খুঁজুন
                               
বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬, ৭ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
           

প্রেমের বিয়ের ১৫ দিন পর ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে যুবকের আত্মহত্যা

ময়মনসিংহ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ৪ মে, ২০২৬, ১১:৩৪ অপরাহ্ণ
প্রেমের বিয়ের ১৫ দিন পর ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে যুবকের আত্মহত্যা

ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলায় প্রেমের বিয়ের মাত্র ১৫ দিন পর রুবায়েত হাসান রাকিব (২৩) নামে এক যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

সোমবার (৪ মে) সকালে পৌর শহরের পোস্ট অফিস রোড এলাকার একটি বাসা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। রাকিব ওই এলাকার লাল মিয়ার ছেলে। মৃত্যুর আগে রাকিব ফেসবুক পোস্টে আত্মহত্যার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, গতকাল রাতের খাবার খেয়ে রাকিব নিজ কক্ষে ঘুমাতে যান। ভোরে পরিবারের সদস্যরা ডাকাডাকি করেও সাড়া না পেলে তার ভাই দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন এবং রাকিবের ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান। খবর পেয়ে পুলিশ সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।

জানা গেছে, রাকিব গত ১৯ এপ্রিল ময়মনসিংহ কোর্টের মাধ্যমে নুসরাত জাহান রীথিকে বিয়ে করেন। মৃত্যুর আগে তিনি ফেসবুকে একটি দীর্ঘ পোস্টে স্ত্রী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে মানসিক চাপের অভিযোগ করেন এবং নিজের মৃত্যুর জন্য বেশ কয়েকজনকে দায়ী করেন। পোস্টে তিনি পরিবার ও প্রশাসনের কাছে সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানান।

ফেসবুক পোস্টে রাকিব লেখেন, ‘আমি রাকিব হোসেন, আমার বউ নুসরাত জাহান রীথি। আমরা দীর্ঘ চার বছর লিভিং রিলেশনশিপে ছিলাম এবং আমরা গত ১৯ এপ্রিল দুজনের ইচ্ছাতে ময়মনসিংহ কোর্টের মাধ্যমে বিবাহ করি। এখন আমাদের সম্পর্কটা রীথির ফ্যামিলি এবং রীথি মানে না। আমার এই অকাল মৃত্যুর জন্য দায়ী থাকবে প্রথমে রীথির বাবা মোহাম্মদ মাকসুদুল আলম (মাসুদ) এবং রীথির ছোট ভাই রিফাত এবং তার মামা। আর রীথির পুরো ফ্যামিলি আমার এই অকাল মৃত্যুর জন্য দায়ী থাকবে। আমি আত্মহত্যা করি নাই আমারে খুন করা হয়েছে। এইটা করছে রীথি আর তার ফ্যামিলি।

তিনি আরও লিখেছেন, আমার আন্টি সীমা এবং আমার আঙ্কেল অ্যাডভোকেট রুমন হোসাইন এবং আমার বড় ভাই সফির উদ্দিন। আপনারা তো সবকিছুই জানতেন এবং রীথিকে যথেষ্ট পরিমাণ বুঝাইছেন। আমার জব নাই, আমি বেকার ছেলে আরো অনেক কিছু বোঝাইছে। রীথি সবকিছু বুঝে শুনে আমাকে বিয়ে করছে। এখন রীথি বলতেছে সে নাকি রাগের মাথায় আমারে বিয়ে করছে। আমি নাকি তার সুযোগ নিছি। বিয়ের আগে এত কিছু করে এখন বিয়ে করে বলতাছে রাগের মাথায় করছে। এখন বলতেছে আমার সরকারি চাকরি না হইলে আমার সাথে থাকবে না। একটা কি ছেলে খেলা? এসব কিছু আমি এখন মেনে নিতে পারতেছি না। এখন আমার আত্মহত্যা করা ছাড়া কোন উপায় নাই। এইটাকে আত্মহত্যা বলাটা ভুল হবে আমারে খুন করা হয়েছে। আর এই খুনটা করেছে রীথি ও তার ফ্যামিলি। আমার এই অকাল মৃত্যুর জন্য দায়ী থাকবে রীথির পুরো ফ্যামিলি। আপনারা সবাই আমার খুনের সঠিক বিচারটা কইরেন।

রাকিব লিখেছেন, প্রশাসনের কাছে আমার অনুরোধ থাকবে আমার ফ্যামিলি যাতে এর সঠিক বিচারটা পায়। আর রীথি তোমারে আমি একটা কথাই বলতে চাই- তুমি এখন যা করতেছ সবকিছু তোমার ফ্যামিলির চাপে। আমি জানি তুমি আমারে অনেক ভালোবাসো। আমিও তোমারে অনেক ভালবাসি রীথি। হয়তো এখন তুমি তোমার ফ্যামিলি চাপের জন্য আমারে ভুল বুঝেছো। আমি তোমারে আমার জীবনের থেকেও বেশি ভালোবাসি, তাই তুমি আমারে খুন করলা। তোমারে আমি কথা দিয়েছিলাম, কথা আমি রাখলাম। তুমি হয়তো এখন আমারে বোঝো নাই। বুঝবা যখন আমি আর এই দুনিয়াতে থাকবো না। তখন বুঝলেও আর কোনো লাভ হবে না।

তিনি আরও লিখেছেন, আব্বু আম্মু আমি তোমাদের জন্য কোন কিছু করতে পারলাম না। তোমরা আমারে মাফ কইরা দিও। তোমরা ভালো থাইকো, তোমরা নিজেদের খেয়াল রাইখো। তোমাদের ছেলেকে তারা বাঁচতে দিল না, খুন কইরা ফেলছে। আমি বাঁচতে চেয়েছিলাম, আমি সুন্দর সংসার করতে চেয়েছিলাম আমি রীথিকে অনেক ভালোবাসতে। চেয়েছিলাম দুনিয়ার মানুষের কাছে আমার একটাই প্রশ্ন এটা কি আমার অপরাধ ছিল?’

ফুলবাড়িয়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাশেদুল ইসলাম বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। মৃত্যুর আগে রাকিব ফেসবুকে কয়েকজনকে দায়ী করে পোস্ট দিয়েছেন বলে জানা গেছে। বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে এবং আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

১৬ মাসে ধর্ষণের শিকার ৫৮০ শিশু, নিহত ৪৮৩: এইচআরএসএস

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬, ১০:৪০ অপরাহ্ণ
১৬ মাসে ধর্ষণের শিকার ৫৮০ শিশু, নিহত ৪৮৩: এইচআরএসএস

দেশে গত ১৬ মাসে অন্তত এক হাজার ৮৯০ জন শিশু নির্যাতনের শিকার হয়েছে। এর মধ্যে ৪৮৩ জন শিশু নিহত ও এক হাজার ৪০৭ জন শিশু শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হয়েছে।  এছাড়া এসব শিশুর মধ্যে ৫৮০ জন ধর্ষণ এবং ৩১৮ জন যৌন নিপীড়নের শিকার হয়েছে।

মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটির (এইচআরএসএস) প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে। দেশের বিভিন্ন স্থানে সাম্প্রতিক শিশু হত্যা, ধর্ষণ ও নির্যাতনের ধারাবাহিক ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও তীব্র নিন্দা প্রকাশ করছে সংস্থাটি। পাশাপাশি আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় এসব নৃশংস ঘটনায় জড়িতের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় নিয়ে আসতে দাবি জানানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২১ মে) সংগঠনটির নির্বাহী পরিচালক ইজাজুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে সংস্থাটি জানায়, গত ১৯ মে রাজধানীর পল্লবীতে দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ৭ বছর বয়সী শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। শরীর ছিল প্রতিবেশীর ঘরে খাটের তলায় এবং মাথাটা ছিল বাথরুমে। এমনকি অভিযুক্ত বিকৃত যৌনাচারে আসক্ত স্বামীকে বাঁচাতে সহযোগিতা করেছিলেন স্ত্রী।

গত ১৬ মে মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার বালুচর ইউনিয়নের চান্দের চর গ্রামের মদিনাপাড়ায় আছিয়া আক্তার নামে ১০ বছরে বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে। নিহতের গলায় শ্বাসরোধের চিহ্ন ও ধর্ষণের প্রাথমিক আলামতের ভিত্তিতে বাড়িতে অবস্থানরত ও অভিযুক্ত রাজা মিয়াকে (৪৫)-কে আটক করেছে পুলিশ।

গত ১৪ মে ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলায় ধর্ষণের পর লামিয়া আক্তার নামে এক চার বছরের শিশুকে হত্যা করা হয়েছে। নিখোঁজ হওয়ার একদিন পর এলাকার একটি ভুট্টাক্ষেত থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। গত ৬ মে সকালে সিলেটের সদর উপজেলার জালালাবাদে ৪ বছরের শিশু ফাহিমা আক্তারকে ধর্ষণ চেষ্টার পর শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে। এমনকি খোটের নিচে লাশ লুকিয়ে রেখে স্বজনদের সাথে খুঁজতে যান আসামী জাকির হোসেন।

এছাড়া প্রতিনিয়ত সারাদেশের বিভিন্ন স্থানে এমন ধরণের অসংখ্য শিশু হত্যা, ধর্ষণ, ধর্ষণের পর হত্যা ও নির্যাতনের শিকার হচ্ছে। এইচআরএসএসের সংগৃহীত তথ্যানুসারে, ২০২৫ সালের জানুয়ারি মাস থেকে ২০২৬ সালের এপ্রিল মাস পর্যন্ত সারাদেশে অন্তত ১৮৯০ জন শিশু ও কিশোরী নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। এর মধ্যে ৪৮৩ জন শিশু নিহত ও ১৪০৭ জন শিশু শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। এছাড়া এসব শিশু ও কিশোরীদের মধ্যে ৫৮০ জন ধর্ষণ এবং ৩১৮ জন যৌন নিপীড়নের শিকার হয়েছেন।

বিবৃতিতে বলা হয়, শিশু হত্যা, ধর্ষণ ও নির্যাতনের মতো সহিংসতা প্রতিরোধ করা রাষ্ট্রের সাংবিধানিক ও আইনগত দায়িত্ব। কিন্তু একের পর এক শিশু ধর্ষণ, হত্যা ও নির্যাতনের ঘটনা প্রমাণ করে যে শিশু সুরক্ষায় বিদ্যমান ব্যবস্থা যথেষ্ট কার্যকর নয়। এছাড়া বিচাহীনতার সংস্কৃতি, দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া ও দুর্বল আইন প্রয়োগ শিশু নির্যাতনের মতো পাশবিক সহিংসতা বৃদ্ধি ও আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির চিত্র প্রকাশ করছে। নিষ্পাপ শিশুদের ওপর এমন পাশবিক সহিংসতা শুধু মানবাধিকার লঙ্ঘন নয়, এটি আমাদের সামাজিক ও নৈতিক মূল্যবোধের চরম অবক্ষয়ের বহিঃপ্রকাশ।

এইচআরএসএস অবিলম্বে এসব শিশু হত্যা ও ধর্ষণের সব ঘটনার দ্রুত, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের সনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে। পাশাপাশি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের যথাযথ প্রয়োগ, বিনামূল্যে আইনি সহায়তা, ভুক্তভোগী পরিবারকে নিরাপত্তা ও ক্ষতিপূরণ, চিকিৎসা ও মানসিক স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের দাবি জানায় সংস্থাটি।

বিবৃতিতে বলা হয়, শিশুদের জন্য নিরাপদ বাংলাদেশ গড়তে হলে কেবল আইন প্রয়োগ নয়, সামাজিক প্রতিরোধ ও মানবিক মূল্যবোধের পুনর্জাগরণও জরুরি। এজন্য সব নাগরিক, সামাজিক সংগঠন, গণমাধ্যমকে শিশুদের সুরক্ষায় ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার পাশাপাশি অপরাধ রোধে ও দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সরকার ও সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানায় এইচআরএসএস।

কালের আলো/এসআর/এএএন 

রামিসার বাসায় প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬, ১০:১২ অপরাহ্ণ
রামিসার বাসায় প্রধানমন্ত্রী

রাজধানীর পল্লবীতে ধর্ষণ ও নির্মম হত্যাকাণ্ডের শিকার দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী রামিসা আক্তারের বাসায় গেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বৃহস্পতিবার (২১ মে) সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষ করে রাত পৌনে ১০টার দিকে রাজধানীর পল্লবীতে রামিসার বাসায় যান প্রধানমন্ত্রী।

সেখানে নিহত রামিসার মা-বাবা ও স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং তাদের সান্ত্বনা দেন তিনি।

এরআগে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল ইসলাম হক রামিসাদের বাসায় গিয়ে সমবেদনা জানিয়েছেন। আইনমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রামিসা হত্যার বিচার দ্রুত নিশ্চিত করার কথা জানিয়েছেন।

রামিসা হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় গ্রেফতার আসামির দ্রুত দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ হচ্ছে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্নস্থানে।

গত মঙ্গলবার (১৯ মে) সকালে মিরপুরের পল্লবীর একটি ফ্ল্যাটের খাটের নিচ থেকে রামিসার মস্তকবিহীন দেহ এবং পরে বাথরুম থেকে খণ্ডিত মাথা উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় পল্লবী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।

পুলিশ প্রথমে প্রধান আসামি সোহেল রানার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আটক করে। পরে মূল অভিযুক্ত সোহেল রানাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারের পর শিশু রামিসাকে ধর্ষণ ও হত্যার বিষয়ে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন ঘাতক সোহেল রানা।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

প্রধানমন্ত্রী ময়মনসিংহে যাচ্ছেন শনিবার

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬, ১০:০৪ অপরাহ্ণ
প্রধানমন্ত্রী ময়মনসিংহে যাচ্ছেন শনিবার

আগামী শনিবার (২৫ মে) ময়মনসিংহ জেলা সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বৃহস্পতিবার (২১ মে) সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সচিব সুজাউদ্দৌলা সুজন মাহমুদ এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, শনিবার সকাল ৯ টায় ময়মনসিংহ ত্রিশালের উদ্দেশে যাত্রা (সড়ক পথে) শুরু করবেন। দুপুর ১২টায় ত্রিশালের বৈলর ইউনিয়নের ধরার খাল পুনঃখনন অনুষ্ঠানে উপস্থিতি ও খাল খননের উদ্বোধন করবেন।

দুপুর ২টায় ত্রিশাল নজরুল ডাক বাংলোতে বিরতি শেষে বিকেল ৩টায় জাতীয় কবির ১২৭তম জন্মজয়ন্তী উপলক্ষ্যে ত্রিশালের নজরুল মঞ্চে আয়োজিত নজরুল জন্মজয়ন্তীর জাতীয় অনুষ্ঠানে যোগদান ও তিন দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করবেন।

বিকেল ৫টায় ত্রিশাল নজরুল অডিটোরিয়ামে আয়োজিত ময়মনসিংহ উত্তর, দক্ষিণ ও মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক সভায় যোগদান শেষে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা (সড়ক পথে) করবেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ