে তিনি বলেন, “আমি নিজে ওই পুলিশ সদস্যকে গাছের সঙ্গে ঝুলিয়ে দেব, আপনারা নিজেরা পিটিয়ে মারবেন।”

তার এই বক্তব্যের পর বিষয়টি নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতেই তাকে বর্তমান কর্মস্থল থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ সদরদপ্তরে সংযুক্ত করা হয়েছে।

কালের আলো/এসএকে

যুদ্ধবিরতির ২৪ ঘণ্টা না পেরোতেই লেবাননে ইসরাইলের হামলা, নিহত ২৯

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬, ২:৪৯ অপরাহ্ণ
যুদ্ধবিরতির ২৪ ঘণ্টা না পেরোতেই লেবাননে ইসরাইলের হামলা, নিহত ২৯

লেবাননের সিভিল ডিফেন্স জানিয়েছে, শনিবার নাবাতিহ জেলায় ইসরাইলি বিমান হামলায় ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং আহত হয়েছেন অন্তত ১২ জন।

একই সময়ে দক্ষিণাঞ্চলের টায়ার জেলার বারিশ গ্রামে একটি পরিবারের চার সদস্য নিহত হওয়ার খবর দিয়েছে রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা এনএনএ। সংস্থাটি ঘটনাটিকে ‘গণহত্যা’ হিসেবে উল্লেখ করেছে।

এ ছাড়া সিডনের নিকটবর্তী একটি গ্রামে হামলায় অন্তত সাতজন নিহত ও ১৩ জন আহত হয়েছেন। টায়ার জেলার শাহুর এলাকায় একজন এবং পূর্বাঞ্চলের বেকা উপত্যকার সোহমোর শহরে আরও একজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।

লেবাননের সেনাবাহিনী জানিয়েছে, কফর রুম্মান-নাবাতিহ সড়কে চালানো এক ইসরাইলি হামলায় তাদের একজন কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন। সেনাবাহিনীর দাবি, এ ধরনের আক্রমণ দেশটিতে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার যেকোনো প্রচেষ্টাকে ব্যাহত করছে।

অন্যদিকে ইসরাইলি সেনাবাহিনীর বক্তব্য অনুযায়ী, দক্ষিণ লেবাননে মোতায়েন তাদের বাহিনীর ওপর হিজবুল্লাহর রাতভর হামলার প্রতিক্রিয়াতেই এই অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।

তবে হিজবুল্লাহ দাবি করেছে, যুদ্ধবিরতির সুযোগ কাজে লাগিয়ে নাবাতিহ অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ পাহাড়ি অবস্থান দখলের উদ্দেশ্যে ইসরাইলি বাহিনী অনুপ্রবেশের চেষ্টা চালিয়েছিল। তাদের যোদ্ধারা সেই চেষ্টা প্রতিহত করেছে বলে সংগঠনটি জানিয়েছে।

হিজবুল্লাহর সংসদ সদস্য হাসান ফাদলাল্লাহ বলেছেন, ইসরাইলি আগ্রাসনের জবাব দেওয়ার অধিকার তাদের রয়েছে। তাঁর মতে, লেবাননের ভূখণ্ডে ইসরাইলি উপস্থিতি বজায় থাকলে কোনো যুদ্ধবিরতিই কার্যকর অর্থ বহন করবে না।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা কমানোর লক্ষ্যে একটি সমঝোতা বাস্তবায়নের প্রচেষ্টার মধ্যেই এই সহিংসতা নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে। ইসরাইলের কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তা ওই সমঝোতা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

ইসরাইলের অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোট্রিচ চুক্তিটিকে দেশের স্বার্থবিরোধী বলে মন্তব্য করেছেন। জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন গভিরও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় হওয়া কোনো সমঝোতা মানতে ইসরাইল বাধ্য নয়।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প লেবাননে সাম্প্রতিক হামলায় ব্যাপক প্রাণহানির ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে সমালোচনাও করেছেন।

কাতার ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় গত শুক্রবার ইসরাইল ও হিজবুল্লাহ যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছিল। তবে চুক্তি স্বাক্ষরের কয়েক ঘণ্টা আগে দক্ষিণ লেবাননে চার ইসরাইলি সেনা নিহত হওয়ার পর বেন গভিরের ‘পুরো লেবানন পুড়িয়ে দেওয়া উচিত’ মন্তব্য ব্যাপক বিতর্কের জন্ম দেয়।

এর প্রতিক্রিয়ায় ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেন, এ ধরনের বক্তব্য ইসরাইল সরকারের প্রকৃত অবস্থানকে তুলে ধরে এবং তা আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার জন্য উদ্বেগজনক।

ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাঈদ খাতিবজাদেহও সতর্ক করে বলেছেন, ওয়াশিংটনের সঙ্গে তেহরানের চলমান আলোচনা কতটা এগোবে, তা অনেকাংশে নির্ভর করবে ইসরাইল যুদ্ধবিরতির শর্ত ও আন্তর্জাতিক আইন কতটা মেনে চলে তার ওপর। তাঁর মতে, দখলদারিত্বের অবসান ছাড়া লেবানন ও মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়।

সূত্র: মিডল ইস্ট আই

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

হামের টিকা দেওয়ায় গাফিলতি তদন্তের দরকার নেই: জিয়াউদ্দিন হায়দার

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬, ১:৪৫ অপরাহ্ণ
হামের টিকা দেওয়ায় গাফিলতি তদন্তের দরকার নেই: জিয়াউদ্দিন হায়দার

হামের টিকা দেওয়ার গাফিলতির ঘটনায় তদন্তের দরকার নেই বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী (প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদা) এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার।

রোববার (২১ জুন) সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে বিশেষ সহকারী এ কথা জানান।

পর্তুগালের লিসবনে অনুষ্ঠিত ‌৩৪তম ইন্টারন্যাশনাল কনফেডারেশন অব মিডওয়াইভস (আইসিএম) ট্রায়েনিয়াল কংগ্রেসে অংশগ্রহণসহ সাম্প্রতিক ইউরোপ সফর নিয়ে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

হামে শিশু মৃত্যু নিয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে কি না জানতে চাইলে- বিশেষ সহকারী বলেন, ‘এখানে তদন্তের কি আছে? আমরা তো জানি যে অপারেশনাল প্ল্যান বাদ দিয়ে এটাকে ডিপিপিতে মাইগ্রেট করা হয়েছে। তখন হয়তো ধারণা করা হয়েছিল যে ডিপিপিগুলোকে এক থেকে দেড় মাসের মধ্যে তারা অ্যাপ্রুভ করতে পারবে এবং টাকা অ্যাভেইলেবল হবে। কিন্তু বাস্তব চিত্র হলো যে, এক বছরেও অনেক ডিপিপি প্রিপারেশন সম্ভব হয়নি এবং সেগুলোকে একনেকে অ্যাপ্রুভাল, প্রজেক্ট অফিস তৈরি করা, হ্যাঁ, সেগুলো করতে পারেনি।’

তিনি বলেন, ‘যার ফলে আপনার যে স্বাভাবিক যে ফান্ড ফ্লো ওপির মাধ্যমে হচ্ছিল, সেইটা আমি বন্ধ করলাম উইদাউট ওপেনিং আপ নিউ ফান্ড ফ্লো। এবং এই যে আপনার ঘাটতি, এই ঘাটতির বোঝা তো আমরা জাতি হিসেবে এখনো বহন করছি।’

‘আমাদের ফ্যামিলি প্ল্যানিংয়ের বিভিন্ন প্রোডাক্ট বিভিন্ন জায়গাতে স্টক আউট, সেগুলো আমরা কীভাবে দ্রুত সময়ের মধ্যে ক্রয় করতে পারি, সেগুলো নিয়ে মন্ত্রীসহ সবাই কাজ করছে। এই যে আজ আমি কথা বলছি, মন্ত্রী আপনার কোপেনহেগেন আপনার ডেনমার্কের ইউনিসেফের যে সাপ্লাই ডিভিশনের হেডকোয়ার্টার সেখানে তিনি যাচ্ছেন তাদের সঙ্গে আলাপ করার জন্য; যাতে করে আমাদের অন্যান্য যে এসেনশিয়াল প্রোডাক্ট, সেগুলোও দ্রুত কেনা যায় এবং ঘাটতি পূরণ করা যায়—এজন্য আমরা দিন-রাত পরিশ্রম করছি।’

আগের সরকারের কোনো গাফিলতি কি আপনি স্বাস্থ্য উপদেষ্টা হিসেবে দেখেন না? এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘না, গাফিলতি তো আছেই। আমরা তো এটা বলেই দিয়েছি। তাদের গাফিলতির জন্যই তো ২০২৪-২৫-এর যে টিকার রাউন্ড, সে টিকার রাউন্ডটা পুরোপুরি মিস করা হয়েছে। হ্যাঁ, ভ্যাকসিনের কোনো প্রকিউরমেন্ট হয়নি। ফ্যামিলি প্ল্যানিংয়ের এই যে কন্ট্রাসেপ্টিভ প্রোডাক্ট, এগুলো প্রকিউরমেন্ট হয়নি। এখানে গাফিলতি আছে, এটা নিঃসন্দেহে আমরা বলতে পারি। এটার জন্য কোনো তদন্ত করার দরকার নেই।’

হামের টিকা দেওয়ার এক মাস পরও কেন এখনো শিশুরা আক্রান্ত হচ্ছে এবং মারা যাচ্ছে? এ বিষয়ে বিশেষ সহকারী বলেন, ‘যে ন্যাশনাল ক্যাম্পেইনটা আমরা করলাম, ইমার্জেন্সি ক্যাম্পেইন ভ্যাক্সিনেশনের, এর টার্গেট গ্রুপ ছিল ৬ মাস থেকে ৫ বছর বয়সের বাচ্চারা। তো এখানে আমাকে দেখতে হবে যে যারা এখন হামে আক্রান্ত হচ্ছে তারা কি এই এজ গ্রুপের নাকি ৫ বছর বয়সের চাইতে বেশি বয়স? কারণ বেশি বয়সের বাচ্চাদের হামের টিকা এখনো দেওয়া হয়নি। এই মাসের শেষেই রেগুলার রাউন্ড শুরু হওয়ার কথা। তখন অন্য বাচ্চারাও, আমার মনে হয় ১০ বছর বয়স পর্যন্ত বাচ্চারা হামের হামের টিকা পাবে।’

জিয়াউদ্দিন হায়দার বলেন, ‘তো আমাদের এই একটা জিনিস দেখার আছে। আর দুই-একজন বাচ্চাতো মিসআউট থাকতেই পারে। আর হামের সংক্রমণ ক্ষমতা কিন্তু কোভিডের চাইতে প্রায় ৯ গুণ বেশি। এটা অনেক বেশি সংক্রমণ ক্ষমতা। হাম হলে পরে একটা পরিবারে তাকে কতটুকু আইসোলেটেড করা হচ্ছে, অন্যান্য বাচ্চাদের কাছ থেকে আইসোলেটেড করা হচ্ছে, হ্যাঁ, বা হাসপাতালেও আইসোলেশন কতটুকু কাজ করছে, এইটাও আমাদের আমার মনে হয় গভীরভাবে খতিয়ে দেখার ব্যাপার আছে।’

কালের আলো/এসআর/এএএন