খুঁজুন
                               
, ,
           

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে দেওয়া বক্তব্য প্রত্যাহার করলেন ববি হাজ্জাজ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৯ মে, ২০২৬, ১০:২৩ অপরাহ্ণ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে দেওয়া বক্তব্য প্রত্যাহার করলেন ববি হাজ্জাজ

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে দেওয়া তার সাম্প্রতিক বক্তব্য সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। শুক্রবার (২৯ মে) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ কথা জানান।

ফেসবুক পোস্টে ববি হাজ্জাজ বলেন, একটি পডকাস্টে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে আমার কিছু মন্তব্য নিয়ে আলোচনা ও বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। বক্তব্যের কিছু অংশ ভুলভাবে বোঝা হয়েছে এবং কিছু ক্ষেত্রে ভুল ব্যাখ্যাও করা হয়েছে। তাই বিষয়টি পরিষ্কার করার প্রয়োজন অনুভব করেছেন।

তিনি বলেন, এগুলো সম্পূর্ণই আমার ব্যক্তিগত চিন্তা ও মতামত, যা কোনোভাবেই সরকারের আনুষ্ঠানিক অবস্থান বা নীতির প্রতিফলন নয়। আমি মূলত বলতে চেয়েছি, সময় এসেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে আরও বেশি বিশ্বমানের একটি গবেষণা বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিণত করার।

বক্তব্যের উদ্দেশ্য কখনোই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহ্য, মর্যাদা বা অবদানকে খাটো করা ছিল না; বরং ভবিষ্যৎ নিয়ে উচ্চাকাঙ্ক্ষার কথা তুলে ধরা ছিল।

তিনি আরও বলেন, ব্যক্তিগত মূল্যায়ন অনুযায়ী, গত সতেরো বছরে দেশের উচ্চশিক্ষা খাত নানা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছে। গবেষণার প্রতি পর্যাপ্ত গুরুত্ব দেওয়া হয়নি, অ্যাকাডেমিক উৎকর্ষের পরিবর্তে স্বৈরাচারী সরকারের রাজনৈতিক বিবেচনা অনেক ক্ষেত্রে প্রাধান্য পেয়েছে এবং শিক্ষক নিয়োগ ও পদোন্নতিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও মেধাভিত্তিক মূল্যায়ন নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

প্লেজারিজমের মতো অনৈতিক অ্যাকাডেমিক চর্চার অভিযোগও বিভিন্ন সময়ে সামনে এসেছে। আমি এসব প্রবণতার কঠোর সমালোচনা করি এবং বিশ্বাস করি, এগুলোর কোনো স্থান একটি মর্যাদাপূর্ণ বিশ্ববিদ্যালয়ে থাকা উচিত নয়।

পোস্টে তিনি আরও উল্লেখ করেন, পডকাস্টের আলোচনাটি ছিল সম্পূর্ণ অনানুষ্ঠানিক ও স্বতঃস্ফূর্ত কথোপকথন। এটি কোনো গবেষণাভিত্তিক, প্রাতিষ্ঠানিক বা নীতিগত আলোচনা ছিল না।

যদি এটি একটি আনুষ্ঠানিক অ্যাকাডেমিক বা নীতিগত আলোচনার পরিসর হতো, তাহলে বক্তব্যের ভাষা ও উপস্থাপনাও আরও কাঠামোবদ্ধ ও নির্দিষ্ট হতো।

ববি হাজ্জাজ বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস, ঐতিহ্য এবং জাতি গঠনে তার অবদানের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা রয়েছে। আমি চাই, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষার প্রাণকেন্দ্র হিসেবেই নয়, বরং বিশ্বমানের গবেষণা, উদ্ভাবন ও জ্ঞানচর্চার একটি স্বীকৃত কেন্দ্র হিসেবে আরও শক্তিশালী অবস্থান অর্জন করুক।

তিনি আরও বলেন, বর্তমানে যারা বিশ্ববিদ্যালয়ের নেতৃত্ব ও দায়িত্বে রয়েছেন, তারাও এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে কাজ করছেন। সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আগামী দিনে আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে আরও সমৃদ্ধ, আরও গবেষণানির্ভর এবং আরও প্রতিযোগিতামূলক একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিণত হবে বলে তিনি প্রত্যাশা করেন।

ফেসবুক পোস্টে ববি হাজ্জাজ আরও বলেন, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, আমরা এমন একটি অ্যাকাডেমিক সংস্কৃতি গড়ে তুলতে চাই যেখানে সততা, মেধা, গবেষণার মান এবং বুদ্ধিবৃত্তিক স্বাধীনতা সর্বোচ্চ মূল্যবোধ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত থাকবে; যেখানে প্লেজারিজম বা অন্য কোনো অনৈতিক অ্যাকাডেমিক চর্চার কোনো স্থান থাকবে না।

সেটিই হবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহ্যের প্রতি প্রকৃত সম্মান এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রতি আমাদের দায়িত্ব।

তিনি বলেন, তারপরও আমার আংশিক বক্তব্যটি যেহেতু কিছুটা ভুল বোঝাবুঝি সৃষ্টি করেছে, অনেকেই অসন্তুষ্ট হয়েছেন, আমার অনেক প্রিয়জন ও শুভাকাঙ্ক্ষী মর্মাহত হয়েছেন সেজন্য আমার এই বক্তব্যটি আমি সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাহার করে নিচ্ছি এবং আশা করি এরপর এ বিষয়ে আর কোনো বিতর্ক ও ভুল বোঝাবুঝি থাকবে না।

প্রসঙ্গত, সম্প্রতি একটি পডকাস্টে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ ঢাবিকে একটি ‘কোচিং সেন্টার’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে তুলনামূলকভাবে ব্র্যাক ও নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি গবেষণার ক্ষেত্রে এগিয়ে আছে বলে মন্তব্য করেন৷ যা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দেয়।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

সুনির্দিষ্ট মামলা ছাড়া গ্রেপ্তার নয়, হাইকোর্টের এমন আদেশ স্থগিত

আদালত প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ১২:৩২ অপরাহ্ণ
সুনির্দিষ্ট মামলা ছাড়া গ্রেপ্তার নয়, হাইকোর্টের এমন আদেশ স্থগিত

সুনির্দিষ্ট কোনো মামলা না থাকলে কোনো ব্যক্তিকে শ্যোন অ্যারেস্ট, গ্রেপ্তার কিংবা অন্য কোনোভাবে হয়রানি করা যাবে না, হাইকোর্টের এই আদেশ স্থগিত করেছেন আপিল বিভাগ।

একইসঙ্গে এ সংক্রান্ত হাইকোর্টের রুল চার সপ্তাহের মধ্যে নিষ্পত্তির নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

রাষ্ট্রের পৃথক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বুধবার (২৯ জুলাই) প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এই আদেশ দেন। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল।

অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন, হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত করেছেন। এর অর্থ হলো, ফৌজদারি অভিযোগের সঙ্গে কোনো সম্পৃক্ত ব্যক্তির এজাহারে নাম নাও থাকে তদন্তকারী কর্মকর্তা যদি তদন্ত প্রক্রিয়ার মধ্যে যদি সম্পৃক্ততা পেয়ে থাকেন তাহলে তদন্তকারী কর্মকর্তা তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর অবশ্যই আবেদন করতে পারবেন।

এর আগে যেসব ব্যক্তির বিরুদ্ধে কোনো মামলা নেই, তাদের ক্ষেত্রে বিবাদীপক্ষ যেন শ্যোন অ্যারেস্ট, গ্রেপ্তার বা অন্য কোনোভাবে হয়রানি করতে না পারে, সে মর্মে আদেশ দেন হাইকোর্ট। কয়েকজন ব্যক্তির আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ রায় দেওয়া হয়।

একইসঙ্গে আবেদনকারীকে বারবার শ্যোন অ্যারেস্ট দেখানো এবং শুধুমাত্র তাকে হয়রানি, অপমান ও নিপীড়নের উদ্দেশ্যে গুরুতর প্রকৃতির মিথ্যা মামলায় জড়ানোর জন্য বিবাদীদের গৃহীত পদক্ষেপ কেন বেআইনি, আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত এবং আইনগত কার্যকারিতাবিহীন ঘোষণা করা হবে না এবং

আবেদনকারীর বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট কোনো মামলা না থাকলে তাকে শ্যোন অ্যারেস্ট, গ্রেপ্তার বা হয়রানি না করার নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না, এই মর্মে রুল জারি করা হয়। পরে হাইকোর্টের এমন কয়েকটি আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবেদন করে রাষ্ট্রপক্ষ।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

জামায়াতের সঙ্গে বৈঠকে সিইসি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ১২:১৫ অপরাহ্ণ
জামায়াতের সঙ্গে বৈঠকে সিইসি

আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনের আইন বিধি নিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে বৈঠকে বসেছে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিনের নেতৃত্বাধীন কমিশন।

বুধবার (২৯ জুলাই) নির্বাচন ভবনের সভাকক্ষে বেলা ১১টায় বৈঠকটি শুরু হয়।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি, মিয়া গোলাম পরওয়ারের নেতৃত্ব একটি প্রতিনিধি দল এবং নির্বাচন কমিশনাররাসহ ইসি কর্মকর্তারা বৈঠকে অংশ নিয়েছেন।

জানা গেছে, বৈঠকে বিএনপি দলীয় সাবেক এক ইসি কর্মকর্তাকে ফের অতিরিক্ত সচিব হিসেবে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ, স্থানীয় নির্বাচনের আইন সংশোধন ও পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করার আগেই চট্টগ্রাম-২ আসনের বিএনপি প্রার্থীকে নির্বাচিত করে গেজেট প্রকাশ নিয়ে আলোচনা হতে পারে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

বাবরের একার লড়াইও বাঁচাতে পারল না পাকিস্তানকে

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ১২:০৮ অপরাহ্ণ
বাবরের একার লড়াইও বাঁচাতে পারল না পাকিস্তানকে

ত্রিনিদাদের ব্রায়ান লারা ক্রিকেট একাডেমি স্টেডিয়ামে রোমাঞ্চকর লড়াইয়ের প্রত্যাশা থাকলেও চতুর্থ দিনের শেষ সেশনে ব্যাটিং ধস নামিয়ে বড় হতাশার জন্ম দিয়েছে পাকিস্তান। ২১১ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে মাত্র ১২০ রানে অলআউট হয়ে ৯০ রানের ব্যবধানে হেরেছে সফরকারীরা। এই জয়ে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

চতুর্থ দিনের উইকেট ব্যাটিংয়ের জন্য কিছুটা কঠিন হয়ে উঠলেও ২১১ রানের লক্ষ্য মোটেও অসম্ভব ছিল না। তবে ক্যারিবিয়ান পেসারদের দারুণ নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের সামনে শুরু থেকেই দিশেহারা হয়ে পড়ে পাকিস্তানের ব্যাটিং লাইনআপ। মাত্র ৭১ রানেই ৯ উইকেট হারিয়ে ম্যাচ থেকে কার্যত ছিটকে যায় তারা।

শেষ উইকেটে বাবর আজম ও মোহাম্মদ আব্বাস ৪৯ রানের লড়াকু জুটি গড়ে পাকিস্তানকে কোনোভাবে তিন অঙ্কের ঘরে পৌঁছে দেন। কিন্তু ততক্ষণে পরাজয় নিশ্চিত হয়ে গেছে। ৪০.২ ওভারে মাত্র ১২০ রানে গুটিয়ে যায় পাকিস্তানের দ্বিতীয় ইনিংস।

পুরো ইনিংসে পাকিস্তানের হয়ে একমাত্র প্রতিরোধ গড়েন সাবেক অধিনায়ক বাবর আজম। তিন নম্বরে নেমে ধৈর্য ও দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে অপরাজিত ৫৮ রান করেন তিনি। তবে অন্য প্রান্ত থেকে কোনো সমর্থন পাননি।

দলের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২৩ রান আসে ১১ নম্বরে ব্যাট করতে নামা পেসার মোহাম্মদ আব্বাসের ব্যাট থেকে। উইকেটরক্ষক মোহাম্মদ রিজওয়ান করেন মাত্র ১১ রান। প্রথম ইনিংসে সেঞ্চুরি করা অধিনায়ক শান মাসুদ ভাঙা আঙুল নিয়েই ব্যাট করতে নামলেও করতে পারেন মাত্র ৩ রান।

পাকিস্তানের ব্যাটিং ধসের নায়ক জেডন সিলস। দুর্দান্ত লাইন-লেংথে বোলিং করে মাত্র ২০ রানে ৫ উইকেট তুলে নেন তিনি। জাস্টিন গ্রিভস নেন ২ উইকেট, অভিজ্ঞ কেমার রোচও শিকার করেন ২টি উইকেট।

আগের দিন পাকিস্তানের প্রথম ইনিংসে টানা পাঁচ ওভার মেডেন দিয়ে প্রতিটি ওভারেই উইকেট নিয়ে আলোচনায় এসেছিলেন গ্রিভস। চতুর্থ দিনও সেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখে নিজের প্রথম দুই ওভারেই দুটি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট তুলে নেন।

এই ম্যাচে পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথমবারের মতো টেস্ট ইতিহাসে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সব ২০টি উইকেটই নিয়েছেন তাদের পেসাররা।

দিনের শুরুতে অষ্টম উইকেটে ৩৩ রানের জুটি নিয়ে ব্যাটিংয়ে নামে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। কেমার রোচ ও শামার জোসেফ আরও কিছু মূল্যবান রান যোগ করে দলকে শক্ত অবস্থানে নিয়ে যান।

উইকেটরক্ষক মোহাম্মদ রিজওয়ান একটি সহজ ক্যাচ ফেললেও ৩৮ রান করা শামার জোসেফকে শেষ পর্যন্ত ফিরিয়ে দেন পাকিস্তানের বোলাররা। শেষ দুটি উইকেটে আরও ২৭ রান যোগ করে ১৮১ রানে অলআউট হয় স্বাগতিকরা।

পাকিস্তানের হয়ে দুর্দান্ত বোলিং করেন মোহাম্মদ আব্বাস। তিনি মাত্র ২২ রানে ৫ উইকেট শিকার করেন। এছাড়া মির হামজা আলী ২টি এবং শাহজাদ নেন ২টি উইকেট।

বিশেষ একটি রেকর্ডও গড়েছে পাকিস্তানের পেস আক্রমণ। ১৯৯৫ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে হারারে টেস্টের পর এই প্রথম কোনো টেস্টে প্রতিপক্ষের সব ২০টি উইকেটই নেন পাকিস্তানের পেসাররা। তবে বোলারদের সেই সাফল্যকে কাজে লাগাতে ব্যর্থ হন ব্যাটাররা।

এই পরাজয়ের ফলে টানা চতুর্থ টেস্টে হারল পাকিস্তান। সর্বশেষ ১৭টি টেস্টের মধ্যে তারা হেরেছে ১৩টিতে। বিদেশের মাটিতে এটি তাদের টানা অষ্টম টেস্ট হার, যা পাকিস্তানের টেস্ট ইতিহাসে নতুন নেতিবাচক রেকর্ড।

ঘরের বাইরে পাকিস্তান সর্বশেষ টেস্ট জিতেছিল ২০২৩ সালের জুলাইয়ে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে। এরপর থেকে বিদেশের মাটিতে জয় অধরাই রয়ে গেছে তাদের।

দুই ম্যাচের সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট আগামী রোববার পোর্ট অব স্পেনে অনুষ্ঠিত হবে। সিরিজে সমতা ফেরাতে হলে সেই ম্যাচে জয়ের বিকল্প থাকবে না বাবর আজমদের সামনে।

এই ম্যাচে আরেকটি বিরল রেকর্ডও গড়া হয়েছে। টেস্ট ইতিহাসে মাত্র পঞ্চমবারের মতো এক ম্যাচে দুই দলের পেসাররা মিলেই নিয়েছেন ৪০টি উইকেট। ক্যারিবিয়ান অঞ্চলে এমন ঘটনা এই প্রথম।

ওয়েস্ট ইন্ডিজের জন্য জয়টি আরও বিশেষ। সর্বশেষ ১১ টেস্টে এটি তাদের মাত্র দ্বিতীয় জয়। তাছাড়া কিংবদন্তি স্যার গারফিল্ড সোবার্সের জন্মদিনে পাওয়া এই জয় তাঁকে উৎসর্গ করেছেন অধিনায়ক রোস্টন চেজ।

ম্যাচ শেষে চেজ বলেন, “এই টেস্ট জিততে পেরে আমরা খুবই আনন্দিত। কয়েক দিন আগে প্রয়াত কিংবদন্তি স্যার গারফিল্ড সোবার্সের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে আমরা এই জয় তাঁকে উৎসর্গ করছি। ম্যাচের আগেই আমরা এ বিষয়ে কথা বলেছিলাম। আশা করি, ওপর থেকে তিনি আমাদের এই জয় দেখে হাসছেন। পাশাপাশি ত্রিনিদাদের দর্শকদেরও ধন্যবাদ জানাই, যারা মাঠে এসে আমাদের দারুণ সমর্থন দিয়েছেন।”

সংক্ষিপ্ত স্কোর

ওয়েস্ট ইন্ডিজ: ৩১১ ও ১৮১
পাকিস্তান: ২৮২ ও ১২০

ফল: ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৯০ রানে জয়ী।

ম্যাচসেরা: জাস্টিন গ্রিভস (ওয়েস্ট ইন্ডিজ)

সিরিজ: দুই ম্যাচের সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

কালের আলো/এসএ