খুঁজুন
                               
রবিবার, ৩১ মে, ২০২৬, ১৭ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
           

পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির জয়ে ‘তিস্তা চুক্তি’ নিয়ে আশাবাদী বাংলাদেশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৬ মে, ২০২৬, ৭:৩৬ অপরাহ্ণ
পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির জয়ে ‘তিস্তা চুক্তি’ নিয়ে আশাবাদী বাংলাদেশ

পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে প্রথমবারের মতো সরকার গঠন করতে যাচ্ছে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)। এতে তৃণমূল কংগ্রেসের ১৫ বছরের শাসনের অবসান ঘটছে। আর বিজেপির এই জয়েই দুই দেশের মধ্যে অমীমাংসিত তিস্তা পানি বণ্টন চুক্তি নিয়ে নতুন করে আশার আলো দেখছে বাংলাদেশ। বর্তমান সরকারি দল জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ইতোমধ্যেই বিজেপিকে অভিনন্দন জানিয়েছে এবং এই ফলাফলকে পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের মধ্যে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে সহায়ক হতে পারে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছে।

ভারতীয় সংবাদ সংস্থা এএনআই-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বিএনপির তথ্য সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে বিজেপির জয়ের প্রশংসা করেছেন। একই সঙ্গে বিজেপি ক্ষমতায় আসার কারণে দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত তিস্তা পানি বণ্টন সমস্যার সমাধানে সহজ হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন তিনি।

হেলাল বলেন, ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেস সরকার তিস্তা ব্যারেজ চুক্তির পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল। তবে শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বাধীন বিজেপি সরকার এখন বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের কাঙ্ক্ষিত এই চুক্তির বিষয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারের সঙ্গে একযোগে কাজ করতে পারবে’।

তিনি আরও বলেন, শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে বিজেপির বিজয় পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে সম্পর্ককে আরও জোরদার করতে পারে, কারণ ভারতীয় রাজ্যগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের সঙ্গে এই রাজ্যেরই দীর্ঘতম সীমান্ত রয়েছে। ক্ষমতার এই পরিবর্তন বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের মধ্যে সম্পর্ক উন্নত করার সম্ভাবনা তৈরি করেছে এবং ঢাকা ও কলকাতাকে ঘিরে দীর্ঘদিনের আন্তঃসীমান্ত সমস্যার প্রেক্ষাপটে এটিকে একটি ইতিবাচক অগ্রগতি হিসেবে তুলে ধরেন তিনি।

তিস্তা প্রসঙ্গে হেলাল বলেন, ‘আসলে, আগে আমরা দেখেছি যে তিস্তা ব্যারেজ স্থাপনের পথে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই ছিলেন মূল বাধা। আমার মতে, এখন যেহেতু শুভেন্দুর নেতৃত্বে বিজেপি নির্বাচনে জিতেছে, তাই বাংলাদেশ সরকার ও মোদি সরকারের অত্যন্ত কাঙ্ক্ষিত তিস্তা ব্যারেজ চুক্তিটি বাস্তবায়নে শুভেন্দু সাহায্য করবেন। আমি মনে করি, তৃণমূল কংগ্রেসের পরিবর্তে বিজেপি ক্ষমতায় আসায় তাদের সরকারের অধীনেই তিস্তা ব্যারেজ প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হবে।’

প্রসঙ্গত, ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে অভিন্ন নদীগুলোর পানি বণ্টনের ক্ষেত্রে তিস্তা নদীর পানি বণ্টন বিবাদ দীর্ঘ চার দশকের বেশি সময় ধরে অন্যতম প্রধান অমীমাংসিত ইস্যু হিসেবে রয়ে গেছে। বাংলাদেশ তিস্তার পানির ন্যায্য হিস্যা পাওয়ার জন্য দীর্ঘদিন ধরে অপেক্ষা করছে।

বাংলাদেশের অভিযোগ, শুষ্ক মাসগুলোতে ভারত পর্যাপ্ত পানি ছাড়ে না, যা ভাটির দিকে কৃষি ও জীবিকাকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে উদ্বেগও কমে আসা পানির প্রাপ্যতা নিয়ে এই বিবাদকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

মূলত ১৯৮৩ সালে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে একটি অস্থায়ী চুক্তি হয়। ২০১১ সালে আরেকটি তিস্তা চুক্তির খসড়া তৈরি করে দুই দেশ, যেখানে শুকনো মওসুমে ভারতের ৩৭.৫ শতাংশ এবং বাংলাদেশের ৪২.৫ শতাংশ পানি পাওয়ার কথা হয়। কিন্তু রাজ্যের নিজস্ব পানির চাহিদা দেখিয়ে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই চুক্তির বিরোধিতা করেন। যেহেতু ভারতের সংবিধান অনুযায়ী পানির ওপর রাজ্যের অধিকার স্বীকৃত, তাই পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীর আপত্তি উপেক্ষা করে তিস্তা চুক্তি করা কার্যত সম্ভব নয় ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষে।

সর্বশেষ ২০১৫ সালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ঢাকা সফরেও একটি ন্যায্য ও সমতাভিত্তিক পানি বণ্টন চুক্তির মাধ্যমে পূর্বের মতপার্থক্যগুলো নিরসনের প্রত্যাশাও জাগিয়েছিল। তবে সেখানেও বাধা দেন মমতা।

এদিকে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে ৫৪টি নদী রয়েছে, কিন্তু এখন পর্যন্ত মাত্র দুটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে—গঙ্গা এবং কুশিয়ারা নদী চুক্তি। তিস্তা ও ফেনীসহ অন্যান্য নদীগুলো নিয়ে এখনও আলোচনা চলছে।

এ বিষয়ে হেলাল বলেন, বিএনপি ও বিজেপির মধ্যে আদর্শগত পার্থক্য থাকা সত্ত্বেও তিস্তা ব্যারেজ এবং বাংলাদেশ-ভারতের বৃহত্তর সম্পর্কসহ কিছু নির্দিষ্ট বিষয়ে উভয় পক্ষ ঐক্যবদ্ধ।

তিনি আরও বলেন, পশ্চিমবঙ্গের নতুন সরকার সেই সম্পর্ককে আরও ত্বরান্বিত করতে সাহায্য করতে পারে।

সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে
কালের আলো/এসআর/এএএন

সাফের মহারণে মুখোমুখি ভারত-বাংলাদেশ

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৩১ মে, ২০২৬, ১:৪৮ অপরাহ্ণ
সাফের মহারণে মুখোমুখি ভারত-বাংলাদেশ

 রোববার(৩১মে), বাংলাদেশ সময় রাত ৮টা।গোয়ার জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়ামের ফ্লাডলাইটের আলোয় যখন সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে মুখোমুখি হবে ভারত ও বাংলাদেশ, তখন সেটি কেবল আর একটি সাধারণ ফুটবল ম্যাচ থাকবে না।

মালদ্বীপ ইতোমধ্যেই ছিটকে যাওয়ায় দুই দলই সেমিফাইনাল নিশ্চিত করে ফেলেছে। তবে এই হাই-ভোল্টেজ ম্যাচটি রূপ নিয়েছে এক মানসিক লড়াইয়ে।

গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার অঙ্কটা এখানে বেশ পরিষ্কার। যে জিতবে, সে সেমিফাইনালে এড়াতে পারবে গ্রুপ এ-এর শক্তিশালী দল নেপালকে।

দক্ষিণ এশিয়ার এই দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীর লড়াইয়ের ইতিহাসে ভারত বরাবরই আধিপত্য বিস্তার করে এসেছে। ২০১০ সালে ৭-০ গোলের জয় দিয়ে শুরু করার পর থেকে এ পর্যন্ত ১২ বারের দেখায় ৯ বারই জিতেছে ভারত।

তবে, বর্তমান ফুটবলের চিত্রপট এখন সম্পূর্ণ ভিন্ন। এই মুহূর্তে পরিস্থিতি পুরোপুরি বেঙ্গল টাইগ্রেসদের পক্ষে।

২০২২ ও ২০২৪ সালের আসরে দারুণ সব জয়ের মাধ্যমে ভারতের দীর্ঘদিনের আধিপত্যে বড়সড় ধাক্কা দিয়েছে বাংলাদেশ। টানা দুবারের চ্যাম্পিয়ন বাঘিনীরা এবার গোয়ায় পা রেখেছে হ্যাটট্রিক শিরোপার স্বপ্ন নিয়ে। অন্যদিকে, স্বাগতিক ভারতের জন্য এই ম্যাচটি হারানো সম্মান পুনরুদ্ধারের এক অগ্নিপরীক্ষা।

মালদ্বীপকে ১১-০ গোলে উড়িয়ে দিয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে থেকেই আজ মাঠে নামবে ভারত। আভিকা সিংয়ের দুর্দান্ত চার গোল এবং এসিএল ইনজুরি কাটিয়ে ফেরা প্রিয়াঙ্কা দেবী নাওরেমের জোড়া গোল ভারতের আক্রমণভাগের শক্তিমত্তারই প্রমাণ দেয়।

ইন্ডিয়ান উইমেন্স লিগের পর পাঁচ দিনের বিশ্রাম পাওয়া ব্লু টাইগ্রেসদের গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হতে আজ কেবল একটি ড্র প্রয়োজন।

তবে, ভারতীয় কোচ ক্রিসপিন ছেত্রী এসব সমীকরণে গা ভাসাতে নারাজ। তিনি বলেন, জয় তো জয়ই, তা ১১-০ হোক বা ১-০। কিন্তু আমরা আমাদের পরিকল্পনাগুলো কীভাবে বাস্তবায়ন করছি, সেটাই আসল।

তরুণ খেলোয়াড়দের চাপের কথা মাথায় রেখে তিনি আরও যোগ করেন, স্বাগতিক হিসেবে আমরা জিততে চাই এবং বাংলাদেশের জয়ের ধারা ভাঙতে চাই। তরুণদের এই চাপ সামলাতে হবে। যে দল চাপ সামলে নিজেদের খেলাটা খেলতে পারবে, তারাই আজ জিতবে।

অন্যদিকে, মালদ্বীপের বিপক্ষে ৪-২ গোলের জয় দিয়ে টুর্নামেন্ট শুরু করেছে বাংলাদেশ। প্রথম ম্যাচের জড়তা কাটিয়ে আজ আরও শাণিত রূপে মাঠে নামার অপেক্ষায় তারা। সবচেয়ে বড় স্বস্তির খবর হলো মাঝমাঠে ফিরছেন অভিজ্ঞ মিডফিল্ডার মনিকা চাকমা।

প্রতিপক্ষের মাঠে স্বাগতিক দর্শকদের চাপের মুখে মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে তার উপস্থিতি হবে টার্নিং পয়েন্ট।

বাংলাদেশের ইংলিশ কোচ পিটার জেমস বাটলার এই উচ্চ চাপের ম্যাচটিকে নিয়ে বেশ আত্মবিশ্বাসী। তিনি দল সাজিয়েছেন একাধিক পরিকল্পনা নিয়ে।

বাটলার বলেন, এই ম্যাচটি আমাদের কয়েকজন মেয়েকে আরও কিছু সময় মাঠে কাটানোর সুযোগ করে দেবে। মনিকাও ফিরছে আমি প্ল্যান এ এবং প্ল্যান বি নিয়ে কাজ করেছি। প্রতিপক্ষ শক্তিশালী, তাই আমরা সেভাবেই প্রস্তুতি নিয়েছি।

ভারতের বড় জয়ে মোটেও ভীত নন বাটলার। বরং ঋতুপর্ণা চাকমা এবং সৌরভী আকন্দ প্রীতির মতো তরুণ প্রতিভাদের নিয়ে গড়া দলকে তিনি করে তুলেছেন আরও নির্ভীক। দৃঢ় কণ্ঠে তিনি বলেন, আমরা সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি দল। আমরা ভালো ফুটবল খেলি। তাদের আক্রমণভাগ যতই শক্তিশালী হোক না কেন, আমাদেরও সেই সামর্থ্য আছে। প্রয়োজনে আমরা রক্ষণ সামলাতে পারি, আবার প্রতিপক্ষকে বোকা বানিয়ে সুযোগও তৈরি করতে পারি।

এই দুই কোচের কাছেই আজকের ম্যাচটি কেবল সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ নয়। তাদের উভয়েরই চোখ আরও বহুদূরে এএফসি এশিয়ান কাপের বাছাইপর্বে।

ভারতীয় কোচ ছেত্রীর ভাষায়, আসল লক্ষ্য হলো নিজেদের দেশের ফুটবলের উন্নয়ন এবং এএফসির জন্য যোগ্যতা অর্জন করা। একই সুর বাটলারের কণ্ঠেও, কার বিপক্ষে খেলব, তা নিয়ে আমার কোনো মাথাব্যথা নেই। আমি তাদের মাঠে নামাতে প্রস্তুত।

গোয়ার তপ্ত রোদে অনুশীলনের ঘাম ঝরানো শেষ। এখন অপেক্ষা কেবল বাঁশির হুইসেলের। দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবলের এই মহারণে আজ কে হাসবে শেষ হাসি? সে প্রশ্নের উত্তর মিলবে রাতেই।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি 

হজ শেষে সোমবার দেশে ফিরবেন জামায়াত আমির

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ৩১ মে, ২০২৬, ১:৩২ অপরাহ্ণ
হজ শেষে সোমবার দেশে ফিরবেন জামায়াত আমির

পবিত্র হজ পালন শেষে আগামীকাল সোমবার দেশে ফিরবেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

রোববার দলীয় সূত্রে জানা গেছে, সৌদি আরবে পবিত্র হজের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে তিনি সোমবার ঢাকায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

এর আগে গত ২০ মে হজ পালনের উদ্দেশ্যে তিনি ঢাকা ত্যাগ করেন। হজ যাত্রার আগে বিমানবন্দরে দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন তিনি। এ সময় উপস্থিত নেতারা তার সুস্বাস্থ্য, নিরাপদ সফর এবং হজ পালন শেষে সুস্থভাবে দেশে প্রত্যাবর্তনের জন্য দোয়া কামনা করেন।

দলীয় সূত্র জানায়, হজকালীন ডা. শফিকুর রহমান দেশ, জাতি এবং মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনায় বিশেষ দোয়া করেন।

কালের আলো/এসআর/এএএন

রামিসা হত্যাকাণ্ডে আদালতে সর্বোচ্চ সাজা প্রার্থনা করা হবে: আইনমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ৩১ মে, ২০২৬, ১:১৩ অপরাহ্ণ
রামিসা হত্যাকাণ্ডে আদালতে সর্বোচ্চ সাজা প্রার্থনা করা হবে: আইনমন্ত্রী

আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, শিশু রামিসা হত্যা ও ধর্ষণ মামলায় আদালতের কাছে আসামির বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ শাস্তি প্রার্থনা করা হবে।

রোববার (৩১ মে) সকালে ঝিনাই দহের শৈলকুপা উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে অডিটোরিয়ামে ফুটবল ও আর্থিক সহায়তার চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। ঝিনাই দহ জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

মন্ত্রী বলেন, আমাদের কাছে যে তথ্য প্রমাণ আছে তাতে আসামির সর্বোচ্চ সাজা নিশ্চিত হবে এটা আমাদের প্রত্যাশা।

আইনমন্ত্রী বলেন, সংবিধান সংশোধন কমিটিতে বিরোধীদল থেকে পাঁচজন সদস্য চাওয়া হয়েছে। তারা আমাদেরকে জানিয়েছেন, তারা পরে সিদ্ধান্ত জানাবে। এখন আমরা তাদের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় আছি।

তিনি বলেন, মাদকের ভয়াবহতা থেকে সমাজ ও রাষ্ট্রকে রক্ষা করা আমাদের দায়িত্ব। সমাজের সবাইকে মাদকের বিরুদ্ধ ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। মাদকের বিরুদ্ধে কোনো ছাড় নয়।

তিনি আরও বলেন, সরকার সারা দেশে ৪ কোটি পরিবারকে ফ্যামেলি কার্ড দেবে। এটা আমাদের প্রতিশ্রুতি। দেশের বিভিন্ন এলাকায় কৃষক কার্ড চালু হয়েছে। পর্যায়ক্রমে সারা দেশে কৃষক কার্ড চালু করা হবে। মসজিদের ইমাম, মন্দিরের পুরহিতদের সরকারিভাবে ভাতা প্রদানের পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে।

কালের আলো/এসএকে