খুঁজুন
                               
শনিবার, ৩০ মে, ২০২৬, ১৬ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
           

গণতন্ত্র সুসংহত করতে ন্যায়ের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই: প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৪:১১ অপরাহ্ণ
গণতন্ত্র সুসংহত করতে ন্যায়ের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই: প্রধানমন্ত্রী

গণতান্ত্রিক যাত্রা সুসংহত করতে রাষ্ট্রে ন্যায়ের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) দুপুরে এক আলোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রী এ মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, আমরা বিশ্বাস করি, যে রাষ্ট্রে আইনের শাসন, ন্যায়বিচার এবং মানবাধিকার নেই, সেই দেশ কখনোই একটি গণতান্ত্রিক ও মানবিক রাষ্ট্র হতে পারে না বা হয়ে উঠতে পারে না। দীর্ঘ দেড় দশকের ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসানের পর বাংলাদেশের জনগণ পুনরায় গণতন্ত্রের পথে হাঁটতে শুরু করেছে। এই গণতান্ত্রিক যাত্রা সুসংহত করতে রাষ্ট্রে ন্যায়ের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই। আর এই ন্যায়বিচার সবার জন্যই প্রযোজ্য। একজন মানুষও যাতে অর্থের অভাবে এক্সেস টু জাস্টিস থেকে বঞ্চিত না হয়, সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখে সরকার লিগ্যাল এইড কর্মসূচি অব্যাহত রেখেছে। একজন ভুক্তভোগী টাকার অভাবে আইনজীবীর সহায়তা নিতে পারবে না, এমনটা যেন না হয়, সেটি সরকার সর্বোচ্চভাবে নিশ্চিত করার চেষ্টা করবে। আর্থিকভাবে সামর্থ্যবান নন এমন মানুষদের জন্য এক্সেস টু জাস্টিস নিশ্চিত করতে সরকার সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।

প্রধানমন্ত্রী তার সরকারের পরিকল্পনা তুলে ধরে বলেন, ন্যায়বিচারের কথা শুধু আইনের বইয়ে নয়, এটি প্রতিটি মানুষের জীবনেই সত্য ও বাস্তব হয়ে উঠুক—এটি বর্তমান সরকারের প্রত্যাশা। ন্যায়বিচার কখনোই কেবল আদালতকেন্দ্রিক কোনো প্রক্রিয়া নয়। এটি একটি জীবন্ত মূল্যবোধ, যা রাষ্ট্রের প্রতিটি নীতি, প্রতিটি সিদ্ধান্ত এবং প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমে অবশ্যই প্রতিফলিত হওয়া প্রয়োজন। ন্যায়পরায়ণতা তখনই অর্থপূর্ণ হয়ে ওঠে, যখন আইন মানুষের ওপর প্রয়োগের একটি যান্ত্রিক উপায় না হয়ে বরং তাদের মর্যাদা সংরক্ষণ এবং প্রাপ্য অধিকার নিশ্চিত করার একটি গভীর নৈতিক অঙ্গীকারের রূপ নেয়। বাংলাদেশের রাষ্ট্র গঠনের ইতিহাসেও এই ন্যায়বোধ একটি শক্তিশালী প্রেরণা হিসেবে কাজ করেছে। যেহেতু ন্যায়বিচার প্রাপ্তি প্রতিটি মানুষের সাংবিধানিক অধিকার, সেহেতু সেই অধিকার যাতে প্রত্যেক মানুষ চর্চা করতে পারে, সে জন্য সরকার যথাসাধ্য লিগ্যাল এইড দেবে। এ লক্ষ্যে ইতোমধ্যে সরকার সংশ্লিষ্ট বিধি-বিধানের প্রয়োজনীয় সংশোধন এনেছে।

রাজধানীর শাহবাগে শহীদ আবু সাঈদ ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারে জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস-২০২৬ উপলক্ষে এই আলোচনা সভা হয়। আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে এই অনুষ্ঠান হয়।

অনুষ্ঠানে সেরা প্যানেল আইনজীবী হিসেবে ঢাকার সায়েম খান ও রাজশাহীর নীলিমা বিশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে ক্রেস্ট ও সম্মাননা গ্রহণ করেন।

এ ছাড়া সারাদেশে লিগ্যাল এইডের কার্যক্রম এগিয়ে নিতে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান সামাজিক ক্ষমতায়ন ও আইনি সুরক্ষা কর্মসূচি সেল ব্র্যাককে মনোনীত করা হয়। ব্র্যাকের নির্বাহী পরিচালক আসিফ সালেহ প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে সম্মাননাপত্র ও ক্রেস্ট গ্রহণ করেন।

লিগ্যাল এইড ব্যবস্থায় মামলা নিষ্পত্তির বিষয়টি তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সারা বিশ্বে একটি কথা বিশেষভাবে প্রচলিত। সেটি হচ্ছে, জাস্টিস ডিলেড ইজ জাস্টিস ডিনায়েড। অর্থাৎ বিচার বিলম্ব মানেই বিচার অস্বীকার। এই বাস্তবতা মাথায় রেখে লিগ্যাল এইডের মাধ্যমে মামলার আগেই মধ্যস্থতার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই ব্যবস্থার মাধ্যমে ইতোমধ্যেই দেশের বিভিন্ন জেলায় হাজার হাজার বিরোধ-বিবাদ স্বল্প সময়ে এবং কম খরচে আদালতের বাইরেই নিষ্পত্তি করা সম্ভব হয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে কয়েক মাস বা বছরের পরিবর্তে কয়েকটি বৈঠকের মাধ্যমেই সমস্যার সমাধান করা সম্ভব হয়েছে। এতে আদালতের চাপ কমেছে। সরকারের খরচও হ্রাস পেয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, অনেক সময় মানুষ সমস্যা হলে প্রাথমিকভাবে সঠিক পরামর্শ না পাওয়ার কারণে একদিকে সাধারণ বিরোধ বড় হয় এবং পরবর্তীতে তা জটিল রূপ ধারণ করে। ফলে অনেক সময় মানুষ বিচারবিমুখ হয়ে যায় কিংবা ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হয়। সুতরাং মানুষ যেন সহজে প্রাথমিক আইনি পরামর্শ গ্রহণ করতে পারে, সে ক্ষেত্রে সরকারের লিগ্যাল এইড হেল্পলাইন আরও কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে ব্যক্তিগতভাবে একজন নাগরিক হিসেবে আমি আশা করি। প্রতিটি মানুষের মনে এমন বিশ্বাস থাকতে হবে যে জনগণের যেকোনো প্রয়োজনে রাষ্ট্র তাদের পাশে রয়েছে। লিগ্যাল এইড সেই বিশ্বাসেরই একটি প্রতিফলন বলে আমি বিশ্বাস করি। আসুন, আমরা সবাই মিলে একটি ন্যায়ভিত্তিক মানবিক রাষ্ট্র গড়ে তুলি, যেখানে ন্যায়বিচারই হবে শেষ কথা। আমি জাতীয় আইনগত সহায়তার উদ্যোগের সার্বজনীন সাফল্য কামনা করি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার বিশ্বাস করে, এক্সেস টু জাস্টিস প্রতিটি নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার। রাষ্ট্রের কোনো নাগরিক অর্থের অভাবে আইনের আশ্রয় কিংবা ন্যায্য বিচার থেকে বঞ্চিত থাকবে, এটি একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে কোনোভাবেই কাম্য বা প্রত্যাশিত নয়। রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে আমাকেও দীর্ঘদিন কারাগারে থাকতে হয়েছে। তখন আমি নিজে কারাগারে এমন অনেককে দেখেছি, যারা শুধুমাত্র আর্থিকভাবে অসচ্ছল হওয়ার কারণে বছরের পর বছর বিনা বিচারে কারাগারে থাকতে বাধ্য হয়েছেন। একজন মানুষ অর্থের অভাবে ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হওয়া একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের জন্য কাম্য নয়।

তিনি বলেন, যেকোনো রাষ্ট্র এবং সমাজের অগ্রগতি ও শান্তির ভিত্তি হচ্ছে ন্যায়বিচার। সব যুগেই মানুষ যা চেয়েছে, তা হলো বৈষম্যহীন একটি সমাজব্যবস্থা, যেখানে তারা সমমর্যাদা ও অধিকার নিয়ে বসবাস করবে। সমতা, সহমর্মিতা এবং পারস্পরিক আস্থা একটি ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার জন্য অবশ্যই অপরিহার্য। আমি বলব, ন্যায়বিচার শুধু আদালত বা আইনের বিষয় নয়। এটি একটি মানবিক ও দায়িত্বশীল রাষ্ট্রব্যবস্থার মূল শক্তি। স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ফিরিয়ে দিয়ে দেশে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার শক্ত ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন। সেই ধারাবাহিকতায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া মানুষের ন্যায়বিচার পাওয়াকে সুগম করতে লিগ্যাল এইড ফার্ম তৈরি করেছিলেন।

অনুষ্ঠানে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার এবং আইনগত সহায়তা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মনজুরুল হাসান প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

জিয়ার আদর্শে দেশ গঠনে আত্মনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ৩০ মে, ২০২৬, ২:৫৭ অপরাহ্ণ
জিয়ার আদর্শে দেশ গঠনে আত্মনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমানের আদর্শ অনুসরণ করে দেশ গঠনের কাজে আত্মনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

শনিবার (৩০ মে) দুপুরে রাজধানীর কুড়িল বিশ্বরোড এলাকায় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান। জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে এ অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়।

উপস্থিত নেতাকর্মী ও সর্বসাধারণের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের রাজনীতি ছিল মানুষের পাশে দাঁড়ানো, মানুষকে সহযোগিতা করা এবং দেশ গঠন করা। শহীদ জিয়ার সেই আদর্শে দীক্ষিত হয়ে দেশ গঠনের কাজে নিজেকে নিয়োজিত করার শপথ নিন।

তারেক রহমান বলেন, আজ শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী। প্রতিবারের মতো এবারও চেষ্টা করছি দুস্থ মানুষকে বিভিন্নভাবে সাহায্য বা সহযোগিতা করে দিনটিকে স্মরণীয় রাখতে, যেহেতু আল্লাহ আমাদের প্রিয় দল বিএনপিকে দেশ পরিচালনার সুযোগ দিয়েছেন। এজন্য শুধু সরকার না, সরকারের সঙ্গে দলের প্রত্যেকটি নেতাকর্মী যে যেখানেই যে অবস্থায় থাকুন না কেন, সেখান থেকেই যদি কাউকে সহযোগিতা করেন তাহলেই শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করা হবে।

দেশ গঠনে নাগরিক হিসেবে প্রতিটি মানুষকে এগিয়ে আসারও আহ্বান জানান বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

এ সময় দলের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মী ও সমর্থকেরা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে সকালে দলের নেতাকর্মীদের নিয়ে জিয়াউর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন প্রধানমন্ত্রী। পরে সেখান থেকে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে টিঅ্যান্ডটি খেলার মাঠ সংলগ্ন এলাকায় দুস্থ মানুষের মাঝে খাদ্যসামগ্রী ও বস্ত্র বিতরণ কার্যক্রমে অংশ নেন তিনি।

কালের আলো/এসএকে

দুস্থদের মাঝে খাদ্যসামগ্রী ও বস্ত্র বিতরণ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ৩০ মে, ২০২৬, ১:৫৮ অপরাহ্ণ
দুস্থদের মাঝে খাদ্যসামগ্রী ও বস্ত্র বিতরণ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে দুস্থ ও অসহায় মানুষের মাঝে খাদ্যসামগ্রী ও বস্ত্র বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

শনিবার (৩০ মে) বেলা সাড়ে ১১ টায় মানিকমিয়া এভিনিউয়ে রাজধানী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এ কর্মসূচি উদ্বোধন করেন তিনি।

জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপির উদ্যোগে রাজধানীর ১৬টি স্থানে এ কর্মসূচি আয়োজন করা হয়েছে।

এর মধ্যে রয়েছে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ, শ্যামলী স্কয়ার, সরকারি বাংলা কলেজ এলাকা, পল্লবী মেট্রো স্টেশন, ইসিবি চত্বর, কুড়িল বিশ্বরোড, ফুজি ট্রেড সেন্টার, জোড়পুকুর খেলার মাঠ, বাংলাবা জার, যাত্রাবাড়ী, জুরাইন ও ধানমন্ডিসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকা।

কালের আলো/এসএকে

১৭ বছর ধরে দিনটি স্বাভাবিকভাবে পালন করতে পারিনি: মির্জা ফখরুল

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ৩০ মে, ২০২৬, ১:১০ অপরাহ্ণ
১৭ বছর ধরে দিনটি স্বাভাবিকভাবে পালন করতে পারিনি: মির্জা ফখরুল

Oplus_131072

ফ্যাসিবাদের জাতাকলে পিষ্ট হয়ে আমরা ১৭ বছর ধরে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী স্বাভাবিকভাবে পালন করতে পারিনি। আজ আমরা অনেক বেশি স্বাধীনভাবে এখানে এসে আমাদের প্রিয় নেতাকে স্মরণ করার সুযোগ পেয়েছি বলেছেন বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

শনিবার (৩০ মে) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) প্রতিষ্ঠাতা, সাবেক রাষ্ট্রপতি ও মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার শহীদ জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে তার সমাধি জিয়ারত করতে গিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান আধুনিক ও সুশাসনভিত্তিক বাংলাদেশ গঠনের যে স্বপ্ন দেখেছিলেন, বর্তমান সরকার সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখেই সংস্কার কার্যক্রম এগিয়ে নিচ্ছে।

মির্জ ফখরুল বলেন, পুরোনো ব্যবস্থার পরিবর্তে আধুনিক রাষ্ট্র পরিচালনা ও সুশাসনের ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। বাংলাদেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতির জন্য তিনি যে দর্শন রেখে গেছেন, তা আজও সমানভাবে প্রাসঙ্গিক।

বিএনপি মহাসচিব আরও বলেন, আজ তারই যোগ্য পুত্র তারেক রহমান সেই আদর্শ ও পথনির্দেশনা অনুসরণ করে এগিয়ে যাচ্ছেন। আমরা বারবার শহীদ জিয়াউর রহমানকে স্মরণ করতে চাই এবং তার আধুনিক বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন বাস্তবায়নে কাজ করতে চাই।

তিনি বলেন, দেশের চলমান সংস্কার কার্যক্রমও জিয়াউর রহমানের রাষ্ট্রচিন্তা ও উন্নয়ন দর্শনকে সামনে রেখেই পরিচালিত হচ্ছে। ভবিষ্যতেও জিয়াউর রহমানের দেখানো পথেই এগিয়ে যেতে চাই।

কালের আলো/এসএকে