খুঁজুন
                               
, ,
           

সৌদিসহ মধ্যপ্রাচ্যে ঈদুল আজহা উদযাপন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ৯:৪৪ পূর্বাহ্ণ
সৌদিসহ মধ্যপ্রাচ্যে ঈদুল আজহা উদযাপন

ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে আজ বুধবার (২৭ মে) উদযাপিত হচ্ছে পবিত্র ঈদুল আজহা। ঈদের নামাজ, পশু কোরবানি এবং হজের আনুষ্ঠানিকতার মধ্য দিয়ে মুসলিম বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ ধর্মীয় উৎসব পালন করছেন ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা।

পবিত্র হজের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আনুষ্ঠানিকতা ‘উকুফে আরাফা’ সম্পন্ন হওয়ার পর মধ্যপ্রাচ্যে শুরু হয়েছে ঈদুল আজহার আনুষ্ঠানিকতা। মঙ্গলবার জিলহজ মাসের নবম দিনে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আসা প্রায় ১৬ লাখ হাজি সৌদি আরবের আরাফাত ময়দানে সমবেত হন।

ভোর থেকেই শুভ্র ইহরামে সজ্জিত হাজিদের ‘লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক’ ধ্বনিতে মুখর হয়ে ওঠে পুরো আরাফাত প্রান্তর।

ইসলামী শরিয়ত অনুযায়ী আরাফাতে অবস্থান করা হজের প্রধান রুকন।

সূর্যাস্ত পর্যন্ত হাজিরা আরাফাতের নির্ধারিত সীমানার মধ্যে অবস্থান করে নামাজ, তওবা-ইস্তিগফার, কোরআন তিলাওয়াত ও জিকির-আসকারে সময় কাটান। মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের আশায় কান্না ও প্রার্থনায় মগ্ন ছিলেন তারা।

দুপুরে ঐতিহাসিক নামিরা মসজিদ থেকে হজের খুতবা দেন মসজিদুল হারামের ইমাম ও খতিব শায়খ আলি আল হুদাইফি। এবার বাংলাসহ বিশ্বের ৩৫টি ভাষায় খুতবার অনুবাদ সরাসরি সম্প্রচার করা হয়।

খুতবায় তিনি মুসলিম উম্মাহর ঐক্য, ইসলামী মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা এবং বিশ্বশান্তি বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

খুতবা শেষে হাজিরা জোহর ও আসরের নামাজ একসঙ্গে আদায় করে সূর্যাস্তের পর মুজদালিফার উদ্দেশে রওনা হন। সেখানে খোলা আকাশের নিচে রাতযাপন করেন তারা। একই সঙ্গে মিনায় শয়তানকে পাথর নিক্ষেপের জন্য প্রয়োজনীয় কঙ্কর সংগ্রহ করেন হাজিরা।

আজ ১০ জিলহজ সকালে মিনার জামারায় বড় শয়তানকে পাথর নিক্ষেপের মধ্য দিয়ে ঈদুল আজহার মূল আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। পরে আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের আশায় পশু কোরবানি করেন হাজিরা। কোরবানি শেষে মাথা মুণ্ডন বা চুল ছেঁটে ইহরাম ত্যাগ করেন তারা। এরপর কাবা শরিফ তাওয়াফের মাধ্যমে হজের পরবর্তী আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করবেন।

এদিকে সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে ঈদকে ঘিরে বিরাজ করছে উৎসবের আমেজ। প্রবাসী বাংলাদেশি, পাকিস্তানি ও ভারতীয় মুসলমানদের অনেকেই আগেই গরু, ছাগলসহ কোরবানির পশু কিনেছেন। পরিবার ও স্বজনদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে নিয়েছেন নানা প্রস্তুতি।

ত্যাগের মহিমায় উদ্ভাসিত এই পবিত্র দিনে অনাবিল আনন্দে ভাসছে মধ্যপ্রাচ্যের আরব দেশগুলোর নারী-পুরুষ, শিশু থেকে শুরু করে সব বয়সী মানুষ। মুসলমানরা স্মরণ করছেন আল্লাহর নবী হযরত ইব্রাহিম (আ.) ও তাঁর পুত্র হযরত ইসমাঈল (আ.)-এর অনন্য ত্যাগের ইতিহাস। ঈদের নামাজ শেষে মুসল্লিরা পরস্পরের মধ্যে শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা বিনিময় করছেন। পাশাপাশি মহান আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে পশু কোরবানি দিচ্ছেন ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা।

ঈদুল আজহার ইতিহাস মুসলিম মিল্লাতের পিতা হযরত ইব্রাহিম (আ.) ও তাঁর পুত্র হযরত ইসমাঈল (আ.)-এর স্মৃতির সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত। হযরত ইব্রাহিম (আ.) স্বপ্নে মহান আল্লাহর নির্দেশ পেয়ে প্রিয় পুত্র ইসমাঈল (আ.)-কে কোরবানি করতে উদ্যত হন। মূলত এটি ছিল আল্লাহর পক্ষ থেকে তাঁর প্রতি এক কঠিন পরীক্ষা।

আল্লাহর আদেশ পালনে অবিচল থেকে তিনি পুত্রকে কোরবানি দেওয়ার সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেন এবং সেই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। পরে মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে ইসমাঈল (আ.)-এর পরিবর্তে একটি পশু কোরবানির নির্দেশ দেওয়া হয়।

সেই ঐতিহাসিক ঘটনার স্মৃতিকে ধারণ করেই ইসলামি শরিয়তে কোরবানির বিধান চালু হয়। হযরত ইব্রাহিম (আ.)-এর সুন্নত অনুসরণ করে প্রতি বছর সামর্থ্যবান মুসলমানরা পশু কোরবানি করে থাকেন।
হজ ব্যবস্থাপনা নির্বিঘ্ন রাখতে সৌদি সরকার নিয়েছে ব্যাপক নিরাপত্তা ও পরিবহন ব্যবস্থা। তীব্র গরমে হাজিদের স্বস্তি দিতে বিভিন্ন স্থানে স্থাপন করা হয়েছে পানির ফোয়ারা ও ছায়ার ব্যবস্থা। পাশাপাশি হাজিদের যাতায়াত সহজ করতে প্রায় ২৪ হাজার বিশেষ বাস পরিচালনা করছে সৌদি কর্তৃপক্ষ।

কালের আলো/এসআর/এএএন 

সোশ্যাল মিডিয়ায় নতুন রেকর্ড গড়লেন পরীমনি

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ৫:৩১ অপরাহ্ণ
সোশ্যাল মিডিয়ায় নতুন রেকর্ড গড়লেন পরীমনি

বাংলাদেশের শোবিজ অঙ্গনের জনপ্রিয় অভিনেত্রী পরীমনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নতুন মাইলফলক স্পর্শ করেছেন। জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক সাকিব আল হাসানকে পেছনে ফেলে বর্তমানে দেশের সবচেয়ে বেশি ফেসবুক অনুসারীর (ফলোয়ার) মালিক হয়েছেন তিনি।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দুই তারকার অফিশিয়াল ফেসবুক পেজের অনুসারীর সংখ্যা পর্যালোচনায় দেখা যায়, পরীমনির অনুসারী সংখ্যা ১ কোটি ৭০ লাখ ছাড়িয়েছে। অন্যদিকে, সাকিব আল হাসানের অনুসারী রয়েছেন ১ কোটি ৬০ লাখের বেশি। ফলে প্রায় ১০ লাখ অনুসারীর ব্যবধানে শীর্ষ অবস্থানে উঠে এসেছেন পরীমনি।

এর আগে কয়েক দফা দুই তারকার অনুসারীর সংখ্যা কাছাকাছি অবস্থানে ছিল। একসময় সাকিব এগিয়ে থাকলেও সর্বশেষ পরিসংখ্যানে বড় ব্যবধানে তাঁকে ছাড়িয়ে গেছেন এই অভিনেত্রী।

অনুসারীর সংখ্যায় এগিয়ে থাকলেও দুই তারকার ফেসবুক কার্যক্রমে রয়েছে ভিন্নতা। সাকিব আল হাসানের অফিসিয়াল পেজ থেকে মাত্র ছয়টি অ্যাকাউন্ট অনুসরণ করা হয়। এর মধ্যে রয়েছেন ফুটবল তারকা লিওনেল মেসি এবং ক্রিকেটার মুশফিকুর রহিম, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ও রুবেল হোসেন। এ ছাড়া সাকিব আল হাসান ফাউন্ডেশন ও ফরচুন বরিশালের অফিসিয়াল পেজও তাঁর অনুসরণ তালিকায় রয়েছে।

অন্যদিকে, পরীমনির ফেসবুক পেজ থেকে সাতটি অ্যাকাউন্ট অনুসরণ করা হলেও সেগুলোর তথ্য প্রাইভেসি সেটিংয়ের কারণে প্রকাশ্যে দেখা যায় না।

এক দশকের বেশি সময় ধরে চলচ্চিত্রে অভিনয়ের পাশাপাশি ব্যক্তিগত জীবন ও বিভিন্ন সামাজিক ইস্যুতে নিয়মিত আলোচনায় থেকেছেন পরীমনি। বর্তমানে তিনি নতুন কয়েকটি চলচ্চিত্র ও ওটিটি প্রকল্পের কাজ নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন।

অন্যদিকে, সাকিব আল হাসান মাঠের ক্রিকেটের পাশাপাশি সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন ইস্যুতে আলোচনায় রয়েছেন। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জনপ্রিয়তার দিক থেকে এবার দেশের নতুন শীর্ষস্থান দখল করলেন পরীমনি।

কালের আলো/এসএ

সান্তোসে অনিশ্চিত নেইমারের ভবিষ্যৎ

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ৫:২২ অপরাহ্ণ
সান্তোসে অনিশ্চিত নেইমারের ভবিষ্যৎ

ব্রাজিলিয়ান সুপারস্টার নেইমারের সান্তোস অধ্যায় দীর্ঘ হচ্ছে না বলেই ইঙ্গিত মিলছে। ব্রাজিলের সংবাদমাধ্যম গ্লোবোর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৬ সালের ডিসেম্বরে বর্তমান চুক্তির মেয়াদ শেষ হলে সেটি নবায়নের সম্ভাবনা খুবই কম। ক্লাবের ভেতরে বাড়তে থাকা অসন্তোষই এর প্রধান কারণ বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, শৈশবের ক্লাবে ফেরার পর থেকেই সতীর্থ, কোচিং স্টাফ ও ক্লাব কর্মকর্তাদের মধ্যে নেইমারকে ঘিরে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। তাঁর আচরণ ও মনোভাবের কারণে প্রতিদিনের কার্যক্রম পরিচালনা কঠিন হয়ে পড়ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। একই সঙ্গে কয়েকজন খেলোয়াড় নেইমারের ‘আত্মকেন্দ্রিক’ আচরণে অসন্তুষ্ট বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

নেইমারের নেতৃত্ব নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। গত মে মাসে অনুশীলনের সময় সতীর্থ রবিনহো জুনিয়রের সঙ্গে তাঁর তর্ক-বিতর্কের ঘটনা দলের সিনিয়র খেলোয়াড় হিসেবে তাঁর ভূমিকা নিয়ে নতুন আলোচনা তৈরি করে।

কোপা সুদামেরিকানায় সান্তোসের অভিযানের সময়ও সমালোচনার মুখে পড়েন নেইমার। ভেনেজুয়েলায় গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ খেলতে যাওয়ার প্রস্তুতির সময় তাঁকে সাও পাওলোতে একটি পোকার টুর্নামেন্টে অংশ নিতে দেখা যায়। বিষয়টি সমর্থক ও গণমাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দেয়। পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এর জবাব দেন তিনি। এরপর শাপেকোয়েন্সের বিপক্ষে গোল করে তাস বিলির ভঙ্গিতে উদযাপন করে সেই বিতর্ক আরও উসকে দেন।

গ্লোবোর প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, পেশাদার ফুটবলের চাপ ও ক্লাবের দৈনন্দিন রুটিনে নেইমার ক্লান্ত হয়ে পড়েছেন। এমনকি তিনি অবসর নেওয়ার বিষয়টিও বিবেচনা করেছেন বলে দাবি করা হয়েছে। তবে বাবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি এবং বাণিজ্যিক চুক্তির কারণে তিনি এখনো খেলা চালিয়ে যাচ্ছেন।

এদিকে শাপেকোয়েন্সের বিপক্ষে ২-২ গোলে ড্রয়ের পর ব্রাজিলের কয়েকটি গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়, ড্রেসিংরুমে তরুণ সতীর্থ গ্যাব্রিয়েল বন্তেম্পো ও জোয়াও আনানিয়াসকে মৌখিকভাবে আক্রমণ করেছেন নেইমার। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এসব অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করেছেন ব্রাজিলিয়ান তারকা। তাঁর দাবি, প্রকাশিত খবরগুলো সম্পূর্ণ মিথ্যা।

কালের আলো/এসএ

 

মানচিত্রে নির্ভুলতা, উন্নয়নে গতি ও জাতীয় নিরাপত্তায় নতুন শক্তি: প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ৫:১৩ অপরাহ্ণ
মানচিত্রে নির্ভুলতা, উন্নয়নে গতি ও জাতীয় নিরাপত্তায় নতুন শক্তি: প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা

রাজধানীর তেজগাঁওয়ে অবস্থিত বাংলাদেশ জরিপ অধিদপ্তর পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) পরিদর্শনের সময় অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আজিজুর রউফ তাঁকে স্বাগত জানান।

পরিদর্শনকালে প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা জাতীয় মানচিত্র প্রণয়ন ও হালনাগাদ, আন্তর্জাতিক সীমানা জরিপ, ভূস্থানিক তথ্য সংগ্রহ, স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণ এবং ডিজিটাল এলিভেশন মডেল প্রস্তুত কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত হন।

এসময় তিনি বলেন, নির্ভুল ও হালনাগাদ মানচিত্র উন্নয়ন পরিকল্পনা, অবকাঠামো নির্মাণ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা এবং জাতীয় নিরাপত্তার গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি। তিনি সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ভূস্থানিক তথ্যের সমন্বয় ও নিয়মিত হালনাগাদের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি প্রশিক্ষণে জরিপ ও ভূস্থানিক জ্ঞানের ব্যবহার বৃদ্ধি, দেশীয় ডিজিটাল ম্যাপিং অ্যাপ্লিকেশন তৈরির সম্ভাবনা যাচাই এবং ভূকৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ এলাকার হালনাগাদ তথ্য নিয়মিত সংগ্রহ ও বিশ্লেষণের নির্দেশনা প্রদান করেন। পাশাপাশি ঢাকা ও চট্টগ্রামের ডিজিটাল এলিভেশন মডেল আগামী চার মাসের মধ্যে সম্পন্ন করে পরবর্তী পর্যায়ে সিলেট ও কুমিল্লায় কাজ শুরুর নির্দেশ দেন।

পরিদর্শন শেষে তিনি বলেন, ‘উন্নত ও নিরাপদ বাংলাদেশ গড়তে সঠিক তথ্যভিত্তিক পরিকল্পনার বিকল্প নেই। নির্ভুল মানচিত্র ও আধুনিক ভূস্থানিক তথ্য সেই পরিকল্পনার পথ নির্দেশক।’

এসময় প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আশরাফ উদ্দিন এবং বাংলাদেশ জরিপ অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এম/এএইচ