খুঁজুন
                               
বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
           

শেরে বাংলাকে বিগত সরকার পরিকল্পিতভাবে অস্বীকার করার চেষ্টা করেছে: নাহিদ ইসলাম

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:৩৪ পূর্বাহ্ণ
শেরে বাংলাকে বিগত সরকার পরিকল্পিতভাবে অস্বীকার করার চেষ্টা করেছে: নাহিদ ইসলাম

শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হকের ৬৪তম মৃত্যুবার্ষিকীতে তাকে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ মো. নাহিদ ইসলাম।

তিনি শেরে বাংলাকে ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের অন্যতম পুরোধা, এ ভূখণ্ডের কৃষক-শ্রমিক ও মেহনতি মানুষের অকৃত্রিম বন্ধু এবং জাতীয় নেতা হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

রোববার (২৬ এপ্রিল) দিনগত রাতে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বার্তায় এ কথা বলেন নাহিদ।

নাহিদ ইসলাম বলেন, আপসহীন এই নেতার অবদান বিগত ফ্যাসিবাদী সরকার পরিকল্পিতভাবে অস্বীকার করার চেষ্টা করেছে। কিন্তু অবিভক্ত ভারত ও পাকিস্তানের রাজনীতির শীর্ষে আরোহণের সুযোগ থাকা সত্ত্বেও বাংলাকে আঁকড়ে ধরা এই মহান নেতাকে এদেশের মানুষ কখনোই ভুলবে না।

এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, এ দেশের মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় তিনি ছিলেন আপসহীন সংগ্রামী। কলকাতা ও পূর্ববঙ্গের জমিদারদের শোষণের জাঁতাকল থেকে এ অঞ্চলের কৃষকদের মুক্তির লক্ষ্যে তিনি জমিদারি প্রথা বিলুপ্ত করেছেন। বিনিময়ে অর্জন করেছেন এ মাটির মানুষের অকৃত্রিম ভালোবাসা।

‘পিছিয়ে পড়া বাঙালি মুসলমান সমাজে শিক্ষার বিস্তারে অনবদ্য অবদান ছিল তার। কলকাতার তৎকালীন সিভিল সোসাইটির তীব্র বাধার মুখেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন তিনি।’

নাহিদ বলেন, পূর্ব বাংলার মানুষের স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে লাহোর প্রস্তাবের মাধ্যমে মুসলমান সংখ্যাগরিষ্ঠ পূর্ব ও পশ্চিমে একাধিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার স্বপ্নও দেখেছিলেন তিনি। এই অসীম সাহসী নেতার কাছ থেকেই আমরা অন্যায় ও অবিচারের বিরুদ্ধে নির্ভয়ে প্রতিবাদ করার প্রেরণা পেয়েছি।

বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ বলেন, তিনি এ জাতিকে বহু আগেই সতর্ক করে বলেছিলেন, ‘যে জাতি তার সন্তানদের বিড়ালের ভয় দেখিয়ে ঘুম পাড়ায়, তারা কখনো সিংহের সঙ্গে লড়াই করা শিখতে পারে না।’

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

প্রাথমিকের পাঠ্যক্রমে যুক্ত হচ্ছে নতুন বই

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬, ২:০১ অপরাহ্ণ
প্রাথমিকের পাঠ্যক্রমে যুক্ত হচ্ছে নতুন বই

২০২৭ সালে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চতুর্থ শ্রেণির পাঠ্যক্রমে যুক্ত হচ্ছে নতুন বই। শিল্প ও সংস্কৃতি নামের এই বইয়ে ৪টি অধ্যায়ে অন্তর্ভুক্ত থাকবে চারু ও কারুকলা, সংগীত, নৃত্যকলা এবং নাট্যকলা। ২০২৮ সালে নতুন কারিকুলামে পূর্ণাঙ্গভাবে যুক্ত হবে এই বিষয়গুলো।

বুধবার (১০ জুন) প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীত, নৃত্যকলা, নাট্যকলা ও চারুকলা বিভাগের শিক্ষক ও সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় এ তথ্য জানান প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।

প্রাথমিক শিক্ষায় সংগীত, নৃত্যকলা ও সাংস্কৃতিক শিক্ষার সম্প্রসারণ, নতুন কারিকুলাম প্রণয়ন এবং দক্ষ শিক্ষক তৈরির লক্ষ্যে এই সভার আয়োজন করা হয়।

মতবিনিময় সভায় শিক্ষা ‎প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক শিক্ষায় সংগীত, নৃত্যকলা ও ক্রীড়াভিত্তিক শিক্ষা সম্প্রসারণের ফলে ভবিষ্যতে বিপুলসংখ্যক বিশেষায়িত শিক্ষক ও প্রশিক্ষকের প্রয়োজন হবে। এতে সংগীত, নৃত্যকলা, চারুকলা, নাট্যকলা ও ক্রীড়া বিষয়ে শিক্ষিত তরুণ-তরুণীদের জন্য নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে এবং এসব বিষয়ে একটি টেকসই ক্যারিয়ার পাথওয়ে গড়ে উঠবে। আগামী ৫ বছরে এ খাতে প্রায় ৫০-৬০ হাজার নতুন কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হবে।

এ ব্যাপারে ‎‎বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সহযোগিতা কামনা করে ববি হাজ্জাজ বলেন, আমরা চাই, আপনাদের শিক্ষার্থীরা যেন ভবিষ্যতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে যুক্ত হওয়ার সুযোগ পায়। সে লক্ষ্যে কীভাবে তাদের উপযুক্ত প্রশিক্ষণ দেওয়া যায়, কীভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যক্রমের সঙ্গে শিক্ষকতা-সম্পর্কিত প্রস্তুতি যুক্ত করা যায় এবং কীভাবে যৌথভাবে দক্ষ শিক্ষক তৈরি করা যায়—সেসব বিষয়ে আমরা একসঙ্গে কাজ করতে চাই।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, আমরা চাই সংগীত, নাট্যকলা ও নৃত্যকলাকে শুধু সহশিক্ষা কার্যক্রম হিসেবে নয়; বরং শিক্ষার্থীদের সামগ্রিক বিকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে। এ জন্য কারিকুলাম উন্নয়নের পাশাপাশি দক্ষ শিক্ষক তৈরির বিষয়ে এখন থেকেই পরিকল্পনা গ্রহণ করা হচ্ছে।

‎‎সভায় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব এবং দেশের ২৪টি বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট বিষয়ের চেয়ারম্যানসহ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এসএকে

ডেঙ্গু রোগীর অনুপাতে চিকিৎসকের ব্যবস্থা করা হবে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬, ১:৪৭ অপরাহ্ণ
ডেঙ্গু রোগীর অনুপাতে চিকিৎসকের ব্যবস্থা করা হবে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বেশি হলে মানুষের জীবন বাঁচাতে যেভাবে সম্ভব অতিরিক্ত চিকিৎসকের ব্যবস্থা করা হবে।

বুধবার (১০ জুন) সকালে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদত বার্ষিকী উপলক্ষ্যে’ আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আমার একটাই কথা, আমরা সবাই মিলে একটি বিষয় মোকাবিলা করছি। আমরা অনেকটা এগিয়েছি, সামনে আরেকটি চ্যালেঞ্জ আসছে। আপনারা নিজ নিজ অবস্থান থেকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকবেন এবং ডেঙ্গুর প্রটোকল মেনে চলবেন।

চিকিৎসকদের উদ্দেশ্যে মন্ত্রী বলেন, আপনাদের বড় একটি নেটওয়ার্ক সারা বাংলাদেশে রয়েছে। সবাইকে বলবেন, বড় চিকিৎসকরা যে বিষয়গুলো বলেছেন অপ্রয়োজনে অ্যান্টিবায়োটিক না দেওয়া এবং রোগীর প্লাজমা লিক শুরু হলে প্রতিটি রোগীর প্রতি বিশেষ নজর রাখা। প্লাজমা লিক হলে দ্রুত ফ্লুইড দিতে হবে, যাতে রোগী শকে চলে না যায়।

তিনি আরও বলেন, আপনারা এসব বিষয় আপনাদের সহকর্মী ও পরিচিতদের জানাবেন। যদি পরিস্থিতির অবনতি হয় বা রোগীর সংখ্যা বেড়ে যায়, আমাদের জানাবেন। আমরা যেভাবে সম্ভব চিকিৎসকের ব্যবস্থা করবো। প্রয়োজনে চিকিৎসকদের ভাগ করে দায়িত্ব দেওয়া হবে। তবুও আমাদের মানুষকে বাঁচাতে হবে।

এ সময় জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক অবদানের কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, সিপাহী বিপ্লবের মাধ্যমে জনগণ জিয়াউর রহমানকে বন্দি দশা থেকে মুক্ত করে ক্ষমতায় বসিয়েছিল। তিনি দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেন এবং সবার জন্য রাজনীতির পথ উন্মুক্ত করে দিয়েছিলেন।

এছাড়া তিনি, জিয়াউর রহমান ও তার সন্তান আরাফাত রহমান কোকোর আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তারেক রহমানের সুস্বাস্থ্য ও দেশের জন্য তার নেতৃত্বের সফলতা কামনা করেন।

আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিত এবং ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) সাবেক মহাসচিব ডা. মো. আব্দুস সালাম। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ড্যাবের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অধ্যাপক ডা. মো. আবুল কেনান। সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন সংগঠনটির মহাসচিব ডা. মো. জহিরুল ইসলাম শাকিল।

কালের আলো/এসএকে

ব্যভিচার ও মানহানির মামলায় নাসির-তামিমার খালাস

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬, ১:৩৬ অপরাহ্ণ
ব্যভিচার ও মানহানির মামলায় নাসির-তামিমার খালাস

ক্রিকেটার নাসির হোসেন ও তামিমা সুলতানা তাম্মির আলোচিত বিয়ে-সংক্রান্ত মামলায় খালাস পেয়েছেন।

বুধবার (১০ জুন) দুপুর ১২টায় ঢাকার অ্যাডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালতে এ রায় দেওয়া হয়।

এর আগে গত ৬ মে মামলার উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে রায়ের জন্য ১০ জুন দিন ধার্য করেন আদালত। শুনানিকালে বাদীপক্ষের আইনজীবী ইশরাত হাসান আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানান। অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী আজিজুর রহমান দুলু তাদের নির্দোষ দাবি করে খালাস প্রার্থনা করেন।

মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২১ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর উত্তরার একটি রেস্তোরাঁয় নাসির হোসাইন ও তামিমা সুলতানার বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়। পরে অভিযোগ ওঠে, আগের স্বামীকে আইনগতভাবে তালাক না দিয়েই নাসিরকে বিয়ে করেন তামিমা।

এ ঘটনায় তামিমার আগের স্বামী রাকিব হাসান ২০২১ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি নাসির ও তামিমার বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে একই বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়।

পরে ২০২২ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি আদালত নাসির ও তামিমার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ