খুঁজুন
                               
বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬, ৭ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
           

আরও ঘনিষ্ঠ হচ্ছে বাংলাদেশ-মরক্কো, আছে নতুন সম্ভাবনার দ্বার

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২০ মে, ২০২৬, ৭:২০ অপরাহ্ণ
আরও ঘনিষ্ঠ হচ্ছে বাংলাদেশ-মরক্কো, আছে নতুন সম্ভাবনার দ্বার

Oplus_131072

বাণিজ্য, বিনিয়োগ, কৃষি, দক্ষতা উন্নয়ন ও বহুপক্ষীয় বিষয়ে সহযোগিতা আরও জোরদারে সম্মত হয়েছে বাংলাদেশ ও মরক্কো।

বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং মরক্কোর পররাষ্ট্রমন্ত্রী নাসের বোউরিতার বৈঠকে এ বিষয়ে সমঝোতা হয়। মঙ্গলবার (১৯ মে) দেশটির রাজধানী রাবাতে এ বৈঠক হয়।

বুধবার (২০ মে) ঢাকায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বৈঠকে শামা ওবায়েদ বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ আফ্রিকার দেশগুলোর সঙ্গে সম্পৃক্ততা আরও গভীর এবং মরক্কোর সঙ্গে অংশীদারিত্বকে সহযোগিতা, অভিন্ন সমৃদ্ধি ও কৌশলগত সুযোগের নতুন উচ্চতায় উন্নীত করতে আগ্রহী।

দুই নেতা রাজনৈতিক সম্পর্ক জোরদারে উচ্চপর্যায়ের নিয়মিত যোগাযোগের গুরুত্বের ওপর জোর দেন।

বৈঠকে প্রতিমন্ত্রী ১৯৮০ সালে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের মরক্কো সফরের ঐতিহাসিক স্মৃতি তুলে ধরেন। রাবাতে তার নামে একটি সড়কের নামকরণ করায় মরক্কো সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতাও প্রকাশ করেন তিনি।

উভয় পক্ষ বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, বস্ত্র, ওষুধ, সিরামিক, ক্রীড়া, সংস্কৃতি, কৃষি, শিক্ষা, নারীর ক্ষমতায়ন, জাহাজ নির্মাণ এবং জনগণের মধ্যে যোগাযোগসহ বহুপক্ষীয় সহযোগিতা বাড়ানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে।

চলমান সহযোগিতা পর্যালোচনা এবং সম্ভাবনার নতুন খাত চিহ্নিত করতে দ্রুততম সময়ের মধ্যে ঢাকায় পররাষ্ট্র দপ্তর পর্যায়ের পরবর্তী বৈঠক আয়োজনেও সম্মত হয় তারা।

শামা ওবায়েদ সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশ সফরের জন্য মরক্কোর পররাষ্ট্রমন্ত্রী নাসের বোউরিতাকে আমন্ত্রণ জানান।

পরে মরক্কোর শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী রিয়াদ মেজ্জুরের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেন প্রতিমন্ত্রী। এসময় তিনি দু’দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদারে ব্যবসায়িক প্রতিনিধিদল বিনিময়ের প্রস্তাব দেন। জবাবে মরক্কোর মন্ত্রী ২০২৬ সালের মধ্যেই বাংলাদেশে একটি ব্যবসায়িক প্রতিনিধিদল পাঠানোর আগ্রহ প্রকাশ করেন।

বিদ্যমান কৃষি সহযোগিতার প্রসঙ্গ টেনে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশের কৃষি উন্নয়ন ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতে ফসফেটের নির্ভরযোগ্য সরবরাহ শৃঙ্খল গড়ে তুলতে সরকারি পর্যায়ে আরও ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার আহ্বান জানান।

পাশাপাশি মরক্কোর বাজারে পরিবেশবান্ধব পাট ও পাটজাত পণ্যের প্রসারে বাংলাদেশের আগ্রহের কথাও পুনরায় তুলে ধরেন তিনি।

দুই দেশ উদ্ভাবন, শিল্প প্রশিক্ষণ, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা খাতে সহযোগিতা আরও বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করে। একই সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য শক্তিশালী করতে মুক্তবাণিজ্য চুক্তির সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা হয়।

একই দিনে মরক্কোর অর্থনৈতিক অন্তর্ভুক্তি, ক্ষুদ্র ব্যবসা, কর্মসংস্থান ও দক্ষতাবিষয়ক মন্ত্রী ইউনেস সেক্কুরির সঙ্গেও বৈঠক করেন শামা ওবায়েদ।

বৈঠকে তিনি ফ্যামিলি কার্ড, ফার্মার্স কার্ড কর্মসূচি এবং খাল পুনঃখনন প্রকল্পসহ বাংলাদেশ সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন|

দুই নেতা কর্মসংস্থান সৃষ্টি, কারিগরি প্রশিক্ষণ, দক্ষতা উন্নয়ন, নারী ও যুব ক্ষমতায়ন, উদ্যোক্তা তৈরি এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের বিকাশে সহযোগিতার সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা করেন।

জ্ঞান ও প্রযুক্তি বিনিময় এবং প্রাতিষ্ঠানিক অংশীদারিত্বের মাধ্যমে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার ওপরও তারা গুরুত্বারোপ করেন।

বৈঠকগুলোতে প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন মরক্কোতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত সাদিয়া ফাইজুন্নেসা এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আফ্রিকা অনুবিভাগের মহাপরিচালক আব্দুর রউফ মণ্ডল।

উল্লেখ্য, ফ্রাঙ্কোফোন পরিবেশে শান্তিরক্ষা বিষয়ক মন্ত্রী পর্যায়ের দ্বিতীয় সম্মেলনে যোগ দিতে বর্তমানে মরক্কো সফরে রয়েছেন শামা ওবায়েদ। আজ রাবাতে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

কালের আলো/এসএকে

রাজশাহীতে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসে বিভিন্ন ইভেন্ট অনুষ্ঠিত   

রাজশাহী প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২০ মে, ২০২৬, ১১:০৮ অপরাহ্ণ
রাজশাহীতে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসে বিভিন্ন ইভেন্ট অনুষ্ঠিত   

নতুন কুড়ি স্পোর্টস এর আঞ্চলিক পর্যায়ের ১২-১৪ বছরের শিশু কিশোরদের ক্রীড়া প্রতিভা অন্বেষণে রাজশাহী মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি স্টেডিয়ামে বিভিন্ন ইভেন্টের খেলা অনুষ্টিত হয়।

বুধবার (২০ মে) আঞ্চলিক পর্যায়ের ফুটবল বালক বিভাগের ফুটবলের সেমিফাইনালে নওগাঁ জেলা ২-০ গোলে সিরাজগঞ্জ জেলাকে হারিয়ে ফাইনালে উন্নীত হয়। বিজয়ী দলের পক্ষে তামিম ও ওবাইদুল ১টি করে গোল করে।

অন্য ম্যাচে বগুড়া জেলা টাইব্রেকারে ৪-৩ গোলে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলাকে পরাজিত করে ফাইনালে উন্নীত হয় ।

বালিকা বিভাগে স্বাগতিক রাজশাহীর সাকিরা আবারও হ্যাটট্রিক করেছে। সাকিরার হ্যাটট্রিকের সুবাদে রাজশাহী ৩-০ গোলে নওগাঁ জেলাকে হারিয়ে ফাইনালে উন্নীত হয়।

বিজয়ী দলের পক্ষে সাকিরা একাই ৩টি গোল করে। অন্য ম্যাচে বগুড়া জেলা ১-০ গোলে নাটোর জেলাকে হারিয়ে ফাইনালে উঠে। বিজয়ী দলের পক্ষে খুশি জয়সুচক একমাত্র  গোলটি করে।

কাবাডি বালক বিভাগে রাজশাহী ৫২-১৫ পয়েন্টে চাঁপাইনবাবগঞ্জকে, বগুড়া ৩৪-৯ পয়েন্টে সিরাজগঞ্জকে হারিয়ে ফাইনালে উঠে।

বালিকা বিভাগে জয়পুরহাট ৩০-১৭ পয়েন্টে পাবনাকে ও রাজশাহী ২৮-৬ পয়েন্টে নওগাঁ জেলাকে হারিয়ে ফাইনালে উঠে।

দাবা বালক বিভাগে রাজশাহীর ইলহাম ও বালিকা বিভাগে পাবনার আরিশা চ্যাম্পিয়ন হয়েছে।

এ্যাথলেটিক্সয়ে বালকে ১০০ মিটারে সিরাজগঞ্জের সুমন শেখ ১ম, বালিকা বিভাগে নওগাঁর মুন্নি ১ম, বালক ২০০ মিটারে নাটোরের আমান ১ম ও বালিকাতে চাঁপাইনবাগঞ্জের বিজলী রানী ১ম স্থান অধিকার করেছে।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি

জামায়াতকে নিয়ে মির্জা ফখরুলের বক্তব্য অসত্য-দায়িত্বজ্ঞানহীন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২০ মে, ২০২৬, ৯:২৪ অপরাহ্ণ
জামায়াতকে নিয়ে মির্জা ফখরুলের বক্তব্য অসত্য-দায়িত্বজ্ঞানহীন

বিএনপি মহাসচিব ও এলজিআরডি মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর কর্তৃক ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে জামায়াতে ইসলামীকে জড়িয়ে যে বক্তব্য দিয়েছেন তা উস্কানিমূলক, অসত্য ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত উল্লেখ করে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।

দলের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বুধবার (২০ মে) এক বিবৃতিতে বলেন, ‘মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জামায়াতে ইসলামীর বিরুদ্ধে যে গৎবাঁধা মিথ্যাচার ও বিষোদ্গার করেছেন, তা অত্যন্ত দুঃখজনক, অনভিপ্রেত ও দায়িত্বজ্ঞানহীন। রাজনৈতিক দেউলিয়াত্ব এবং সস্তা জনপ্রিয়তা পাওয়ার উদ্দেশ্যেই তিনি জামায়াতে ইসলামীর মতো একটি সুশৃঙ্খল ও গণমুখী ইসলামী দলের বিরুদ্ধে ন্যাক্কারজনকভাবে কুৎসা রটানোর পথ বেছে নিয়েছেন।’

মিয়া গোলাম পরওয়ার আরও বলেন, “মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর অভিযোগ করেছেন ‘আমরা নাকি ধর্মের নামে রাজনীতি করি বা মিথ্যা বলি।’ অথচ দেশবাসী ভালো করেই জানেন, জামায়াতে ইসলামী একটি নিয়মতান্ত্রিক, আদর্শিক ও প্রকাশ্য ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দল। আমরা ধর্ম নিয়ে কখনো কোনো ধরনের হীন ব্যবসা বা চাতুরীর আশ্রয় নেই না। বরং ধর্ম নিয়ে প্রকৃত ব্যবসা ও ভণ্ডামি করে বিএনপি নিজেই।

সারা বছর তাদের বড় বড় নেতাদের নামাজের কোনো খবর থাকে না, অথচ নির্বাচন ঘনিয়ে আসলেই তাদের গায়ে পাজামা-পাঞ্জাবি ও মাথায় টুপি চড়ে, হাতে তসবিহ দেখা যায় এবং আতর মেখে মসজিদে ঢুকতে দেখা যায়। জনগণের ধর্মীয় আবেগকে ব্যবহার করে ক্ষমতায় যাওয়ার এই সস্তা ও ভণ্ডামিপূর্ণ রাজনীতি বিএনপির জন্যই বেশি প্রযোজ্য, জামায়াতের নয়।’

তিনি বলেন, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর অমূলক দাবি করেছেন ‘এ দেশের মানুষ জামায়াতকে কোনো দিন ক্ষমতায় বসাবে না।’ উনাকে স্মরণ করিয়ে দিতে চাই, জামায়াতে ইসলামী এ দেশের কোটি কোটি মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নেওয়া একটি দল। অতীতে একাধিকবার সংসদ নির্বাচনে দেশপ্রেমিক জনতা জামায়াতকে ভোট দিয়ে সংসদে পাঠিয়েছে এবং আমাদের মন্ত্রীরা সততা ও দক্ষতার সাথে রাষ্ট্র পরিচালনার নজির স্থাপন করেছেন। জনগণের এই রায়কে যারা অস্বীকার করে, তারা আসলে গণতন্ত্রেই বিশ্বাস করে না।

ঠাকুরগাঁওয়ের সভায় দেশবাসীকে বিভ্রান্ত করার হীন উদ্দেশে যে সস্তা নাটক তিনি মঞ্চস্থ করার অপচেষ্টা করেছেন, তা তার মতো একজন সিনিয়র রাজনীতিকের কাছে কখনো কাম্য নয়। অপপ্রচার চালিয়ে মিথ্যাকে সত্যে পরিণত করা যায় না।

মিয়া গোলাম পরওয়ার আরও বলেন, ‘স্বাধীনতা যুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে জামায়াতকে জড়িয়ে তিনি যে পুরোনো ও অসত্য বয়ান দিয়েছেন, তা রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ছাড়া আর কিছুই নয়। জামায়াতে ইসলামী সব সময় দেশের সার্বভৌমত্ব ও স্বাধীনতার পক্ষে অতন্দ্র প্রহরীর মতো ভূমিকা পালন করে আসছে এবং ভবিষ্যতেও পালন করবে ইনশাআল্লাহ।’

তিনি বলেন, ‘আমরা স্পষ্ট ভাষায় বলতে চাই, মিথ্যা এবং কুৎসার ওপর ভিত্তি করে কখনো টেকসই রাজনীতি করা যায় না। রাজনীতি করতে হবে সত্য, সততা এবং জনকল্যাণমূলক আদর্শের উপর ভিত্তি করে, যা জামায়াতে ইসলামী জন্মলগ্ন থেকেই করে আসছে। তাই নিজেদের রাজনৈতিক ব্যর্থতা ঢাকতে জামায়াতের বিরুদ্ধে অসত্য ও উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়া বন্ধ করার এবং এ ধরনের অসত্য মন্তব্য প্রত্যাহার করার জন্য আমি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।’

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি

নির্ধারিত স্থানের বাইরে পশুর হাট বসতে দেওয়া হবে না: ডিএনসিসি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২০ মে, ২০২৬, ৮:৫২ অপরাহ্ণ
নির্ধারিত স্থানের বাইরে পশুর হাট বসতে দেওয়া হবে না: ডিএনসিসি

নির্ধারিত ও বৈধভাবে ইজারা দেওয়া স্থানের বাইরে কোনো পশুর হাট বসতে দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান।

তিনি বলেন, ‘অবৈধভাবে পশু কেনাবেচা করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালাবে।’

বুধবার (২০ মে) গুলশানে ডিএনসিসির নগর ভবনে কোরবানির পশুর হাট ব্যবস্থাপনা নিয়ে ইজারাদার ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, ‘নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী কোরবানির পশুর হাট পাঁচ দিনের জন্য বসবে। এর আগে কোনো ধরনের বেচাকেনা বা কার্যক্রম পরিচালনা করা হলে তা অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে।’

তিনি জানান, ‘হাট ব্যবস্থাপনায় অনিয়ম ঠেকাতে প্রায় ১০০ জন কর্মকর্তাকে ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। তারা মাঠপর্যায়ে অভিযান চালাবেন এবং কোনো অনিয়ম পেলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেবেন।’

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান।

শফিকুল ইসলাম খান বলেন, ‘পশু বিক্রির অর্থ থেকে ইজারাদাররা সর্বোচ্চ ৫ শতাংশ হাসিল নিতে পারবেন। এর বাইরে বিক্রেতাদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা যাবে না।’

তিনি আরও বলেন, ‘প্রতিদিনের বর্জ্য প্রতিদিনই নির্ধারিত স্থানে অপসারণ করতে হবে, যাতে দুর্গন্ধ ও স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি না হয়। পাশাপাশি হাট এলাকায় যেন পানি জমে না থাকে, সে বিষয়েও ইজারাদারদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।’

নারী ও শিশুদের নিরাপত্তার বিষয়েও গুরুত্বারোপ করেন ডিএনসিসি প্রশাসক।

তিনি বলেন, ‘বর্তমানে পরিবারের নারী সদস্য ও শিশুরাও পশুর হাটে যান। তাই তাদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। এ জন্য হাট এলাকায় নারীদের জন্য পৃথক ‘পিংক টয়লেট’ স্থাপনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’

সভায় ডিএনসিসির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা, ইজারাদার ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ