খুঁজুন
                               
বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬, ১০ আষাঢ়, ১৪৩৩
           

নেপালকে হারিয়ে টানা তৃতীয়বার সাফের ফাইনালে বাংলাদেশ

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬, ৭:২৫ অপরাহ্ণ
নেপালকে হারিয়ে টানা তৃতীয়বার সাফের ফাইনালে বাংলাদেশ

রুদ্ধশ্বাস এক লড়াইয়ে নেপালকে ২-১ গোলে হারিয়ে সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে পৌঁছে গেছে বাংলাদেশ। ভারতের গোয়ায় সেমিফাইনালের হাই-ভোল্টেজ ম্যাচে পিছিয়ে পড়েও প্রত্যাবর্তনের গল্প লিখেছে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা।

ম্যাচের অন্তিম মুহূর্তে নেপালের আত্মঘাতী গোল বাংলাদেশের জয় নিশ্চিত করে। তাতেই টানা তৃতীয়বার নারী সাফের ফাইনালে উঠল বাংলাদেশ নারী দল।

ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে শুরু থেকেই বেশ ছন্নছাড়া ছিল বাংলাদেশ। সেই সুযোগে ম্যাচের ২৩তম মিনিটে লিড নেয় নেপাল। দীপা শাহির নেওয়া কর্নার কিক থেকে গোল করে নেপালিদের এগিয়ে নেন গীতা রানি।

৩৬তম মিনিটে দ্বিতীয় গোল হজম করা থেকে অলৌকিকভাবে বেঁচে যায় লাল-সবুজ শিবির। নেপালের প্রীতি রাজের একটি দূরপাল্লার জোরালো শট গোলরক্ষক মিলি আক্তারের হাতে লেগে পোস্টে প্রতিহত হয়।

পিছিয়ে পড়া বাংলাদেশ প্রথমার্ধের শেষ দিকে গোলের জন্য মরিয়া হয়ে একের পর এক আক্রমণ চালাতে থাকে। অবশেষে বিরতির বাঁশি বাজার ঠিক আগমুহূর্তে অবিশ্বাস্য এক গোল করেন ঋতুপর্ণা চাকমা।কর্নার কিক থেকে সরাসরি বাঁকানো শটে নেপালের জালে বল পাঠিয়ে দলকে ১-১ সমতায় ফেরান তিনি।

বিরতির পর দুই দলই জয়ের নেশায় মরিয়া হয়ে আক্রমণ চালাতে থাকে। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই অল্পের জন্য দ্বিতীয় গোল হজম থেকে বাঁচে বাংলাদেশ। নেপালের রেখা গোলকিপারকে ফাঁকি দিয়ে বল ফাঁকা জালের দিকে ঠেলে দিলেও তা পোস্টে লেগে দিক পরিবর্তন করে।

ম্যাচের ৬৯ মিনিটে নেপালের সারু লিম্বুর একটি বাঁকানো শট গোলপোস্টের সামান্য ওপর দিয়ে চলে গেলে আবারও রক্ষা পায় বাংলাদেশ। ৭৮ মিনিটে গোল করার সহজ সুযোগ পেয়েছিলেন বাংলাদেশের সাগরিকা। তবে নেপাল অধিনায়ক গোলকিপার সুব্বা লাফিয়ে উঠে ঘুষি মেরে সাগরিকার শটটি ফিরিয়ে দেন।

অবশেষে ম্যাচের যোগ করা সময়ে ভাগ্য সহায় হয় বাংলাদেশের। শামসুন্নাহার জুনিয়রের একটি পাস ছিল সাগরিকার উদ্দেশে। সাগরিকার চাপে নেপালের রক্ষণভাগ তালগোল পাকিয়ে ফেলে এবং আত্মঘাতী গোল দিয়ে বসে। এই গোলেই ২-১ ব্যবধানের জয় নিয়ে ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করে পিটার বাটলারের শিষ্যরা।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি 

জামায়াতপন্থি আইন কর্মকর্তাদের পদত্যাগ রাজনৈতিক স্ট্যান্টবাজি

আদালত প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬, ১২:২৮ অপরাহ্ণ
জামায়াতপন্থি আইন কর্মকর্তাদের পদত্যাগ রাজনৈতিক স্ট্যান্টবাজি

বুধবার সুপ্রিম কোর্টের এনেক্স কোর্টের সামনে জামায়াতপন্থি ১৮ ডেপুটি ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলের পদত্যাগের প্রতিক্রিয়ায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

ব্যারিস্টার বাদল বলেন, সবসময় অ্যাটর্নি জেনারেল অফিসের সরকারি অ্যাটর্নি জেনারেল, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল, অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল এবং অ্যাটর্নি জেনারেল এই পোস্টগুলোতে যখনই সরকার পরিবর্তন হয়, তখনই এই আইন কর্মকর্তারা স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করে চলে যান। এটাই নিয়ম।

এটাও দেখেছি সরকার গঠনের আগেও নির্বাচন হওয়ার পরেই যখন দেখেছে যে অন্য দল ক্ষমতায় এসেছে, তখন সরকার দলীয় যারা অ্যাটর্নি জেনারেল অফিসের কর্মকর্তা ছিলেন, অ্যাটর্নি জেনারেল সহ তারা পদত্যাগ করেছেন।

ইন্টারেস্টিং বিষয় হলো, আমাদের যে বন্ধুরা গতকাল পদত্যাগ করেছে, উনারা এই সরকারের অধীনে আইন কর্মকর্তা হিসেবে চার মাস কাজ করেছেন। বেতন নিয়েছে, সুযোগ-সুবিধা নিয়েছে, পদ-পদবি ব্যবহার করেছেন। পরে গতকাল উনাদের মনে হলো যে এখন আসলে পদত্যাগ করা দরকার অথবা রিমুভ হবেন, এইজন্য উনারা রাজনৈতিক কিছু বিষয় নিয়ে এসেছে যেটা খুবই অনাকাঙ্ক্ষিত।

আমার কথা হচ্ছে, উনাদের এই বক্তব্যটা টোটালি পলিটিক্যাল স্ট্যান্টবাজি। রাজনৈতিকভাবে প্রভাবিত, যেটা আমরা প্রত্যাশা করিনি তাদের কাছ থেকে।

বিএনপির আইন বিষয়ক সম্পাদক বলেন, এখন আমি অ্যাটর্নি জেনারেল সাহেবকে আপনাদের মাধ্যমে বলতে চাই, এই চার মাস যে উনারা কাজ করলেন, এরা সরকারের পক্ষে কাজ করেছে? নাকি সরকারের বিপক্ষে স্যাবোটাজ করেছে? এই চার মাসের যে যতগুলো ফাইল ছিল, সবগুলো ফাইল যেন উনারা একটু খোঁজখবর নিয়ে দেখেন।

কারণ সরকারের কাছ থেকে বেতন-ভাতা সুযোগ-সুবিধা সব নিয়ে পদত্যাগ করে আবার সরকারের বিরুদ্ধেই অবস্থান নিলেন। অ্যাটর্নি জেনারেলের অফিসে সরকারের স্বার্থ রক্ষার তারা জন্য কাজ করেছে বলে আমাদের কাছে মনে হয়নি। কাজেই সরকারের বিরুদ্ধে মনে হয় কাজ করেছে, এইজন্য রাজনৈতিকভাবে প্রভাবিত হয়ে এই সমস্ত ভিত্তিহীন অভিযোগ তারা এনেছে, যেটা অনাকাঙ্ক্ষিত এবং এটা রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

পাঠ্যবইয়ে যুক্ত হচ্ছে না হাদির ‘বীরত্বগাঁথা’

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬, ১২:২২ অপরাহ্ণ
পাঠ্যবইয়ে যুক্ত হচ্ছে না হাদির ‘বীরত্বগাঁথা’

,

সন্ত্রাসীর গুলিতে নিহত ইনকিলাব মঞ্চের সাবেক মুখপাত্র ও জুলাই বিপ্লবী শরীফ ওসমান বিন হাদির ‘বীরত্বগাথা’র বিষয়টি আগামী ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের পাঠ্যপুস্তকে যুক্ত হচ্ছে না।

ইতোমধ্যে সরকারের বিনামূল্যের পাঠ্যবই ছাপানোর দায়িত্বে থাকা জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) সর্বশেষ উচ্চ পর্যায়ের সভায় চূড়ান্ত পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। তবে সেখানে হাদির বিষয়টি নিয়ে কোনো এজেন্ডা ছিল না।

যদিও ২০২৮ শিক্ষাবর্ষে হাদির বিষয়টি যুক্ত হবে কি না, আগামীতে তা সংশ্লিষ্ট পরিকল্পনা ও বিষয়ভিত্তিক কমিটি সিদ্ধান্ত নেবে।

জানা গেছে, আগামী শিক্ষাবর্ষের পাঠ্যবইয়ে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হচ্ছে। এর অংশ হিসেবে নবম-দশম শ্রেণির বাংলা সাহিত্য বইয়ে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের লেখা ‘একটি জাতির জন্ম’ এবং ‘স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মৃতি’ শীর্ষক দুটি প্রবন্ধের আলোকে নতুন পাঠ প্রস্তুত করা হচ্ছে।

এছাড়া প্রাথমিকের পঞ্চম শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বইয়ের ‘আমাদের স্মরণীয় নেতা’ পাঠে চার নেতার সঙ্গে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে।

তবে প্রাথমিকের পঞ্চম শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বইয়ের ‘আমাদের স্মরণীয় নেতা’ পাঠে ওসমান হাদির বিষয়টি যুক্ত হচ্ছে না।

এ বিষয়ে এনসিটিবির প্রাথমিক শিক্ষাক্রম উইংয়ের সদস্য প্রফেসর ড. মো. ইকবাল হায়দার বলেন, ‘আগামী শিক্ষাবর্ষের জন্য প্রাথমিকের পাঠ্যবইয়ের সম্পাদনার কাজ শতভাগ সম্পূর্ণ, আমাদের সম্পাদনার কাজ শেষ, বাকি কার্যক্রম শুরু হবে।’

২০২৭ শিক্ষাবর্ষে প্রাথমিকের বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বইয়ে শরীফ ওসমান হাদির বিষয়টি যুক্ত হচ্ছে না বলেও জানান তিনি।

ইকবাল হায়দার আরও বলেন, ২০২৮ সালের শিক্ষাবর্ষে হাদির বিষয়টি যুক্ত হবে কি না, সে বিষয়ে পরিকল্পনা কমিটি ও বিষয়ভিত্তিক কমিটি সিদ্ধান্ত নেবে। আমাদের যে নির্দেশনা দেওয়া হবে, সে অনুযায়ী কাজ করব।’

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সম্মুখসারির যোদ্ধা ওসমান হাদি গত বছরের ১২ ডিসেম্বর জুমার নামাজের পর রাজধানীর বিজয়নগরের বক্স কালভার্ট এলাকায় গুলিবিদ্ধ হন। এরপর তাকে দুই দফায় প্রথমে ঢাকা মেডিকেলে এবং পরে এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়।

কিন্তু অবস্থার পরিবর্তন না হওয়ায় ১৫ ডিসেম্বর উন্নত চিকিৎসার জন্য হাদিকে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসারত অবস্থায় গত ১৮ ডিসেম্বর রাত ৯টা ৪৫ মিনিটে তিনি মারা যান। ত্রয়োদশ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসনের এমপি প্রার্থী ছিলেন হাদি।

কালের আলো/এসআর/এএএন

নকল পেলে প্রতিষ্ঠান প্রধানকে আইনের আওতায় আনা হবে : শিক্ষামন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬, ১২:০৫ অপরাহ্ণ
নকল পেলে প্রতিষ্ঠান প্রধানকে আইনের আওতায় আনা হবে : শিক্ষামন্ত্রী

বুধবার (২৪ জুন) রাজধানীর আজিমপুর গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজে আসন্ন এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা উপলক্ষ্যে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড, ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের কেন্দ্র সচিবদের সঙ্গে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, সংসদে আগের পরীক্ষা আইন সংশোধন করে বর্তমান সময়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করা হয়েছে। নকল-প্রশ্নফাঁসের বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। সেজন্য এখন পরীক্ষা আইনের পরিবর্তন করা হয়েছে।

এসময় ঢাকা ৭ আসনের সংসদ সদস্য হামিদুর রহমান, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ড ঢাকার চেয়ারম্যান প্রফেসর আক্তারুজ্জামান, সচিব অধ্যাপক এস এম কামাল উদ্দিন হায়দার উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এএন/এমএসআইপি