খুঁজুন
                               
রবিবার, ৭ জুন, ২০২৬, ২৪ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
           

হিজবুল্লাহর হামলা বন্ধের শর্তে যুদ্ধবিরতিতে সম্মত ইসরায়েল ও লেবানন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০২৬, ৯:৫৮ পূর্বাহ্ণ
হিজবুল্লাহর হামলা বন্ধের শর্তে যুদ্ধবিরতিতে সম্মত ইসরায়েল ও লেবানন

হিজবুল্লাহর হামলা বন্ধের শর্তে যুদ্ধবিরতি কার্যকরে সম্মত হয়েছে ইসরায়েল ও লেবানন। যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় হওয়া এ সমঝোতা নিয়ে আগামী ২২ জুন আবার বৈঠকে বসবে দুই দেশ।

বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দফতর থেকে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বলা হয়, ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর সব ধরনের হামলা বন্ধ হওয়াসহ কয়েকটি শর্ত পূরণ সাপেক্ষে এই সমঝোতা কার্যকর হবে। খবর বিবিসির।

এমন এক সময়ে এই ঘোষণা এসেছে, যখন বুধবার দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় অন্তত নয়জন নিহত হয়েছেন এবং হিজবুল্লাহ উত্তর ইসরায়েলে রকেট ছুড়ে এপ্রিল মাসে হওয়া নড়বড়ে যুদ্ধবিরতিকে নতুন করে পরীক্ষার মুখে ফেলেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দফতরের বিবৃতিতে বলা হয়, ‘ইসরায়েল ও লেবাননের ভবিষ্যৎ সম্পর্ক দুই দেশের সার্বভৌম সরকারই নির্ধারণ করবে। সব পক্ষ এ বিষয়ে একমত হয়েছে। কোনো শক্তি যেন লেবাননের ভবিষ্যৎকে জিম্মি করতে না পারে, সেটিও তারা প্রত্যাখ্যান করেছে।’

চুক্তির আরেকটি শর্ত হলো, লিতানি নদী থেকে ইসরায়েল সীমান্ত পর্যন্ত দক্ষিণ লেবাননের যে এলাকায় ইসরায়েল নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেছে, সেখান থেকে হিজবুল্লাহর সব সদস্যকে সরিয়ে নিতে হবে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, লেবাননের সেনাবাহিনীকে একক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার সুযোগ দিতে ‘পাইলট জোন’ গঠন প্রক্রিয়ায় সহায়তা করবে যুক্তরাষ্ট্র।

এর আগে সোমবার একটি আংশিক যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়। ওই সমঝোতা অনুযায়ী, হিজবুল্লাহ ইসরায়েলে হামলা না চালালে ইসরায়েল বৈরুতে বড় ধরনের বোমা হামলা থেকে বিরত থাকবে।

দুই দেশ আগামী ২২ জুন আবার বৈঠকে বসবে। লক্ষ্য থাকবে একটি পূর্ণাঙ্গ চুক্তিতে পৌঁছানো। তবে এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য করেনি লেনাননের সশস্ত্র সংগঠন হিজবুল্লাহ।

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেন, লেবাননের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হিজবুল্লাহর প্রভাবমুক্ত একটি কার্যকর কর্মপরিকল্পনা তৈরির আশা করছে ওয়াশিংটন।

এদিকে চলতি সপ্তাহেই উভয় পক্ষের হামলা-পাল্টা হামলায় আংশিক যুদ্ধবিরতি চাপে পড়ে। লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, বুধবার ইসরায়েলি হামলায় নিহতদের মধ্যে দুজন ছিলেন প্যারামেডিক, যাদের অ্যাম্বুলেন্স দক্ষিণাঞ্চলের চেহৌর এলাকায় লক্ষ্য করে আঘাত হানা হয়। বৈরুতের দক্ষিণেও একটি গাড়িতে হামলা চালানো হয়।

অন্যদিকে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, তারা সীমান্ত অতিক্রম করে আসা একটি ড্রোন ও দুটি ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করেছে। হিজবুল্লাহ দাবি করেছে, তারা ইসরায়েলি সেনাদের একটি সমাবেশ লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে।

বুধবারের ঘোষণার আগে ইসরায়েলের নেতারা সতর্ক করে বলেছিলেন, উত্তর ইসরায়েলে হামলা অব্যাহত থাকলে বৈরুতের দক্ষিণাঞ্চলীয় উপশহর দাহিয়েহে আবারও ব্যাপক হামলা চালানো হবে।

তবে হিজবুল্লাহর রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য মাহমুদ কামাতি মঙ্গলবার বলেন, ‘কোনো যুদ্ধবিরতি চুক্তি হয়নি। শুধু দাহিয়েহকে সুরক্ষার বিষয়টি নিয়ে কথা হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ওয়াশিংটনে অনুষ্ঠিত লেবানন-ইসরায়েল আলোচনায় গৃহীত কোনো সিদ্ধান্তই হিজবুল্লাহ মানতে বাধ্য নয়।

গত ২ মার্চ ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনীকে হত্যা করে ইসরায়েল। এর জবাবে হিজবুল্লাহ ইসরায়েলে রকেট নিক্ষেপ করলে সংঘাত নতুন মাত্রা পায়। এরপর লেবাননজুড়ে বিমান হামলা এবং দক্ষিণাঞ্চলে স্থল অভিযান শুরু করে ইসরায়েল।

লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে দেশটিতে অন্তত ৩ হাজার ৫১৬ জন নিহত হয়েছেন। জাতিসংঘ জানিয়েছে, এক কোটির বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হিসেবে নিবন্ধিত হয়েছেন এবং ইসরায়েলের সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেশের এক-অষ্টমাংশেরও বেশি এলাকা জুড়ে কার্যকর রয়েছে।

ইসরায়েলের দাবি, যুদ্ধ চলাকালে সীমান্তের দুই পাশে তাদের ২৬ সেনা ও চার বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন।

কালের আলো/এসআর/এএএন

সরকার সমাজের অবহেলিত জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে : ডা.জাহিদ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ৭ জুন, ২০২৬, ২:০৩ পূর্বাহ্ণ
সরকার সমাজের অবহেলিত জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে : ডা.জাহিদ

সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেছেন, বর্তমান সরকার সমাজের অবহেলিত জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। নারী নির্যাতন ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করা হয়েছে। এছাড়া এডুকেশন স্কিল, কেয়ারগিভার ও ভাষাশিক্ষা প্রশিক্ষণের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

শনিবার (৬ জুন) রাজধানীর ইস্কাটনে পুলিশ কনভেনশন হলে আয়োজিত এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

সমাজকল্যাণ মন্ত্রী বলেন, এই উদ্যোগের মাধ্যমে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে রক্তের নিরাপদ সংরক্ষণ ও সরবরাহ ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী হবে। বিশেষ করে থ্যালাসেমিয়া, ডেঙ্গু, দুর্ঘটনা ও জরুরি অস্ত্রোপচারে রক্তের প্রয়োজন মেটাতে এই রেফ্রিজারেটর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

তিনি আরও বলেন, রক্ত একটি জীবনদায়ী উপাদান। এর সংরক্ষণ ও সরবরাহ ব্যবস্থা যত শক্তিশালী হবে, তত বেশি মানুষের জীবন বাঁচানো সম্ভব। বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে নির্বাচনি অঙ্গীকার বাস্তবায়নে আমরা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। ‌‘এজন্য জুনের পর অ্যাডভোকেসি কার্যক্রম প্রথমে ঢাকাতে শুরু করতে চাই। এরপর সারাদেশে এই কার্যক্রম শুরু হবে।’

তিনি সরকারের পাশাপাশি প্রচার-প্রচারণায় জনগণকে সচেতন করতে সাংবাদিক ও গণমাধ্যমের ভূমিকার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।

মন্ত্রী আরও বলেন, সরকার স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে বেসরকারি সংগঠন ও স্বেচ্ছাসেবীদের সঙ্গে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে কাজ করছে। রোটারি ক্লাব অব গুলশান অ্যাভিনিউয়ের এই মানবিক উদ্যোগকে আমি স্বাগত জানাই। এ ধরনের কর্মকাণ্ড দেশের সামাজিক দায়বদ্ধতাকে আরও এগিয়ে নেবে। আমরা কাজ করতে চাই, দেশ গড়তে চাই এবং পৃথিবীর মানচিত্রে আমাদের দেশকে সম্মানের সাথে তুলে ধরতে চাই।

সমাজকল্যাণ মন্ত্রী বলেন, সমাজে যত অন্যায় আছে তা দূর করতে সর্বস্তরের মানুষকে সম্পৃক্ত (ইনভলভ) করতে চাই। তিনি বলেন, সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে সমাজ থেকে মাদকাসক্তি দূর করতে, জুয়াখেলা নিয়ন্ত্রণে, নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে এবং রামিসার মতো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা যাতে আর না ঘটে—সেসব বিষয়ে জনগণকে সচেতন করে তুলতে হবে।

সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হুসাইন ফকির ও স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক নাজমুল হোসাইন। এছাড়া পিডিজি ড. ইশতিয়াক এ. জামান, রোটারি ক্লাব অব গুলশান অ্যাভিনিউয়ের প্রোগ্রাম চেয়ারম্যান ও ক্লাব ডিরেক্টর রোটারিয়ান মো. সালাহ উদ্দিন এবং রোটারি ক্লাব অব গুলশান অ্যাভিনিউয়ের সভাপতি রোটারিয়ান ডাক্তার লুবনা শারমিন অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন।

কালের আলো/এসআর/এএএন

৩০ বছর পর ধলা আশ্রয়কেন্দ্র পরিদর্শনে সমাজকল্যাণমন্ত্রী, উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি

মোঃ শামসুল আলম খান, কালের আলো:
প্রকাশিত: শনিবার, ৬ জুন, ২০২৬, ৯:৪২ অপরাহ্ণ
৩০ বছর পর ধলা আশ্রয়কেন্দ্র পরিদর্শনে সমাজকল্যাণমন্ত্রী, উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি

ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার ধলায় অবস্থিত সরকারি ভবঘুরে ও পুনর্বাসন আশ্রয়কেন্দ্র দীর্ঘদিনের অবকাঠামোগত ও সেবামূলক সংকটসহ নানা অভিযোগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে আশ্রয়কেন্দ্রটি পরিদর্শন করেছেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ডাঃ এজেডএম জাহিদ হোসেন। দীর্ঘ তিন দশক পর কোনো মন্ত্রী সরেজমিনে পরিদর্শন করায় প্রশংসায় ভাসছেন বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

শুক্রবার (৫ জুন) সমাজকল্যাণমন্ত্রী আশ্রয়কেন্দ্রটি সরেজমিনে পরিদর্শন করেন এবং সেখানে অবস্থানরত শিশু-কিশোর ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেন। পরিদর্শনকালে তিনি কেন্দ্রের বিভিন্ন সমস্যা, সীমাবদ্ধতা ও জরুরি চাহিদা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য নেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ত্রিশালের ধলায় অবস্থিত এই সরকারি পুনর্বাসন কেন্দ্রটি দীর্ঘদিন ধরে পুরোনো ও ঝুঁকিপূর্ণ অবকাঠামো নিয়ে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থা, পানির লাইন এবং বিদ্যুৎ সংযোগ ব্যবস্থার মতো মৌলিক সেবাগুলো অনেক ক্ষেত্রেই পুরোনো ও অকার্যকর হয়ে পড়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। পাশাপাশি আবাসন ও প্রশাসনিক ভবনের অবস্থাও জরাজীর্ণ হওয়ায় দৈনন্দিন কার্যক্রমে নানা ধরনের সমস্যা দেখা দিচ্ছে।

আশ্রয়কেন্দ্রে থাকা একাধিক নিবাসী জানান, দীর্ঘ সময় পর কোনো মন্ত্রীর আগমন করায় আমরা ব্যাপক খুশি। দীর্ঘদিন ধরে আমরা অনেক সমস্যার মধ্যে আছি।”

পরিদর্শন শেষে সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ডাঃ এজেডএম জাহিদ হোসেন বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে আমরা আজকে এই অবহেলিত আশ্রয় কেন্দ্রটিতে পরিদর্শনে এসেছি। আশ্রয় কেন্দ্রটির বিদ্যমান সমস্যা দ্রুত সমাধানের জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে। সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও তিনি জানান।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক রাজু আহমেদ, ত্রিশাল উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক এনামুল হক ভূইয়া, আশ্রয়কেন্দ্রের কর্মকর্তাসহ প্রমুখ।

কালের আলো/এম/এএইচ

অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে আরএমপি কমিশনারের মতবিনিময়

রাজশাহী প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ৬ জুন, ২০২৬, ৯:৩২ অপরাহ্ণ
অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে আরএমপি কমিশনারের মতবিনিময়

রাজশাহী মহানগরীর আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, মাদক ও ছিনতাই নিয়ন্ত্রণ এবং অপরাধ দমনে অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তাদের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে মতবিনিময় সভা করেছে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ (আরএমপি)।

শনিবার বেলা ১২টায় আরএমপি সদর দপ্তরের কনফারেন্স রুমে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ ফয়েজুল কবির।

সভায় মহানগরীর সার্বিক নিরাপত্তা জোরদার, অপরাধ প্রতিরোধ এবং কমিউনিটি পুলিশিং কার্যক্রম আরও কার্যকর করার বিষয়ে আলোচনা হয়। এ সময় অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তাদের দীর্ঘ কর্মজীবনের অভিজ্ঞতা বর্তমান পুলিশিং কার্যক্রমে কাজে লাগানোর ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

মতবিনিময় সভায় উপস্থিত অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তারা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, মাদক ও ছিনতাই নিয়ন্ত্রণ এবং সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন। পাশাপাশি কমিউনিটি পুলিশিং কার্যক্রমে তাদের সম্পৃক্ত করারও আহ্বান জানান।

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন আরএমপি’র উপ-পুলিশ কমিশনার (সদর), উপ-পুলিশ কমিশনার (ফোর্স), বিশেষ পুলিশ সুপার (সিটিএসবি), আরএমপি’র মুখপাত্র ও উপ-পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড সিটিটিসি), অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (সদর) এবং রাজশাহীর অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তারা।

সভা শেষে ভবিষ্যতে সমন্বিতভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন অংশগ্রহণকারীরা।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি