খুঁজুন
                               
মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২৬, ১২ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
           

ঈদের ছুটিতে ঘুরতে পারেন মৌলভীবাজারের ৮ স্পট

ট্রাভেল ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২৬, ৫:৩৭ অপরাহ্ণ
ঈদের ছুটিতে ঘুরতে পারেন মৌলভীবাজারের ৮ স্পট

বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পের অন্যতম দৃষ্টিনন্দন জেলা হচ্ছে মৌলভীবাজারের। এ জেলার সাতটি উপজেলায় কৃত্রিম ও প্রাকৃতিক ছোট-বড় মিলে প্রায় শতাধিক পর্যটন কেন্দ্র রয়েছে। এছাড়া রয়েছে অসংখ্য চা বাগান ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর বসবাস। তারা তাদের নিজস্ব ভাষা ও সংস্কৃতি নিয়ে বসবাস করছেন। পবিত্র ঈদুল আজহার ছুটিতে একটি জেলায় একসঙ্গে এতো গুলো পর্যটন কেন্দ্র দেখার জন্য ঘুরে আসতে পারেন মৌলভীবাজারে থেকে।

লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান

জেলার উল্লেখযোগ্য পর্যটন কেন্দ্রের অন্যতম আকর্ষণ হচ্ছে কমলগঞ্জের লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান। এটি শুধু বাংলাদেশ নয় আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিত একটি স্থান। পরিচিতর দিক থেকে সুন্দর বনের পরেই লাউয়াছড়ার অবস্থান। এ উদ্যানটি কেবল পর্যটন স্থানই নয়, এ পার্ক এখন জীবন্ত প্রাকৃতিক গবেষণাগার। যা প্রাণি ও পাখি বিজ্ঞানীদের একটি রাজ্য বলা যায়। বাংলাদেশের ৭টি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য ও ১০টি জাতীয় উদ্যানের মধ্যে এটি অন্যতম। মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার অবস্থিত ১.২৫০ হেক্টর আয়তনের বনটি জীববৈচিত্র্য ভরপুর। ইতিহাস থেকে জানা যায় ১৯২৫ সালে তদানিন্তন ব্রিটিশ সরকার এখানে বৃক্ষায়ন করলে তাই বেড়ে আজকের এই বনে পরিণত হয়। জনসচেতনতা সৃষ্টির উদ্দেশ্য পশ্চিম ভানুগাছ বনের ১,২৫০ হেক্টর এলাকাকে ১৯৭৪ সালে বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও সংশোধন) আইন অনুযায়ী ১৯৯৬ সালের ৭ জুলাই জাতীয় উদ্যান হিসাবে ঘোষণা করা হয়। এ উদ্যানে ৪৬০ প্রজাতির দুর্লভ উদ্ভিদ ও প্রাণী রয়েছে। এর মধ্যে ১৬৭ প্রজাতির উদ্ভিদ, ৪ প্রজাতির উভয়চর, ৬ প্রজাতির সরীসৃপ, ২৪৬ প্রজাতির পাখি এবং ২০ প্রজাতির স্তন্যপায়ী প্রাণী দেখা যায়। বিলুপ্ত প্রায় উল্লুকের জন্য এ বন বিখ্যাত।

কমলগঞ্জে মাধবপুর লেক

জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার মাধবপুর লেকটি চারিদিকে সুউচ্চ সবুজ চা বাগানের মাঝখানে অবস্থিত। লেকের ঝকঝকে পানি, প্রকৃতির ছায়া, নিরিবিলি পরিবেশ ও শাপলা ফুলে দৃষ্টিনন্দন করে তুলেছে। সবুজ পাহাড়ের চুড়ায় ধীরে ধীরে যতই এগুতে থাকবেন ততই সবুজ পাতায় পর্যটকের মনকে চাঙ্গা করে তুলবে। চারদিকে সবুজ পাহাড়ের পাশাপাশি উঁচু উঁচু টিলা রয়েছে। মাধবপুর লেক যেন প্রকৃতির নিজ হাতে আঁকা কোনো ছবি।

বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান স্মৃতি কমপ্লেক্স

কমলগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত পর্যটকদের অন্যতম আকর্ষণীয় স্থান হচ্ছে বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহি হামিদুর রহমান স্মৃতি কমপ্লেক্স। মোহাম্মদ হামিদুর রহমান সাতজন শ্রেষ্ঠ বীরদের অন্যতম একজন। বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সামরিক সম্মান ‘বীরশ্রেষ্ঠ’ উপাধিতে ভূষিত তিনি বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহী হামিদুর রহমান। তিনি বীরশ্রেষ্ঠদের মাঝে সর্বকনিষ্ঠ। মুক্তিযুদ্ধের সময় তার বয়স ছিল মাত্র ১৮ বছর। ১৯৭০ সালে তিনি সেনাবাহিনীতে সিপাহী পদে যোগ দেন। তার প্রথম ও শেষ ইউনিট ছিল ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট।

মাধবকুন্ড জলপ্রপাত

জেলার বড়লেখা উপজেলার মাধবকুন্ড জলপ্রপাতটি বাংলাদেশের বৃহত্তম জলপ্রপাত। প্রায় ২০০ ফুট উঁচু টিলা হতে পাহাড়ি ঝরনার পতিত জলরাশি পর্যটকের জন্য আকর্ষণীয়। এছাড়া এই জলপ্রপাতের নিকটেই খাসিয়া নৃ-গোষ্ঠীর বসবাস রয়েছে।

বাইক্কা বিল

শ্রীমঙ্গল উপজেলায় উল্লেখযোগ্য পর্যটন কেন্দ্র হচ্ছে হাইল হাওর এটি বাংলাদেশের বৃহত্তর একটি জলাভূমি। এই হাওরে অবস্থিত বাইক্কা বিল, পর্যটকেরা শতরঙ্গের অতিথি পাখি দেখতে ও কিচিরমিচির শব্দ শুনতে ছুটে আসেন বাইক্কা বিলে।

চা-কন্যা

শ্রীমঙ্গলের প্রবেশ পথে রয়েছে চা কন্যার ভাস্কর্য যা চা শিল্পের ঐতিহ্য বহন করছে।

বধ্যভূমি

শ্রীমঙ্গলে উপজেলায় অবস্থিত বধ্যভূমি। মহান মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের স্মৃতি রক্ষায় নির্মিত বধ্যভূমিকে ঘিরে তৈরি এ পার্কটি দেশি-বিদেশি পর্যটকসহ স্থানীয়দের পদচারণায় সবসময় মুখরিত থাকে।

ডিনস্টন সিমেট্রি

শ্রীমঙ্গল ফিনলে টি কোম্পানির ডিনস্টন চা বাগান। এখানেই শত বছরের স্মৃতি আঁকড়ে ধরে আছে ডিনস্টন সিমেট্রি। এই সিমেট্রিতে শুধু বিদেশিদের কবরের সংখ্যা রয়েছে ৪৬ টি। ডিনস্টন সিমেট্রি পর্যটকের আকর্ষণীয় স্থান।

এছাড়া এ জেলায় উল্লেখযোগ্য দর্শনীয়স্থান হলো হামহাম জলপ্রপাত, মনিপুরী পল্লী, হাকালুকি হাওড়, মনু ব্যারেজ, বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনষ্টিটিউট, বধ্যভূমি, উঁচু নিচু সবুজ চা বাগান, চা কণ্যা ভাষ্কর্য, নীলকন্ঠ টি কেবিন, ব্যক্তি মালিকানা সীতেশ বাবুর চিড়িয়াখানা, গগন টিলা, কমলা রাণীর দিঘি, পৃথিমপাশা নবাব বাড়ি, পাথারিয়া হিলস্ রিজার্ভ ফরেস্ট, আদমপুর বনবিট, খাসিয়া পুঞ্জি, হাকালুকিহাওর, বর্ষিজোড়া ইকোপার্ক, হযরত শাহ মোস্তফা (র:) এর মাজার শরীফ, পদ্মছড়া লেক, ক্যামেলিয়া লেক, পাত্রখোলা লেক, বাম্বোতল লেক, শমশেরনগর গল্ফ মাঠসহ বিভিন্ন নৃতাত্ত্বিক গোষ্ঠীবসবাস সহ প্রায় শতাধিক দর্শনীয় স্থান রয়েছে।

জেলায় আগত পর্যটকদের থাকার জন্য রয়েছে একাধিক পাঁচ তারকা মানের হোটেল থেকে শুরু করে বিভিন্ন রিসোর্ট ও কটেজ। এরমধ্যে কয়েকটি হলো গ্র‍্যান্ড সুলতান টি রিসোর্ট অ্যান্ড গলফ, নভেম ইকো রিসোর্ট, দুসাই রিসোর্ট অ্যান্ড স্পা, লেমন গার্ডেন রিসোর্ট, গ্র‍্যান্ড সেলিম রিসোর্ট অ্যান্ড ট্যুর, সুইস ভ্যালি রিসোর্ট, বালিশিরা ইকো রিসোর্ট, টিলাগাঁও ইকো ভিলেজ, পত্রস্নান রিসোর্ট, শান্তি বাড়ী রিসোর্ট, নিসর্গ ইকো রিসোর্ট, টি হেভেন রিসোর্ট, শ্রীমঙ্গল টি রিসোর্ট অ্যান্ড মিউজিয়াম, ওয়াটালিলি, মুক্তানগর রিসোর্ট, রাঙ্গাউটি রিসোর্ট, অরণ্যনিবাস ইকো রিসোর্ট, গগন টিলাসহ ছোট-বড় আরও প্রায় শতাধিক রিসোর্ট রয়েছে।

শ্রীমঙ্গল পর্যটন সেবা সংস্থার সাবেক সভাপতি ও গ্র্যান্ড সেলিম রিসোর্টের মালিক সেলিম আহমেদ বলেন, হামের প্রভাব ও ঈদের পর ছুটি কম থাকায় আগাম বুকিং কম হয়েছে রিসোর্ট গুলোতে। ছোট রিসোর্ট শতভাগ বুকিং হলেও বড় গুলো কম হয়েছে।

ট্যুরিস্ট পুলিশ শ্রীমঙ্গল জোনের ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক মো. কামরুল হোসেন চৌধুরী বলেন, ‘ঈদের ছুটিতে পর্যটকরা যাতে নির্বিঘ্নে ঘুরতে পারেন এজন্য আমাদের পক্ষ থেকে নিরাপত্তার সার্বিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে মৌলভীবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নোবেল চাকমা বলেন, ‘ঈদের ছুটিতে জেলায় আগত পর্যটকদের নিরাপত্তার জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। টুরিস্ট পুলিশের পাশাপাশি জেলা পুলিশও কাজ করবে। গুরুত্বপূর্ণ পর্যটনকেন্দ্র গুলোতে পুলিশ মোতায়ন করা হবে। এরই মধ্যে আমরা বিভিন্ন স্থানে চেকপোস্ট বসিয়েছি।’

যেভাবে যাবেন

দেশের যে কোনো স্থান থেকে বাস যোগে মৌলভীবাজার জেলায় আসা যায়। ট্রেন যোগে ঢাকা-চট্টগ্রাম থেকে জেলার শ্রীমঙ্গল, ভানুগাছ, শমশেরনগর ও কুলাউড়া রেল স্টেশনে নেমে লোকাল বাস বা সিএনজি অটোরিকশায় অতি সহজেই পর্যটন কেন্দ্রে যাওয়া যায়।

কালের আলো/এম/এএইচ

অন্তর্বর্তী সরকারের কিচেন কেবিনেটের সদস্য ছিলাম না : আসিফ মাহমুদ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২৬, ৬:১২ অপরাহ্ণ
অন্তর্বর্তী সরকারের কিচেন কেবিনেটের সদস্য ছিলাম না : আসিফ মাহমুদ

সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের ‘কিচেন কেবিনেট’ সদস্য ছিলেন না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক উপদেষ্টা ও এনসিপির মুখ্যপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।

মঙ্গলবার (২৬ মে) এনসিপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে জরুরি সংবাদ সম্মেলনে দলটির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেন, কিচেন কেবিনেটের সদস্য ছিলাম না।

সাবেক উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেনের একটি সাক্ষাৎকারে ‘কিচেন কেবিনেট’ বিষয়টি আলোচনা আসে। সংবাদ সম্মেলনে আমেরিকার সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তির বিষয়ে নিজের সংশ্লিষ্টতা অস্বীকার করেছেন আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।

তিনি বলেন, চুক্তির বিষয়ে এনসিপির সঙ্গেও কোনো আলোচনা হয়নি। বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী (তৎকালীন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা) খলিলুর রহমান বিএনপির পরামর্শে অন্তবর্তীকালীন সরকারের ওপর দায় চাপাতে নির্বাচনের তিন দিন আগে চুক্তিটি করা হয়। এই চুক্তি বিএনপি করিয়েছেন। এই চুক্তি তারেক রহমান করিয়েছেন। চুক্তির কোনো কিছু সংশোধন করতে চাইলে বিএনপি করুক বা বাতিলও করতে পারে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অনেক দেশই চুক্তি বাতিল করেছে।

তিনি আরও বলেন, এবারের বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নির্বাচনে কেউ নিজের যোগ্যতায় কাউন্সিলর হয়নি, সবাই এসেছে বাবার পরিচয়ে। ক্রীড়াকে পরিবারকরণ করেছে বিএনপি। অন্তবর্তীকালীন সরকারের সময় যোগ্য ব্যক্তিদের কাউন্সিলর করা হয়েছিল

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি 

পবিত্র হজের খুতবা শুর

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২৬, ৬:০০ অপরাহ্ণ
পবিত্র হজের খুতবা শুর

আরাফার ময়দানে শুরু হয়েছে পবিত্র হজের খুতবা।

মঙ্গলবার (২৬ মে) বাংলাদেশ সময় বিকেল ৩টা ২০ মিনিটের দিকে খুতবা পাঠ শুরু করেন শায়খ আলী বিন আবদুর রহমান আল-হুদাইফি।

আরবি বর্ষপঞ্জি অনুসারে সৌদিতে আজ ৯ জিলহজ। এটি পবিত্র ‘আরাফা দিবস’ হিসেবেও পরিচিত। ঐতিহাসিক এই ময়দানে দিনব্যাপী ইবাদত বন্দেগি আর দোয়া মোনাজাতে মশগুল হাজিরা। এদিন সকাল থেকে তাদের কণ্ঠে উচ্চারিত হচ্ছে, লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক, লাব্বাইক লা শারিকা লাকা লাব্বাইক, ইন্নাল হাম্দা, ওয়ান্নি মাতা লাকা ওয়াল্মুল্ক্, লা শারিকা লাকা।

সাদা দুই টুকরা কাপড়ে শরীর ঢেকে হজযাত্রীরা মঙ্গলবার মিনায় ফজরের নামাজ আদায়ের পর থেকেই পবিত্র আরাফার ময়দানের উদ্দেশে রওনা করেন। এই ময়দানেই মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) তার বিদায় হজের ভাষণ দিয়েছিলেন। সেই স্মৃতি বুকে ধারণ করে মুসলিমরা এই পবিত্র প্রান্তরে সমবেত হয়েছেন।

চলতি বছরও বাংলাসহ ৫০টি ভাষায় পবিত্র হজের খুতবার অনুবাদ সম্প্রচার করা হচ্ছে। এ নিয়ে টানা সপ্তম বারের মতো বাংলা ভাষায় হজের খুতবার অনুবাদ সম্প্রচার হচ্ছে।

এ বছর খুতবার বাংলা অনুবাদ কার্যক্রমে রয়েছেন ড. মুহাম্মদ খলীলুর রহমান, ড. আ ফ ম ওয়াহিদুর রহমান, মুবিনুর রহমান ফারুক ও নাজমুস সাকিব। তারা সবাই মক্কার উম্মুল কুরা ইউনিভার্সিটিতে বিভিন্ন সময়ে পড়াশোনা করেছেন।

কালের আলো/এসএকে

বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, আবেদন ফি ২০০ টাকা

চাকরি ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২৬, ৫:৪৭ অপরাহ্ণ
বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, আবেদন ফি ২০০ টাকা

বাংলাদেশ ব্যাংক ‘ডাটা এন্ট্রি/কন্ট্রোল অপারেটর (আইটি)’ পদে ২৬ জনকে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। আবেদন শুরু হয়েছে ১৩ মে ২০২৬ তারিখ থেকে, চলবে ২১ জুন রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত। আগ্রহী প্রার্থীরা নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে আবেদন করতে পারবেন। আবেদন ফি বাবদ ২০০ টাকা পরিশোধ করতে হবে।

এক নজরে বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৬

পদের বিবরণ

আবেদন করার নিয়ম ও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

আবেদন শুরু: ১৩ মে ২০২৬ তারিখ

আবেদনের শেষ তারিখ: ২১ জুন ২০২৬ তারিখ রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত

আবেদন পদ্ধতি: অনলাইনে

চাকরির ধরন: স্থায়ী

প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষ

কর্মস্থল: যে কোনো স্থান

বয়স: ১ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখ ২১-৩২ বছর। বয়স প্রমাণের ক্ষেত্রে কোনো প্রকার এফিডেভিট গ্রহনযোগ্য হবে না।

আবেদনের নিয়ম: আগ্রহী প্রার্থীরা আবেদন করতে ও বিস্তারিত বিজ্ঞপ্তিটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন বাংলাদেশ ব্যাংক। আবেদনের সঙ্গে ৩০০-৩০০ সাইজের ছবি ও ৩০০-৮০ সাইজের স্বাক্ষর স্ক্যান করে যুক্ত করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের পরে এবং অসম্পূর্ণ আবেদনপত্র গ্রহণযোগ্য হবে না।

আবেদন ফি: মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে অফেরতযোগ্য হিসেবে ২০০ টাকা জমা দিতে হবে অথবা এজেন্ট অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে আবেদন ফি দেওয়া যাবে।

কালের আলো/এম/এএইচ