খুঁজুন
                               
রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬, ৭ আষাঢ়, ১৪৩৩
           

কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের সুখবর দিলেন প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২ জুন, ২০২৬, ১:১৫ অপরাহ্ণ
কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের সুখবর দিলেন প্রধানমন্ত্রী

দেশের কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও ফ্রিল্যান্সারদের জন্য বড় ধরনের সুখবর দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। কনটেন্ট নির্মাতা ও চিত্ত মিডিয়ার প্রতিষ্ঠাতা জুয়েল রানার সঙ্গে এক দীর্ঘ সৌজন্য সাক্ষাতে তিনি জানিয়েছেন, কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও ফ্রিল্যান্সারদের ওপর সাড়ে সাত শতাংশ ভ্যাট আরোপের যে আলোচনা বা শঙ্কা তৈরি হয়েছে, তা বাস্তবায়নের কোনো সুযোগ নেই। বরং যারা ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে কাজ করে বৈদেশিক মুদ্রা দেশে নিয়ে আসছেন, তাদের জন্য রাষ্ট্রের আরও সহায়ক ভূমিকা থাকা উচিত বলেও মত দিয়েছেন তিনি।

সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে একটি গণমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকালে এমন কথা জানিয়েছেন জুয়েল রানা। তিনি বলেন, পুরো সাক্ষাৎকারটি ছিল অত্যন্ত আন্তরিক ও সৌহার্দ্যপূর্ণ। সেখানে রাজনীতির চেয়ে বেশি গুরুত্ব পেয়েছে দেশের মানুষ, প্রকৃতি, সংস্কৃতি, মানবিকতা এবং তরুণদের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী তাকে একজন সাধারণ নাগরিক হিসেবেই আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন এবং দীর্ঘ সময় ধরে বিভিন্ন বিষয়ে মতবিনিময় করেন। সাক্ষাতের শুরুতেই প্রধানমন্ত্রী জানান, তিনি দীর্ঘদিন ধরে জুয়েল রানার কনটেন্ট দেখে আসছেন। বিশেষ করে গ্রামবাংলার প্রকৃতি, নদী, মাঠ, মেঠোপথ, কৃষিজীবন এবং মানুষের সহজ-সরল জীবনযাপনকে তুলে ধরার বিষয়টি তার ভালো লাগে।

জুয়েল রানা জানান, প্রধানমন্ত্রী তাকে বলেন, ইংল্যান্ডে অবস্থানকালে তিনি প্রকৃতির সান্নিধ্যে থাকার সুযোগ পেয়েছেন এবং এখনো প্রকৃতির প্রতি তার আলাদা টান রয়েছে। ব্যস্ত রাষ্ট্রীয় দায়িত্বের মধ্যেও সময় পেলেই তিনি প্রকৃতিনির্ভর বিভিন্ন কনটেন্ট দেখেন। গ্রামবাংলার সৌন্দর্য, ঋতু পরিবর্তনের দৃশ্য, মানুষের জীবনসংগ্রাম এবং প্রকৃতির সঙ্গে মানুষের সম্পর্ককে যেভাবে উপস্থাপন করা হয়, তা তাকে আকৃষ্ট করে। শুধু দৃশ্য নয়, কনটেন্টে সাহিত্য, কবিতা বা বিভিন্ন উদ্ধৃতির ব্যবহারও তার কাছে ভালো লাগে।

আলোচনার একপর্যায়ে প্রধানমন্ত্রী জুয়েল রানার কাছে জানতে চান, রাষ্ট্রের জন্য তার কোনো পরামর্শ আছে কি না। জবাবে জুয়েল রানা বলেন, দেশের মানুষের মধ্যে আত্মিক ও মানবিক পরিবর্তন প্রয়োজন। তিনি বলেন, বর্তমানে অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় কোনো দুর্ঘটনা বা বিপদে মানুষ সাহায্যের হাত বাড়ানোর আগে মোবাইল ফোন বের করে ভিডিও ধারণ করতে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। অথচ একজন বিপদগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোই হওয়া উচিত প্রথম কাজ। তিনি উদাহরণ দিয়ে বলেন, কোনো শিশু যদি লিচু গাছ থেকে কয়েকটি লিচু পাড়ে, তাহলে তাকে মারধর করার পরিবর্তে ভালোবাসা দিয়ে বোঝানো উচিত। একইভাবে প্রাণী, প্রকৃতি ও মানুষের প্রতি সহমর্মিতা বাড়াতে হবে। রাষ্ট্র তখনই এগিয়ে যাবে, যখন মানুষের মন ও মানসিকতায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।

তিনি আরও বলেন, দেশের বিভিন্ন সময়ের কিছু ঘটনা আমাকে ব্যথিত করে। কোনো অসহায় মানুষ যখন কষ্টে থাকে, তখন অনেকেই তা ক্যামেরাবন্দি করতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। কিন্তু সহানুভূতির জায়গা থেকে এগিয়ে আসেন না। এই সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসার প্রয়োজনীয়তার কথাই আমি প্রধানমন্ত্রীর সামনে তুলে ধরেছেন। তার মতে, দেশের উন্নয়ন শুধু অবকাঠামো নির্মাণের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; মানুষের মনন, মূল্যবোধ ও দায়িত্ববোধের উন্নয়নও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

তবে পুরো সাক্ষাতের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার বিষয় ছিল কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও ফ্রিল্যান্সারদের ওপর প্রস্তাবিত সাড়ে সাত শতাংশ ভ্যাটের বিষয়টি। জুয়েল রানা জানান, তিনি প্রধানমন্ত্রীর কাছে সরাসরি জানতে চান, এ বিষয়ে যে আলোচনা চলছে তা কতটুকু সত্য। কারণ দেশের হাজার হাজার তরুণ বর্তমানে ফ্রিল্যান্সিং, ডিজিটাল মার্কেটিং, ভিডিও নির্মাণ এবং বিভিন্ন অনলাইনভিত্তিক পেশার মাধ্যমে আয় করছেন। অনেকেই বিদেশি প্রতিষ্ঠান বা ক্লায়েন্টের সঙ্গে কাজ করে বৈদেশিক মুদ্রা দেশে আনছেন। এমন একটি খাতে অতিরিক্ত কর বা ভ্যাট আরোপ করা হলে তরুণদের মধ্যে হতাশা তৈরি হতে পারে।

জুয়েল রানা বলেন, বিষয়টি উত্থাপনের পর প্রধানমন্ত্রী তাৎক্ষণিকভাবে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের ডাকেন এবং বিষয়টি সম্পর্কে খোঁজ নিতে বলেন। প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট ভাষায় বলেছেন যে তরুণদের কর্মসংস্থানের অন্যতম বড় ক্ষেত্র এখন ডিজিটাল অর্থনীতি। ফ্রিল্যান্সার ও কনটেন্ট ক্রিয়েটররা শুধু নিজেদের জীবিকা নির্বাহ করছেন না, তারা দেশের অর্থনীতিতেও অবদান রাখছেন। যারা বিদেশ থেকে আয় এনে দেশের ভেতরে ব্যয় করছেন, তাদের নিরুৎসাহিত করার মতো কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা যুক্তিযুক্ত হবে না।

তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী আমাকে আশ্বস্ত করে বলেছেন, আপনারা নিশ্চিন্তে কাজ করুন। ফ্রিল্যান্সার ও কনটেন্ট ক্রিয়েটররা দেশের সম্পদ। তারা দেশের জন্য বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করছে। তাদের জন্য অযৌক্তিক কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে না।’ তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখেছেন এবং তাকে আশ্বস্ত করেছেন যে এ ধরনের কোনো পদক্ষেপ বাস্তবায়নের সুযোগ নেই।

আলোচনায় জুয়েল রানা আরও উল্লেখ করেন, ফ্রিল্যান্সাররা কোনোভাবেই দেশের অর্থ পাচার করছেন না; বরং উল্টো বিদেশ থেকে আয় এনে দেশের অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করছেন। এ বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর সামনে তুলে ধরলে তিনি একমত পোষণ করেন এবং বিষয়টি স্মরণ করিয়ে দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ জানান। প্রধানমন্ত্রী বলেন, তরুণদের কর্মসংস্থান এবং প্রযুক্তিনির্ভর অর্থনীতির বিকাশে সরকার ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে এগোতে চায়।

সাক্ষাতে প্রধানমন্ত্রী জুয়েল রানাকে তার বর্তমান কাজ চালিয়ে যাওয়ারও অনুরোধ করেন। তিনি বলেন, প্রকৃতি, গ্রামবাংলা এবং মানুষের জীবনকে তুলে ধরার কাজ কখনো বন্ধ করা উচিত নয়। কারণ এসব কনটেন্ট মানুষকে শেকড়ের সঙ্গে যুক্ত রাখে এবং দেশের প্রকৃত সৌন্দর্যকে নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরে। পাশাপাশি শিল্প ও সাহিত্যচর্চার মাধ্যমে কনটেন্টকে আরও সমৃদ্ধ করার পরামর্শও দেন তিনি।

জুয়েল রানা জানান, আলোচনার একপর্যায়ে প্রধানমন্ত্রী তাকে জিজ্ঞেস করেন, তিনি ব্যক্তিগতভাবে রাষ্ট্রের কাছে কী চান। জবাবে তিনি বলেন, রাষ্ট্রের সব নাগরিকের জন্য যা ভালো হবে, সেটিই তার জন্য যথেষ্ট। তিনি কোনো ব্যক্তিগত সুবিধা চান না। দেশের সব মানুষ ভালো থাকলে তিনিও ভালো থাকবেন। একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে দেশের সম্পদ রক্ষা করা, মানুষকে বিভ্রান্ত না করা এবং দায়িত্বশীল আচরণ করাই তার লক্ষ্য।

কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও ফ্রিল্যান্সারদের জন্য প্রধানমন্ত্রীর এই বার্তা দেশের ডিজিটাল অর্থনীতিতে যুক্ত তরুণদের মধ্যে নতুন আশাবাদ সৃষ্টি করবে বলে তিনি মনে করেন তিনি।

কালের আলো/এসআর/এএএন

বিকেলে মালয়েশিয়ার উদ্দেশে রওনা হবেন প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬, ৯:০০ পূর্বাহ্ণ
বিকেলে মালয়েশিয়ার উদ্দেশে রওনা হবেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট বিকেলে ঢাকা থেকে কুয়ালালামপুরের উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা রয়েছে। মালয়েশিয়া সফর শেষে তিনি চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং-এর আমন্ত্রণে সরাসরি চীনে যাবেন।

প্রধানমন্ত্রীর দুই দেশ মালয়েশিয়া ও চীন সফর শুরুর আগে পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম শনিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এক সংবাদ সম্মেলন করেন।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আসন্ন চীন সফরকালে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে ১৩টি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ), দুটি চুক্তি, একটি কর্মপরিকল্পনা এবং একটি প্রোটোকলসহ ১৫ থেকে ১৭টি দ্বিপাক্ষিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এ সময় বহু প্রতীক্ষিত তিস্তা প্রকল্প নিয়েও আলোচনা হবে।

আসাদ আলম সিয়াম বলেন, ‘এই বছরের ফেব্রুয়ারিতে সরকার ক্ষমতায় আসার পর এটিই প্রধানমন্ত্রীর প্রথম বিদেশ সফর।’

তিনি উল্লেখ করেন, মালয়েশিয়া ও চীনে প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী প্রতিনিধিদল তুলনামূলকভাবে ছোট রাখা হয়েছে, এতে ২৭ থেকে ২৮ জন সদস্য রয়েছেন।

তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা এটিকে একটি যুক্তিসঙ্গত পর্যায়ে রাখার চেষ্টা করেছি।’

তিনি বলেন, এই সফরগুলোকে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব শক্তিশালীকরণ, বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং আঞ্চলিক সংযোগ বৃদ্ধির লক্ষ্যে একটি বড় কূটনৈতিক উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

আগামী ২৫ জুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং-এর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা করবেন।

সরকারি সফরের অংশ হিসেবে তিনি ২৬ জুন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং-এর সঙ্গেও সাক্ষাৎ করবেন।

চীন সফরকালে প্রধানমন্ত্রী লিয়াওনিং প্রদেশের দালিয়ানে ২৩ থেকে ২৫ জুন অনুষ্ঠেয় ‘নিউ চ্যাম্পিয়নস’-এর ১৭তম বার্ষিক সম্মেলনে (সামার দাভোস ফোরাম) অংশ নেবেন।

‘ইনোভেটিং অ্যাট স্কেল’ প্রতিপাদ্যে আয়োজিত এ ফোরামে ৯০টিরও বেশি দেশ ও অঞ্চলের ১ হাজার ৭০০-এর বেশি প্রতিনিধি অংশ নেবেন। সেখানে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রবণতা, প্রযুক্তিগত অগ্রগতি এবং উদ্ভাবননির্ভর প্রবৃদ্ধি নিয়ে আলোচনা হবে।

সফরে মালয়েশিয়া পর্বে বাণিজ্য সম্প্রসারণ, শ্রমবাজারে সহযোগিতা এবং বিনিয়োগের সুযোগ বৃদ্ধির বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে। অন্যদিকে, চীন সফরে অবকাঠামো, প্রযুক্তি, সংযোগ এবং উন্নয়ন খাতে সহযোগিতা আরও গভীর করার বিষয়ে বাংলাদেশের অঙ্গীকার তুলে ধরা হবে।

প্রধানমন্ত্রী আগামী ২৬ জুন রাতে দেশে ফিরবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

স্বর্ণার ঝড়ো ব্যাটিং, পাকিস্তানকে হারিয়ে ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬, ২:০৬ পূর্বাহ্ণ
স্বর্ণার ঝড়ো ব্যাটিং, পাকিস্তানকে হারিয়ে ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ

সাউদাম্পটনে টস জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় বাংলাদেশ। মাত্র ১৩ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে দল। সেই সংকটময় মুহূর্তে এক প্রান্ত আগলে রাখেন অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি। তবে অন্য প্রান্তে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে বাংলাদেশ।

দলের ব্যাটিং বিপর্যয়ের দিনে উজ্জ্বল ছিলেন স্বর্ণা আক্তার। সাত নম্বরে নেমে তিনি ২২ বলে ৫ চারসহ অপরাজিত ৩৯ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলেন। তার ঝড়ো ব্যাটিংয়ে ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১২৩ রানের লড়াকু সংগ্রহ দাঁড় করায় বাংলাদেশ। জ্যোতি করেন ৩৮ বলে ৩৬ রান।

১২৪ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতে সাবধানী ব্যাটিং করে পাকিস্তান। কিন্তু বাংলাদেশের বোলাররা শুরু থেকেই আঁটসাঁট বোলিং করে প্রতিপক্ষকে চাপে রাখেন। নতুন বলে মারুফা আক্তার ইনিংসের প্রথম ওভারটি মেইডেন করে দারুণ সূচনা এনে দেন।

যদিও পাকিস্তানের উদ্বোধনী জুটি ৪৯ রান যোগ করে, অষ্টম ওভারে নাহিদা আক্তার সেই জুটি ভাঙার পর ম্যাচের মোড় ঘুরতে শুরু করে। এরপর দুই প্রান্ত থেকে স্পিন আক্রমণে যান অধিনায়ক জ্যোতি। রাবেয়া খান, নাহিদা আক্তার ও সানজিদা আক্তার মেঘলাদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে প্রয়োজনীয় রানরেট বাড়তে থাকে পাকিস্তানের।

চাপ সামলাতে শেষদিকে বড় শট খেলতে গিয়ে দ্রুত উইকেট হারায় পাকিস্তান। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে তারা তুলতে পারে মাত্র ১০০ রান। ফলে ২৩ রানের দারুণ জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে বাংলাদেশ।

ব্যাট হাতে স্বর্ণা আক্তার এবং নেতৃত্বে জ্যোতির দায়িত্বশীল ইনিংসের পাশাপাশি বোলারদের সম্মিলিত নৈপুণ্যে বিশ্বকাপ মঞ্চে স্মরণীয় এক জয় তুলে নিল টাইগ্রেসরা।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি 

রাজশাহীতে জেএফএ নারী ফুটবলে জয়পুরহাটের জয়

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬, ১১:২০ অপরাহ্ণ
রাজশাহীতে জেএফএ নারী ফুটবলে জয়পুরহাটের জয়

জেএফএ অনুর্দ্ধ-১৪ জাতীয় যুব নারী ফুটবল প্রতিযোগিতার রাজশাহী ভেন্যুর ম্যাচে জয় পেয়েছে জয়পুরহাট জেলা।

শনিবার (২০ জুন) রাজশাহী  মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি স্টেডিয়ামে অনুষ্টিত ‘বি’ গ্রুপের ম্যাচে জয়পুরহাট  জেলা ৩-১ গোলে নওগাঁ জেলাকে পরাজিত করে।

জয়পুরহাট জেলার খালকো ম্যাচের ১৪ মিনিটে প্রথম গোল করে দলকে ১-০ গোলে এগিয়ে নেন। আর্জিনা ম্যাচের ৬০ মিনিটে গোল করলে ব্যবধান বেড়ে দাঁড়ায় ২-০। দলের পক্ষে ৭৪ মিনিটে রিয়া গোল করলে জয়পুরহাট ৩-০ গোলে এগিয়ে যায়। ম্যাচের ৮১ মিনিটে নওগাঁর মরিয়ম দলের পক্ষে একমাত্র গোলটি করলে ব্যবধান কমে দাঁড়ায় ৩-১।

ম্যাচে রেফারীর দায়িত্ব পালন করেন সুমাইয়া আফরিন শাহীন। তাকে সহযোগিতা করেন আইরিন আকতার, সরেন ও লিজা।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি