খুঁজুন
                               
মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২৬, ১২ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
           

মেঘের সঙ্গে দুই দিন: মিরিঞ্জা ভ্যালির গল্প

কালের আলো ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৮ মার্চ, ২০২৬, ৬:৫০ অপরাহ্ণ
মেঘের সঙ্গে দুই দিন: মিরিঞ্জা ভ্যালির গল্প

ভ্রমণ গল্পগুলো ছোট করে লিখে রাখা ভালো। খুব বড় কোনো কীর্তি নয়। তবুও এই ছোট ছোট লেখাগুলোই একদিন হয়ে ওঠে সময় ছুঁয়ে দেখার জানালা। কখনো নিজের জন্য, কখনো আবার অন্য কারো কাজে লাগবে- এই আশাতেই কলম ধরা।

এই যাত্রায় আমাদের গন্তব্য ছিল বান্দরবানের লামায় অবস্থিত এক অপূর্ব পাহাড়ি পর্যটনকেন্দ্র ‘মিরিঞ্জা ভ্যালি’। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১ হাজার ৮০০ ফুট উঁচুতে এই ভ্যালির অবস্থান। বান্দরবান শহর থেকে দূরত্ব প্রায় ৮৬ কিলোমিটার, আর চকরিয়া থেকে মাত্র ২৭ কিলোমিটার।

বর্তমানে জায়গাটি নিয়ে বেশ আগ্রহ তৈরি হয়েছে পর্যটকদের মাঝে। মিরিঞ্জার আলাদা একটা নিজস্ব সৌন্দর্য আছে। এই পাহাড়ের মূল আকর্ষণ হলো ‘মেঘ’। সারাদিনই এখানে মেঘের লুকোচুরি খেলা চলে।

ভোরবেলায় মনে হয়, মেঘ যেন আপনার কানে কানে কিছু বলতে চায়। সকালে মনে হবে- মেঘগুলোর মন আজ দারুণ ভালো, তাই তারা দুষ্টু বাচ্চার মতো ছুটোছুটি করছে। দুপুর গড়ালে মনে হবে- মেঘগুলো যেন খুব তাড়াহুড়ায় কোথাও যাচ্ছে। আর বিকেলে? তখন মনে হবে, মেঘ আপনাকে ছেড়ে দূরে চলে গেছে, তবে যাওয়ার আগে আকাশে নিজের চিহ্ন রেখে গেছে।

এই পাহাড়ে রাত কাটানো ভ্রমণকে নিয়ে যায় একেবারে অন্য মাত্রায়। পাহাড়ের রাতের সৌন্দর্য আসলে লিখে বোঝানো যায় না। মাথার ওপর বিশাল আকাশ, অসংখ্য তারা আর একটা বড় চাঁদ, সব মিলিয়ে এক ধরনের নীরব মুগ্ধতা কাজ করে।

তবে স্পষ্ট করে বলি, যারা ফাইভ স্টার হোটেলের আরাম ছাড়া ভ্রমণ ভাবতেই পারেন না, এই জায়গা তাদের জন্য নয়। এখানে সবই সৌরবিদ্যুতে চলে। বিদ্যুৎ থাকে সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত। ঋতু বুঝে আসতে পারলে দিনে গরম লাগবে না, বাতাস থাকবে দারুণ। আর পাহাড়ের রাত বেশিরভাগ সময়ই ঠান্ডা।

মিরিঞ্জা সাজেকের মতো কিনা—এই প্রশ্নে আমি মত দিতে অপারগ। কারণ সাজেক আমার দেখা হয়নি। তবে সাজেকে না গিয়ে মিরিঞ্জা আসার মূল কারণ ছিল একান্ত নিরিবিলি পরিবেশ আর মেঘের সঙ্গ নিরব গল্প করার সুযোগ।

যাতায়াতের গল্প
আমরা ঢাকা থেকে ইউনিকের নন-এসি বাসে চড়েছিলাম। ভাড়া জনপ্রতি ৯৫০ টাকা। বাসে নেমেছি চকরিয়া বাজারে। সেখান থেকে অটোরিকশায় ইয়াংছা- ভাড়া ২০০ টাকা। এরপর সিএনজি করে মিরিঞ্জা বাজার, জনপ্রতি ৫০ টাকা। শুনতে একটু ঝামেলার মতো লাগলেও সকালের নরম রোদ আর জ্যামহীন রাস্তায় পথটা বেশ আরামেই কেটে যায়। চাইলে চকরিয়া থেকে সরাসরি সিএনজি রিজার্ভ করেও আসা যায়, তবে খরচ একটু বেশি পড়বে।

চকরিয়া থেকে মিরিঞ্জা বাজার পৌঁছাতে আমাদের সময় লেগেছে প্রায় এক ঘণ্টা। আরও সহজ পথ নিশ্চয়ই আছে, তবে জায়গাটা আমাদের জন্য নতুন হওয়ায় সে পথে যাইনি।

মিরিঞ্জা বাজার থেকে রিসোর্টে পৌঁছাতে লাগে আরও ২০ মিনিটের মতো। হালকা ট্রেকিংয়ের ফিল। আমার তিন বছরের মেয়ে অতি উৎসাহে পুরোটা পথ হেঁটে পার করেছে। তবে যারা হাঁটতে চান না, তাদের জন্য মোটরসাইকেলের ব্যবস্থা আছে। আপ-ডাউন ভাড়া ১০০ টাকা। পাহাড়ি আঁকাবাঁকা পথে বাইকারদের দক্ষতা দেখে মাঝেমধ্যে মনে হয়—এই বুঝি জীবনের শেষ ট্যুর! ঠিক তখনই বাইকার গলা ছেড়ে গান ধরবে—“ধুম ধুম…”

থাকা-খাওয়া
আমরা ছিলাম মারাইংছা ভ্যালির পড হাউজে। ভাড়া প্রতিদিন ৪ হাজার টাকা। এখানে পড হাউজ ছাড়াও প্রিমিয়াম জুমঘর, কাপল জুমঘর ও তাবুর ব্যবস্থা আছে। সবগুলোর ভাড়া আলাদা। ব্যক্তিগতভাবে আমার কাছে পড হাউজটাই সবচেয়ে ভালো লেগেছে। এটাচ বাথরুম, কমোড, সার্বক্ষণিক পানি সবই আছে।

খাবার সব রিসোর্টেই প্যাকেজ আকারে পাওয়া যায়। প্রতিদিন চার বেলা খাবারের জন্য জনপ্রতি ৮০০ টাকা। খাবারের মান খারাপ নয়, তবে দামটা আমার কাছে একটু বেশি মনে হয়েছে। প্রিমিয়াম জুমঘরের একটি বিশেষ আকর্ষণ, বাথরুমের এক পাশ পুরো কাচের।

আশপাশে কী দেখবেন
মিরিঞ্জা ছাড়াও আশপাশে আছে ঝর্ণা (এই সিজনে যাইনি), মাতামহুরী নদী (নৌকা ভ্রমণ ৭০০ টাকা), সুখিয়া ভ্যালি। সময় হাতে থাকলে আলীকদমের আলীর গুহাও ঘোরা যায়। বাচ্চা সঙ্গে থাকায় আমরা সে পথে যাইনি। চাইলে পরদিন কক্সবাজার থেকেও ঢু মেরে আসা যায়।

সব মিলিয়ে জায়গাটা একদিনেই ঘোরা সম্ভব। তবে রিল্যাক্সড ট্যুর চাইলে আরও একদিন থেকে মেঘের সঙ্গে গল্প জুড়ে দেওয়া যায়। এখানে তেমন কোনো অ্যাক্টিভিটি নেই। বারবিকিউ, জোরে গানবাজনা সবই আছে। তবে আমরা সারারাত তারা আর নিস্তব্ধতা উপভোগ করেছি। দূরের পাহাড়চূড়ায় তরুণদের হাসি-আনন্দের শব্দ শুনে মনে হয়েছে বয়সটা সত্যিই বেড়েছে। তবু ওদের আনন্দ দেখতে ভালো লেগেছে।

এই ভ্রমণে আমার ৩ বছরের মেয়েসহ তিনজনই দারুণ উপভোগ করেছি। আমি প্রকৃতিপ্রেমী মানুষ। আমার ভালো লাগার স্কেলে অনেক কিছুই পাস করে যায়।

আমার মতে ভ্রমণের আনন্দ নির্ভর করে সাথের সঙ্গী আর আবহাওয়ার ওপর। সৌমিক ও মাহরিন ছিল একেবারে পারফেক্ট ভ্রমণ সঙ্গী। আমরা প্রায় তিন মাস আগে থেকেই পরিকল্পনা করেছি, শুধু সঠিক আবহাওয়া ধরার জন্য।

শেষে বাচ্চা আছে এমন দম্পতিদের জন্য একটাই অনুরোধ, বাচ্চা নিয়ে বেশি বেশি ঘুরুন। মাটি, পানি, বাতাস, সাগর, পাহাড় দেখিয়ে বড় করুন। বিশ্বাস করুন, বাচ্চারা প্রকৃতিকে আমাদের চেয়েও ভালো বোঝে। এই পর্যন্তই মিরিঞ্জা ভ্যালির গল্প। আবার কথা হবে, অন্য কোনো পথে।

কালের আলো/এম/এএইচ

পদ্মা সেতুতে ২৪ ঘণ্টায় ৫ কোটি টাকা টোল আদায়

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২৬, ৬:২১ অপরাহ্ণ
পদ্মা সেতুতে ২৪ ঘণ্টায় ৫ কোটি টাকা টোল আদায়

ঈদুল আজহা উপলক্ষে পদ্মা সেতু দিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় ৪৩ হাজারের বেশি  যানবাহন পারাপার হয়েছে। এ সময়ে টোল আদায় হয় প্রায় ৫ কোটি টাকা। এতে ঈদযাত্রার চাপের মধ্যেও দক্ষিণাঞ্চলমুখী যোগাযোগে পদ্মা সেতুর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা আরও স্পষ্ট হয়েছে।

বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা যায়, গত ২৪ ঘণ্টায় মোট ৪৩ হাজার ৩৫১টি যানবাহন পদ্মা সেতু অতিক্রম করেছে। এর বিপরীতে টোল আদায় হয়েছে ৪ কোটি ৮০ লাখ ১৫ হাজার ৩৫০ টাকা।

মঙ্গলবার (২৬ মে) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন পদ্মা সেতুর নির্বাহী প্রকৌশলী আবু সাঈদ।

তথ্য অনুযায়ী, মাওয়া প্রান্ত দিয়ে ২৮ হাজার ৬৭টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এই প্রান্ত থেকে টোল আদায় হয় ২ কোটি ৬৪ লাখ ২১ হাজার টাকা। অন্যদিকে জাজিরা প্রান্ত দিয়ে ১৫ হাজার ২৮৪টি যানবাহন সেতু পার হয়, যেখানে টোল আদায় হয়েছে ২ কোটি ১৫ লাখ ৯৪ হাজার ৩৫০ টাকা।

সেতু কর্তৃপক্ষ বলছে, ঈদুল ফিতরের তুলনায় ঈদুল আজহায় যানবাহন চলাচল তুলনামূলক বেশি থাকে। বিশেষ করে মানুষ গ্রামে যাওয়ার কারণে ব্যক্তিগত গাড়ি, বাস ও ট্রাকের চাপ বাড়ে। এর সঙ্গে কোরবানির পশুবাহী যানবাহনও যুক্ত হওয়ায় সেতু দিয়ে পারাপারের সংখ্যা বৃদ্ধি পায়। অনেক যানবাহন পশু নিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি খালি অবস্থায় ফিরেও আসে, যা মোট ট্রাফিক প্রবাহকে আরও বাড়িয়ে দেয়।

এর আগে চলতি বছরের ১৮ মার্চ ঈদুল ফিতরের আগে এক দিনে সর্বোচ্চ ৪১ হাজার ৮৮৫টি যানবাহন পদ্মা সেতু পার হয়েছিল। ওই দিন টোল আদায় হয়েছিল ৪ কোটি ৫৪ লাখ ৫ হাজার ২৫৪ টাকা। সে তুলনায় এবার এক দিনে যানবাহন ও টোল আদায় উভয়ই কিছুটা বেশি হয়েছে।

পদ্মা সেতু কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, অতীতেও কয়েকটি ঈদ মৌসুমে সেতুতে উচ্চমাত্রার টোল আদায় হয়েছে। এর মধ্যে ২০২৫ সালের ৬ জুন কোরবানির ঈদ সামনে রেখে এক দিনে সর্বোচ্চ ৫২ হাজার ৪৮৭টি যানবাহন পারাপার হয় এবং টোল আদায় হয় ৫ কোটি ৪৩ লাখ টাকার বেশি, যা এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ রেকর্ড।

সব ধরনের যানবাহনের জন্য পদ্মা সেতুতে নির্ধারিত টোল হার অনুযায়ী অর্থ আদায় করা হয়। মোটরসাইকেল, ব্যক্তিগত গাড়ি, বাস ও ট্রাকসহ বিভিন্ন যানবাহনের জন্য পৃথক টোল নির্ধারিত রয়েছে। ইলেকট্রনিক টোল কালেকশন বা ইটিসি ব্যবস্থার মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে টোল আদায় হওয়ায় পারাপার প্রক্রিয়া তুলনামূলক দ্রুত হচ্ছে।

মাওয়া ও জাজিরা টোল প্লাজায় দায়িত্ব পালনকারীরা জানান, ঈদের সময় যানবাহনের চাপ বাড়লেও বর্তমানে কোনো বড় ধরনের যানজট নেই। স্বয়ংক্রিয় টোল ব্যবস্থা ও ব্যবস্থাপনার কারণে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

অন্তর্বর্তী সরকারের কিচেন কেবিনেটের সদস্য ছিলাম না : আসিফ মাহমুদ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২৬, ৬:১২ অপরাহ্ণ
অন্তর্বর্তী সরকারের কিচেন কেবিনেটের সদস্য ছিলাম না : আসিফ মাহমুদ

সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের ‘কিচেন কেবিনেট’ সদস্য ছিলেন না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক উপদেষ্টা ও এনসিপির মুখ্যপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।

মঙ্গলবার (২৬ মে) এনসিপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে জরুরি সংবাদ সম্মেলনে দলটির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেন, কিচেন কেবিনেটের সদস্য ছিলাম না।

সাবেক উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেনের একটি সাক্ষাৎকারে ‘কিচেন কেবিনেট’ বিষয়টি আলোচনা আসে। সংবাদ সম্মেলনে আমেরিকার সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তির বিষয়ে নিজের সংশ্লিষ্টতা অস্বীকার করেছেন আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।

তিনি বলেন, চুক্তির বিষয়ে এনসিপির সঙ্গেও কোনো আলোচনা হয়নি। বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী (তৎকালীন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা) খলিলুর রহমান বিএনপির পরামর্শে অন্তবর্তীকালীন সরকারের ওপর দায় চাপাতে নির্বাচনের তিন দিন আগে চুক্তিটি করা হয়। এই চুক্তি বিএনপি করিয়েছেন। এই চুক্তি তারেক রহমান করিয়েছেন। চুক্তির কোনো কিছু সংশোধন করতে চাইলে বিএনপি করুক বা বাতিলও করতে পারে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অনেক দেশই চুক্তি বাতিল করেছে।

তিনি আরও বলেন, এবারের বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নির্বাচনে কেউ নিজের যোগ্যতায় কাউন্সিলর হয়নি, সবাই এসেছে বাবার পরিচয়ে। ক্রীড়াকে পরিবারকরণ করেছে বিএনপি। অন্তবর্তীকালীন সরকারের সময় যোগ্য ব্যক্তিদের কাউন্সিলর করা হয়েছিল

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি 

পবিত্র হজের খুতবা শুর

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২৬, ৬:০০ অপরাহ্ণ
পবিত্র হজের খুতবা শুর

আরাফার ময়দানে শুরু হয়েছে পবিত্র হজের খুতবা।

মঙ্গলবার (২৬ মে) বাংলাদেশ সময় বিকেল ৩টা ২০ মিনিটের দিকে খুতবা পাঠ শুরু করেন শায়খ আলী বিন আবদুর রহমান আল-হুদাইফি।

আরবি বর্ষপঞ্জি অনুসারে সৌদিতে আজ ৯ জিলহজ। এটি পবিত্র ‘আরাফা দিবস’ হিসেবেও পরিচিত। ঐতিহাসিক এই ময়দানে দিনব্যাপী ইবাদত বন্দেগি আর দোয়া মোনাজাতে মশগুল হাজিরা। এদিন সকাল থেকে তাদের কণ্ঠে উচ্চারিত হচ্ছে, লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক, লাব্বাইক লা শারিকা লাকা লাব্বাইক, ইন্নাল হাম্দা, ওয়ান্নি মাতা লাকা ওয়াল্মুল্ক্, লা শারিকা লাকা।

সাদা দুই টুকরা কাপড়ে শরীর ঢেকে হজযাত্রীরা মঙ্গলবার মিনায় ফজরের নামাজ আদায়ের পর থেকেই পবিত্র আরাফার ময়দানের উদ্দেশে রওনা করেন। এই ময়দানেই মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) তার বিদায় হজের ভাষণ দিয়েছিলেন। সেই স্মৃতি বুকে ধারণ করে মুসলিমরা এই পবিত্র প্রান্তরে সমবেত হয়েছেন।

চলতি বছরও বাংলাসহ ৫০টি ভাষায় পবিত্র হজের খুতবার অনুবাদ সম্প্রচার করা হচ্ছে। এ নিয়ে টানা সপ্তম বারের মতো বাংলা ভাষায় হজের খুতবার অনুবাদ সম্প্রচার হচ্ছে।

এ বছর খুতবার বাংলা অনুবাদ কার্যক্রমে রয়েছেন ড. মুহাম্মদ খলীলুর রহমান, ড. আ ফ ম ওয়াহিদুর রহমান, মুবিনুর রহমান ফারুক ও নাজমুস সাকিব। তারা সবাই মক্কার উম্মুল কুরা ইউনিভার্সিটিতে বিভিন্ন সময়ে পড়াশোনা করেছেন।

কালের আলো/এসএকে