জাতীয় পর্যায়ের ক্রীড়া কার্ডধারী খেলোয়াড়দের সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারি-বেসরকারি গণপরিবহনে ভাড়ায় বিশেষ ছাড় এবং স্বাস্থ্যসেবা ও বীমা সুবিধা দেওয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
‘ক্রীড়া হলে পেশা, পরিবার পাবে ভরসা’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে রোববার (৪ অক্টোবর) যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এক পর্যালোচনা সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক।
সভায় জানানো হয়, ক্রীড়া কার্ডধারীদের সরকারি ও বেসরকারি গণপরিবহনে ছাড়যুক্ত ভাড়ায় যাতায়াতের ব্যবস্থা করতে কাজ করছে মন্ত্রণালয়।
পাশাপাশি খেলা চলাকালে দুর্ঘটনা, উন্নত চিকিৎসার ব্যয় ও জীবনের বিভিন্ন ঝুঁকি মোকাবিলায় ক্রীড়াবিদদের বিশেষ স্বাস্থ্যসেবা, জীবনবীমা ও ঝুঁকি বীমার আওতায় আনার কার্যক্রমও দ্রুত এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে সরকারি ও বেসরকারি বীমা প্রতিষ্ঠানগুলো অংশীদার হিসেবে কাজ করবে।
মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, ক্রীড়াকে সম্ভাবনাময় পেশা হিসেবে তরুণদের কাছে আকর্ষণীয় করে তোলা এবং ক্রীড়াবিদদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেওয়ার উদ্দেশ্যে ক্রীড়া কার্ড ও ক্রীড়া ভাতা কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এটি শুধু পরিচয়পত্র নয়, বরং এর মাধ্যমে ক্রীড়াবিদদের বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় ও প্রাতিষ্ঠানিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার একটি সমন্বিত কাঠামো গড়ে তোলা হচ্ছে।
ইতোমধ্যে বিভিন্ন ইভেন্টের ৩২৫ জন নির্বাচিত জাতীয় ক্রীড়াবিদকে ক্রীড়া কার্ডের আওতায় আনা হয়েছে। এর মধ্যে প্রাথমিকভাবে ৩০০ জন নিয়মিত ক্রীড়া ভাতা পাচ্ছেন।
কার্যক্রমটি বাস্তবায়নে বাংলাদেশ রেলওয়ে, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ), ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল) এবং বীমা খাতের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে সভায় বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
সভায় যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মাহবুব-উল-আলম, বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক মো. আফজাল হোসেন, বিআইডব্লিউটিএর সদস্য মো. মোয়াজ্জেম হোসেন, ডিএমটিসিএলের পরিচালক মো. আমিনুর রহমান, জীবন বীমা কর্পোরেশনের জিএম আবু নাইম মো. মারুফ খান এবং বাংলাদেশ নৌপরিবহন মালিক সমিতির মহাপরিচালক ছিদ্দুকুর রহমান পাটোয়ারীসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি
আপনার মতামত লিখুন
Array